SCM
নিজে জানুন অন্যকে জানান
#এসসিএম (SCM)
Page Start
07/09/2022
জেনে নিন ব্লাড প্রেশারের স্বাভাবিক মাত্রা...
একজন প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের রক্তচাপ থাকে ১২০/৮০ মিলিমিটার মার্কারি।
কারও ব্লাড প্রেশার রিডিং যদি ১৪০/৯০ বা এর চেয়েও বেশি হয়, তখন বুঝতে হবে তার উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা আছে।
অন্যদিকে রক্তচাপ যদি ৯০/৬০ বা এর আশেপাশে থাকে, তাহলে তাকে লো ব্লাড প্রেশার হিসেবে ধরা হয়।
যদিও বয়স নির্বিশেষে রক্তচাপ খানিকটা বেশি বা কম হতে পারে।
26/08/2022
শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান হলো ভিটামিন ই।শরীরে ভিটামিন ই এর ঘাটতি হলে অনেক ধরনের সমস্যা হতে পারে।
চলুন জেনে নিই ভিটামিন ই এর অভাবে কি কি সমস্যা হতে পারে।
১.পেশি দুর্বল হয়ে যাওয়া
ভিটামিন ই এর অভাবে পেশি দুর্বল হয়ে যায়।তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ভিটামিন ই যুক্ত খাবার রাখা উচিৎ।
২.চুলের ঘনত্ব কমে যাওয়া
ভিটামিন ই এর অভাবে চুল পরে যায়।তাই চুল পরা রোধ করতে এবং চুলের ঘনত্ব বৃদ্ধি করতে ভিটামিন ই যুক্ত খাবার খেতে হবে।
৩.ত্বকের সুস্থতায়
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ভিটামিন ‘ই’ থাকলে ত্বক ভালো থাকে। ভিটামিন ই ত্বককে তারুণ্যদীপ্ত ও স্বাস্থ্যকর রাখতে সাহায্য করে।
৪.চোখে ঝাপসা দেখা
ভিটামিন ই এর অভাবে চোখে ঝাপসা দেখতে পারেন।এবং কখনো কখনো রক্তশূন্যতাও হতে পারে।
তাই সুস্বাস্থ্য ও সুস্থতার জন্য নিয়মিত ভিটামিন ই যুক্ত খাবার খেতে হবে।
ডা মোঃ ফেরদৌস রায়হান
স্পাইন ও অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ ও জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্ট সার্জন।
26/08/2022
✅নরমাল ডেলিভারির জন্য প্রস্তুতি:
# প্রথমত: একটি স্বাস্থ্যকর লাইফস্টাইল মেইনন্টেন করতে হবে- যাতে শরীরের ওজন(BMI) স্বাভাবিক থাকে। ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে কম বা বেশি হলে নরমাল ডেলিভারি সম্ভাবনা কমে যায় এবং ডেলিভারির সময় বিভিন্ন ধরনের জটিলতা হতে পারে।
# যাদের প্রেগনেন্সির পূর্ব থেকেই বিভিন্ন ধরনের মেডিকেল সমস্যা যেমন প্রেসার বা ডায়াবেটিস আছে তাদের কে নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শে চলতে হবে, যাতে প্রেগনেন্সি কালীন সময় এ সমস্যাগুলো নিয়ন্ত্রণে থাকে।
# যাদের একবার সিজার হয়েছে তারাও পরবর্তীতে নরমাল ডেলিভারির চেষ্টা করতে পারেন। তবে এটি ডিপেন্ড করবে পূর্ববর্তী সিজার কি কারণে হয়েছিল এবং আরো কিছু ফ্যাক্টর এর উপর। যারা সিজারের পর নরমাল ডেলিভারি করতে চান তাদের উচিত হবে প্রথম থেকেই ই ব্যাপারে অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শে থাকা।
