Habibur Rahman
//আমরা মানুষকে বিচার করি তার কন্সাস মাইন্ডের
কর্মকাণ্ডে। কিন্তু সেটা মানুষের ছায়া 🙂//
17/03/2026
This is a pharaoh.👺
09/03/2026
পশ্চিমা মিডিয়ার খবর দেখে আমাদের মিডিয়া নিউজ করে। এসব মিডিয়ায় ইসরায়েলের কোন নিউজ পেয়েছেন কি? পান নাই।
কারণ সেখানে সাংবাদিক ঢোকা নিষিদ্ধ করেছে।
যে সকল সাংবাদিককে পেয়েছে তাদেরকে গ্রেফতার করেছে ইসরায়েল।
কিন্তু সত্য কোন দিন চাপা থাকে না। থাকবেও না।
ইরান কি কি করেছে দেখুন ---
ইসরায়েল ইরানের পানির লাইনে বোমা মেরেছে, ইরানও ইসরায়েলের পানির লাইনে মিশাইল মেরেছে।
ইসরায়েল আমেরিকা ইরানের হাজারেরও বেশি মানুষ মেরেছে। ইরানও ইসরায়েলে হাজারেরও বেশি মানুষ মেরেছে।
ইসরায়েল ইরানের তেলের ডিপোতে বোমা মেরেছে
ইরানও ইসরায়েলের হাইফাতে তেলের ডিপোতে মিশাইল মেরেছে।
এছাড়াও ইরান আর কি কি করেছে দেখুন ---
রুশ গোয়েন্দা সংস্থা থেকে জানানো হয়েছে -- ইসরায়েলে ৬জন জেনারেল, ১১ জন পরমাণু বিজ্ঞানী, ১টি পারমাণবিক স্থাপনা ধ্বংস সহ তিন দিনে নিহিত হয়েছে ১২০০ র বেশি মানুষ। এ সকল নিউজ সম্পূর্ণ হাইড করেছিল ইসরায়েল।
ইসরায়েল থেকে ফেরত আসা ভারতের একজন সাংবাদিক নাম ব্রজ মোহন সিং একটা ভিডিওতে বললেন -- ইসরায়েলের অবস্থা খুব খারাপ। মানুষ বাংকারের ভিতরও নিরাপদ থাকছে না, সেখানেও মিশাইলে মারা যাচ্ছে। হাসপাতালে যেতেই দিচ্ছে না সেখানের সরকার। ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে জানাতে দিচ্ছে না সরকার, উলটা মিথ্যা তথ্য দিচ্ছে মিডিয়াতে।
গতকাল ছিল আমেরিকার দ্বিতীয় ধাপের অভিযান - গতকালও ইরান জীবন্ত সব আমেরিকান সেনাকে গ্রেফতার করেছে।
এখন এটা পরিস্কার যে আমেরিকা আর পারছে না ইরানের সরকার চেইঞ্জ করতে। মাতালের মতো ধ্বংস যা করছে -- ইরান পুষে নিবে এক যুগ সময় পরে হলেও।
ইরানের স্পিকার সরাসরি বলেছেন -- ইরানের শাসন ব্যবস্থা ঠিক করবে ইরানের জনগণ, কোন এপ্সটিনের গ্যাং না।
আমরা ইরানের জন্য দোয়া করি, ইরান দীর্ঘজীবী হোক।
বারাকাল্লাহ ফিক
ওয়াফফাকাকাল্লাহ
নাসারাকাল্লাহ।
অথচ এরাই হচ্ছে জমিনে যাবতীয় বিপর্যয় সৃষ্টিকারী
09/03/2026
সম্ভবত আমরা ৩য় বিশ্বযু/দ্ধে প্রবেশ করে ফেলেছি!
রাশিয়া আর চায়না সরাসরি ঘোষণা দিয়েছে ইরানের পাশে আছে। ইরানের ছোঁড়া মিসাইলগুলো টার্গেট হিট করতেছে কারন চায়না তাদের গোয়েন্দা তথ্য ও ইন্টেলিজেন্স সব ইরানকে দিচ্ছে।
রাশিয়া প্রযুক্তিক হেল্প করতেছে।
আর দুইটা দেশই বলেছে ইরানে স্থল অভিযান করতে এলে তারা যতপ্রকার হেল্প করা যায় তার সবটাই করবে। অর্থাৎ সরাসরি যু/দ্ধ করবে।
এইদিকে দুনিয়ার সবচেয়ে ইতর ছোটলোকদের দেশ ইন্ডিয়াও তাদের ছোটলোকী দিয়ে যু/দ্ধে এন্ট্রি করেছে। যদিও কাপুরুষতা বলা যায়, সাহসিক যুদ্ধ না।
পৃথিবীর ১০০টা দেশের নৌ সেনারা নিয়মিত রিহার্সালের অংশ হিসেবে ভারত সাগরে রিহার্সালে করতেছিল। শেষ করে ফেরার পথে ইরানের ১৮০জন সেনা সহ একটি শিপে আ/ক্রমণ করে পুরো ধ্বং/স করে দিয়েছে আমেরিকান সাবমেরিন। আ/ক্রমণের জন্য তথ্য উপাত্ত সব দিয়েছে ইন্ডিয়া।
আ/ক্রমণের পর ইরানী সৈন্যরা সাহায্য চাইলে ইন্ডিয়া সবচেয়ে কাছে হয়েও কোনো সাড়া দেয়নি। পরে শ্রীলঙ্কার সেনারা গিয়ে মাত্র ৩৫ জনকে উদ্ধার করেছে। শ্রীলঙ্কার নৌ সেনা পৃথিবীর সবচেয়ে দুর্বলগুলোর একটি।
আবার লেবাননে সিরিয়াস হামলা করতেছে ইজরায়েল।
এদিকে লেবাননের পাশে আছে বলে ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স!
