Al HASIB
Make your dream true.
15/10/2024
বর্তমান সময়ে বিজনেস পরিচালনার ক্ষেত্রে ওয়াইডলি ইউজ একটি টেকনোলজি হলো CRM। তো চলুন যেনে নিই CRM কি ? কিভাবে কাজ করে ? CRM ব্যবহারের সুবিধা ? ধরন এবং কিছু জনপ্রিয় CRM টেকনোলজি সম্পর্কে। চলুন শুরু করি…
CRM কি ?
CRM(Customer Relationship Management) হলো এমন একটি কৌশল বা প্রক্রিয়া যেখানে একটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবসায় একজন গ্রাহকের সম্পূর্ণ লাইফ সাইকেল পরিচালনা এবং বিশ্লেষণ করা হয়। CRM এর মূল লক্ষ্য হলো বিজনেসের সাথে একজন গ্রাহকের সম্পর্কের উন্নয়ন করা, সার্ভিসের প্রবাহরেখা ঠিক রাখা, এবং ওভার অল গ্রাহকের সেটিসফেকশন নিশ্চিত করা। যা পরবর্তীতে বিজনেসের প্রতি গ্রাহকের বিশ্বস্ততা প্রদান করে এবং সেলস বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
CRM এর মূল উপাদানঃ
১. কন্টাক্ট ম্যানেজমেন্ট বা যোগাযোগ ব্যবস্থাপনাঃ গ্রাহকের কন্ট্রাক্ট ইনফরমেশন যেমন নাম, অ্যাড্রেstrong textস, ফোন নাম্বার, মেইল এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্রফাইল স্টোর করা।
২.সেলস ম্যানেজমেন্ট বা বিক্রয় ব্যবস্থাপনাঃ CRM সিস্টেম সেলসের পাইপলাইন, সুযোগ, বিভিন্ন ডিলস এবং লিডের অবস্থান ট্রাক রাখে যার ফলে কোন লিড হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। যে কারণে বিজনেস খুবই এফেশিয়েন্টলি পরিচালিত হয়।
৩. কাস্টমার সাপোর্ট বা গ্রাহক সেবাঃ CRM-এ হেল্প ডেস্ক সিস্টেম ইন্টিগ্রেটেড থাকে যার ফলে কাস্টমারের যেকোনো ধরনের সমস্যা, জিজ্ঞাসা এবং সাহায্যের বিভিন্ন ট্রাক রাখা হয় যার ফলে নিয়মিত ফলোআপের মাধ্যমে একটি স্মুথ কাস্টমার সার্ভিস নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।
৪. মার্কেটিং অটো মেশনঃ অনেক CRM এ দেখা যায় অটোমেটিক মার্কেটিং বা প্রমোশনাল মেইল অথবা SMS এর পাঠানোর ব্যবস্থা থাকে। যার ফলে মার্কেটিং ক্যাম্পেইন ম্যানেজ করা অনেক ইজি হয়ে যায়।
৫. অ্যানাল্যাটিক্স এবং রিপোর্টিংঃ CRM সিস্টেম কাস্টমার ডাটার উপর ভিত্তি করে নিয়মিত পরিসংখ্যান রিপোর্ট প্রদান করে যার মাধ্যমে বিজনেসের অবস্থা, কাস্টমারের মনোভাব এবং চাহিদা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। যে ডাটার উপর ভিত্তি করে পরবর্তীতে সার্ভিসের মান এবং কার্যকরী মার্কেটিং ক্যাম্পেইন করতে সুবিধা হয়।
CRM সিস্টেমের সুবিধাঃ
গ্রাহকের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নঃ একত্রে গ্রাহকের বিস্তারিত তথ্য থাকায় গ্রাহকের চাহিদা সম্পন্ন পার্সোনালাইজড সার্ভিস অফার করা যায় যেটা গ্রাহক কে বিজনেসের প্রতি বিশ্বাস এবং বিশ্বস্ততা প্রদান করে।
কর্মদক্ষতা বাড়িয়ে দেয়ঃ অটোমেশন এবং একটি সেন্ট্রাল ডাটাবেজে সকল তথ্য স্টোর থাকায় ম্যানুয়াল টাস্কের পরিমাণ কমে যায় এবং টিম কোলাবোরেশন সহজ হয়।
