MSK
ALONG BUT HAPPY.
13/02/2026
২৯৯ আসনের ফলাফল।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবকটি আসনের ফলাফল।
আমি এই মর্মে ঘোষণা করছি যে আমি এসকে ছবিন ফেসবুক বা মেটাকে আমার কোন ব্যক্তিগত তথ্য বা ছবি ব্যবহার করার অনুমতি দিচ্ছি না।
আগামীকাল একটি বড় দিন। এটা অফিসিয়াল। সকাল ৮:১০ মিনিটে স্বাক্ষর করা হয়েছে। এটা টিভিতেও দেখানো হয়েছে। ভুলে যাবেন না, আগামীকাল থেকে নতুন ফেসবুক নিয়ম (অর্থাৎ নতুন নাম, মেটা) চালু হচ্ছে, যার অধীনে কোম্পানি আপনার ছবিগুলো ব্যবহার করতে পারবে। মনে রাখবেন, এর সময়সীমা আজই শেষ।
এই বার্তার যেকোনো স্থানে আঙুল দিন, “কপি” দেখা যাবে। “কপি” তে ক্লিক করুন। এরপর নিজের পেজে যান, একটি নতুন পোস্ট তৈরি করুন এবং খালি স্থানে আঙুল দিন, “পেস্ট” দেখাবে – “পেস্ট” এ ক্লিক করুন। এটি সিস্টেমকে বাইপাস করতে সাহায্য করবে। যারা কিছু করেন না, তারা সম্মতি দিচ্ছেন বলে ধরে নেওয়া হবে।
৬০ মিনিটস শো অনুযায়ী: যদি আপনি এটি মিস করে থাকেন, তাহলে জানিয়ে রাখি যে একজন আইনজীবী আমাদের এই পোস্টটি করার পরামর্শ দিয়েছেন। গোপনীয়তা লঙ্ঘনের জন্য আইন অনুযায়ী শাস্তি হতে পারে।
নোট: ফেসবুক (মেটা) এখন একটি পাবলিক প্রতিষ্ঠান। প্রতিটি সদস্যকে এরকম একটি ঘোষণা পোস্ট করতে হবে। যদি আপনি অন্তত একবারও এরকম কোনো বিবৃতি প্রকাশ না করেন, তাহলে প্রযুক্তিগতভাবে এটি ধরে নেওয়া হবে যে আপনি আপনার ছবি এবং প্রোফাইল তথ্য ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন।
আমি এই মর্মে ঘোষণা করছি যে আমি ফেসবুক বা মেটাকে আমার কোনো ব্যক্তিগত তথ্য বা ছবি ব্যবহারের অনুমতি দিচ্ছি না।
27/07/2025
18/05/2025
এলাকায় সাধারন এক মসজিদ ছিল। সিলিং ফ্যানগুলোও সাধারন। মসজিদে তেমন দামি কিছু নেই, তাই চুরি যাওয়ার ভয়ও নেই। বলতে গেলে সারাদিনই মসজিদ ওপেন থাকতো। মুসল্লিরা যখন তখন এসে নামাজ, কোরআন পরতে পারতেন। গরীব মানুষেরা একটু গা এলিয়ে বিশ্রাম নিতে পারতেন।
তারপর শুরু হলো মসজিদের উন্নয়ন কর্মসূচী। গরমে মানুষের কষ্ট হয় তাই এসি কেনা প্রয়োজন। মিম্বর থেকে হুজুরের আবু-বকর (রা), ওমর (রা) এর দানের ইমোশনাল কাহিনী দিয়ে টাকা কালেকশন।
মাশাল্লাহ পুরো মসজিদ এখন দামি টাইলস, এমনকি বাইরের ওয়াল পর্যন্ত কারুকার্যে ভরা। দামি দামি কার্পেট। তারপর আবার ২ পাশে সারি সারি চেয়ার তো আছেই, আগে মসজিদে ২-৩ জন দায়িত্ব নিলেই হয়ে যেতো, আর এখন মসজিদ কমিটিও অনেক বড়.!
