B O R N O

B O R N O

Share

Proud Muslim
Poet
Writer
Motivational Speaker
Social Entrepreneur (শিশুতোষ ২০১৮)|
২.নিঃশব্দ ভাবনা. ( একুশে বইমেলা ২০১৯) |
৩.ইচ্ছের রঙধনু.

মিজান রহমান বর্ণ | জন্ম পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার বড় মাছুয়া ইউনিয়নে ১৯৯১ সালের ১ অক্টোবর | পিতা মোঃ রুহুল আমিন (সরকারি চাকুরিজীবী) এবং মা মমতাজ বেগম —এর প্রথম সন্তান| তিনি স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেছেন অর্থনীতিতে |

প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা সাত | লেখালেখির পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত একটি বেসরকারি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন |

ছোটবেলা থেকেই তিনি অত্যন্ত মেধাবী | যার স্বকৃতি স্বরূ

25/03/2026

বাস ডুবে গেছে পানির তলায় । আপনি কোনোভাবে ভেসে উঠে গেলেন ।

কিন্তু আপনার মা আটকে গেছে পানির নিচে । বদ্ধ বাসে ।

এখন কেবলই মায়ের লাশেরই অপেক্ষা হয়তো...

এই ছেলেটা জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৯ তম ব্যাচের অর্থনীতি বিভাগের ছাত্র ।

সে বেঁচে ফিরেছে মায়ের পাশের সিট হতে ।
মা ফিরতে পারে নি ।

সার্ভাইব কইরা নিজের জীবন বাঁচাইয়াও ওর এখন নিজেরে পরাজিত মনে হইবো ।

দুনিয়ার সব মায়েরাই দোয়া করে ,

তাদের আগে যেনো তার সন্তানের মৃত্যু না হয় ...

এই মায়ের দোয়া কবুল হয়েছে হয়তো ।

কিন্তু এই ছেলেটা এই ট্রমা থেকে আজীবন বাইর হইতে পারবে ?

একই ডুবে যাওয়া বাস থেকে সে বেঁচে ফিরলো মা'কে ছাড়া...

আমি কেবল একজনের গল্প বলছি ।
বাকি সবারই একই গল্প হবে ।

প্রিয় মানুষদের ছাড়া যারা বেঁচে ফিরে নিজেদের পরাজিত মানুষ ভাবতে শুরু করবে...

আজীবন চোখ বন্ধ করলেই এই দৃশ্য ভেসে উঠবে প্রিয় মানুষদের লাশের মতোই ।

- অনিকেত প্রান্তর - No Man's Landবাস ডুবে গেছে পানির তলায় । আপনি কোনোভাবে ভেসে উঠে গেলেন ।

কিন্তু আপনার মা আটকে গেছে পানির নিচে । বদ্ধ বাসে ।

এখন কেবলই মায়ের লাশেরই অপেক্ষা হয়তো...

এই ছেলেটা জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৯ তম ব্যাচের অর্থনীতি বিভাগের ছাত্র ।

সে বেঁচে ফিরেছে মায়ের পাশের সিট হতে ।
মা ফিরতে পারে নি ।

সার্ভাইব কইরা নিজের জীবন বাঁচাইয়াও ওর এখন নিজেরে পরাজিত মনে হইবো ।

দুনিয়ার সব মায়েরাই দোয়া করে ,

তাদের আগে যেনো তার সন্তানের মৃত্যু না হয় ...

এই মায়ের দোয়া কবুল হয়েছে হয়তো ।

কিন্তু এই ছেলেটা এই ট্রমা থেকে আজীবন বাইর হইতে পারবে ?

একই ডুবে যাওয়া বাস থেকে সে বেঁচে ফিরলো মা'কে ছাড়া...

আমি কেবল একজনের গল্প বলছি ।
বাকি সবারই একই গল্প হবে ।

প্রিয় মানুষদের ছাড়া যারা বেঁচে ফিরে নিজেদের পরাজিত মানুষ ভাবতে শুরু করবে...

আজীবন চোখ বন্ধ করলেই এই দৃশ্য ভেসে উঠবে প্রিয় মানুষদের লাশের মতোই ।

- অনিকেত প্রান্তর - No Man's Land

15/03/2026

১২ ডিসেম্বর ভাই গুলিবিদ্ধ হইলেন,
১২ ফেব্রুয়ারী নির্বাচন হইলো,
১২ ই মার্চ আব্বাস অসুস্থ,

১৫ ই ডিসেম্বর ভাইয়ের নিথর দেহটা সিংগাপুরে নেয় ... ভাইয়ের চোখ হাত পা ফুলে ছিলো ...

