Ripon Study Point
YOUR ONLINE ACADEMY
#লেনদেন_চেনার_সহজ_উপায়
১. নিজকে সব সময় প্রতিষ্ঠান মনে করতে হবে।
এর পর নিচের প্রশ্নগুলি করতে হবে।
**** প্রতিষ্ঠানে কি আসলো?
**** প্রতিষ্ঠান হতে কি গেলো?
এই দুইটি প্রশ্নের মধ্যে যে কোনো একটি প্রশ্নের উত্তর পেলে অথবা দুইটি প্রশ্নের উত্তর পাওয়া গেলে ঘটনাটি লেনদেন হবে।
যেমনঃ আসবাবপত্র ক্রয় করা হলো ৫০০০ টাকা
এবার প্রশ্ন করি
প্রতিষ্ঠানে কি আসলো?
উত্তরঃ আসবাবপত্র
প্রতিষ্ঠান হতে কি গেলো?
উত্তরঃ নগদ টাকা গেলো।
যেহেতু দুইটি প্রশ্নেরই উত্তর পাওয়া গেছে তাই উক্ত ঘটনা টি লেনদেন।
আর একটি ঘটনা দেখি
আসবাবপত্র ক্রয়ের জন্য ফরমায়েস করা হলো ১০০০০০
এখন আবার প্রশ্ন করি
প্রতিষ্ঠানে কি আসলো?
উত্তরঃ কিছুই না। কারণ ফরমায়েস করা হয়েছে কেনা হয় নি।
প্রতিষ্ঠান হতে কি গেলো?
উত্তরঃ কিছুই না। (কোনো কিছু ক্রয় না হলে টাকা দিবো কেন😀😀😀😀)
এই ঘটনাটি লেনদেন না। কারণ, প্রতিষ্ঠানে কিছু আসেও নি আবার প্রতিষ্ঠান থেকে কিছু যায়ও নি।
ধন্যবাদ
লাইলাতুলকদর রাত
কেউ যদি কদর রাতে আমল করতে চান, এই নিয়মে করতে পারেন...
১। রাত দশটার পর থেকে টিভি বা মোবাইল দেখা থেকে বিরত থাকুন।
২। বেশি গরম লাগলে গোসল করুন ও পরিষ্কার পোষাক পরিধান করুণ।
৩। কোরআন পড়তে পারলে ১২ টার আগ পর্যন্ত কোরআন পরুন।
৪। ৩০মিনিট ধ্যান খেয়াল এনে সালাতু তাজবিহের নামাজ পরুন।
৫। রাত ১ টা থেকে ২ টা পর্যন্ত জিকির করুন। যেমনঃ-
(১) সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার। (১০০ বার করে)
(২) লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (২০০ বার)
(৩) আস্তাগফিরুল্লাহ (কমপক্ষে ৫০০ বার, যত বেশি সম্ভব হয়)
(৪)বেশী বেশী দুরুদ পড়া।
(৫) সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি (কমপক্ষে ১০০ বার)
(৬)"লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়া হুওয়া আ'লা কুল্লি শাইয়্যিন কদির" (কমপক্ষে ১০০ বার)
(৭) দুয়া ইউনুস - "লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায্ যলিমীন" ।(যত পারেন)
(৮)"সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি ওয়া সুবহানাল্লাহিল 'আযীম।" (কমপক্ষে ১০০ বার) ।
(৯) "লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ" বেশি বেশি পড়তে পারেন।
(১০) সূরা ইখলাস যত বেশি পড়া যায়।
৬। রাত ২ টা থেকে ৩ টা পর্যন্ত তাহাজ্জুদ পরুন ৮ রাকাত। রুকু ও সিজদায় বেশি সময় ব্যয় করুন।
৭। তাহাজ্জুদের পর তিন রাকাআত বিতরের নামাজ পরুন।
৮। সেহরি খাওয়ার পূর্বেই হাত তুলুন মালিকের কাছে। আপনার প্রয়োজনের সব কিছু খুলে বলুন..একটু চোখের পানি ফেলে বলুন, "মালিক, আমি আপনার ইবাদত করি এবং আপনার কাছেই হাত পেতেছি...😭 খালি হাতে ফিরিয়ে দিবেন না.....ইত্যাদি...
