MD R.I RAKIB

MD R.I RAKIB

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from MD R.I RAKIB, Writer, Teprigonj Debigonj, Panchagarh.

❥❥━──➸➽❂❥❥━──➸➽💕
MD R.I RAKIB—শব্দ আমার অস্ত্র, গল্প আমার জগত। এখানে কল্পনা ছুঁয়ে যায় বাস্তবকে, প্রতিটি লাইনে জেগে ওঠে অনুভূতির স্পর্শ। হৃদয়ছোঁয়া গল্প পেতে এখনই ফলো করুন।
❥❥━──➸➽❂❥❥━──➸➽💕

11/09/2026

“You’re still my favorite thought. ❤️”

05/08/2025

দেশ আজ স্বাধীন-মুক্ত
আমরা বিজয়ী
আলহামদুলিল্লাহ

23/04/2025

দেবীগঞ্জে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল থেকে পড়ে মাহিন্দ্র গাড়ির ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু।

17/01/2025

#গল্পের_নামঃ #রাগী_বেষ্টনী_যখন_বউ
#পর্ব--- ০১ #কাহিনী ও লেখনীতে:
রংপুর শহরের এক কোণায় ছিমছাম একটা জায়গায় আমরা থাকি। নাম নীল, আর আমি ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি। আমার দিনগুলো বেশ শান্তভাবেই চলত, কিন্তু সব এলোমেলো হয়ে গেল যখন রুহি আমার জীবনে এলো।
সকালের শুরু
সকালে মিষ্টি একটা হাওয়ার সাথে ঘুম ভাঙল। তবে হাওয়া যতই মিষ্টি হোক, আমার মেজাজটা একটু গরম। কারণ ঘুম ভাঙার সাথে সাথেই মা এসে বলল—
মা: "নীল, তাড়াতাড়ি উঠ! কলেজে দেরি হয়ে যাবে। আর আজকে তো টেস্ট এক্সাম আছে।"
নীল: "ওহ মা! আজকেই কি এক্সাম দিতে হবে? একটু দেরি হলে কী হবে?"
মা কিছু না বলে আমার মাথায় একটা গামছা ছুড়ে দিয়ে চলে গেল। বাধ্য হয়ে উঠে পড়লাম। তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে বাইরের দিকে তাকাতেই দেখলাম রুহি কলেজের জন্য রিকশার অপেক্ষা করছে।
নীল (মনে মনে): "আজকেও শুরু হবে রুহির ঝগড়া, আর সেটা শুনতে শুনতেই দিনটা যাবে।"
রিকশা নিয়ে তার পাশে এসে দাঁড়ালাম।
নীল: "চল, তাড়াতাড়ি উঠ। নাহলে দেরি হবে।"
রুহি: (রাগী গলায়) "তুই কে যে আমাকে তাড়াতাড়ি করতে বলছিস? আমি তোকে কিছু বলেছি? নিজের কাজ কর।"
আমি কিছু না বলে হেসে উঠলাম। তার এই রাগী স্বভাবটাই আমাকে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ করে।
কলেজে পৌঁছানো
কলেজে গিয়ে দেখি সবাই ব্যস্ত টেস্ট এক্সামের জন্য নোট তৈরি করতে। কিন্তু আমার মন পড়ে আছে রুহির দিকে। ক্লাসের মাঝখানে বসে আমি বারবার তার দিকে তাকাচ্ছি। হঠাৎ সে চোখ তুলে আমার দিকে তাকাতেই আমি তাড়াতাড়ি অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে নিলাম।
রুহি: "কী হলো, নীল? তোর নোট তৈরি হয়ে গেছে নাকি যে আমার দিকে এত তাকাচ্ছিস?"
নীল: "না, আসলে একটা প্রশ্ন নিয়ে কনফিউজড ছিলাম। ভাবলাম, তোকে জিজ্ঞেস করি।"
রুহি: "কোন প্রশ্ন? যা নিয়ে পড়াশোনা না করে শুধু তাকিয়ে থাকা শিখেছিস।"
আমি লজ্জা পেয়ে চুপ হয়ে গেলাম। রুহি আবার পড়ায় মন দিল।
বিরতির সময়
বিরতির সময় রুহি তার বান্ধবীদের নিয়ে ক্যান্টিনে গেল। আমি দূর থেকে দেখলাম। কিন্তু হঠাৎ তার সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম।
নীল: "শুন, তুই এত রাগী কেন? মানুষ একটু মজা করবে, সেটা নিয়েও তুই রাগ করিস।"
রুহি: "তুই না নীল, আমার সাথে এভাবে কথা বলিস না। আর আমার রাগ নিয়ে তোর মাথা ঘামানোর দরকার নেই।"
নীল: "ঠিক আছে, রাগ কমা নিয়ে কোনো ট্রেনিং থাকলে আমাকে জানাস। কারণ আমি তোর রাগ সহ্য করতে করতে ক্লান্ত।"
রুহি কিছু বলল না, শুধু একটা ঠান্ডা দৃষ্টি দিয়ে চলে গেল।
দিনশেষে
কলেজ শেষে বাসার পথে রুহির পাশে হেঁটে যাচ্ছি। আমি তাকে একটু শান্ত করার চেষ্টা করছি।
নীল: "রুহি, তুই জানিস, রাগী মানুষগুলোই নাকি সবচেয়ে বেশি কেয়ারিং হয়। তুইও কি তেমন?"
রুহি: (একটু মুচকি হেসে) "যদি সেটা জানতেই পারতিস, তাহলে এত প্রশ্ন করতে হতো না।"
তার এই হাসি দেখে আমি বুঝলাম, তার রাগের আড়ালে লুকিয়ে আছে এক গভীর ভালোবাসা। মনে মনে ভাবলাম, "এই মেয়েটার জীবনে জায়গা করে নিতে পারলে জীবনটা পুরোপুরি বদলে যাবে।"
চলবে... (

