Dream Event Management Rajshahi
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dream Event Management Rajshahi, Rajshahi.
We are Dream Light Event Management, Rajshahi
This Our Official Page..Our Services Below....
Event Planning, Event Management, Event Photography, Cinematography, Fashion Photography, Product Photography..
01/08/2017
It has happened! Tigers Test Captain Mushfiqur Rahim is our Icon! A great news for all Rajshahi Kings Fans!
Mushfiqur Rahim is one of the most reliable batsmen in BPL. He has amassed a massive 1172 runs in 42 matches, which is the highest for any batsman in BPL history. Last year he also enjoyed brilliant form and was among one of the top five run scorers in the competition. Mushfiqur plays another significant role keeping the stumps for his country, teams and clubs. Country's most successful keeper by a long distance.
Mushfiqur Rahim is a King!
22/07/2017
19/07/2017
কোটিপতি সন্তান বললেন ‘বাবার লাশ আঞ্জুমানে দেন’
বাবা কোটিপতি। সন্তানদেরও করেছেন প্রতিষ্ঠিত। লিখে দিয়েছেন তাদের নামে ফ্ল্যাট-বাড়ি। তারপর… একটা সময় বুঝতে পারেন বাবা, সন্তানদের ঘরে তিনি ‘জঞ্জাল’হয়ে উঠছেন। একটা সময় সন্তানরাই তাকে বাসা থেকে তাড়িয়ে দেন। এক পর্যায়ে ধুঁকে ধুঁকে সেই বাবা মারা যান। লাশ নেয়ার জন্য সন্তানকে খবর দিলে ‘জরুরি মিটিংয়ে আছেন’ জানিয়ে লাশটি আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামে দিয়ে দিতে বলেন।
আমাদের দেশে ঘটে চলা অসংখ্য ঘটনার মধ্যে একটি সত্য গল্প সবার সঙ্গে শেয়ার করেছেন রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ। সোমবার রাত ১০টায় তিনি তার ফেসবুকে লেখেন- `একটি সত্য ঘটনা, সবাইকে পড়ার অনুরোধ রইলো`।
মোহাম্মদ সাহেদের সেই স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-
‘লোকটির নাম হামিদ সরকার। তিনি সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। গ্রামের বাড়ি জামালপুরে। আমার সাথে তার পরিচয় সূত্রটা পরেই বলছি।
আমি যখন উত্তরায় রিজেন্ট হাসপাতালের প্রথম শাখা উদ্বোধন করি, তখন উত্তরা পশ্চিম থানার তৎকালীন ওসি এবং মসজিদের ইমাম সাহেব আমার কাছে আসেন। তারা বললেন যে, একজন লোক অনেকদিন ধরে মসজিদের বাইরে পড়ে আছে। অনেকে ভিক্ষুক ভেবে তাকে দু-চার টাকা ভিক্ষা দিয়ে যাচ্ছেন।
ইমাম সাহেব তার জন্য প্রেরিত খাবার থেকে কিছু অংশ লোকটিকে দিয়ে আসছেন প্রতিদিন। হঠাৎ লোকটি অসুস্থ হয়ে পড়ায় তারা আমার সরনাপন্ন হয়েছেন। এমতাবস্থায় আমি লোকটিকে আমার হাসপাতালে নিয়ে এসে চিকিৎসার ব্যবস্থা করি এবং দায়িত্বরত ডাক্তার ও অন্যান্য সকল কর্মকর্তা/কর্মচারীকে অবগত করি যে, এই লোকটির চিকিৎসার সকল দায়ভার আমার ও এর চিকিৎসায় যেন কোন ত্রুটি না হয়।