৯। সেহরি খান।
১০। ফরজ নামাজ পরে ঘুমিয়ে পরুন।
উপরের কথাগুলো মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিন, যারা আপনার কথা শুনে এ আমল করবে, আপনিও তাদের আমলের সমান সাওয়াব পাবেন ইনশাআল্লাহ্।
কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "ভালো কাজের পথ প্রদর্শনকারী আমলকারীর সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে, কিন্তু আমলকারীর সাওয়াবে কোনো ঘাটতি হবে না।..." [মুসলিম ২৬৭৪]
আল্লাহ্ আমাদের আমাল করার তৌফিক দিন।
আমিন
-اَللّهُمَّ اغْفِرْلِيْ وَارْحَمْنِي وَاهْدِنِيْ وَعَافِنِيْ وَارْزُقْنِيْ
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মাগফিরলি, ওয়ারহামনি, ওয়াহদিনি, ওয়া আফিনি, ওয়ারযুকনি
সাধারণ গণিত : বেসিক সূত্র ও কিছু সংজ্ঞ (১১০ টি)
১। গুণফল =গুণ্য × গুণক।
২। গুণক = গুণফল ÷ গুণ্য।
৩। গুণ্য= গুণফল ÷ গুণক
নিঃশেষে বিভাজ্য হলে।
৪।ভাজক= ভাজ্য÷ ভাগফল।
৫। ভাগফল = ভাজ্য ÷ ভাজক।
৬। ভাজ্য = ভাজক × ভাগফল।
নিঃশেষে বিভাজ্য না হলে।
৭। ভাজ্য= ভাজক × ভাগফল + ভাগশেষ।
৮। ভাজ্য= (ভাজ্য— ভাগশেষ) ÷ ভাগফল।
৯।ভাগফল = (ভাজ্য — ভাগশেষ)÷ ভাজক।
১০। গড়= রাশিগুলোর যোগফল ÷ রাশিগুলোর সংখ্যা।
১১। লাভ = বিক্রয়মূল্য — ক্রয়মূল্য।
১২। ক্ষতি = ক্রয়মূল্য — বিক্রয়মূল্য।
১৩। ৫৯০০ ÷ ১০০ = ৫৯
১৪। ১×.১×.০১×.০০১= ০.০০০০০১
১৫। ১০০০ গ্রাম = ১ কিলোগ্রাম।
১৬। ১০ কুইন্টাল = ১ মেট্রিক টন।
১৭। ১ কুইন্টাল= ১০০ কিলোগ্রাম (কেজি)।
১৮। ১ মেট্রিক টন = ১০০০ কিলোগ্রাম (কেজি)।
১৯। ১ এয়র = ১০০ বর্গমিটার।
২০। ১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গমিটার।
২১। আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ।
২২। সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল = ভূমি × উচ্চতা।
২৩। ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = ( ভূমি × উচ্চতা) ÷২
২৪। দৈর্ঘ্য = ক্ষেত্রফল ÷ প্রস্থ।
২৫। প্রস্থ = ক্ষেত্রফল ÷ দৈর্ঘ্য।
২৬। ভূমি = ( ক্ষেত্রফল × ২) ÷ উচ্চতা।
২৭। উচ্চতা = ( ক্ষেত্রফল ×২) ÷ ভূমি।
২৮। পরিসীমা = ২ × ( দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)।
২৯। জনসংখ্যার ঘনত্ব = জনসংখ্যা ÷ আয়তন।
৩০। আয়তন = জনসংখ্যা ÷ ঘনত্ব।
৩১। ঘনত্ব = জনসংখ্যা ÷ আয়তন।
৩২। জনসংখ্যা = ঘনত্ব × আয়তন।
৩৩। ভাগ কী?
উত্তরঃ ভাগ হলো পুনঃ পুনঃ বিয়োগ।
৩৪। খোলা বাক্য কাকে বলে?
