Gopalpur Service Center
This Site of important Page And every body vesit in my pase
21/04/2018
"সুখবর সুখবর সুখবর........।
এখন গোপালপুরেই ফ্রিজ, এসি মেরামত করা হয়।
যোগাযোগের নাম্বার- 01747165449
23/03/2016
আজ বাংলাদেশ বনাম ভারত খেলা। আজকেই সুজগ পতিশোধ নেবার।
সবার প্রানের জাইগা গোপালপুর আর এই গোপালপুরে আছে অনেক স্রিতি মাখানো অনেক কিছু যেটা সহজে কেও ভুলতে পারে না।
আমরা একটা কথা সবাই জানি মানুস চেষ্টা করলে সব কিছু পারে তাইলে আমরা কেন পারি না আমাদের গোপালপুর পৌরসভার উন্নতি করতে। আসুন আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করি গোপালপুর পৌরসভাতে এমন একজন কে মেয়র হিসাবে উরতিন্ন করি যাতে কিছুটা হলেও গোপালপুর পৌরসভার উন্নতি হই।
Apnara ki janen gopalpur digree college sorkari koron korar pokriya cholche. Khub sigroi apnara seta dakte paben. Jara news ta sune aktu holeo khusi hoyacen tara obossoi ai page a like diben.
Donnobad sobai k
23/06/2015
অনন্য উচ্চতায় বাংলাদেশ! চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলা নিশ্চিত!
হঠাৎ করেই যেন কোমল হয়ে উঠেছে বাংলার মানষ প্রকৃতি। স্নীগ্ধতা আর মোহনিয়তায় ভরপুর অলি-গলি, পাড়া-মহল্লা কিংবা রাজপথ। সবার চোখে মুখে অচেনা এক প্রশান্তির স্পষ্ট ছাপ! বিরাট একটা পরিবর্তন এসেছে যেন এদেশের মানুষের অনুভুতিতে। কখনো গৌরবে শক্ত হয়ে যাচ্ছে শীরদাড়া আবার কখনো বা আনন্দে জ্বলজ্বল করে উঠছে দুচোখ। ফুটপথে হেটে চলা মানুষের ভিড়, রাস্তার মোড়, সুপার মার্কেট, রেস্তোঁরা, বাজার, চায়ের দোকান, রেল লাইনের ধারে জটলা, বাসস্ট্যান্ড, ফেসবুক, টুইটার কিংবা ব্লগ সহ চারিদিকে ১৬ কোটি বাঙালীর উৎসব মুখরতা দেখে নির্দিধায় যে কেউ বলবে জাতি হিসেবে আমরাই সবচেয়ে সুখি। রাজনীতি, অর্থনীতি কিংবা ধর্মীয় আলোচনাকে ছাপিয়ে সবার উপরে আলোচনার যে কেন্দ্রবিন্দু সেটা হলো 'অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠা টাইগারদের কাব্যগাঁথা সাফল্য''।
পাকিস্তানকে বাংলাওয়াশের পরও মুখ বন্ধ করা যায়নি সমালোচকদের! ''সিনিয়র খেলোয়ারদের অনুপুস্থিতি, ভঙ্গুর শক্তির দল, ৬ বছর ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আসর হয়না পাকিস্তানে' এছাড়া নানা খোঁড়া অযুহাত দেখিয়ে টাইগারদের অর্জনকে বড় করে দেখার কিছু নেই এমনটাই স্পষ্ট করার চেষ্টা করেছে অনেকে। "আসল পরিক্ষা দিতে হবে ভারতের সাথে।" সে পরিক্ষায় ভালভাবেই উতরে গেছে বাংলাদেশ। তবে এ প্লাস নাকি গোল্ডেন এ প্লাস পেল টাইগাররা, সেটা জানতে অপেক্ষা করতে হচ্ছে ২৪ জুন পর্যন্ত।
