IPEtalks.com

IPEtalks.com

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from IPEtalks.com, Education Website, Patgram.

Photos 05/10/2016

Inventory Control এর আদ্যোপান্ত (Last Part)

আচ্ছা আমরা কি একবারও ভেবে দেখেছি যে আমরা কত্ত নিখুঁত? মানে আমরা সিস্টেম থেকে অনবরত নিখুঁত সার্ভিস বের করে আনতে পারছি; আমাদের এফিসিয়েন্সি অসম্ভব রকমের বেশী! এরকম ভাবাটা স্বাভাবিক হলেও তা বাস্তবে সম্ভব নয়। কেননা একটা মেশিন কখনই ১০০% সঠিক হতে পারেনা, একটা সময়ের পরে তার Depreciation বা মূল্যহ্রাস ঘটতে থাকে। তাছাড়া আমাদের কিছু ফল নষ্ট হয়ে যেতে পারে কিংবা কোন দুর্ঘটনায় আমাদের প্রোডাকশন কিছু সময়ের জন্য বন্ধ থাকতে পারে। খেয়াল করলে দেখা যাবে আমরা এই বিষয়গুলো বাদ দিয়েই কাজ করেছি! তাহলে এবার এরকম একটা মডেল দেখা যাক যেটা এই বিষয়গুলিকে বিবেচনায় নিয়ে গঠিত।

এরকম যদি হয় যে আমরা কোন দিন বা কোন সপ্তাহে আমাদের প্রয়োজনীয় পরিমাণ জুস উৎপাদন করতে ব্যর্থ হলাম। তখন আমাদের জুসের যে পরিমাণ চাহিদা আছে সেটা আমরা পূরণ করতে পারব না ফলে পরবর্তী দিন বা সপ্তাহগুলোতে আমাদের কিছু অতিরিক্ত উৎপাদন করতে হবে যাতে আমরা আগের ওই পরিমাণ বাকি থেকে যাওয়া জুস সহ নতুন ডেলিভারি দিতে পারি। এই ক্ষেত্রে প্রথমে যে পরিমাণ জুস আমরা দিতে পারি নি তাকে বলা হয় Shortage। এই Shortage সহ মডেলটি হচ্ছেঃ

Manufacturing Model with Shortage:

Manufacturing Model এর উদাহরণটার সাথে ধরে নেই গত মাসে কোন কারণে আমাদের কিছু পরিমাণ জুস Shortage ছিল যা পরবর্তীতে আমাদের বেশী দিতে হবে। এটা করতে গিয়ে পরবর্তীতেও আমাদের কিছু Shortage আসতে পারে। এই অতিরিক্ত পরিমাণ মজুদ করার জন্য আমাদের কিছু অতিরিক্ত খরচ করতে হবে; ধরি সেটা প্রতিদিন প্রতি এককের জন্য ১০$ অর্থাৎ, Shortage Cost হচ্ছে P=10$।
সেক্ষেত্রে আমাদের সর্বনিম্ন খরচের জন্য কি পরিমাণ Inventory রাখতে হবে সেটা বের করা যাক। নিচের সূত্রটা দিয়ে খুব সহজেই তা বের করা যায়

I*= √((2KY(P+H))/(PH(1-Y/X)))

মান বসিয়ে পাচ্ছি I*= 4898.979486 ≈ 5000 Unit

এবার একটু ভেবে দেখি তো আমরা কি চাইলে একবারে এই মাসেই পুরো Shortage টা কাভার করতে পারি কিনা। উত্তর হচ্ছে হ্যাঁ পারি কিন্তু সেক্ষেত্রে আমাদের প্রচুর খরচ পড়ে যাবে অতিরিক্ত পরিমাণে বেশী উৎপাদন এবং মজুদ এর জন্য। তাই আমরা ধাপে ধাপে সেটা পূরণ করব।
তাই সর্বনিম্ন খরচের জন্য পরবর্তীতে কি পরিমাণ Shortage থাকবে তা বের করা হয় এভাবেঃ

W*=√((2KHY(1-Y/X))/(P(P+H)))

মান বসিয়ে পাওয়া যায় W*= 326.5986324 ≈ 327 Unit

এই ৩২৭ ইউনিট Inventory তে কতক্ষন রাখতে হবে তা বের করা হয় এভাবেঃ

Cycle Time, T=(I*)/Y=√((2K(P+H))/(PHY(1-Y/X)))

মান বসালে আমরা পাই T= 0.612372435 Day ≈ 14.7 Hour।
এই প্রক্রিয়ায় আমাদের মোট কত খরচ হবে তা বের করি এবার। নিচের সূত্রটা ব্যাবহার করে তা সহজেই বের করা সম্ভবঃ

Total Cost Per Unit Time, TCU(I*,W*)= √((2KHPY(1-Y/X))/(P+H))

মান বসিয়ে পাওয়া যায় Total Cost= 3265.986324 $ ≈ 3266 $/Day।

আচ্ছা আমরা তো সবসময়ই শুনি যে বেশী জিনিস একসাথে কিনলে একটা ছাড় পাওয়া যায়। তাহলে আমরা এতগুলো মডেলের কোথাও সেটা দেখলাম না কেন?
আসলে আমরা প্রত্যেক এককের দাম নির্দিষ্ট এবং অপরিবর্তিত ধরেই মডেলগুলোতে কাজ করেছি। এবার তাহলে মূল্য পরিবর্তন নিয়ে কাজ করা যাক:

Single Item Static Model With Price Breaks:

প্রথমেই আমরা একটা থিওরি দেখবঃ
ধরি, আমরা প্রতি অর্ডারে y পরিমাণ প্রোডাক্ট কিনব অর্থাৎ আমাদের Order Size হল y। এখন q হচ্ছে একটা নির্দিষ্ট ন্যূনতম পরিমাণ প্রোডাক্ট যে পরিমাণ বা তার বেশী কিনলে আমরা ছাড় পাব। এখন ধরি, যদি yC2 হবে।

তো যখন yym এর মধ্যে কোনটা সত্য তার উপর।

যদি q≤ym হয়, তাহলে এই ym ই হবে Optimum Order Size (y*=ym) অর্থাৎ, TCU(y*) = TCU2(ym) হবে।

কিন্তু যদি q>ym হয়, তাহলে কি হবে?