উত্তরঃ যখন কোনো বাক্যের সত্য না মিথ্যা যাচাই করা যায় না তাকে খোলা বাক্য বলে।
৩৫। গাণিতিক বাক্য কাকে বলে?
উত্তরঃ যখন কোনো বাক্যের সত্য না মিথ্যা যাচাই করা যায় তাকে গাণিতিক বাক্য বলে।
৩৬। অক্ষর প্রতিক কী?
উত্তরঃ অজানা সংখ্যা নির্দেশক করতে যে বিশেষ প্রতীক বা অক্ষর ব্যবহার করা হয় তাকে অক্ষর প্রতীক বলে।
৩৭। গাণিতিক প্রতীক কী?
উত্তরঃ গণিতে যে প্রতীক ব্যবহার করা হয় তাই গাণিতিক প্রতীক।
৩৮। সংখ্যা প্রতীক কয়টি ও কী কী?
উত্তরঃ সংখ্যা প্রতীক ১০টি। যথা- ০,১,২,৩,৪,৫,৬,৭,৮,৯
৩৯। প্রক্রিয়া প্রতীক কয়টি ও কী কী?
উত্তরঃ ৪টি যথা- +, —, × ,÷
৪০। সম্পর্ক প্রতীক কয়টি ও কী কী?
উত্তরঃ সম্পর্ক প্রতীক অনেক আছে তবে প্রাথমিকে ব্যবহৃত সম্পর্ক প্রতীক ৬ টি যথা—
<
=
>
< নয়
< নয়
= নয়
৪১। গুণিতক কাকে বলে?
উত্তরঃ কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা দ্বারা যে সকল সংখ্যাকে নিঃশেষে ভাগ করা যায়, সেই সকল সংখ্যার প্রত্যেককে ঐ নির্দিষ্ট সংখ্যার গুণিতক বলে।
৪২। লসাগু কাকে বলে?
উত্তরঃ দুই বা ততোধিক সংখ্যার মধ্যে সবচেয়ে ছোট সাধারণ গুণিতককে বলে লসাগু।
৪৩। গসাগু কাকে বলে?
উত্তরঃ একাধিক সংখ্যার মধ্যে সবচেয়ে বড় সাধারণ গুণনীয়ক হলো গসাগু।
৪৪। গুণনীয়ক কাকে বলে?
উত্তরঃ কোনো সংখ্যা যে সকল সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য, সেই সকল সংখ্যাকে গুণনীয়ক বলে।
৪৫। মৌলিক সংখ্যা কাকে বলে?
উত্তরঃ কোনো সংখ্যার গুণনীয়ক যদি ১ এবং ঐ সংখ্যা(শুধু দুইটি) হয় তাহলে সংখ্যাটিকে মৌলিক সংখ্যা বলে।
৪৬। সংখ্যারশি কী?
উত্তরঃ কতিপয় সংখ্যাকে প্রক্রিয়া চিহ্ন এবং প্রয়োজনে বন্ধনী দ্বারা যুক্ত করলে একটি সংখ্যা রশি তৈরি হয়।
যেমনঃ (৩৬÷৪)× ৫—৭
৪৭। ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উত্তরঃ কোনো বস্তু বা পরিমানের অংশ নির্দেশ করতে যে সংখ্যা ব্যবহৃত হয় তাকে ভগ্নাংশ বলে।
৪৮। প্রকৃত ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে ভগ্নাংশের লব ছোট হর বড় তাকে প্রকৃত ভগ্নাংশ বলে।
৪৯। অপ্রকৃত ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে ভগ্নাংশের লব বড় হর ছোট তাকে অপ্রকৃত ভগ্নাংশ বলে।
৫০। সমহর বিশিষ্ট ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে ভগ্নাংশের হর একই তাকে সমহর বিশিষ্ট ভগ্নাংশ বলে।
৫১। মিশ্র ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে ভগ্নাংশে পূর্ণ সংখ্যার সাথে প্রকৃত ভগ্নাংশ যুক্ত হয়ে থাকে তাকে মিশ্র ভগ্নাংশ বলে।
৫২। গড় কাকে বলে?