২৪ তারিখে মাঠে যাই হোকনা কেন, এদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে এখনো পর্যন্ত সেরা ওয়ানডে র্যাংকিংয়ে চড়ে বসেছে টাইগাররা। ১৯৭৫ ও ১৯৭৯ এর বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং ১৯৯২ এর বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে ৭ নং আসনটির দখলে বাংলাদেশ। এই সিরিজেই ইংল্যান্ডকে ছাড়িয়ে যাওয়ার একটা সুযোগ ছিল। কিন্তু সাম্রতিক সময়ে নিউজিল্যান্ডকে ৩-২ সিরিজ হারিয়ে ৯৪ পয়েন্ট থেকে ৪ পয়েন্ট বেড়ে ৯৮ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে ৬ -ই থাকছে ইংলিশরা। বাংলাদেশের রেটিং পয়েন্ট ৯৩। ভারতের বিপক্ষে পরের ম্যাচটি জিতলে পয়েন্ট দাঁড়াবে ৯৫। সেক্ষেত্রে ইংল্যান্ডকে টপকাতে দক্ষিন আফ্রিকার বিপক্ষেও সিরিজ জিততে হবে আমাদের।
দক্ষিন আফ্রিকাকে নিয়ে আলোচানার ঢের সময় পড়ে আছে। ভারতের বিপক্ষে যে কির্তি গড়লো বাংলাদেশ তাতেই ২০১৭ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলা নিজ যোগ্যতায় নিশ্চিত করেছে টাইগাররা। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের জন্য জায়গা ছেড়ে দিতে হবে এক সময়কার পরাক্রমশালী পাকিস্তান অথবা ওয়েস্ট ইন্ডিজকে! ৮৮ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে ৮ এ ওয়স্ট ইন্ডিজ আর ৮৭ রেটিং পয়েন্ট পাওয়া পাকিস্তান আছে ৯ এ।
মাশরাফির নেতৃত্বে ছুটে চলেছে সাফল্যের রেলগাড়ি। রেলস্টেশন হিসেবে বিশ্বকাপকেই নির্ধারন করা হোক এমনটাই চাইবে এদেশ, এদেশের প্রতিটি বোধশক্তি। আর সেই স্টেশনে পৌছাতে আরো দুটি সাব স্টেশন পাড়ি দিতে হবে বাংলাদেশকে। একটি ২০১৬ সালে ভারতে শুরু হতে যাওয়া টি-২০ ওয়ার্ল্ডকাপ এবং ২০১৭ এর আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। বিশ্বদরবারে বাংলাদেশকে আরো গৌরাবন্বীত করুক টাইগাররা। বাস্তবতার ছায়াপথে স্বপ্নবিলাস ডানা মেলে উড়ে যাক, সন্ধা নয়, দিনের আলোতেই খুঁজে পাক গন্তব্য নীড়। ক্রিকেটের আলোয় আলোকিত হোক বাংলার প্রকৃতি ও আকাশ। ক্রিকেটই হোক এদেশের মানুষের জ্যোৎস্নালোকিত নব্য রজনি। উজ্জ্বলতর হয়ে উঠুক একটাই স্লোগান
23/06/2015
সেরা একাদশে মেসি-আগুয়েরো-ভিদাল
ক্রীড়া ডেস্ক : শেষ হলো কোপা আমেরিকার গ্রুপ পর্বের খেলা। সেরা আটটি দল উঠেছে কোয়ার্টার ফাইনালে। আগামী ২৪ জুন থেকে শুরু হচ্ছে শেষ আটের জমজমাট লড়াই।
তার আগে লাতিন আমেরিকার বিশ্বকাপ নামে পরিচিত এই টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বের সেরা একাদশ প্রকাশ করেছে কোপার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। সেরা একাদশে রয়েছেন আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগের দুই সেরা তারকা লিওনেল মেসি ও সার্জিও আগুয়েরো।
স্বাগতিক চিলির ‘বিতর্কিত’ মিডফিল্ডার আরতুরো ভিদালও জায়গা পেয়েছেন সেরা একাদশে। কোপার গ্রুপ পর্বের ‘সবচেয়ে প্রভাবশালী খেলোয়াড়’ও নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্ব চলাকালীন মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাতে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটালে ভিদালকে আটক করেছিল দেশটির পুলিশ।
