Usha's Kitchen

Usha's Kitchen

Share

Usha's Kitchen provides home made food to their beloved customers. The motto of us is to serve the most healthy food within an affordable price.

online cake order in dhaka

25/09/2024

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Rockybul Hassan, Md Sirajul Haque, Abu Sayeed Maqsood, Zakia Hossain Sumaita, Tahsin Mushfirat Ashraf, Najmul Huda

Photos from Usha's Kitchen's post 23/09/2024

19/09/2024

📌ডায়েট চার্ট সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কি খাবার খাবেন।

👉সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথম যা করবেন।
রাতে ২চামচ জিরা ভিজিয়ে রাখবেন এক গ্লাস পানিতে,সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস ঠান্ডা পানি পান করবেন ফ্রেশ না হওয়ার আগেই।
তারপর রাতে ভিজিয়ে রাখা জিরাটা জাল করে এক কাপ করে নেবেন, সাথে একটা লেবুর রস, এক চামচ মধু ভালো করে মিশিয়ে চায়ের মত করে খেয়ে নেবেন।
সকাল ৭ থেকে ৮ টার মধ্যে নাস্তা করে নেবেন।
২টা সিদ্ধ ডিম অথবা একটা সিদ্ধ ডিম একটা হালকা তেল দিয়ে ওমলেট। ১ টা লাল আটার রুটি, অবশ্যই সেটা লাল আটার গমের রুটি হতে হবে। ১০০ গ্রাম ডাল সাথে রাখবেন।অবশ্যই মুগ ডাল এংকার এর ডাল বুটের ডাল খেতে চেষ্টা করবেন, সাথে বড় একটা শসা কেটে নিবেন না হয় দুটো ছোট ছোট শসা কেটে নেবেন। আপনাদের ইচ্ছে হলে সকালে এক কাপ চা চিনি ছাড়া এক কাপ কফি চিনি ছাড়া বা গ্রিনটি রাখতে পারেন।

👉সকাল ১০ টা থেকে ১১ টা, এক চামচচিয়া সিট এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে খাব,অথবা এক গ্লাস ডাবের পানিতেও চিয়া সিট ভিজিয়ে খেয়ে নিতে পারেন,এই দুটো পানির সাথে যে কোন একটা পানির অবশ্যই সাথে রাখবেন, আর পাশাপাশি যে কোন একটা ফল যেমন, ২ টা আমরা, ১ টা নাশপাতি অর্ধেকটা, ১ টা গ্রীন আপেল, ৫/৬ টা আমলক্ষী, ২/৩ পিছ কাঁচা পেঁপে,অথবা ১ পিছ পাকা পেঁপে,