নতুন নতুন গল্প পেতে আমাদের গ্রুপে জয়েন করুন 👇
༺𝙲𝙸𝚃𝚈 𝙾𝙵 𝚄𝙽𝙺𝙽𝙾𝚆𝙽 𝚂𝚃𝙾𝚁𝚈༻ ❤ https://facebook.com/groups/417159624396475/

11/01/2025

নব্বইয়ের দশক—একটা সময়, যখন জীবন ছিল সহজ, আনন্দ ছিল সহজলভ্য। কাঁচা গান, সাদামাটা সিনেমা, গ্রামীণ মেলা, আর সরলতার মিশেলে ভরা ছিল সেই দিনগুলো। প্রযুক্তির বাহুল্য ছিল না, কিন্তু ছিল আন্তরিকতার গভীরতা। মানুষ হাতের চিঠিতে অনুভূতি বিনিময় করত, সন্ধ্যায় পাড়ার ছেলেমেয়েরা দল বেঁধে খেলত। টিভির পর্দায় ছিল "বেদের মেয়ে জোছনা" বা "চাচ্চু"-র মতো চলচ্চিত্রের জয়জয়কার।

যদিও আমি নব্বইয়ের দশকে জন্মাইনি, কিন্তু গল্প আর স্মৃতির মাধ্যমে সেই সময়টাকে জানার চেষ্টা করি। কতটা সুন্দর ছিল সেই দিনগুলো, তা কল্পনায় বুনে রাখি।

22/09/2024

দেশের মানুষ এখনও ইলিশের কেজি ২০০০ কোন কোন সময় ১৬০০ দিয়ে কিনে। আর তাদের অন্যদেশের প্রতি দরদ উত্থলে উঠে😡

