mithaai blocks
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from mithaai blocks, Real Estate, Rajshahi Division.
15/08/2024
তারুণ্যের কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্মদিবসে বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি🙏🙏🙏♥️♥️♥️
সরকার এর টাকা ভিক্ষা করে শোধ দিতে হবে 😀😀😀 # # #
হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ দিল না সুপ্রিম কোর্ট।
02/04/2024
সাহেব-দিল্লি পর্যন্ত যাওয়ার পয়সা নেই, দয়া করে ডাকযোগে পুরস্কার পাঠিয়ে দিন! হলধর নাগ, যার নামের আগে কখনও শ্রী লাগেনি, খান তিনেক জামা, একটি ছেঁড়া রাবার চপ্পল, একটা অ-খিলানযুক্ত চশমা এবং ৭৩২ টাকার জমা মূলধনের মালিক.....আজ পদ্মশ্রী ঘোষিত। ইনি হলেন পশ্চিম ওড়িশার বাসিন্দা হলধর নাগ।
যিনি কোসলি ভাষার বিখ্যাত কবি। বিশেষ কথা হল, তিনি এ পর্যন্ত যতগুলো কবিতা ও ২০টি মহাকাব্য রচনা করেছেন, তার সবগুলোই তার জিহ্বার ডগায়। এবার তাঁর লেখা 'হলধর গ্রন্থাবলী-২'-এর একটি সংকলন সম্বলপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সিলেবাসের অংশ করা হবে। সাদা পোশাক, সাদা ধুতি, গামছা ও গেঞ্জি পরিহিত হলধর নাগ খালি পায়েই থাকে্ন। উড়িশ্যার লোক-কবি হলধর নাগ একটি দরিদ্র পরিবারের মানুষ। ১০ বছর বয়সে বাবা-মায়ের মৃত্যুর পর তৃতীয় শ্রেণিতেই পড়া ছেড়ে দেন তিনি। অনাথ জীবনে, তিনি বহু বছর ধরে ধাবায় বাসনপত্র পরিষ্কার করে কাটিয়েছেন।
পরে একটি স্কুলে রান্নাঘর দেখাশোনার কাজ পান তিনি। কয়েক বছর পরে ব্যাঙ্ক থেকে ১০০০ টাকা ঋণ নিয়ে পেন-পেনসিল ইত্যাদির একটি ছোট দোকান খোলেন সেই স্কুলের সামনেই। এটাই ছিল তার আর্থিক অবস্থা।
এবার আসা যাক তাঁর সাহিত্যের বিশেষত্বে। ১৯৯৫ সালের দিকে হলধর স্থানীয় ওড়িয়া ভাষায় "রাম-শবরী" র মতো কিছু ধর্মীয় পর্বের উপর লেখালেখি শুরু করেন এবং মানুষকে সেগুলো আবৃত্তি করে শোনাতে শুরু করেন।
আবেগে ভরপুর কবিতা লিখে মানুষের মধ্যে জোর করে উপস্থাপন করে তিনি এতটাই জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন যে, কয়েক বছর আগে রাষ্ট্রপতি তাকে সাহিত্যের জন্য পদ্মশ্রী দেন।
শুধু তাই নয়, ৫ জন গবেষক এখন তার সাহিত্যে পি.এইচ.ডি করছেন যেখানে হলধর নিজেই তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন।
©️
20/03/2024
---মায়ের মৃত্যু টা হলে খুব ভালো হতো
কর্ণ---
---ঠিক বলেছিস কর্ণ? কারন এই ভাবে চিকিৎসা করতে করতে আমরা ফকির হবো। কর্ণ: শোন মাকে ৪/৫ টা ঘুমের ওষুধ এক সাথে খাওয়াবো। এতে মৃত্যু ও হতে পারে।
কেষ্ট : ঠিক আছে তাই করবো আজ রাতে?
---দুই ভাইয়ের কথাটি শেষ হতে না হতেই সেখানে ওদের মা উপস্থিত হয়।
কেষ্ট : মা তুমি এখানে বুজলাম না।
মা : আমার রুমে ভালো লাগতে ছিলো না তাই তোদের রুমে একটু আসলাম। কিন্তু এসেই যা শুনলাম?
