Daily Need Life
It is your responsibility to enjoy the time however it is, Life is what happens when you're busy making other plans
ইরান পাগলা কুত্তার মতো অ্যাটাক করছে!
মানে বিগত ৪৮ ঘণ্টা মাইর খাওয়ার পর আজকে মাইর দিছে! পুরো রাতটাই ছিলো ইরানের!
*ই*সরায়েলের বিভিন্ন শহরে সফলভাবে আঘাত করতে পারছে! নতুন ভ্যারিয়েন্টের মিসাইল মারছে!
আয়রন ডোম, বালের ডোম কোনটাই কাজ করে নাই।
*সৌদি বাদে মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সবকয়টা মার্কিন ঘাঁটিতে সফল মিসাইল ,ড্রোন হামলা চালাইছে!
কাতার, দুবাই, কুয়েন,বাহরাইন ভয়ংকর লেভেলের আগুণ জ্বলছে!
*স্পেন, সৌদি আজকে সাফ জানিয়ে দিছে তাদের ভূমি ব্যবহার করে ইরানে হামলা চালাতে পারবে না!
মানে নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা করতে তারা রাজি না!
*Uk, জার্মানি বলছে ,মার্কিনিদের হয়ে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যাবে না! মানে তারা বুঝে গেছে অহেতুক যুদ্ধে জড়িয়ে দিনশেষে ক্ষতি ছাড়া দুই পয়সারও লাভ নাই!
*অব্যাহত হামলার মুখে কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস বন্ধ ঘোষণা করছে! অর্থাৎ জায়গামতো ভয় পাইছে!
* যুক্তরাষ্ট্রের এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার আব্রাহাম লিংকনে ইরানের হামলা করছে জায়গামত টার্গেট হিট করেছে!
ভয়ে পারস্য উপসাগরের দূরবর্তী লোকেশনে সরিয়ে নিচ্ছে আমেরিকার গর্ব এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার আব্রাহাম লিংকনরে!
* ইরানের হামলায় পারস্য উপসাগরে একটি তেলবাহী জাহাজে আগুন! গতদিন ইরান ঘোষণা করছিলো দুইটা সন্ত্রাসী রাষ্ট্ররে হরমুজ প্রণালী ব্যবহার করতে দিবে না!
আজকে সেটাই করলো! এখন প্রায় ৯০% জাহাজ চলাচল স্থগিত!
* উত্তর ইস*য়েল ইরানের প্রক্সি হিজবুল্লাহর লাগাতার রকেট হামলা চলমান! মোটামুটি ভালো মতো হিটও করছে!
* ইরানের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, “আমরা যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছি না; বরং শত্রুর সব পালানোর পথ বন্ধ করে দেব।”
মানে তারা চাইছে মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার দাদাগিরি বন্ধ করতে। সবকয়টা ঘাঁটি থেকে বিদায় নিতে।
*“অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোর কাছে ইরানের আসন্ন মিসাইল ও ড্রোন প্রতিরোধ করার মতো কোনো ব্যবস্থা আর অবশিষ্ট থাকবে না।” - আইআরজিসি
* মার্কিন সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরানের হাইপারসনিক মিসাইলগুলো ঘণ্টায় প্রায় ৯,০০০ থেকে ১১,০০০ মাইল বেগে উড়ে — যা প্রতিরোধ করা সম্পূর্ণ অসম্ভবের কাছাকাছি।
এই ধরনের মিসাইল থামানোর একমাত্র উপায় হলো লঞ্চ–পয়েন্টে আঘাত হানা, কিন্তু সমস্যা হলো — ইরান এগুলো মোবাইল ট্রাক থেকে নিক্ষেপ করে, ফলে সেগুলো শনাক্ত করা অত্যন্ত কঠিন।
এটি এক অবিশ্বাস্য জটিল যুদ্ধ!
যদি আমেরিকা কোনভাবে পরাজয় মেনে নেয়! তাহলে ইরানের Acceptance পুরো পৃথিবীতে বেঁড়ে যাবে।
আগামী ১০ বছরের ভিতরে মধ্যপ্রাচ্যের পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হবে ইরান!
দেখা যাক সামনে কি হয়!
আজকের কিছু ভিডিয়ো কমেন্টে দিয়ে দিবো!!!