04/06/2024

একদম 😀😀😀

03/06/2024

#সেই_রাতের_গল্প
পর্ব---২৩ ও শেষ
কাহিনী ও লেখনীতে: #মি_হাসিব



'চৈতি মুহূর্তেই পিছনে তাকিয়ে দেখে আরে
এইটাতো মিথিলা।

'ঠিক তখনি মিথিলা বলে উঠে।
তোকে আজ মেরেই ফেলবো? তোকে আমি বোনের মতো ভাবতাম আর তুই আমার সন্তান চুরি করতে
এসেছিস হ‍্যাঁ।

'আপু বিশ্বাস করো আমি চোর-না?
আমি তো এখানে এসেছি।

'চুপ আর একটিও কথা বলবিনা।
আমার স্বামী আমাকে সব কিছুই খুলে বলেছে।
তুই এখানে কেনো এসেছিস।

'আব্দুল তোমাকে সব মিথ্যা বলেছে।

'এইইই তোর এতো বড় সাহস আমার স্বামীর নাম
ধরে কথা বলিশ।

'আপু তোমার স্বামী একজন সন্ত্রাসী।
যে হাজার-হাজার মানুষ কে পৃথিবী থেকে সরিয়ে
দিয়েছে।
এছাড়া তোমার যেই সন্তানটি আছে।
সেই সন্তানটিও তোমার না।
ওই সন্তানটি হলো আমার।

'এই কথা শোনা মাত্রই মিথিলা আরো গরম হয়ে যায়।
কারন চৈতি ওর সন্তানের দিকে নজর দিয়েছে।

'সত‍্যি তুই আমার সন্তান কে চুরি করতে এসেছিস।
এইটা আমার বুঝা শেষ।
আমি চাই তুই এই মুহূর্তেই বাসা থেকে বেড়িয়ে যাবি।
নাহলে এখানেই তোর লাশ পরে থাকবে।

'নাহ আমি আমার সন্তান এবং বাবাকে নিয়ে যাবো।

'বাবা মানে।

'আপনার স্বামী আমার বাবাকে কিডন‍্যাপ করেছে।
এবং আপনার কাছে আমার সন্তান আছে।

'এই সন্তান আমার।
কোনভাবেই তোর হতে পারেনা।

'মুহূর্তেই সেখানে আব্দুল উপস্থিত হয়ে বলে।
দেখছো মিথিলা এই সয়তান মেয়ে কতো সুন্দর অভিনয় করতে পারে।
তোমার যদি না বলতাম তুমি তো বিশ্বাসেই করতেনা।

'সেটাইতো।
শোন এইটাকে ঘার ধরে বাড়ির বাহিরে বের করে দাও।

'এখনি।

'হ‍্যা।
এই মুহূর্তেইইইই।

'বউয়ের মুখে কথাটি শোনা মাত্রই আব্দুল চৈতিকে ঘার ধরে বাড়ির বাহিরে নিয়ে আসে।
এবং বলতে থাকে।

'তোর জীবন এখানেই শেষ।
অনেক সুযোগ দিয়েছি তোকে আর নয়।

'প্লিজজজ আমার একটি কথা শোন।
আমার বাবা কে ছেড়ে দিয়ে আমাকে যা ইচ্ছে করতে পারিশ।

'তোর বাবাকে কালকে আসার সময়েই শেষ করে দিয়েছি এখন তোকে শেষ করবো।

'কথাটি বলা মাত্রই আব্দুল গুলিটি বের করে চৈতিকে সেখানেই শেষ করে দেয়।
আর বলতে থাকে।
আমাকে শেষ করা এতোটা সহজ নয়।
তোর মতো কতো লোক আসবে যাবে এই আব্দুলের
কাছে। কিন্তু কিচ্ছুই করতে পারবেনা।

