Sukran Ya Rabbi

Sukran Ya Rabbi

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sukran Ya Rabbi, Writer, Panchagarh.

08/04/2026

ঈদের সময় ঘরে ফেরার আনন্দ 😘
বিরক্তিকর জার্নি কে হার মানায় যখন প্রিয় মানুষের মুখগুলো দেখতে পাই 🌸

08/04/2026

সোনালী অতীত 🫠

01/02/2026

যেকোনো হালাল বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ইস্তিখারা করুন!
ইস্তিখারা কী?
ইস্তিখারা অর্থ হলো—
আল্লাহর কাছে কল্যাণ চাওয়া।
*যখন আমরা কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে দ্বিধায় পড়ি (বিয়ে, চাকরি, ব্যবসা, পড়াশোনা, কোথাও যাওয়া ইত্যাদি), তখন আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতেই ইস্তিখারা করা হয়।

ইস্তিখারা কেন পড়তে হয়?
কারণ—
- আমরা ভবিষ্যৎ জানি না
- কোনটা আমাদের জন্য ভালো, কোনটা খারাপ—তা শুধু আল্লাহ জানেন
তাই ইস্তিখারার মাধ্যমে আমরা বলি:
“হে আল্লাহ, আপনি জানেন, আমি জানি না—আমার জন্য যেটা ভালো সেটাই করে দিন।”

*ইস্তিখারা কখন পড়বেন?*
- যেকোনো হালাল বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে
- ফরজ বা হারাম বিষয়ে ইস্তিখারা নেই

ইস্তিখারা কীভাবে পড়তে হয়?
১. ভালোভাবে অজু করবেন
২. দুই রাকাত নফল নামাজ পড়বেন
(ফরজ নামাজের সাথে মিলাবেন না)
৩. নামাজ শেষে ইস্তিখারার দোয়া পড়বেন
৪. দোয়ার সময় নিজের প্রয়োজনের কথা মনে মনে বলবেন

▫️ ইস্তিখারার দু'আ:

কোন কাজে ভালো মন্দ বুঝতে না পারলে, মনে ঠিক-বেঠিক, উচিত-অনুচিত বা লাভ-নোকসানের দ্বন্দ্ব আল্লাহর নিকট মঙ্গল প্রার্থনা করতে দুই রাকআত নফল নামায পড়ে নিম্নের দুআ পঠনীয়।

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْتَخِيرُكَ بِعِلْمِكَ ، وَأَسْتَعِينُكَ بِقُدْرَتِكَ ، وَأَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ الْعَظِيمِ ، فَإِنَّكَ تَقْدِرُ وَلا أَقْدِرُ ، وَتَعْلَمُ وَلا أَعْلَمُ وَأَنْتَ عَلامُ الْغُيُوبِ ، اللَّهُمَّ إِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هَذَا الأَمْرَ () خَيْرٌ لِي فِي دِينِي وَمَعَاشِي وَعَاقِبَةِ أَمْرِي وَعَاجِلِهِ وَآجِلِهِ ، فَاقْدُرْهُ لِي وَيَسِّرْهُ لِي ثُمَّ بَارِكْ لِي فِيهِ وَإِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هَذَا الأَمْرَ شَرٌّ لِي فِي دِينِي وَمَعَاشِي وَعَاقِبَةِ أَمْرِي وَعَاجِلِهِ وَآجِلِهِ فَاصْرِفْهُ عَنِّي ، وَاصْرِفْنِي عَنْهُ ، وَاقْدُرْ لِيَ الْخَيْرَ حَيْثُ كَانَ ، ثُمَّ رَضِّنِي بِهِ

উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস্‌তাখীরুকা বিইলমিকা অ আস্‌তাক্‌দিরুকা বি কুদরাতিকা অ আসআলুকা মিন ফায্বলিকাল আযীম, ফাইন্নাকা তাক্‌দিরু অলা আক্‌দিরু অতা’লামু অলা আ’লামু অ আন্তা আল্লা-মুল গুয়ূব। আল্লা-হুম্মা ইন কুন্তা তালামু আন্না হা-যাল আমরা ( ) খাইরুল লী ফী দীনী অ মাআ’শী অ আ’কিবাতি আমরী অ আ’-জিলিহী অ আ-জিলিহ, ফাক্‌দুরহু লী, অ য়্যাসসিরহু লী, সুম্মা বা-রিক লী ফীহ। অ ইন কুন্তা তা'লামু আন্না হা-যাল আমরা শাররুল লী ফী দীনী অ মাআ’শী অ আ’-কিবাতি আমরী অ আ’-জিলিহী অ আ-জিলিহ, ফাস্বরিফহু আন্নী অস্বরিফনী আনহু, অক্বদুর লিয়াল খাইরা হাইসু কা-না সুম্মা রায্বযিনী বিহ।