উত্তরঃ রাশিগুলোর যোগফলকে রাশি গুলোর সংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে যে মান পাওয়া যায় তাই গড়।
৫৩। শতকরা কী?
উত্তরঃ শতকরা হলো এমন একটি অনুপাত যা ১০০ এর ভগ্নাংশ রুপে প্রকাশ করা হয়।
৫৪। আসল কী?
উত্তরঃ বিনিয়োগ কৃত টাকাকে আসল বলে।
৫৫। বৃত্ত কী?
উত্তরঃ বৃত্ত হলো একটি আবদ্ধ বক্ররেখা যার প্রত্যেক বিন্দু ভিতরের একটি বিন্দু থেকে সমান দুরে থাকে।
৫৬। পরিধি কী?
উত্তরঃ যে বক্ররেখাটি বৃত্তকে আবদ্ধ করে রেখেছে তাকে পরিধি বলে।
৫৭। জ্যা কী?
উত্তরঃ জ্যা হলো একটি বৃত্তচাপের শেষ প্রান্তে বিন্দু দুইটির সংযোজক রেখাংশ।
৫৮। ব্যাসার্ধ কী?
উত্তরঃ কেন্দ্র থেকে পরিধির দুরত্বই হলো ব্যাসার্ধ।
৫৯। কর্ণ কাকে বলে?
উত্তরঃ বিপরীত শীর্ষ বিন্দুর সংযোগকারী রেখাকে কর্ণ বলে।
৬০। রম্বস কাকে বলে?
উত্তরঃ যে চতুর্ভূজের চারটি বাহুর দৈর্ঘ্য সমান তাকে রম্বস বলে।
৬১। আয়ত কাকে বলে?
উত্তরঃ যে চতুভূজের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল তাকে আয়ত বলে।
৬২। বর্গ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে আয়তের চারটি বাহু সমান ও কোন গুলো সমান তাকে বর্গ বলে।
৬৩। চতুর্ভুজ কাকে বলে?
উত্তরঃ চারটি বাহু দ্বারা সীমাবদ্ধ ক্ষেত্রকে চতুর্ভূজ বলে।
৬৪। অধিবর্ষ কী?
উত্তরঃ চার দ্বারা বিভাজ্য বছরকে অধিবর্ষ বলে।
৬৫। ১ শতাব্দী কী?
উত্তরঃ ধারাবাহিক ১০০ বছর সময় কালকে ১ শতাব্দী বলে।
৬৬। যুগ কী?
উত্তরঃ ধারাবাহিক ভাবে ১২ বছর সময় কালকে ১ যুগ বলে।
৬৭। ১ দশক কী?
উত্তরঃ ধারাবাহিক ভাবে ১০ বছর সময় কাল হয় ১ দশক।
৬৮। উপাত্ত কাকে বলে?
উত্তরঃ প্রাপ্ত তথ্য সমূহকে সংখ্যার মাধ্যমে প্রকাশ করাকে উপাত্ত বলে।
৬৯। উপাত্ত কত প্রকার ও কী কী?
উত্তরঃ উপাত্ত ২ প্রকার। বিন্যস্ত উপাত্ত এ অবিন্যস্ত উপাত্ত।
৭০। বিন্যস্ত উপাত্ত কাকে বলে?
উত্তরঃ যে উপাত্ত গুলো কোনো বৈশিষ্ট অনুযায়ী সাজানো থাকে তাকে বিন্যস্ত উপাত্ত বলে।
৭১। অবিন্যস্ত উপাত্ত কাকে বলে?
উত্তরঃ যে উপাত্ত গুলো কোনো বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী সাজানো থাকেনা তাকে অবিন্যস্ত উপাত্ত বলে।
৭২। লেখচিত্র কাকে বলে?
উত্তরঃ চাক্ষুষ প্রদর্শনের জন্য রেখার সাহায্যে আঁকাচিত্র হলো লেখচিত্র।
৭৩। শ্রেণি ব্যবধান কী?
উত্তরঃ শ্রেণির উর্ধ্বসীমা ও নিম্নসীমার মধ্যে পার্থক্যই হলো শ্রেণি ব্যবধান।
৭৪। ঘটন সংখ্যার অপর নাম কী?