এটা আরেক আশ্চর্য কান্ড!
ন্যাটোভুক্ত দেশ তুরস্কেও গিয়ে পড়েছে ইরানের মি/সাইল!
পৃথিবীর সব সুপার পাওয়ার অলরেডি এই যু/দ্ধে জড়িয়ে গেছে।
কয়েকদিনের মধ্যে এই যু/দ্ধ বন্ধ না হলে জানিনা পরে কি আছে পৃথিবীর মানুষের কপালে..
"সফলতার সংজ্ঞায় আমরা কি হারিয়ে যাচ্ছি? শুনুন তবে এই বাস্তব কথাগুলো।" #জীবন #বাস্তবতা #যুবসমাজ #মানসিক_চাপ #বাবামা #সফলতা #ইসলামিক_ভিডিও #বাংলাদেশ #রিজিক #আবেগ #অনুপ্রেরণা
03/03/2026
আমি বহুবার দুবাই গেছি। আমরা সবাই জানি, দুবাই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মানি লন্ডারিং অপারেশনের জায়গা হিসেবে পরিচিত।
পাশাপাশি দুবাই মূলত একটা সার্ভিস ইকোনমি—যেখানে প্রায় ৮৮ শতাংশ মানুষ বিদেশি।
বিদেশি এক্সপার্টরাই এখানে সবকিছু পরিচালনা করে। তারা কী অফার করে? আকর্ষণীয় আর্থিক সুবিধা, নো ট্যাক্স, আর নিরাপত্তা।
কিন্তু এই নিরাপত্তা গত কয়েক ঘণ্টায় উধাও হয়ে গেছে।
এটাই বাস্তবতা। দুবাইয়ের ব্যবসায়িক মডেল শেষ। যারা নানা কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে পছন্দ করতেন বা সেখানে থাকতেন, তাদের জন্য পরিস্থিতি বদলে গেছে।
এখন অনেকের কাছেই মনে হচ্ছে, রাষ্ট্র হিসেবে ইউএই কার্যত ভেঙে পড়েছে। এইসবই ট্রাম্প–নেতানিয়াহুর যুদ্ধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। এবং যেই যুদ্ধ সম্পূর্ণ অকারণে শুরু হয়েছে।
ইরানের পাল্টা আঘাত শুরু হয় শনিবার সকালে খামেনী কম্পাউন্ডে স্ট্রাইকের মাত্র আধা ঘণ্টা পরে। ঘটনাটা এতো দ্রুত ঘটল কিভাবে?
গতকাল থেকে আজ পর্যন্ত তেহরানে আমার সূত্রগুলোর সঙ্গে কথা বলে আমি যা নিশ্চিত করতে পেরেছি তা হলো, খামেনী আগেই সব সম্ভাব্য পরিস্থিতির মানচিত্র তৈরি করে রেখেছিলেন।
তার নিজের ক্ষেত্রেও, যদি তাকে হত্যা করা হয়, তাহলে কে দায়িত্ব নেবে, এমন চার স্তরের বিকল্প উত্তরসূরি নির্ধারিত ছিল। শুধু ধর্মীয় কাঠামো নয়, সামরিক নেতৃত্বের ক্ষেত্রেও বিকল্প প্রস্তুত ছিল।
এতে বোঝা যায়, মাস না—সম্ভবত বছরের পর বছর ধরে প্রস্তুতি চলছিল। সম্ভাব্য প্রতিশোধের সব দৃশ্যপট আগেই পরিকল্পিত ছিল। ফলে ১২ দিনের যুদ্ধের সময় যেমন ৪৮ ঘণ্টা পর প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছিল, এবার তা হয়নি।
এবার মাত্র আধা ঘণ্টার মধ্যেই পাল্টা আঘাত এসেছে।
আমি বলব, এখন ওয়াশিংটন ও তেহরানের সম্পর্ক এমন এক জায়গায় পৌঁছেছে, যেখান থেকে আর ফিরে যাওয়ার উপায় নাই।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যা করার পর পরিস্থিতি আগের অবস্থায় ফেরানো প্রায় অসম্ভব। এখন এটা এক ধরনের চূড়ান্ত সংঘাতে রূপ নিয়েছে। আর এই কারণেই পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চলে বসবাসকারী সাধারণ মানুষের জন্য।
আমি নেতাদের কথা বলছি না। এমিরেটস, সৌদি আরব, কাতার—এইসব দেশের নিকৃষ্ট গ্যাংস্টারদের কথা বলছি না। আমি তাদের কয়েকজনকে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে চিনি।
আসল প্রশ্ন হলো সেখানকার সাধারণ মানুষ, এবং বিপুলসংখ্যক প্রবাসী জনগোষ্ঠী।
যেমন ফিলিপিনো, রোমানিয়ান, দক্ষিণ এশিয়ার শ্রমজীবী মানুষ—পাকিস্তান, নেপাল, বাংলাদেশসহ নানা দেশ থেকে যারা উপসাগরীয় অঞ্চলে কাজ করতে আসে এবং দেশে অর্থ পাঠায়।
তাদের ওপরই এই পরিস্থিতির প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়বে।
— পেপে এসকোবার
ব্রাজিলিয়ান সাংবাদিক
ইরানের ইস্পাহান।
বাহরাইনের রাজধানীতে ইরানের শাহেদ ড্রোনের আক্রমণের মুহূর্ত
Why should we be afraid?
|"Copyright Disclaimer under section 107 of the Copyright Act 1976, allowance is made for 'fair use' for purposes such as criticism, comment, news reporting, teaching, scholarship, education, and research".107|
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Pabna