Muhammad Habibullah
মোর নাম এই বলে খ্যাত হোক,
‘আমি তোমাদেরই লোক’;
আর কিছু নয়,
এই হোক শেষ পরিচয়।
আমি মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ। ৩১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দে পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছি। আমার পূর্বপুরুষগণ শিক্ষকতা পেশার সাথে জড়িত ছিলেন; আমার বাবাও একজন শিক্ষক। একইভাবে পরিবার-সংশ্লিষ্ট অধিকাংশ ব্যক্তি ও আমার মায়ের পরিবারের দিকের আত্মীয়েরা শিক্ষা পেশার সাথে জড়িত। আমি আমার এই পরিচয়টি দিতেই বেশি পছন্দ করি। বাবা, দুই ভাই, তিন বোন ও আমার স্ত্রীকে নিয়ে
স্যার ও ম্যাডাম—সম্বোধনের পেছনের চমৎকার ইতিহাস
আমরা প্রতিদিন শিক্ষকদের, কর্মকর্তাদের কিংবা সম্মানিত ব্যক্তিদের ‘স্যার’ বা ‘ম্যাডাম’ বলে সম্বোধন করি। কিন্তু কি ভেবেছেন কখনো—এই শব্দ দুইটির শিকড় কোথায়? কোথা থেকে এলো আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহারে এতো পরিচিত এই সম্বোধনগুলো?
‘স্যার’ (Sir) শব্দটির উৎপত্তি ল্যাটিন Senior থেকে, যার অর্থ ‘বয়োজ্যেষ্ঠ’ বা ‘সম্মানিত ব্যক্তি’। মধ্যযুগে এটি ফরাসি হয়ে ওঠে Sire, যেটি রাজা বা অভিজাত পুরুষদের সম্বোধনে ব্যবহৃত হতো। পরে ইংরেজিতে তা রূপ নেয় Sir হিসেবে। বিশেষ করে নাইটহুড (Knighthood) উপাধিপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের নামের আগে ‘Sir’ বসত, যেমন: Sir Isaac Newton, Sir Winston Churchill. এই ‘স্যার’ শব্দটি ছিলো সম্মান, মর্যাদা ও দায়িত্বের প্রতীক।
‘ম্যাডাম’ (Madam) এসেছে ফরাসি শব্দ ‘Ma Dame’ থেকে, যার মানে ‘আমার ভদ্রমহিলা’। এটি ছিলো অভিজাত ও সম্মানিত নারীদের সম্বোধনের জন্য ব্যবহৃত একটি ভদ্র শব্দ।
ইংরেজরা এই শব্দটিকে গ্রহণ করে তাদের ভাষায় ‘Madam’ রূপে ব্যবহার শুরু করে। যেমন: Madame Curie (নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী)।
বাংলা ভাষায় প্রচলন: ব্রিটিশ শাসনামলে ইংরেজ প্রশাসনের প্রভাবে এই দুই শব্দই ভারতীয় উপমহাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। তখন স্কুলের শিক্ষক, কলেজের অধ্যাপক, সরকারি কর্মকর্তা, অফিসের বস বা প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের ‘স্যার’ বা ‘ম্যাডাম’ বলে সম্বোধন করাটা শিখে নেয় উপমহাদেশ। এই ব্যবহার এখনও বহাল। বর্তমানে শিক্ষক ও অফিসারদের জন্য ‘স্যার’ শিক্ষিকা বা নারী কর্মকর্তাদের জন্য ‘ম্যাডাম’
সম্বোধন আমাদের সামাজিক শিষ্টাচার ও সম্মান প্রকাশের অংশ হয়ে গেছে।
একটা ব্যাপার খেয়াল করেছেন কি?