হামিদ সরকার নামক লোকটির সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে আমি রীতিমত অবাক হলাম। তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত জোনাল সেটেলম্যান্ট অফিসার। তার তিন ছেলের মধ্যে তিন জনই বিত্তশালী। উত্তরা তিন নম্বর সেক্টরে তার নিজস্ব বাড়ি আছে যা ছেলেদের নামে দিয়েছেন। তার বড় ছেলে ডাক্তার। নিজস্ব ফ্ল্যাটে স্ত্রী, শালী এবং শ্বাশুড়ী নিয়ে থাকেন, অথচ বৃদ্ধ বাবার জায়গা নেই।
মেঝ ছেলে ব্যবসায়ী, তারও নিজস্ব বিশাল ফ্ল্যাট আছে। যেখানে প্রায়ই বাইরের ব্যবসায়ীক অতিথীদের নিয়ে পার্টি হয়। অথচ বাবা না খেয়ে রাস্তায় পড়ে থাকে। ছোট ছেলেও অবস্থাসম্পন্ন। কিন্তু স্ত্রীর সন্তুষ্টির জন্য বাবাকে নিজের ফ্ল্যাটে রাখতে পারে না। সকল সন্তান স্বাবলম্বী হওয়া স্বত্তেও বাবার স্থান হয়েছে শেষে মসজিদের বারান্দায়। সেখান থেকে আমার হাসপাতালে।
প্রসঙ্গত, আমার হাসপাতালে আগত রোগীর ক্ষেত্রে রক্তের প্রয়োজন হলে আমি রক্ত দেবার চেষ্টা করি। সেদিনও হামিদ সরকার নামক অসুস্থ লোকটিকে আমি রক্ত দিয়েছিলাম। অবাক করা বিষয় হলো, তিনি দিন ১৫ আমার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন, অথচ কোন একটা ছেলে পনের মিনিটের জন্যও তার খোঁজ নেয়নি।
আরও দুঃখজনক হলো, সর্বোচ্চ চেষ্টার পরেও পনের দিন পরে আরো একটা কার্ডিয়াক অ্যাটাকে হামিদ সাহেব মারা যান। তার মৃত্যুর পরে আমি তার বড় ছেলেকে ফোন করি। তিনি আমাকে প্রতি উত্তরে জানান যে, তিনি জরুরী মিটিংয়ে আছেন এবং লাশটি যেন আঞ্জুমান মফিদুল ইসলাম এ দিয়ে দেওয়া হয়। পরে কোন আত্মীয় স্বজনের কাছ থেকে সাড়া না পেয়ে আমি নিজ উদ্যোগে স্থানীয়ভাবে তার লাশ যথাযথ মর্যাদায় দাফন করি।
লেখাটি আমি কোন প্রকার বাহবা নেওয়ার জন্য লিখিনি। আজ আমি নিজেও একজন বাবা। সন্তানের একটু সুখের জন্য দিনরাত একাকার করছি। সেই সন্তান যদি কোনদিন এধরনের আচরন করে তখন আমার কেমন লাগবে, শুধু এই অনুভূতি থেকে লেখা।
আমার মনে একটা প্রশ্ন, আমরা যারা বাবা-মাকে অসম্মান, অবহেলা করি তারা কি একবারও ভেবে দেখি না যে, একদিন ওই জায়গাটাতে আমরা নিজেরা গিয়ে দাঁড়াব।
আজ আমি আমার বাবা-মায়ের সাথে যে আচরণ করছি, তা যদি সেদিন আমার সন্তান আমার সাথে করে তবে? আজ আমাদের বাবা-মায়েরা সহ্য করছে। কাল আমরা কি সহ্য করতে পারব,,,,
14/07/2017
গফুর মিয়া এই শহরের একজন দুধ বিক্রেতা। তিনি চিকন বুদ্ধির বাঙালি, তাই ১০ লিটার দুধে ৫ লিটার পানি মিশিয়ে ১৫ লিটার করলেন। সামান্য বুদ্ধিতে পাক্কা পাঁ-চ লিটার লাভ!! খুশিতে চোখ চকচক করে ওঠে তার।
,,
দুধ বিক্রির টাকা পকেটে নিয়ে তিনি চাল কিনতে যান সাবু মুদির দোকানে। সাবু মুদি তাকে 'অতি উত্তম চাউল', 'এরকম চাউল কোথাও পাইবেন না' ইত্যাদি বলে শেষে পাথর মেশানো চাল বিক্রি করে। ওজনেও আধা কেজি কম দেয়।'কত লাভ করে ফেললাম' ভেবে বেজায় খুশি সাবু মুদি লাভের টাকা নিয়ে বাজারে যায় মাছ কিনতে।
,,
মাছ বিক্রেতা সুরুজ মিয়া তাকে ফরমালিন মেশানো পচা মাছ ধরিয়ে দেয় কেনা দামের দ্বিগুন মূল্যে। তার লাভ করতে হবে না?
