Path Of True
Alhamdulillah I'm practicing Islam
23/10/2025
আপনারা 'ভালো আওয়ামীলীগার' খুঁজছেন! শেখ হাসিনার চেয়ে 'ভালো আওয়ামীলীগার' আর কেউ কি আছে? তিনি কিন্তু নিজ হাতে কাউকে গুলি করেন নাই, মারেন নাই! শুধু হুকুম দিয়েছেন!!
'ভালো আওয়ামীলীগার' হিসেবে কাউকে কে সুযোগ দিতে চাইলে সুযোগটা তাকেই দিতে হবে। অন্য সব আওয়ামীলীগারেরই হাতে বা মুখে রক্ত কিংবা লুটপাটের গন্ধ যুক্ত আছে। উনিই সবচেয়ে ফ্রেশ; আমি উনাকেই সুযোগটা দেওয়ার পক্ষে!
সার্কাজম
২০২১ সালে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সময় আফগানিস্তানে রেখে যাওয়া আমেরিকার ৭ বিলিয়ন মূল্যের সামরিক সরঞ্জাম ফেরত দেওয়ার জন্য ট্রাম্পের নতুন আহ্বানে
ত।লিবান সরকার সাড়া দিয়েছে এভাবে।
“কেউ যেন মনে না করে যে তারা আফগানিস্তানকে আদেশ দিতে পারে। আমরা অন্য কোনো দেশের নিয়ন্ত্রণ বা প্রশাসনের অধীনে নই। আমেরিকান বাহিনীর রেখে যাওয়া অস্ত্র এখন আফগানিস্তানের। তথা আমাদের জনগণের।
আমেরিকানদের রেখে যাওয়া অস্ত্রগুলি যুদ্ধের লুণ্ঠন (গনিমত) এবং আফগান জনগণের ন্যায্য সম্পত্তি। যদি কেউ আমাদের কাছ থেকে তা কেড়ে নিতে চায়, তাহলে আমরা সেই অ'স্ত্র ব্যবহার করেই জবাব দেব।"
~জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ
ত।লিবান মুখপাত্র।
যারা ইসলামী রাজনীতির ব্যানারে রাজনীতি করেন আপনাদেরকে বাংলাদেশের মানুষ চিনছে শাপলা চত্তর থেকে।
এনাইতুল্লাহ আব্বাসী হাফী।
21/02/2025
জি হা দের এই তপ্ত আগুন।
নেভালেই ফের জ্বলবে দ্বিগুণ।
আজ বাদ জুমআ বাইতুল মোকাররমে বিক্ষোভ সমাবেশ করে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শাপলা চত্ত্বরে গিয়েছেন ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী হুজুর সহ তাওহীদী জনতা।
উল্লেখ্য, পাঠ্যপুস্তক সংস্কার কমিশনের সদস্য রাখাল রাহা কর্তৃক আল্লাহর শানে কটুক্তি, সোহেল হাসান গালিবের রাসূল (সাঃ) অবমাননা ও র্যাব কর্মকর্তা বন্দি ধর্ষক আলেপের মৃত্যুদন্ডের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
ঈমানদীপ্ত দুটি লাইন....
আল্লাহ ও তাঁর হাবিব মুহাম্মাদ ﷺ এর শানে যারা বেয়াদবি করে, আর তা যদি হয় সেই না স্তি ক দের বাক স্বাধীনতা, তাহলে তাদের ক*ল্লা কে*টে নেয়া আমাদের হাতের স্বাধীনতা।
→আল্লামা ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী হুজুর।
সুবহানাল্লাহ! ভেবে হয়রান হয়ে যাই
বিজ্ঞান বলে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক সুস্থ্য পুরুষ একবার সহবাস করলে যে পরিমান বীর্য নির্গত হয় তাতে ৪০ কোটি শুক্রাণু থাকে। লজিক অনুযায়ি মেয়েদের গর্ভে যদি সেই পরিমান শুক্রানু স্থান পেতো তাহলে ৪০ কোটি বাচ্চা তৈরি হতো! এই ৪০ কোটি শুক্রাণু মায়ের জরায়ুর দিকে পাগলের মত ছুঁটতে থাকে, জীবিত থাকে মাত্র ৩০০-৫০০ শুক্রাণু। আর বাকিরা? এই ছুঁটে চলার পথে ক্লান্ত অথবা পরাজিত হয়ে মারা যায়। এই ৩০০-৫০০ শুক্রাণু যেগুলো ডিম্বানুর কাছে যেতে পেরেছে, তাদের মধ্যে মাত্র একটি মহা শক্তিশালী শুক্রাণু ডিম্বানুকে ফার্টিলাইজ করে অথবা ডিম্বানুতে আসন গ্রহন করে। সেই ভাগ্যবান শুক্রাণুটি হচ্ছে আপনি কিংবা আমি অথবা আমরা সবাই। কখনও কি এই মহাযুদ্ধের কথা মাথায় এনেছেন?