আমরা এখনো ইংরেজদের দেওয়া এই উপাধিগুলো ব্যবহার করছি, যদিও অনেকেই জানি না এর মূল ইতিহাস। ‘স্যার’ ও ‘ম্যাডাম’ শুধু শব্দ নয়, একেকটি ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার—যা সম্মান, সৌজন্য ও সভ্যতার পরিচায়ক।
20/01/2025
Good morning, Bagerhat
DFA সংস্কৃতি: সরকারি অফিসের হাস্যরসাত্মক ড্রাফট কাহিনি
সরকারি অফিসগুলোতে একটি বিশেষ সংস্কৃতি আছে। একে বলা হয় DFA সংস্কৃতি বা Draft for Approval (ড্রাফট ফর অ্যাপ্রুভাল)। সরকারি ফাইল-চলাচলের এই মধুর যাত্রাপথ এতোই শৈল্পিক যে, তা সাহিত্য রচনার উপযোগী।
ধরুন, আমি সরকারি অফিসের একজন সহকারী পরিচালক। জানুয়ারি মাসের ১ তারিখে আমি একটি চিঠি লিখলাম। সেই চিঠিতে অফিস প্রধান (মহাপরিচালক) স্বাক্ষর করবেন। চিঠির বিষয়বস্তু চমৎকার—কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার একাংশ:
“আমাদের ছোট নদী চলে বাঁকে বাঁকে
বৈশাখ মাসে তার হাঁটু জল থাকে।”
– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
চিঠি প্রস্তত হলো, এখন আমার কাজ সেটি ড্রাফট করে উপপরিচালকের কাছে পাঠানো। তিনি ফাইল হাতে নিয়ে পেশকৃত চিঠিটি গভীর দৃষ্টিতে দেখলেন। কিছুক্ষণ ভেবে বললেন,
– নদী ছোট হবে কেনো? এটা তো সরু হতে পারে। নদী হবে বালিকার মতো উচ্ছল। আর ‘জল’ শব্দটা একটু পুরনো হয়ে গেছে। ‘পানি’ দিলে ভালো শোনায়।
তিনি কবিতাটি সংশোধন করে লিখলেন:
“আমাদের সরু নদী চলে বাঁকে বাঁকে
বৈশাখ মাসে তার হাঁটু পানি থাকে।
– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।”
উপপরিচালক কাটাকাটি করে চিঠিসহ উপস্থাপিত ফাইল আবার আমার কাছে পাঠালেন। আমি সেটা প্রিন্ট করে স্বাক্ষর করে পুনরায় উপপরিচালকের দপ্তরে পাঠালাম। চিঠি এবার উপ-পরিচালকের স্বাক্ষর হয়ে গেলো যুগ্মপরিচালকের কাছে। তিনি কবিতার উপর আরও একটু আধুনিকতার ছোঁয়া দিতে চাইলেন। তিনি ভাবলেন,
– এখন বাংলা সন চলে না, এখন তো আমরা খ্রিস্টীয় সন ব্যবহার করি। বৈশাখ মাসের বদলে এপ্রিল মাস লিখলে ভালো হয়। আর ‘হাঁটু পানি থাকে’ শব্দটা একটু সাদামাটা, এটা বদলে ‘অল্প পানি থাকে’ লিখলেন।
এবার তার সংশোধিত চিঠি হলো:
“আমাদের গ্রামের ছোট নদী চলে বাঁকে বাঁকে
এপ্রিল মাসে তার অল্প পানি থাকে।”
– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
ফাইল আবার নিচে নামলো, ড্রাফট প্রিন্ট হলো। যথারীতি সহকারী পরিচালক, উপপরিচালক ও যুগ্মপরিচালকের স্বাক্ষর হয়ে এবার গেলো সিনিয়র যুগ্মপরিচালকের কাছে। তিনি কবিতার বিষয়বস্তু দেখে ভাবলেন,
– সবই তো ঠিক আছে, কিন্তু এখানে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামটা বেশি জুতসই লাগছে না। নামটা কেটে আরেকটু সংক্ষেপ করা যাক। তিনি আরো কিছু শব্দ নিজের মত কাটছাঁট করলেন। ফলাফল দাঁড়ালো:
“আমাদের গ্রামের ছোট নদী বহে অক্র বক্র
এপ্রিল মাসে তাতে দেখি অল্প পানি চক্র।”
– কবি রবীন্দ্রনাথ ঠক্র।
এই অসাধারণ ড্রাফট ফাইলসহ আবার নিচে গড়ালো। প্রিন্ট হলো। সহকারী পরিচালক হতে শুরু করে স্বাক্ষর হতে হতে উপরে গেলো। এবার গড়াতে গড়াতে ফাইল পৌঁছালো অফিস প্রধান মহাপরিচালকের কাছে। তিনি ফাইল হাতে নিয়ে গভীর মনোযোগে সব দেখলেন। হাসলেন। অফিস প্রধান হলে অনেক কিছু জানতে হয়। তিনি ভাবলেন,
– আরে, এ তো আমার পরিচিত কবিতা! রবীন্দ্রনাথের এই কবিতায় হাত দেওয়ার দরকার কী?
তিনি এক ঝটকায় সমস্ত সংশোধন কেটে দিয়ে মূল লেখাটি পুনর্বহাল করলেন:
“আমাদের ছোট নদী চলে বাঁকে বাঁকে
বৈশাখ মাসে তার হাঁটু জল থাকে।”
– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
তারপর মহাপরিচালক স্বাক্ষর করে তারিখ দিলেন ১০/০১/২০২৫।
এভাবে, এক ফাইলের ড্রাফটস উঠতে নামতে দশ দিন পার হয়ে গেলো। কিন্তু চিঠি শেষে ঠিক সেই জায়গায় ফিরলো, যেখানে তা ছিলো—প্রথমবারের মতো।
DFA সংস্কৃতির সৌন্দর্য এটাই—প্রতিটি স্তরে এক নতুন গল্প, এক নতুন চিন্তা, আর এক অভূতপূর্ব অভিজ্ঞতা!
