Local Shop
This is a best page
06/08/2025
With ডাঃ মোঃ আবুল বাশার আরমান – I just got recognized as one of their top fans! 🎉
03/06/2025
https://s.daraz.com.bd/s.Z6lxQ
I shared a wonderful shop, come and check it out! Click to view:
03/06/2025
https://s.daraz.com.bd/s.Z6lxT
I shared a wonderful shop, come and check it out! Click to view:
আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস
আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস যা সচরাচর মে দিবস নামে অভিহিত। প্রতি বছর ১লা মে তারিখে বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হয়। এটি আন্তর্জাতিক শ্রমিক আন্দোলনের উদ্যাপন দিবস। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে শ্রমজীবী মানুষ এবং শ্রমিক সংগঠনসমূহ রাজপথে সংগঠিতভাবে মিছিল ও শোভাযাত্রার মাধ্যমে দিবসটি পালন করে থাকে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় ৮০টি দেশে ১লা মে জাতীয় ছুটির দিন। আরো অনেক দেশে এটি বেসরকারিভাবে পালিত হয়।
اَللّٰہُ لَاۤ اِلٰہَ اِلَّا ہُوَ ۚ اَلۡحَیُّ الۡقَیُّوۡمُ ۬ۚ لَا تَاۡخُذُہٗ سِنَۃٌ وَّلَا نَوۡمٌ ؕ لَہٗ مَا فِی السَّمٰوٰتِ وَمَا فِی الۡاَرۡضِ ؕ مَنۡ ذَا الَّذِیۡ یَشۡفَعُ عِنۡدَہٗۤ اِلَّا بِاِذۡنِہٖ ؕ یَعۡلَمُ مَا بَیۡنَ اَیۡدِیۡہِمۡ وَمَا خَلۡفَہُمۡ ۚ وَلَا یُحِیۡطُوۡنَ بِشَیۡءٍ مِّنۡ عِلۡمِہٖۤ اِلَّا بِمَا شَآءَ ۚ وَسِعَ کُرۡسِیُّہُ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضَ ۚ وَلَا یَـُٔوۡدُہٗ حِفۡظُہُمَا ۚ وَہُوَ الۡعَلِیُّ الۡعَظِیۡمُ
আল্লাহ তিনি, যিনি ছাড়া কোনও মাবুদ নেই, যিনি চিরঞ্জীব, (সমগ্র সৃষ্টির) নিয়ন্ত্রক, যাঁর কখনও তন্দ্রা পায় না এবং নিদ্রাও নয়, আকাশমণ্ডলে যা-কিছু আছে (তাও) এবং পৃথিবীতে যা-কিছু আছে (তাও) সব তাঁরই। কে আছে, যে তাঁর সমীপে তাঁর অনুমতি ছাড়া সুপারিশ করবে? তিনি সকল বান্দার পূর্ব-পশ্চাৎ সকল অবস্থা সম্পর্কে সম্যক অবগত। তারা তাঁর জ্ঞানের কোনও বিষয় নিজ আয়ত্তে নিতে পারে না কেবল সেই বিষয় ছাড়া, যা তিনি নিজে ইচ্ছা করেন। তাঁর কুরসী আকাশমণ্ডল ও পৃথিবীকে পরিবেষ্টন করে রেখেছে। আর এ দু’টোর তত্ত্বাবধানে তাঁর বিন্দুমাত্র কষ্ট হয় না এবং তিনি অতি উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন ও মহিমাময়।
টীকাঃ
[সম্পূর্ন আয়াতের টীকা ]:- এ আয়াতটি আয়াতুল কুরসী । হাদীসে এ আয়াতের অনেক ফায়দা বর্নিত হয়েছে। রাসূলে করীম (সাঃ) একে সবচেয়ে উত্তম আয়াত বলে উল্লেখ করেছেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) উবাই ইবনে কা'ব (রাজিঃ) কে জিজ্ঞাস করেছিলেন, কোরআনের মধ্যে কোন আয়াতটি সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ন? উবাই ইবনে কা'ব (রাজিঃ) আরজ করলেন, তা হল আয়াতুল কুরসী। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তা সমর্থন করে বলেন, হে আবুল মানযার! তোমাকে তোমার উত্তম জ্ঞানের জন্য ধন্যবাদ। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আরও বলেন, যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসী নিয়মিত পাঠ করে তাঁর জান্নাতে প্রবেশের পথে একমাত্র মৃত্যু ছাড়া আর কোন বাঁধা থাকে না। অর্থাৎ মৃত্যুর পরপরই সে জান্নাতের ফলাফল এবং আরাম-আয়েশ ভোগ করতে আরম্ভ করবে।