প্রায় মসজিদে এলাকার টপ ঘু" ষখোর, চোর, সু" দখোর,
অ" ত্যাচারী, ক্ষমতাধর প্রকৃতির লোকেরাই সেই কমিটির সদস্য, আবার সভাপতিও।
মসজিদের ভ্যালু এখন অনেক। চুরি যাওয়ার ভয় তো আছেই। অতএব সারাক্ষণ মসজিদ খোলা রাখা যাবে না।তাই এখন প্রায় অনেক মসজিদই নামাজ ব্যতীত অন্যান্য সময় তালাবদ্ধ থাকে, মসজিদে টাইম মেনে মুসল্লিদের আসা যাওয়া করতে হবে। গরীবেরা এখন ভয়ে ভয়ে মসজিদে ঢুকে টাইলস কার্পেট অপরিচ্ছন্ন হয়ে যায় কিনা। তাদের পরিচিত আল্লাহর ঘর এখন পুরোটাই অচেনা।আগের দিনে মানুষ এ দায়িত্ব নিতে ভয়ে কাঁপত কোন ভুল হয়ে যাচ্ছে কিনা। এখন মসজিদে চেয়ারম্যানের সংখ্যা বেড়ে গেছে। সারা পথ হেঁটে এসে চেয়ারে বসে নামাজ পড়ে এ ব্যাপারে ইমাম, খতিবদের কোনো ফতোয়া নাই।
সু" দখোর, চোর,ঘু" ষখোরদের বিরুদ্ধে কোনো ফতোয়া নাই। আস্তে আস্তে কেয়ামতের দিকে এগোচ্ছি আমরা। নামাজিরা নামাজ শেষ করার আগে মসজিদ তালাবদ্ধ করার জন্য ইমাম মুয়াজ্জিন দাড়িয়ে থাকে দরজার গোড়ায়।ওদের ও সময় নাই নিজের দায়িত্ব পালনে। ভবিষ্যতে আরো কতকিছু দেখার অপেক্ষায় আছি আমরা।
- কাহিনিটা সম্ভবত সব এলাকার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য❗
15/05/2025
N1, N2, N8 ইত্যাদি শব্দগুলোর সাথে আমরা অনেকেই হয়তো পরিচিত। তবে আমরা অনেকেই হয়তো জানি না, আসলে এ দ্বারা কি বুঝানো হয়ে থাকে আসলে। মূলত এগুলো হচ্ছে আমাদের জাতীয় মহাসড়ক (হাইওয়ে) সমূহের সংক্ষিপ্ত রূপ। যার মাধ্যমে সহজেই বোঝা যায়, কোনটা কোন মহাসড়ক। চলুন আজ জেনে নিই, আমাদের দেশের আটটি মহাসড়কের সংক্ষিপ্ত নাম-
🔴N1 = ঢাকা - চট্টগ্রাম - টেকনাফ
🟡N2 = ঢাকা - সিলেট - তামাবিল
🟢N3 = ঢাকা - ময়মনসিংহ
🔵N4 = ঢাকা - জামালপুর
🟣N5 = ঢাকা - আরিচা - রংপুর - বাংলাবান্ধা
🟤N6 = ঢাকা - রাজশাহী - চাপাইনবাবগঞ্জ
⚫N7 = দৌলতিয়া - খুলনা - মোংলা
⚪N8 = ঢাকা - ভাঙ্গা - বরিশাল - পটুয়াখালী
19/03/2025
New 2025
06/01/2025
বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর ডালিম যা যা বলল-
১. শেখ মুজিব হ'ত্যায় প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পরোক্ষভাবে জড়িত।
২. মুজিবের ভাষনে নয় মেজর জিয়াউর রহমানের "স্বাধীনতা ঘোষণায়" লক্ষ লক্ষ মানুষ একতাবদ্ধ হয়ে যুদ্ধ করেছিল এবং আমি নিজেও পা'কি'স্তা'ন থেকে চলে এসেছিলাম মেজর জিয়ার ডাকে।
৩. মুক্তিযুদ্ধে সর্বমোট শহীদের সংখ্যা ৩০ লক্ষ নয়, ৩ লক্ষ।
৪. মুক্তিযুদ্ধে ধ'র্ষ'ণের শিকার নারীদের সংখ্যা ২ লক্ষ নয় বরং আরো অনেক অনেক কম কারণ ডালিম সাহেব বলেছেন উনি মাত্র দুইজন ধ'র্ষি'তা নারীকে পেয়েছেন।
৫. মুজিব বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাইনি। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিল।
৬.ভা'র'ত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করছে যাতে তাদের একটি প্রদেশ বানাতে পারে।
৭. মুজিব নিজেই ধরা দিয়ে, পা'কি'স্তা'নি আর্মির কাছে ফ্যামিলির দায়িত্বভার দিলেন।
৮. কোরআন শপথ করে জিয়া আগস্ট বিপ্লবীদের সাথে থাকার ওয়াদা করেন। (কিন্তু তার বদলে) তিনি ক্ষমতা সুসংহত করতে ৪০০০ লোককে মৃ'ত্যু'দ'ন্ড দিয়েছিলেন।
৯. বুদ্ধিজীবীদের হ'ত্যা করেছিলো ভা'র'তীয় বাহিনী।
১০. ভারত স্বাধীনতার পর ১৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ বাংলাদেশ থেকে লুট করে নিয়ে যায়। বাঁধা দিলে মুজিব মেজর জলিলকে গ্রেপ্তার করে।
১১. জহির রায়হান ও শহিদুল্লাহ কায়াসারকে হ'ত্যা করেছিলো মুজিব।
১২. মুক্তিযুদ্ধে ২ লক্ষ মা বোনের ইজ্জৎ লু'ট হয়েছিলো এইটা একটা মিথ্যা প্রচারণা।
১৩. বিপ্লবী সিরাজ সিকদারকে পরিকল্পনা করে হ'ত্যা করে মুজিব।
১৪. কথা আর কাজে কোন মিল ছিলোনা মুজিবের৷
১৫. মুজিব হত্যার পরে মিষ্টি বিতরণ করে দেশের মানুষ।
১৬. মেজর ডালিমের স্ত্রীকে চিকিৎসা নিতে দেয়নি হাসিনা ও খালেদা।
১৭. বঙ্গবন্ধু মুজিব বাহিনী সীমাহীন লুটপাট, হত্যা ,ধর্ষণ ,ডাকাতি চালিয়েছিলো। যে কারণে মানুষ শেখ মুজিব ফেরাউন বলতে শুরু করেছিলো।
১৮. শেখ মুজিব মারা যায়নি, অভ্যুত্থানে নিহত হয়েছেন।
১৯. মুজিব হত্যার পর লাখ লাখ মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিলো ,আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরন করেছিলো।