কেষ্ট : হ্যা যা শুনেছো সব সত্যি শুনেছো। তোমার কারনে আমাদের অনেক সমস্যা হচ্ছে। তুমি ম'রতে পারো না।
মা : শোন তার আগে তোদের একটি গল্প শুনাই। তার পরে না হয় আমি চলে যাবো এখানে থেকে।
কর্ণ: ঠিক আছে যা বলার তারা তারি বলো।
মা : আচ্ছা শোন তবে। আজ থেকে ২৬ বছর আগে তোদের দুজনের জন্ম হয় এক সঙ্গে। তোদের যখন বয়স ৫/৬ মাস হয় তখন হঠাৎ করেই একদিন তোর বাবা একজন মহিলাকে বিয়ে করে কাউকে না জানিয়ে। এর পরে আমাদের অনেক ঝগরা হয়। এক পর্যায় তোর বাবা আমাকে ডিভোর্স দেয়। ডিভোর্সের পরে খুব কষ্টে আমার দিন কাটতে লাগলো। এরে মাঝে আবার তোরা দুই ভাই ১৬/১৭ দিন পর পর অসুস্থ হয়ে পরিশ। তখন ডাক্তার দেখাইতে অনেক টাকা লাগতো কিন্তু কেউ দিতো না। এক সময় ভাবলাম এত কষ্টে থাকার বদল নিজের জীবনটা নিজেই শেষ করে দেই। কিন্তু তোদের মুখের দিকে তাকিয়ে সব ভূলে যেতাম। ভাবতাম আমি মারা গেলে আমার সন্তানের কি হবে। কে দেখাশুনা করবে। এই ভাবে দিন যেতে লাগলো একটিন হঠাৎ তোদের দুজনের ভিশন জ্বর আসে। কিন্তু আমার কাছে তখন কোন টাকা ছিলো না। কী করবো বুজতেছিলাম না। এমন সময় তোর বাবা কাছে চলে যাই। গিয়ে কিছু টাকা চাই যেনো তোদের চিকিৎসা করাতে পারি। জানিস তোদের বাবা কি বলেছিলো। বলছিলো পতিতালয়ে গিয়ে নিজের দেহ বিক্রি করে যেনো তোদের চিকিৎসা করি।
---এর পরে কোন উপায় না পেয়ে আমি সেই খারপ কাজ করতে বাধ্য হই শুধুমাত্র তোদের চিকিৎসার জন্যে। ছোট থাকায় দুই ভাই ঝগরা করতি আমাকে নিয়ে। হাসিব বলতো মা আমার নাইম বলতো না মা আমার। এই নিয়ে তোদের দুই ভায়ের সব সময় ঝগরা লেগেই থাকতো।
---মায়ের মুখে এই সব কথা শুনে হাসিবের ও নাইমের চোখে অঝরে পানি পরতে থাকে।
মা : এই পাগলেরা কান্না করতেছিস কেনো।
কেষ্ট : মা আমাকে প্লিজ মাপ করে দাও। আমরা খুব বর একটি ভূল করতে যাচ্ছিলাম। কর্ণ : হুমম মা আমাদের মাপ করে দাও। আমরা ভূল করে ফেলেছি।
কেষ্ট : আর কখনো এমন ভূল করবো না।
মা : আমার পাগল ছেলে। হুমম মাপ করে দিয়েছি। এখন ত একটু হাস তোরা। তদের হাসি মুখটা না দেখলে যে আমার ভালো লাগে না বাবা?
"সত্যি মা তুমি অসীম ❤ তোমার কোন তুলনা হয়না?
#গল্পি কাল্পনিক বাস্তবে কেউ ভাবিয়েন না। তবে আমাদের সামাজে অনেক এমন হচ্ছে।
গল্পটি ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক বাটনে একটা টুকা দিয়ে যাবেন 👉
অ্যালকেমিস্টের বিরুদ্ধে ইডির প্রেস রিলিজে খোদ মুখ্যমন্ত্রীর নাম!