I gained 21 followers, created 34 posts and received 131 reactions in the past 90 days! Thank you all for your continued support. I could not have done it without you. 🙏🤗🎉
"এপ্রিল ফুল" বাক্যটা মূলত ইংরেজী। অর্থ এপ্রিলের বোকা। এপ্রিল ফুল ইতিহাসের এক হৃদয় বিদারক ঘটনা। প্রতি বছর পহেলা এপ্রিল এলেই একে অপরকে বোকা বানানো এবং নিজেকে চালাক প্রতিপন্ন করার জন্য এক শ্রেণীর লোকদের বিশেষভাবে তৎপর হয়ে উঠতে দেখা যায়। বলা বাহুল্য যে, তারা অপরকে বোকা বানিয়ে নিজেরা আনন্দ উপভোগ করে থাকে। কিন্তু দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় হচ্ছে এই যে, সরল প্রাণ মুসলমানগণ ধোকা-বাজির করুণ শিকারে উপনীত হয়েছিল একদিন। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস আজ মুসলিম জাতির এক শ্রেণীর লোকেরা সে ইতিহাস ভুলে গিয়ে এপ্রিলের দিনটিকে স্বাচ্ছন্দে অংশ গ্রহণ করছেন এবং প্রচুর কৌতুক ও রসিকতা উপভোগ করছেন।
৭১১ উমাইয়া শাসনামলে বীর মুজাহিদ তারিক বিন জিয়াদ মুসলিম নৌবহর ভূমধ্য সাগরে ভাসিয়ে দিয়ে ঘোষণা দিয়ে ছিলেন যে, হে মুসলিম বাহিনী! আপনাদের সামনে শত্রুসেনা এবং পিছনে ভূমধ্য সাগরের উত্তাল তরঙ্গ মালা, আপনারা কি ভূমধ্য সাগরে ডুবে নিজেদের জীবনকে বিপন্ন করতে চান? নাকি অত্যাচারী স্পেনীয় শাসক রডরিকের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে জিহাদ করে ইসলামের বিজয় নিশান স্পেনের বুকে উড়াতে চান। যদি তাই হয় তাহলে সামনে অগ্রসর হোন। এই রক্তস্তব্দ বক্তব্যের পর মুসলমানগণ মহান প্রজ্ঞাময় মহান আল্লাহ পাক উনার নাম মুবারক এ রডরিকের রণসম্ভারে সুসজ্জিত বিশাল বাহিনীর উপর ঝাপিয়ে পড়ে ছিলেন এবং স্পেন জয় করেছিলেন। গড়ে উঠেছিল গ্রানাডার কর্ডোভায় ৮০০ বছরের আলোড়ন সৃষ্টিকারী সভ্যতা।
কিন্তু মুসলিম শাসকরা যখন কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ উনার কথা একেবারে ভুলে গিয়ে জন-সাধারণের সুখ-শান্তির মূলে পদাঘাত করে ভোগ বিলাসে মত্ত হয় তখন তারা হারিয়ে ফেলে ইসলামী চেতনা। তাদের এই দুর্বলতার সুযোগে খৃস্টান নৃপতিরা চারিদিকে মুসলিম শাসকদের বিরুদ্ধে সুসংগঠিত হতে থাকে এবং ঘোষণা করে যে পিরোনিজ পর্বতমালা অতিক্রমকারী দুধর্ষ মুসলিম বাহিনীকে যদি হটানো না যায়, তাহলে আগামী দিনগুলোতে ইউরোপের সকল গীর্জা থেকে মুসলমানদের আজান ধ্বনি শোনা যাবে। এই উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য পর্তুগীজ রাণী ইসাবেলা পার্শ্ববর্তী রাজ্যের খৃস্টান রাজা ফার্ডিন্যান্ডের সাথে বৈবাহিক বন্ধনে আবদ্ধ হন এবং উভয় নেতৃত্ব দেয় খৃস্টান বাহিনীর।