২০. ভারতের চাপে রবীন্দ্রসংগীতকে জাতীয় সংগীত করা হয়।
২১. বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ হচ্ছে শেখ মুজিব সেটা জানতোই না।
তারিখ: জানুয়ারি ০৫, ২০২৫ ইং,,,👍৩০৩০বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর ডালিম (বীর উত্তম) এর বদৌলতে যে সত্য ইতিহাসগুলো জাতি অর্ধ শতাব্দী বছর পর জানলো:
১. মুজিব নিজে স্বয়ং ধরা দিয়ে পা'কি'স্তা'নি আর্মির কাছে ফ্যামিলির দায়িত্বভার দিলেন।
২. মুজিবের ভাষনে নয় মেজর জিয়াউর রহমানের ডাকে লক্ষ লক্ষ মানুষ একতাবদ্ধ হয়েছিলো এবং আমি নিজেও পা'কি'স্তা'ন থেকে চলে এসেছিলাম মেজর জিয়ার ডাকে।
৩. মুক্তিযুদ্ধে সর্বমোট শহীদের সংখ্যা ৩০ লক্ষ নয়, ৩ লক্ষ।
৪. মুক্তিযুদ্ধে ধ'র্ষ'ণের শিকার নারীদের সংখ্যা ২ লক্ষ নয় বরং আরো অনেক অনেক কম কারণ ডালিম সাহেব বলেছেন উনি মাত্র দুইজন ধ'র্ষি'তা নারীকে পেয়েছেন।
৫. মুজিব বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাইনি।
৬.ভা'র'ত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করছে যাতে তাদের একটি প্রদেশ বানাতে পারে।
৭. মুজিব হ'ত্যায় প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানও জড়িত ছিলেন।
৮. কোরআন শপথ করে জিয়া আগস্ট বিপ্লবীদের সাথে থাকার ওয়াদা করেন। (কিন্তু তার বদলে) তিনি ক্ষমতা সুসংহত করতে ৪০০০ লোককে মৃ'ত্যু'দ'ন্ড দিয়েছিলেন।
৯. বুদ্ধিজীবীদের হ'ত্যা করেছিলো ভা'র'তীয় বাহিনী।
১০. ভারত তৎকালীন ১৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ বাংলাদেশ থেকে লুট করে নিয়ে যায়। বাঁধা দিলে মুজিব মেজর জলিলকে গ্রেপ্তার করে।
১১. জহির রায়হান ও শহিদুল্লাহ কায়াসারকে হ'ত্যা করেছিলো মুজিব।
১২. মুক্তিযুদ্ধে ২ লক্ষ মা বোনের ইজ্জৎ লু'ট হয়েছিলো এইটা একটা মিথ্যা প্রচারণা।
১৩. বিপ্লবী সিরাজ সিকদারকে পরিকল্পনা করে হ'ত্যা করে মুজিব।
১৪. কথা আর কাজে কোন মিল ছিলোনা মুজিবের৷
১৫. মুজিব হত্যার পরে মিষ্টি বিতরণ করে দেশের মানুষ।
১৬. মেজর ডালিমের স্ত্রীকে চিকিৎসা নিতে দেয়নি হাসিনা ও খালেদা।
তারিখ: জানুয়ারি ০৫, ২০২৫ ইং৮ লক্ষ মানুষের উপস্থিতিতে ঐতিহাসিক এই লাইভের কিছু চুম্বক অংশ-
১/ বিবিসি বাংলার হেড বলেন ৭১ যুদ্ধে মারা যায় ৩ লক্ষ মানুষ। শেখ মুজিব বিবিসির সাংবাদিককে জানায় ৩ মিলিয়ন মানুষ মারা যায়।
২/ আমরা জানি ৩ লক্ষ নারী সম্ভ্রম হারিয়েছে ৭১ যুদ্ধে,মেজর ডালিম বলেন আমরা মাত্র ২ জন নারীকে পেয়েছি এমন বিপর্যস্ত।
৩/একাত্তরে শেখ মুজিব পরিবারকে পাকিস্তানের জিম্মায় রেখে,পাকিস্তানি বাহিনীর কাছে নিজেকে সেইফ রাখে।
৪/স্বাধীনতার ঘোষণা দেন জিয়াউর রহমান নিজের নামে;পরে ভারতের চাপে বক্তব্য পরিবর্তন করে বলেন মুজিবের ঘোষণা পত্র পাঠ করেছি।
৫/ মেজর ডালিম সহ সবাই যখন ভারতে যুদ্ধের জন্য যায় তখনই বুঝতে পারে বাংলাদেশকে করদ রাজ্য এবং পরবর্তীতে অঙ্গরাজ্য করার লক্ষ্যে মুলত ইন্দো পাকিস্তান যুদ্ধের আয়োজন হয়।
৬/ বুদ্ধিজীবী দিবস, ১৪ ই ডিসেম্বরের হত্যাযজ্ঞ চালায় ভারত, এটা বুঝতে হলে বিজ্ঞানী হওয়ার প্রয়োজন নাই।
৭/ পাকিস্তানের আপত্তি এবং বহির্বিশ্বের চাপে ভারত তাদের সেনাবাহিনী প্রত্যাহার করে বাংলাদেশ থেকে,মুজিবের অনুরোধে নয়।কিন্তু তাদের অবৈধ হস্তক্ষেপে কেউ বাধা দিতে না পারে তাই রক্ষীবাহিনী গঠন করে ভারতীয় বাহিনীর শূন্যতা পূরণ করে।
৮/পচাত্তরের ১৫ ই আগষ্টের মুজিব পরিবারকে হত্যার পরে সারাদেশের মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে আনন্দ মিছিলের জন্য বেরিয়ে আসে এবং মিষ্টি বিতরন করে।
৯/ শেখ হাসিনা আর শেখ মুজিবের তুলনা করলে শেখ হাসিনা সবচেয়ে বড় স্বৈরাচার; তার বাবা বীজ বপন করেছে আর সে ভারতের সহযোগিতায় বাস্তবায়ন করেছে।
১০/শেখ মুজিব যখন ইন্দিরা গান্ধীর কথামোতো পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ না এসে লন্ডন হয়ে ভারত হয়ে বাংলাদেশে আসে তখনও জানত না বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। সে বিবিসির সাংবাদিক কে আশংকা জানায় কোথায় নিয়ে যাচ্ছে, স্বাধীন কি আসলেই হয়েছে?
