Master Pharmacy
বোয়ালিয়া কাউন্সিল বাজারের পূর্ব পাশে
24/01/2023
11/01/2022
ফ্রী ফায়ার স্টেশন
ডা: মিজানুর রহমান কল্লোল
০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭,মঙ্গলবার, ১৫:০৮
সিফিলিস একটি জটিল যৌন সংক্রামক রোগ। নামটি
এসেছে ফ্রাক্যাসটেরো নামক একজন চিকিৎসক,
জ্যোতির্বিদ ও কবির (১৪৮৩-১৫৫৩) লেখা একটি কবিতা
থেকে। কবিতার নায়কের নাম ছিল সিফিলাস, সে একজন
মেষ পালক ছিল। ঈশ্বর ও ধর্ম নিন্দা করার জন্য তাকে
একটি নতুন রোগ দিয়ে শাস্তি দেয়া হয়।
বলা হয়ে থাকে, আমেরিকা আবিষ্কারের পর (১৪৯২)
কলম্বাসের নাবিকদের মাধ্যমে সিফিলিস রোগটি
ইউরোপে আসে। সংক্রমিত নাবিকেরা নেপলস অবরোধে
অংশ নেয়ার সময় (১৪৯৫) ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে
আসা মার্সিনারিদের সাথে একত্রে থাকে। সৈনিকরা
ছত্রভঙ্গ হয়ে ছড়িয়ে পড়ার ফলে সারা ইউরোপে রোগটি
ছড়িয়ে পড়ে- ষোল শতকের মাঝামাঝি রোগটি জাপানে
পৌঁছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সিফিলিসের
প্রাদুর্ভাব নাটকীয়ভাবে বেড়ে যায়। বাংলাদেশে এ
রোগের প্রভাব ব্যাপক, শহর এলাকায় রোগটা সচরাচর
বেশি পরিলক্ষিত হয়। বন্দর নগরীতে এবং শিল্প এলাকায়
এই রোগের সংক্রমণ বেশি।
ট্রেপোনেমা প্যালিডাম নামক জীবাণুর সংক্রমণে
সিফিলিস রোগ ঘটে। জীবাণুটি ১৯০৫ সালে আবিষ্কার
করেন প্রাণিবিজ্ঞানী এফ শাওডিন এবং চর্ম
বিশেষজ্ঞ ই হফম্যান।
শরীরে মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার আগে রোগটি ধরা পড়লে
সহজে চিকিৎসা করা যায়।
সংক্রমণের উৎস :
আক্রান্ত ব্যক্তির ত্বক ও শ্লেষ্মাঝিল্লির ক্ষত, লালা,
বীর্য, যোনি থেকে নিঃসৃত রস ও রক্ত।
যেভাবে রোগটি ছড়ায় :
- আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে সরাসরি যৌন সঙ্গম করলে।
- আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে পায়ুপথে সঙ্গম কিংবা মুখ
মৈথুন করলে অথবা চুম্বন বিনিময় করলে।
- রক্তসঞ্চালন কিংবা ইনজেকশনের মাধ্যমে।
- গর্ভাবস্থায় আক্রান্ত মায়ের কাছ থেকে সন্তানের
মধ্যে।
প্রাথমিক গোটা :
বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সিফিলিস আক্রান্ত পুরুষের
লিঙ্গমুণ্ডুতে কিংবা লিঙ্গমুণ্ডুর ত্বকে গোটা ওঠে;
নারীর ক্ষেত্রে গোটা ওঠে যোনির ঠোঁট কিংবা
ক্লাইটরিসে। গোটাটি প্রথমে একটি ছোট লাল দানার
মতো শুরু হয়, তার পর তা ভেজা ও ধীরে ধীরে ক্ষয় হতে