👉দুপুরের খাবার ১২ টা ৩০ থেকে ২:০০ টার মধ্যে
ভাত,হাতের মুঠের ২ মুঠ ভাত নিবেন, মাছ বা মুরগি ১০০/১৫০ গ্রাম পরিমাণের নিবেন, সাথে শাক অথবা সবজি ১০০ গ্রাম নিবেন, শাক বার সবজি যে ধরনের খাবেন, কলমি শাক, পালং শাক,লাউ শাক, লাল শাক,মিষ্টি কুমড়া শাক, থানকুনি পাতার ভর্তা বা রান্না করা, সবজি যেমন, লাউ, পেঁপে, কাঁচকলা, ধুন্দল, করলা, ঢেঁড়স,
অবশ্যই রান্নাটা সরিষার তেল হলে ছোট চা চামিচজের তিন চামিচ তেল দিয়ে রান্না করতে হবে,সয়াবিন তেল হলে এক চামচ বা দের চামচ, অলিভ অয়েল হলে ৪ চামচ বা ৫ চামচ দিয়ে রান্না করতে পারবেন। আপনাদের কাছে রিকোয়েস্ট তেলটা যেন ঠিকমতো নিয়মটা পালন করেন। তেলের পরিমাণটা যদি ঠিক রাখেন তাহলে তরকারির ঝোল আপনারা খেতে পারবেন। আর যদি আপনারা নিয়ম-পালন না করেন ভুলে তো কেউ তরকারির ঝোল খাবেন না।
বিকাল ৪ঃ০০ টা থেকে ৫ টা
৪ টা কাঠবাদাম, ২ টা কাজুবাদাম,২ টা পেস্তা বাদাম ২ টা আখরোট, ১০ টা মিষ্টি কুমড়ার বীজ, সবগুলো একসাথে নিয়ে খাবেন, বা অথবা ২ টা খেজুর, অথবা ৫০ গ্রাম চিনাবাদাম, আর সাথে দুইটা বিস্কুট ক্রিম ছাড়া চিনি ছাড়া যেটা diet বিস্কিট পাওয়া যায় বা নরমাল বিস্কুট খেতে পারবেন যেখানে চিনি ক্রিম নাই।
👉 রাতের খাবার ঠিক ৭ টায়
যা খেতে পারবেন, ভেজিটেবল স্যুপ, থাই সুপ চিকেন,কন সুপ, এক বাটি সবজি একটা পাতলা রুটি একটা শসা, অথবা মুড়ির সাথে সবজিও খেতে পারবেন,অথবা এক মুঠ ভাত সবজি দিয়ে খেতে পারবেন সাথে একটা শসা, অথবা শসা টমেটো গাজর লেটুস পাতা টক দই একবাটি সালাতের মতো করে খেতে পারবেন। রাতের খাবার অবশ্যই সাতটার মধ্যে খেতে হবে আর নিয়মে যা যা আছে সেটাই খেতে হবে।
সাতটা থেকে দশটার মধ্যে যদি আপনাদের কোন খিদে লাগে. এক গ্লাস পানি আগে পান করবেন তারপর একমুঠ বা দুই মুঠ মুড়ি খাবেন।ঘুমানোর আগে এক গ্লাস দুধ কাঁচা হলুদ দিয়ে খাবেন যাদের দুধে প্রবলেম আছে তারা এক গ্লাস টক দইয়ের সাথে কালিজিরা দিয়ে খাবেন।
👉 ডায়েটের সময় যেসব জিনিস অবশ্যই সারাদিনে আপনাদের মানতে হবে। যেমন সারাদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চার লিটার পানি খেতে হবে। যাদের কিডনির সমস্যা আছে পানি মাপা আছে তারা ডক্টরের পরামর্শ নিয়ে পানি পান করবেন। খাবারের ১০ থেকে ২০ মিনিট আগে পানি পান করবেন খাবারের ১০ থেকে ২০ মিনিট পর আবার পানি পান করবেন সেটা অবশ্যই কুসুম কুসুম গরম পানি হতে হবে। প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমাতে হবে সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠতে হবে রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমাতে হবে। পাঁচবেলার খাবার অবশ্যই টাইম মেনটেন করতে হবে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত যেসব রান্না হবে সেই রান্নায় কমপক্ষে আট চামচের উপরে তেল ব্যবহার করা যাবে না। কারণ তেলে সবচাইতে ক্যালোরি বেশি যদি কারো কোন ধরনের প্রবলেম হয় আপনারা কেউ অসুস্থ থাকেন তাহলেও ডায়েট টা অফ করবেন আর অবশ্যই আমাকে জানাবেন ।থ্যাংক ইউ সবাইকে হ্যাপি ডায়েটিং।

20/04/2024

সংসারের টুকিটাকি টিপস:::

১। সাদা মোজা ধোয়ার জন্য গুড়া সাবানের সঙ্গে ১ চা চামচ সাদা সিরকা মিশিয়ে নিন। এতে মোজা যেমন সাদা হবে তেমনি মোলায়েম থাকবে।

২। ওয়াশিং মেশিনে কাপড় ধোয়ার সময় ওয়াশিং পাউডারের সঙ্গে ১ চামচ বরিক পাউডার মিশিয়ে দিন। এতে ধোয়ার পর কাপড় সব একসঙ্গে জট পাকাবে না।

৩। সাদা কাপড় থেকে হালকা কোন দাগ তোলার জন্য কাপড় ধোয়ার পর ২টি পাতি লেবুর রস আধা বালতি পানিতে মিশিয়ে ভিজা কাপড় ডুবিয়ে দিন। ১০ মিনিট পর তুলে না নিংড়ে মেলে দিন।

৪। বলপেনের দাগ কাপড় থেকে তুলতে চাইলে কাচা মরিচের রস ঘষে ঘষে দাগের ওপর লাগিয়ে শুকিয়ে নিন। তারপর গুঁড়া সাবান দিয়ে কাপড় ধুয়ে নিন। দাগ চলে যাবে।

৫। তেল চিটচিটে তাক বা কাঠের র‍্যাক পরিষ্কার করা জন্য ১ কাপ পানিতে ১ চা চামচ সরিষার তেল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ মসলিনের কাপড় দিয়ে ঘষে ঘষে মুছে নিন। তাকগুলো চমৎকার হয়ে উঠবে।