হাহাহাহাহ। হাহহাহা।
হাহাহাহ।হাহাহাহহাহ।হাহাহহাহাহ।

'আসলে এই গল্পে একটি জিনিসেই বুজলাম। তুমি সৎ তোমার কোন মূল্য নেই।
তুমি সতোতার সঙ্গে থাকবে মানুষ তোমার ক্ষতি করবে। তুমি একজন দক্ষ পুলিশ অফিসার কিন্তু যখনি নেতাদের পিছনে লাগবে তখনি তুমি শেষ হয়ে যাবে।
যদি আজ চৈতি আব্দুলের পিছনে না লাগতো হয়তো সে আজ বেছে থাকতো।
এমনি চৈতির মতো অনেক লোক আছে যাদের কে নিমিষেই শেষ করে দেয়া হয়।
টাকা পয়সা যার আছে।
আইন শুধুমাত্র তার দিকেই থাকে।
এই দেশে একটা ধর্ষকের পক্ষে উকিল পাওয়া যায়।
কিন্তু র্নিদশের পক্ষে পাওয়া যায়না।
এটাই আমার সোনার বাংলাদেশ।

'গল্পটি এখানেই শেষ।
জানি আপনারা এ ভাবে শেষটি চাননি কিন্তু আমার হাতে বতর্মান সময় নেই।
আমি ডুয়েট চান্স নিচ্ছি সবাই আমার জন‍্যে দোয়া করবেন।
তবে হ‍্যা গল্প নিয়ে আসবো ইনশাআল্লাহ।

'ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন এবং আমাকে মনে রাখুন?

#সমাপ্তি #সমাপ্তি #সমাপ্তি

আল্লাহ্ হাফেজ।

নতুন নতুন গল্প পেতে আমাদের গ্রুপে জয়েন করুন 👇
༺𝙲𝙸𝚃𝚈 𝙾𝙵 𝚄𝙽𝙺𝙽𝙾𝚆𝙽 𝚂𝚃𝙾𝚁𝚈༻ ❤ https://facebook.com/groups/417159624396475/

19/05/2024

#সেই_রাতের_গল্প
পর্ব---২২
কাহিনী ও লেখনীতে: #মি_হাসিব



'এমন মুহূর্তে সেখানে চৈতির বাবা এসে
উপস্থিত হয়। যা দেখা মাত্রই আব্দুল ওনার মাথায় বন্ধুক তাকিয়ে ধরে।

'কি এইবার কোথায় যাবি।
অনেক কাহিনী করেছিস এখন সামনে আয়।

'বাবাকে এমন অবস্থায় দেখে চৈতিও ভিষন
ভয় পেয়ে যায়।
কারন আব্দুল কখন কি করে বসবে কেউ
বলতে পারেনা।

'এইইই তুই আমার বাবা কে ছেড়েদে।
বিনিময়ে যা চাইবি সেটাই পাবি।

'হাহাহ।হাহাহ।
এইতো লাইনে এসেছিস। সবার আগে তুই বাহিরে
আয়। তোর সঙ্গে আমার কিছু হিসাব আছে।

'আমার বাবাকে ছেড়ে দে।
তাহলেই বাহিরে যাবো।

'আরে আমি পাগল নাকি বল। তোর বাবাকে যদি ছেড়ে তুই কখনোই সামনে আসবিনা?
এটা আমি ভালো করেই জানি।

'ঠিক আছে আমি বাহিরে যাচ্ছি।
কথাটি বলে চৈতি যেইনা বাহিরে আসতে যাবে এমন মুহূর্তে ওর বাবা বলে উঠে।

'মারে তুই এখানে আসিসনা।
আমার মৃত্যু হলে হবে? তবুও এখানে আসবিনা।
এই সয়তান টাকে তুই শেষ করেই বাহিরে আসবি।

'কিন্তু বাবা তোমার কিচ্ছু হলে আমি কাকে নিয়ে
বাছবো বলো।

'আমি আর কয়দিন বাছবো বল।

'আচ্ছা বাবা তোমাকে একটি প্রশ্ন করি?
তুমি এখানে কিভাবে আসলে।

'তুই আমার মেয়ে তুই কোথায় থাকবি বা থাকবিনা এইটা আমি ভালো করেই জানি।
আমি প্রথম থেকেই জানি তুই এখানে থাকিস।

'ওহ।
কিন্তু তুমি এখানে একা আসলে কেনো।
আমাদের লোক জন কোথায়।

'ওরা সবাই আমাদের স্থানেই আছে।
আমি কি জানতাম এই সয়তানটা এখানে আছে।
যদি জানতাম তাহলে নিয়েই আসতাম তবাইকে?