অর্থঃ হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি তোমার নিকট তোমার ইলমের সাথে মঙ্গল প্রার্থনা করছি। তোমার কুদরতের সাথে শক্তি প্রার্থনা করছি এবং তোমার বিরাট অনুগ্রহ থেকে ভিক্ষা যাচনা করছি। কেননা, তুমি শক্তি রাখ, আমি শক্তি রাখি না। তুমি জান, আমি জানি না এবং তুমি অদৃশ্যের পরিজ্ঞাতা। হে আল্লাহ! যদি তুমি এই ( ) কাজ আমার জন্য আমার দ্বীন, দুনিয়া, জীবন এবং কাজের বিলম্বিত ও অবিলম্বিত পরিণামে ভালো জান, তাহলে তা আমার জন্য নির্ধারিত ও সহজ করে দাও। অতঃপর তাতে আমার জন্য বৰ্কত দান কর। আর যদি তুমি এই কাজ আমার জন্য আমার দ্বীন, দুনিয়া, জীবন এবং কাজের বিলম্বিত ও অবিলম্বিত পরিণামে মন্দ জান, তাহলে তা আমার নিকট থেকে ফিরিয়ে নাও এবং আমাকে ওর নিকট থেকে সরিয়ে দাও। আর যেখানেই হোক মঙ্গল আমার জন্য বাস্তবায়িত কর, অতঃপর তাতে আমার মনকে পরিতুষ্ট করে দাও।

প্রথমে (هَذَا الأَمْرَ) ‘হা-যাল আমরা এর স্থলে বা পরে কাজের নাম নিতে হবে অথবা মনে মনে সেই জ্ঞাতব্য বিষয়ের প্রতি ইঙ্গিত করতে হবে।

সে ব্যক্তি কর্মে কোনদিন লাঞ্ছিত হয় না, যে আল্লাহর নিকট তাতে মঙ্গল প্রার্থনা করে, অভিজ্ঞদের নিকট পরামর্শ গ্রহণ করে এবং ভালো-মন্দ বিচার করার পর কর্ম করে। (বুখারী ৭/ ১৬২, আবু দাউদ ২/৮৯, তিরমিযী ২/৩৫৫, আহমাদ ৩/৩৪৪)।

ইস্তিখারার পর কী হবে?
• স্বপ্ন দেখা জরুরি নয়।
• মন যেদিকে স্বস্তি পায়
• কাজটি সহজ হয়ে যায় বা দূরে সরে যায়
—এভাবেই আল্লাহ সিদ্ধান্ত স্পষ্ট করেন

বিশ্বাস রাখুন
ইস্তিখারার পর আল্লাহ যা ঘটাবেন—
সেটাই আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো।

আল্লাহ আমাদের সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার তাওফিক দিন।
©

Photos from Sukran Ya Rabbi's post 28/01/2026

ফুলের মতো পবিত্র হোক
বলতে না পারা স্বপ্ন গুলো 🤍

19/10/2025

وَاعۡتَصِمُوۡا بِحَبۡلِ اللّٰہِ جَمِیۡعًا وَّلَا تَفَرَّقُوۡا ۪ وَاذۡکُرُوۡا نِعۡمَتَ اللّٰہِ عَلَیۡکُمۡ اِذۡ کُنۡتُمۡ اَعۡدَآءً فَاَلَّفَ بَیۡنَ قُلُوۡبِکُمۡ فَاَصۡبَحۡتُمۡ بِنِعۡمَتِہٖۤ اِخۡوَانًا ۚ وَکُنۡتُمۡ عَلٰی شَفَا حُفۡرَۃٍ مِّنَ النَّارِ فَاَنۡقَذَکُمۡ مِّنۡہَا ؕ کَذٰلِکَ یُبَیِّنُ اللّٰہُ لَکُمۡ اٰیٰتِہٖ لَعَلَّکُمۡ تَہۡتَدُوۡنَ


তোমরা সকলে আল্লাহ্ র রজ্জু দৃঢ়ভাবে ধর আর পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না। তোমাদের প্রতি আল্লাহ্ র অনুগ্রহ স্মরণ কর : তোমরা ছিলে পরস্পর শত্রু আর তিনি তোমাদের হৃদয়ে প্রীতির সঞ্চার করেন, ফলে তাঁর অনুগ্রহে তোমরা পরস্পর ভাই হয়ে গেলে। তোমরা তো অগ্নিকুণ্ডের প্রান্তে ছিলে, আল্লাহ্ তা হতে তোমাদের রক্ষা করেছেন। এইরূপে আল্লাহ্ তোমাদের জন্যে তাঁর নিদর্শনসমূহ স্পষ্টভাবে বিবৃত করেন যাতে তোমরা সৎপথ পেতে পার।