তাহলে আসলে ২ টা ক্ষেত্র উদ্ভব হতে পারেঃ q

08/05/2016

Inventory Control এর আদ্যোপান্ত (Part 3)
by Debashis Datta

Purchasing Model:
নাম থেকেই বোঝা যাচ্ছে এটা ক্রয় সংক্রান্ত মডেল। আমরা জুস বানানোর জন্য যে কাঁচামাল অর্থাৎ ফল,চিনি ইত্যাদি কিনব তা এই মডেল অনুযায়ী হবে। প্রথমেই মনে করা যাক যে আমাদের Annual Demand বা বাৎসরিক চাহিদা নির্দিষ্ট এবং Order Size ও নির্দিষ্ট। এখানেও আমরা একই রকমের জিনিস কিনব যেটাকে Inventory তে রাখতে প্রতি এককের জন্য প্রতিদিন কত খরচ হবে অর্থাৎ Holding Cost/Unit/Unit Time ও নির্দিষ্ট।

প্রথমেই মনে করে নেই আমাদের প্রতি বছর ১,০০,০০০ কেজি ফল লাগবে অর্থাৎ Annual Demand হচ্ছে Y= 100000 Kg/Year । এখন আমাদের কি কি খরচ করতে হবে? মূল দুটি খরচ হল ফল কেনা বা অর্ডার করার খরচ এবং তা Inventory তে রাখার খরচ। তাহলে ধরি প্রতিবার অর্ডার করতে হয় ১,০০০$ এবং তার প্রতি কেজি Inventory তে রাখতে ৫$ খরচ হয় অর্থাৎ Ordering Cost, K= 1000$/Order এবং Holding Cost, H= 5$/Kg।

[Ordering Cost আর Setup Cost আসলে একই জিনিস; Purchasing Model এর জন্য বলা হয় Ordering Cost আর Manufacturing Model এর জন্য বলা হয় Setup Cost।]

আমরা জানি যে যত বড় অর্ডার করব তত বেশী কমিশন পাব অর্থাৎ Order Size বাড়ার সাথে সাথে Ordering Cost কমতে থাকে। আবার যত বেশী পরিমাণ মজুদ রাখব তত বেশী খরচ হবে অর্থাৎ Order Size বাড়লে Holding Cost বাড়ে।
তাহলে এখন আমরা বের করব আমাদের প্রতিবার কি পরিমাণ অর্ডার করতে হবে যাতে আমাদের মোট খরচ সর্বনিম্ন হয় অর্থাৎ আমাদের Economic Order Quantity(EOQ) বা Optimum Order Size(I*) কত হবে। এটা খুব সহজেই বের করা যায় নিচের সূত্র দিয়েঃ

EOQ= I*= √(2KY/H)

মান বসালে আমরা পাই I*= 2000 Kg।

এখন আমাদেরকে মোট কতগুলো অর্ডার দিতে হবে তা বের করে ফেলিঃ

No. of Order = Y/(I*)

মান বসালে পাই No. of Order = 50।

এখন আমাদের ২,০০০ কেজি ফল কতক্ষণে শেষ হবে তা বের করি। এটা বের করা হয় নিম্নোক্ত সূত্র দিয়েঃ

Cycle Time, T= (I*)/Y = √(2K/HY )

মান বসিয়ে আমরা পাচ্ছি T= 0.02 Year বা 7.3 Day।

এখন আমরা আমাদের মোট খরচ কত হবে তা বের করতে চাই। এটা খুব সহজেই বের করা যায়ঃ

Total Cost, TC(I*)= √2KYH

মান বসিয়ে পাচ্ছি Total Cost= 31622.7766 $।

আচ্ছা আমরা তো অর্ডার দিচ্ছি,দিচ্ছি... কিন্তু একটা বিষয় আমরা চিন্তা করছি না যে অর্ডার আমরা কখন দেব? একটা অর্ডারের ফল শেষ হয়ে যাওয়ার পর নাকি তার আগেই?
যদি প্রথম অর্ডারের ফল শেষ হয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয় অর্ডার দেই তাহলে কি হবে? উমম... কিছুই হবে না শুধু আমাদের Production কিছু সময় বন্ধ রাখতে হবে! কেননা দ্বিতীয় অর্ডার যতক্ষণ আমাদের হাতে না আসছে ততক্ষন আমাদের হাতে কোন ফলই নেই। তাই আমরা বিগত অর্ডারের ফল শেষ হওয়ার আগেই নতুন অর্ডার দেব।
এই নতুন অর্ডার বিগত অর্ডারের ফল শেষ হওয়ার যতক্ষণ আগে দেওয়া হয় সেই সময় ব্যবধানকে বলা হয় Lead Time আর যে মুহূর্তে দেওয়া হয় তাকে বলা হয় Reorder Point।
(to be continued)

11/04/2016

The Countdown has started…

অবশেষে বহুল প্রতীক্ষিত ipetalks.com (version 2.0) Launch হতে যাচ্ছে। আইপিই পরিবারের ওয়েবসাইট টির এই ভার্সনে আসছে আগের ভার্সনের থেকে বেশ কিছু Upgradation. Outlook এ আসছে বড় ধরণের পরিবর্তন, থাকছে অসংখ্য নতুন Features.