থাকে। গোড়ার দিকে তা বোতামের মতো শক্ত অনুভূত হয়।
এটা দেখতে খুব ছোট কিংবা আঙুলের নখের মতো হতে
পারে। অয়েন্টমেন্ট লাগিয়ে চিকিৎসা অর্থহীন, কারণ
জীবাণু শরীরের গভীরে প্রবেশ করে।
রোগের উপসর্গ
সিফিলিসের প্রাথমিক স্তর :
শরীরে জীবাণু প্রবেশের সাধারণত ১০ থেকে ৪০ দিন পর
সরাসরি সংক্রমিত স্থানে ব্যথাহীন গোটা ওঠে।
যৌনাঙ্গ ছাড়া এই গোটা মলদ্বার, ঠোঁট কিংবা স্তনের
বোঁটাতে হতে পারে। কাছাকাছি গ্রন্থিগুলো ফুলে
উঠতে পারে। চার থেকে ১০ সপ্তাহের মধ্যে গোটা চলে
যায়। প্রথম স্তরে রোগ সারানো খুব সহজ হয়।
সিফিলিসের দ্বিতীয় স্তর :
সংক্রমণের ছয় সপ্তাহ থেকে তিন মাস পর সব শরীরে
ত্বকে ফুসকুড়ি দেখা দেয়। মাথার চুল পড়ে। মাথা ব্যথা,
সামান্য জ্বর এবং গ্রন্থিগুলো ফোলা হতে পারে।
আক্রান্ত ব্যক্তি তীব্রভাবে সংক্রমিত হয়, তার মুখের
ত্বক যদি ছিঁড়ে যায় তাহলে চুমুর মাধ্যমে রোগ ছড়াতে
পারে। প্রায় এক বছরের মধ্যে রোগের চিহ্নগুলো
মিলিয়ে যায়।
সিফিলিসের শেষ স্তর :
স্থিরতার কাল থেকে ৩০ বছর পর (সুপ্ত স্তর) রোগটি
শরীরের যেকোনো অংশকে আক্রমণ করতে পারে।
সাধারণত হৃৎপিণ্ড, রক্তনালী, মস্তিষ্ক এবং স্নায়ুরুজ্জু
আক্রান্ত হয়। অন্যান্য প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে মুখে
ঘা, ত্বক, হাড় ও লিগামেন্টের ক্ষয়। বড় ধরনের
প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে অন্ধ হয়ে যাওয়া, অঙ্গ
অসাড়, উন্মাদনা এবং মৃত্যু। শারীরিক ক্ষতি পূরণ করা
যায় না।
জন্মগত সিফিলিস :
গর্ভাবস্থায় আক্রান্ত মায়ের কাছ থেকে গর্ভফুলের
মাধ্যমে গর্ভস্থ শিশু সিফিলিসে আক্রান্ত হতে পারে। এ
ধরনের এক-তৃতীয়াংশেরই গর্ভপাত হয় কিংবা মৃত সন্তান
প্রসব ঘটে। প্রাথমিক গর্ভাবস্থায় মায়ের চিকিৎসা
করালে শিশু রক্ষা পায়।
পরীক্ষা-নিরীক্ষা : সেরোলজিক্যাল পরীক্ষার
মাধ্যমে সিফিলিসের জীবাণু ধরা পড়ে। সিফিলিসে
আক্রান্ত হওয়ার চার সপ্তাহ থেকে সেরোলজিক্যাল
পরীক্ষাগুলো পজিটিভ হয়। মাঝে মধ্যে ভ্রান্তিমূলক
পজিটিভ হতে পারে। ভিডিআরএল এবং আরপিআর
পরীক্ষা অন্য সংক্রমণ কানেকটিভ ইস্যুর অসুখে পজিটিভ
হয়। ফলাফল বিশেষ পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করা
যায়। যদি সিফিলিস সন্দেহ করা হয় তাহলে লাইপয়ডাল
অ্যান্টিজেন এবং বিশেষ পরীক্ষাগুলো একত্রে করা হয়।
সুপ্তস্তরে স্নায়ুজনিত অসুস্থতা পৃথক কিংবা নিশ্চিত