—আলে ইমরান - ১০৩

16/10/2025

✨ ইস্তিগফারের শক্তি ✨

🌹 আমি একটি সত্য ঘটনা শেয়ার করতে চাই, কীভাবে ইস্তিগফার (আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা) এক বোনের জীবনে পরিবর্তন এনেছিল।

❤️‍🩹 তিনি বহু বছর ধরে জাদু এবং অজানা বাঁধার কষ্টে ভুগছিলেন। এক রাতে তিনি একটি স্বপ্ন দেখলেন—সূরা আল-বাকারাহ তাঁর সামনে উপস্থিত হলো এক মহিলার রূপে, যিনি কালো আবায়া ও হিজাব পরিহিতা। তাঁর পাশে দেয়ালে লেখা ছিল ❝শান্তি❞ এবং চেয়ারে লেখা ছিল ❝স্বস্তি❞। তিনি বুঝলেন, এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে বার্তা, সূরা আল-বাকারার সাথে দৃঢ়ভাবে যুক্ত থাকার জন্য।

🍂 কিন্তু যখন তিনি তা ধারাবাহিকভাবে করতে পারছিলেন না, তখন শুরু করলেন এক নতুন যাত্রা—প্রতি রাতে ১,০০০ বার ইস্তিগফার...🌼

💝 শীঘ্রই তিনি বরকতময় স্বপ্ন দেখতে শুরু করলেন—এরই মধ্যে একবার স্বপ্নে এক ব্যক্তি তাঁকে বললেন: ❝আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করেছেন।❞

🌺 এরপর থেকে তাঁর ইবাদতের দরজা খুলে গেল, তিনি প্রতি ৩ দিনে একবার পুরো কুরআন শেষ করতে সক্ষম হলেন। এর পর তিনি নবী করীম ﷺ-কে স্বপ্নে দেখলেন—একবার নয়, বরং ১৪ বার!
সুবহানাআল্লাহ...💚

🌿 তিনি বললেন, তিনি নিম্নলিখিত দরুদটি পাঠ করছিলেন—

❝আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম ওয়া বারিক ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ❞

🌷 তিনি এটিকে প্রতিদিনের অভ্যাস বানালেন এই নিয়তে যে, তিনি নবী ﷺ-কে স্বপ্নে দেখতে চান, আর আল্লাহ তাঁর এই ইচ্ছাকে কবুল করলেন।

🌻 ইস্তিগফার ও সূরা আল-বাকারাহ চালিয়ে যেতে যেতে তিনি শারীরিকভাবেও আরোগ্য লাভ করতে লাগলেন, তাঁর দেহ থেকে জাদুর প্রভাব সরে যেতে থাকল। বহু বছরের কষ্টের পর তাঁর জীবন সম্পূর্ণ বদলে গেল। জীবনে নতুন অধ্যায় শুরু হলো— তিনি একটি ছোট ব্যবসা শুরু করলেন, আর আল্লাহর বরকতে তা ক্রমেই বড় হতে লাগলো, সাফল্য লাভ করলো...🌸

✅ তাঁর গোপন রহস্য হচ্ছে—

◾ ইস্তিগফার
◾ কুরআন
◾ রাসূল ﷺ-এর ওপর দরুদ
◾ধৈর্য ও নেক নিয়ত

🌹 এই ঘটনা থেকে আমরা শিক্ষা পাই—

➡️ ইস্তিগফার আল্লাহর রহমতের দরজা খোলে।
➡️ কুরআন হলো শিফা অর্থাৎ আরোগ্যের উৎস।
➡️ দরুদ আমাদেরকে রাসূল ﷺ-র কাছে নিয়ে যায়।
➡️ ধৈর্য ও নেক নিয়ত সফলতার চাবিকাঠি।

🌷 তাই কখনো ইস্তিগফার থামিও না—এটি হতে পারে তোমার শিফা (আরোগ্য), রিজিক, বিবাহ এবং হৃদয়ের প্রশান্তির চাবিকাঠি.....💖