# যে মায়েদের ডেলিভারি পেইন এর ভয়ে নরমালে অনিহা রয়েছে তারা সহজেই পেইন-লেস ডেলিভারি চেষ্টা করতে পারবেন। বাংলাদেশের অনেক হসপিটালে এখন এটি সম্ভব।
# প্রেগনেন্সির প্রথম থেকেই মায়েদের উচিত নরমাল কাজ-কর্ম/এক্টিভিটি চালিয়ে যাওয়া। কিছু কিছু প্রেগন্যান্ট মায়েরা(প্লাসেন্টা প্রিভিয়া, প্রিটার্ম ডেলিভারির হিস্ট্রি ইত্যাদি) ছাড়া অন্য সবাই এসময় হালকা থেকে মাঝারি মানের ব্যায়াম এবং সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন 20 মিনিট হাঁটাহাঁটি করতে পারবেন। অনেকে প্রেগনেন্ট হলেই ভাবেন এখন তাকে রেস্টে থাকতে হবে, যার ফলে ডায়াবেটিস, প্রেসার, ওজন-বৃদ্ধি সহ বিভিন্ন মেডিকেল ডিজঅর্ডার হবার সম্ভাবনা বেড়ে যায় এবং নরমাল ডেলিভারির সম্ভাবনা কমে যায়।
# মানসিক প্রস্তুতি এখানে একটি বড় ভূমিকা রাখে। সব মায়েদেরই মনে রাখতে হবে নরমাল ডেলিভারি একটি কষ্টকর প্রক্রিয়া হলেও মা এবং বাচ্চা উভয়ের জন্যই এর সুফল রয়েছে। আর ডেলিভারি পেইন সহ্য করার মত মানসিক প্রস্তুতি শুধু মাকে নিলেই চলবে না, পরিবারের অন্যান্যদের উৎসাহ এবং সাপোর্ট এক্ষেত্রে অতি জরুরী।
# ডেলিভারি পেইন উঠানোর জন্য নিজে নিজে কোন ধরনের ওষুধ খাবেন না, এটি একটি আল্লাহ প্রদত্ত একটি প্রক্রিয়া যা স্বাভাবিক নিয়মে হয়। একটি নির্দিষ্ট সময় অপেক্ষার পরও ডেলিভারি পেইন না উঠলে ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে ইন্ডাকশন এর মাধ্যমে ডেলিভারি পেইন উঠানো সম্ভব। এজন্য অধিক টেনশন বা দুশ্চিন্তা না করে একজন গাইনোকোলজিস্টের পরামর্শে থাকবেন।
সবশেষে আরেকটি বিষয় মনে রাখতে হবে, সবরকম মানসিক প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও কিছু কিছু জটিলতা দেখা দিতে পারে যখন নরমাল ডেলিভারি চেষ্টা করলে মা ও বাচ্চা উভয়ের ক্ষতি হতে পারে, এ সময় সিজারের সিদ্ধান্ত নিতে দেরি না করাই ভালো। সর্বক্ষেত্রেই আল্লাহর উপর ভরসা করে একটি সুস্থ বাচ্চা আশা করা উচিত।
ডা: নুসরাত জাহান।
26/08/2022
একজন পেশেন্টের রিলেটিভ আপনাকে ফোন দিয়ে বল্লো স্যার ওমুকের খিচুনি হচ্ছে তাড়াতাড়ি একটু পরামর্শ দিন কি করব....
কি পরামর্শ দিবেন তার আগে দেখতে হবে আসলেই খিচুনি হচ্ছে কি না কারন রুগীর রিলেটিভেরা প্রায় সময় এমন অনেক কথায় বলে।
ঠিক তখন আপনার মাথায় আসতে হবে খিচুনির বৈশিষ্ট্যগুলা কি আসলেই তার মাঝে আছে কি না যেমনঃ-
১. খিচুনির সাথে চোখ উল্টে যাবে।
২. খিচুনির সাথে জিহ্বা কেটে রক্ত বের হবে।
৩. খিচুনির সাথে প্রস্রাব বা পায়খানা হয়ে যাবে।
এই ৩ টি বৈশিষ্ট্যের কম পক্ষে একটি বৈশিষ্ট্য থাকলে তাকে আমরা খিচুনি ধরব আর একটি ও না থাকলে তাকে খিচুনি হিসাবে ধরা যাবে না।
26/08/2022
....
