JS joy sarker
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from JS joy sarker, Photographer, Netrakona.
মিলন হবে কতো দিন আমার মনে মানুষের ও শনে........ 🎶🎙️
আজকের ঘুরাঘুরির কিছু সময় আনন্দ উপভোগ করা..🥰
আজকের বিকেলের কিছু সৌন্দর্য পরিবেশ
একটা সুন্দর্য পরিবেশ,,
#ছয়দিনের_সংসার
পর্ব ৭+৮+শেষ পর্ব
লেখক (শারমিন)
#বাস্তব_ঘটনা
কান্না দেখে কন্সটেবল কাছে এসে জিজ্ঞেস করে এই মেয়ে তুমি কেন কান্না করতেছো। তার কাছে আমার জীবনি সবটা বললাম যা যা আমার সাথে হয়েছে এবং এটাও বললাম যে আপাদত আমি কোনো বাসায় কাজ পেলেও কাজ করে ২মুঠো খেতাম। আমার এই কাহীনি শুনে উনিও চোখের পানি ধরে রাখতে পারলো না। তখন তিনি বললেন যে তোমার মতো একটা মেয়ে এতো কষ্ট করতে পারে আমার আগে জানা ছিল না আমি তোমায় আমার ঘরে যথাযথ সম্মান দিয়ে নিয়ে যেতে চাই। একটু অবাক হলাম যে একটা মানুষ চিনা নাই জানা নাই আমার জন্য এতো টা করবে জানি না তার উদ্দ্যেশ্য কি ভালো নাকি খারাপ। যেতে রাজি হলাম না তাকে এটাও বললাম যে দেখুন আমি রেহানকে এতোটা ই ভালোবেসেছি এমন কি এখনো বাসি যে আমি আর অন্য কোথাও বিয়ে করতে চাই না। জন্ম মৃত্যু বিয়ে এগুলা একবার ই হয় বার বার না। তখন সে আমায় এতো বার করে বুঝালো যে ভালোবাসার কেউ মরে গেলে নিজেকে এভাবে শেষ করে দিতে হয় না কারো জন্য কারো জীবন আটকে থাকে না ইত্যাদি ইত্যাদি। তখন বললাম প্রথমে আপনার বাসায় আমায় নিয়ে চলেন কয়টা খাবার দিবেন তারপর বাকি কথা হবে। তারপর তার বাসায় গেলাম গিয়ে দেখলাম তার মা। সে তার মাকে আমার সম্পর্কে সব বলে। সত্যি কথা বলতে আমার নিজের মায়ের কাছে ও আমি এরকম ভালো মধুময় ব্যবহার কখনো পাই নি। নিজের মেয়ের মতোই নিজ হাতে আমায় গোসল করিয়ে খায়িয়ে দিলেন সেখানেও চোখের পানি চলে আসলো। কারন আজ প্রায় ৩ দিন পর কয়টা ভাত চোখে দেখলাম। এভাবেই কিছুদিন সেখানে থাকার পর সেই আন্টি আর ফাহিম বলল মা এভাবে একজন মেয়ে মানুষ ঘরে রাখলে পাশের বাসার মানুষ বাজে কথা বলে তোমার কোনো আপত্তি না থাকলে আমি তোমায় আমার ঘরে বউয়ের সম্মান দিয়ে রাখতে চাই। অনেক চিন্তা করে দেখলাম যে আমার কোথাও যাওয়ার জায়গা টুকু পর্যন্ত নেই ২ টা ভাত চোখে দেখি না আমার তো কোনো ভবিষ্যত ও নাই। যাক এখানে থেকে যদি আমি একটু ভালো থাকি তাহলে হয়তো অতীতের এই যন্ত্রনা থেকে মুক্তি পাব। তাই আমার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিলাম যে আমি রাজি। তারাও খুশিতে ছোটখাটো ভাবেই একটা আয়োজন করলো।হয়ে গেল এই ২৩ বছরের জীবনে ২য় বিয়ে। আমি যতোই সুখে বা আনন্দে থাকি না কেন রেহানকে কখনো ভুলতে পারবো না কারন তার সাথে আমার সেই ছোট থেকেই ৯ টা বছরের সম্পর্ক। আজ অনেক দিন পর মনে হলো আল্লাহ হয়তো আমায় এতো দিন কষ্ট দিয়েছিল এই সুখটুকুর জন্যই। ভালোভাবেই খেয়ে দেয়ে দিন কাটতে