অ্যালকেমিস্টের বিরুদ্ধে অর্থ তছরুপ মামলায় ইডির প্রেস রিলিজে খোদ মুখ্যমন্ত্রীর নাম! ২০১৪-র ভোটে তৃণমূলের যে তারকা প্রচারকরা হেলিকপ্টারে ঘুরেছিলেন, তা অ্যালকেমিস্টের টাকায়, তদন্তে জানতে পেরেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। আর খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামোল্লেখ করে বিস্ফোরক তথ্য ইডির প্রেস রিলিজে।
07/03/2024
স্কুল পিকনিক থেকে মেয়েকে নিয়ে ফিরে বুঝতে পারলাম স্ত্রী পালিয়েছে।আলমারির টাকা,গহনা সব সাথে নিয়ে গেছে।
মেয়ের বয়স ৮।সৎ মা যদি কষ্ট দেয়!এই ভেবে দ্বিতীয় বিয়ে করলাম না।
সময় কাটতে লাগলো।মেয়ের বয়স ১৭।আশেপাশে অনেক কিছুই পরিবর্তন হলো,সঙ্গে স্ত্রীর মন ও।সে ফিরে আসতে চায়।বিষয়টা নিয়ে একরাতে মেয়ের ঘরে গেলাম।
" বাবা, এখনো ঘুমাওনি? "
" একটু কথা ছিলো "
" ওই মহিলা ফিরে আসতে চায়,সে ব্যাপারে? "
" কি করবো বুঝতে পারছি না "
" না মানে না।কক্ষনো না।ওই মহিলাকে আনলে আমি এই বাড়িতে থাকবো না "
" মানুষ তো ভুল করেই,তাই না!একটা সুযোগ যদি পেতো,বোধহয় শুধরে যেত "
মেয়ে রেগে বললো " এ কেমন ভালোবাসা! ওনার প্রতি তোমার রাগ হয় না?অন্য জনার সাথে ভেগে গেলো,এখন ফিরে আসতে চাচ্ছে তুমিও মাফ করে দিবা? "
আর কথা বাড়ালাম না।বেড়িয়ে আসলাম।মেয়ে ঘর থেকে চেঁচিয়ে বললো " যা ইচ্ছে করো।একটা কথা আছে না,প্রেমের ম"রা জলে ডুবে না।তোমার হইছে সে অবস্থা।আমার কথা কেন শুনবা,আমি তে এ বাড়ির তো কেউ না।আর বাড়িটাও আমার না "
জানি উচিত না।তবুও, মন তো মানে না।ভালোবাসলে যে কোনো দোষই চোখে পড়তে চায় না।তবে মেয়ের শেষ কথাটায় ভিষণ আ"হত হলাম।কে বলেছে এই বাড়ি ওর না?
পরেরদিনই বাড়ির সামনে নেমপ্লেটে লিখে দিলাম " মেয়ের বাড়ি "।বিয়ে হলেও এই বাড়িটা মেয়েরই থাকবে।একান্ত আশ্রয়স্থল।
একদিন মেয়ে আমার হাত ধরে বললো " আমি সারাদিন কলেজ প্রাইভেট নিয়ে ব্যস্ত থাকি।তোমার একজন সঙ্গী প্রয়োজন।তুমি চাইলে বিয়ে করতে পারো,যাকে ভালোবাসতে তাকেও করতে পারো।মানা করবো না "
বুঝলাম,মেয়েও কারো প্রেমে পড়েছে, ভালোবাসে।তাইতো ভালোবাসার মানুষটাকে হারানোর কষ্ট,সাথে ফেরত পাওয়ার খুশিটাও বুঝতে শিখেছে।
06/03/2024
আজ মাংস রান্না হয়েছে।সুজন খুব খুশি,আজ পে'ট ভরে ভাত খাবে।খেতে বসেছে তখন রান্নাঘর থেকে মায়ের কর্কষ স্বর!
" সারাদিন বসে থাক আর খা।কি শান্তি,যতদিন বাপ বেঁচে আছে শান্তি করে নে।শুধু খাওয়ার জুত।বসে থেকে তোকে কে মাংস খাওয়াবে? "
মায়ের কথায় সুজনের চোখ জলে ছলছল করে উঠলো।চাকরির চেষ্টা তো সে কম করছে না!ক্ষুদার্ত পে'টেই উঠে চলে গেলো অজানার পথে।
একটা রেস্টুরেন্টের মালিকের হাতে পায়ে ধরে একটা কাজ জোগাড় করলো।বেতনের টাকা কিছু করে জমিয়ে তিন বছরের টাকায় টিনশেট হোটেল তৈরী করলো।ভাগ্য সুপ্রসন্ন।দু"বছরেই টিনশেডের দোকানে দালান উঠলো।পনেরো জন শ্রমিক।
সুজন ক্যাশে বসে থাকে।কর্মচারী নজরুল এসে বললো " ভাই আপনার বাবা মা এসছেন রেস্টুরেন্টে।আপনার সাথে খেতে চান "
সুজনের চোখে বেদনা এবং সুখ মিশ্রিত অশ্রু।খেতে বসে সুজন কর্মচারীকে বললো " নজরুল,মায়ের প্লেটে মাংস দাও তো "