বেটার সেলস পারফরমেন্সঃ CRM সিস্টেমে একটি লিডের সম্পূর্ণ লাইফ সাইকেল ট্রাক করা হয় যার ফলে গ্রাহকের সম্পূর্ণ আচরণ দৃশ্যমান থাকে যা পরবর্তীতে গ্রাহকের সাথে ডিল ক্লোজিংএ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
কাস্টমার সেবার মান উন্নয়ঃ এখানে গ্রাহক সম্পূর্ণ লাইফ সাইকেল স্টোর থাকে, যার ফলে সাপোর্ট টীম আরো কার্যকরীভাবে গ্রাহকের সমস্যার সমাধান করতে পারে। যা পরবর্তীতে সেবার মান উন্নয়ন নিশ্চিত করে।
ডাটা ড্রাইভেন ডিসিশন বা তথ্য বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত গ্রহণঃ CRM রিপোর্টিং এবং বিশ্লেষণের মাধ্যমে মূল্যবান পরিসংখ্যান প্রদান করে, যা বিজনেসকে আরও সচেতন এবং কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।
CRM এর ধরনঃ
অপারেশনাল CRM: অটোমেটিং কাস্টমার ফোকাসড পদ্ধতি যেটি মুলত সেলস, মার্কেটিং এবং কাস্টমার সার্ভিসের উপর গুরুত্ব দেয় ।
বিশ্লেষণমূলক CRM: এই ধরনের CRM গুলো সাধারণত গ্রাহকের বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করার দিকে বেশি গুরুত্ব দেয়। যা ম্যানেজমেন্টকে বিভিন্ন ডিসিশন মেকিং, মার্কেটিং স্ট্রাটেজি এবং সর্বোপরি কাস্টমার স্যাটিসফেকশন নিশ্চিত করতে সাহায্য করে।
কোলাবরেটিভ CRM: বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের সাথে তথ্য শেয়ারিং এর মাধ্যমে কাস্টমার সেবার মান উন্নয়ন এবং একটি সহযোগিতা মূলক কর্মপরিবেশ তৈরি করে।
বর্তমান বাজারে জনপ্রিয় কিছু CRM সফটওয়্যারঃ
Salesforce CRM (সেলস ফোর্স)ঃ সেলস ফোর্স হলো সবথেকে বেশি ব্যবহৃত CRM গুলোর মধ্যে অন্যতম। এটি সেলস, মার্কেটিং এবং কাস্টমার ম্যানেজমেন্টের মত সার্ভিস গুলোর জন্য বিভিন্ন টুলস প্রদান করে।
HubSport CRM (হাব স্পোর্ট)ঃ এটি একটি ফ্রি CRM সার্ভিস। সাধারণত ছোট থেকে মাঝারি ধরনের বিজনেসের জন্য এটি যথেষ্ট।
Zoho CRM (জোহো)ঃ এটি একটি ফ্লেক্সিবল CRM সার্ভিস ভিন্ন ভিন্ন ইন্ডাস্ট্রির বিভিন্ন সাইজের বিজনেসের ক্ষেত্রে এটি কার্যকারী সল্যুশন প্রদান করে।
Microsoft Dynamics 365 (মাইক্রোসফট ডায়নামিক ৩৬০)ঃ এটি একটি কম্বাইন CRM এবং ERP(Enterprise Resource Planning) সার্ভিস যেটি মাইক্রোসফট সুইট এর একটি প্রোডাক্ট।
Pipedrive (পাইপ ড্রাইভ)ঃ এটি আরও কার্যকর ভাবে সেলস টিমকে ডিল পরিচালনা এবং ডিল ক্লোজ করতে সাহায্য করে।
সর্বশেষ, CRM হল খুবই বিজনেসের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় একটি সফটওয়্যার যা গ্রাহকের সাথে বিজনেসের সম্পর্ক উন্নয়ন, সেলস অপটিমাইজেশন, এবং কাস্টমার সার্ভিস ইমপ্রুভ করতে ভূমিকা রাখে। যা যেকোনো সাইজের বিজনেসের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
12/10/2024
ওয়েব সকেট কি?