#ছয়দিনের_সংসার
পর্ব ৪+৫+৬
লেখক
#বাস্তব_ঘটনা
খবর টা যেই মাত্র আমার কানে আসলো মা নাকি আর বেঁচে নেই সেই মাত্রই অনেক বিশাল চিৎকার দিয়ে কান্না করছিলাম। আগুনে পুড়া রোগী দেইখা একটা প্রানী ও আমার কাছে আসলো না। এতোই কষ্ট পেয়েছিলাম সেদিন যেটা আমার ভিতরের সকল অভিমানকে নাড়িয়ে দেয়। বাবার কাছে কি এতোটাই খারাপ হয়ে গেলাম যে মায়ের মৃত্যুর খবর টা পর্যন্ত আমাকে জানালো না। ছোট থেকে শুনে এসেছি বাবা নামক মানুষ টা একটু পাষাণ হলো ও সন্তানের কষ্টে বাবা ই আগে ছুটে আসে। কই আমার বাবা তো কখনো আসে নি। আমার স্বামী মারা গেল তখন ও খবর নেই নি বেঁচে আছি নাকি মরে গেছি সেটাও হয়তো বাবা জানে না।
এদিকে শরীরের বিভিন্ন স্থান গুলো ধীরে ধীরে টান ধরতেছে এগুলি নিয়েই সংসারে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কাজ করে যাচ্ছি। তারপরের দিন ভাবলাম মা ও চলে গেলো রেহান ও চলে গেল আমার জীবনে থাকলো ই বা কি। বাবার সাথে আমার যোগাযোগ করাটা খুব জরুরী। অনেক তো রাগ অভিমান হলো এইবার সঠিক সময় এসেছে এই সমস্ত কিছুর সমাধান করা। বাবা আমার এই চেহারা শরীরের এই অবস্থা দেখলে আমায় কখনো ফিরাতে পারবে না। তাই একদিন সকাল ভোরে প্রায় ৪-৫ টার দিকে হবে আমি হাঁটতে লাগলাম আমার বাবার কাছে যাওয়ার উদ্দেশ্যে শশুড় বাড়ির কাউকে না জানিয়ে। ১ টা পয়সা আমার কাছে ছিল না যে ভাড়া দিয়ে যাব। পায়ের এই ফোসকা নিয়ে ইটের রাস্তা দিয়ে একটু বসে একটু হেটে এভাবে প্রায় দেড় ঘন্টা হাঁটার পর বাড়ির কাছাকাছি গেলাম যদিও ২০ মিনিটের রাস্তা ছিল। আমার বাবার সেই ছোট্ট বিটা টা দেখে নিজের অজান্তেই চোখের পানি দিয়ে গায়ের ওড়না টা ভিজে গেছে কারন আমার মা এই উঠানে চলাফেরা করতেন। এই ছোট্ট বাড়িটি মা কত সুন্দর করে রাখতেন। যা ই হোক ১০-১২ মিনিট উঠানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কান্না করার পর বাবা বলে যখন ডাক দিলাম তখন কোনো শব্দ পাচ্ছি না। তখন নিজেই দরজা টা ধাক্কা দিয়ে খুলে দেখি পাশের বাড়ির শিউলি আন্টি আর বাবা একই বিছানায় শরীরে কোনো কাপড় নাই দুজনেই ঘুমুচ্ছে। নিজের চোখ কে তো আর অবিশ্বাস করা যায় না। জীবনে তৃতীয় বারের মতো আবারো একটা বিশাল ধাক্কা খেলাম এই দৃশ্য দেখার পর।
নিজেকে প্রশ্ন করলাম তবে কি বাবা এই জন্যই আমার কোনো খবর রাখতে চায় না!!! মা মারা গেছে আজ ১৮ দিন ৪০ টা দিন ও কাটে নি আর বাবা কি না.....