Responsive UI এর মাধ্যমে পাওয়া যাবে যে কোন Device থেকে Browsing সুবিধা, Forum– Four Different Catagorized forum for communication of Current and Ex students, Full Online Database(Real time), Individual Account System– প্রত্যেক স্টুডেন্টের জন্য থাকছে আলাদা অ্যাকাউন্ট, Poll Creation- যার মাধ্যমে পাচ্ছেন যে কোন বিষয়ে Survey করার সুবিধা। More enriched Student’s Corner- সিলেবাস থেকে শুরু করে থিসিস পেপার; ক্লাস রুটিন থেকে শুরু করে বিগত সালের Question Solution সহ থাকছে আরও অনেক Essential Contents.

Searching Tool for Website and Forum, Highly Secured Interface, 20 GB Hosting যার ফলে পাচ্ছেন Unlimited File Sharing, এছাড়াও থাকছে Private Messaging, Group Messaging for All series, Post Privacy Customization, Tagging, Notifications, Portfolio সহ আরও অনেক নতুন Features.

বিস্তারিত আসছে…

07/04/2016

Inventory Control এর আদ্যোপান্ত (part 2)
by Debashis Datta

Manufacturing Model:
নাম থেকেই বোঝা যাচ্ছে যে এটা একটা উৎপাদন সংক্রান্ত মডেল। অর্থাৎ আমরা জুস উৎপাদন করব এই মডেল অনুসরণ করে।
প্রথমেই ধরে নেই আমরা প্রতিদিন ১০,০০০ লিটার পরিমাণ একই ধরনের জুস বানাব এবং একই সাথে ৮,০০০ লিটার পরিমাণ জুস ডেলিভারি দেব অর্থাৎ আমাদের Production Rate হল X=10000 Litre/Day এবং Consumption Rate হল Y=8000 Litre/Day। [একজন Manufacturer হিসাবে আমাদের অবশ্যই Production Rate কে Consumption Rate এর চেয়ে বেশী রাখতে হবে অর্থাৎ X>Y হতে হবে।]
এখন কোন কিছু বানাতে গেলে যে ঝামেলাটা প্রথমেই তৈরি হয় তা হল Cost (খরচ করতে কেই বা চায়? কিন্তু ওটা ছাড়াও যে চলবেনা!)। তো জুস বানাতে আমাদের কি কি Cost বহন করতে হবে? উমম... জুস বানানোর মেশিন এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতি কিনতে হবে এবং সেগুলো সেট করতে হবে, ফল কিনতে হবে এবং সেটা Inventory তে রাখতে হবে; মুলত এই দুটিই বড়সড় Cost । প্রথমটাকে আমরা বলব Setup Cost এবং পরেরটাকে বলব Holding Cost । তো ধরে নিলাম মেশিন কিনে সেট করতে আমাদের ১০০০ $ খরচ হয় এবং প্রতি একক ইনপুট বা আউটপুট Inventory তে রাখতে প্রতি দিন ৫ $ খরচ হয় অর্থাৎ আমাদের Setup Cost হচ্ছে K=1000 $/Order এবং Holding Cost হচ্ছে H=5 $/Unit/Day ।
এখন সর্বনিম্ন খরচের জন্য কি পরিমাণ আমদের Inventory রাখতে হবে সেটা বের করে ফেলি...

ধরি, I একক পরিমাণ Inventory তে রাখতে হবে অর্থাৎ Inventory Level হল I
এখন Optimum Amount of I বের করা হয় নিচের সূত্রটার সাহায্যেঃ

I*= √(2KY/(H(1-Y/X)))

তো এখান থেকে আমরা আমাদের Optimum Amount of Inventory পাই I*= 4000 Unit।

এই ৪০০০ একক Inventory তে কতক্ষণ রাখতে হবে তা বের করব নিচের সূত্রটা ব্যাবহার করেঃ

Cycle Time, T= I*/Y=√(2K/(HY(1-Y/X)))

মানগুলো বসিয়ে আমরা পাচ্ছি T= 0.5 Day বা, 12 Hour.

এখন এই প্রক্রিয়ায় আমাদের কত খরচ পরবে তা বের করা হয় নিম্নোক্ত সুত্রের সাহায্যেঃ

Total Cost Per Unit Time, TCU(I*)= √(2KYH(1-Y/X))

মান বসিয়ে আমরা পাচ্ছি TC(I*)= 4000 $/Day।

[সূত্রগুলো কিভাবে এসেছে তা তো বই খুললেই আমরা দেখতে পাব তাই ওইদিকে আর না যাই! :) ]

এখন আমাদের Selling Price কিন্তু অবশ্যই ৪০০০$ এর চেয়ে বেশী হতে হবে! এবং সে অনুযায়ী প্রতি ইউনিটের মূল্য ঠিক করতে হবে।

বিঃ দ্রঃ খেয়াল করলে দেখা যাবে আমি শুরুতেই বলেছি আমরা একই ধরণের জুস বানাব। কেন সেটা দেখা যাক এবার...যদি একাধিক ধরণের জুস বানাই তাহলে প্রতি ধরণের জুসের জন্য আলাদা আলাদা খরচ পরবে, ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণ ইনপুট দরকার হবে তাইনা? তখন প্রত্যেকটি ধরণের জন্য আলাদা আলাদা করে Optimum Inventory Level, Cycle Time এবং Total Cost বের করতে হবে!