১১/দেশে ফিরে তাজউদ্দীন আহমদকে বলে তাজউদ্দীন তুমি সরে যাও আজ থেকে আমিই সরকারের প্রধান।
১২/ নিম্মির ক্যান্সার ছিল, তাকে হাউজ এরেস্ট করে রাখা হয় ১৯৯৬ থেকে;ক্যান্সারের ৪র্থ স্টেজে ছিল নিম্মি।এমনকি খালেদা জিয়াও তাকে পাসপোর্ট দেন নাই,ফলে ক্যান্সারেই মারা যায়....
- মেজর ডালিম
21/11/2024
বাংলার প্রাঙ্গণ “বাংলার তথ্যপট” উদ্যোগ নিয়ে এক নবদিগন্তের সূচনা করেছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে যাত্রা শুরু হয়েছে এরই একটি নতুন শাখা “৬৪ জেলার ভ্রমণকথন”। এই শাখার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার গুরুত্বপূর্ণ ভ্রমণ স্থানগুলো সবার সামনে নিয়ে আসা। আজ "৬৪ জেলার ভ্রমণকথন" এর ষষ্ঠবিংশতম পর্বে থাকছে - নাটোর জেলা।
নাটোর জেলা তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঐতিহাসিক গুরুত্ব এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্য বিখ্যাত। শহরের শান্ত পল্লী অঞ্চল থেকে শুরু করে রাজকীয় রাজবাড়ী পর্যন্ত, প্রতিটি কোণে যেন রয়েছে এক আলাদা গল্প, এক নতুন অভিজ্ঞতা।চলুন, আজকে নাটোর জেলার উল্লেখযোগ্য কিছু ঐতিহাসিক ও প্রাকৃতিক স্থান সম্পর্কে বিস্তারিত জানি।
১. বৃ-চাপিলা শাহী মসজিদ:
নাটোর জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার চাপিলা ইউনিয়নে অবস্থিত বৃ-চাপিলা শাহী মসজিদ, মুঘল আমলের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। প্রায় ৪০০ বছর আগে এটি নির্মিত হয় এবং এর স্থাপত্যশৈলী মুঘল কালীন সময়ের একটি দৃষ্টান্ত। স্থানীয়ভাবে এই মসজিদটি "গায়েবি মসজিদ" নামে পরিচিত, কারণ এর সাথে জড়িত রয়েছে নানা পৌরাণিক কাহিনী এবং ইতিহাস। মসজিদটির নির্মাণশৈলী এবং এর অদ্ভুত গঠন পর্যটকদের মধ্যে এক ধরনের বিস্ময় জাগায়।
২. দয়ারামপুর রাজবাড়ি:
দয়ারামপুর রাজবাড়ি, নাটোর জেলার বাগাতিপাড়া উপজেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি। এটি দিঘাপতিয়া জমিদার বংশের প্রতিষ্ঠাতা দয়ারামের নামানুসারে নামকরণ করা হয়। স্বাধীনতা যুদ্ধের পর বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এই রাজবাড়ীটি সেনানিবাস হিসেবে ব্যবহার শুরু করে এবং ১৯৭৪ সালে শহীদ লে. কর্ণেল আব্দুল কাদিরের নামে কাদিরাবাদ সেনানিবাস প্রতিষ্ঠিত হয়। রাজবাড়িটি এখন কাদিরাবাদ সেনানিবাস হিসেবে পরিচিত।
৩.ফকিরচাঁদ বৈষ্ণব গোঁসাইজির আশ্রম:
ফকির চাঁদ বৈষ্ণব ১১০৪ বঙ্গাব্দে লালপুর উপজেলার দুড়দুড়িয়া নওপাড়ার গহীন অরণ্যে বটগাছের নিচে একটি আশ্রম স্থাপন করেন। তিনি এখানে বৈষ্ণব ধর্ম প্রচার ও সাধনা শুরু করেন। বর্তমানে, প্রতি বছর দোল পূর্ণিমা, গঙ্গা-সড়বান এবং নবান্ন উৎসবে হাজারো ভক্ত এখানে সমবেত হন। আশ্রমটির মন্দির, বিশাল পুকুর এবং ভক্তশালার পাশাপাশি মনোরম পরিবেশ দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে।
৪. বনপাড়া লুর্দের রাণী মা মারিয়া ধর্মপল্লী:
১৯৪০ সালে প্রতিষ্ঠিত বনপাড়া লুর্দের রাণী মা মারিয়া ধর্মপল্লী নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম উপজেলার একটি প্রধান খ্রিষ্টীয় ধর্মীয় স্থান। এটি বর্তমানে একটি তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত এবং প্রতিবছর বিপুল সংখ্যক খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী এখানে সমবেত হন। এখানে সামাজিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, যা স্থানীয় জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
৫. রাণী ভবানী রাজবাড়ী:
১৭০৬-১৭১০ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত রাণী ভবানী রাজবাড়ী নাটোর শহরের অন্যতম ঐতিহাসিক স্থাপনা। রাণী ভবানী, রাজা রামকান্তের মৃত্যুর পর রাজবাড়িটি পরিচালনা করেন এবং এটি তার নেতৃত্বে নবজীবন লাভ করে। রাজবাড়ির বিশাল আঙিনা, প্রাসাদ এবং মন্দিরগুলি এখনো পর্যটকদের আকর্ষণ করে। এটি বর্তমানে যুবপার্ক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং স্থানীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে। রাজবাড়ী সংলগ্ন শ্যামসুন্দর মন্দির ও তারকেশ্বর শিব মন্দির রাজবাড়ির ধর্মীয় গুরুত্ব-ও বৃদ্ধি করে।