, , ,
কিছুক্ষণ পরে সুরুজ মিয়ার কাছে খবর আসে, তার ছেলেটা এক্সিডেন্ট করেছে। দ্রুত সে তার ছেলেকে হাসপাতালে নেয়। হাসপাতালের একজন ধান্দাবাজ দালাল 'ভালো চিকিৎসা' র ব্যবস্থা করে দেবার কথা বলে ভংচং বুঝিয়ে সুরুজ মিয়ার কাছ থেকে ভালো পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নেয়।
,, ,,
সেই ধান্দাবাজ বাড়ি ফেরার পথে পড়ে ছিনতাইকারীর হাতে। ছিনতাইকারী তার পেটে ছুরি মেরে সব টাকাপয়সা ছিনিয়ে নেয়।পালিয়ে যাবার সময় ছিনতাইকারী ধরা পড়ে পুলিশের হাতে। পেদানি দিয়ে সব টাকা নিয়ে নেয় পুলিশ।
, , ,
রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা বা ভিক্টিমের কাছে ফেরত দেয়া কোনটাই করেন না পুলিশ অফিসার।
, , , ,
সেই পুলিশের ছেলে আবার হয়ে পড়ে ইয়াবা আসক্ত.. মাদকের পেছনে টাকা ঢেলে প্রতিনিয়ত সে খালি করে দেয় বাবার পকেট...
, , , ***
আর মাদক বিক্রেতা সেই টাকায় হয়তো কিনতে থাকে গফুর মিয়ার সেই পানি মেশানো দুধ।
***যারাই অবৈধ পথে উপার্জন করে, তারাই মনে করে যে সে 'বিরাট লাভ' করে ফেলেছে। কিন্তু আসলে তা নয়।
সে একজনকে ঠকাচ্ছে, আবার তাকে ঠকাচ্ছে অন্যকেউ।
,,,যেহেতু সমাজের প্রত্যেকেই একে অন্যের ওপর নির্ভরশীল, আল্টিমেটলি সবাই চক্রাকারে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
বাইরে থেকে হয়তো মনে হয় অসৎ লোকগুলোই সফল, তারাই সুখে আছে। আসলে তা নয়। তারা নিজেরা হয়তো মনে করে এইভাবে তারা খুব ভালো থাকবে, আসলে তাও হয় না। অসৎ পথে উপার্জন করে শেষ পর্যন্ত কেউ পার পায় না। পরকাল তো পরের কথা, দুনিয়াতেই তারা পেয়ে যায় ফিরতি হিসাব।
প্রকৃতির নিয়ম হলো, এখানে কাউকেই ছেড়ে দেয়া হয় না। আজ কিংবা কাল।
জন
12/07/2017
চট্রগ্রামের গোল পাহাড় মোড়ে এক বয়োবৃদ্ধ ভিক্ষুককে সংবাদপত্র পড়তে দেখে fb ব্যাক্তিত্ব Muslehuddin Mohammed Badrul ভাই আগ্রহ নিয়ে তাঁর কাছে গিয়ে জানতে পারেন তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা! মানিকগঞ্জের হরিরামপুর, বয়রা গ্রামের আব্দুস সাত্তার নামের এই মুক্তিযোদ্ধা 1968 সালে ঢাকা কলেজ থেকে বিএ পাশ করেছিলেন। 1971সালে মুক্তিযুদ্ধে টাঙ্গাইলের কাদেরিয়া বাহিনীতে থেকে যুদ্ধ করেছেন।বর্তমানে সংসারে তাঁর কেউ নেই।তিনি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে দীর্ঘদিন মেডিকেলে ছিলেন।27বছর ধরে চট্টগ্রামে আছেন।রাতে থাকেন দামপাড়া পেট্রোল পাম্পের বারান্দায়।76 বছর বয়সী এই মুক্তিযোদ্ধা কথা বলার সময় অনেক প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন শুদ্ধ ইংরেজীতে।