26/08/2022
বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ হইতে বিভিন্ন প্রকার সনদ উত্তোলন ও সংশোধনের নিয়মাবলীঃ-
★মূল সনদ উত্তোলনের নিয়ম।
★সাময়িক সনদ উত্তোলনের নিয়ম।
★নিজ নাম, পিতা ও মাতার নামের বানান
সংশোধনের নিয়ম।
★ডিএমএফ উত্তোলনের নিয়ম।
★নম্বরপত্র/সনদ যাচাই/সত্যায়নের নিয়ম।
★দ্বি-নকল মূল সনদ উত্তোলনের নিয়ম।
★দ্বি-নকল সাময়িক সনদ উত্তোলনের নিয়ম।
★দ্বি-নকল নম্বর পত্র উত্তোলনের নিয়ম।
★সনদ বাংলা থেকে ইংরেজিতে উত্তোলনের।
নিয়ম
বিঃদ্রঃ উপরোক্ত সকল ক্ষেত্রে জরুরী ফি ৩০০/- টাকা এবং সকল ফি এর জন্য ব্যাংক ড্রাফট/পে-অর্ডার বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ এর অনুকূলে হতে হবে।
26/08/2022
ডায়রিয়া প্রতিরোধে করণীয়ঃ
১.মলত্যাগে স্যানিটারি ল্যাট্রিন ব্যবহার করুন।
২.পায়খানা করার পর ও খাওয়ার আগে অবশ্যই সাবান দিয়ে ভালো করে হাত ধুয়ে নিন।
৩.খাবার তৈরি করা ও পরিবেশন করার আগেও হাত ধুয়ে নিন। ব্যবহার্য থালা-বাসন, চামচ-বাটি ইত্যাদিও ভালো করে ধুয়ে নিন। এসব কাজে নিরাপদ পানি ব্যবহার করুন।
৪.ছয় মাস বয়স পর্যন্ত শিশুকে শুধু বুকের দুধ খাওয়ান।
৫.বাসি-পচা খাবার, মাছি বসা খাবার এবং বাইরের খোলা খাবার, শরবত বা ফলের রস খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
৬.রান্না করা খাবার বেশিক্ষণ বাইরে রেখে দিলে তাতে রোগজীবাণু দ্রুত বৃদ্ধি পায়। সুতরাং খাবার খেয়ে নিন গরম গরম। বাড়তি খাবার ঠান্ডা করে রেখে দিন ফ্রিজে। পরে খাওয়ার সময় আবার ভালো করে গরম করে নেবেন।
৭.পরিষ্কার পাত্রে রাখা টিউবওয়েলের নিরাপদ পানি কিংবা ফোটানো পানি ঠান্ডা করে পান করুন। পানি ফুটিয়ে জীবাণুমুক্ত করতে হলে চুলায় পানি ফুটতে শুরু করার পর ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর্যন্ত সময় ফোটাতে হবে। পানি ঠান্ডা হলে মাটির কলস বা কাচের জার বা বোতলে রাখুন। প্লাস্টিকের বোতল ব্যবহার না করাই ভালো।
26/08/2022
কিডনি রোগের ১০ লক্ষণ, জেনে নিন কি কি?