কোপার গ্রুপ পর্বের সেরা একাদশে জায়গা হয়নি ঝামেলায় জড়িয়ে চার ম্যাচ নিষিদ্ধ হওয়া ব্রাজিল তারকা নেইমারের। ব্রাজিলের একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে সেরা একাদশে স্থান পেয়েছেন ডিফেন্ডার থিয়াগো সিলভা।
সেরা একাদশের গোলদাতা হয়েছেন মেসির বার্সেলোনা সতীর্থ ও চিলির গোলরক্ষক ক্লাদিও ব্রাভো। একাদশে চিলির দাপটটাই অবশ্য বেশি। ভিদাল, ব্রাভো ছাড়াও একাদশে জায়গা করে নিয়েছেন চিলির ডিফেন্ডার গ্যারি মেডেল ও মিডফিল্ডার চার্লিস অ্যারানগুয়েজ।
সেরা একাদশের অপর চারজন খেলোয়াড় হচ্ছেন -উরুগুয়ের জিমিনেজ, পেরুর লোবাটন, কলম্বিয়ার কার্লোস সানচেজ ও প্যারাগুয়ের লুকাস ব্যারিয়স।
23/06/2015
আক্রমণাত্মক ক্রিকেটের কৃতিত্ব কোচকে দিলেন মাশরাফি
বিশ্বকাপ থেকেই বদলে গেছে বাংলাদেশ দলের শরীরী ভাষা। ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলে বাংলাদেশ তাক লাগিয়ে দিয়েছে গোটা ক্রিকেট বিশ্বকে। ভারতের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের পর মাশরাফি জানালেন, বাংলাদেশের এই বদলে যাওয়ার পেছনে বড় অবদান কোচ চন্দিকা হাথুরুসিংহের।
সেই ২০০১ সাল থেকে বাংলাদেশ ক্রিকেটের অবিচ্ছেদ্য অংশ মাশরাফি। এই লম্বা সময়ে দেখেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের তলানিতে যাওয়া, দেখেছেন পুনরুত্থান। তার নেতৃত্বেই এখন নিত্য নতুন চূড়ায় উঠছে বাংলাদেশ। সিরিজ জয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে মাশরাফি জানালেন, এই দলের এমন বদলে যাওয়ার রহস্য।
“ছেলেরা এখন ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলে, এই মুহূর্তে এটাই আমার দেখা সবচেয়ে বড় পরিবর্তন। কেউ এখন শট খেলতে ভয় পায় না, ফিল্ডার সামনে রেখে বল করতে ভয় পায় না। এমন উইকেটেও স্লিপ রাখতে ভয় পায় না। এই ধরণের ব্যাপারগুলো পরিবর্তন হয়েছে। ক্রিকেট ‘মাইন্ড গেম’। আমরা এখন ভালো ক্রিকেট খেলছি।”
শরীরী ভাষা বদলে দেওয়ার বড় কৃতিত্ব দেওয়া হয় স্বয়ং মাশরাফিকেই। তবে মাশরাফি বড় একটা কৃতিত্ব দিলেন কোচ হাথুরুসিংহেকেও।
“যত কিছুই বলি, কোচকে পাশে না পেলে কিছুই সম্ভব নয়। বিশ্বকাপের আগে কোচের সঙ্গে কথা হয়েছিল। কোচ বলেছিলেন, অস্ট্রেলিয়া-নিউ জিল্যান্ডে সফল হতে হলে আক্রমণাত্মক ক্রিকেটের বিকল্প নেই। তো বিশ্বকাপে আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলে সফল হওয়ার পর ছেলেরা বুঝতে পেরেছে এটাই আসলে ক্রিকেট। এভাবেই খেলতে হবে। হয়ত সবদিন সফল হব না। তবে আক্রমণাত্মক খেললে বেশিরভাগ সময়ই সফল হব।
23/06/2015
দ্বিতীয় ম্যাচে মুস্তাফিজের ‘অন্য স্লোয়ার’
অভিষেক ম্যাচে মুস্তাফিজুর রহমান স্লোয়ার অফ কাটারে ধ্বংস করেছিলেন ভারতীয় ব্যাটিং লাইন আপ। দ্বিতীয় ম্যাচে ছয় উইকেটের তিনটি নিয়েছেন স্লোয়ারেই। তবে ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে মুস্তাফিজ জানালেন, এদিন তার হাত থেকে বেরিয়েছে অন্য ধরনের স্লোয়ার!