করার জন্য সিএসএফ পরীক্ষা করা হয়।
সিফিলিসের সেরোলজিক্যাল পরীক্ষা :
Ñ ভিডিআরএল (ভেনেরাল ডিজিজ রিসার্স
ল্যাবরেটরি) পরীক্ষা।
Ñ আরপিআর (র্যাপিড প্লাজমা রিয়াজিন)
Ñ টিপিএইচএ (ট্রেপোনেমা প্যালিডাম হেমাগ্লুটিনেশন
অ্যাসেই)।
Ñ এফটিএ-এবিএস (ফ্লুরোসেন্ট ট্রেপোনেমাল
অ্যান্টিবডি এবসর্বড)
Ñ ট্রেপোনেমাল এনজাইম-লিংকড ইম্যুনোসরবেন্ট
(ঊখওঝঅ)।
চিকিৎসা
অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা করাতে
হবে, নইল পরে দেখা দিতে পারে নানা জটিলতা।
লেখক : স্বাস্থ্য নিবন্ধকার, লেখক ও সহকারী অধ্যাপক,
অর্থোপেডিকস ও ট্রমা বিভাগ, ঢাকা ন্যাশনাল
মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। চেম্বার : পপুলার
ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিঃ, ২, ইংলিশ রোড, ঢাকা।
ফোন: ০১৭১৬২৮৮৮৫৫
ডা: এম ফেরদৌস
হরমোনের তারতম্যে যেসব সমস্যা হতে পারে
হরমোনের তারতম্যে যেসব সমস্যা হতে পারেহরমোনের
তারতম্যে যেসব সমস্যা হতে পারে
আমাদের দেহের বৃদ্ধি কার্যকারিতা ইত্যাদি নানাবিধ
ক্রিয়াবলির জন্য শরীরের ভেতরে নিঃসৃত হরমোনের
প্রভাব অসামান্য। দেহ ও মনের যাবতীয় কর্মকাণ্ডকে
নিয়ন্ত্রণ করতে এগুলোর যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু
কোনো কারণে বা কোনো রোগে যদি এসব হরমোনের
আধিক্য বা স্বল্পতা দেখা দেয় তাহলে শারীরিক ও
মানসিক যেমন সমস্যা সৃষ্টি করবে তেমনি সৌন্দর্যগত
দিক দিয়েও অনেক অসুবিধা দেখা দিবে।
হরমোনের তারতম্যের কারণে কারো বালিকা বয়সেই
যৌবনের অকালপক্বতা এসে যেতে পারে, কারো শরীরে
মুখে অবাঞ্ছিত লোমের আধিক্য দেখা দিতে পারে। তা
ছাড়া দেহসৌষ্ঠবের বিকৃতিও ঘটতে পারে হরমোনের
বৈষম্যের সুবাদে।
অনেকেই মোটা হয়ে যাওয়া নিয়ে চিন্তায় পড়েন, খুত খুত
কারণে খাওয়া-দাওয়া কন্ট্রাল করেন কোনো ফল না
পাওয়ায় মানসিক অশান্তিতে ভুগেন। কারো মাসিক
অকালে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নিজের নারিত্ব অকালে
হারিয়ে ফেলেছেন বলে মনে করে থাকেন। কেউ বা
মুখমণ্ডল মলিন ইত্যাদি অসম্ভব রকম ভাবে কালো হয়ে
গেছে এ ধরনের সমস্যায় বিমর্ষ কিন্তু এগুলো যে বিভিন্ন
হরমোন রোগের কারণে হয়েছে তা অনেকেই জানেন না।
তবে এসব সমস্যায় হরমোনের চিকিৎসা সময়মতো ও
সঠিকভাবে করালে বেশ সুফল বয়ে আনবে।
মানবদেহে এড্রিনাল নামক গ্রন্থি রয়েছে, যা কিনা
কিডনির ওপর অবস্থিত থাকে। এই গ্রন্থি থেকে