১৫ ই মার্চ আব্বাসও সিংগাপুরে যাচ্ছে।

ভাইয়েরও মাথায় যন্ত্রণা, মাথায় অপারেশন হইলো ...
মাথায় রক্তক্ষরণ হইলো।

আব্বাস গুলি খায় নাই, তবে সমস্যা সেই মাথাতেই।
মস্তিষ্কে ইনফেকশন!

আল্লাহ ইফতারের আগে দুয়া করতেছি ১৮ তারিখ দিও না আর কোন সংবাদ। এতো সহজে না খোদা ... ধীরে ধীরে তিলে তিলে ... রোজায় না খোদা, রোজায় না ...

আহারে ঢাকা ৮ আসনরে ... একটা আসন কেউ ইই বসতে পারলো না। রিজিক্ব কাইড়া নিয়া রিজিক পাওয়া যায় না ... রিজিক আসমানে আল্লাহ নিজ হাতে লিখে।

ভাইদের পরিবারের মানুষগুলা অনেক নেককার মানুষ। তার আম্মা, ভাবী, বোন, বিশেষ করে তার আব্বা! হাদী হুজুরের ছোট ছেলে নামে সবাই ভাই কে চিনে! সেই পরিবারের সন্তানটারে নির্মম ভাবে বিনাকারণে হত্যা করে ওরা পাপের কোন ভারটা মাথায় নিছে বুঝে নাই ... আমরা গুনাহগার আমাদের দুয়া কবুল না হইলেও আল্লাহ তাদেরটা করবেন, একটা মানুষ ইনসাফের জন্য লড়ে গেছে! আর কিচ্ছু না ... আল্লাহ সেই বিচার করবেন না? আল্লাহ নিজে সেই বিচার করবেন, দুনিয়াবাসী দেখবে ইন শা আল্লাহ। clt

04/03/2026

রক্তমাখা ব্যাগগুলোর সাথে আমাদের বাসার ব্যাগগুলোর কত মিল..তাই না। ইফতারের পর ছোট্ট হানার টেবিলের ওপর ওর স্কুলব্যাগ চোখে পড়তেই কেমন যেন সব অনুভূতি থমকে গেল। মনে ভেসে উঠল মিনাব শহরের সেই ছোট্ট শিশুদের স্কুল। যারা যুদ্ধ , বোমা, মিসাইলের কিচ্ছু বোঝেনা..কিন্তু তাতেই জীবন দিতে হল।
বোমা মেরে ১৬৫ টি শিশুকে হত্যার আগে যখন তাদের মাথায় স্কুল ভবনটি ভেঙে পড়ল সেই মুহুর্তে এই ছোট্ট বাচ্চাগুলোর চেহারা একটু কল্পনা করুন তো....। বাচার জন্য হয়তো কেউ কেউ পাশে থাকা স্কুল ব্যাগটি জড়িয়ে ধরেছিল....রক্ত মাখা ব্যাগগুলো তো সেই সাক্ষীই দেয়...।🥲💔