৬। ওয়াশ বেসিন বা সিল্ক বেসিন পরিষ্কার করার জন্য খানিকটা ফ্ল্যাট সোডা যেমন কোক-পেপসি ইত্যাদি ঢেলে দিন। ৫ মিনিট পর মুছুন। দেখুন কেমন নতুনের মত চকচকে হয়ে উঠেছে।

৭। হাঁড়ি-পাতিল থেকে পোড়া ও কালো দাগ তোলার জন্য সিরিষ কাগজে গুঁড়া সাবান লাগিয়ে ঘষুন। তারপর ধুয়ে নিন। পোড়া দাগ চলে যাবে।

৮। পুরোনো হাঁড়ি থেকে তেল কালির দাগ তোলার জন্য চা পাতা বা কফি দিয়ে ঘষুন। দেখবেন দাগ চলে যাবে।

৯। মশা, মাছি ও পিপড়ার উপদ্রব থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ঘর মোছার পানিতে সামান্য ডিজেল মিশিয়ে নিন। উপদ্রব বন্ধ হয়ে যাবে।

১০। ঘরের মেঝে বা যেকোন মোজাইক পরিষ্কার করার জন্য পানিতে কেরোসিন মিশিয়ে নিন ও এই পানি দিয়ে ঘর মুছে নিন। এতে মেঝে চকচক করবে।

১১। রান্নাঘরের কেবিনেট বা কাউন্টার যদি মার্বেল পাথরের হয় তাহলে পরিষ্কার করার জন্য খাবার সোডা পানিতে গুলে রাতে লাগিয়ে রাখুন। সকালে পানিতে সাদা সিরকা মিশিয়ে কাপড় দিয়ে মুছে নিন। সব দাগ চলে যাবে।

১২। রান্নাঘর থেকে পোড়া বা যেকোন গন্ধ দূর করতে চাইলে একটি পাত্রে কিছুটা সিরকা চুলায় চাপান। শুকান অবধি জ্বাল করুন।

১৩। বারান্দা বা জানালার গ্রিল পরিষ্কার করার জন্য প্রথমে শুকনা কাপড় দিয়ে মুছে নিন। তারপর আধা কাপ কেরোসিন তেলের সঙ্গে সরিষার তেল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ তুলোয় দিয়ে লাগিয়ে নিন। এতে গ্রিলে ময়লা বা জং লাগবে না।

১৪। বাসনকোসনে কোন কিছুর কষ লাগলে টক দই বা দুধের সর দিয়ে ঘষে ধুয়ে নিলে দাগ দূর হয়ে যাবে।

১৫। চিনেমাটির পাত্রে দাগ পড়লে লবণ পানি দিয়ে সহযেই পরিষ্কার করা যায়।

১৬। নারকেল ভাংগার পূর্বে কিছু সময় পানিতে ভিজিয়ে রাখলে নারকেলটি সমান দু'ভাগে ভেঙে যাবে।

১৭। সেদ্ধ দিমের খোসা তাড়াতাড়ি এবং ভাল ভাবে ছাড়াতে চায়লে ফ্রিজের ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।

১৮। পাটালী গুড় শক্ত রাখতে চাইলে গুড়টি মুড়ির মাঝে রাখুন।

১৯। আদা টাটকা রাখার জন্য বালির মাঝে রেখে দিন।

২০। ঘি-এ সামান্য লবণ মিশি্যে রাখলে অনেকদিন পর্যন্ত ভালো থাকবে।

২১। বিস্কুট টাটকা এবং মচমচে রাখার জন্য কৌটার মাঝে এক চামুচ চিনি অথবা ব্লটিং পেপার রেখে দিন।

২২। অপরিপক্ক লেবু থেকে রস পাওয়ার জন্য ১৫মিনিট গরম পানিত ভিজিয়ে রাখুন।

২৩। রান্না তাড়াতাড়ি করার জন্য মসলার সাথে ক'ফোটা লেবুর রস মিসিয়ে দিন, দেখবেন সবজি তাড়াতাড়ি সেদ্ধ হয়ে যাচ্ছে।

২৪। সবজির রঙ ঠিক রাখতে ঢাকনা দিয়ে জ্বাল না দেয়াই ভালো। আর কিছু সবজি আছে যেগুলো সামান্য সেদ্ধ করে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললেও রান্নার পরও রঙ ঠিক থাকে।