চিন্তা করলাম আমি জীবনে এইভাবে একটু একটু করে মরার চেয়ে একবারে মরাই ভালো। বেঁচে থাকলে হয়তো আরো বিশাল কিছু ও
#ছয়দিনের_সংসার
#পর্ব_1_2_3
#লেখক_ Ibnitha Erin
#বাস্তব_ঘটনা
দীর্ঘ ৯ বছর সম্পর্ক করার পরে যখন বিয়ের ঠিক ৬ দিন পর সে মারা যায় সেদিন আমার পায়ের নিচের মাটি টা ই যেনো সরে গেলো। বাবা মা সবার বিরুদ্ধে গিয়ে রেহান নামের ছেলেটাকে ভালোবেসেছিলাম। আমার বাবা একদিন আমায় প্রশ্ন করেছিল তুই কাকে চাস,,, আমায় নাকি সে ২ টাকার মিডেল ক্লাস ছেলেটাকে!! তখন নিজেকে কোনো প্রশ্ন না করেই সোজা বলে দিয়েছিলাম বাবা রেহানের সাথেই থাকতে চাই। মা আমায় সেদিন গরম মাছ কাঠি দিয়ে পিঠে অনেক মারলো চুল ধরে পিটালো তবুও কিচ্ছু বললাম না একমাত্র রেহানের জন্য। ও বলেছিল কিছু সময় দাও আমাকে আমি সব গুছিয়ে নিব। অন্যদিকে ওর পরিবার ও মানছিল না আর আমার পরিবার তো রেহানকে মিডেল ক্লাস ছাড়া কথাই বলে না। রাতে খেতে বসলে মা আমার মুখের দিকেই তাকাতো না আর বাবা তো আমি আসলে ভাতে পানি ঢেলে চলেই যেতো। খুব কষ্ট পাচ্ছিলাম মা বাবার এসব ব্যবহার দেখে। হঠাৎ রেহানকে একদিন বললাম প্লিজ তুমি তোমার বাড়িতে কথা বলো আমি এসব আর সহ্য করতে পারছি না। তখন তার একটাই কথা আমার কোনো চাকরি নেই কিচ্ছু নেই বড় দুজন ভাই এখনো অবিবাহিত আমি কি করে বাসায় এখন তোমার কথা বলি।এইদিকে বাবা আমার বিয়ের জন্য অনেক পাত্রপক্ষ বাসায় একের পর এক নিয়ে আসছে। তার চারদিন পর বাবা মায়ের এসব কান্ড আর সহ্য করতে না পেরে ও কে কল দিয়ে বললাম আমায় তুমি ২ দিনের মধ্যে নিয়ে যেতে না পারলে আমি অন্য কাউকে বিয়ে করে নিব। সে এটা শুনে কেঁদে দিয়ে বলল হয়তো আজ ইনকামের জন্য কয়টা টাকা আর ২ মুঠো ভাতের জন্য ৯ বছরের ভালোবাসা হারাতে যাচ্ছি আমি। তখন আমি ও তার এই কান্নামাখা গলার কথা শুনে শান্ত হয়ে যাই। অপর দিকে তার মা নাকি তাকে বলে দিয়েছে আমার ২ ছেলে এখনো অবিবাহিত তুমি যদি ওই মেয়েকে এখন ঘরে তুলে আনো তাহলে তোমার জায়গা তো রাস্তায় হবেই তার সাথে সেই মেয়েকেও আমি ঝাড়ুপিটা করবো। ২ পরিবারের এতো অশান্তির মাঝে ২জন মিলেই ডিসিশন নিলাম যে বিয়ে করে নিলে আর আমাদের কেউ ফেলে দিতে পারবে না। হয়তো ২ চার কথা শুনবো কিন্তু ৮ টা বছরের সম্পর্কের কথা চিন্তা করে আমরা সবকিছু সহ্য করে নিব। ঠিক হলো সোমবার বেলা ১২.৪০ এ কাজী অফিসে থাকার জন্য। সোমবার সকাল ১০ টায় দুই ছেট কাপড় নিয়ে বের হয়ে গেলাম বাসা থেকে। বান্ধুবী সুমিকে ও নিয়ে গেলাম কফিতলার সেই কাজী অফিসে। অবশেষে করেই নিলাম বিয়েটা। আমায় যখন বিকেল ৫ টায় তার বাসায় নিয়ে গেল তখন রেহানের আম্মু + তার
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Netrakona