নিঃসরিত হরমোনের নাম কার্টিসল। কার্টিসল কম হয়ে
গেলে গায়ের রঙ কালো হয়ে যায়। শরীর রোগা ও দুর্বল
হয়ে যায়। এসব ক্ষেত্রে রক্তে হরমোনের মাত্রা নির্ণয়
করলে রোগ ধরা পড়তে পারে। যদি রক্তে কর্টিসলের
মাত্রা কম থাকে তাহলে প্রেডনিসোলন জাতীয় ওষুধ
ব্যবহারে এ রোগ যে শুধু সম্পূর্ণ সারে তাই নয়, রোগী তার
আগের চেহারা ফিরে পাবে।
এই রোগটির কারণ খুঁজে বের করলে দেখা যাবে যে,
প্রাথমিক কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে শরীরের রোগ
প্রতিরোধ ক্ষমতার সমস্যা দীর্ঘকালীন ইনফেকশন,
গ্রন্থির টিউমার ও রক্তনালীর প্রদাহ। আর পরবর্তী বা
মাধ্যমিক কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে অন্য একটি গ্রন্থি
পিটুইটারি গ্রন্থির হরমোনের স্বল্পতা।
প্রথম লক্ষণ যা দেখা দিবে তা হচ্ছে শরীরের রঙের
পরিবর্তন, এটা শতকরা ২০ থেকে ৪০ ভাগ ক্ষেত্রে দেখা
দিবে, তবে সব রোগীদের ক্ষেত্রেই দেখা যায় ত্বকের
ত্বক কালো হয়ে গেছে।
শরীরে গলার কাছে অবস্থিত থাইরয়েড গ্লান্ডের
নিঃসৃত হরমোনের তারতম্যের জন্য ত্বকের বিভিন্ন
পরিবর্তন ঘটতে পারে। যখন এই গ্রন্থির নিঃসরিত হরমোন
কমে যায়। তখন শরীরের অন্যান্য আরো কিছু উপসর্গের
সাথে ত্বকের ও কিছু পরিবর্তন দেখা যায় ত্বক খসখসেও
মোটা হয়ে যেতে পারে। চুল উঠে যেতে পারে। শরীরে
দুর্বলতা আসতে পারে। রক্তে হরমোনের মাত্রা পরীক্ষা
করে থাইরয়েড হরমোন দিয়ে চিকিৎসা করালে রোগীর
শ্রী ও সৌন্দর্য ফিরে আসবে।
মানবদেহের মস্তিষ্কে অবস্থিত পিটুইটারি গ্রন্থি
রয়েছে। এই গ্রন্থির একটি রোগ রয়েছে যার নাম সিহানস
সিনড্রোম। এটা শুধু মেয়েদের বেলায় হতে পারে। সন্তান
প্রসব করার সময় মায়ের অতিরিক্ত রক্তস্রাব হতে পারে,
যার ফলে পিটুইটরি গ্রন্থিতে রক্তশূন্যতার ফলে গ্রন্থি
নষ্ট হয়ে যেতে পারে। পরিণামে মায়ের মাসিক বন্ধ হয়ে
যায়, বুকের দুধ শুকিয়ে যেতে পারে, ত্বক খসখসে চুলপড়া
সমস্যা ইত্যাদিও সাথে দেখা দিতে পারে। শরীরে রোগ
হলে লাবণ্য নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এই জাতীয় সমস্যায়
হরমোন চিকিৎসার মাধ্যমে রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠতে
পারে এবং শরীরের স্বাভাবিকতা ফিরে আসবে।
থাইরয়েড গ্রন্থিত হরমোন নিঃসরণ বেড়ে গেলে ত্বকের
রক্তনালীগুলোর প্রসারন ঘটে এবং অতিরিক্ত রক্ত এই
প্রসারিত রক্তনালীগুলো দিয়ে সঙ্কলিত হয়। ফলে