একথা ঠিক যে, স্বাধীনতার এত বছর পরও আমরা সঠিক মুক্তিযোদ্ধার তালিকা প্রনয়ন করতে পারিনি! অনেক ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা রাষ্ট্রের সুবিধা নিচ্ছে! অন্যদিকে আসল মুক্তিযোদ্ধাদের কেউ কেউ মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় নাম না থাকায় রাষ্ট্রের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এমনকি কেউ কেউ ভিক্ষাও করছেন! একইভাবে বীরাঙ্গানারাও বঞ্চিত হচ্ছেন এবং ভিক্ষাবৃত্তি করে কিংবা কারো গৃহে কাজ করে মানবেতরভাবে জীবন যাপন করছেন।সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের অনুরোধ, যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে
এই বৃদ্ধ মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তারসহ সুবিধা বঞ্চিত মুক্তিযোদ্ধাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হোক।
জন
09/07/2017
23/05/2017
"ইলেকট্রিক তারে বসলে পাখি মরে না কেন? "..........................................................
আমরা সবাই ছোটবেলা থেকে জেনে আসছি যে ডিম পাড়া প্রাণী কারেন্ট শক খায়না, তাই পাখি কারেন্টের তারে বসলে মরে না। কিন্তু আপনি জানেন কি? তথ্যটা একেবারে ভুল। সত্য কথা হলো পাখিরাও কারেন্ট শক খায়। আসুন জানা যাক ব্যাপার টা কি?
কারেন্টের ধর্মঃ
কারেন্ট হলো মূলত ইলেকট্রনের প্রবাহ। এটি ধাতব তারের মাধ্যমে পরিবাহিত হয়। যে তার কারেন্টের উৎসের সাথে যুক্ত থাকে তাকে ধনাত্মক লাইন আর যে তার দিয়ে উৎসে ফিরে যায় তাকে ঋনাত্নক লাইন বা আর্থিং বলে।
কারেন্ট শক কি?
প্রাণিদেহে যে সকল পেশীকলা আছে তাদের ধর্ম হলো কারেন্ট শক পেলে সংকুচিত হওয়া। এই ধর্ম কাজে লাগিয়ে দেহ পেশীকলা থেকে কাজ আদায় করে নেয় ফলে দেহ সচল থাকে। কিন্তু দেহ যে পরিমাণ কারেন্ট উৎপন্ন করে তার বেশি কারেন্ট দেহে প্রবেশ করলেই দেহ অতিরিক্ত সংবেদনশীল হয়ে পরে ফলে পেশীর অতিসংবেদনশীলতার দরূন প্রাণী কারেন্টের তার থেকে ছিটকে যায় বা দেহে ঝাকুনি হয় এই ঘটনাকে বলে কারেন্ট শক।
কারেন্ট শকে প্রাণী মরে কেন?
প্রাণীদের হৃদপিন্ডে যে পেশীকলা থাকে তা সর্বদা কাজ করে কখনো বিশ্রাম করে না। এর কারণ হলো কারেন্ট শক। হৃদপিন্ডের পেসমেকার কারেন্ট তৈরি করে এবং পারকিন্জে তন্তুুর সাহায্য সারা হৃদপিন্ডে প্রবাহিত করে ফলে হৃদপিন্ড একসাথে কাজ করে। পেসমেকার শুধু কারেন্ট উৎপন্নই করে না সুইচ হিসেবে কাজ করে কারেন্টের প্রবাহ অন-অফ করে ফলে হৃদপিন্ড ছন্দময় ভাবে কাজ করতে পারে। যদি বাইরে থেকে বিদ্যুৎ দেহে প্রবেশের পর বর্তনী পূর্ণ করে তবে হৃদপিন্ডে কারেন্টের অনবরত প্রবাহ চলে এবং হৃদপিন্ডের অন-অফ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায় ফলে হৃদপিন্ডের কাজ শুরু হয় কিন্তু শেষ হয়না। একারণে প্রণীর মৃত্যু ঘটে।
পাখি কারেন্ট শক খায়না কেন?