(To be Continued)

( আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করছি কিছু লেখা বিশেষ করে সূত্রগুলো সঠিকভাবে দেখতে সমস্যা হওয়ার জন্য, ফেসবুক সাধারণত গানিতিক সূত্রগুলোকে ভগ্নাংশ আকারে দেখাতে পারে না! )

28/03/2016

Inventory Control এর আদ্যোপান্ত (part 1)
by Debashis Datta

Inventory অর্থ হল Stock বা মজুদ। সহজ ভাষায় ভবিষ্যতে ব্যাবহারের জন্য কোন কিছু মজুদ রাখাকেই আমরা Inventory বলে থাকি।

কোন কোম্পানি বা প্রস্তুতকারী (সিস্টেম) যখন তার প্রয়োজনীয় উপাদান (ইনপুট) অথবা প্রস্তুতকৃত দ্রব্য (আউটপুট) ভবিষ্যতে ব্যবহার অথবা বাজারজাতকরণ করার উদ্দেশ্যে একটা নির্দিষ্ট সময় ধরে মজুদ রাখতে চায়, তখন সেটাকে নিয়ন্ত্রন করার প্রয়োজন হয় যাতে একাধারে প্রয়োজনে তা ব্যাবহার করা যায় সাথে সাথে তার গুনগত মান ঠিক থাকে এবং সিস্টেমের Productivity বা উৎপাদনশীলতা না কমে।

উদাহরণস্বরূপ মনে করা যাক আমারা একটা জুস ফ্যাক্টরি স্থাপন করলাম। এখন জুস বানাতে হলে আমাদের মেশিন,ফল,চিনি ইত্যাদি লাগবে। এগুলো হল আমাদের ইনপুট যা আমরা তৈরি করতে পারি অথবা কিনে আনতে পারি। এখন সবকিছু সেটআপ করার পর আমরা উৎপাদন শুরু করব। একটা সময় পরে স্বাভাবিকভাবেই কোন একটা ইনপুট কম পড়তে পারে বা শেষ হয়ে যেতে পারে তখন আমরা আমাদের Inventory থেকে সেটা নিয়ে কাজ করব। এখন যদি Inventory তে কোন একটা ইনপুটও পরিমাণের চেয়ে কম থাকে তাহলে কি পরিমাণ উৎপাদন করা সম্ভব হবে অথবা নির্দিষ্ট পরিমাণ উৎপাদনের জন্য কি পরিমাণ ইনপুট প্রয়োজন হবে?

আবার Inventory তে থাকা কোন একটা ইনপুটের গুনগত মানও যদি খারাপ হয় তাহলে কি পরিমাণ মানসম্পন্ন উৎপাদন করা সম্ভব হবে অথবা নির্দিষ্ট পরিমাণ মানসম্পন্ন উৎপাদনের জন্য কেমন কোয়ালিটির ইনপুট প্রয়োজন হবে?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর নির্ভর করে কয়েকটি বিষয়ের উপর যেমন প্রোডাক্টের কোয়ালিটি কেমন, কত সময় Inventory তে রাখা হয়েছে, কি পরিমাণ চাহিদা আছে বাজারে, Production Rate বা উৎপাদন হার কত, Consumption Rate বা ব্যাবহারের হার কত ইত্যাদি।
এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের আগে Inventory এর কিছু থিওরি বা মডেল সম্পর্কে জানতে হবে।

প্রথমেই চিন্তা করা যাক যে আমরা একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত জুস তৈরি করতে চাই যেখানে সব ফ্যাক্টর নির্দিষ্ট থাকবে, কোন Probability অর্থাৎ সম্ভাব্যতার ক্ষেত্র আমাদের ধর্তব্যের বাইরে অর্থাৎ উৎপাদন হবে কিনা বা সময়মত ডেলিভারি দেওয়া যাবে কিনা ইত্যাদি বিষয়ে নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত থাকবে। এই ধরনের মডেলকে বলা হয় Deterministic Model । আর সম্ভাব্যতা হিসাব করে যে মডেলগুলো দেওয়া হয় সেগুলো হচ্ছে Probabilistic Model ।
ইন্টারনেটে একটু সার্চ করলেই অনেকগুলো Deterministic Model পাওয়া যাবে, আমরা মুলত প্রধান কিছু মডেল নিয়ে আলোচনা করব।
(to be continued)

23/03/2016

Lean নিয়ে লাফালাফি!! (part 1)
by MD. Ahasanul Haque Parosh

বর্তমান পৃথিবীতে প্রায় সকল ইন্ডাস্ট্রি যে সকল কমপ্লেক্স প্রব্লেম ফেইস করছে তার মাঝে অন্যতম হল “Limited Resource but Unlimited Human Wants”।
তাই তাদের অন্যতম লক্ষ্য হল যথাসম্ভব Waste কমানো যাতে করে Productivity বাড়ানো সম্ভব হয়। Lean এর ধারণা প্রধানত এখান থেকেই আসে যেন কোন একটি System এর Waste সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখা যায় এবং সাথে সাথে Product এর মানও ঠিক থাকে। তাই সাধারণত বলা যায় Lean হল কোন একটি Product/Service এর মান Value বাড়ানোর একটা টেকনিক।
ইন্টারনেট ঘাঁটলে Lean এর ইতিহাস খুব সহজেই পাওয়া যাবে তাই এর ইতিহাস নিয়ে না ঘেঁটে বরং ব্যাপারটি নিয়ে আলোচনা করা যাক।
Lean একটা System কে ডেস্ক্রাইব করে যেমন Customer কি চায়, কখন চায় ইত্যাদি এবং সাথে সাথে যাতে System এর Waste সব থেকে কম হয় ফলে Efficiency সর্বোচ্চ হতে পারে। অল্প কথায় “More Value with Less Work”।

Lean for Production and Services:

Lean সম্পর্কে খুব সাধারণ ধারণা হল যে এটি শুধু উৎপাদন শিল্পের সাথে জড়িত!! কিন্তু এটি একদম ভুল ধারণা। বরং এটি যেকোনো ধরণের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রয়োগ করা যেতে পারে। এমনকি কেউ চাইলে নিজের দৈনন্দিন জীবনেও খুব চমৎকার ভাবে Lean এর প্রয়োগ করতে পারে। রাস্তার পাশে ছোট্ট চায়ের দোকান থেকে নিয়ে Google এর মত বিশাল Organization পর্যন্ত এমনকি Bank, Hospital ইত্যাদি সকল জায়গায় Lean এর ব্যবহার রয়েছে।

Value:

Lean এর Concept ভাল ভাবে বুঝতে হলে সবার প্রথমে Waste সম্পর্কে খুব পরিষ্কার ধারণা থাকা আবশ্যক। আর Waste খুঁজে বের করার আগে আমাদের Value ব্যাপারটা বুঝতে হবে।
তাই এখন প্রশ্ন হচ্ছে What is Value???

কেতাবি সংজ্ঞায় না গিয়ে খুব সাধারণ ভাবে বলা যায় “Value হচ্ছে তাই যার জন্য Customer টাকা পে করে থাকে।“ উদাহরণ দিলে ব্যাপারটা স্পষ্ট হবে। ধরা যাক x কোম্পানি ১০০ টা Product বানিয়ে ১০ টি বিক্রি করেছে যার প্রতিটির মূল্য ১ টাকা। আর বাকি ৯০ টি স্টোর করে রেখেছে। এখন স্টোরে এই Product গুলো দেখভাল করে রাখতে নিশ্চয়ই ওই কোম্পানির খরচ হচ্ছে। Customer কিন্তু এর জন্য কোন পে করবে না। সে ওই আগের ১ টাকাই পে করবে। তাই দেখা গেল Product স্টোর করে রাখা টা এ ক্ষেত্রে Product এর Value বাড়াতে পারল না। কিন্তু “ওয়াইন” স্টোর করে রাখলে এর স্বাদ বাড়ে, ফলে দামও বাড়ে। সে ক্ষেত্রে স্টোর করে রাখাটা কিন্তু Value বাড়াল।

কোন একটা System এর সকল ধরণের কাজ গুলোকে প্রধানত ৩ ভাগে ভাগ করা যায়।

১) Value Added Activities: Customer এর চাহিদা অনুযায়ী Raw Material কে উপযুক্ত Product এ রূপান্তরের কর্মকাণ্ড গুলোই হল Value Added Activities. উদাহরণ সরূপ বলা যায় Customer খুব স্বচ্ছ গ্লাস দিয়ে বানানো চশমা চায়! তো তার জন্য কিন্তু খুব ভাল মানের গ্লাস দিয়ে চশমা টা বানাতে হবে।এতে ইন্ডাস্ট্রির খরচ বাড়লেও কিন্তু এটি একটি Value Added Activity। কারণ ভাল গ্লাস এর জন্য Customer পে করবে।

২) Non Value Added Activities: যে কাজ গুলো Customer এর চাহিদা অনুযায়ী Product তৈরিতে কোন ভূমিকা রাখে না এদের কে Non Value Added Activities বলা হয়। যেমন Assembly Line এ গাড়ি তৈরির সময় তাকে এক স্টেশন থেকে অন্য স্টেশনে নিয়ে যেতে হয়। এতে কিন্তু সময় এবং অর্থ দুই ই খরচ হচ্ছে। এতে গাড়ির মানের কিন্তু কোন উন্নতি হচ্ছে না!! আর তাই Customer এর জন্য কোন পে ও করছে না। তাই এটি একটি Non Value Added Activity। সাধারণত এই গুলোকেই Waste বলা হয়ে থাকে।

৩) Necessary Non Value Added Activities: এই কাজ গুলো একটু ব্যতিক্রমী ধরণের। Customer এর Perspective থেকে এই কাজ গুলো Non Value Added হলেও Product তৈরিতে এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। যেমন বলা যায় Product এর Quality Inspection এর কথা। Quality Inspection না করে Product বাজারে ছাড়লে তাতে খারাপ Product বাজারে চলে যাবার সম্ভাবনা থাকে। আর একবার খারাপ Product বাজারে গেলে সে কোম্পানির উপর Customer দের বিশ্বাস চলে যাবে। ফলে তারা আর ঐ Product কিনবে না। এতে কোম্পানির অনেক বড় ক্ষতি হবে। তাই দেখা গেল Quality Inspection কোন একটা Product এর value না বাড়ালেও সেই Product বাজারজাত করণে অনেক বড় ভূমিকা পালন করে।
(to be continued)

05/02/2016

ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং এ ক্যারিয়ার:

(contents arranged by M. Fakhrul Islam J***y)