ওয়েব সকেট একটি কমিউনিকেশন প্রটোকল। যেটি ক্লায়েন্ট এবং সার্ভারের মাঝে ফুল ডুপ্লেক্স কানেকশন এস্টাবলিশ করার মাধ্যমে একটি একক কানেকশন তৈরি করে। যেখানে HTTP প্রটোকল বারবার রিকুয়েস্ট রেসপন্সের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে। সেখানে ওয়েব সকেট একটি নিরবিচ্ছিন্ন কানেকশন এর মাধ্যমে বাই ডিরেকশনাল তথ্য আদান প্রদান করতে পারে। ওয়েব সকেট এর মাধ্যমে সার্ভার কোন ধরনের রিকুয়েস্ট করা ছাড়াই ক্লায়েন্টকে তথ্য পাঠাতে পারে। যার ফলে একটা স্মুথ রিয়েল টাইম কমিউনিকেশন সম্ভব হয়। যেমন আমাদের বর্তমান ব্যবহৃত চ্যাট অ্যাপ্লিকেশন, নোটিফিকেশন ইত্যাদি।
ওয়েব সকেট কিভাবে কাজ করে ?
১. ইনিশিয়াল HTTP হ্যান্ডসেকঃ
ওয়েব সকেট প্রাথমিক হ্যান্ডশেকের মাধ্যমে শুরু হয়, যেখানে ক্লায়েন্ট সার্ভারে একটি HTTP রিকুয়েস্ট পাঠায় ওয়েব সকেট কানেকশন স্টাবলিশ করার জন্য। যেটাতে একটি স্পেশাল HTTP হেডারের মাধ্যমে রিকুয়েস্ট করা হয়।
যদি সার্ভার ওয়েব সকেট সাপোর্ট করে তাহলে রিকোয়েস্ট একসেপ্ট করে ওয়েব সকেটে সুইচ করে এবং ১০১ স্ট্যাটাস কোড পাঠায়।
২. পার্সিস্টেন্ট কানেকশন (নিরবিচ্ছিন্ন সংযোগ)ঃ
হ্যান্ডসেক সাকসেসফুল হলে ওয়েব সকেট কানেকশন ট্যাবলিশ হয়, এবং একটি নিরবিচ্ছিন্ন TCP কানেকশন ওপেন হয় ক্লায়েন্ট এবং সার্ভার এর মধ্যে।
এই কানেকশনটি ওপেন থাকে এবং ক্লায়েন্ট ও সার্ভারের মধ্যে যেকোনো সময় ডাটা আদান প্রদান করা যায়, তার জন্য কোন আর ধরনের কোন কানেকশন রিয়েস্টাবলিশের প্রয়োজন হয় না। অথবা অন্য কোন রিকোয়েস্ট করতে হয় না। এই কানেকশনটি ততক্ষণ স্টাবলিশ থাকে যদি না ক্লায়েন্ট অথবা সার্ভার স্পষ্টতো কেউ এটিকে ক্লোজ না করে।
৩. বাই ডিরেকশনাল কানেকশন (দ্বিমুখী যোগাযোগ)ঃ
কানেকশন এস্টাবলিশ হওয়ার পরে ক্লায়েন্ট এবং সার্ভার উভয় দিকে ডাটা স্বাধীনভাবে আদান প্রদান করা যায়। যেখানে HTTP তে ক্লায়েন্ট একটি রিকুয়েস্ট করলে সার্ভার রেসপন্সের জন্য অপেক্ষা করতে হয়।
৪. ক্লোজিং দা কানেকশন (কানেকশন বন্ধ করণ)ঃ
ক্লায়েন্ট অথবা সার্ভার উভয়ই যেকোনো সময় কানেকশন বন্ধ করে দিতে পারে। যখন একটি বন্ধ হয় তখন বিপরীত পক্ষকে একটি “close frame” পাঠানোর মাধ্যমে ইনফর্ম করা হয়।
ওয়েব সকেট প্রটোকলঃ
প্রটোকলঃ ওয়েব সকেট কানেকশন স্টাবলিশ করার জন্য ওয়েব সকেট প্রটোকল ব্যবহার করে। আবার ওয়েব সকেট প্রটোকল নিজেই TCP(Transmission Control Protocol)এর উপর চলে।