১. প্রস্রাবে পরিবর্তন
কিডনি রোগের একটি বড় লক্ষণ হলো প্রস্রাবে পরিবর্তন হওয়া। কিডনির সমস্যা হলে প্রস্রাব বেশি হয় বা কম হয়। বিশেষত রাতে এই সমস্যা বাড়ে। প্রস্রাবের রং গাঢ় হয়। অনেক সময় প্রস্রাবের বেগ অনুভব হলেও প্রস্রাব হয় না।
২. প্রস্রাবের সময় ব্যথা
প্রস্রাবের সময় ব্যথা হওয়া কিডনির সমস্যার আরেকটি লক্ষণ। মূলত প্রস্রাবের সময় ব্যথা, জ্বালাপোড়া- এগুলো ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনের লক্ষণ। যখন এটি কিডনিতে ছড়িয়ে পড়ে তখন জ্বর হয় এবং পিঠের পেছনে ব্যথা করে।
৩.প্রস্রাবের সাথে রক্ত যাওয়া
প্রস্রাবের সাথে রক্ত গেলে এটি খুবই ঝুঁকির বিষয়।এমন হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি লক্ষণ।
৪. দেহে ফোলা ভাব
কিডনি শরীর থেকে বর্জ্য এবং বাড়তি পানি বের করে দেয়। কিডনিতে রোগ হলে এই বাড়তি পানি বের হতে সমস্যা হয়। বাড়তি পানি শরীরে ফোলাভাব তৈরি করে।
৫. মনোযোগ দিতে অসুবিধা হওয়া
লোহিত রক্তকণিকা কমে যাওয়ার কারণে মস্তিস্কে অক্সিজেন পরিবহন কমে যায়। এতে কাজে মনোযোগ দিতে অসুবিধা হয়।
৬. সবসময় শীত বোধ হওয়া
কিডনি রোগ হলে গরম আবহাওয়ার মধ্যেও শীত শীত অনুভব হয়। আর কিডনিতে সংক্রমণ হলে জ্বরও আসতে পারে।
৭. ত্বকে র্যাশ হওয়া
কিডনি অকার্যকর হয়ে পড়লে রক্তে বর্জ্য পদার্থ বাড়তে থাকে। এটি ত্বকে চুলকানি এবং র্যাশ তৈরি করতে পারে।
৮. বমি বা বমি বমি ভাব
রক্তে বর্জ্যনীয় পদার্থ বেড়ে যাওয়ায় কিডনির রোগে বমি বমি ভাব এবং বমি হওয়ার সমস্যা হতে পারে।
৯. ছোটো ছোটো শ্বাস
কিডনি রোগে ফুসফুসে তরল পদার্থ জমা হয়। এ ছাড়া কিডনি রোগে শরীরে রক্তশূন্যতাও দেখা দেয়। এসব কারণে শ্বাসের সমস্যা হয়, তাই অনেকে ছোট ছোট করে শ্বাস নেন।
১০. পেছনে ব্যথা
কিছু কিছু কিডনি রোগে শরীরে ব্যথা হয়। পিঠের পাশে নিচের দিকে ব্যথা হয়। এটিও কিডনি রোগের একটি অন্যতম লক্ষণ।
26/08/2022
প্রস্রাব এ জ্বালাপোড়া:
গরমে অনেকেরই প্রস্রাবে অস্বস্তি হতে পারে। এ সময়ে প্রস্রাবের সময় ব্যথা, জ্বালাপোড়া ও অস্বস্তি হয়। এটি কোনো রোগ নয়, রোগের উপসর্গ। এটি নারী ও পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই খুব প্রচলিত সমস্যা। তবে পুরুষের তুলনায় নারীদের সমস্যাটি বেশি হয়। এই প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া সৃষ্টির জন্য দায়ী হল ব্যাকটেরিয়া। তবে কোন কোন ক্ষেত্রে ছত্রাক বা ফাঙ্গাসের কারণেও প্রস্রাবে জ্বালা হয়ে থাকে।
আরও যেই সমস্যাগুলো থাকতে পারে -
★ এ রোগ হলে প্রস্রাবের সময় জ্বালা-পোড়া হয় এবং সেই সঙ্গে পিঠের পেছনে উদরের নিচে ব্যথা হয়
★ ঘনঘন প্রস্রাবের ইচ্ছে হলেও অল্প প্রস্রাব হয়, ঘোলাটে, গন্ধযুক্ত এবং রক্ত সমন্বিত পস্রাব হতে পারে।
★ এছাড়া যৌন মিলনেও ব্যথা অনুভব হয়।
★ প্রসাব ধরে রাখতে না পারা।