✍🏻

✅ বি:দ্র: কপি বা শেয়ার করুন, অনুমতি লাগবে না। তবে নামটা কেটে দিবেন না কেউ ❌

13/10/2025

স্ত্রী গরমে ঘেমে অনেক সময় নিয়ে চা-নাস্তা বানিয়ে নিয়ে এসেছে।
শ্বশুর, শাশুড়ি সবাই বসে খাচ্ছে।
স্বামী চায়ে চুমুক দিয়ে বিরক্ত হয়ে বলছে,
“নাহ, এখনও তুমি মা’র মত চা বানাতে শিখলে না। কতবার বললাম মা’র কাছ থেকে দেখো কতখানি লিকার দিতে হয়।
মা! ওকে দেখিয়ে দিয়েন তো কীভাবে চা বানাতে হয়।”

— এ হচ্ছে #লুমাযাহ।
> এরা সুযোগ পেলেই মানুষের মুখের উপর তার বদনাম করে।
> কারও কোনো দোষ ধরার সুযোগ পেলে সহজে ছেড়ে দেয় না।
> সারাদিন একে ধমকানো, ওকে খোঁচা মারা, একে গালি দেওয়া, ওকে ব্যঙ্গ করা, এগুলো হচ্ছে এদের স্বভাব।
> এদের নিজেদের দোষের কোনো শেষ নেই।
নিজের দোষ ঢাকার জন্য এরা সবসময় অন্যের দোষ নিয়ে ব্যস্ত থাকে।

এদের জিভ হচ্ছে একটা #ধারালো_অস্ত্র।
এই অস্ত্র দিয়ে সারাদিন এরা একের পর এক মানুষের হৃদয় ক্ষতবিক্ষত করতে থাকে।
..
আত্মীয় বেড়াতে এসেছে।
গল্প করার ফাঁকে জিজ্ঞেস করলো, “আপনার মেয়ে কেমন আছে? ওর বাচ্চাগুলো ভালো আছে?”
মা উত্তর দিলেন, “গত সপ্তাহে শুনলাম ওরা অসুস্থ। দেখি শুক্রবারে ফোন করলে বুঝতে পারবো কী অবস্থা?”

আত্মীয় অবাক হয়ে বললেন, “শুক্রবারে? আপনার মেয়ে প্রতিদিন আপনাকে ফোন করে না?
আমার মেয়ে প্রতিদিন সকালে ফোন করে সবার আগে আমার খোঁজ নেয়।
আপনি এত কষ্ট করে মেয়ে বড় করে বিয়ে দিলেন, আর মেয়েটা আপনাকে দিনে একটা ফোনও করতে পারে না?”

মা আমতা আমতা করে বললেন, “না, না, ব্যাপারটা সেরকম না।
ও ঘর-সংসার, চাকরি নিয়ে অনেক ব্যস্ত থাকে।
প্রতিদিন কি আর ফোনে কথা বলা যায়?”

আত্মীয় তার নিজের মেয়ের সাথে আরও কিছু তুলনা করে চলে গেলেন।
তারপর মা সারাদিন #বিষণ্ণতায়_ভুগলেন আর বাবা’র কাছে অভিযোগ করতে থাকলেন,
“দিনে একটা ফোনও করতে পারে না? এই মেয়ের জন্য আমি রক্ত পানি করেছি? একে আমি নয় মাস পেটে ধরেছি?
নিজের বাবা-মা’র থেকে ওর সংসার আজ বেশি বড় হয়ে গেলো?”

—সেই আত্মীয় হচ্ছে #হুমাযাহ।
> এরা মানুষে-মানুষে সম্পর্ক বিষিয়ে দিতে পেশাদারি দক্ষতা অর্জন করেছে।
> এদের বিষাক্ত জিভের ছোবলে সুখী পরিবারের মধ্যেও মুহূর্তের মধ্যে আগুন ধরে যায়।
..
হুমাযাতিল লুমাযাহ হচ্ছে এমন এক ধরনের মানুষ,
• যে অন্যকে তুচ্ছ, তাচ্ছিল্য করে।
• মানুষের দিকে তাচ্ছিল্য ভরে আঙ্গুল দেখায়।
• চোখের ইশারা করে ব্যাঙ্গ করে।
• কারও চরিত্রের কোনো দিক নিয়ে ব্যঙ্গ করে।
• কারও মুখের উপর তার বিরুদ্ধে মন্তব্য করে।
• কারও পেছনে তার দোষ বলে বেড়ায়।
• এর নামে ওর কাছে কথা লাগায়।
এটা তারা একবার দুইবার করে না।
এমন করে তাদের অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে।

এরা হচ্ছে হুমাজাতিল লুমা যাহ।
এদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা।
#আল্লাহুম্মাগ- ফিরলী।