২৫। কড়াইতে গরম তেলে কিছু ভাজার সময়, যা দেবেন তার সঙ্গে সামান্য লবন দিল। তাহলে আর তেল ছিটবেনা।

২৬। খেজুরের গুড় দিয়ে পায়েস করতে গিয়ে অনেক সময় দুধটা ফেটে যায়। দুধ ঘন হয়ে গেলে নামিয়ে একটু ঠান্ডা করে তারপর গুড় মেশাবেন। ভালো করে নেড়ে আবার কিছুটা ফুটিয়ে নেবেন, দুধ ফাটবে না।

২৭। চিনেবাদাম ও কাজুবাদাম তেলে ভেজে পরে রান্নায় ব্যবহার করুন। খাবারের স্বাদ বাড়বে।

২৮। সেমাই বা মিষ্টিজাতীয় খাবারে অনেকে বাদাম ব্যবহার করেন। বাদামে যদি তেল মেখে পরে তাওয়ায় ভাজেন তাহলে তেল কম লাগবে। নয়তো শুকনো ভাজতে গেলে তেল বেশি লাগবে।

২৯। ওল, কচু অথবা কচুশাক রান্না করলে তাতে কিছুটা তেঁতুলের রস বা লেবুর রস দিয়ে দিন। তাহলে খাওয়ার সময় গলা চুলকানোর ভয় থাকবে না।

৩০। কেক বানাতে যদি ডিমের পরিমাণ কম হয়, তার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন কর্নফ্লাওয়ার।

৩১। অনেক সময়ই তাড়াতাড়ি স্যুপ রান্না করতে গিয়ে তা পাতলা হয়ে যায়। তখন দুটো আলু সেদ্ধ করে স্যুপে মিশিয়ে ফোটালে স্যুপ ঘন হবে।

৩২। আলু ও ডিম একসঙ্গে সেদ্ধ করুন। দুটো দুই কাজে ব্যবহার করলেও সেদ্ধ তাড়াতাড়ি হবে।

#কপিপোস্ট

19/04/2024

🙅‍♀️রান্নার প্রয়োজনীয় ৭ টিপসঃ- ✌️✌️

🔸১)শুকনা মরিচ টালার সময় অল্প লবণ দিন, এতে ধোঁয়ায় কাঁশি হবে না।

🔸২)যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য আছে তারা নিয়মিত খাদ্য তালিকায় শাক রাখুন।

🔸৩)শাক ঘন ঘন নেড়ে রান্না করলে শাকের রং ভালো থাকে।
শাক বেশিক্ষণ ঢেকে রান্না করলে শাকের রং নষ্ট হয়ে যায়।

🔸৪)পাউরুটি ফ্রিজে রাখলে শক্ত হয়ে যায় তাই এয়ারটাইট বক্স করে ডিপ ফ্রিজে এ রাখুন একদম ভালো থাকবে।

🔸৫)সুজিতে অনেক সময় পোকা হয়,তাই বাজার থেকে সুজি আনার পর সুজি গুলো হালকা টেলে রেখে দিলে আর পোকা হবেনা।

🔸৬)রাইস কুকারে ভাত রান্না করার সময় তাতে কয়েক ফোঁটা রান্নার তেল দিলে ভাত আঠালো হবে না আর ভাত ঝরঝরে হবে |

🔸৭)রান্নার পর পাস্তা বা নুডলস কে ঝরঝরে পেতে চাইলে সেদ্ধ করার সময় পানিতে কিছুটা তেল দিয়ে দিন আর সেদ্ধ করার পরপরই ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে নিন।

#ইউনিক সব টিপস পেতে পেইজটির সাথে থাকুন।



😊ধন্যবাদ😊

Photos from Usha's Kitchen's post 19/04/2024

12/04/2024

ইবাদত করছি নাকি রিয়া করছি?

১) নামায শেষ করে উঠে যাওয়ার সময় জানতে পারলাম মেহমান চলে এসেছে। এজন্য মেহমান ঘরে প্রবেশ করা পর্যন্ত জায়নামাজে বসে থাকলাম। সম্পুর্ন ইচ্ছাকৃত না হলেও অবচেতন মন চাইছে নামায যে পড়তেছি মেহমান দেখুক!