❒ আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন- তখন ছিলনা কোন চোঁখ হাত পা মাথা, তবুও আপনি জিতেছিলেন।
❒ আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন- তখন আপনার ছিলনা কোন সার্টিফিকেট, ছিলোনা মস্তিষ্ক তবুও আপনি
জিতেছিলেন।
❒ আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন- তখন আপনার ছিলনা কোন শিক্ষা, কেউ সাহায্য করেনি তবুও আপনি
জিতেছিলেন।
❒ আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন- তখন আপনার একটি গন্তব্য ছিল এবং সেই গন্তব্যের দিকে উদ্দেশ্য ঠিক রেখে একা একাগ্র চিত্তে দৌড় দিয়েছিলেন এবং শেষ অবধি আপনিই জিতেছিলেন।
❒ বহু বাচ্চা মায়ের পেটেই নষ্ট হয়ে যায় কিন্তু আপনি মারা যাননি, পুরো ১০ টি মাস পূর্ণ করতে পেরেছেন।
❒ বহু বাচ্চা জন্মের সময় মারা যায় কিন্তু আপনি টিকেছিলেন।
❒ বহু বাচ্চা জন্মের প্রথম ৫ বছরেই মারা যায় কিন্তু আপনি এখনো বেঁচে আছেন।
❒ অনেক শিশু অপুষ্টিতে মারা যায় কিন্তু আপনার কিছুই হয়নি।
❒ বড় হওয়ার পথে অনেকেই দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে কিন্তু আপনি এখনো আছেন।
আর আজ- আপনি কিছু একটা হলেই ঘাবড়ে যান, নিরাশ হয়ে পড়েন, কিন্তু কেন? কেন ভাবছেন আপনি হেরে গিয়েছেন? কেন আপনি আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছেন? এখন আপনার বন্ধু বান্ধব, ভাই বোন, সার্টিফিকেট, সবকিছু আছে। হাত-পা আছে, শিক্ষা আছে, প্ল্যান করার মস্তিষ্ক আছে, সাহায্য করার মানুষ আছে, তবুও আপনি আশা হারিয়ে ফেলেছেন। যখন আপনি জীবনের প্রথম দিনে হার মানেননি। ৪০ কোটি শুক্রাণুর সাথে মরণপণ যুদ্ধ করে ক্রমাগত দৌড় দিয়ে কারো সাহায্য ছাড়াই প্রতিযোগিতায় একাই বিজয়ী হয়েছেন। তাহলে হতাশা কেন?
❒ কেন একজন আপনার লাইফ থেকে চলে গেলে সেটা মেনে নিতে পারেন না?
❒ কেন আপনি একটা কিছু হলেই ভেঙে পড়েন?
❒ কেন বলেন আমি আর বাঁচতে চাই না?
❒ কেন বলেন, আমি হেরে গিয়েছি?
❒ কেন ভুলে যান যিনি আপনাকে দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন, তাঁকে?
এমন হাজারো কথা তুলে ধরা সম্ভব, কিন্তু আপনি কেন হতাশ হয়ে পড়েন? আপনি কেন হারবেন? কেন হার মানবেন? আপনি শুরুতে জিতেছেন, শেষে জিতেছেন, মাঝপথেও আপনি জিতবেন। নিজেকে সময় দিন, মনকে প্রশ্ন করুন- কী প্রতিভা আছে আপনার? মনের চাওয়াকে সব সময় মূল্য দিন, সব সময় আল্লাহকে স্মরণ করুন। দেখবেন আপনি জিতে যাবেন, শুধু নিজের মনের জোর নিয়ে যুদ্ধ করতে থাকুন নিজে জিতে যাবেন।
😌❤️😌
সংগৃহীত
14/02/2025
আয়নাঘর নাটকের স্ক্রিপ্ট দুর্বল, অভিনয়ে দক্ষতার অভাব!