উত্তরঃ গণসংখ্যা।
৭৫। জনসংখ্যার ঘনত্ব কী?
উত্তরঃ প্রতি বর্গ কিলোমিটারে বসবাসরত লোক সংখ্যা হলো জনসংখ্যার ঘনত্ব।
৭৬। ক্যালকুলেটর কী?
উত্তরঃ ক্যালকুলেটর হলো একটি সাধারণ গণনার জন্য হস্তচালিত একটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র, যা একটি বৈদ্যুতিক ব্যাটারি দ্বারা চলে।
৭৭। মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত কী ক্যালকুলেটর ব্যবহৃত হয়?
উত্তরঃ বৈজ্ঞানিক ক্যালকুলেটর।
৭৮। কম্পিউটার কী?
উত্তরঃ কম্পিউটার একটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র যা ক্যালকুলেটর অপেক্ষা বড় গণনা করতে পারে।
৭৯। রাশিগুলোর যোগফল = গড় ×রাশিগুলোর সংখ্যা।
৮০। যৌগিক সংখ্যা কাকে বলে?
উত্তরঃ যে সংখ্যার গুণনীয়ক ১ এবং ঐ সংখ্যা ছাড়াও অন্য সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা যায়,তাকে যৌগিক সংখ্যা বলে।
৮১। পরিসর = ( সর্বোচ্চ—সর্বনিম্ন)+১
৮২। গুণ্য কাকে বলে?
উত্তরঃ যে সংখ্যাকে গুণ করা হয় তাকে গুণ্য বলে।
৮৩। গুণক কাকে বলে?
উত্তরঃ যে সংখ্যা দিয়ে গুণ করা হয় তাকে গুণক বলে।
৮৪। গুণফল কাকে বলে?
উত্তরঃ গুণ্যকে গুণক দ্বারা গুণ করার পর যে মান পাওয়া যায় তাকে গুণফল বলে।
৮৫।ভাজ্য কাকে বলে?
উত্তরঃ যে সংখ্যাকে ভাগ করা হয় তাকে ভাজ্য বলে।
৮৬। ভাজক কাকে বলে?
উত্তরঃ যে সংখ্যা দ্বারা ভাগ করা হয় তাকে ভাজক বলে।
৮৭। ভাগশেষ কাকে বলে?
উত্তরঃ ভাজ্যকে ভাজক দ্বারা ভাগ করে যদি কোনো অবশেষ সংখ্যা থেকে যায় তবে তাকে ভাগশেষ বলে।
৮৮। ভাগফল কাকে বলে?
উত্তরঃ ভাজ্যকে ভাজক দ্বারা ভাগ করার পর যে মান পাওয়া যায় তাকে ভাগফল বলে।
৮৯। সমলব ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে ভগ্নাংশ গুলোর লব সমান তাদেরকে সমলব বিশিষ্ট ভগ্নাংশ বলে।
৯০। ঐকিক নিয়ম কাকে বলে?
উত্তরঃ হিসাবের সুবিধার্তে প্রথমে একটির দাম বের করে সমস্যা সমাধানের পদ্ধতিকে ঐকিক নিয়ম বলে।
৯১। ১ জোড়া = ২টি
৯২। ১ হালি = ৪টি
৯৩। ১ কুড়ি = ২০টি
৯৪। ১দিস্তা = ২৪টি
৯৫। ১ ডজন = ১২টি
৯৬। ১ রীম = ২০ দিস্তা
৯৭। ১ সপ্তাহ = ৭ দিন
৯৮। ১ মাস = ৩০ দিন
৯৯। ১ বছর = ১২ মাস ৩৬৫ দিন
১০০। মৌলিক সংখ্যার অপর নাম কী?
উত্তরঃ উৎপাদক
১০১। দশমিক ভগ্নাংশ কী?
উত্তরঃ ভগ্নাংশ প্রকাশের একটি বিশেষ পদ্ধতি হলো দশমিক ভগ্নাংশ।
১০২। বিপরীত ভগ্নাংশ কাকে বলে?
