CR Raju 1002

CR Raju 1002

Share

I will be Social media Merketing

18/02/2024

☝️পরিশ্রম করার বয়সে আরাম করলে😇💴💴💴
😇আরাম করার বয়সে পরিশ্রম করতে হবে 😔😔

13/01/2023

অনেকের মুখে দুর্গন্ধ হয়। মুখের দুর্গন্ধ নিজের জন্য যেমন বিরক্তকর, তেমনি আশপাশের মানুষের জন্য বিরক্তকর।কারও সঙ্গে মুখোমুখি কথা বলতে গেলে বিব্রত লাগে, হাসতেও পারেন না প্রাণ খুলে। আমাকে নিয়ে কে, কি ভাবছে? এসব চিন্তা করে, সবসময় মনে একটি চাপা ভয় যেন থেকেই যায়।তাই মুখের দুর্গন্ধ অবশ্যই দূর করতে হবে। কথা বলার সময় কিংবা নিঃশ্বাসের সঙ্গে মুখ থেকে দুর্গন্ধ বেরিয়ে আসে। মুখ ও শরীরের ভেতরের বিভিন্ন সমস্যার কারণে এটি হয়। এর মধ্যে অন্যতম হলো- সাইনোসাইটিস, ক্রমাগত পোস্ট নেজাল ড্রিপ, ক্রনিক এসিড রিফ্ল্যাক্স, লিভার ও কিডনির সমস্যা ইত্যাদি।মুখের দুর্গন্ধের পেছনে কারণ হতে পারে মুখগহ্বরে বা পেটে জন্মানো জীবাণু। আরও একটি কারণ হতে পারে শরীরে পানির পরিমাণ কমে যাওয়া।শরীরের জন্য এটা ক্ষতিকর না হলেও শরীরের নানা সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। আর অন্য কারও সঙ্গে কথা বলতে গেলে মুখের দুর্গন্ধ অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

আসুন জেনে নিই মুখে দুর্গন্ধ দূর করার উপায়-

1) মৌরি: এতে রয়েছে অ্যান্টিবায়োটেরিয়াল প্রোপার্টিজ, যা মুখ গহ্বরে তৈরি হওয়া ব্যাকটেরিয়াগুলো মেরে ফেলে। ফলে দুর্গন্ধে বদলে যায় সুগন্ধে। যখনই মনে হবে মুখ থেকে গন্ধ বের হচ্ছে, এক মুঠো মৌরি নিয়ে চিবিয়ে নেবেন। তা হলে আর চিন্তা থাকবে না।

2) মেথি বীজ: এক চামুচ মেথি বীজ নিয়ে পরিমাণমতো পানির সঙ্গে মিশিয়ে চুলায় ফোটান। তার পর বীজগুলো ছেঁকে নিয়ে সেই জল চায়ের মতো পান করুন। কয়েক দিন এমনটি করলে দেখবেন মুখের গন্ধ কমে গেছে।

3) লবঙ্গ - লবঙ্গতে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল প্রোপাটিজ, যা মুখে গন্ধ তৈরি করা ব্যাকটেরিয়াদের মেরে ফেলে। মুখে একটি লবঙ্গ নিয়ে চুসতে থাকুন। দেখবেন গন্ধ একেবারে চলে গেছে।

4) নিম: যাঁদের মাড়ি থেকে রক্ত বের হয় বা যাঁরা মুখের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থেকে দূরে থাকতে চান, তাঁরা নিমের দাঁতন ব্যবহার করতে পারেন। বহুকাল আগে থেকেই মুখের সুরক্ষায় প্রাকৃতিক প্রতিষেধক হিসেবে নিম ব্যবহার হয়ে আসছে। নিম দাঁতের গোড়া শক্ত করে।

5) লেবুর খোসা : লেবুর খোসা ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে রেখে দিন। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো হলো কাগজি বা কমলা লেবু। তবে পাতি লেবুর খোসাও ব্যবহার করা যায়। মুখে দুর্গন্ধ হচ্ছে বুঝতে পারলে শুকনা লেবুর খোসা চিবান। এতে দুর্গন্ধ থাকবে না।

Plese Read More https://darklesscrraju.blogspot.com/

07/01/2023
13/12/2022

একটি টকজাতীয় ফল হিসেবে অনেকের কাছেই বেশ পছন্দের হল তেঁতুল। তেঁতুলের নাম শুনলেই জিভে জল আসে না এমন মানুষের সংখ্যা কম। এটি শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। বরং হৃদরোগ ও অন্যান্য রোগে খুব উপকারী। অনেকেই মনে করে তেঁতুল মস্তিষ্ক, যৌন জীবনের ক্ষতি করে। কিন্তু আসলে এই ধারণাটি ঠিক নয়। তেঁতুল মস্তিষ্কের জন্য ভালো। রোদ্দুর থেকে ঘুরে এসে তেঁতুলের টক-মিষ্টি সরবত খেতে পারেন, আরাম পাবেন। তেঁতুল শুধুমাত্র আমরা শুধু যে ফল হিসেবে খাই তা কিন্তু নয়। বরং তেঁতুল আমাদের শরীরে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা সমাধানে, বেশ উপকার সাধন করে।

