Aysheetv.com
সত্যনিষ্ঠা সংবাদ পরিবেশন ও অধিকার বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের উদ্দেশ্য।
27/02/2026
আলহামদুলিল্লাহ! আজ শেষ হতে যাচ্ছে রহমতের ১০ রোজা।
আল্লাহ কবুল করুন।
আমিন।
26/02/2026
সাংবাদিকতার জন্য প্রয়োজন সততা, সত্যনিষ্ঠতা ও সৎ সাহসিকতা
20/02/2026
আজ ২১শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নাটোর কানাইখালী ষ্টেডিয়ামে অবস্থিত শহীদ মিনারের বেদীতে।
আজ একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহীদদের স্মরণে নাটোর কানাইখালি স্টেডিয়ামে অবস্থিত শহীদ মিনারের বেদীতে নাটোর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ভাষা শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত।
21/12/2025
নির্বাচনী আসন ৫৮ নাটোর-১ বিএনপি'তে আরও এক চমক এএসএম জাহাঙ্গীর হোসেন মানিক'
নিজস্ব প্রতিবেদক:
নির্বাচনী আসন ৫৮ নাটোর-১ লালপুর-বাগাতিপাড়া বিএনপি'তে চলছে মিছিল মিটিং আর প্রতিবাদের ঝড়। দলীয় মনোয়ন নিয়ে চলছে চুর চেরা বিশ্লেষণ। কাকে নমিনেশন দেওয়া হলো, কাকে দেওয়া উচিৎ ছিল। কে আছে দলীয় ভোটের পাল্লায় শক্ত অবস্থানে এত সব বিশ্লেষণের মধ্যে একটি নতুন চমক হয়ে সামনে আসতে পারে এএসএম জাহাঙ্গীর হোসেন মানিক'এর নাম।
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নাটোর-১ লালপুর-বাগাতিপাড়ায় বিএনপি দলীয় নির্বাচনী 'ধানের শীষ' প্রতীক বরাদ্দের পর সমস্ত নির্বাচনী এলাকায় প্রতীবাদর ঝড় উঠেছে। সাহেব মন্ত্রী ফজলুর রহমান পটলের মৃত্যুর পর বিগত ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে তাঁর সহধর্মিণী অধ্যাপক মিসেস কামরুন্নাহার শিরিনকে দলীয় প্রতীক বরাদ্দ দিলেও তিনি আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মোঃ শহিদুল ইসলাম বকুলের কাছে পরাজিত হন। অনেকেই ভেবেছিলেন, আগামী দিনে লালপুর বাগাতিপাড়ায় ধানের শীষের কান্ডারী হবেন তাঁর উত্তরসূরী হিসেবে ছেলে ডাঃ ইয়াসির আরশাদ রাজন অথবা দলের সহ-দফতর সম্পাদক এবং পটল পরিবারের বিশ্বস্ত খ্যাত বিএনপির ঢাকা টু লালপুর বাগাতিপাড়ার রাজনীতিতে সরগরম মোঃ তাইফুল ইসলাম টিপু। কিন্তু মা'য়ের নির্বাচনী মাঠে ভাই রাজনের পাশে থেকে ব্যারিস্টার ফারহানা শারমিন পুতুল আস্তে আস্তে অনেকের প্রিয়ভাজন হয়ে উঠেন। দলের একটি পক্ষ তাঁকে আগামী দিনের স্বপ্ন দেখাতে থাকে। ফলে তার মধ্যে জাগ্রত হয় রাজনৈতিক নেতৃত্বের আকাঙ্খা।
এরই মধ্যে দলের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে দুই উপজেলার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে এবং পৌর নির্বাচনে অংশ নেওয়াকে কেন্দ্র করে উদীয়মান নেতৃত্ব জাহাঙ্গীর হোসেন মানিক (বাগাতিপাড়া), মোঃ আরিফুল ইসলাম আরিফ (লালপুর), মোঃ শরিফুল ইসলাম লেলিন (বাগাতিপাড়া পৌর) ও মোঃ মঞ্জুরুল ইসলাম বিমল (লালপুর পৌর) দল থেকে বহিষ্কৃত হন। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে উভয় উপজেলার বেশ কয়েক জন জনবিচ্ছিন্ন বিএনপি নেতা নিজেদের জনসম্মুখে দাঁড় করাতে পুতুলকে তুরুপের তাস হিসাবে ব্যবহার করে। পুতুলও নিজেকে লালপুর- বাগাতিপাড়ার মোড়ল ভাবতে শুরু করে এবং বহিস্কৃত নেতাদের চরিত্র হননের কাজে নিজেকে লিপ্ত করে। ফলে বহিস্কৃত নেতারা নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে পুতুলের বাইরে দু'টি বলয় তৈরী করে নীরবে বসে থাকে। সেই বলয়ের নেতৃত্বে সামনে আনে রাজন ও টিপুকে।
