Magic First Step
It is a sister concern of Magic Lanthon Visuals.
This channel produces non-fictional motion pictures on diverse current affairs, society, culture, gender as well as person and organization of special interest.
20/12/2025
একজন মা ও মালেকের যুদ্ধ!
ভয়ংকার সব বাধা ভেঙে কুষ্টিয়ার মালেক যেভাবে এগিয়ে গেলেন | Malek broke all the terrible obstacles | মালেক শেখের বাড়ি মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার ভবেরপাড়া গ্রামে। তিনি কুষ্টিয়া পরিবেশ অধিদপ্তরে ডাটা এন্ট্রি ....
দারুণ সাফল্য...
বাগানে থোকায় থোকায় মাল্টা। পাতার আড়ালে উঁকি দিচ্ছে হলুদ রঙের মাল্টাগুলো। দেখেই চোখ জুড়িয়ে যায়। মন ভালো হয়ে যায়। গত নভেম্বর থেকে মাল্টার বাগানের খবর ছড়িয়ে পড়ে রাজশাহীজুড়ে। প্রতিদিনই বাগানটিতে ভিড় করেন দর্শনার্থী। গাছ থেকে পেড়ে মাল্টা বেড়ানো শেষে কিনে নিয়ে আসেন।
এই বাগানের মালিক হানিফ আলী মন্ডল।হানিফের বাড়ি রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার শলুয়া ইউনিয়নের ফতেপুর গ্রামে। তাঁর বাবার নাম আমেদুল মন্ডল। হানিফ রাজশাহী কলেজ থেকে স্নাতক শেষ করেছেন। ২০১৯ সালে বাড়ির পাশেই ১৬ বিঘা জমিতে গড়ে তুলেছেন ‘হানিফ মন্ডল অ্যাগ্রো ফার্ম’। ফার্মটি এখন পর্যন্ত মাল্টার জন্যই পরিচিতি পেয়েছে। তবে বিভিন্ন প্রজাতির মাল্টা ছাড়াও চায়নিজ কমলা, বারোমাসি কতবেল, পেয়ারা, আনার ফল, বারোমাসি আমড়া, আমের বাগান রয়েছে। পাশাপাশি সাথি ফসল হিসেবে রবিশস্যও আবাদ হচ্ছে। বাণিজ্যিকভাবে চাষের জন্য এখান থেকে মাল্টাসহ বিভিন্ন ফলগাছের চারা নিচ্ছেন কৃষক ও নতুন উদ্যোক্তারা।
‘মরণজয়ী শহীদ মীর কাইয়ূম’
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক ছিলেন মীর আবদুল কাইয়ূম। উনসত্তরের গণ-আন্দোলনে তাঁর ছিল প্রত্যক্ষ ভূমিকা। মুক্তবুদ্ধি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি দেশে থেকেই দেশের কথা ভেবেছেন এবং গোপনে মুক্তিযুদ্ধের কর্মকাণ্ডে সহায়তা করেছেন।
মনোবিজ্ঞান বিভাগের এই শিক্ষককে ২৫ নভেম্বর রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বিভাগের অবাঙালি কর্মচারী তৈয়ব আলী ডেকে বাইরে নিয়ে যান। স্বাধীনতার পর ৩০ ডিসেম্বর স্থানীয় লোকজন রাজশাহী পদ্মা নদীর পাশে বাবলাবনে গণকবর চিহ্নিত করে। সেখান থেকে মীর আবদুল কাইয়ূমসহ অন্যদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত সবার হাত পেছনে বাঁধা ছিল।
মীর আবদুল কাইয়ূমের জন্ম ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের ঘাগড়া গ্রামের মীরবাড়িতে, ১৯৩৯ সালের ৬ জুলাই। বাবা মীর সুবেদ আলী। ছোটবেলায় তিনি বাবাকে হারান। গফরগাঁও কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট এবং ময়মনসিংহের আনন্দমোহন কলেজ থেকে বিএ পাস করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগে এমএ ক্লাসে ভর্তি হন। ১৯৬২ সালে এমএ ডিগ্রি অর্জনের পর ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন।
সারাদেশে অস্থিরতা চলছে। কিছু অসাধু মানুষ যেনো ক্রমেই সহিংস হয়ে উঠেছে। অথচ ভিন্ন মত, পথ নিয়ে আবহমানকাল থেকে শান্তিপূর্ণভাবে এদেশে সবাই বসবাস করে আসছে। সারাবিশ্বে সাত হাজারের বেশি ধর্ম রয়েছে। ধর্ম-দর্শন একান্ত ব্যক্তিগত। একেকজন একেকভাবে সৃষ্টিকর্তাকে পেতে চান। তিনি তার মতো করে ধর্মকে লালন করেন। তেমনই একটি দর্শনের খোঁজ মিলে ‘কী সন্ধানে যাই সেখানে’ প্রমাণ্যচিত্রে।
দিনটি ছিলো ১৮৬২ খ্রিস্টাব্দের ১৫ নভেম্বর। পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার রানাঘাট থেকে গেদে-দর্শনা হয়ে এমন একটি ট্রেন এসে দাঁড়িয়েছিলো কুষ্টিয়ার জগতির এই রেলস্টেশনে। অবিভক্ত বাংলাদেশে সেটিই ছিলো প্রথম কোনো ট্রেন, আর এই জগতি ছিলো প্রথম স্টেশন!