★ কোমড় ব্যাথা, দাঁড়িয়ে থাকতে না পারা এবং সুয়ে থাকলে ব্যাথা কমে যাওয়া।
কারণ :
★ প্রস্রাবে ব্যথা বা জ্বালাপোড়া হওয়ার একটি কারণ হতে পারে ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন বা ইউটিআই।
★ আর পুরুষের ক্ষেত্রে প্রোস্টেট গ্রন্থির বিভিন্ন সমস্যার জন্য এটি হতে পারে।
★ জরায়ুমুখের প্রদাহ, যোনিপথে ছত্রাক সংক্রমণ বা ক্ল্যামাইডিয়ার মতো জীবাণু সংক্রমণের কারণে প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া হতে পারে।
★ এ ছাড়া তলপেটে ব্যথা, মাসিক ব্যথা, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, সাবান বা কসমেটিকস বা প্যাডে অ্যালার্জিসহ বিভিন্ন কারণে প্রস্রাবে সংক্রমণ হতে পারে।
★ ডায়াবেটিস, কিডনি বা পাথর সমস্যা,
★ এ ছাড়া যৌনবাহিত রোগ, ভ্যাজাইনাল ইনফেকশন,
★ মাসিক এর সময় দীর্ঘসময় প্যাড পরে থাকা।
★ পানিশূন্যতা— এগুলোর কারণেও কিন্তু প্রস্রাবে ব্যথা বা জ্বালাপোড়ার সমস্যা হতে পারে।
করনীয়:
★ পানিপানের পরিমাণ বাড়ান
পানিপানের পরিমাণ বাড়ালে প্রস্রাবের সময় ব্যথা বা জ্বালাপোড়ার সমস্যা কম হবে। পানি শরীর থেকে দূষিত ব্যাকটেরিয়াগুলো বের করে দেবে। এটি প্রস্রাব ঠিকঠাকমতো হতে সাহায্য করবে।
★ এ ছাড়া প্রস্রাবে জ্বালাপোড়ার সমস্যা হলে তরল খাবারের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হবে। যেমন ধরুন- স্যুপ, ডাব,জুস এবং পাশাপাশি পানিজাতীয় ফল ও সবজি খেতে হবে।
★ গরম চাপও দিতে পারেন। এতে ব্লাডারের চাপ কমবে এবং ব্যথা কমবে। এ জন্য আপনি হিটিং প্যাড ব্যবহার করতে পারেন অথবা কোনো কাপড় তাপে গরম করে পেটে ব্যবহার করতে পারেন।
★ প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি খাওয়া উচিত
মাসিক চলাকালীন আমিষ খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। এ সময় আমিষের বদলে প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি খেতে হবে।
★ প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া হলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
26/08/2022
"ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে গেলে করনীয়"
যাঁদের ইউরিক অ্যাসিড বেশি, তবে কোনো সন্ধি প্রদাহ বা কিডনি সমস্যা নেই, তাঁরা এ নিয়ে বেশি আতঙ্কিত হবেন না। বারবার রক্ত পরীক্ষা করা বা অকারণ ওষুধ সেবনেরও দরকার নেই। স্থূল বা মোটা মানুষদের ইউরিক অ্যাসিড বেশি থাকে, তাই ওজন কমালে উপকার পাওয়া যায়।
খাবারদাবার নিয়ে বাড়াবাড়ি নিয়ন্ত্রণেরও দরকার নেই। তবে অতিরিক্ত পিউরিন জাতের খাবার, যেমন:
লাল মাংস, কলিজা, কিছু সামুদ্রিক মাছ, কোমল পানীয়, বিয়ার বা অ্যালকোহল সেবন এড়িয়ে চলুন।
কৃত্রিম রং, চিনি বা কর্ন সিরাপ দেওয়া খাবার একেবারে বন্ধ করা উচিত। কোলা জাতীয় পানীয়, রং দেওয়া জেলি, জ্যাম, সিরাপ, কৌট বন্দি ফ্রুট জ্যুস খাওয়া চলবে না। পালং শাক, পুঁই শাক, মুসুর ডাল, বিউলি ডাল, মাটন খাওয়া মানা।