'ঠিক আছে বাবা আমি বাহিরে আসতেছি।
আমি তোমার কিচ্ছু হতে দিবোনা।

'চৈতি আমার কছম তুই বাহিরে আসবিনা।
তুই এই সয়তান টাকে মেরে ফেলেই বাহিরে আসবি।
এইটা আমার প্রতিঙ্গা।

'বাবা এমন করে বলিওনা।
তোমার কিচ্ছু হতে দিবোনা আমি।

'চৈতির এবং ওর বাবার এমন কথা শোনার
পরে আব্দুল বলে।
দেখ তোদের নাটক দেখার মতো টাইম আমার হাতে নেই। এই জন‍্যে বলতেছি যদি বাহিরে আসিস তাহলে তোর বাবাকে ছেড়ে দিবো।
অন‍্যথায় এখানেই তোর বাবি শেষ-হবে।

'আব্দুলের এমন হুমকির পরেও।
কোন ভাবেই যখন চৈতি বাহিরে আসছিলানা।
তখন আব্দুল ওর বাবার পায়ে একটি গুলি করে।

'এখনো সময় আছে বাহিরে আয়।
নাহলে মাথার খুলি উরে দিবো।

'বাবার এমন করুন অবস্থা দেখে যেইনা চৈতি বাহিরে আসতে যাবে তখন আবার হাসিব বলে উঠে।

'জান এখন আমাদের বাহিরে যাওয়া যাবেনা।
এখন যদি বাহিরে যাই তাহলে ভাইয়া তোমাকে সহো তোমার বাবাকে হত‍্যা করবে।
এর থেকে ভালো হয় আমাদের ঠান্ডা মাথায় কিছু উপায় ভাবার।

'কি করবো এখন বলো।

'আব্দুল যখন তোমার বাবাকে গুলিই করেছে।
তুমি বলে দাও।
আব্দুল তুই আমার বাবাকে যা ইচ্ছে কর কিন্তু তোকে আমি মেরেই ফেলবো।
এতে আব্দুল তোমার বাবাকে নিয়ে এই স্থান থেকে পালিয়ে যাবে।

'বাহ সুন্দর একটি আইডিয়ি দিছো।

'আব্দুল তুই আমার বাবা কে যা খুশি করতে পারিস।
উনি আমার নিজের বাবা নয়।
কিন্তু আমি তোকে শেষ করেই ছাড়বো।
দরকার হলে দুজনকেই শেষ করে দিবো এখানে।

'চৈতীর কথায় আব্দুলের বুকটাও কেমন জানি
কম্পন দিয়ে উঠলো।

'তাই ঠিক আছে গুলি চালাও আমার উপরে।
দেখি তোর কতো সাহস।

'কথানি শোনা মাত্রই চৈতি তখন তাদের চার পাশে গুলি করতেছিলো। তখন আব্দুল ভেবেই নেয় সত্যি চৈতি গুলে করবে।
এর জন‍্যে ওর বাবাকে ব‍্যকাপ হিসেবে ব‍্যবহার করে এবং সেই স্থান থেকে মুহূর্তেই গায়েব হয়ে যায়।