আয়নাঘর নিয়ে প্রকাশিত ভিডিওর নীচে এমন অগণিত কমেন্টস। হাসি, ঠাট্টা, ট্রল। বড় বড় মেইনস্ট্রিম মিডিয়ার ফেসবুক পেইজের এ সংক্রান্ত ভিডিওগুলো দেখছিলাম। হা হা রিয়্যাক্টে ভরপুর।
ভাবছিলাম...
পাপ কত সহজ! কেবল একটা স্ক্রীন, একটা হাতের স্পর্শ, একটা হা হা রিয়্যাক্ট!!
মুহূর্তেই অগণিত মজলুমের বিপরীতে নিজকে দাঁড় করানো। কত জন?
কত কত কত জুলুম, কান্না!!
হায়, কেউ অণু পরিমাণ মন্দ কাজ করলে তাও দেখতে পাবে।
একটা রিয়্যাক্টের পাপের কত ওজন! এত রক্ত এত কান্নার সাথে বেঈমানি।
শুধু একটা রিয়্যাক্টই কই! বরং ওরাতো মিথ্যার পর মিথ্যা কমেন্টের আড়ালে এতসব জুলুমকেই অস্বীকার করছে, উপহাস করছে!
“যারা অপরাধী, তারা বিশ্বাসীদের উপহাস করত। এবং তারা যখন তাদের কাছ দিয়ে গমন করত তখন পরস্পরে চোখ টিপে ইশারা করত। তারা যখন তাদের পরিবার-পরিজনের কাছে ফিরত, তখনও হাসাহাসি করে ফিরত।”
(আল-মুত্বাফফিফীন : ২৯-৩১)
যুগ বদলায়, জালিমরা ওই একই আবরণ নিয়ে ফিরে আসে বারবার, না?
“তারা সামান্য হেসে নিক। শিঘ্রই তারা তাদের কৃতকর্মের জন্য প্রচুর কাঁদবে।”
(সূরা তাওবা : ৮২)
___________________________
আয়নাঘর নাটকের স্ক্রিপ্ট দুর্বল
নুফরাত জেরীন
13/02/2025
আমরা সবাই সন্ত্রাসী।
আমরা সবাই ইয়ামিন।
আমরা হাসিনার আমলেও সন্ত্রাসী, জংই ছিলাম,
এখনো আছি। এটাই আমাদের নিয়তি।
সন্ত্রাস কাকে বলে, কত প্রকার ও কি কি, দেখিয়ে দেয়ার সময় এসে গেছে।
দ্বিতীয় বিপ্লবের শুরু হওয়ার কত দেড়ি পাঞ্জেরী?
ফেব্রুয়ারি ২০২৫
লেখা ~মাসরুর আনওয়ার চৌধুরী।
12/02/2025
আয়নাঘর দেখতে না দেওয়ার জন্য প্রচন্ড চাপ ইউনূসের উপর ছিলো।
অনেকটা জেদ করেই তিনি আজ ভিজিট করেছেন।
আরেকটা কাজ তিনি করে ফেলেছেন। ক্যামেরার সামনে বলে দিয়েছেন, এমন ৭০০-৮০০ আয়নাঘর সারা দেশজুড়ে আছে।
এই বলে দেওয়াটা বেফাঁস না। এইটা ইন্টেনশনাল।
সরকারের হাতে সময় আছে আরো ১০ মাস। এখন আমাদের মূল দাবিই হবে, এই ৭০০ আয়নাঘর উন্মোচন করেন। আর্মি, ডিজিএফআই আর র্যাবের কারা কারা জড়িত ছিলো, সেইটা খুঁজে বের করেন।
আমরা যত চাপ দিতে পারবো, ডক্টর ইউনূসের জন্য তত সহজ হবে।
মাথায় রাখতে হবে, ইউনূস বিগ ফিস। উনারে গিলে ফেলা বাংলাদেশের কোন বাহিনীর পক্ষে সম্ভব না। বাংলাদেশকে যত মানুষ চিনে, তারচে ডক্টর ইউনূসকে বেশি মানুষ চিনে।
এটাই শেষ সুযোগ। ডক্টর ইউনূস যদি না পারেন, ভবিষ্যতে আর কেউই পারবেন না। কারণ, এতো বড় মাপের মানুষ আমাদের আর নাই।
এই আয়নাঘর শেষ না। শুরু হোক।
এই আয়নাঘরের বিচারের উপরেই নির্ভর করছে ভবিষ্যতে আমাদেরও আয়নাঘরে যাইতে হবে কি না!!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Address
Jamgora
Savar