একের পর এক স্পেনের অধিকাংশ এলাকা খৃস্টানদের দখলে চলে যায়। মুসলিম বাহিনী তখন উপায়ন্তর না পেয়ে আশ্রয় নেয় রাজধানী গ্রানাডায়। অবশেষে ফার্ডিন্যান্ড বাহিনীও গ্রানাডার দ্বার প্রান্তে এসে পৌঁছে যায়। মুসলিম বাহিনী তখন ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। এ সময় ফার্ডিন্যান্ড ঘোষণা করে যে, "মুসলমানগণ যদি শহরের প্রবেশ দ্বার উম্মুক্ত করে দিয়ে এবং নিরস্ত্র অবস্থায় মসজিদে অবস্থান করে, তবে তাদেরকে বিনা রক্তপাতে মুক্ত করা হবে"।
অসহায় মুসলমানগণ মহান আল্লাহ পাক উনার উপর ভরসা করার কথা ভুলে গিয়ে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে যুদ্ধ বন্ধ করে দেয়, এবং তাদের কথা অনুযায়ী মসজিদে আশ্রয় নেয়। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস কুখ্যাত ফার্ডিন্যান্ড মসজিদের চারপার্শ্বে আগুন লাগিয়ে নৃশংসভাবে হাজার হাজার নিরপরাধ মুসলমানদেরকে হত্যার মাধ্যমে বিশ্বাস ঘাতকতার পরিচয় দেয় এবং রক্তে রঞ্জিত করে গ্রানাডার রাজপথ এবং তাদেরকে জোরপূর্বক খৃস্টান বানায়। যে দিন এ সব নির্মম নৃশংসতা কর্মকান্ড করে ছিল, সে দিন ছিল "১লা এপ্রিল ১৪৯২ সাল"।
ফার্ডিন্যান্ড সে দিন আনন্দে আত্মহারা হয়ে বলে ছিল "হায় মুসলমান! এপ্রিল ফুল, তোমরা এপ্রিলের বোকা।" স্পেনীয়দের দ্বারা মুসলমানদের বোকা বানানোর এই নিষ্ঠুর বিশ্বাসঘাতকতা বা শঠতা স্মরণীয় রাখার জন্য খৃস্টান জগৎ প্রতি বছর ১লা এপ্রিল খেলে থাকে রসিকতার খেলা, যে খেলা আমাদের কাছে বড় করুণের বড় বেদনার।
ইতিহাসের হৃদয়বিদারক ঘটনা ভুলে না গেলে এপ্রিল ফুল কোনো মুসলিমকে আনন্দ দান করতে পারে না। এখন আমরা কি পহেলা এপ্রিল হাসি-আনন্দের সাথে "এপ্রিল ফুল ডে" উদযাপন করব, নাকি ইউরোপের বুকে অসহায় মুসলিম নারী-পুরুষ, শিশুদের নৃশংস হত্যাকান্ডের স্মরণে দুঃখ অনুভব করব, মুসলিম ভাই-বোনেরা ভেবে দেখবেন কি?
প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ্য, ইসলামী দৃষ্টিকোণে সবচেয়ে ঘৃণিত হচ্ছে হাসি-মসকরাচ্ছলে মিথ্যা বলা। অনেকে ধারণা করে যে হাসি-রসিকতায় মিথ্যা বলা বৈধ। আর এ থেকেই বিশ্ব ধোঁকা দিবস বা এপ্রিল ফুলের জন্ম। এটা ভুল ধারণা, ইসলাম ধর্মে এর কোন ভিত্তি নেই । রসিকতা কিংবা স্বাভাবিক অবস্থায় মিথ্যা সর্বাবস্থায় হারাম। হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, "আমি রসিকতা করি ঠিক, তবে সত্য ব্যতীত কখনো মিথ্যা বলি না"। (তাবরানী ১২/৩৯১)
আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত, ছাহাবায়ে কেরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমা একদা বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহু! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি তো আমাদের সঙ্গে রসিকতা করেন। তিনি বললেন, আমি সত্য ভিন্ন কিছু বলি না। (তিরমিযী শরীফ)।
পরিশেষে আমরা বলতে পারি যে, ‘এপ্রিল ফুল ডে’ উদযাপন তথা একে অন্যকে বোকা বানিয়ে, মিথ্যা বলে আনন্দ লাভ করার প্রচেষ্টা ইসলামের শিক্ষা ও আদর্শের পরিপন্থী। সুতরাং এ থেকে আমাদের বেঁচে থাকার চেষ্টা করতে হবে। মহান আল্লাহ পাক আমাদের তাওফিক দান করুন-আমীন!