নেতৃত্বগুন, দূরদৃষ্টি সবসময় কর্মক্ষেত্রে সবসময় ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। একটি প্রতিষ্ঠানের পুরোটার চিত্র নিজের মধ্যে তৈরি করে তার ভেতরকার কাজ কর্ম সহ আনুষাঙ্গিক অন্যান্য বিষয়ের উপর জ্ঞান এবং তদানুযায়ী নতুন নতুন অভিনব চিন্তার প্রয়োগ পেশাদারি মঞ্চে খুব প্রয়োজনীয় একটি ব্যাপার। একজন ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারের কাজের জায়গা মূলত এখানেই।
একটা বিশাল বড় ইন্ডাস্ট্রিকে সফলতা এনে দেয়ার জন্য শুধু মাত্র একটি দুটি জিনিস গুরুত্বপূর্ন তা নয়। বরং সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা থেকে শুরু করে, কর্মকর্তা কর্মচারীদের সুযোগ সুবিধা, কর্মক্ষেত্রে তাদের অবদান এবং সুযোগ, তাদের বিনোদন সব কিছুই অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত একটি সফল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে দাঁড় করানোর জন্য।
বাংলাদেশের ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয় কর্মক্ষেত্রেও ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারদের ব্যাপক চাহিদা। এ দেশীয় প্রেক্ষাপটে নতুন নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তৈরি হচ্ছে প্রতিনিয়ত। শুধু তাই নয়, নতুন প্রযুক্তি আর দ্রুত অগ্রসরমান পৃথিবীর সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হলে নিজের দেশের ইন্ডাস্ট্রিগুলোকেও হতে হবে শক্তিশালী। আর একটা প্রতিষ্ঠানের সাফল্য ব্যর্থতা সব কিছুর মাপকাঠি হয়ে দাঁড়ায় তার সামগ্রিক কর্মকাণ্ডের উপর। সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছাড়া সাফল্য অর্জন অনেক কঠিন। আর পরিকল্পনার ক্ষেত্রে প্রয়োজন বেশ কিছু বিষয় সম্পর্কে সম্যক ধারনা। যেমন মানুষের মনস্তত্ত্ব, সময়ের প্রভাব ইত্যাদি। একজন ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারকে শুধু মাত্র পন্যের মান নিয়ে চিন্তা করলে হচ্ছে না বরং পুরো প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক অবস্থা, সেখানে কর্মচারীদের মধ্যকার অবস্থা সব কিছু নিয়ে কাজ করতে হয় থাকে।
বর্তমান সময়ে প্রকৌশল শিক্ষার প্রভাব পৌঁছে গেছে সারা বিশ্বে। আমাদের দেশও এই বলয়ের বাইরে নয়। আর অসংখ্য প্রকৌশল শিক্ষার ভেতরেও কিছুটা ভিন্ন ধরনের প্রকৌশল শিক্ষা এই ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং। নেতৃত্বগুন, সাবলীল চিন্তাভাবনা আর সৃষ্টিশীল মনোভাব এ পেশায় একজন মানুষকে এনে দিতে পারে অবারিত উন্নতি। আর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারদের ক্যারিয়ার উদাহরন হিসাবে টিকে আছে আকর্ষনীয় জীবনের। দেশে এবং দেশের বাইরে দু ক্ষেত্রেই সুযোগের অবারিত দুয়ার রয়েছে খোলা

09/11/2015

What is Lean Supply Chain?
Lean supply chain and inventory management enable Businesses to improve efficiency and increase profits. As firms look to reduce waste, increase turns and be more flexible with their inventory, management professionals have attempted to identify how lean techniques can be adopted to build flexible and collaborative inventory.
“Lean” refers to a systematic approach to enhancing value in a company’s inventory by identifying and eliminating waste of materials, effort and time through continuous improvement in pursuit of perfection.
Building & maintaining a lean inventory management revolves around six main attributes:
1. Demand management
2. Costs and waste reduction
3. Process standardization
4. Industry standardization
5. Cultural change
6. Cross-enterprise collaboration
The benefits of adopting lean inventory management practices are clear: reduced stock keeping unit (SKU) counts and inventory levels, increased use of standards in processes and materials, improved collaborations and a general reduction in cost of goods sold when compared to companies that do not use lean principles.
More firms are implementing lean inventory management techniques to reduce costs, improve flexibility and have more time to focus on their customers. Current references shows that nearly 30% of companies are adopting lean principles in their inventory management.

