Probity Health Service
Our main goal is to bring health services to the doorsteps
13/06/2025
⚠️ কোভিড-১৯ (২০২৫): বর্তমান পরিস্থিতি ও করণীয়
বর্তমানে COVID-Omicron XBB নামের একটি নতুন সাবভ্যারিয়েন্ট বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। এটি আগের রূপগুলোর তুলনায় অনেক বেশি ছোঁয়াচে এবং ধূর্ত। ফলে আমরা আবারও মাস্ক পরার অভ্যাসে ফিরে যাচ্ছি – নিজের এবং অন্যের নিরাপত্তার জন্য।
🦠 নতুন Omicron XBB ভ্যারিয়েন্টের সাধারণ লক্ষণসমূহ:
আগের মতো জ্বর বা কাশি সবসময় দেখা যায় না। লক্ষণগুলো বেশিরভাগ সময় একটু ভিন্ন ধরণের:
গলা ব্যথা
মাথাব্যথা
পিঠ ও গাঁটে ব্যথা
ক্ষুধা হ্রাস
দুর্বলতা
নিউমোনিয়ার লক্ষণ (কখনো কখনো উপসর্গ ছাড়াই)
> ❗ অনেক রোগী জ্বর বা ব্যথা ছাড়াই সংক্রমিত হন, কিন্তু এক্স-রেতে নিউমোনিয়া ধরা পড়ে।
⚠️ এটি কেন এত বিপজ্জনক?
XBB ভ্যারিয়েন্ট আগের ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের তুলনায় ৫ গুণ বেশি সংক্রামক।
এটি সরাসরি ফুসফুসে আক্রমণ করে, যার ফলে দ্রুত নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে।
সাধারণ নাকের সোয়াব পরীক্ষায় এটি ধরা পড়ে না – অনেক সময় ভুল নেগেটিভ রিপোর্ট আসে।
✅ আপনার করণীয় কী?
জনবহুল এলাকা এড়িয়ে চলুন
অন্তত ১.৫ মিটার শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখুন
বাইরে গেলে উচ্চমানের মাস্ক (যেমন N95) ব্যবহার করুন
নিয়মিত হাত ধুয়ে ফেলুন
অপ্রয়োজনীয় ঘোরাফেরা থেকে বিরত থাকুন
---
🔴 এই Omicron XBB “ওয়েভ” পূর্বের যেকোনো ঢেউয়ের চেয়ে বেশি বিপজ্জনক হতে পারে।
তাই আমাদের সকলের উচিত:
সচেতন হওয়া, সতর্ক থাকা এবং দায়িত্বশীল আচরণ করা।
🛡️ নিজে নিরাপদ থাকুন, পরিবারকে সুরক্ষিত রাখুন।
😷 বাইরে গেলে মাস্ক পরতে ভুলবেন না।
📢 জনসচেতনতার জন্য পোস্টটি শেয়ার করুন।
26/01/2025
আপনি জানেন কি?
রাস্তায় হঠাৎ কুকুর আক্রমনের শিকার হলে কি করবেন বা প্রাথমিক কি কি পদক্ষেপ নিবেন ? কোন কোন মাসে কুকুরের আক্রমণের ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটে?
কুকুর কামড়ালে কি পেটে বাচ্চা হয়?
এরকম অনেক প্রশ্ন আমাদের মনে ঘুরপাক খায়।
আমরা অনেকে মনে করি কুকুর কামড়ালে পেটে বাচ্চা হয়
কুকুর কামড়ালে পেটে বাচ্চা হয় না এবং বাচ্চা হওয়ার প্রশ্নই আসে না। তবে কুকুর কামড়ালে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন । কারণ
র্যাবিসে আক্রান্তদের একটাই গন্তব্য, আর তা হচ্ছে মৃত্যু। তবে সব কুকুর কামড়ালেই র্যাবিস হবে তা কিন্তু নয়।
👉চলুন একটা গল্প শোনায় 👈
ছোট ভাই অয়ন মনের আনন্দে বাড়ির পাশে খেলা করছিল। হঠাৎ একটা পাগলা কুকুর তাকে আক্রমণ করে বসে। পায়ে এমনভাবে কামড়ে দেয় সেখান থেকে অনেকখানি মাংস উঠে যায়। তা দেখে এলাকাবাসী কুকুরের হাত থেকে তাকে রক্ষা করে। ছেলের ক্ষত দেখে বাবা-মা কান্নায় ভেঙে পড়ে। পাড়ার লোকে বুদ্ধি দেয় কবিরাজের কাছে নিয়ে যেতে। কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে কবিরাজ ঝার ফু দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। কয়েকদিন পর অয়ন জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত হয় এবং মারা যায়। এরকম ঘটনা আমাদের আসেপাশে প্রতিনিয়ত ঘটে যাচ্ছে