প্রথম ম্যাচের পর মুস্তাফিজের স্লোয়ার নিয়ে গবেষণা হয়েছে অনেক। ভিডিও ফুটেজ দেখে ভারতীয় দল কাঁটাছেড়াও করেছে অনেক। শেষ রক্ষা হয়নি তবু। দ্বিতীয় ম্যাচে মুস্তাফিজ বরং আরও বিধ্বংসী। ৪৩ রানে নিয়েছেন ৬ উইকেট।
প্রথম দুই ম্যাচে ১১ উইকেট নিয়ে মুস্তাফিজ লিখেছেন নতুন ইতিহাস। ভারতকে ২০০ রানে গুটিয়ে বাংলাদেশ জিতেছে ৬ উইকেটে।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এমন পারফরম্যান্সের রহস্য জানালেন মুস্তাফিজ।
“এই ম্যাচের আগে অনুশীলনে হিথ স্ট্রিক (বোলিং কোচ) বলেছিলেন, প্রথম ম্যাচে যেভাবে বোলিং করেছো, ওরা সেটা ধরে ফেলতে পারে। তখন আমি বলেছিলাম যে সমস্যা নেই, আমি আরেকটা স্লোয়ার পারি। ওটাই করব। সেটা করেই আজকে (রোববার) সফল হয়েছি।”
প্রথম দুই ওয়ানডেতেই ৫ উইকেট—জিম্বাবুয়ের পেসার ব্রায়ান ভিটরির সঙ্গে এর বাইরেও একটা মিল আছে বাংলাদেশের মুস্তাফিজুর রহমানের। ক্যারিয়ারের শুরুতে অমন চমক দেখানোর সময়ে দুজনের বোলিং কোচও যে এক! হিথ স্ট্রিক। ব্যাপারটা কাকতালীয়, তবে জিম্বাবুইয়ান কোচের কিছুটা গর্ব তো হতেই পারে।
পরশু ড্রেসিংরুমে হিথ স্ট্রিকও দুষ্টুমি করে বলছিলেন, ‘ওয়ানডের শুরুর দুই ম্যাচে যারা ৫ উইকেট করে পেয়েছে, তাদের কোচ কে খোঁজ নিয়ে দেখো।’ কারও বুঝতে অসুবিধা হয়নি, কোচ ইঙ্গিতটা করছিলেন নিজের দিকেই। ভিটরির শুরুর সময় ছিলেন জিম্বাবুয়ের বোলিং কোচ, আর এখন বাংলাদেশ দলের। ভিটরির মতো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মুস্তাফিজের সাফল্যযাত্রার শুরুটাও হলো তাঁর হাত ধরেই।
তবে মুস্তাফিজকে খুব বেশি দিন ধরে দেখছেন না হিথ স্ট্রিক। প্রথম দেখেন গত বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের ‘এ’ দলে সুযোগ পাওয়ার পর। ‘শুরুতেই ওকে আমার ভালো লেগেছিল। আমরা চেষ্টা করেছি তাকে প্রক্রিয়ার মধ্যে রাখতে’—কাল দুপুরে হোটেল সোনারগাঁওয়ের সামনে দাঁড়িয়ে স্ট্রিক শোনাচ্ছিলেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেরই নতুন বিস্ময়কে প্রথম দেখার অভিজ্ঞতার কথা।
মুস্তাফিজের জন্য এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটটা যেন ‘এলাম...দেখলাম...জয় করলাম’। অভিষেক সিরিজেই প্রতিপক্ষ ভারত, অথচ তিন ওয়ানডের প্রথম দুটিতেই মুস্তাফিজের উইকেট ১১টি। সিলেবাসের বাইরের এই বোলারের সামনে রীতিমতো অসহায় কোহলি-ধোনিরা। মুস্তাফিজের এমন চমক-জাগানিয়া শুরুতে আর সবার মতো খুশি স্ট্রিকও, ‘পর পর দুই ম্যাচে ও রকম বল করা এবং রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলা বিশেষ কিছুই। কোচ হিসেবে আমরা খুশি হলেও অভিনন্দনটা ওই খেলোয়াড়েরই প্রাপ্য।’