এক নজরে দেখে নেয়া যাক ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
ঘটনাবলি
১৮৫৫ - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বর্ণপরিচয়ের প্রথম ভাগ প্রকাশ হয়।
১৮৬৭ - সিঙ্গাপুর ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়।
১৮৬৯ - ভারতে আয়কর চালু হয়। নদিয়া টাউন কমিটি নামে নবদ্বীপ পৌরসভা স্থাপিত হয়।
১৮৭৮ - কলকাতা জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯১২ - ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে সরিয়ে নেয়া হয়।
১৯৩৫ - ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
১৯৩৬ - ভারতে ওড়িশা রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৩৭ - ভারত আইন অনুযায়ী প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৩৯ - স্পেনের গৃহযুদ্ধের অবসান হয়।
১৯৪২ - ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির মুখপত্র জনযুদ্ধ প্রকাশ হয়।
১৯৪৫ - যুক্তরাষ্ট্র জাপানের ওকিনাওয়া দ্বীপে আগ্রাসন শুরু করে।
১৯৫৭ - অল ইন্ডিয়া এয়ারের অন্যতম নাম রাখা হয় আকাশবাণী। ভারতে পুরাতন মুদ্রা (৬৪ পয়সায় এক রুপি) বহাল রেখে দশমিক মুদ্রা (১০০ পয়সায় এক রুপি) চালু হয়।
১৯৬০ - যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের প্রথম আবহাওয়া উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করে।
১৯৭১ - পাকিস্তানি সেনারা কেরানীগঞ্জ উপজেলায় প্রায় এক হাজার বাঙালিকে হত্যা করে।
১৯৭৯ - ইরান ইসলামী প্রজাতন্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়।
১৯৯২ - বসনিয়ার যুদ্ধ শুরু হয়।
১৯৯৭ - প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা হ্রাস করে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ বিল পাস করা হয়।
১৯৯৮ - জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উপলক্ষে জাতিসংঘের স্টাফদের জন্য ২ দিনের ছুটি বাধ্যতামূলক করে।
জন্ম
১৫৭৮ - উইলিয়াম হার্ভে, রক্ত সঞ্চালন পদ্ধতির অন্যতম উদ্ভাবক।
১৮০৯ – নিকোলাই গোগোল, রুশ ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার।
১৮১৫ - জার্মানি পুনর্গঠনের অন্যতম পুরোধা অটো ফন বিসমার্ক।
১৮৬৫ - নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অস্ট্রীয় রসায়নবিদ রিচার্ড আডলফ জিগমন্ডি।
১৮৭০ - অতুলচন্দ্র সেন, বাঙালি লেখক।
১৯০৭ - চেক সঙ্গীত রচয়িতা আকাশবাণীর সিগনচার টিউন স্রষ্টা ওয়াল্টার কফম্যান।
১৯০৮ – আব্রাহাম মাসলো, মার্কিন মনোবিজ্ঞানী।
১৯১৯ - নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন শল্যবিদ জোসেফ অ্যাডওয়ার্ড মুর।
১৯২৯ - আবেদ হোসেন খান, বাংলাদেশি উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতশিল্পী, সেতারবাদক ও সুরকার।
১৯৩১ - চিকিৎসক, প্রাবন্ধিক ও কথাশিল্পী ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা।
১৯৩২ – রশিদ চৌধুরী, বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী।
১৯৩৩ - নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি পদার্থবিদ ক্লোদ কহেন-টানউডজি।
১৯৩৬ - পাকিস্তানের পারমাণবিক বোমার জনক আবদুল কাদের খান।
১৯৪৭ - মার্কিন লেখক ফ্রান্সিন প্রোস।
১৯৫৩ - সাবেক ইতালীয় ফুটবলার ও ম্যানেজার আলবের্তো জ্যাকহেরনি।
১৯৭৬ - জাপানি টেনিস খেলোয়াড় ইয়ুকা ইয়োশিদা।
১৯৮৩ - ফ্রাংক রিবেরি, ফরাসি ফুটবলার।
১৯৮৫ - মার্কিন অভিনেতা জশ জাকারম্যান।
১৯৯৩ - বাংলাদেশি নারী ক্রিকেটার জাহানারা আলম।
আরও পড়ুন: ইতিহাসে ৩০ মার্চ কেন এত আলোচিত?