সুভাষণ: রুঢ়তার পরিবর্তে সৌন্দর্যের প্রকাশ
সম্প্রতি বাংলাদেশের খ্যাতিমান ইসলামি বক্তা Mizanur Rahman Azhari জনাব মিজানুর রহমান আজহারীর একটি বক্তব্য নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক হচ্ছে। তিনি তার (সাম্প্রতিক নাকি পুরানো সেটি আমার জানা নেই) একটি বক্তব্যে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এঁর বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেছেন, ‘হজরত মোহাম্মদ (সা.) রাখাল / কাউ বয় ছিলেন।’ এই বক্তব্য শুনে অনেক ইসলামি গবেষক ও ওলামায়ে কেরাম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, কাউ বয় শব্দটি মহানবী (সা.)-এঁর মর্যাদার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। এমন রুঢ় শব্দ চয়ন এড়িয়ে সুন্দর ও পরিশীলিত শব্দ ব্যবহার করা যেতো।
এই ঘটনাটি আমাদেরকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্মরণ করিয়ে দেয়—সুভাষণ বা ইউফেমিজমের গুরুত্ব। ইউফেমিজম (Euphemism) হলো এমন একটি ভাষাশৈলী, যেখানে রুঢ়, কঠোর বা আপত্তিকর শব্দের পরিবর্তে সমার্থক, মৃদু এবং শ্রুতিমধুর শব্দ ব্যবহার করা হয়। এটি কেবল বক্তব্যকে মধুর ও গ্রহণযোগ্য করে তোলে না, বরং শ্রোতার মনে বার্তার প্রতি শ্রদ্ধা ও ইতিবাচকতা তৈরি করে।
নিম্নে আমি কিছু সুভাষণের উদাহরণ পেশ করলাম, যাতে বিষয়টি আপনারা সহজে অনুধাবন করতে পারেন।
১. রুঢ় শব্দ: মৃত্যু
সুভাষণ: ইন্তেকাল, চিরবিদায়।
(মৃত্যু শব্দটি সরাসরি ও কঠোর শোনাতে পারে। এর পরিবর্তে ‘ইন্তেকাল’ বা ‘চিরবিদায়’ শব্দ ব্যবহার শ্রুতিমধুর ও সম্মানজনক।)
২. রুঢ় শব্দ: বুড়ো
সুভাষণ: প্রবীণ।
(বুড়ো শব্দটি তুচ্ছতাসূচক হতে পারে, যেখানে ‘প্রবীণ’ শব্দটি শ্রদ্ধাসূচক ও সৌন্দর্যময়।)
৩. রুঢ় শব্দ: গরিব
সুভাষণ: অসচ্ছল, অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা।
(গরিব শব্দটি কাউকে খাটো করতে পারে, তবে ‘অসচ্ছল’ বা ‘অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা’ শব্দগুচ্ছ সম্মান বজায় রাখে।)
প্রসঙ্গে সুভাষণের প্রাসঙ্গিকতা:
বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এঁর জীবন ও কর্ম বর্ণনা করতে গিয়ে আমাদের উচিত সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শন করা। তাঁর মহান ব্যক্তিত্ব এবং ইতিহাসে তাঁর ভূমিকা বিবেচনায় এমন শব্দ চয়ন করা প্রয়োজন, যা তাঁর মর্যাদা ও মহত্ব আরও উজ্জ্বল করে। বিশেষত আমরা যারা মুসলিম, বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এঁর ব্যাপারে আমাদের শব্দ চয়ন অবশ্যই মার্জিত, সম্মানসূচক হওয়া উচিত সেই সাথে তাঁর ব্যাপারে আমাদের সকল ধারণা সম্মানের সর্বোচ্চ শিখরে হওয়া উচিত।
যেমন, যদি বক্তা ‘কাউ বয়’ বলার পরিবর্তে বলতেন, ‘রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর শৈশবে রাখাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন’—তাহলে এটি শ্রোতাদের কাছে আরও গ্রহণযোগ্য এবং শ্রদ্ধাসূচক শোনাতো।
সুভাষণ আমাদের ভাষাশৈলীর অংশ। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে সুভাষণের ব্যবহার শুধু ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে না, বরং পারস্পরিক সম্পর্কেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। রুঢ় শব্দ মানুষকে আহত করে; কিন্তু সুভাষণ মানুষকে আপন করে। বিশেষত ধর্মীয় আলোচনায়, যেখানে সংবেদনশীল বিষয় উঠে আসে, সেখানে সুভাষণের গুরুত্ব অপরিসীম। সঠিক শব্দ চয়ন আলোচনা মধুর করে তোলে এবং বিতর্ক এড়িয়ে শ্রোতাদের মনোযোগ ধরে রাখে।
পরিশেষে বলতে চাই। আসুন, আমরা আমাদের ভাষায় সুভাষণের চর্চা করি। সুন্দর, পরিশীলিত ও গ্রহণযোগ্য শব্দচয়নের মাধ্যমে বার্তা পৌঁছে দেওয়ার দক্ষতা অর্জন করি। আমাদের প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এঁর মহান ব্যক্তিত্ব বর্ণনায় সর্বদা এমন শব্দ ব্যবহার করি, যা তাঁর প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করে।
30/12/2024
Attending an official training session at the Office of the Refugee Relief & Repatriation Commissioner, Cox's Bazar with colleagues and officials from the Ministry of Disaster Management and Relief. During the training, we had the privilege of a courtesy meeting with the honorable RRRC sir.