প্রথম ওয়ানডেতেই মুস্তাফিজের একের পর এক কাটার বিভ্রান্ত করেছে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের। স্ট্রিকের শঙ্কা ছিল, তার এই স্টক বল হয়তো ধরে ফেলবেন ধোনিরা। পরের ম্যাচে তাই ভিন্ন কিছু করার পরামর্শ দিয়েছিলেন মুস্তাফিজকে। তবে সেটার আর তেমন দরকার হয়নি। পরশুও তার মায়াবী কাটারেই পরাস্ত একের পর এক ভারতীয় ব্যাটসম্যান। অস্ত্রটাকে আরও ধারালো করে তুলতে অনুশীলনের বিকল্প দেখছেন না স্ট্রিক, ‘এখানে কোনো জাদুমন্ত্র নেই। সর্বোচ্চ পর্যায়ে লম্বা সময় ধরে অনুশীলন করতে পারাটাই কেবল নিশ্চিত করতে হবে।’
কথাটা শুধু মুস্তাফিজের জন্যই বলেননি বোলিং কোচ। এটা সব বোলারেরই উন্নতির মন্ত্র। তাসকিন-রুবেল তো এখন সেটারই ফল পাচ্ছেন। প্রথম দুই ম্যাচে মুস্তাফিজের আলোয় আর সব ঢাকা পড়ে গেলেও গুরুর চোখ এড়ায়নি তাঁদের পারফরম্যান্স, ‘তাসকিন-রুবেলের মধ্যে অভিজ্ঞতার ছাপ ফুটে উঠছে। প্রথম দুই ম্যাচে তাদের বোলিং প্রাপ্য মনোযোগ পায়নি। গতকাল (পরশু) খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা সময়ে রুবেলের উইকেটটা এসেছে। প্রথম ম্যাচে ধাওয়ান, কোহলির উইকেট নিয়েছে তাসকিন। এটা অনেক বড় ইতিবাচক দিক। পেসারদের টুপিখোলা অভিনন্দন জানাতেই হবে।’
ভারতের ব্যাটসম্যানদের প্রিয় ‘খাদ্য’ স্পিন। এবার তাই শুরু থেকেই পেস বোলিংকে গুরুত্ব দিয়ে এগিয়েছে বাংলাদেশ দলের পরিকল্পনা। ওয়ানডের বোলিং আক্রমণ থেকে স্পিনারদের ছেঁটে লম্বা করা হয়েছে পেসারদের তালিকা। চন্ডিকা হাথুরুসিংহে ও হিথ স্ট্রিকের বিশ্বাস ছিল, রেসিপিটা সামান্য বদলে দিলে মিরপুরের উইকেট থেকে পেসারদের পক্ষেও সম্ভব হবে সাফল্য তুলে নেওয়া। বাকি ছিল শুধু পেসারদের কাজটা মাঠে করে দেখানো। মাশরাফি, রুবেল আর তাসকিনের সঙ্গে বাঁহাতি মুস্তাফিজের বোলিং বৈচিত্র্য যোগ হওয়াতেই বাজিমাত। স্ট্রিকের ভাষায়, ‘আমরা জানতাম মুস্তাফিজ, তাসকিন ও রুবেলের ভালো বোলিং করার সামর্থ্য আছে। আর মাশরাফি তো দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশের হয়ে ভালো পারফর্ম করছে। সব মিলিয়ে আমাদের খুব ভালো একটা পেস বোলিং গ্রুপ দাঁড়িয়ে গিয়েছিল, যেটা ভারত কল্পনাও করেনি। আমরা এখানকার কন্ডিশন চিনি। কাজেই নিজেদের বোলারদের কথা ভেবে উইকেট বানানো গেলে যে খেলা আমাদের হাতে চলে আসবে, সেটা জানাই ছিল।’
