Chef Unity Abong Ranna
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Chef Unity Abong Ranna, Blogger, Dhaka, Savar.
আমরা একটি উর্দু গান কমবেশি সবাই জানি।
=রাফতা রাফতা এ মেরে
হাসতি কা সামা গ্যায়ে।
এই গানটির পূর্ণ আমাদের মাতৃভাষায় যদি শোনা যায় তাহলে কেমন শ্রুতিমধুরই হয় শুনুন-
১. প্রথম স্তবক:
রাফতা রাফতা ও মেরে হাসতি কা সামা হো গ্যায়ে
প্যহলে জা ফির jaane-জা ফি জানে জানা হোগ্যায়ে
অর্থ: আস্তে আস্তে (ধীরে ধীরে) সে আমার অস্তিত্বের সবকিছু হয়ে উঠেছে। প্রথমে সে ছিল আমার জীবন (জা/জান), তারপর হলো আমার হৃদয়ের জীবন (জানে-জা), আর শেষমেশ সে আমার প্রাণের চেয়েও প্রিয়তম (জানে-জানা) হয়ে উঠেছে।
২. দ্বিতীয় স্তবক:
দিন বা দিন বাড়তি গ্যায়ি ইছ হুসন কি রোনাইয়া
প্যাহলে গুল ফির গুলবাদান ফির গুলবাদানা হোগ্যায়ি।
অর্থ: দিন দিন তার এই রূপের উজ্জ্বলতা ও সৌন্দর্য কেবল বেড়েই চলেছে। প্রথমে সে ছিল একটি সাধারণ ফুল (গুল), তারপর হলো ফুলের মতো কোমল দেহের অধিকারী (গুলবদন), আর এখন সে নিজেই সৌন্দর্যের এক পূর্ণাঙ্গ ফুল বাগান হয়ে উঠেছে।
৩. তৃতীয় স্তবক:
আপতো নজদীখছে নজদীখতার আতে গ্যায়ে
প্যাহলে দিল ফির দিলরুবা, ফির দিলকে ম্যাহমা হোগ্যায়ে।
অর্থ: আপনি তো আমার কাছের চেয়েও আরও বেশি কাছে চলে এসেছেন। প্রথমে আপনি আমার মন (দিল) জয় করেছিলেন, তারপর হলেন আমার প্রিয়তমা (দিলরুবা), আর এখন আপনি আমার হৃদয়ের চিরস্থায়ী মেহমান (অতিথি) হয়ে গেছেন।
৪. চতুর্থ স্তবক:
পেয়ার যব হাদছে বাড়হা সারে তাকাল্লুফ মিট গ্যায়ে
আপছে, ফির তুম হুয়ে, ফির তু কা উনউয়া হোগ্যায়ে
(নোট: আপনার শেষ লাইনে 'ফিন তুকিা' মূলত 'ফির তু কা' হবে)
অর্থ: ভালোবাসা যখন সব সীমা ছাড়িয়ে গেল, তখন আমাদের মাঝের সমস্ত আনুষ্ঠানিকতা ও লোকদেখানো দূরত্ব (তাকাল্লুফ) মুছে গেল। সম্পর্কের শুরু হয়েছিল আনুষ্ঠানিক সম্মান দিয়ে—'আপ' (আপনি) বলে, তারপর তা রূপ নিল ঘনিষ্ঠ 'তুম' (তুমি)-তে, আর শেষমেশ তা পরম ভালোবাসার 'তু' (তুই/তুই-তোকারি বা একাত্মতা)-তে গিয়ে ঠেকেছে।
সংক্ষেপে মূলভাব:
এই গজলটিতে ধাপে ধাপে একটি ভালোবাসার গভীরতা বাড়ার গল্প বলা হয়েছে। কীভাবে একজন অপরিচিত মানুষ ধীরে ধীরে জীবনের সবকিছু হয়ে ওঠে, রূপের প্রকাশ ঘটে এবং সম্পর্কের আনুষ্ঠানিকতা (আপনি থেকে তুমি, তারপর তুই) ভেঙে দুজন মানুষ একাত্ম হয়ে যায়—তাই খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
10/05/2026
স্নেহের অমি, (আমার ছেলে)
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের Southeast Missouri State University থেকে Cybersecurity বিষয়ে (Full Marks) পেয়ে সাফল্যের সাথে Master's ডিগ্রি সম্পন্ন করার সংবাদটি আমাদের জন্য এক অপার আনন্দ ও গর্বের বার্তা বয়ে এনেছে।
তোমার এই অসামান্য অর্জন কেবল তোমার মেধা নয়, বরং তোমার নিরলস অধ্যবসায়, কঠোর পরিশ্রম এবং লক্ষ্য স্থির রাখারই এক বলিষ্ঠ প্রতিফলন। দেশের মাটিতে AIUB থেকে CSE বিভাগে সফলভাবে স্নাতক সম্পন্ন করার পর, বিদেশের মাটিতে তোমার এই অভাবনীয় সাফল্য আমাদের সকলকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।
দূর প্রবাসে একাকী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক আঙিনায় তুমি যেভাবে নিজের যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখেছ, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। তোমার এই যাত্রা আগামী প্রজন্মের কাছে অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।
বাবা হিসেবে তোমার এই সাফল্যে আমি আজ খুব খুশি। আমরা তোমার জন্য ভীষণ গর্বিত! তোমার ভবিষ্যৎ পথচলা হোক আরও দীপ্তিময়, আরও সাফল্যমণ্ডিত।