তাই কুকুরের আঁচড় বা কামড়ের পর দেরি না করে নিকটস্থ হাসপাতাল বা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে জলাতঙ্ক ও ধনুষ্টংকারের টিকা গ্রহণ করা উচিত। জলাতঙ্ক রোগের লক্ষণ প্রকাশ পেলে তা কিন্তু শতভাগ প্রাণঘাতী। এ রোগ একবার হলে মৃত্যু অবধারিত।
রাস্তায় হঠাৎ কুকুর আক্রমণ করলে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। কুকুর কাউকে আঁচড় বা কামড় দিলে অধিকাংশই শুধু জলাতঙ্কের কথা চিন্তা করে ভীত হন। কিন্তু জলাতঙ্কই নয়, ধনুষ্টংকারসহ বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া ঘটিত সংক্রামক রোগও ছড়াতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে জলাতঙ্ক যেমন প্রাণসংশয়ের কারণ হতে পারে, তেমনই আক্রান্ত স্থানে বিবিধ সংক্রমণ ছড়িয়ে সমস্যাকে আরও জটিল করতে পারে। তাছাড়া কুকুরের কামড় বেশ যন্ত্রণাদায়কও। দেশে কুকুরের আক্রমণের ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটে আগস্ট থেকে নভেম্বর মাসে। রাস্তাঘাটে কুকুরের আক্রমণের শিকার হলে ভীত না হয়ে কিছু প্রাথমিক পদক্ষেপ নিন। এসময় জরুরি কিছু বিষয় মাথায় রাখবেন।
24/01/2025
আপনি জানেন কি?
গর্ভাবস্থায় কি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর?
উল্টো পাল্টা খাবার কেনো
গর্ভের শিশুটির জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ ? এমন খাবার যেটি খেলে গর্ভপাত বা abortion হতে পারে সেটি খাচ্ছেন নাতো?
গর্ভাবস্থায় আপনার কোনো কোনো খাবারে অনেক বেশি রুচি আসতে পারে।আর তাই আপনাকে জানতে হবে গর্ভাবস্থায় কোন খাবার খাওয়া আপনার জন্য নিরাপদ?
আপনি কি অন্তঃসত্ত্বা?
চলুন একটা গল্প শোনায়
মিষ্টি একটা মেয়ে সাইমা টক খাবার খুব প্রিয় তার।বিয়ের পর সে যখন প্রথম গর্ভধারণ করে তখন একদিন তেঁতুলের সাথে কাঁচা পেঁপে মিশিয়ে খেয়ে ফেলে বেশ ভালো পরিমানেই। খাওয়ার পর পরই তার পেটে ব্যথা শুরু হয় এবং গর্ভপাত হয়ে যায়। হ্যাঁ এই রকম অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে যায় সাইমার মত অনেক মেয়েদের অজ্ঞতার কারণে। তাই গর্ভাবস্থায় একজন নারীর কী খাবার খাওয়া উচিৎ এবং কী খাবার খাওয়া উচিৎ নয় তা জানাটা জরুরি।
সুস্থ থাকার জন্য সব সময়ই সুষম খাদ্য খাওয়া উচিৎ। কিন্তু গর্ভাবস্থায় এটি আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। গর্ভের শিশুটি যাতে প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায় তা নিশ্চিত করতে হবে আপনাকেই। তাই পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে হবু মাকে। আবার এমন কিছু খাবার আছে যা গর্ভাবস্থায় খাওয়া নিরাপদ নয়।কথা না বাড়িয়ে চলুন তাহলে জেনে নিই গর্ভাবস্থায় একজন নারীর কি ধরণের খাবার খাওয়া উচিৎ এবং কোন খাবারগুলো এড়িয়ে চলা উচিৎ।
প্রেগন্যান্ট অবস্থায় যে খাবারগুলো খাওয়া উচিৎ :
ফল ও শাকসবজি
সবুজ শাকসব্জি তো অবশ্যই যে কোনও পুষ্টিকর খাদ্যতালিকার অন্যতম প্রধান উপাদান। এতে ফাইবার, ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, ভিটামিন এ,ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম থাকে
দিনে ৫ বার ফল ও ৭ বার সবজি খাওয়ার চেষ্টা করুন। ফলের চেয়ে শাকসবজি বেশি খান। জুস পান করতে পারেন। তবে এগুলোর সুগার ব্লাড সুগার লেভেল বৃদ্ধি করতে পারে এবং দাঁতেরও ক্ষতি করতে পারে। তাই এগুলো সীমিত পরিমাণে পান করাই ভালো। তাজা ফল ও সবজি খাওয়াই বেশি স্বাস্থ্যকর।
