Accefs Project
জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়ানো ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ কর।
উপকারভোগীদের DRR প্রশিক্ষণ! তারা এখানে জলবায়ু পরিবর্তন জনিত বিভিন্ন ঝুঁকি মোকাবিলায় করণীয় গুলো হাতে কলমে শিখতে পারছে। গ্যাস সিলিন্ডারে আগুন লেগে গেলে কি করনীয় এখানে হাতে কলমে দেখিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্মকর্তা।
02/08/2025
আমের চারা বিতরণ
সাস-এসিসিইপিএস প্রকল্পের আওতায় চলতি মৌসুমে প্রকল্পের ১৫০ টি এসআরজি দলের মোট ৩০০০ সদস্যদের মাঝে দল ভিত্তিক ও সদস্যনুযায়ী আমের চারা বিতরণ করা হয়। তারা আগে প্রতিটি দলে ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপনের উপকারিতা, কৌশল, রোপনকাল ও পরিচর্যা বিষয়ে আলোচনা করা হয়। আশাশুনি ও কালিগঞ্জ উপজেলার কর্ম এলাকার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা প্রতিটি দলে আলাদা আলাদাভাবে এ প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। উল্লেখ্য যে সাতক্ষীরা জেলার সাতটি উপজেলার মধ্যে সবথেকে পরিবেশ বিপর্যয়ের ঝুঁকিতে আছে আশাশুনি উপজেলার জনগন। গ্রামের রাস্তাগুলি ফাঁকা, এমনকি পথিক বা কৃষকদের অতি গরমে বিশ্রাম নেওয়ার মত কোন গাছও নাই। এমনও গ্রাম রয়েছে যেসকল গ্রামে বসতবাড়ি ছাড়া আর কিছুই নেই। বর্ষার সময় উঠানে পানিতে টুইটম্বুর আর গরমের সময় ধু ধু লু হাওয়া। এ সকল জনগণের মধ্যে অধিক ঝুঁকি সম্বলিত পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে এসিসিইএফএস প্রকল্প। যার অর্থায়নে আছেন স্ট্রমী ফাউন্ডেশন-নরওয়ে। এর আগে একই সদস্যদের মাঝে ফলজ, বনজ ও ওষুধি গাছ বিতরণ করা হয়। চলতি মাসে আমের চারা বিতরণের সময় কিছু কিছু দলে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প ম্যানেজার বিএম হাবিবুর রহমান, পরিবেশ সমন্বয়কারী শেখ ইমন পারভেজ প্রিন্স, মনিটরিং এন্ড ইভালুয়েশান অফিসার জাভেদ মিয়াঁদাদ, এডমিন অফিসার মোঃ রবিউল ইসলাম সহ দায়িত্বরত সংশ্লিষ্ট ফিল্ড ফেসিলিটেটর মোঃ আবু জাহিদ, তাপস সরকার, সালেহা খাতুন, মোস্তফা কামাল, ইকবাল হোসন ও মাসুমা খাতুন। আমের চারা পেয়ে এসআরজি দলের সদস্যরা আবেগাপ্লুত হন। কোন কোন দলে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা সরাসরি বৃক্ষ রোপনের কৌশল হাতেকলমে শিখিয়ে দেন। তার আগে সদস্যদের চাহিদা অনুযায়ী গোপালভোগ ও হিমসাগর আমের চারার সংগ্রহ করা হয়।
যত্রতত্র ও অপরিকল্পিত ভাবে মৎস ঘের করার কারণে প্রকল্প এরিয়ার উপকারভোগীদের বাড়িতে পানি উঠে গিয়েছে তারা বিপর্যস্ত ভাবে কষ্টে দিন পার করছে। সবচেয়ে বেশি সমস্যায় আছে নারী, শিশু ও PWD রা।
02/08/2025
উদ্যোক্তা : বিলকিসকে ৮টি হাঁসের বাচ্চা দিয়েছিলাম। এই বাচ্চা বড় করে বিক্রয় করে। তা থেকে কিছু টাকা দিয়ে আরো দশটা হাঁসের বাচ্চা কিনে। এবং কিছু টাকা সংসারের কাজে ব্যয় করে।
উপকারভোগীরা হাঁস ও মুরগি পালনে বয় পেত মারা যায় কি না বা অসুখ হলে কি করনীয় নিয়ে তাদের চিন্তা হতো। আমরা প্রকল্প থেকে তাদের এ বিষয়ে প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের দিয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করি ও তাদের সাথে লিংকেজ করে দিই ফল স্বরূপ তাদের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে।
এই পেজটি খোলার প্রধান উদ্দেশ্য হলোঃ
১. দক্ষিণ বঙ্গের মানুষের জীবন মানের উন্নয়নে গৃহীত পদক্ষেপ সমুহ অন্যান্য কমিউনিটির মানুষ ও প্রতিষ্ঠান কে জানানো।
২. উপকারভোগীদের উৎপাদিত পণ্য সামগ্রী বাজারজাত করণ করা।
৩. দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ক্রতা ও এ্যাক্টরস্ রা এ এলাকার বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত জানার সুযোগ তৈরি করা।
৪. কিশোরী ও নারীদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা নিশ্চিত করা।
৫. কিশোরীদের নানা সেবা ও পণ্য উৎপাদনে উৎসাহ প্রদান করা।
Category
Website
Address
Satkhira
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when Accefs Project posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.