ত্বকের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। আবার হরমোনের
নিঃসরণ কমে গেলে রক্তনালীর সঙ্কোচন ঘটে ফলে
ত্বকের রক্ত সঞ্চালন কমে যায়। পরিণতিতে ত্বক ক্ষুদ্র,
ফ্যাকাসে ও ঠাণ্ডা হয়ে ওঠে।
থাইরয়েড গ্রন্থির নিঃসরিত হরমোনের তারতম্যের জন্য
ত্বকে আরো যেসব সমস্যা হতে পারে তার মধ্যে রয়েছে
হাত ও পায়ের তালু হলুদভাব হয়ে যাওয়া। শরীরের ঘাম
বেশি হতে পারে বিশেষ করে হাত ও পায়ের তালুতে
এবং এটা স্নায়ুতন্ত্রের স্নায়ুসঞ্চালন বিঘ্নিত হওয়ার
ফলে সঙ্কোচিত হয়ে থাকে।
• ত্বকের উপরিস্তর এপিডার্মিস পাতলা হয়ে যায়।
• চুলকানি হতে পারে।
• আমবাত বা আর্টিকারীর দেখা দিতে পারে।
• শরীরজুড়ে কালো চোপ দেখা দিতে পারে।
• শ্বেতী রোগ দেখা দিতে পারে।
• পায়ের চাওড়ার সামনে দিক পুরু হতে যেতে পারে।
চুলের সমস্যা : হরমোন বেড়ে গেলে চুল পড়ার হার বৃদ্ধি
পেয়ে চুল দ্রুত পাতলা হয়ে যেতে পারে।
মাথায় সীমিত এলাকায় টাক পড়তে পারে।
হরমোন কমে গেলে চুল শুষ্ক অনুজ্জ্বল ও ভঙ্গুর হয়ে যেতে
পারে, চুলের বৃদ্ধি কমে গিয়ে চুল পড়তে পারে। মাথা
ছাড়াও কানের চুলও পড়ে যেতে পারে।
তবে থাইরয়েড গ্রন্থির রোগ যদি আগেভাগে নির্ণয় করা
এবং সঠিক সময়ে চিকিৎসা করা যায় তাহলে কিছুক্ষণের
মধ্যে ত্বকের স্বাভাবিকতা ফিরে আসবে, ত্বক ও চুলের
উজ্জ্বল ফিরে আনা সম্ভব। চুলপড়াও বন্ধ হয়ে যাবে। তবে
হরমোন চিকিৎসা চলাকালে ত্বক ও চুলের জন্য আলাদা
কোনো যত্ন নেয়ার বিশেষ কোনো প্রসাধন সামগ্রী
ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। স্বাভাবিক অবস্থায় ত্বক ও
চুলের যেভোবে যতবন নিচ্ছেন সেভাবে নিলেই হবে।
পিটুইটারি গ্রন্থির সঠিক হরমোন নিঃসরণের স্বল্পতার
দরুন ত্বকে কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে। যেমন ত্বক
শুষ্ক, মসৃন ও নরম হয়ে যেতে পারে। ত্বক ও তার নিচের
অংশ চর্বি কমে যাওয়ার ফলে ত্বকে হালকা বলিরেখার
সৃষ্টি করতে পারে। ত্বক ও মুখে ফ্যাকাশে হয়ে যেতে
পারে রক্ত শূন্যতা ও ত্বকে রক্তপ্রবাহ কমে যাওয়ার জন্য
এবং ত্বকে রং সৃষ্টিকারী মেনালিন রঙ উৎপাদান কম
হওয়ার কারণে। ত্বকের লোমও পড়ে যেতে পারে। যা
হোক উপযুক্ত ও সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে এসব সমস্যার
প্রতিকার করা সম্ভব।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Website
Address
Boalia Gomastapur Chapai Nawabganj Rajshahi
Rajshahi