প্রথম দুই ওয়ানডের পর কাল সিরিজের শেষ ম্যাচেও এটাই চান স্ট্রিক। আত্মতৃপ্তিতে না ভুগে ভারতীয়দের কফিনে ঠুকে দিতে হবে শেষ পেরেকটাও। যেন জ্বলজ্বল করে বাংলাদেশ ৩-ভারত ০ স্কোরলাইনটা। এটাই যে হবে, তা যেন দিব্যদৃষ্টিতে দেখতে পাচ্ছেন হিথ স্ট্রিক, ‘এই সিরিজটা আসলেই ওরা অসাধারণ খেলছে। একটা ম্যাচ জিতেই তারা খুশি ছিল না, জিততে চেয়েছিল সিরিজও। সম্ভব হলে সেটা ৩-০-তেই।’
23/06/2015
হিথ স্ট্রিকের অন্য রকম গর্ব
প্রথম দুই ওয়ানডেতেই ৫ উইকেট—জিম্বাবুয়ের পেসার ব্রায়ান ভিটরির সঙ্গে এর বাইরেও একটা মিল আছে বাংলাদেশের মুস্তাফিজুর রহমানের। ক্যারিয়ারের শুরুতে অমন চমক দেখানোর সময়ে দুজনের বোলিং কোচও যে এক! হিথ স্ট্রিক। ব্যাপারটা কাকতালীয়, তবে জিম্বাবুইয়ান কোচের কিছুটা গর্ব তো হতেই পারে।
পরশু ড্রেসিংরুমে হিথ স্ট্রিকও দুষ্টুমি করে বলছিলেন, ‘ওয়ানডের শুরুর দুই ম্যাচে যারা ৫ উইকেট করে পেয়েছে, তাদের কোচ কে খোঁজ নিয়ে দেখো।’ কারও বুঝতে অসুবিধা হয়নি, কোচ ইঙ্গিতটা করছিলেন নিজের দিকেই। ভিটরির শুরুর সময় ছিলেন জিম্বাবুয়ের বোলিং কোচ, আর এখন বাংলাদেশ দলের। ভিটরির মতো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মুস্তাফিজের সাফল্যযাত্রার শুরুটাও হলো তাঁর হাত ধরেই।
তবে মুস্তাফিজকে খুব বেশি দিন ধরে দেখছেন না হিথ স্ট্রিক। প্রথম দেখেন গত বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের ‘এ’ দলে সুযোগ পাওয়ার পর। ‘শুরুতেই ওকে আমার ভালো লেগেছিল। আমরা চেষ্টা করেছি তাকে প্রক্রিয়ার মধ্যে রাখতে’—কাল দুপুরে হোটেল সোনারগাঁওয়ের সামনে দাঁড়িয়ে স্ট্রিক শোনাচ্ছিলেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেরই নতুন বিস্ময়কে প্রথম দেখার অভিজ্ঞতার কথা।
মুস্তাফিজের জন্য এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটটা যেন ‘এলাম...দেখলাম...জয় করলাম’। অভিষেক সিরিজেই প্রতিপক্ষ ভারত, অথচ তিন ওয়ানডের প্রথম দুটিতেই মুস্তাফিজের উইকেট ১১টি। সিলেবাসের বাইরের এই বোলারের সামনে রীতিমতো অসহায় কোহলি-ধোনিরা। মুস্তাফিজের এমন চমক-জাগানিয়া শুরুতে আর সবার মতো খুশি স্ট্রিকও, ‘পর পর দুই ম্যাচে ও রকম বল করা এবং রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলা বিশেষ কিছুই। কোচ হিসেবে আমরা খুশি হলেও অভিনন্দনটা ওই খেলোয়াড়েরই প্রাপ্য।’