12/08/2015

subject Review : IPE
আইপিই (ইন্ড্রাসটিয়াল অ্যান্ড
প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং)
হয়তো এখনো বাংলাদেশের
মানুষের কাছে সিভিল,
ইলেক্ট্রিক্যাল, কম্পিউটার কিংবা
মেক্যানিকাল মতো
ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্ট খুব
বেশি পরিচিতি পায় নি। আমার এই
অল্প পরিসরে আমি অসংখ্য মানুষ
পেয়েছি যারা দাঁত মুখ খিঁচিয়ে,
ভুরু নাচিয়ে, বিশাল ধরণের একটা
প্রশ্নবোধক তৈরি করে তাকায়......
“এইডা আবার কী!”
একটু পেছনে ফিরে তাকাই, আমাদের
মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর শিক্ষার
ধারা অনুযায়ী সবচেয়ে জনপ্রিয়
বিষয়গুলোর মধ্যে ইঞ্জিনিয়ারিং
ও ডাক্তারী শীর্ষে। রূঢ় হলেও
অনস্বীকার্য সামাজিক অবস্থান এবং
চাকরি আর ভবিষ্যৎ-ই এখানকার
একমাত্র নিয়ামক। শীর্ষ
মেধাবীদের আনাগোনা থাকলেও
বিগত কিছু বছরের হিসেব কিন্তু ওলট-
পালট করে দেয় অনেক কিছুই, একজন
বিবিএ কিংবা এমবিএ করা
শিক্ষার্থী থেকে কিন্তু আক্ষরিক
অর্থে একজন ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ
করা ছেলে কিংবা মেয়ে অনেক
বেশি জানে, সমস্যাটা দাঁড়ায়
অন্যখানে। অনেক কিছু জানবার পরও
যখন ইন্টারভিউ বোর্ডে
পাশাপাশি দু’জনকে আমরা পাই,
দেখি চমৎকার স্মার্ট বিবিএ/
এমবিএ করা ছাত্র/ছাত্রীটি
দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে হারিয়ে
দিলো ইঞ্জিনিয়ারিং এর
মেধাবীকে। হয়তো এর পিছনের
কারণ, আমরা শিখি অনেক কিছুই,
কিন্তু বলতে পারি না তার সিকি
ভাগই, কিন্তু তার তুলনায় সেই
বিবিএ/এমবিএ করা মানুষটি যতটুকুই
জানুক সেটা প্রকাশে দুর্দান্ত
ধরণের চৌকস, আর চাকরী?? কার
দিকে পাল্লা ভারী বলতে হয় এখন?
আমাদের দেশের ইঞ্জিনিয়ারদের
অনেক কিছুই শেখানো হয়,
শেখানো হয় কী করে মেশিন
তৈরি করতে হয়, কী করে মেশিন
কাজ করে, তবে সত্যি কথা হলো,
আমাদের দেশে কিন্তু বড়ো বড়ো
মেশিন তৈরি করা থেকে বাইরে
থেকে সেগুলো কিনে এনে তার
সাহায্যে প্রোডাকশনের দিকেই
জোর দেয়া হয়। ভেঙ্গে বলতে
গেলে আমাদের দেশের যারা ৫/১০
কোটি টাকা দিয়ে বাইরে
থেকে একটা মেশিন কিনে আনেন,
তারা সেটার কমিশনিং (Setup) এর
জন্য বাইরে থেকেই সাহায্য পান।
কিন্তু সেই মেশিনটি ব্যবহার করে
কী করে আমরা প্রোডাকটিভিটি
(উৎপাদনশীলতা) বৃদ্ধি করতে পারি,
সেটা কিন্তু পান না। কী করে
একটা ফ্যাক্টরির লে-আউট তৈরি
করতে হয়, যাতে সবচেয়ে কম Material
Movement দিয়ে কী করে
প্রোডাকশন করা যায়। ঠিক কতজন
লোক ব্যবহারে Optimum খরচ হবে।
ঠিক কী করে কাজ করলে,
প্রসেসগুলো ঠিক করলে আমরা
কোয়ালিটি বাড়িয়ে Product
Defect কমাতে পারবো, সেটা কেউ
বলে না।
আর এখানেই আইপিই আলাদা, শুধু
ইঞ্জিনিয়ারিং শেখানো না,
শিক্ষাটাকে কী করে আরেকজনের
কাছে তুলে ধরতে হবে, কী করে
নিজেকে আরেকজনের সামনে
প্রেজেন্ট করতে হবে, কী করে
তৈরি করতে হবে দুর্ধর্ষ প্ল্যানিং,
ইন্ডাস্ট্রির Process, Layout, Manpower
আর Limited Resource নিয়ে কী করে
দুর্দান্ত সেটাপ দিয়ে একটা
অসাধারণ প্ল্যান করে ফেলা যায়
সেটাই আইপিই শেখায়।
ইঞ্জিনিয়ারিং আর ম্যানেজমেন্ট-
এর ব্রিজ হিসেবে কাজ করে আইপিই।
আর সেই কারণেই আপনি যদি একজন
মানুষের মধ্যেই ইঞ্জিনিয়ারিং এর
দুর্দান্ত কৌশল আর ম্যানেজমেন্টের
সুক্ষ্ণ হিসেব নিকেশ পেয়ে যান,
কেন আপনি আলাদা করে দুজন কে
হায়ার করবেন??
টিমওয়ার্ক এখন যেকোন ইন্ডাস্ট্রির
এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। যেকোন
প্রজেক্টে কাজ করতে হলে এগিয়ে
আসতে হবে নিজস্বভাবনা, বোধ আর
আইডিয়া নিয়ে, আর টিমকে লিড
করার ক্ষমতা না থাকলে কিন্তু
অনেক কিছুই বিফলে মারা যাবে!
টিমের মধ্যে কাজটাকে ভাগ করে
নেয়া, কে কোন অংশটা করবে,
প্রজেক্টের ম্যানেজ কে করবে, কী
করে টাইমলাইনের মধ্যে কাজটা
নামানো যাবে, এইসব ভাবনা
কিন্তু একজন টিমলিডারকেই ভাবতে
হয়, আর একজন ইঞ্জিনিয়ার ছাড়া এইসব
ভাবনা কার উপর সঁপে দিয়ে শান্তি
পাওয়া যায় বলো?? আর সে যদি হয়
আইপিই ইঞ্জিনিয়ার?? তাহলে তো
সোনায়-সোহাগা!! স্মার্টনেস আর
মানুষজনের সাথে যত বেশি
ইন্টারঅ্যাকটিভ হতে পারবে, যত
নিজেকে express করতে শিখবে ততই
তুমি ইন্ডাস্ট্রির একজন অপরিহার্য
হয়ে উঠতে পারবে! Production Process
Control, Lean Sigma, Quality Control, Zero
Defect, Just In Time, Time Study, Supply
Chain Management, Safety Engineering,
Ergonomics….বাকি সবাই যখন জব
লাইফে যেয়ে এইসব শব্দের সাথে
পরিচিত হয়, তখন আইপিই
ইঞ্জিনিয়াররা মুখ টিপে
হাসে...... “এগুলো তো পড়েই
এসেছি!!”
আমাদের আইপিই ইঞ্জিনিয়াররা
আছে BATB, Unilever, Nestle, Chevron,
Lafarge Surma, Grameen Phone,
Banglalink সহ অসংখ্য
মাল্টিন্যাশনালে আছে আমাদের
আইপিই ইঞ্জিনিয়াররা। দেশের
বাইরে আছে Yahoo!, Intel এর মতো
বিশাল সব ইন্ডাস্ট্রিতে,
Optimization এর দুর্দান্ত সব যাদু
(বাকিদের কাছে নাকি তাই মনে
হয়!) দেখিয়ে ইন্ডাস্ট্রিকে এগিয়ে
নিয়ে যাচ্ছে অন্য উচ্চতায়!!
তাই আমন্ত্রণ রইলো আইপিইতে আসার।
কারন, IPE = Innovative, Proactive,
Efficient!