কারেন্ট শক খাওয়ার পূর্বশর্ত হলো ধনাত্মক ও ঋনাত্নক লাইন একসাথে স্পর্শ করা বা বর্তনী পূর্ণ করা। কিন্তু পাখি কখনো একসাথে দুই তারে বসে না। এরা হয় শুধু ধনাত্মক নয় শুধু ঋনাত্নক তারে বসে ফলে বর্তনী পূর্ণ হয়না ফলে পাখি মরে না।
পাখির গায়ে পালক থাকে এবং পায়ের চামড়ার উপরে যে আবরণ খাকে তা বিদ্যুৎ অপরিবাহী এই কারনেও পাখিরা কারেন্ট শক খায়না। তবে পাখির পালক তুলে ফেললে পাখিরা কারেন্ট শক খাবে। এটা একদম সত্য। পাখিরা যদি দুই তারে বসে তবে অবশ্যই কারেন্ট শক খাবে।
বিশেষ তথ্যঃ
মানব দেহের ভেতর দিয়ে ১০ মিলি এম্পিয়ার কারেন্ট প্রবাহিত হলে মৃত্যু অবধারিত।
06/05/2017
আরিফ ভিক্ষা করে আর রতন ফুল বিক্রি করে ঢাকার পথে পথে। সারাদিন খাবারের জন্য যুদ্ধ করে সন্ধ্যা হলে শুয়ে পড়ে খোলা আকাশের নীচে, নর্দমার পাশে ময়লা ফুটপাতে।
কৌতুহলে কিংবা উচ্ছিষ্ট খাবারের লোভে মাঝে মাঝেই উঁকি দেয়া হয় কমিউনিটি সেন্টারের গ্রিলের ফাঁকে। কিন্তু সুযোগ হয় না কাছে আসার, সাহসে কুলায় না আলোর বৃত্তে ঢোকার। দারোয়ানের লাঠির ভয়ে আড়াল থেকে কিছুক্ষণ দেখে ফিরে যায় হতাশ হয়ে।
গতকাল এই আরিফদের সৌভাগ্য হয়েছিলো অফিসার্স ক্লাবে এক বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার। নতুন জামা-কাপড়ে বিয়ের অনুষ্ঠান উপভোগ করার শহরের দামী মানুষের ভিড়ে। এই যেন এক রূপকথার গল্প, তাঁদের স্বপ্ন পূরণের দিন।
বিয়ে নিয়ে কতো না পরিকল্পনা থাকে আমাদের। কি খাবো, কই সাজবো, কি পড়বো এই নিয়ে ভাবনার শেষ নেই। খুব কম মানুষই পারে এই নিজস্বতার বৃত্ত থেকে বের হতে।
এই নবদম্পতির চিন্তা জুড়ে ছিলো পথশিশুদের জন্য বিশেষ কিছু আয়োজন করার। তাঁরা চেয়েছেন জীবনের এই সন্ধিক্ষণে পাশে রাখতে সুবিধাবঞ্চিত কিছু মানুষকে। সে পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আমাদের এই আয়োজন।
নবদম্পতির প্রতি কৃতজ্ঞতা, অনুকরণীয় এই পদক্ষেপের জন্য, মানবতার পথে সমাজের সম্ভ্রান্ত মানুষদের দিক দেখানোর জন্য।
জন
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Website
Address
Rajshahi
6000
Opening Hours
| Monday | 10:00 - 22:00 |
| Tuesday | 10:00 - 22:00 |
| Wednesday | 10:00 - 22:00 |
| Thursday | 10:00 - 22:00 |
| Friday | 10:00 - 22:00 |
| Saturday | 10:00 - 22:00 |
| Sunday | 10:00 - 22:00 |