মৃত্যু
১৬২১ - ইতালিয়ান চিত্রশিল্পী ক্রিস্টফানো আলোরি।
১৯৭৯ - মার্কিন অভিনেত্রী বারবারা লুডডয়।
১৯৮৩ - কবি ও সাংবাদিক হাসান হাফিজুর রহমান।
১৯৮৪ - ইংরেজ লেখক এলিজাবেথ গউডগে।
১৯৯৪ - ফরাসি ফটোগ্রাফার রবার্ট ডইস্নেয়াউ।
২০০০ - একেএম আবদুর রউফ, বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী এবং বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানের হস্তলেখক।
২০১২ - তুর্কি অভিনেতা একরাম বোরা।
২০১৩ - ইরানি অভিনেত্রী আসাল বাদিঈ।
যাদের জন্য ফিতরা দেওয়া আবশ্যক #
ফিতরা দেওয়া ফরজ। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমজানের রোজা শেষ হওয়ার আগেই ফিতরা আদায় করতে বলেছেন। কিন্তু এ ফিতরার প্রকৃত হকদার কারা? এ সম্পর্কে বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কী বলেছেন?
জাকাতুল ফিতর ওইসব মুমিন মুসলমান রোজাদারের জন্য আবশ্যক; যারা ঈদের রাত ও দিনে একান্ত প্রয়োজনীয় এবং নিজের ও পরিবারের খাবারের অতিরিক্ত খাদ্য মজুদ থাকে। আর ফরজ আদায়ে সবার জন্য এ বিধান সমান-
‘স্বাধীন-ক্রীতদাস, নারী-পুরুষ, ছোট-বড়, ধনী-গরিব, শহরবাসী-মরু বা গ্রামবাসী, রোজাদার-বেরোজাদারের মাঝে কোনো তারতম্য নেই। এ কথায় জাকাতুল ফিতর সবার পক্ষ থেকে আদায়যোগ্য।’
জাকাতুল ফিতর ব্যক্তির ওপর আদায় করা ফরজ মালের ওপর নয়। তাই জাকাতুল ফিতর ফরজ হওয়ার জন্য কারো ওপর জাকাতের নিসাব হওয়া শর্ত নয়। সম্পদের সঙ্গে জাকাতুল ফিতরের কোনো সম্পর্ক নেই। সম্পদ যদি বেশিও হয় তাতে জাকাতুল ফিতরের পরিমান কিন্তু বাড়ে না।
বলা বাহুল্য-
জাকাতুল ফিতর হচ্ছে কাফফারার মতো। যা ধনী-গরিব সকলেই আদায় করতে বাধ্য। হাদিসের পরিভাষা হচ্ছে- ‘প্রত্যেক স্বাধীন ও ক্রীতদাস বান্দার জন্য।’ (বুখারি ও মুসলিম)
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলতেন, ‘(ফিতরার জাকাত ফরজ) প্রত্যেক স্বাধীন ও ক্রীতদাস, পুরুষ ও নারী, ছোট ও বড়, গরীব ও ধনীর ওপর।’ (মুসনাদে আহমাদ, দারাকুতনি, বায়হাকি)
ফিতরার সাদকাহ আদায় করার জন্য মূল সম্পদ যেমন- জমি-জমা, আসবাব-পত্র, নারীদের অলঙ্কারাদি বিক্রয় করা জরুরি নয়। তবে যেসব জিনিস প্রয়োজনের অতিরিক্ত এবং যা বিক্রয় করা সম্ভব; তা বিক্রয় করে ফিতরার সাদকাহ আদায় করা ওয়াজিব। তাই সাদকাতুল ফিতর আদায় করতে বিক্রয়যোগ্য জিনিস থাকলে তা বিক্রি করে হলেও জাকাতুল ফিতর আদায় করতে হবে।
দেনাদারের সাদকাতুল ফিতর আদায়