প্রথম ওয়ানডেতেই মুস্তাফিজের একের পর এক কাটার বিভ্রান্ত করেছে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের। স্ট্রিকের শঙ্কা ছিল, তার এই স্টক বল হয়তো ধরে ফেলবেন ধোনিরা। পরের ম্যাচে তাই ভিন্ন কিছু করার পরামর্শ দিয়েছিলেন মুস্তাফিজকে। তবে সেটার আর তেমন দরকার হয়নি। পরশুও তার মায়াবী কাটারেই পরাস্ত একের পর এক ভারতীয় ব্যাটসম্যান। অস্ত্রটাকে আরও ধারালো করে তুলতে অনুশীলনের বিকল্প দেখছেন না স্ট্রিক, ‘এখানে কোনো জাদুমন্ত্র নেই। সর্বোচ্চ পর্যায়ে লম্বা সময় ধরে অনুশীলন করতে পারাটাই কেবল নিশ্চিত করতে হবে।’
কথাটা শুধু মুস্তাফিজের জন্যই বলেননি বোলিং কোচ। এটা সব বোলারেরই উন্নতির মন্ত্র। তাসকিন-রুবেল তো এখন সেটারই ফল পাচ্ছেন। প্রথম দুই ম্যাচে মুস্তাফিজের আলোয় আর সব ঢাকা পড়ে গেলেও গুরুর চোখ এড়ায়নি তাঁদের পারফরম্যান্স, ‘তাসকিন-রুবেলের মধ্যে অভিজ্ঞতার ছাপ ফুটে উঠছে। প্রথম দুই ম্যাচে তাদের বোলিং প্রাপ্য মনোযোগ পায়নি। গতকাল (পরশু) খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা সময়ে রুবেলের উইকেটটা এসেছে। প্রথম ম্যাচে ধাওয়ান, কোহলির উইকেট নিয়েছে তাসকিন। এটা অনেক বড় ইতিবাচক দিক। পেসারদের টুপিখোলা অভিনন্দন জানাতেই হবে।’
ভারতের ব্যাটসম্যানদের প্রিয় ‘খাদ্য’ স্পিন। এবার তাই শুরু থেকেই পেস বোলিংকে গুরুত্ব দিয়ে এগিয়েছে বাংলাদেশ দলের পরিকল্পনা। ওয়ানডের বোলিং আক্রমণ থেকে স্পিনারদের ছেঁটে লম্বা করা হয়েছে পেসারদের তালিকা। চন্ডিকা হাথুরুসিংহে ও হিথ স্ট্রিকের বিশ্বাস ছিল, রেসিপিটা সামান্য বদলে দিলে মিরপুরের উইকেট থেকে পেসারদের পক্ষেও সম্ভব হবে সাফল্য তুলে নেওয়া। বাকি ছিল শুধু পেসারদের কাজটা মাঠে করে দেখানো। মাশরাফি, রুবেল আর তাসকিনের সঙ্গে বাঁহাতি মুস্তাফিজের বোলিং বৈচিত্র্য যোগ হওয়াতেই বাজিমাত। স্ট্রিকের ভাষায়, ‘আমরা জানতাম মুস্তাফিজ, তাসকিন ও রুবেলের ভালো বোলিং করার সামর্থ্য আছে। আর মাশরাফি তো দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশের হয়ে ভালো পারফর্ম করছে। সব মিলিয়ে আমাদের খুব ভালো একটা পেস বোলিং গ্রুপ দাঁড়িয়ে গিয়েছিল, যেটা ভারত কল্পনাও করেনি। আমরা এখানকার কন্ডিশন চিনি। কাজেই নিজেদের বোলারদের কথা ভেবে উইকেট বানানো গেলে যে খেলা আমাদের হাতে চলে আসবে, সেটা জানাই ছিল।’