২) কেউ জিজ্ঞেস করল--
আপনি কি করতেছেন,
উত্তরে বললাম- " আমি নামায পড়ে উঠে নাস্তা করতেছি বা নামায পড়ে উঠে
এখন রান্না করতেছি"!
এখানে শুধু নাস্তা বা রান্না করার কথা বললেই হতো, সাথে -"নামায পড়ে উঠে" কথাটি জুড়ে দিয়ে অতি সুক্ষভাবে নামাযকে প্রচারে নিয়ে আসা হল।

৩) ফজরে যে নামায পড়তে উঠলাম কিন্তু কেউ জানলো না, তাই সেটা মানুষকে জানানোর জন্য দিলাম ফেসবুকে একটা পোস্ট,

লিখলাম : "সবাই নামায পড়তে উঠুন"

আমি জানি আমার এই পোস্টে কারো ঘুম ভাংগবেনা বা কেউ দেখে নামাযে যাবেনা। তাও দিলাম। মোদ্দাকথা নামাযের ব্যাপারটা সবাইকে জানাইতেই হবে।

৪) নফল রোজা রেখে দুপুরে বন্ধুর সাথে চ্যাট করছি, হঠাত আউট অফ টপিক তাকে জিজ্ঞেস করেছি, " ভাত খেয়েছিস কিনা?" অথচ আজীবন তার ভাতের খবর নেয়নি,

সে হ্যা/না উত্তরের সাথে যে "তুই খেয়েছিস ?" এটা জিজ্ঞেস করবে সেটার গ্যারান্টি সূর্য উঠার মতই,

সে সুযোগে, " না দোস্ত রোজা রেখেছি" বলে রোজার প্রচার করে দিলাম।

৫) কুরবানির গরু কিনলাম, অফলাইনের আশেপাশের সবাই দেখলেও অনলাইন বন্ধুদের সামনে তো আর শো আপ করা হলো না।

তাই প্রাইভেসি পাবলিক করে দিয়ে দিলাম পোস্ট, "আলহামদুলিল্লাহ্‌ Done"

লাইক, লাভের ছড়াছড়িতে বন্যা বয়ে গেছে, অনেকেই দেখি দাম জিজ্ঞেস করল, সেই সুযোগে জিতা - হারার প্রচারটাও হয়ে গেল।

৬) বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়ার সময় মজার ছলেই টেকনিকে বলে দিলাম,
"তুই বেটা কিপটা, কিছুই দান করিস না!"

প্রতিউত্তরে, " তুই কি দান করে উল্টিয়ে ফেলছিস?" এই প্রশ্নটা যে করবে তা জানুয়ারির পর ফেব্রুয়ারি আসার মতই নিশ্চিত আমি।

সাথে সাথেই দিয়ে দিলাম আমার দানের লিস্ট, সম্পূর্ণ ডিটেল সহকারে।

আমার এই দান পাড়া প্রতিবেশীদের কাছে প্রচারের জন্য আমার স্ত্রী তো আছেন ই।

উপরের প্রত্যেক উদ্দীপক পড়ে কিছু আয়ত্ত করতে পারলেন কি?

এতক্ষণ যে ইবাদত গুলো করলাম সেগুলা কি আল্লাহর জন্য নাকি লোক দেখানো?

কখনো ভেবেছেন? এসব ইবাদত আদৌ কবুল হবে কি?

উপরোক্ত প্রত্যেকটি ইবাদত ই হলো "রিয়া"

রাসুলুল্লাহ (সা.) রিয়াকে ছোট শিরক (আল্লাহর অংশীদার নির্ধারণ) বলেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি তোমাদের ব্যাপারে ছোট শিরক নিয়ে যতটা ভয় পাচ্ছি, অন্য কোনো ব্যাপারে এতটা ভীত নই।’ তাঁরা (সাহাবি) বললেন, হে আল্লাহর রাসুল, ছোট শিরক কী? তিনি বলেন, রিয়া বা প্রদর্শনপ্রিয়তা। আল্লাহ কিয়ামতের দিন বান্দার আমলের প্রতিদান প্রদানের সময় বলবেন, ‘তোমরা পৃথিবীতে যাদের দেখাতে তাদের কাছে যাও। দেখো তাদের কাছে তোমাদের কোনো প্রতিদান আছে কি না?