যেসব খাবার খেতে পারেন:
ইউরিক অ্যাসিড বাড়লে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানী খেতে হবে। দিনে সাড়ে ৩ থেকে ৪ লিটার পানী খেলে, ইউরিক অ্যাসিড কমে যায়।
তবে নানা রকমের শাকসবজি, ডাল, শিম বা বীজজাতীয় খাবার, ডিমের সাদা অংশ, মুরগি ইত্যাদি খেতে বাঁধা নেই।
ভিটামিন সি–যুক্ত খাবার যেমন:
আনারস, পেয়ারা, আমলকি, কমলা, মাল্টা,জাম, আম উপকারে আসে বলে প্রমাণিত হয়েছে।
ইউরিক অ্যাসিড কমানোর জন্য ওষুধ সব সময় প্রয়োজন হয় না। বিশেষ করে অ্যাকিউট অ্যাটাক বা হঠাৎ সন্ধি প্রদাহের সময় ওষুধ দেওয়া হয় না। আবার দীর্ঘ মেয়াদে এসব ওষুধের কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও আছে। তাই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ না করে ওষুধ শুরু করা, কমানো–বাড়ানো বা বন্ধ করতে যাবেন না। আদর্শ ওজন বজায় রাখুন আর স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন।
26/08/2022
অ্যাপেন্ডিসাইটিস কীভাবে বুঝবেনঃ
অ্যাপেন্ডিসাইটিস রোগের প্রথম ও প্রধান লক্ষণ হলো পেট ব্যথা। এই ব্যথা সাধারণ পেট ব্যথার তুলনায় বেশ আলাদা। এটা শুরু হলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চিকিৎসা নেওয়া জরুরি। অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথায় শল্যচিকিৎসা নিতে হয়। অনেক সময় এ ব্যথাকে আমল না দিয়ে নানা রকম ব্যথানাশক বা অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খেয়ে ধামাচাপা দেওয়া হয়। এতে পরবর্তী সময়ে রোগীর শরীরে মারাত্মক জটিলতা তৈরি হয়।
মানুষের বৃহদন্ত্রের সঙ্গে লাগানো কনিষ্ঠ আঙুলের মতো একটি সরু থলের নাম অ্যাপেন্ডিক্স। লম্বায় এটি ২ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হতে পারে। থাকে তলপেটের ডান দিকে। এর সঠিক কাজ যে কী, তা এখনো অস্পষ্ট। কিন্তু এই ছোট্ট থলেতে আকস্মিক প্রদাহ হলে দেখা দেয় অসহনীয় ব্যথা। এর নাম অ্যাপেন্ডিসাইটিস।
কেমন এই ব্যথাঃ
অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথা সাধারণত নাভির চারপাশে বা নাভির একটু ওপর থেকে শুরু হয়। কয়েক ঘণ্টা পর তলপেটের ডান দিকের অংশে ব্যথাটা স্থায়ী হয়। থেমে থেমে ব্যথা ওঠে সেটা তীব্র ও হালকা—দুই রকমেরই হতে পারে। এ ছাড়া বমি বমি ভাব বা দু-একবার বমি হতে পারে। সঙ্গে হালকা জ্বরও থাকতে পারে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। ব্যথা তীব্র হলে রোগী হাসপাতালে আসতে বাধ্য হয়। তবে হালকা ব্যথা হলেও সতর্ক হতে হবে। কেননা, পরবর্তী সময়ে রোগীর অ্যাপেন্ডিক্সের চারদিকে বিভিন্ন উপাদান জমা হয়ে পেটে একটি চাকা বা ফোঁড়া তৈরি হতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা না হলে অ্যাপেন্ডিক্স ছিদ্র হয়ে খাদ্যনালির ভেতরের বিভিন্ন উপাদান, পরিপাক হয়ে যাওয়া খাবারের অংশ ও মল বেরিয়ে পুরো পেটে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ফলে পেটের ভেতরে, এমনকি রক্তেও ছড়িয়ে পড়তে পারে গুরুতর সংক্রমণ। এ ধরনের ঘটনায় রোগীর জীবনের আশঙ্কাও দেখা দেয়।