এ দিয়েই যোগাযোগের শুরু। এরপর এই অঞ্চলের মানুষ ট্রেনে চড়লো; ধীরে ধীরে কুষ্টিয়া হয়ে উঠলো ব্যবসা-বাণিজ্যের আঁতুড়ঘর। স্টেশন চালু হওয়াতে কতো ধরনের যে ব্যবসা বাড়ল তার ইয়ত্তা নেই। অবশ্য এই ট্রেন চালুর পেছনে বৃটিশ শাসকদের রাজনৈতিক-অর্থনীতি যে ছিলো না, এমন নয়। কলকাতার সঙ্গে ঢাকার যোগাযোগ সহজ করতে ১৮৭১ খ্রিস্টাব্দের ১ জানুয়ারি জগতি থেকে বর্তমানের রাজবাড়ী গোয়ালন্দ ঘাট পর্যন্ত চালু করা হয়েছিলো ট্রেন। আর এর সবকিছুর কেন্দ্রে ছিলো জগতি।
রেলের স্টিম ইঞ্জিনে পানি দেওয়ার জন্য প্লাটফর্মের পাশেই নির্মাণ করা হয়েছিলো বিশাল আয়তনের ওভারহেড এই পানির ট্যাংকটি। কালের পরিক্রমায় অনিন্দ্য সুন্দর এই স্থাপনাটি এখন পরিত্যক্ত। হঠাৎ দেখে মনে হতে পারে বিশাল কোনো টবে লাগানো হয়েছে অশ্বত্থ গাছ! স্টেশনের যৌবনকালে এখানে কয়লার ইঞ্জিনচালিত পাম্প দিয়ে পানি তুলে প্রথমে এই চৌবাচ্চায় রাখা হতো। তার পর চৌবাচ্চা থেকে পানি তোলা হতো ওভারহেড ওই ট্যাংকে।
কালের বিবর্তনে জগতির সেই জৌলুস আর নেই! অবহেলা আর সংস্কারের অভাবে স্টেশনের লাল রঙের দ্বিতল ভবনের ছাদ জুড়ে জন্মেছে পরগাছা। ফাটল ধরেছে ভবনের সারা শরীরে। স্টেশনের ওয়েটিং রুমটি ভেঙে পড়েছে। ক্ষয়ে গেছে প্লাটফর্মের ইট ও গাঁথুনি; স্টেশন মাস্টারের বসার ঘরটিও পরিত্যক্ত। রাত-দিন স্টেশনে ভবন এখন মাদকাসক্তদের আনাগোনা।
কুষ্টিয়া জেলা শহর থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার দূরে জগতির অবস্থান। জগতিকে মাথায় রেখে ১৯১২/১৯০৮ খ্রিস্টাব্দে কুষ্টিয়া শহরে ৯৯ বিঘা জমির ওপর গড়ে উঠেছিলো পূর্ব বাংলার সবচেয়ে বড় টেক্সটাইল মিল ‘মোহিনী’। ভারতীয় সিভিল সার্ভিসের সদস্য মোহিনী মোহন চক্রবর্তী, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, জগৎ কিশোর চৌধুরী ও চমন লাল মিলে কুষ্টিয়ায় শহরের বড় বাজারে প্রতিষ্ঠা করেন মোহিনী মিল।
ভারতের বস্ত্রশিল্পে বিশেষ ভূমিকা রাখা এই মিল থেকে হাঁটাপথ দূরত্বে রবীন্দ্রনাথের টেগর লজ নামে একটি স্থাপনা রয়েছে। জানা যায়, ব্যবসার কাজে কুষ্টিয়া শহরে এসে এখানেই কবিগুরু বিশ্রাম নিতেন। সেসময় ভারতের শেয়ালদহ থেকে প্রতিদিন রিজার্ভ বগি আসতো মোহিনী মিলের সুতা নেওয়ার জন্য। সেই মিল, সেই জগতি স্টেশন, হাজারো মানুষের কোলাহল যেনো চিরদিনের জন্য বন্ধ হয়ে গেছে।
জগতির পাশেই গড়ে উঠেছিলো আরেক বৃহৎ স্থাপনা ‘কুষ্টিয়া চিনিকল’। এই সেই চিনিকল। এখন পরিত্যক্ত। পালা করে সেখানে এখন পাহারায় বসেন দায়িত্বরতরা। কেবল ঘোরে না মিলের চাকা!