:- সোর্স কমেন্ট বক্সে দিচ্ছি
15/02/2026
ফুল পাওয়া থেকে, জীবনে ফুলের মত
যত্ন পাওয়াটা বেশি জুরুরি।
কারণ ভালোবাসা যত্নে সুন্দর
❤️❤️Happy Valentine Day🥰🥰
11/02/2026
নির্বাচনের আগের দিন জামায়াতের বিরুদ্ধে যমুনা টিভি চালাচ্ছে পরিকল্পিত তথ্য স/ন্ত্রাস নেপথ্যে টিভিটির পরিচালক ফাহিম আহমেদ
30/01/2026
ফেসবুকে সফল হবে তারা , যারা সামনে আসা পোস্টগুলো রেসপন্স করবে 🥀🥀💝
30/01/2026
এই লোকটার নাম লোটন একরাম। ডিবিসি নিউজের সম্পাদক।
লীগের আমলে বেশ ভালই দাপটের সাথে কাটিয়েছেন। সমকালের সহযোগী সম্পাদক ছিলেন। জুলাইয়ে শেখ হাসিনার পলায়নের পর ২০২৪ এর নভেম্বরে তিনি ডিবিসি নিউজের সম্পাদক হয়ে যান।
এখন, লীগের আমলের কলমসন্ত্রাসী তো। তার ওপর, জুলাইযোদ্ধাদের নিয়ে বিদ্বেষও কম না। তাই তার নতুন শেল্টার দরকার।
আর শেল্টারের নাম? অতি অবশ্যই বিএনপি।
ফলাফল: একের পর এক মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন ও তাকে কাজে লাগিয়ে জুলাইপন্থী শক্তিকে হয়রানি করে যাচ্ছে সে আর তার ডিবিসি নিউজ।
কয়েকটা উদাহরণ দেখাই।
--
১.
তার ডিবিসি নিউজ ৫০ কোটি টাকার চাঁদাবাজির ভুয়া নিউজ ছড়ায় গাজীপুরের জুলাইকন্যা সুরভীকে নিয়ে। ফলাফল: বিনা অপরাধে সুরভীকে গ্রেফতার ও হয়রানি করা হয়, ১১ জন আওয়ামী লীগারের সাথে তাকে জেলখানায় রাখা হয়।
২.
টাঙ্গাইলে জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের টাকা ছড়ানোর ভিডিও তারা পাবলিশ করে- কিন্তু পরবর্তীতে দেখা যায় যে ভিডিওটা ভুয়া।
৩.
আজকে শেরপুরের ঝিনাইগাতি উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক সাইফুল ইসলাম গতকালকে জামায়াতে ইসলামীর হামলায় নিহত হয়েছে বলে তারা প্রচার করে। পরবর্তীতে সাইফুল ইসলাম লাইভে এলে তাদের সংবাদ ভুয়া প্রমাণিত হয়।
--
এভাবেই ক্রমাগত একটার পর একটা উদ্দেশ্যমূলক মিথ্যা খবর পরিবেশন করে যাচ্ছেন ডিবিসির লোটন একরাম। যার কারন একটাই- বিএনপিকে নির্লজ্জভাবে চেটে নিজের গদি বাঁচানো।
সমস্যা হল- যেই জনগন লোটনদের হাত থেকে দেশকে স্বাধীন করেছে- তারা এখনও মরে যায় নি।
গুলি করলে তারা একজনই মরে, একজনই যায়- বাকিরা যায় না।
'ভিক্ষা দিতে গিয়ে ১২আগে হারিয়ে যাওয়া মাকে খুজে পেলাম!
মাকে দেখা মাত্রই চিৎকার করে বললাম 'মা তুমি এতোদিন কোথায় ছিলে আমাদের ছেড়ে।
'মা মানে!তুমি কাকে মা বলতেছো বাবা।
আমি-তো তোমার মা নই।
'মিথ্যা কথা বলিওনা না মা।
তুমি হচ্ছো আমার হারিয়ে যাওয়া মা।
'তোমার নাম কি বাবা।
'আমার হাসিব তুমি আমাকে চিনতে পাচ্ছোনা।
আমি তোমার সন্তান।
{কথাটি শোনা মাত্রই দেখি আমার মা মাথা নিছু করে চলে যাচ্ছে'
কাছে গিয়ে আবার জিঙ্গেস করলাম}
কি ব্যপার মা চলে যাচ্ছো কেনো?
সন্তানকে বুকে টেনে নিবেনা।
'প্রতি উত্তরে মা বললো'
যখন সন্তানকে বুকে টেনে নেয়ার সময় ছিলো তখন পর পুরুষের লাগে পালিয়ে গিয়েছিলাম এখন-তো তারা বড় হয়েছিস কি বুকে টেনে নিবো
'এভাবে বলিওনা মা।
হয়তো তুমি তখন ভুল করেছিলে।
'হ্যাঁ সেই ভুলের মাসুল এখন পযর্ন্ত পাচ্ছি।
'মা বাসায় চলো।
'নারে বাবা আমি এই মুখ তোর বাবাকে দেখাইতে পারবো না।
আমি যে পাপিষ্ট।
'বাবা এখনো তোমার অপেক্ষায় আছে।
তুমি চলে যাওয়ার পর বাবা এখন পযর্ন্ত বিয়ে করেনি
তুমি ফিরবে বলে?