ইবাদত-বন্দেগি ও আমল হবে শুধুমাত্র আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য। দুনিয়ার কোনো স্বার্থসিদ্ধি বা মানুষকে দেখানোর জন্য বা কারও বাহবা পাওয়ার জন্য ইবাদত-বন্দেগি করলে আল্লাহ তাআলার দরবারে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। এ লোক দেখানো ইবাদত-বন্দেগিই হলো ‘রিয়া’।

সমাজের লোকে ধার্মিক বলে আলাদা সম্মান করবে, কিংবা নিজেকে একটু ভিন্নভাবে লোকজনের কাছে উপস্থাপন করা যাবে- এ উদ্দেশ্য নিজেকে মানুষের সামনে আল্লাহ ভীরু, পরহেজগাররূপে প্রকাশ করাকে ইসলামের পরিভাষায় রিয়া বলে।

রিয়া অর্থ লোক দেখানো ইবাদত। ইবাদত একান্ত আল্লাহর জন্য।ইবাদত করা দেখে অন্য কেউ দেখে ভালো বলুক এরূপ মনোভাব নিয়ে ইবাদত করলে প্রকৃত পক্ষে সে ইবাদত আল্লাহর উদ্দেশ্যে করা হয় না। এ কারণে রিয়াকে গোপন শিরক বলা হয়।

মুমিনের ইবাদত ধ্বংস করে তাকে জাহান্নামী বানানোর জন্য শয়তানের অন্যতম ফাঁদ ‘রিয়া’। কুরআন-হাদীসে রিয়ার ভয়াবহতা সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ বলেছেন: কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম যাদেরকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে তাদের একজন বড় আলিম, একজন প্রসিদ্ধ শহীদ ও একজন বড় দাতা। তারা আজীবন আল্লাহর ইবাদত বন্দেগিতে কাটালেও রিয়ার কারণে তারা ধ্বংসগ্রস্ত হয়।

বিভিন্ন হাদীসে রিয়াকে ‘শিরক আসগার’ বা ছোট শিরক এবং ‘শিরক খাফী’ বা লূক্কায়িত শিরক বলা হয়েছে। কারণ বান্দা আল্লাহর জন্য ইবাদত করলেও অন্য সৃষ্টি থেকেও সেজন্য ‘কিছু’ আশা করে আল্লাহর সাথে অন্যকে শরিক করে। এ শিরকের কারণে মুসলিম কাফির বলে গণ্য না হলেও তার ইবাদত ধ্বংস ও অগ্রহণযোগ্য হয়ে যায়।

আরেক হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘আমি তোমাদের উপর যে জিনিসটিকে বেশি ভয় করি, তা হলো- ছোট শিরক। সাহাবিরা বলল, ‘হে আল্লাহর রাসুল! ছোট শিরক কী? তিনি উত্তর দিলেন, রিয়া। আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন যখন মানুষকে তাদের আমলের বিনিময় দেবেন, তখন রিয়াকারীকে বলবেন- যাও দুনিয়াতে যাদের তোমরা তোমাদের আমল দেখাতে— দেখ তাদের নিকট কোনো সাওয়াব পাও কিনা?’ (মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ২৩৬৮১)

লোক দেখানো ইবাদতের ধরন মূলত দুটিতে বুঝা যায়। একটি হলো, আপনি ইবাদত করছেন, নামাজ পড়ছেন, রোজা রাখছেন—এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে মানুষকে জানালেন কিংবা দেখালেন। কিংবা মানুষের সুনামের জন্য করছে। যেমন মানুষ ভাবল, লোকটা নামাজ পড়ে ভালো মানুষ ইত্যাদি। এইগুলো পুরোপুরি শিরক। আপনার পুরো ইবাদতটাই শিরক। এখানে আপনার সওয়াব তো হবেই উল্টো গুনাহগার হবেন। এটার মানে হলো, আপনি সরাসরি শিরকে লিপ্ত হচ্ছেন। এর কোনো ধরনের সওয়াব নেই। দ্বিতীয়ত, আপনি ইবাদত করছেন কিন্তু এর ফাঁকে আপনার মনের মধ্যে এমন এক অবস্থা তৈরি হচ্ছে যে আমি যে ইবাদত করছি তাতে মানুষ কি বলে।

এতে আপনি মুশরিক হবেন না। তবে আপনার ওই ইবাদতটুকু নষ্ট হয়ে যাবে। সেই আমল টুকু আর যুক্ত হবে না আমলনামায়।

রিয়া থেকে আত্মরক্ষার জন্য মুমিনের চেষ্টা করতে হবে যথাসম্ভব সকল নফল ইবাদত গোপনে করা। তবে যে ইবাদত প্রকাশ্যে করাই সুন্নাত-সম্মত তা প্রকাশ্যেই করতে হবে। রিয়ার ভয়ে কোনো নিয়মিত ইবাদত বা প্রকাশ্যে করণীয় ইবাদত বাদ দেওয়া যাবে না। রিয়ার অনুভূতি মন থেকে দূর করতে চেষ্টা করতে হবে। কখনো এসে গেলে বারবার তাওবা করতে হবে এবং আল্লাহর কাছে তাওফীক প্রার্থনা করতে হবে।

Copied

19/01/2024

গাজর কে কিভাবে খেতে পছন্দ করেন?সাধারণত আমরা সালাদ হিসেবেই খাই তাইনা?