উত্তরঃ কোনো ভগ্নাংশের লবকে হর এবং হরকে লব করলে যে ভগ্নাংশ পাওয়া য়ায় তাকে বিপরীত ভগ্নাংশ বলে।
১০৩। শতকরাকে কী বলা হয়?
উত্তরঃ শতকরাকে শতাংশ বলা হয়।
১০৪। ১ মিটার = ৩৯.৩৭ ইঞ্চি
১০৫। ১ মেট্রিক টন = ১০ কুইন্টাল = ১০০০ কেজি
১০৬। ১লিটার = ১০০০ মিলিমিটার = ১০০০ ঘন সেন্টিমিটার।
১০৭। ১ ঘনমিটার = ১০০০০ লিটার।
১০৮। ১ কুইন্টাল = ১০০০ কেজি।
১০৯। ১০০০ গ্রাম= ১কেজি
১১০। ১ পক্ষ = ১৫ দিন।
#হিসাববিজ্ঞান
#বেসিকধারণা
পোষ্ট নং:2
পোষ্ট নং:1 এর লিংক:https://www.facebook.com/100515892075702/posts/109884061138885/
হিসাববিজ্ঞানের মৌলিক ধারণাঃ
>>>>>>>>>>হিসাববিজ্ঞানের পরিচিতি এবং এর উৎপত্তি>>এবার তোমাদেরকে জানতে হবে হিসাববিজ্ঞানের উৎপত্তি কোথায় থেকে??
পোষ্ট নং:01
#হিসাববিজ্ঞান
#ব্যাসিকধারণা
প্রিয় ব্যবসায় শিক্ষায় শাখার শিক্ষার্থীবৃন্দরা,
ব্যবসায় শিক্ষায় গ্রুপের অন্যান্য সকল বিষয়ের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে হিসাব বিজ্ঞান। হিসাব বিজ্ঞান বিষয়টি নিয়ে তোমাদের মধ্যে হয়তো কেউ কেউ অনেক সমস্যায় আছো । আবার হয়তো অনেকের কাছেই বিষয়টি অনেক জটিল ও কঠিন মনে হয় ।
( তাই না ???)
এ রকম কেন মনে হচ্ছে তোমরা কি জানো ?
এরকম মনে হওয়ার সবচেয়ে উল্লেখ্যযোগ্য কারণ হচ্ছে ২ টি ।
১. কোনো কিছু না বুঝে অন্ধের মতো মুখস্থ করা। (কারণ কোনো কিছু না বুঝে মুখস্থ করলে বিপদে পড়াটাই স্বাভাবিক)।
২. আর একটি কারণ হলো:- হিসাব বিজ্ঞানের প্রকৃত ও বিশুদ্ধ জ্ঞান সম্পর্কে ভালোমতো না জানা।
অর্থ্যাৎ, হিসাব বিজ্ঞান সম্পর্কিত যে ব্যাসিক জ্ঞানটা থাকা দরকার তা না জানা।
তাই তোমাদের কাছে #হিসাববিজ্ঞান বিষয়টি এ রকম মনে হচ্ছে ।
তোমাদেরকে হিসাব বিজ্ঞানে ভালো করতে হলে এই কারণ দুইটি থেকে অবশ্যই বের হয়ে আসতে হবে।
মুখস্থ বিদ্যা বাদ দিয়ে হিসাব বিজ্ঞানের প্রকৃত জ্ঞান সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে হবে।
তাহলেই আর হিসাব বিজ্ঞান তোমাদের কাছে কঠিন মনে হবে না ।
তাই আমাদের পরবর্তী আলোচনার বিষয়বস্তু হলো হিসাব বিজ্ঞানের ব্যসিক জানা।
”হিসাব বিজ্ঞানের ব্যসিক মানে
শিখবো এবার মনে_ প্রাণে ।”
চলবে. . . . . . . . . .