৬.শহীদ সাগর:
শহীদ সাগর, নাটোর জেলার গোপালপুরে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান, যা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের এক রক্তাক্ত ঘটনার স্মৃতি বিজড়িত। ৫ মে ১৯৭১ সালে পাকবাহিনী নর্থ বেঙ্গল চিনি কারখানার এলাকায় গণহত্যা চালায়, যেখানে অনেক নিরপরাধ মানুষ নিহত হয়। এই পুকুরটি ছিল সেই সময়ের এক বিভীষিকাময় দৃশ্যের সাক্ষী, এবং বর্তমানে এটি শহীদ সাগর নামে পরিচিত। মুক্তিযুদ্ধের এই নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞের স্মৃতি স্মরণে এখানে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মিত হয়েছে, যা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের নৃশংসতা স্মরণ করিয়ে দেয়।
৭. হালতি বিল:
হালতি বিল, নাটোর জেলার নলডাঙ্গা ও বড়াইগ্রাম উপজেলার সীমান্তে অবস্থিত একটি বিস্তৃত জলাভূমি। এটি প্রায় ৮,০০০ হেক্টর এলাকায় বিস্তৃত এবং বর্ষাকালে সম্পূর্ণ পানিতে পূর্ণ হয়ে ওঠে। এখানে নৌকা ভ্রমণ এবং মাছ ধরে অবকাশ যাপন অত্যন্ত জনপ্রিয়। হালতি বিল বর্তমানে স্থানীয় পর্যটন শিল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। এছাড়া এটি প্রকৃতি প্রেমীদের জন্য একটি আদর্শ স্থান, যেখানে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ এবং অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়।
৮. নাটোর রাজবাড়ী:
নাটোর রাজবাড়ী, বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের নাটোর জেলার মূল শহরের কেন্দ্র থেকে কিছুটা দক্ষিণে অবস্থিত, এটি ১৮শ শতাব্দীর শেষের দিকে রাজা শিবনারায়ণ সাহা কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তখন থেকেই এটি নাটোর জেলার শাসনকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। নাটোর রাজবাড়ী তার ইতিহাস, স্থাপত্য এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য দিয়ে আজও দর্শনার্থীদের সমানভাবে আকৃষ্ট করে।
৯. চলনবিল:
বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ জলাভূমি, চলনবিল নাটোর জেলার একটি অন্যতম আকর্ষণীয় ভ্রমণস্থল, যা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং জীববৈচিত্র্যের জন্য বিখ্যাত। এটি নাটোর, সিরাজগঞ্জ এবং পাবনা জেলার মধ্যে বিস্তৃত একটি বিশাল জলাভূমি এলাকা। বিশেষ করে বর্ষাকালে, চলনবিল পানিতে পূর্ণ হয়ে যায়, আর শুষ্ক মৌসুমে এটি বিরাট বিলের আকার নেয়। এখানে রয়েছে অসংখ্য নদী, খাল, পুকুর এবং জলাভূমি, যা স্থানীয় কৃষক এবং মাছচাষিদের জীবিকার উৎস।
১০. গ্রিন ভ্যালী পার্ক:
গ্রিন ভ্যালী পার্ক, নাটোর জেলার লালপুর উপজেলা সদর থেকে মাত্র ২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত একটি মনোরম বিনোদন কেন্দ্র। এটি প্রায় ১২৩ বিঘা জমির ওপর বিস্তৃত এবং এখানে বিভিন্ন বয়সী দর্শনার্থীদের জন্য নানা রকমের রাইডের ব্যবস্থা রয়েছে। পার্কটির মধ্যে প্রায় ৩০ একর জায়গাজুড়ে একটি চমৎকার লেক এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ দর্শনার্থীদের জন্য একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করে। পরিবারসহ ভ্রমণের জন্য পার্কটি নিঃসন্দেহে একটি আদর্শ স্থান।
১১.উত্তরা গণভবন:
উত্তরা গণভবন, যা পূর্বে দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি নামে পরিচিত ছিল, বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন এবং কার্যলয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি প্রায় ৪৩ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত এবং এখানে ১২টি ভবন রয়েছে। রাজপ্রাসাদের নির্মাণশৈলী এবং এর চারপাশের ভাস্কর্যসমৃদ্ধ বাগান দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। এটি একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান, যার সঙ্গে দেশের রাজনীতি ও ইতিহাস গভীরভাবে জড়িত। সঙ্গত কারণেই, ভবনটি পরিদর্শনের জন্য জেলা প্রশাসনের অনুমতি প্রয়োজন হয়।
নাটোরের প্রতিটি স্থান যেন তার নিজস্ব ইতিহাস ও সংস্কৃতির গল্প বলে, আর, জীবনানন্দ দাশের কবিতায় যে বনলতা, তার স্নিগ্ধতা যেন নাটোরের প্রকৃতির প্রতিটি কোণে।
তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট
#ভ্রমণ_কথন #নাটোর #বনলতা সৌন্দর্য
(অনুমতি ছাড়া রিপোস্ট করবেন না)
েলার_ভ্রমণকথন (বিস্তারিত জানুন কমেন্টে)
11/11/2024
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে কিছু ছবি
09/11/2024
বাংলার প্রাঙ্গণ “বাংলার তথ্যপট” উদ্যোগ নিয়ে এক নবদিগন্তের সূচনা করেছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে যাত্রা শুরু হয়েছে এরই একটি নতুন শাখা “৬৪ জেলার ভ্রমণকথন”। এই শাখার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার গুরুত্বপূর্ণ ভ্রমণ স্থানগুলো সবার সামনে নিয়ে আসা। আজ "৬৪ জেলার ভ্রমণকথন" এর পঞ্চবিংশতম পর্বে থাকছে - নওগাঁ জেলা।
বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চলের এক মিষ্টি শহর নওগাঁ, যেখানে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ইতিহাস ও সংস্কৃতির এক অসাধারণ মেলবন্ধন দেখা যায়। নওগাঁ শব্দের উৎপত্তি হয়েছে 'নও=নতুন ' (নও ফারসি শব্দ) এবং ' গাঁ=গ্রাম' শব্দ থেকে। শব্দ দুটির অর্থ হলো নতুন গ্রাম। অসংখ্য ছোট ছোট নদীর লীলাক্ষেত্র এ অঞ্চল। আত্রাই নদীরতীরবর্তী এলাকায় নদীবন্দর এলাকা ঘিরে নতুন যে গ্রাম গড়ে উঠে,কালক্রমে তাই নওগাঁ শহর এবং সর্বশেষে নওগাঁ জেলায় রূপান্তরিত হয়। নওগাঁ শহর ছিল রাজশাহী জেলার অন্তর্গত। কালক্রমে এ এলাকাটি গ্রাম থেকে থানা এবং থানা থেকে মহুকুমায় রূপ নেয় এবং হয় উঠে গর্বিত ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক।
**পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার**
পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারটি নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলা থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।এটি দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় বৌদ্ধ বিহার, যা ৯ম শতাব্দীতে পাল রাজা ধর্মপাল দ্বারা প্রতিষ্ঠিত। স্যার কানিংহাম ১৮৭৯ সালে এই স্থাপনাটি আবিষ্কার করেন এবং ১৯৮৫ সালে এটি UNESCO বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়।
**দিব্যক জয়স্তম্ভ**
নওগাঁ জেলা থেকে প্রায় ৩৩ কিলোমিটার দূরে পত্নীতলা উপজেলার দিবর দীঘির মাঝখানে বাঙ্গালী আভিজাত্যের প্রতীক দিব্যক জয়স্তম্ভ বা দিবর স্তম্ভ অবস্থিত।প্রায় ৬০ বিঘা জায়গার জুড়ে বিস্তৃত পাল আমলে খননকৃত দেবর দীঘি স্থানীয়দের কাছে কর্মকারের জলাশয় নামেও পরিচিত।তবে দিব্যক রাজার বিজয়লাভের স্মৃতি চিহ্ন হিসেবে দিব্যক জয়স্তম্ভ অধিক পরিচিত।
**রবি ঠাকুরের কুঠিবাড়ী**
নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলায় পতিসর গ্রামে নাগর নদীর তীরে অবস্থিত রবি ঠাকুরের কুঠিবাড়ী বাংলাদেশের একটি অন্যতম সংরক্ষিত পুরাকীর্তি।বর্তমানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি বিজড়িত এই কুঠিবাড়ী প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। প্রতিবছর ২৫ বৈশাখ কবির জন্মদিনে পতিসরে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও লোকজ মেলায় দূর দূরান্ত থেকে অসংখ্য দর্শনার্থীর আগমন ঘটে।
**বলিহার রাজবাড়ি**
নওগাঁ জেলা শহর থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে বলিহার ইউনিয়নে প্রাচীন বলিহার রাজবাড়ি অবস্থিত।এই রাজবাড়ি সম্রাট আওরঙ্গজেব কর্তৃক জায়গির লাভ করা বলিহার জমিদারের তৈরি একটি প্রাচীন রাজবাড়ি, যা এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।
**কুসুম্বা মসজিদ**
নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলাধীন ৮ নং কুশুম্বা ইউনিয়নের কুশুম্বা গ্রামে কুসুম্বা মসজিদের অবস্থান।সুলতানি আমলের ঐতিহাসিক মসজিদ, যা ১৫৫৮ সালে নির্মিত এবং বাংলাদেশের পাঁচ টাকার নোটে তার ছবি মুদ্রিত রয়েছে।
**জগদ্দল বিহার**
নওগাঁ জেলা সদর থেকে ৫২ কিলোমিটার দূরে ধামইরহাট উপজেলার একটি প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান জগদ্দল বিহার। প্রায় নয়শ বছরের প্রাচীন এই স্থাপত্য নিদর্শন স্থানীয়দের কাছে বটকৃষ্ণ জমিদার বাড়ীর ধ্বংসাবশেষ হিসাবেও পরিচিত।মূলত জগদ্দল মহাবিহার ১১শ থেকে ১২শ শতাব্দীর দিকে প্রতিষ্ঠিত একটি বৌদ্ধ বিহার ও শিক্ষা কেন্দ্র।