চিকিৎসা কীঃ
অ্যাপেন্ডিসাইটিসের চিকিৎসা হলো আক্রান্ত অংশ বা অ্যাপেন্ডিক্স যত দ্রুত সম্ভব অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কেটে ফেলে দেওয়া। অস্ত্রোপচারের ভয়ে অনেকে হাসপাতালে যেতে চান না। অনেক সময় শিশু বা বেশি বয়স্করা ব্যথার সঠিক বর্ণনাও দিতে পারে না। কিন্তু জটিলতা এড়াতে পেটে ব্যথা তীব্র ও স্থায়ী অথবা থেকে থেকে হলে রোগীকে শক্ত খাবার দেওয়া থেকে বিরত থাকুন বা মুখে খাবার দেওয়া বন্ধ রাখুন এবং দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।
26/08/2022
বাথরুমেই কেন স্ট্রোক বেশি হয়?
স্ট্রোক সাধারণত বাথরুমেই বেশি হয়ে থাকে। কারণ, বাথরুমে ঢুকে গোসল করার সময় আমরা প্রথমেই মাথা এবং চুল ভেজাই, যা একমই উচিত নয়। এটি একটি ভুল পদ্ধতি।
এইভাবে প্রথমেই মাথায় পানি দিলে রক্ত দ্রুত মাথায় উঠে যায়।
এতে কৈশিক ও ধমনী একসঙ্গে ছিড়ে যেতে পারে। ফলস্বরূপ ঘটে স্ট্রোক, অতঃপর মাটিতে পড়ে যাওয়া।
কানাডার মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন জার্নালে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্ট্রোক বা মিনি স্ট্রোকের কারণে যে ধরনের ঝুঁকির কথা আগে ধারণা করা হতো, প্রকৃতপক্ষে এই ঝুঁকি দীর্ঘস্থায়ী এবং আরও ভয়াবহ।
বিশ্বের একাধিক গবেষণা রিপোর্ট অনুযায়ী, গোসলের সময় স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বা পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে।
এজন্য কিছু নিয়ম মেনে গোসল করা উচিত। সঠিক নিয়ম মেনে গোসল না করলে হতে পারে মৃত্যুও।
গোসল করার সময় প্রথম মাথা এবং চুল ভেজানো একদম উচিত নয়। কেননা, মানুষের শরীরে রক্ত সঞ্চালন একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় হয়ে থাকে।
শরীরের তাপমাত্রা বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে মানিয়ে নিতে কিছু সময় লাগে।
চিকিৎসকদের মতে, মাথায় প্রথমেই পানি দিলে সঙ্গে সঙ্গে রক্ত সঞ্চালনের গতি বহু গুণ বেড়ে যায়। সে সময় বেড়ে যেতে পারে স্ট্রোকের ঝুঁকিও। তাছাড়া, মাত্রাতিরিক্ত রক্তচাপের কারণে ছিড়ে যেতে পারে মস্তিষ্কের ধমনী।
গোসলের সঠিক নিয়ম:
প্রথমে পায়ের পাতা ভেজাতে হবে। এরপর ধীরে ধীরে উপরের দিকে কাধ পর্যন্ত ভেজাতে হবে।
তারপর মুখে পানি দিতে হবে। সবার শেষে মাথায় পানি দেওয়া উচিত।
এই পদ্ধতি যাদের উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টরেল এবং মাইগ্রেনের সমস্যা আছে তাদের অবশ্যই পালন করা উচিত।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Rangpur
5400