'আব্দুলের এমন কাহিনী দেখে চৈতি মনে মনে ভাবছিলো আরে বোকা আমি তো এটাই চাচ্ছিলাম।

'এর পরে সবাই চলে যাওয়া মাত্রই চৈতি ও হাসিব সেই স্থানটি ত‍্যাগ করে।

'এই দিকে চৈতির এমন কাহিনী দেখে আব্দুল বেশ রাগান্বিত হয়ে যায়।
বুজতে পারছিলোনা কি করবে।
তবুও মাথাটি ঠান্ডা রেখে বাসায় চলে যায়।

'তো বাসায় ডুকার সঙ্গেই আবার একটি ধাক্কা খায়।
কারন চৈতি এবং হাসিব দুজনেই বাসায়।
এইটা দেখে আব্দুল নিজেকে কন্টল করতে না পেরে সোজা চৈতির কাছে গিয়ে যেইনা কিছু করতে যাবে
এমন মুহূর্তে মিথিলা চলে আসে(আব্দুলের বউ)

'এ দেখোনা তোমার ভাই এবং বোন হানিমুনে না গিয়ে
সোজা বাসায় চলে এসেছ।
ওদের নাকি ভালো লাগতে ছিলোনা আমাদের ছেড়ে যাওয়ার কারনে।

'ওহ।
তাহলে এখন কি করবে।

'হাসিব বলতেছে আমাদেরও নাকি যাইতে হবে ওদের সঙ্গে হানিমুনে।
তাহলেই ওরা যাবে।

'আরেনা আমাদের যাওয়া হবেনা।
কতো কাজ আমাদের।
ওদের পাঠাই দাও! যদি আরো টাকা লাগে দিবো সমস্যা নেই।

'আব্দুলের কথার মাঝেই চৈতি বলে উঠে।
ভাইয়া তোমার জুতায় কিসের রক্ত লেগে আছে।
দেখেই তো মনে হচ্ছে মানুষ রক্ত।

'কথাটি শুনে মুহূর্তেই আব্দুল রুমালটি বের করে
পায়ের রক্ত গুলা মুছতে লাগে।

'কিগো তোমার পায়ে কিসের রক্ত ই গুলা।
কোথায় গিয়েছিলে তুমি।(মিথিলা)

'আরে বলিওনা।
রাস্তা দিয়ে আসার সময় হয়তো লেগেছে।

'ওহ ঠিক আছে।
তুমি ফ্রেশ হয়ে আসো আমি খাবার রেডি করতেছি।
আমরাও কালকে ওদের সঙ্গে হানিমুনে যাবো।

'আমাদের যাওয়ার কি দরকার মিথিলা।
ওরাই ঘুরে আসুকনা।

'নাহ আমরাও ঘুরতে যাবো।
সেই কবে ঘুরতে গিয়েছিলাম "এর পরে আর
যাওয়া হয়নি।

'প্লিজজজ পরে।

'নাহ কলকে যাবো ওদের সঙ্গে।
এটাই ফাইনাল কথা।

'আচ্ছা ঠিক আছে যাবো।
খুশি তুমি।

'হ‍্যাঁ।

'এর পরে যখন রাত হয়।
তখন চৈতি চুপি সারে পুরা বাড়িতে ওর বাবাকে
খুজতে লাগে। কারন আব্দুল এই বাড়িতেই তার বাবাকে কোন একটী স্থানে লুকিয়ে রেখেছে।

'তো এক-এক করে সব রুম খোজার পরে
হঠাৎ কেউ একজন চৈতির মাথায় একটী লাঠি দিয়ে আঘাত করে।
মুহূর্তেই চৈতির ঙ্গান হারিয়ে যায়।

'পরবর্তীতে যখন চৈতির ঙ্গান ফিরে তখন চৈতি
দেখতে পায় যে আরে এটাতো****

পরবর্তী পর্ব এই MD R.I RAKIB পেজে পাবেন।


#আজকের পর্বটি ছোট্ট ছিলো😝

পরবর্তী পর্বের জন‍্যে অপেক্ষায় থাকুন।

পরবর্তী পর্ব পেতে আমাদের গ্রুপে জয়েন করুন 👇
༺𝙲𝙸𝚃𝚈 𝙾𝙵 𝚄𝙽𝙺𝙽𝙾𝚆𝙽 𝚂𝚃𝙾𝚁𝚈༻ ❤ https://facebook.com/groups/417159624396475/