পাশ থেকে ছোট বোন বললো " দাদা,মা তো মাংস খায় না।তোকে সেদিন বলার পর থেকে মা মাংস খাওয়া ছেড়ে দিছে।সবসময় বলে " যদি জানতাম ছেলেটা এই এতো কষ্ট পাবে তাহলে কখনো বলতাম না।মায়ের সব কথা কি ধরতে আছে?মা কি সন্তানের খারাপ চায়?! "
বোনের কথা শুনে মায়ের দিকে তাকালাম।মা আঁচলে মুখ ঢেকে কাঁদছে।আমিও কাঁদছি।সেদিন বাড়ি থেকে চলে আসার পর থেকে আমিও মাংস মুখে তুলিনি।
06/03/2024
বিয়ের দুই বছর পর স্বামী যখন ডিভোর্স লেটার পাঠালো তখন দু"ধের বাচ্চাটাকে নিয়ে চরম বিপাকে পড়লাম।
স্বামী পাড়ি জমালো বিদেশে।বাবা-মা ব্যস্ত হয়ে পড়লেন আমার আবার বিয়ে দেওয়া জন্য।নিষ্পাপ ছেলেটার মুখের দিকে তাকিয়ে সে সাহস আর হয়ে উঠলো না।মা উঠতে বসতে সবসময় বলতে লাগলো
" তোর বয়স অল্প,বিয়ে করতে সমস্যা কোথায়?তোর ভবিষ্যৎ কি? "
" আমার সন্তান'ই আমার ভবিষ্যৎ মা "
" সন্তান তো আলাদা করছি না।সন্তানসহ মেনে নিবে এমন একটা ছেলের সাথেই তোর আবার বিয়ে দিবো।বাবা-মা হয়ে তোর ভবিষ্যৎ ঠিক করার অধিকার নাই আমাদের? "
মৃদু হেসে বললাম " মা তুমি হয়তো ভুলে গেছো, বিয়েটা তোমাদের পছন্দেই করেছিলাম "
মা ব্যথিত হয়ে বললো " আমরা বুঝতে পারিনি রে মা, ছেলেটাকে ভালোই ভেবেছিলাম "
বু"কে চাপা কষ্ট নিয়েও উত্তরে শুধু মুচকি হাসলাম।মা আমার কপালে হাত বুলিয়ে বললো
" জেদ করিস না রে মা।আমরা তো সারাজীবন থাকবো না।তোর কি হবে? "
বাবা-মা এসব নিয়ে প্রতিদিন জোরাজোরি করে।কাঁ"টা তার পেড়িয়ে শত সংগ্রাম করে সমাজের মানুষের কথায় তীরবিদ্ধ হয়েও ছেলেকে বড় করলাম।পড়ালাম সেরা কলেজে।
গতকাল অ্যামেরিকা থেকে স্বামী গ্রীনকার্ড পাঠিয়েছেন।ছেলে মহাখুশি,বাবার সাথে অ্যামেরিকায় থাকবে,উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ।মুহুর্তেই ভুলে গেলো এতো বছরে আমার করা সব ত্যাগ তিতিক্ষার কথা!সংগ্রাম করে বেঁচে থাকার কথা!
ছেলেকে এসব নিয়ে কিছু বললাম না।যতোই হোক মা তো,ছেলের ক্যারিয়ার সুন্দর হবে ভেবে তৃপ্তিতে মন ভরে গেলো।হাসিমুখে এয়ারপোর্ট অব্ধি ছেলেকে পৌঁছে দিলাম।
ইজি চেয়ারে মা বসে আছেন।ঘরে ঢুকতেই মা বললো
" ছেলে চলে গেলো? "
" হু "
" মনে আছে? তখন বলেছিলি ছেলেই তোর ভবিষ্যৎ।ছেলে তোর এই ভবিষ্যৎ করে দিলো? "
" তাতে কি,ও ভালো থাকবে এই তো অনেক " 🤍
06/03/2024
ঘর্মাক্ত তেল চিপচিপে শরীরে রান্না করছি!হঠাৎ চুলের খোপা খুলে গেলো,চুলগুলো আঁ!চড়ে পড়লো পি"ঠে।
দু'হাত ভর্তি ময়দার প্রলেপ,পি"ঠের উপর থেকে চুল সরিয়ে দেওয়ার জন্য স্বামীকে ডাকলাম
" একটু আসবেন? "
স্বামী ক্ষিপ্র হুংকার দিয়ে বললো " সকাল সকাল চিল্লাচিল্লি করো কেন? "
ভয়ে আর কিছু বলার সাহস হলো না।মনেই ছিলো না লোকটা সুজন না।সুজন থাকলে হয়তো আমার বলতেও হতো না " চুল সরিয়ে দাও না গো! "
ও নিজেই দায়িত্ব নিয়ে পরম আগ্রহে চুল সরিয়ে দিতো।ছেলেটা বড্ড ভালোবাসতো।আফসোস!আমি বুঝতে পারিনি।ছেলেটার ভালোবাসা উপেক্ষা করে টাকার লোভে বিয়ে করলাম কংক্রিটের তৈরী এক যন্ত্রমানবকে।ভেবেছিলাম টাকাই সব! এখন বড্ড মনে পড়ে সুজনকে !🤍
28/02/2024
কে কে খেয়েছ এই ফল ? টেষ্ট কেমন লাগল ?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Rajshahi Division