**পাহাড়পুর জাদুঘর**
নওগাঁ জেলায় অবস্থিত দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় ও প্রাচীন পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারের কাছে ষাটের দশকে বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীনে পাহাড়পুর জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়। নওগাঁ থেকে প্রায় ৩৩ কিলোমিটার দূরে পাহাড়পুর ইউনিয়নের পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত এই জাদুঘরে সংরক্ষিত বিভিন্ন প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো আগত দর্শনার্থীদের কাছে প্রধান আকর্ষণ।
**আলতাদীঘি**
নওগাঁ জেলাস্থ ধামইরহাট উপজেলা সদর থেকে মাত্র ৫ কিলোমিটার দূরত্বে আলতাদীঘি অবস্থিত।আলতাদীঘির নামানুসারে আলতাদীঘি গ্রামের নামকরণ করা হয়।এটি একটি প্রাচীন দীঘি যা বৌদ্ধ যুগের কীর্তি হিসাবে মনে করা হয়, এবং বর্তমানে এটি একটি জাতীয় উদ্যান হিসেবে গড়ে উঠেছে।
**ডানা পার্ক**
নওগাঁ জেলা শহরের ভবানীপুর গ্রামে প্রায় ১০ বিঘা জায়গাজুড়ে ডানা পার্ক গড়ে তোলা হয়েছে। এটি একটি জনপ্রিয় বিনোদন পার্ক, যেখানে বিভিন্ন রাইড, প্রাকৃতিক দৃশ্য, এবং প্রাণীর ভাস্কর্য রয়েছে।
**তালগাছের রাস্তা**
নওগাঁর নিয়ামপুর উপজেলার হাজিনগর গ্রামের ঘুঘু ডাঙার তালতলীতে এ রাস্তা অবস্থিত। এ রাস্তা ধরে দুধারে সারি সারি তাল গাছ। দেখে মনে হবে যেন তাল গাছের সাম্রাজ্য। এ এক অন্যান্য দর্শনীয় স্থান।
**ধামইরহাটের ঝর্ণ**
নওগাঁ জেলার ধামইরহাট উপজেলায় অবস্থিত এক অদেখা ঝর্ণা, যা প্রকৃতির এক অপূর্ব দৃশ্য উপস্থাপন করে। ঝর্ণাটির চারপাশে গাছপালা, পাহাড় এবং পাথরের মধ্যে দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়, যা এখানে ভ্রমণকারীদের জন্য এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা হয়ে থাকে।
**তানোরের বনাঞ্চল**
নওগাঁ জেলার তানোর উপজেলায় বিস্তৃত বনাঞ্চল ও গ্রামীণ পরিবেশ, প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য আদর্শ স্থান। এই অঞ্চলের ছোট ছোট জলপ্রপাত, বনভূমি এবং নানান প্রজাতির বন্যপ্রাণী এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা দেয়।
**দুর্গাপুর কেল্লা**
নওগাঁ জেলার দুর্গাপুর উপজেলা রয়েছে একটি প্রাচীন দুর্গ। দুর্গাপুর কেল্লা বা দুর্গাপুর ফোর্ট তার অবকাঠামো ও ইতিহাসের জন্য বিখ্যাত। এটি নির্মিত হয়েছিল বাংলার শাসকদের সময়ে, এবং এটি এখন ঐতিহাসিক স্থাপনা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
**পাঁচবিবি মন্দির**
নওগাঁ জেলার পাঁচবিবি উপজেলার ঐতিহাসিক পাঁচবিবি মন্দির, এক অতি পুরনো ধর্মীয় স্থান। এটি শাক্ত ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র তীর্থক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত। এখানে প্রতি বছর অসংখ্য ভক্তের সমাগম ঘটে বিশেষ করে অষ্টমী তিথিতে।
বিখ্যাত এবং ঐতিহাসিক ব্যক্তিদের স্মৃতিবিজড়িত এক ভান্ডার নওগাঁ জেলা।যেখানে ইতিহাস,স্মৃতি,সময় এবং নিদর্শন সংরক্ষিত আছে শতবছর ধরে। স্মৃতিবিজড়িত এই স্থানগুলো এক একটি অতীতের রত্নভাণ্ডার।কালের স্রোতে কিছু হারিয়ে গেলেও এখনোও স্মৃতি হিসেবে সংরক্ষিত আছে অনেক ইতিহাস ও ঐতিহ্য যা ভ্রমণ পিপাসুদের মোহিত করে রাখে এবং প্রদান করে এক মনোমুগ্ধকর অভিজ্ঞতা।
তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট,ভ্রমণ গাইড
#ভ্রমণ #নওগাঁ
(অনুমতি ছাড়া রিপোস্ট করবেন না)
েলার_ভ্রমণকথন (বিস্তারিত জানুন কমেন্টে)
04/11/2024
বাংলার প্রাঙ্গণ “বাংলার তথ্যপট” উদ্যোগ নিয়ে এক নবদিগন্তের সূচনা করেছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে যাত্রা শুরু হয়েছে এরই একটি নতুন শাখা “৬৪ জেলার ভ্রমণকথন”। এই শাখার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার গুরুত্বপূর্ণ ভ্রমণ স্থানগুলো সবার সামনে নিয়ে আসা। আজ "৬৪ জেলার ভ্রমণকথন" এর চতুর্বিংশতম পর্বে থাকছে - ঠাকুরগাঁও জেলা।