16/05/2024

#সেই_রাতের_গল্প
পর্ব--২১
কাহিনী ও লেখনীতে: #মি_হাসিব



'জঙ্গলের মধ‍্যে হঠাৎ করেই চৈতি হাসিবকে
জরিয়ে ধরে কিস করতে থাকে।

'যেটার জন‍্যে হাসিব কোন ভাবেই প্রস্তুত ছিলোনা।
কিন্তু এখন আর কি করার।
হাসিব ও চৈতিকে সায় দেয়?

'বেশ কিছুক্ষন কিস করার পরে হাসিব বলে উঠে।
জান বলোনা আমারা কোথায় যাচ্ছি।
আমার খুব ভয় লাগতেছে।

'আরে পাগল চিন্তা করিওনা।
আমি থাকতে তোমার কিসের ভয় হ‍্যা। এই জঙ্গলের ভিতরে আমার একটি বাড়ি আছে।

'মানে।

'যখন আমি সমস্যায় পরি তখন সবার হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন‍্যে এই বাড়িতে চলে আসি।
আমি ছাড়া কেউ জানেনা এই বাড়ির কথা।

'তাই।
কিন্তু এখনতো আমি জানবো।

'হ‍্যাঁ তুমি তো আমার স্বামী তোমাকে তো জানাতেই হবে।
এছাড়া বাহিরে থাকা দুজনের পক্ষের অসম্ভব।
তোমার ভাই খুজে বের করবে।

'ওহ।
আচ্ছা চলো এখন।

'এর পরে দুজনে গল্প করতে-করতে সেই স্থানে
চলে আসে। কিন্তু হাসিব কোন ঘর বাড়ি খুজে পায়না।
তাই আবার জিঙ্গেস করে।

'চৈতি কোই তোমার বাড়ি।
এইটা তো নিস্তব্ধ স্থান।

'হাসিবের এমন কথা শুনেই চৈতি সেই স্থানের মাঠি গুলা সরিয়ে একটি গুপ্ত স্থান বের করে।

'এই এর ভিতরে ঢুকে পরো।

'আরে এইটাতো গর্ত।
এখানে কেনো ডুকবো হ‍্যা।

'এইটার ভিতরেই আসে আমার গুপ্ত স্থান বেশি কথা না বলে ভিতরে ডুকে পরতো।

'এর পরে হাসিব গর্তের ভিতরে ডুকার সঙ্গে-সঙ্গে বেশ
আশ্চর্য হয়ে পরে।
কারন এই গর্তের ভিতরে তো পুরাই রাজ প্রাসাদের মতো একটি বাড়ি তৈরি করা।

'আরে এইটা বাড়ি নাকি রাজ প্রাসাদ।
মাটির নিছে কিভাবে এমন বাড়ি তৈরি করলে হ‍্যা।

'পরে শুনিও।
আমার শরীর ভিষন ক্লান্ত আমি এখন একটু ঘুমাবো।
তুমি ও ঘুমিয়ে পরো।

'আচ্ছা আমারা এখানে খাবো কি।
খাওয়া দাওয়ার কি কোন ব‍্যবস্থা আছে হ‍্যা।

'প্লিজজজ হাসিব এই সম্পর্কে পরে কথা বলি।
এখন একটু ঘুমাই।

'ঠিক আছে জান।

'তো পরবর্তীতে দুজনেই ঘুমিয়ে পরে।
বেশ কয়েক ঘন্টা ঘুমানোর পরে। কারো চিৎকারের শব্দ পেয়ে চৈতির ঘুমটি ভেঙ্গে যায়।