একসময়ের রমরমা জগতিতে এখন মাত্র দুটো ট্রেনের স্টপেজ। সরকারের লিজ দেওয়া খুলনা-গোয়ালন্দঘাট মেইল ট্রেন ‘নকশিকাঁথা এক্সপ্রেস’ এবং পোড়াদহ-রাজবাড়ীর মধ্যে চলাচলকারী শাটল ট্রেন। এই দুটি ট্রেনের অল্পসংখ্যক যাত্রী জগতি থেকে ওঠা-নামা করে এখনো। রাজশাহী থেকে গোয়ালন্দঘাটগামী আন্তঃনগর মধুমতি এক্সপ্রেস জগতি হয়ে যায় ঠিকই কিন্তু থামে না। যেনো জগতিকে আজ সবাই ছেড়ে চলে গেছে!
07/10/2023
দিনটি ছিলো ১৮৬২ খ্রিস্টাব্দের ১৫ নভেম্বর। পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার রানাঘাট থেকে গেদে-দর্শনা হয়ে এমন একটি ট্রেন এসে দাঁড়িয়েছিলো কুষ্টিয়ার জগতির এই রেলস্টেশনে। অবিভক্ত বাংলাদেশে সেটিই ছিলো প্রথম কোনো ট্রেন, আর এই জগতি ছিলো প্রথম স্টেশন!
এ দিয়েই যোগাযোগের শুরু। এরপর এই অঞ্চলের মানুষ ট্রেনে চড়লো; ধীরে ধীরে কুষ্টিয়া হয়ে উঠলো ব্যবসা-বাণিজ্যের আঁতুড়ঘর। স্টেশন চালু হওয়াতে কতো ধরনের যে ব্যবসা বাড়ল তার ইয়ত্তা নেই। অবশ্য এই ট্রেন চালুর পেছনে বৃটিশ শাসকদের রাজনৈতিক-অর্থনীতি যে ছিলো না, এমন নয়। কলকাতার সঙ্গে ঢাকার যোগাযোগ সহজ করতে ১৮৭১ খ্রিস্টাব্দের ১ জানুয়ারি জগতি থেকে বর্তমানের রাজবাড়ী গোয়ালন্দ ঘাট পর্যন্ত চালু করা হয়েছিলো ট্রেন। আর এর সবকিছুর কেন্দ্রে ছিলো জগতি।
রেলের স্টিম ইঞ্জিনে পানি দেওয়ার জন্য প্লাটফর্মের পাশেই নির্মাণ করা হয়েছিলো বিশাল আয়তনের ওভারহেড এই পানির ট্যাংকটি। কালের পরিক্রমায় অনিন্দ্য সুন্দর এই স্থাপনাটি এখন পরিত্যক্ত। হঠাৎ দেখে মনে হতে পারে বিশাল কোনো টবে লাগানো হয়েছে অশ্বত্থ গাছ! স্টেশনের যৌবনকালে এখানে কয়লার ইঞ্জিনচালিত পাম্প দিয়ে পানি তুলে প্রথমে এই চৌবাচ্চায় রাখা হতো। তার পর চৌবাচ্চা থেকে পানি তোলা হতো ওভারহেড ওই ট্যাংকে।
কালের বিবর্তনে জগতির সেই জৌলুস আর নেই! অবহেলা আর সংস্কারের অভাবে স্টেশনের লাল রঙের দ্বিতল ভবনের ছাদ জুড়ে জন্মেছে পরগাছা। ফাটল ধরেছে ভবনের সারা শরীরে। স্টেশনের ওয়েটিং রুমটি ভেঙে পড়েছে। ক্ষয়ে গেছে প্লাটফর্মের ইট ও গাঁথুনি; স্টেশন মাস্টারের বসার ঘরটিও পরিত্যক্ত। রাত-দিন স্টেশনে ভবন এখন মাদকাসক্তদের আনাগোনা।
কুষ্টিয়া জেলা শহর থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার দূরে জগতির অবস্থান। জগতিকে মাথায় রেখে ১৯১২/১৯০৮ খ্রিস্টাব্দে কুষ্টিয়া শহরে ৯৯ বিঘা জমির ওপর গড়ে উঠেছিলো পূর্ব বাংলার সবচেয়ে বড় টেক্সটাইল মিল ‘মোহিনী’। ভারতীয় সিভিল সার্ভিসের সদস্য মোহিনী মোহন চক্রবর্তী, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, জগৎ কিশোর চৌধুরী ও চমন লাল মিলে কুষ্টিয়ায় শহরের বড় বাজারে প্রতিষ্ঠা করেন মোহিনী মিল।