নীলের দেশ নীলফামারী জেলা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও ভূ-সংস্থান বেশ সমৃদ্ধ।নীলফামারী জেলা, বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত একটি প্রাচীন শহর।এই জেলার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ভ্রমণকারীদের জন্য আকর্ষণীয় এবং ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করে। নীলসাগর, তিস্তা ব্যারেজ, ধর্মপালের গড়, চীনা মসজিদ, ময়নামতির দুর্গ, এবং কুন্দুপুকুর মাজারসহ আরও অনেক স্থানের মাধ্যমে নীলফামারী দর্শনার্থীদের জন্য একটি অনন্য অভিজ্ঞতা প্রদান করে।
**কুন্দুপুকুর মাজার**
নীলফামারী সদর উপজেলার কুন্দুপুকুর ইউনিয়নে অবস্থিত কুন্দুপুকুর মাজার, ইসলামের মহান সাধক মহিউদ্দিন চিশতির (রাঃ) স্মৃতিস্তম্ভ। স্থানীয়রা একে 'কুন্দুপুকুর মাজার' নামে জানে। প্রতিবছর মাঘ মাসের ৫ তারিখে এখানে বার্ষিক ওরশ অনুষ্ঠিত হয়, যা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের সমাগম ঘটায়।
**সৈয়দপুরের ক্যাথলিক গির্জা**
নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরে অবস্থিত ক্যাথলিক গির্জা, ১৮৮৬ সালে নির্মিত। এটি দেশের উত্তরাঞ্চলের প্রাচীনতম গির্জা, যা ব্রিটিশ শাসনামলে গড়ে উঠেছিল। সৈয়দপুরের ব্যবসা ও বাণিজ্যের কেন্দ্রস্থলে এটি অবস্থিত এবং রেলওয়ে কারখানার কাছে অবস্থান হওয়ায় এই অঞ্চলের গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পেয়েছিল।
**হরিশ্চন্দ্রের পাঠ**
জলঢাকা উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নে অবস্থিত হরিশ্চন্দ্রের পাঠ, একটি প্রাচীন রাজবাড়ির ধ্বংসাবশেষ। এটি রাজা হরিশ্চন্দ্রের সঙ্গে জড়িত লোককথার জন্য পরিচিত। এখানে একটি শিব মন্দির রয়েছে, যা স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের উদ্যোগে নির্মিত হয়েছিল।
**ধর্মপালের গড়**
ধর্মপাল ইউনিয়নে অবস্থিত ধর্মপালের গড় একটি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। এটি পাল রাজাদের ইতিহাসকে ধারণ করে এবং ১৯৯০ সালে এর খনন শুরু হয়। এই স্থানের কাছেই প্রাচীন বৌদ্ধ মন্দিরের ধ্বংসাবশেষও রয়েছে।
**সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা**
বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম রেলওয়ে কারখানা সৈয়দপুরে অবস্থিত, যা ১৮৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি দেশের রেলওয়ে ব্যবস্থা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এখানে পর্যটকরা আসেন শিল্প ইতিহাসের সঙ্গে পরিচিত হতে।
**নীলসাগর**
গোড়গ্রাম ইউনিয়নে অবস্থিত নীলসাগর একটি ঐতিহাসিক দিঘী। ধারণা করা হয়, এটি অষ্টম শতাব্দীতে খনন করা হয়েছিল। বর্তমানে, এটি অতিথি পাখিদের অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত এবং স্থানীয়দের কাছে বিনোদনের কেন্দ্র।
**তিস্তা ব্যারেজ**
তিস্তা নদীর উপর নির্মিত তিস্তা ব্যারেজ বাংলাদেশের সবচেয়ে বৃহত্তম সেচ প্রকল্প। এটি কৃষিতে সেচ সুবিধা প্রদান করে এবং এর আশেপাশের সবুজ বেষ্টনি দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে।
**চিনি মসজিদ**
১৮৬৩ সালে নির্মিত চিনি মসজিদ সৈয়দপুরের ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্যের এক উদাহরণ। এর নির্মাণে ব্যবহৃত চিনামাটির কারুকার্য আজও দর্শকদের মুগ্ধ করে।
দুইশতাধিক বছর পূর্বে উর্বর ভূমি , নীল চাষের অনুকূল হওয়ায় ইংরেজরা যে 'নীলকুঠি ' বা 'নীল খামার ' গড়ে তোলে, সেই নীল খামার কৃষকদের মুখে মুখে অপভ্রংশ হয়ে আজকের নীলফামারীতে রূপান্তর হয়েছে। নীলের দেশ নীলফামারী শুধু ভ্রমণের জন্য নয়, বরং ইতিহাস এবং সংস্কৃতির এক অনন্য নিদর্শন। নীলফামারী নতুন অভিজ্ঞতা ও স্থাপত্যের সৌন্দর্য উপভোগ এর জন্য একটি আদর্শ গন্তব্য।
তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট,ভ্রমণ গাইড
#ভ্রমণ #নীলফামারীটি
(অনুমতি ছাড়া রিপোস্ট করবেন না)
েলার_ভ্রমণকথন (বিস্তারিত জানুন কমেন্টে)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Natore, Rajshahi, Bangladesh
Natore
6400