06/01/2026

জুলাই বিপ্লব শেষ নয়, এটা কেবল শুরু: আসছে 'তৃতীয় বিপ্লবের' ডাক! 🔥
​বর্তমানে দেশের পরিস্থিতি দেখে একটা বিষয় স্পষ্ট— বিএনপি এখনো ক্ষমতায় বসেনি, অথচ রাষ্ট্রের পুরো সিস্টেম এখনই তাদের দিকে ঝুঁকে পড়েছে। কেন জানেন? কারণ বিগত ১৭ বছর ধরে যে পচা ও দুর্নীতিগ্রস্ত 'সিস্টেম' তৈরি হয়েছে, তারা স্রেফ তাদের নতুন 'প্রভু' বেছে নিয়েছে।
​⚠️ কেন এই ব্যবস্থা সংস্কার সম্ভব নয়?
এই দেশের আমলাতন্ত্র, প্রশাসন আর কর্মচারীদের বড় একটা অংশ আজ লুটপাটের সিন্ডিকেটে পরিণত হয়েছে। তারা তাদের অতীত পাপ ঢাকতে এবং ভবিষ্যতের লুটপাট নিশ্চিত করতেই এখন নতুন প্রভুদের 'তৈল মর্দন' শুরু করেছে। এই দূষিত রক্ত দিয়ে রাষ্ট্র সংস্কার অসম্ভব!
​🚫 ইসলামপন্থীদের কেন তারা ঠেকাবে?
রাষ্ট্রের বর্তমান মেকানিজম কখনোই ইসলামপন্থীদের জায়গা দেবে না। কারণ তারা গত দেড় দশকে যে জবাবদিহিহীন ও বিলাসী জীবন পেয়েছে, ইসলামি শাসনে সেই দুনিয়া সংকুচিত হয়ে যাবে। নিজেদের কুকর্মের জন্য কাঠগড়ায় দাঁড়ানোর ভয়ে তারা সবসময় বাধা হয়ে দাঁড়াবে।
​⚔️ শরীফ উসমান বিন হাদীর দর্শন ও 'তৃতীয় বিপ্লব':
রাজপথে শুধু রক্ত দিলেই বিপ্লব হয় না, তার জন্য প্রয়োজন ভিশন। শরিফ উসমান বিন হাদী সব সময় একটি 'তৃতীয় বিপ্লবের' কথা বলেছেন।
১. এই বিপ্লবে সবার আগে একটি 'বিপ্লবী গার্ড' তৈরি করতে হবে, যারা পুলিশ বা র‍্যাবের বিকল্প হয়ে উঠবে।
২. তালি দেওয়া সংস্কার নয়, বরং গাছের শেকড় যেভাবে উপড়ানো হয়, তেমনি বর্তমান প্রশাসনকে ভেঙে দিয়ে পুরো সিস্টেমকে উচ্ছেদ করতে হবে।
​🎓 জেন-জি (Gen-Z) ও আগামীর লড়াই:
সামনে জেন-জি এবং আলফাদের যুগ। আমাদের কাজ হলো এই নবাগত প্রজন্মকে ধরে ধরে সঠিক ইতিহাস শেখানো। তাদের শত্রু-মিত্র চেনাতে হবে। জুলাই বিপ্লব ছিল প্রথম স্টেজ, যেখানে অনেক ভুল-ভ্রান্তি রয়ে গেছে। ২,০০০ শহীদের রক্তঋণ তখনই শোধ হবে, যখন এই 'তৃতীয় বিপ্লব' সম্পন্ন হবে।
​⏳ আগামী ৫ বছর আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ:
ক্ষমতায় আসা মাত্রই যখন পুরনো সিস্টেমের নবায়ন ঘটবে, তখন জনগণ ও তরুণ প্রজন্ম চরমভাবে বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়বে। এই বিতৃষ্ণা থেকেই শুরু হবে বড় পরিবর্তনের সুর।
​আমাদের দায়িত্ব এখন শেষ হয়নি, বরং শুরু হয়েছে:
✅ স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের গাইড করা।
✅ নিরলস এক্টিভিজম চালিয়ে যাওয়া।
✅ সচেতন ও বিপ্লবী একটি প্রজন্ম বিনির্মাণ করা।
​মনে রাখবেন— জুলাইকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে প্রতিটি হৃদয়ে। ৫ বছর পর যেন আমরা এক বিশাল সচেতন প্রজন্ম নিয়ে রাজপথে দাঁড়াতে পারি। ইনশাআল্লাহ! ✊🇧🇩
​ #নির্বাচন োক_প্রতিবাদের

05/01/2026

নাও জুলাই খাও, পপকন খাপ —

সুরভীর ঘটনাটা পুরো সিস্টেমরে ন্যাংটা করে ছেড়ে দিসে৷

প্রথমে দেখলাম ক্রাইম অ্যাঙ্গেল। সে নাকি চাঁদাবাজি করসে, তাও ৫০ কোটি টাকার৷ পরে মামলার এজহার আর স্থানীয় আপোষনামা দেখে বোঝা গেল ৫০ হাজার টাকাও না।

তারপরে আসলো পলিটিক্যাল অ্যাঙ্গেল। মামলা বহুদিন আগে হওয়া সত্ত্বেও, যেসময় সে ওয়াকার ইউনূসের নামে 'কুরুচিপূর্ণ' (প্রথম আলোর ভাষায়) মন্তব্য করলো, কীভাবে যেন তার পরেই গ্রেফতার হলো।

এরপরে আসলো ফেমিনিস্ট অ্যাঙ্গেল৷ জানা গেল, চাঁদাবাজি-টাজি কোনো কথা না, তারে নাইমুর রহমান দুর্জয় নামে এক ভণ্ড সাংবাদিক 'কুপ্রস্তাব' দিসে এবং তাতে সে রাজি না হওয়াতেই এই মামলা।

এরপর আবার পলিটিক্যাল অ্যাঙ্গেল৷ জানা গেল, দুর্জয় লীগের লোক৷ আগেও দেশ টিভির ভুয়া পরিচয় দিয়ে পুরস্কার নিসে৷ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সাথে ছবি তুলে ব্যবহার করে নিজের স্বার্থসিদ্ধিতে।

এরপর আজকে সামনে আসলো মানবাধিকার অ্যাঙ্গেল৷ সে তো অ্যাডাল্টই না। বয়স কয়দিন আগে ১৭ হইসে মাত্র৷ এই বয়সী একজনকে 'কুপ্রস্তাব' দিলে সেইটা শুধু কুপ্রস্তাব হয় না। রীতিমতো পেডোফিলিয়া। এই সাংবাদিকদের নামে কোনো মামলা হইসে এখনো?