#বিঃদ্রঃ পরবর্তী আপডেট পেতে পেজটিতে লাইক,কমেন্ট আর শেয়ার করতে ভুলবেন না।
প্রিয় জেএসসি শিক্ষার্থী বন্ধুরা
আজকে আমরা আলোচনা করবো ,প্যাটার্ন অধ্যায়ের পরবর্তী সংখ্যা নির্ণয়ের সহজ পদ্ধতি নিয়ে।
পরবর্তী সংখ্যা নির্ণয়ের জন্য তোমাকে উদ্দিপকে দেওয়া সংখ্যাগুলো থেকে পাশাপাশি নির্দিষ্ট কোনো পার্থক্য আছে কি না সেটি আগে খুজে বের করতে হবে।
নিচের প্যাটার্ণটির দিকে ভালো করে দেখো এবং বলো পাশাপাশি দুইটি সংখ্যার পার্থক্য কত?
১,৩,৫,৭,৯ . . . . . . . .
এখানে ,পাশাপাশি দুইটি সংখ্যার নির্দিষ্ট পার্থক্য হলো ২। অর্থাৎ
১+২=৩;
৩+২=৫;
৫+২=৭;
৭+২=৯।
ঠিক,একইভাবে পরবর্তী সংখ্যাগুলো হবে
৯+২=১১;
১১+২=১৩;
১৩+২=১৫ | এভাবে চলবে,,,,,,,,
এবার উত্তরপত্রে তুমি কিভাবে সাজিয়ে লিখবে তার একটি নমুনা দেওয়া হলো:-
পরবর্তী সংখ্যা নির্ণয়ের জন্য,উত্তর লেখার নিয়মঃ
সমাধান:
প্রদত্ত তালিকার সংখ্যাগুলোঃ . . . . . . . . .
পাশাপাশি দুইটি সংখ্যার পার্থক্য:. . . . . . .
অতএব,পরবর্তী.....টি সংখ্যা হলো:( সবার শেষের সংখ্যাটির সাথে পার্থক্য যোগ)
ধন্যবাদ
রিপন ইসলাম
সিনিয়র শিক্ষক,কুরগাও ল্যাবরেটরি স্কুল
নবীনগর সাভার,ঢাকা।
সুলতান সুলায়মানের গুরুত্বপূর্ণ কিছু উপদেশ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
RIPON STUDY POINT এর পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।
প্রিয় অভিভাবকবৃন্দ,
"মুখস্থ বিদ্যা নয়,আপনার সন্তানের সুপ্ত সৃজনশীল মেধাবিকাশেই আমাদের প্রধান লক্ষ্য"।
RIPON STUDY POINT এ
৩য় শ্রেনী থেকে ১০ম শ্রেনী পর্যন্ত অতি যত্ন সহকারে ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ানো হয়।
৩য়- ৫ম শ্রেনী পর্যন্ত সকল বিষয়।
৬ষ্ঠ-১০ম শ্রেনী পর্যন্ত (গণিত,ইংরেজি,হিসাব বিজ্ঞান)
স্থানঃ কুরগাও (আমতলা,কবরস্থান রোড।) নবীনগর, মির্জানগর,আশুলিয়া,সাভার,ঢাকা।
মোবাইলঃ০১৬০-১১৩৩৫৬৩
আমাদের বৈশিষ্ট্যঃ
১.দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষক দ্বারা ক্লাস করানো হয়।
২.মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম।
৩.সুষ্ঠ ও সুন্দর পরিবেশে পাঠদান।
৪.প্রতিটি শিক্ষার্থীদের জন্য সমান মনোযোগ এবং দূর্বল ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য স্পেশাল কেয়ারের ব্যবস্থা।
৫. ছাত্র-ছাত্রীদের বাড়িতে গিয়ে পরিদর্শন।
৬.কঠিন ও জটিল অনুশীলনী খুব সহজ করে বোঝানোর জন্য হ্যান্ডনোট প্রদান।
৭. সপ্তাহে ২৪ ঘন্টায় ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক সাপোর্ট।
৮. গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুযোগ সুবিধা প্রদান।
৯.সপ্তাহে ৬ দিন ক্লাশ এবং ১ দিন সাপ্তাহিক পরিক্ষার মাধ্যমে সাপ্তাহিক মূল্যায়ন পরিক্ষা।
বিস্তারিত জানতে কল করুনঃ ০১৬০-১১৩৩৫৬৩
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Savar
1344