শর্করা জাতীয় খাবার
লাল চালের ভাত, রুটি, পাস্তা ইত্যাদি শর্করা জাতীয় খাবার আপনার প্রাত্যহিক খাদ্য তালিকায় রাখুন। শর্করা জাতীয় খাবার শরীরে এনার্জি প্রদানে সাহায্য করে।
প্রোটিন বা আমিষ জাতীয় খাবার
চর্বিহীন মাংস, মুরগী, ডিম, ইত্যাদি প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খান। প্রতিদিন ডিম মাস্ট। সপ্তাহে ২ দিন বা তারচেয়েও বেশি মাছ খাওয়ার চেষ্টা করুন। সারডিন, স্যামন এর মত তৈলাক্ত মাছ বা সামুদ্রিক মাছ সপ্তাহে ১ দিন খেতে পারেন। আমিষ জাতীয় খাবার গর্ভের শিশুর শরীরের নতুন টিস্যু গঠনে সাহায্য করে।
দুগ্ধজাত খাবার
দুধ, পনির, দই ইত্যাদি খাবারগুলো ক্যালসিয়ামের চমৎকার উৎস। এগুলোর চিনি ও ফ্যাটের পরিমাণ যেন কম থাকে সেটি খেয়াল করতে হবে। ফ্যাট জাতীয় খাবার শিশুর মস্তিষ্কের কোষ গঠনে সাহায্য করে।
আয়োডিন জাতীয় খাবার
অনেক মানুষের শরীরেই আয়োডিনের ঘাটতি থাকে। আয়োডিন এমন একটি খনিজ উপাদান যা শিশুর মস্তিষ্ক গঠনের জন্য অপরিহার্য। দুগ্ধজাত খাবার ও সামুদ্রিক খাবার আয়োডিনের চমৎকার উৎস।
সর্বোপরি যা প্রয়োজন তা হল প্রচুর পরিমাণে জল খাওয়া। শরীরকে যথাসম্ভব হাইড্রেটেড রাখা একান্ত প্রয়োজনীয়। গর্ভাবস্থায় রক্তের পরিমাণ ৪৫ শতাংশ বেড়ে যায়। তাই শরীরে পর্যাপ্ত জল থাকা খুব দরকার।
গর্ভাবস্থায় মায়ের শরীর অনেক বেশি কাজ করে। তবে সাধারণত প্রথম ৩ মাসে বাড়তি ক্যালোরির প্রয়োজন হয়না। সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে যখনই ক্ষুধাবোধ হবে তখনই খাবেন।
গর্ভকালীন সময়ে খাবার তালিকায় একই ধরনের খাবার বেশি রাখা ঠিক নয়। প্রতিদিনই বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিকর খাবার পর্যাপ্ত পরিমাণে রাখার চেষ্টা করতে হবে। এতে করে সব ধরনের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করা সহজ হবে। পাশাপাশি কোনো খাবারের প্রতি একঘেয়েমিও আসবে না।
গর্ভাবস্থায় আপনার কোনো কোনো খাবারে অনেক বেশি রুচি আসতে পারে। এমন খাবারের ক্ষেত্রেও এক সাথে বেশি করে খেয়ে ফেলবেন না। চেষ্টা করবেন পরিমিত পরিমাণে খেতে।
কারও কারও ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থায় খাবারে অরুচি হয়। আবার কখনো বমি বমি লাগে কিংবা বুক জ্বালাপোড়া করে ঠিক কি না বলেন। খেতে তেমন ইচ্ছা করে না। এমন ক্ষেত্রে তিনবেলা অনেকখানি করে খাবার না খেয়ে দিনে বারবার অল্প অল্প করে খেতে পারেন।
আপনি জানেন কি?
মেয়েদের মাসিক বা ঋতুস্রাবের সময় কি কি করতে হয়?
14/11/2023
কুকুর কামড় দিলে কি পেটে বাচ্চা হয়?
25/09/2022
সবাই সাবধান হই
ভিটামিন ডি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিডিওটি একবার হলেও দেখুন
খাদ্যে ফরমালিন দূর করতে করণীয়
01/04/2021
12/02/2021
প্রবিতি হেল্থ সার্ভিস এন্ড মেডিকেশন সেন্টারে
নিয়মিত রোগী দেখছেন
ডা. দেবাশীষ কর্মকার
ডিএমএফ( ঢাকা)
বিএমডিসি রেজি নংঃ- ডি-৮৩৯৯
জেনারেল প্রাকটিশনার
রোগি দেখার সময়ঃ প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত।
10/02/2021
প্রবিতি হেল্থ সার্ভিস এন্ড মেডিকেশন সেন্টার
স্থানঃ বেড়হাওলিয়া বাজার( ইউনিয়ন পরিষদ এর সামনে) ফরিদপুর, পাবনা।
ধন্যবাদ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Pabna
6650