'সঙ্গে-সঙ্গেঈ চৈতি সিসি ক‍্যামেরায় দেখতে পারে এটা আর কেউনা সয়ং আব্দুল এসেছে।
আর চিৎকার করে বলতেছে চৈতি আমার সামনে আয়। আমি জানি তুই এখানেই আছিস।

'এই সব দেখা মাত্রই চৈতি বুজে ফেলে আব্দুল এখানে গাড়িটা ট্রাক করেই এসেছে।
আব্দুলের এমন চিল্লাচিল্লি আওয়াজ শোনা মাত্রই চৈতি একটি রুমে গিয়ে বলে উঠে।

'হাহহহা। হাহাহহ। হাহাহাহ।
সাহস থাকলে আমাকে খুজে বের কর।

'চৈতির এমন কথা শোনা মাত্রই আব্দুল ও চিন্তায় পরে যায় কোন দিক থেকে আওয়াজটি আসতেছে।
কারন চৈতির আওয়াজটি চার দিক থেকেই আসতে ছিলো।

'সাহস থাকলে সামনে আয় আমার।

'তুই এক বাপেট সন্তান হলে আমাকে খুজে বের কর।
এছাড়া তোর আরো লোকজন নিয়ে আয়।

'লোকজন লাগবেনা আমি একাই যথেষ্ট তোর জন‍্যে।
শুধুমাত্র সামনে আয় একবার।

'আরে আমি তোর সামনেই আছি।
শুধুমাত্র খুজে বের কর।
তুইতো আমার ফাদে পা দিয়েছিস। এখন বের হবি কিভাবে এই স্থান থেকে।

'হাহাহ। হাহা। আহহাহ?
তুই আমার কিচ্ছু করতে পারবিনা।

'ঠিক আছে দেখ কি করতে পারি।

'চৈতির কথাটি শেষ হওয়ার সঙ্গে-সঙ্গে আব্দুলের দুইটি লোকের মাথার খুলি উরে যায়।
গুলির আঘাতে।

'যা দেখেই আব্দুল বেশ আশ্চর্য হয়।
এইটা কীভাবে সম্ভব।

'কী ভয় পেয়েছিস।
চিন্তা করিশনা তোকে আমি এখন মারবোনা। তোকে সময় দিচ্ছি তুই তোর সৈন‍্যদের নিয়ে আয় এখানে।

'তুই চাস কি।

'তোর মৃত্যু চাই আমি।
অনেক জালিয়েছিস আমাকে। যদি মৃত্যুটা একটু দেরিতে চাস তাহলে তোর সব লোকদের এখানে ডাক।
সঙ্গে তোর বউ-বাচ্ছাকেও ডাকবি।

'চৈতির কথা শোনা মাত্রই আব্দুল যখনি একটু সামনে এগোতে যাবে। এমন মুহূর্তে সেই স্থানে আবার গুলির শব্দ শুরু হয়।

'আর একটি পা সামনে দিলেই তুই
এখানেই শেষ হয়ে যাবি।

'আব্দুল ও ভয় ওখানেই থেমে যায়। এবং তার সব লোকদের এখানে আসতে বলে।

'বেশ কিছুক্ষন পরে লোক গুলা আসার সঙ্গে-সঙ্গেই চৈতি সবাইকে এক-এক করে মারতে থাকে।
এমনো মুহূর্তে হঠাৎ।

পরবর্তীতে পর্বেই গল্পটি শেষ হবে🤗

পরবর্তী পর্ব পেতে আমার গ্রুপে জয়েন করুন 👇
༺𝙲𝙸𝚃𝚈 𝙾𝙵 𝚄𝙽𝙺𝙽𝙾𝚆𝙽 𝚂𝚃𝙾𝚁𝚈༻ ❤ https://facebook.com/groups/417159624396475/

Category

Telephone

Address


Teprigonj Debigonj
Panchagarh
5020