বাংলাদেশের রাজনীতিতে আমরা আর কোনো ফ্যাসিস্ট, দাম্ভিক, দুর্নীতিবাজদের পুনর্বাসন চাই না।
সময় টিভিতে প্রচারিত গত ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখের সম্পাদকীয় শিরোনামের টকশো দেখলাম। উক্ত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর কথোপকথন শুনছিলাম। ড. আসাদুজ্জামান রিপন সাহেবের কথায় পতিত আওয়ামী লীগ ফ্যাসিস্টদের মতো দাম্ভিকতা ও স্বৈরাচারী মনোভাব পরিলক্ষিত হলো। তার কথা শুনে মনে হলো, জুলাই আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের কথা তিনি নিছক ভুলেই গেছেন। আলোচনার শেষাংশে তিনি নাগরিক কমিটির আহ্বায়ককে বলেই ফেললেন, ‘আপনারা কারা?’। অবশ্য তার প্রশ্নের যথার্থ উত্তর তিনি পেয়ে গিয়েছেন। নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী তাকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, আন্দোলনে তাদের দলের ভূমিকা কী ছিলো। বিগত ১৫-১৬ বছর তারা দেশকে আওয়ামী লীগদের কবল হতে মুক্ত করতে পারেনি। একটি গণতান্ত্রিক দল হিসেবে অবশ্যই এটি তাদের ব্যর্থতা। বারবার আন্দোলনের ডাক দিয়েও তারা কী করতে পেরেছে, সেটি আমাদের অজানা নয়।
বাংলাদেশের একজন সাধারন নাগরিক হিসেবে আমার চাওয়া, নির্বাচনের পূর্বে অবশ্যই বিগত দিনের ফ্যাসিস্ট সরকারের মতো মনোভাবসম্পন্ন দলগুলির মনোভাব বদলাতে হবে। সেই সাথে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ যে সকল সংস্কার না করলে পুনরায় আবার আমাদেরকে রাজপথে নেমে আসতে হবে, দেশের জন্য রক্ত দিতে হবে—সে সমস্ত বিষয়গুলিতে সংস্কার আনতে হবে। বিএনপি অবশ্যই গত ১৫-১৬ বছর পতিত আওয়ামী সরকারের নির্যাতনের শিকার একটি গণতান্ত্রিক জননন্দিত দল। তাদের দলের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের দ্বারা অবশ্যই মার্জিত এবং সহনীয় আচরণ পরিলক্ষিত হওয়া বাঞ্ছনীয়। বিগত দিনের দাম্ভিক আচরণ, দুর্নীতি, স্বজন প্রীতি, স্বৈরাচারী মনোভাব জনসাধারণের কাছে স্পষ্ট হলে তাদের অবস্থাও আওয়ামী লীগের মতো হবে।
বর্তমানের তরুণরা আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত। তাদেরকে বয়োজ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদরা তাদের চেয়ে জ্ঞানহীন অকর্মণ্য মনে করে উপেক্ষা করলে সেটা হবে সবচেয়ে বড় ভুল। বাংলাদেশের ছাত্ররাই দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হয়ে দের যুগ পড়ে দেশকে ফ্যাসিস্ট মুক্ত করার নেতৃত্ব দিয়েছে। এটা আপনাকে স্বীকার করতেই হবে।
(টকশো দেখতে চাইলে কমেন্টে দেওয়া লিংক চেক করুন।)
10/12/2024
12/10/2024
By the Buriganga's gentle flow,
As boats drift softly to and fro,
City lights in twilight gleam,
A tranquil scene, a perfect dream.
In the heart of Dhaka, I stand still,
Capturing moments, the evening's thrill
10/10/2024
রাতের আলোয় আমাদের জাতীয় সংসদ ভবন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Telephone
Address
Patuakhali
8621