তবে যেটা জানলাম তা হলো,গাজরে থাকে বিটা ক্যারোটিনয়েড, যেটা কাঁচা অবস্থায় পেটে হজমে গণ্ডগোল করে বেশি।হয়তো আপনি ভেবেই পাচ্ছেন না যে কি খেয়ে পেটে অস্বস্তি লাগছে, অথচ সেটা হতে পারে গাজর এর জন্য।

আপনি যদি সেদ্ধ,ভাজি,হালুয়া,তরকারী ফর্মে খান তাহলে সহজপাচ্য হবে আবার গুণাগুণ অক্ষুণ্ণ থাকবে।

শুভ দুপুর☺️

19/01/2024

দেখে তো মনে হয় অনেক কাজের

২০০ জনের রান্না রেগুলার করতে হয়?
এত এত মানুষের রান্নায় খরচ কেমন হয়?

আচ্ছা ধরেন জ্বালানি খরচ যদি 50% কমিয়ে ফেলতে পারেন তবে কেমন হয়?

লাভের অংকটা কত হবে একটু বলেন তো।

তাই তো ইনভেস্ট একবার
আউটপুর আজীবন

12/08/2023

স্যুপের স্বাদ বাড়াতে ১৫টি উপায় ট্রাই করুন।🍲

১. থিক থাই স্যুপঃ
থিক থাই স্যুপ বেশির ভাগ মানুষের পছন্দ। চিকেন স্টকে চিকেন, লবণ, আদা, সস, চিনি, লেবুর রস, কাঁচা মরিচ, চিংড়ি মাছ—মূলত এই উপাদান দিয়েও থাই স্যুপ করা যায়। এ স্যুপের আবশ্যকীয় উপাদান হলো থাই পাতা। এ পাতার গন্ধই স্যুপটিকে আলাদা করে অন্যান্য স্যুপ থেকে। অনেকেই অনেক ভাবে করে। কেউ চিংড়ি বাদ দিয়েও মডিফায়েড থাই স্যুপ করে।

২. ক্লিয়ার থাই স্যুপঃ
ক্লিয়ার থাই স্যুপের পুষ্টিকগুণ অনেক বেশি। ক্লিয়ার থাই স্যুপে কোনো সস ও কর্নফ্লাওয়ার ব্যবহার না করায় ক্যালরি কম। প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, জিংক—এ পুষ্টি উপাদানগুলো বেশি পাওয়া যায়। থিক থাই স্যুপে এই উপাদানের পাশাপাশি কার্বোহাইড্রেট ও ক্যালরি বেশি পাওয়া যায়। তাই ডায়বেটিক রোগী ও ওজন কমাতে ক্লিয়ার থাই স্যুপ ভালো

৩. ক্লিয়ার ভেজিটেবল স্যুপঃ
সব রকম রঙিন সবজি ব্যবহার করে এই স্যুপ বানানো যায়। ভেজিটেবল স্টক ব্যবহার করলে এই স্যুপ একেবারে ভেজিটেরিয়ানের জন্য পারফেক্ট হয়। এই স্যুপের ভালো দিক হলো ফ্যাট খুব সামান্য বা নেই বললেই এই স্যুপে সবজির ব্যবহারের ওপর পুষ্টিগুণ নির্ভর করে।

৪. ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ চিকেন বোন ‍স্যুপঃ
চিকেন স্যুপের স্বাদ তো সকলেই জানা। অধিক ক্যালসিয়ামের যোগান দিতে কিছু মুরগির হাড় সংগ্রহ করে রাখুন বা মুরগি থেকে যা অবশিষ্ট থাকে তা ব্যবহার করতে পারেন। পরিমাণমত জল দিয়ে একটি পাত্রে হাড়গুলি কয়েক ঘন্টা ধরে সিদ্ধ করে এর স্টু দিয়ে স্যুপ করে নিন।