প্রার্থনা করি, তুমি যেন আগামী দিনগুলোতেও আরও বড় সফলতার দেখা পাও এবং তোমার কাজের মাধ্যমে দেশের সম্মান আরও উজ্জ্বল করো।
হৃদয়ের গভীর থেকে তোমার জন্য রইল অজস্র ভালোবাসা। শুভকামনা অবিরাম।
৫-মে, ২০২৬
সাভারের সুপরিচিত ও সর্বজনশ্রদ্ধেয় চিকিৎসক ডাঃ মার্সেল পেরেরা আজ মঙ্গলবার আকস্মিকভাবে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তাঁর এই অকাল ও আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পেশাগত জীবনে ডাঃ মার্সেল কেবল একজন দক্ষ চিকিৎসকই ছিলেন না, বরং আর্তমানবতার সেবায় তিনি ছিলেন এক নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিত্ব। সাভারের অসংখ্য সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের সাথে তিনি ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। তাঁর বিনয়ী আচরণ এবং মানুষের বিপদে এগিয়ে আসার মানসিকতা তাঁকে সবার কাছে "মানবতার বন্ধু" হিসেবে পরিচিত করে তুলেছিল।
মৃত্যুকালে তিনি তাঁর স্ত্রী, দুই ছেলে, পুত্রবধূ, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর প্রয়াণের সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে দীর্ঘদিনের সহকর্মী, রোগী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের মাঝে শোকের রোল পড়ে যায়।
স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে বলেছেন, "ডাঃ মার্সেল পেরেরার মৃত্যুতে আমরা শুধু একজন চিকিৎসককেই হারাইনি, হারিয়েছি একজন প্রকৃত অভিভাবককে। তাঁর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।"
গ্রামের একজন সচেতন মুরুব্বি জনাব মুকুল পালমা'র স্বাক্ষাৎকার শুনুন।
24/03/2026
#আমাদফির্তি #আলোকিতবোর্ণীধর্মপল্লী
বিড়াল বাঁচাতে গিয়ে ছাদ থেকে পড়ে প্রাণ হারালেন তরুণী
-------------------------------------------------------------
রাজধানীর শাহজাদপুরে পোষা বিড়ালকে বাঁচাতে গিয়ে তিন তলার ছাদ থেকে পড়ে বন্যা কস্তা (৩৬) নামে এক নারীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে শাহজাদপুর এলাকার একটি ভাড়া বাসায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
ঘটনার বিবরণ:
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার ভোরে ঘুম থেকে উঠে বন্যা তার প্রিয় বিড়ালটিকে ঘরে দেখতে না পেয়ে খুঁজতে শুরু করেন। একপর্যায়ে তিনি বাড়ির ছাদে বিড়ালটির সন্ধান পান। বিড়ালটি যাতে ছাদ থেকে নিচে পড়ে না যায়, সেজন্য তিনি ঝুঁকি নিয়ে সেটিকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। এসময় অসাবধানতাবশত পা পিছলে তিনি নিজেই তিন তলার ছাদ থেকে নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরিচয় ও শেষ বিদায়:
নিহত বন্যা কস্তা নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বোর্ণী ধর্মপল্লীর আদগ্রামের সুশান্ত কস্তার মেয়ে এবং বোর্ণী মিশনাস্থ টুনাপাড়ার নিকোলাশ পালমার ছেলে শোভন পালমার স্ত্রী। প্রিয়জনের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকালে বোর্ণী মিশন কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে।
বন্যা কস্তার বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করছি। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি রইল গভীর সমবেদনা।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Telephone
Website
Address
Dhaka
Savar
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 22:00 |
| Tuesday | 09:00 - 22:00 |
| Wednesday | 09:00 - 22:00 |
| Thursday | 09:00 - 22:00 |
| Friday | 09:00 - 22:00 |
| Saturday | 09:00 - 22:00 |
| Sunday | 09:00 - 22:00 |