প্রথম দুই ওয়ানডের পর কাল সিরিজের শেষ ম্যাচেও এটাই চান স্ট্রিক। আত্মতৃপ্তিতে না ভুগে ভারতীয়দের কফিনে ঠুকে দিতে হবে শেষ পেরেকটাও। যেন জ্বলজ্বল করে বাংলাদেশ ৩-ভারত ০ স্কোরলাইনটা। এটাই যে হবে, তা যেন দিব্যদৃষ্টিতে দেখতে পাচ্ছেন হিথ স্ট্রিক, ‘এই সিরিজটা আসলেই ওরা অসাধারণ খেলছে। একটা ম্যাচ জিতেই তারা খুশি ছিল না, জিততে চেয়েছিল সিরিজও। সম্ভব হলে সেটা ৩-০-তেই।’
22/06/2015
‘রত্ন’ মুস্তাফিজে বিস্মিত সাকিব
২০০৬ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অভিষেক হয়েছিল তাঁর। শুরুতেই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, ধূমকেতু নয়, ধ্রুবতারা হতেই এসেছেন সাকিব আল হাসান। যার ফলাফল সাকিব এখন বিশ্বসেরা একজন অলরাউন্ডার। সাকিবের মতোই ওয়ানডেতে ১৯ বছর বয়সে অভিষেক হলো তরুণ মুস্তাফিজের। সাকিব প্রতিপক্ষ হিসেবে জিম্বাবুয়েকে পেলেও মুস্তাফিজ পেয়েছেন ভারতকে। সাকিবের চেয়েও আলো ঝলমলে শুরু হলো তাঁর। টানা দু ওয়ানডেতে পাঁচ উইকেট নিয়ে গড়েছেন ইতিহাস। স্বভাবতই তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ সবাই। সাকিব আল হাসান যেন একধাপ ওপরে। বলেই দিলেন, রত্নের খোঁজ পেয়েছে বাংলাদেশ, ‘মুস্তাফিজ বাংলাদেশের জন্য অনেক বড় পাওয়া।’
অভিষেকেই দ্বিতীয় বাংলাদেশি বোলার হিসেবে পাঁচ উইকেট নেয়ার কীর্তি গড়েছেন মুস্তাফিজ। আজ যেন আরও বিধ্বংসী। একে একে তুলে নিলেন ভারতীয় ছয় ব্যাটসম্যানকে। গড়লেন একমাত্র বোলার হিসেবে ক্যারিয়ারের প্রথম দু ওয়ানডেতে ১১ উইকেট পাওয়ার রেকর্ড।
মুস্তাফিজের অবিশ্বাস্য বোলিংয়ে মুগ্ধ সাকিব। কিছুটা যেন বিস্মিতও। ভারতের ইনিংস শেষে সাকিব বলেন, ‘অবিশ্বাস্য বোলিং করেছে আজকে মুস্তাফিজ। প্রথম দু ম্যাচে ও পুরোপুরি পেশাদার বোলারদের মতো বোলিং করেছে।’ বয়সটা কম বলেই সাবধান করে দিতেও ভোলেননি। মনে করিয়ে দিলেন সামনে এখনো অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে, ‘সে এখনো তরুণ। মাত্র ১৯ বছর বয়স। সে যেভাবে পারফর্ম করছে তাঁর ভবিষ্যৎ খুবই উজ্জ্বল।’
সাকিবের আবির্ভাব বাংলাদেশের ক্রিকেটকে অন্য এক যুগে নিয়ে গিয়েছিল। সাকিব যেন বাংলাদেশের ক্রিকেটে সোনা কাঠি, রুপো কাঠি নিয়ে হাজির হওয়া সেই রাজপুত্র। এবার মুস্তাফিজ-সৌম্য-তাসকিন-সাব্বিরদের মতো তরুণদের দায়িত্ব, বাংলাদেশের ক্রিকেটকে আরও একধাপ এগিয়ে নেওয়া। বিশ্ব ক্রিকেটে প্রতিষ্ঠিত শক্তি হিসেবে প্রমাণ করা।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Address
Rajshahi
6420