৫. স্যুপ দই মালাইঃ
আপনার স্যুপটি মালাইযুক্ত হলে কেমন হয়? এটা পরিবারে সবার কাছে একটা দারুন আশ্চর্যের ব্যাপার হবে। আমি জানি আপনিও এ বিষয়টি জানতে আগ্রহী। শুধুমাত্র পরিমাণমত টক দই যোগ করে আপনি পার্থক্যের একটি বিশ্ব তৈরি করতে পারেন! যেকোনো ধরনের প্লেইন দইও ক্রিমের মতোই কাজ করবে। যতটা বা যতটা কম স্বাদ চান যোগ করুন। এতে স্যুপে আসবে ভিন্ন স্বাদ।

৬. ক্রিমি মেয়োনিজ স্যুপঃ
আপনি কি আপনার স্যুপকে একটি ভিন্ন স্বাদ বা একটি ভিন্ন রুপ দিতে চাচ্ছেন? এটা আপনি খুব সহজে এবং অল্প সময়ে ঘরে থাকা উপকরন দিয়েই করতে পারেন। একটি ডিম দিয়ে মেয়োনিজ তৈরি করে তা আপনার স্যুপে দিতে পারেন এতে করে স্যুপটি দেখতে অনেক ক্রিমি হবে এবং সেই সাথে সাথে এর স্বাদ ও পরিবর্তন হয়ে যাবে।

৭. চিকেন ও ভেজিটেবল স্যুপঃ
চিকেন স্টক ও ভেজিটেবল মিলিয়েও স্যুপ তৈরি করা যায়। যাদের প্রোটিন চাহিদা বেশি, তাদের ভেজিটেবল স্যুপ সবজি আর চিকেন স্টক দিয়ে করা যায়। এতে করে চিকেন ও ভেজিটেবল উভয়ের স্বাদ ও পুষ্টি এক সাথে পাওয়া যায়।

৮. টমেটো স্যুপঃ
স্যুপের স্বাদ বৃদ্ধিতে টমেটোর কোন জুরি নেই। সাধারন কর্নফ্লাওয়ার স্যুপেও যদি টমেটো ব্যবহার করা হয় তাহলে পুরো স্যুপটাকে করে তোলে আরো বেশি মজাদার ও পুষ্টিকর।

৯. কারিপাতার ব্যবহারঃ
স্যুপের স্বাদ বৃদ্ধিতে ও একে আরো বেশি লোভনীয় করতে এতে ব্যবহার করতে পারেন বিভিন্ন রকম পাতা। যেমন ধনেপাতা, পুদিনা পাতা, কারিপাতা ইত্যাদি। এগুলো ব্যবহারে স্যুপে আসে এক ভিন্ন ঘ্রাণ যা এক আরো লোভনীয় করে।

১০. শাক দিয়ে স্যুপঃ
বিভিন্ন শাক দিয়ে স্যুপ করা যায়। এর জন্য পছন্দমতো শাক সিদ্ধ করে নিন। এরপর আপনার পছন্দ মতো যে কোনো মশলা যোগ করেও এর স্বাদে পরিবর্তন আনতে পারেন।

১১. নুডুলস স্যুপঃ
স্বাদ যে কোন স্যুপের পরিবর্তনে এতে দিতে পারেন নুডুলস। নুডুলসও স্যুপের স্বাদ বৃদ্ধি করে।

১২. ডিম এর ব্যবহারঃ
স্যুপকে আরো বেশি মজাদার ও পুষ্টিকর করতে এতে একটি ডিম ফেটে দিতে পারেন।

১৩. বার্লির ব্যবহারঃ
আপনি কি আপনার স্যুপটি ঘন খেতে পছন্দ করেন? তাহলে এতে যোগ করতে পারেন বার্লি। এটা আপনার স্যুপের স্বাদ আরো বাড়িয়ে দিবে।

১৪. লেবুর ব্যবহারঃ
স্যুপকে আরো বেশি মজাদার করতে হাতের কাছে আর কিছু না থাকলে এতে দিয়ে দিন কিছুটা লেবুর রস। স্বাদের পরিবর্তন আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন।

১৫. মশলার ব্যবহারঃ
যে কোন খাবারের স্বাদ বাড়িয়ে দিবে সঠিক মশলার ব্যবহার। তাই স্যুপকে ভিন্ন স্বাদ দিতে এতে যোগ করতে পারেন বিভিন্ন মশলা।

Want your restaurant to be the top-listed Restaurant in Rangpur?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Rangpur
5400