'কি বলিশ এসব খোকা।
তোর বাবা এখনো বিয়ে করেনি।
'না মা বাবা এখনো বিয়ে করেনি।
শুধুমাত্র তোমার জন্যে।
'এই মুখ তোর বাবাকে কিভাবে দেখাবো বল।
'এসব চিন্তা করিওনা।
যেটা হওয়া সেটা হয়ে গিয়েছে।
'তবুও।
'দয়া করে আমার সঙ্গে চলো।
তোমাকে দেখলে বাবা অনেক খুশি হবে।
'ঠিক আছে চল।
{এরপর মাকে বাড়িতে নিয়ে আসা মাত্রই বাবা অপলক দৃষ্টিতে মায়ের দিকে তাকিয়ে রইলো!মনে হচ্ছে কোটি বছর ধরে মাকে দেখেনি?
এক পর্যায় মা বলে উঠলো}
'হাসিব বাবা কেমন আছো।
'কথাটি শোনা মাত্রই বাবা আর নিজেকে কন্টল করতে পারলোনা
মাকে জরিয়ে ধরে কান্না করতে লাগলো?
'সত্যিই স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসা অসম্ভব সুন্দর।
যেখানে কোন সার্থ থাকেনা।
প্রিয় পাঠক পাঠিকা কমেন্ট করুন অনু গল্পটি কেমন হয়েছে।
29/01/2026
মিথ্যা কইয়েন না, মনের ভিতরে লুকিয়ে থাকা মার্কাটার নাম কী? 🫣
28/01/2026
ব্রেকআপের পর যে আসলেই মাথা খুলে, এর উদাহরণ স্বয়ং আমিই।
বড়লোক বাপের একমাত্র ছেলে আমি। যা চাইছি, সেটা না পাওয়া পর্যন্ত এক লোকমাও মুখে তুলি নি কখনো। বাপেরও ছিল অঢেল সম্পদ। তাই চাওয়ার সাথে সাথেই পেয়ে গেছি সব। যখন আমি নিউ টেনে পড়ি, তখন এক সিনিয়র আপু প্রপোজ করে। আমার তো পুরাই মাথা খারাপ। কোনো মেয়ে নিজে থেকে আমাকে প্রপোজ করেছে, তাও আবার সে আমার সিনিয়র, বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না।
কয়েক মাস পর আমরা আলাদা হয়ে যাই। সে কলেজে ভর্তি হয়। আর আমি তখনও স্কুলে। সম্পর্কটা ঠিকমতো এগোচ্ছিল না। সে সুন্দরী হওয়ায়, যেকোনো ছেলেই তার প্রতি আগ্রহী হয়ে যেত। সেও ছেলেদের সাথে হেঁসে হেঁসে কথা বলত। এগুলো আমার একদমই ভালো লাগত না। অপেক্ষা করছিলাম, কবে এসএসসি শেষ হবে, আর তার কলেজে ভর্তি হব। এসএসসি পরীক্ষা রীতিমতো শেষ হল।
কিন্তু তাকদীর! তার কলেজে আমি ভর্তি হতে পারলাম না। কিন্তু তবুও আমাদের মাঝে সবসময় যোগাযোগ হত। আমি তাকে অন্য ছেলেদের থেকে দূরত্বে থাকতে সবসময় বলতাম। কিন্তু সে বলত, সে জাস্ট ক্লাসমেট হিসেবে কথা বলে। আমি মানুষ হিসেবে খারাপ হলেও এই বিষয়টা মেনে নিতে পারতাম না। সে আমার অনূভুতি বুঝতে পারত না বলে, অনেক কাঁদতামও। তার পিছনে অনেক টাকাও ঢালতাম। লাখের উপরে হবারও সম্ভাবনা আছে। কিন্তু সে আমার ছিল না। আল্লাহ তাকদিরে আমার জন্য তাকে লিখেন নি। তাই আমাদের মাঝে ব্রেকআপ হল।
ব্রেকআপের পর পরিবারকে ওয়ার্নিং দিলাম, যদি না মেয়েটিকে এনে দাও তবে আমি আত্মহ-ত্যা করব। আমি যা বলি তাই, করি। তাই পরিবারের লোকেরা ভয় পেয়ে যায়। আম্মু নিজে গিয়ে মেয়েকে বুঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু আম্মুকে ও অপমান করে ফিরিয়ে দেয়। আমি সেদিন আম্মুকে অসহায় হয়ে কাঁদতে দেখেছিলাম। তারপর আমি সিদ্ধান্ত নেই, যত কষ্টই হোক, সব আমি সহ্য করব। আমার জন্য অন্যরা কেন কষ্ট পাবে? সেদিনই জীবনের সেরা একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে নেই। এরপর এক ভাইয়ের পরামর্শে এক চিল্লার জন্য তাবলীগে যাই। কিন্তু এক চিল্লার জায়গায় আমি তিন চিল্লা লাগাই। নিজেকে পুরোপুরি পরিবর্তন করে নেই।
এখন বুঝতে পারি, আগে কত অবুঝ ছিলাম। আগের কথাগুলো এখন মনে পড়লে অনেক হাসি পায়। কত পাগলামীই না করেছি। আফসোসও হয় অনেক। নিজের জীবনের সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ অনূভুতি আমি হারামে নষ্ট করেছি। মেয়েটির প্রতি আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ। যদি না সে আমার জীবন থেকে চলে যেত, তবে হয়তো আমি তাকে পেয়ে যেতাম, কিন্তু আমি আমার রবকে কখনোই পেতাম না। সে আমার জন্য 'ফিতনা' ছিল, 'রহমত' না।