এরপর সবশেষে আসলো পুলিশি অ্যাঙ্গেল। কালিয়াকৈর থানার অন্তর্গত মৌচাক পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত এসআই ওমর ফারুক তার কাছ থেকে টাকা চাইসিলো৷ সেইটা দিতে অস্বীকৃতি জানানোতেই এই গ্রেফতার৷ এই কথা সুরভীর নিজের জানানো লাগলো আদালত প্রাঙ্গনে তাকে পুলিশ ভ্যানে তোলার সময়। জানা গেল, পুলিশই তার বয়স চার বছর বাড়ায়ে দেখাইসে৷ ওমর ফারুক এবং যেই পুলিশ বয়স বাড়ায়ে দেখাইসে তাদের বিরুদ্ধে এখনও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি৷

জানার কোনো শেষ নাই। এই ঘটনায় আরও যে কত কত অ্যাঙ্গেল বের হবে, আল্লাহ মালুম! দেশে কোনো মিডিয়া নাই৷ মানবাধিকার কর্মী নাই। ফেমিনিস্ট নাই৷ সব দায়িত্ব পালন করতেসে অল্প কিছু অ্যাক্টিভিস্ট৷ তাদেরও খাওয়া নাই। ঘুম নাই৷ একটার পর একটা ঘটনায় তাদেরই সক্রিয় থেকে ভিক্টিমকে উদ্ধার করতে হচ্ছে৷

দেশে কোনো আইন উপদেষ্টা নাই৷ আছে একজন ফেসবুকার যে ক্ষণে ক্ষণে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়৷ কার কাছে জানায় সে নিজে কি জানে? দেশে কোনো স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নাই। আছে একজন জোকার৷ মানুষ বিয়ে করসে কিনা, সকালে কী খাইসে, বেতন কত, পিঁয়াজের দাম পাইত্রিশ টাকা কীভাবে বাড়লো সেটাই তার আগ্রহের জায়গা।

দেশে কোনো ডাকসু নাই৷ আছে একটা চ্যারিটি সংগঠন৷ মাদক ধরা আর বহিরাগত দমন করে কাজ শেষ৷ দেশে কোনো সাবেক ছাত্র উপদেষ্টা নাই৷ আছে পালনবাদ, দায় ও দরদ৷

হাজার নাই-এর দেশে একজন সুরভী আছে। নিজের উপর সমস্ত ঝুঁকি নিয়ে সবকিছু বলে দিলো। যদি তার নিঃশর্ত মুক্তি নিশ্চিত না করা যায়, তাহলে জুলাইয়ের গুড় খাওয়া সবার উপর একই জিনিস নেমে আসবে, না আসলে আমরা আনাবো। তারপর পপকর্ন নিয়ে বসে খ্যালা দেখবো৷

Suprio Saha

04/01/2026

আহারে জীবন 😥

ওইদিন ওসমান হাদি ভাই বাসায় যাননি। ডাকসুর রেজাল্ট ঘোষণার রাত। আমরা সবাই কালচারাল সেন্টারে, পিসির সামনে বসে আছি—নিঃশ্বাস আটকে ফলাফল দেখছি। একে একে নাম আসছে। হঠাৎ মুক্তিযু'দ্ধ বিষয়ক সম্পাদক পদের ঘোষণা শুরু হতেই ওসমান ভাই সবাইকে চুপ করিয়ে দিলেন। ভোটের ব্যবধান দেখেই বোঝা যাচ্ছিল—জুমা আপা জিতবেন। মুহূর্তের মধ্যেই ওসমান ভাই আর জাবের ভাই একসাথে চিৎকার করে উঠলেন, সঙ্গে আমরাও। তারপরই আবার সবাইকে শান্ত করালেন। তখন রাত প্রায় বারোটা-একটা।

কিছুক্ষণ পর আমরা রওনা হলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনের দিকে। পথে পথে গল্প, হাসি, আনন্দ—ওসমান ভাই সবার মাঝে প্রাণ ঢেলে দিচ্ছেন। গান গেয়েছি আমরা। শাহবাগের ফুলের দোকান থেকে জুমা আপার জন্য মালা কিনেছি। যেতে যেতে ডাকসু নির্বাচনে জয়ী অন্যদের ফোন করে ওসমান ভাই নিজে অভিনন্দন জানাচ্ছিলেন—কী অপার আনন্দ, কী নিখাদ উদারতা!

সিনেট ভবনের নিচে আর দোতলায় তোলা ছবিগুলো আজ আর শুধু ছবি নয়—সেগুলো হয়ে আছে স্মৃতি, হাসি আর হারানোর নীরব দলিল।

কী নিষ্ঠুর সময়… এমন মানুষগুলোই আমাদের সবচেয়ে তাড়াতাড়ি ছেড়ে যায়।

স্মৃতিচারণ ( সংগৃহীত )

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Ramna?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Shantinagar
Ramna
1217