এমন যদি হয় যে, কারো সম্পদ এবং দেনার পরিমাণ সমান তবে তাকেও সাদকাতুল ফিতর আদায় করতে হবে। এক্ষেত্রে ঋণদাতা যদি দেনা পরিশোধের জন্য তাগাদা দেয় তবে আগে ঋণ পরিশোধ করাই আবশ্যক। সেক্ষেত্রে তার জন্য জাকাতুল ফিতর আবশ্যক নয়।
জাকাতুল ফিতর দেওয়ার আগে যদি দেনা বা ঋণ পরিশোধের সময় চলে আসে তবে ঋণদাতার পক্ষ থেকে তাগাদা না থাকলেও আগে ঋণ পরিশোধ করতে হবে। সেক্ষেত্রে ইসলামিক স্কলারদের মতে, জাকাতুল ফিতর মাফ হয়ে যাবে।’
ঋণ করে সাদকাতুল ফিতর দেওয়া
যার কাছে বর্তমানে সাদকাতুল ফিতর দেওয়ার মতো অর্থ নেই কিন্তু পরে টাকা হবে। তবে তকে ঋণ করেই সাদকাতুল ফিতর আদায় করতে হবে। যেমন- চাকরির বেতন, ব্যবসার বকেয়া ইত্যাদি।
যদি ঘরে প্রয়োজনের অতিরিক্তি সম্পদ বা খাবার আড়াই কেজি পরিমাণের চেয়েও কম থাকে, তবে সে তা-ই আদায় করে দেবে। কারণ আল্লাহ তাআলা বলেন-
فَاتَّقُوا اللَّهَ مَا اسْتَطَعْتُمْ وَاسْمَعُوا وَأَطِيعُوا وَأَنفِقُوا خَيْرًا لِّأَنفُسِكُمْ وَمَن يُوقَ شُحَّ نَفْسِهِ فَأُوْلَئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُونَ
অতএব তোমরা যথাসাধ্য আল্লাহকে ভয় কর, শুন, আনুগত্য কর এবং ব্যয় কর। এটা তোমাদের জন্যে কল্যাণকর। যারা মনের কার্পন্য থেকে মুক্ত, তারাই সফলকাম।’ (সুরা : আয়াত ১৬)
আর প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশনা হলো- ‘আমি যখন তোমাদের কিছু আদেশ করি; তখন তোমরা তা যথাসাধ্য পালন কর।’ (বুখারি, মুসলিম, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ)
পরিবারের সাদকাতুল ফিতর আদায়
পরিবারের ভরণ-পোষণের দায়িত্ব যার; সাদকাতুল ফিতর আদায় করার দায়িত্বও তার। তাই স্ত্রী, সন্তান-সন্ততি ও অধীনস্থদের সাদকাতুল ফিতর আদায় করবে পরিবারের দায়িত্বশীল কর্তা ব্যক্তি। যদি তাদের সবাই নিজ নিজ ফিতরা দিতে সামথ্য না রাখে। তবে নিজেরাই নিজেদের ফিতরা আদায় করা উত্তম।
হাদিসের নির্দেশনা হলো-
হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহ আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছোট-বড় এবং স্বাধীন-ক্রীতদাস; যাদের ভরণ-পোষণ তোমাদের করতে হয় তাদের সবার পক্ষ থেকে ফিতরার সাদকাহ আদায় করার আদেশ করেছেন।’ (দারাকুতনি, বায়হাকি)
সুতরাং পরিবারের কর্তাব্যক্তিসহ যাদের কাছে একদিনের খাদ্যের অতিরিক্ত অল্প খাদ্যদ্রব্যও থাকে তাদের জন্য জাকাতুল ফিতর আদায় করা আবশ্যক।
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে জাকাতুল ফিতর আদায় করে হাদিসের নির্দেশের ওপর যথাযথ আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Satkhira
9400
28/04/2025