পোর্টঃ
ওয়েব সকেট আনসিকিউর (ws://) কানেকশনের জন্য port:80 ব্যবহার করে।
এবং সিকিওর (wss://) কানেকশনের জন্য port:443 ব্যবহার করে। যেখানে ডাটা এনক্রিপশনের জন্য TLS(Transport Layer Security) ব্যবহার করা হয় যা অনেকটা HTTPS এর মত।
ওয়েব সকেট ব্যবহারের সুবিধাঃ
লো লেটেন্সিঃ যেহেতু এটি একটি নিরবিচ্ছিন্ন কানেকশন স্টাবলিশ করার মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদান করে, তাই এখানে কোন ধরনের কোন লেটেন্সি থাকে না। যে কারণে বারবার HTTP রিকুয়েস্ট করার প্রয়োজন হয় না।
ফুল ডুপ্লেক্সঃ ওয়েব সকেট কমিউনিকেশন বাই ডিরেকশনাল, যেখানে ক্লায়েন্ট এবং সার্ভার একই সাথে ডাটা আদান প্রদান করতে পারে।
লো ওভারহেডঃ ওয়েব সকেটের ওভারহেড প্রচলিত HTTP থেকে অনেক কম। যা এটাকে দ্রুত এবং নিরবিচ্ছিন্ন রিয়েল টাইম ডাটা এক্সচেঞ্জে সহায়তা করে।
রিয়েল টাইমঃ ওয়েব সকেট রিয়েল টাইম এপ্লিকেশন এর জন্য সবথেকে আইডিয়াল।
ওয়েব সকেট সাধারণত চ্যাট অ্যাপ্লিকেশন, লাইভ নোটিফিকেশন, অনলাইন গেমিং, কোলাবরেটিভ অ্যাপ্লিকেশন, লাইভ ফিড ইত্যাদি অ্যাপ্লিকেশনে ব্যবহৃত হয়।
সর্বশেষ, ওয়েব সকেট একটি খুবই পাওয়ারফুল প্রটোকল যা TCP কানেকশনের মাধ্যমে রিয়েল টাইম এবং দিমুখী যোগাযোগের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। যে সকল অ্যাপ্লিকেশন ফ্রিকুয়েন্টলি আপডেট হতে থাকে এবং ডাটা ক্লায়েন্ট এবং সার্ভার এর মধ্যে কন্টিনিউ আদান-প্রদানের প্রয়োজন হয় সে সকল সার্ভিসের জন্য ওয়েব সকেট সবথেকে বেশি ব্যবহৃত হয়।
31/07/2024
এক সাথে এত শোক.......
আল্লাহ
ধৈয্য দাও,
শক্তি দাও,
সাহস দাও,
বিজয় দাও
বুদ্ধি দাও।
😭😭😭😭
04/06/2024
When the whole world is on the side of the people of Palestine, NODEJS, and the MDN team What do you want to prove on behalf of a few deranged brains?
Strongly condemn and protest against such abhorrent activities of Node and MDN.
Node.js Mozilla
Just one mistake and boom
🙁🙁🙁🙁🙁
The dark truth about how our education system came into existence and how we got trapped in every minute.
video credit:
30/12/2023
What wrong with it .......????
🤣🤣🤣🤣🤣🤣🤣🤣
24/12/2023
Every Programmer Satisfaction
What is the most valuable thing in your life ?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Address
Khulna
Satkhira
9400