এই বছর বাবা থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনের জন্য বিশ হাজার টাকা দিয়েছিলেন। কিন্তু আমি আর আম্মু প্ল্যান করলাম, সব টাকা গরীবদের মাঝে বণ্টন করব। আমি খোঁজে খোঁজে রাস্তায় যারা ঘুমায়, তাদের কয়েকজনকে কম্বল এবং আরও কিছু প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস কিনে দিলাম। আমার চোখে এখনো সেই হাসিমাখা মুখগুলো ভাসছে। ওয়াল্লাহি, আমি তখন আনন্দে কেঁদে ফেলেছিলাম। আর তখন মনে হচ্ছিল, ইশ! আগের বছরগুলো যদি আবার ফিরিয়ে আনতে পারতাম. এর আগের বছরগুলোতে কত হাজার হাজার টাকা নষ্ট করেছি এসবে। সবই করতাম আনন্দের জন্য। অথচ ওসবে তো ছিল পৈশাচিক আনন্দ। আর এসব কাজে আছে নির্মল আনন্দ সাথে রবের সন্তুষ্টি। এই আনন্দ যে একবার পেয়ে যাবে, আমার বিশ্বাস, সে কখনোই আর ওসব পৈশাচিক আনন্দে ফিরে যেতে পারবে না।
— [ঘটনাঃ- এক ভাইয়ের জীবন থেকে নেয়া ]
Engr Masud Parvez
゚
28/01/2026
🤍
The Evolution of : A Legacy of Engineering Excellence
Introduction
Bayerische Motoren Werke AG, commonly known as BMW, is a renowned German automobile and motorcycle manufacturer celebrated for its performance-oriented vehicles and cutting-edge technology. Founded in 1916, BMW has become synonymous with luxury, innovation, and driving pleasure. This article explores the history, evolution, and impact of BMW on the automotive landscape.
History and Foundation
BMW was established in Munich, Germany, originally as a manufacturer of aircraft engines during World War I. The company's first product was the BMW IIIa aircraft engine, which gained acclaim for its performance and reliability. However, the end of the war in 1918 led to a ban on aircraft engine production in Germany, prompting BMW to diversify its offerings.— bersama Tasty Besty Food 1M.
In 1923, BMW shifted its focus to motorcycles, launching the R32, which featured a revolutionary flat-twin engine and shaft drive. This motorcycle laid the foundation for BMW's reputation in the two-wheeled segment, eventually leading to several racing successes in the years that followed.
The Automotive Era
BMW entered the automotive market in 1928 with the acquisition of the Fahrzeugfabrik Eisenach. The first BMW car was the BMW 3/15, based on the Austin Seven. The introduction of the BMW 328 in the 1930s marked a turning point for the company, establishing it as a manufacturer of high-performance sports cars. The 328 gained recognition in motorsports, winning the Mille Miglia in 1940.
However, World War II led to significant challenges for BMW. The company was forced to redirect its production to support the German war effort, resulting in severe damage to its factories and infrastructure. After the war, BMW faced the daunting task of rebuilding and redefining its identity.
Post-War Recovery and Growth
In the post-war years, BMW focused on producing small, affordable cars. The BMW 501 and 502,
27/01/2026
27/01/2026
জীবনটা হলো একটা অসমাপ্ত
উপন্যাস যার শেষটা কেউ লিখে যেতে
পারে না.!❤️🩹🕊
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Brobila Patkelghta Tala Satkhira
Satkhira
9421