11/10/2025

একান্ত প্রিয় বস্তু হারিয়ে গেলে যে দু‘আ পড়বে

۞ اِنَّا لِلّٰهِ وَاِنَّا اِلَيْهِ رَاجِعُوْنَ. اَللّٰهُمَّ أْجُرْنِيْ فِـيْ مُصِيْبَتِيْ. وَاَخْلِفْ لِيْ خَيْرًا مِّنْهَا

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজি‘ঊন, আল্লাহুম্মা’ জুরনী ফী মুসী বাতী ওয়া আখলিফলী খইরম মিনহা।

নিঃসন্দেহে আমরা আল্লাহ তা‘আলারই জন্য এবং আল্লাহ তা‘আলারই দিকে ফিরে যাব। হে আল্লাহ ! আমাকে আমার মুসিবতের উপর সওয়াব দান করুন, আর যে জিনিস আপনি আমার নিকট থেকে নিয়ে গিয়াছেন তা থেকে উত্তম জিনিস আমাকে দান করুন।

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর স্ত্রী হযরত উম্মে সালামাহ (রাযি) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে ইরশাদ করতে শুনেছি, যে বান্দার উপর কোন মুসীবত আসে এবং সে এই দু‘আ পড়ে নেয়, আল্লাহ তা‘আলা তাকে উক্ত মুসিবতে সওয়াব দান করেন এবং হারানো জিনিসের বিনিময়ে তা অপেক্ষা উত্তম জিনিস দান করেন।
হযরত উম্মে সালামাহ (রাযি) বলেন, যখন হযরত আবূ সালামাহ (রাযি) এর ইন্তেকাল হয়ে গেল তখন আমি এইভাবে দু‘আ করলাম যেভাবে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে এই দু‘আর হুকুম দিয়েছেন। আল্লাহ তা‘আলা আমাকে আবূ সালামাহ থেকে উত্তম বদল দান করলেন। অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে আমার স্বামী বানিয়ে দিলেন।

22/09/2025

ইনশাআল্লাহ

21/09/2025

"নিশ্চয়ই ফজরের কুরআন (ফজরের নামাজ) সাক্ষ্যযুক্ত।" এর অর্থ হলো, ফজর নামাজে আল্লাহ ও ফেরেশতারা উপস্থিত থাকেন।
সূরা বনি ইসরাঈল-: ৭৮

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ জামাতে আদায় করবে, সে যেন সারা রাত জেগে ইবাদত করল।" (সহিহ মুসলিম)।
#বরকত #ফজর

19/09/2025

"আল ওয়াজিদু"

বৃহস্পতিবার আছরের পর ১০০ বার পাঠ করুন
"আল ওয়াজিদু" এটি আল্লাহর ৯৯টি নামের মধ্যে একটি, যার অর্থ "তিনিই যিনি যা চান তা খুঁজে পান" বা "যিনি সবকিছুর অস্তিত্ব দিতে পারেন"।
এই নামের তাৎপর্য হলো আল্লাহ সবকিছুই বিদ্যমান রাখেন এবং তিনি যা ইচ্ছা তাই দিতে পারেন।

তাৎপর্য:
অস্তিত্বের মালিক: আল্লাহ 'আল ওয়াজিদু' হওয়ায় তিনি এমন সত্তা যিনি যা ইচ্ছা তা সৃষ্টি করতে পারেন এবং সবকিছুকেই অস্তিত্বে আনতে পারেন।
সৃষ্টির ক্ষমতা: এই নামের মাধ্যমে আল্লাহর সৃষ্টি করার অসীম ক্ষমতা বোঝানো হয়। তিনি যেমন প্রয়োজন অনুসারে সবকিছু তৈরি করতে পারেন, তেমনি যা চান তা খুঁজে বের করতে পারেন।

সর্বজনীন প্রাপ্তি: এই নামের অর্থ দ্বারা বোঝানো হয় যে, যা কিছু প্রয়োজন, তা আল্লাহর কাছেই পাওয়া যায়। তিনি সবকিছুই খুঁজে পান এবং দিতে পারেন।

আমল (আমল বা আমল করার পদ্ধতি):
"আল ওয়াজিদু" নামটি জিকির বা দোয়া হিসেবে পাঠ করা হয়।
খাবার খাওয়ার সময় এই নাম বা এর সাথে সম্পর্কিত দোয়া পাঠ করলে তা এক প্রকার আমল হিসেবে বিবেচিত হয়।
এই নামটির মাধ্যমে আল্লাহর অসীম ক্ষমতা ও অস্তিত্বের উপর বিশ্বাস স্থাপন করা হয়।

Category

Culinary Team

Attire

Website

Address


Panchagarh

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sukran Ya Rabbi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Subscribe

We will notify you when anything happens in Panchagarh.