তেঁতুলের উপকারিতা –
প্রতিদিন নিয়মিত তেঁতুল খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায় তার কিছু নিম্নে বর্ণনা করা হল:

Ø তেঁতুল হজমে সাহায্য করে।

Ø তেঁতুল রক্ত পরিষ্কার করে।

Ø তেঁতুল শরীরের ত্বকের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ও ত্বক ভাল রাখে।

Ø তেঁতুল ক্ষুধা বাড়ায় ।

Ø স্কার্ভি রোগের প্রতিরোধ

Ø খাবারে রুচি বাড়ায়।

Ø তেঁতুলের টক উপাদান গর্ভবতী নারীদের মর্নিং সিকনেস থেকে অনেকটাই মুক্তি দেয়। গর্ভাবস্থায় তেঁতুল খাওয়া নিরাপদ বলেই প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে।

Ø তেঁতুলের সঙ্গে রসুনবাঁটা মিশিয়ে খেলে রক্তের চর্বি কমেএর পাতার রসের শরবত সর্দি-কাশি, পাইলস ও প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া কমায়।

Ø পেট ফাঁপা, বদহজম হলে পুরোনো তেঁতুল এক কাপ জলে ভিজিয়ে সামান্য নুন, চিনি বা গুড় দিয়ে খেলে অসুবিধা দূর হয়

Ø তেঁতুল হার্ট ভালো রাখে।

Ø তেঁতুল রক্তে কোলেস্টেরল কমায়। দেহে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।

Ø তেঁতুলের পাতা বেঁটে মরিচ ও সামান্য নুন দিয়ে মেখে বড়া তৈরি করে পান্তাভাতে খেলে অ্যামিনো অ্যাসিড তৈরি হয়।

Ø শিশুদের পেটের কৃমি কমায়।

Ø পাইলসের জন্য উপকারী।

Ø গর্ভাবস্থায় বমি ভাব দূর করে।

Ø এতে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ সব ফলের চেয়ে প্রায় ৫ থেকে ১৭ গুণ বেশি।

Ø বাতের ব্যথা বা জয়েন্টে ব্যথা কমায়।

Ø ঋতু পরিবর্তনের সময় সর্দি-কাশি থেকে রেহাই পেতে গরম পানিতে তেঁতুল ও গোলমরিচ মিশিয়ে খেলে দারুণ উপকার মেলে।

Ø তেঁতুল ডায়াবেটিস কমায়।

Ø তেঁতুল এন্টিঅক্সিডেন্টের একটি ভাল উৎস যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করে ।

Ø ওজন কমাতে দারুণ কাজ করে

Ø তেঁতুল জন্ডিস রোগে উপকারী।

Ø তেঁতুল কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

Ø তেঁতুল পাতার রস কৃমিনাশক ও চোখ ওঠা সারায়।

Ø আয়রনের পরিমাণ নারকেল ছাড়া বাকি সব ফলের চেয়ে ৫ থেকে ২০ গুণ বেশি।

Ø মুখের ঘা ও ত্বকের প্রদাহ সারাতে সাহায্য করে।

Ø বিশেষজ্ঞরা বলেন, যদি কেউ প্রতি দিন নিয়মিত এক ঘণ্টা দ্রুত হাঁটে ও কমপক্ষে ২৫ গ্রাম করে তেঁতুল খায়, তা হলে হার্ট ব্লক হতে পারে না।

Ø তেঁতুল ত্বকের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ও ত্বক ভাল রাখে।

Ø তেঁতুলের মধ্যে থাকা অ্যাসকরবিক অ্যাসিড, যা খাবার থেকে আয়রন সংগ্রহ করে বিভিন্ন কোষে তা পরিবহণ করে।

Ø আয়রনের সঠিক পরিমাণ মস্তিষ্কে পৌঁছলে চিন্তা ভাবনার গতি আগের থেকে অনেক বেশি বেড়ে যায়।

Ø তেঁতুলে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন, আঁশ, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদান বিদ্যমান।

20/11/2022

Editor bro

13/09/2022

My Create vidio

13/09/2022

MY CREATE VIDIO

Want your business to be the top-listed Clothing Store in Rajshahi?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


Bulonpur , Rajshahi Court , Rajshahi
Rajshahi