ভারতের বস্ত্রশিল্পে বিশেষ ভূমিকা রাখা এই মিল থেকে হাঁটাপথ দূরত্বে রবীন্দ্রনাথের টেগর লজ নামে একটি স্থাপনা রয়েছে। জানা যায়, ব্যবসার কাজে কুষ্টিয়া শহরে এসে এখানেই কবিগুরু বিশ্রাম নিতেন। সেসময় ভারতের শেয়ালদহ থেকে প্রতিদিন রিজার্ভ বগি আসতো মোহিনী মিলের সুতা নেওয়ার জন্য। সেই মিল, সেই জগতি স্টেশন, হাজারো মানুষের কোলাহল যেনো চিরদিনের জন্য বন্ধ হয়ে গেছে।
জগতির পাশেই গড়ে উঠেছিলো আরেক বৃহৎ স্থাপনা ‘কুষ্টিয়া চিনিকল’। এই সেই চিনিকল। এখন পরিত্যক্ত। পালা করে সেখানে এখন পাহারায় বসেন দায়িত্বরতরা। কেবল ঘোরে না মিলের চাকা!
একসময়ের রমরমা জগতিতে এখন মাত্র দুটো ট্রেনের স্টপেজ। সরকারের লিজ দেওয়া খুলনা-গোয়ালন্দঘাট মেইল ট্রেন ‘নকশিকাঁথা এক্সপ্রেস’ এবং পোড়াদহ-রাজবাড়ীর মধ্যে চলাচলকারী শাটল ট্রেন। এই দুটি ট্রেনের অল্পসংখ্যক যাত্রী জগতি থেকে ওঠা-নামা করে এখনো। রাজশাহী থেকে গোয়ালন্দঘাটগামী আন্তঃনগর মধুমতি এক্সপ্রেস জগতি হয়ে যায় ঠিকই কিন্তু থামে না। যেনো জগতিকে আজ সবাই ছেড়ে চলে গেছে! ...
Jagati : The first railway station of undivided Bengal | জগতি : অবিভক্ত বাংলার প্রথম রেল স্টেশন | The day was 15 November 1862 AD. Such a train arrived at this railway station in Kushtia Jagati via Gede-Darshana from Ranaghat in Nadia district of West Ben...
প্রত্যন্ত গ্রামে মরুর দেশের উদ্ভিদ ‘সাকুলেন্ট’_Desert plant 'succulent' is in remote village...
02/09/2023
প্রত্যন্ত গ্রামে মরুর দেশের উদ্ভিদ ‘সাকুলেন্ট’ | Desert plant 'succulent' is in remote village. সাকুলেন্ট একটি বিশেষ প্রজাতির উদ্ভিদ। যা পানি গ্রহণ করে শরীরে জমা রাখে। যে বৈশিষ্ট্যের কারণে উদ্ভিদটির শরীর পুর....
শিল-পাটা থেকে ব্লেন্ডার_একটি রূপান্তরের গল্প ...
07/08/2023
শিল-পাটা থেকে ব্লেন্ডার : একটি রূপান্তরের গল্প | SHIL-PATA TO BLENDER: A TRANSFORMATION STORY দর্শক, আজ আমরা আপনাদের এমন একটি রূপান্তরের গল্প শোনাবো, যে গল্পে প্রযুক্তি আর ঐতিহ্য হাত ধরাধরি করে চলছে। প্রযুক্....
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the establishment
Telephone
Website
Address
332, Rabindro Kola Bhabon, Rajshahi University
Rajshahi
6205