17/06/2015

six sigma(part 1)
সিক্স সিগমা কী ও কেন?
by M. Fakhrul Islam J***y

আমাদের প্রতিদিনের কাজে আমরা কিছু না কিছু ভুল করেই ফেলি। আর সেই ভুল
যদি হয় ব্যবসায় তাহলে তার জন্য আমাদের গুনতে হয় কোটি কোটি টাকার মাসুল। মাঝে মাঝে আমরা নিজেরাই মনে করি, এটুকু
ত্রুটি হয়তো এই কাজে এড়ানোটা অসম্ভব। কখনো ভাগ্যকে দোষ দেই, আবার কখনো বা পরিস্থিতিকে। কিন্তু আমরা কি কখনো
ভেবে দেখেছি, কতটুকু সময় আমরা ব্যয় করি একটি কাজ নির্ভুলভাবে করার সমাধান খুঁজতে? বহু বছর আগে থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে কাজের মান উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করা হয়েছে যেমন কন্ট্রোল চার্ট,লিন, কেইজান ইত্যাদি।
তারই ধারাবাহিকতায় এখনকার নতুন ও সবচেয়ে জনপ্রিয় কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট এপ্রোচ 'সিক্স সিগমা'।
প্রতিযোগিতার এই যুগে, আমরা চাই কাস্টমারকে সবচেয়ে কম খরচে সবচেয়ে
বেশি সুবিধা দিতে। আর খরচ কমাতে অথবা লাভের খাতা ভারী করতে হলে
কাজ করতে হবে নির্ভুলভাবে। নির্ভুলভাবে
কাজ সমাধা করার একটি সহজ ও ফলপ্রসূ মেথড হচ্ছে সিক্স সিগমা।
সিক্স সিগমা একটি কোম্পানিকে গাইড করে,
কীভাবে একটি কাজ সমাধান করা যায় সবচেয়ে কম ত্রুটি নিয়ে যার অবশ্যম্ভাবী ফলাফল 'কাস্টমার সেটিসফেকশন'।
অন্যান্য কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট-এর মতো
সিক্স সিগমারও কিছু মৌলিক কার্যপ্রণালি
আছে, যেমন
_ ম্যানেজমেন্টের
সাপোর্ট নিশ্চিত করা
_ কোম্পানির সবচেয়ে
গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলো আগে
সমাধান করা
_ সমস্যা বা ত্রুটি
সমাধানে টিম গঠন করা,
যেখানে থাকবে
চ্যাম্পিয়ন, ব্ল্যাক বেল্ট,
গ্রিন বেল্ট ইত্যাদি
_ ডিমাইক (উগঅওঈ) এপ্রোচ
অনুসরণ করা
_ ট্রেনিং-এর মাধ্যমে
টিমকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করা
সিক্স সিগমা টার্গেট করে প্রতি ১০ লাখ কাজে ৩.৪টি ভুল। একটি কাজ বা প্রসেসে
ভুল যত বাড়তে থাকে,
সিগমার মানও তত কমতে
থাকে। সিগমার মানের
সাথে সঙ্গতি রেখে সিক্স
সিগমার নাম নাম রাখা
হলেও, এই এপ্রোচের মূল
লক্ষ্য একটি প্রতিষ্ঠানের লাভের প্রবৃদ্ধি ।
কাদের জন্য সিক্স সিগমা
সিক্স সিগমার শুরুটা হয়েছিল মটোরোলা
কোম্পানির মাধ্যমে আশির দশকের মাঝামাঝি। এই কোম্পানির মার্কেট শেয়ার যখন ৯০% থেকে ১০% এ নেমে আসে, তখন ম্যানেজমেন্ট খুঁজতে থাকে
এই অবস্থা থেকে উত্তরণের উপায়। যার ফলশ্রুতি আজকের সিক্স সিগমা। পরবর্তীতে
বিভিন্ন সেক্টরের অসংখ্য প্রতিষ্ঠান সিক্স সিগমার মাধ্যমে লাভবান হয়েছে।
বাংলাদেশে সিক্স সিগমা নতুন হলেও বেশ কিছু ম্যানুফেকচারিং ও সেবাদানকারী
প্রতিষ্ঠান সিক্স সিগমা নিজেদের কোম্পানিতে
শুরু করেছে যার মধ্যে টেলিকম, গার্মেন্টস,
সিমেন্টও স্টিল ম্যানুফেকচারিং প্রতিষ্ঠান অন্যতম। সিক্স সিগমা কনসালটেন্সি, ট্রেনিং ও সার্টিফিকেশন এসটিসিতে প্রশিক্ষণরত
শিক্ষার্থীদের ওয়ার্কশপ বাংলাদেশে সিক্স
সিগমা যদিও একটি নতুন নাম তার পরও কিছু প্রতিষ্ঠান সিক্স সিগমার প্রশিক্ষণ শুরু করেছে। যার মধ্যে অন্যতম নাম এসটিসি
বাংলাদেশ (স্ট্রাটেজিক ট্রান্সফরমেশন কনসালটেন্টস অফ বাংলাদেশ)। গত এক বছর ধরে এই প্রতিষ্ঠানটি সিক্স সিগমা কনসালটেন্সি ও প্রশিক্ষণ নিয়ে নিয়মিত
কাজ করে আসছে।

Want your school to be the top-listed School/college in Patgram?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Patgram