জুলাই বিপ্লবের পরবর্তী সময়ে বিএনপি যখন আগামীদিনের রাষ্ট্র ক্ষমতায় যাওয়ার প্ল্যান প্রোগ্রাম করে ছক তৈরী করতে শুরু করে, পুতুল তখন বহিস্কৃত নেতাদের বিব্রত করে দলীয় হাই কমান্ডের সাথে সম্পর্ক জোদ্দার করে বেশ কিছু পদ পদবী হাতিয়ে নেয় এবং জন বিচ্ছিন্ন একটি গোষ্ঠিকে সামনে এনে এলাকার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কমিটি বাণিজ্য করে অর্থনৈতিক ভাবে সাবলম্বি হয়ে ওঠে। কৌশলে মিটিং আর মিছিলের নেতৃত্বে সামনে এসে নিজের ভাইকেও দলীয় প্রতিদ্বন্দ্বীয় মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে ফেলে। ফলে বিএনপির রাজনীতি তিনটি মেরুকরণে বিভক্ত হয়ে পড়ে। পুতুল দলীয় প্রতীক নিশ্চিত করার পর তাইফুল ইসলাম টিপু, ইয়াসির আরসাদ রাজন ও বহিষ্কাকৃত নেতাদের মধ্যে পুতুল বিরোধী ঐক্যের কঠিন বলয় আরও সুদৃঢ় হয়। এই ঐক্যের পতাকা এখন বহিষ্কৃতের হাতে তা আঁচ করতে পেরে পুতুল সমর্থকরা প্রতিদিন ভিড় করছে তাঁদের কাছে। কিন্তু তারাঁ অনড় পুতুলের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে। তাদের এই ঐক্য যদি অমলিন থাকে আর টিপু-রাজন পুতুলের মঞ্চে বসে তবু কর্মীরা রয়ে যাবে বহিস্কৃত দু'পাশে। ফলে বিগত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ন্যায় এবারের জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচনী আসন ৫৮ নাটোর-১ বিএনপি'তে বহিষ্কৃত নেতা এএসএম জাহাঙ্গীর হোসেন মানিক' আবারও চমক দেখাতে পারে।
16/12/2025
"মহান বিজয় দিবসের চেতনা-
বাঙালী ও বাংলা ভাষার অনুপ্রেরণা"
মোঃ আব্দুস শহীদ (লেখক ও বিশ্লেষক)
১৬ই ডিসেম্বর'২০২৫ খ্র্রিঃ
""""""""""""""""""""""""""""""""""""
আজ ১৬ই ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবস, প্রতিবছরই যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। ৫৪ বছরের বর্ণাঢ্য ইতিহাসের সূতিকা বিনির্মিত হয়েছিল ১৯৪৮ সালে মহান ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। বৈষম্যের বিরুদ্ধে সেটি ছিল বাঙালির প্রথম পথ হাঁটা। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারী ছাত্র জনতা ১ম বিপ্লবে বিজয়ের মধ্য দিয়ে নিজেরা বাঙালী জাতিকে সামর্থবান করে তুলে এবং বাংলা ভাষার চুড়ান্ত বিজয় বিশ্বের ইতিহাসে একটি নজির সৃষ্টি করে। ১৯৫৬ সালে সালে শাসকগোষ্ঠী বাংলাকে রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দান করে।
তার ১৯৫৮ সালে আইয়ুব খান সামরিক আইন জারি করে গনতন্ত্রের বুকে প্রথম পেরেকটি বিদ্ধ করেছিলো। একটানা ১১টি বছর ক্ষমতায় থেকে নিজেকে স্বৈরশাসক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। পূর্ব পাকিস্তান (বাংলাদেশ) এর মানুষ সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের শিকার হয়ে আস্তে আস্তে বিদ্রোহী হয়ে ওঠে। ১৯৬৬ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের ৬দফা ছিল পূর্ব পাকিস্তানের জনগনের মুক্তির সনদ। আইয়ুব খান বাঙালীদের উপর নির্যাতনের মাত্রা বাড়িয়ে দিল। জেল, জুলুম নির্যাতন উপেক্ষা করে তাঁরা শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে সংগঠিত হলো। মুজিবকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় দেশদ্রোহী হিসেবে আসামী করে গ্রেফতার কর হলো।
জেলের বাইরে থেকে মৌলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী আন্দোলনক বেগবান করে। ১১ দফার ছাত্র আন্দোলন গন বিস্ফোরণে রূপান্তরিত হলো। ৬৯-এর গন অভ্যুত্থানে মতিউর রহমান নামে একজন ছাত্র প্রাণ দিয়েছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আসাদ ও শহীদ হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত আইয়ুব খান শেখ মুজিবুর রহমান সহ সকল রাজ বন্দীদের দিয়ে ১৯৬৯-এর ২৫শে মার্চ পাকিস্তান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ইয়াহিয়া খান এর উপর ক্ষমতান দিয়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল।
১৯৭০ সালের ১২ই নভেম্বর ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে পূর্ব পাকিস্তানের উপকূলীয় অঞ্চলে ১০ লক্ষ মানুষ মারা গিয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে ১৯৭০ সালের ৭ই ডিসেম্বর সারাদেশের সাধারণ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তানের ১৬২ আসনের মধ্যে ১৬০টি সহ মোট ১৬৭টি, জুলফিকার আলী ভুট্টোর পিপলস পার্টি ৮৮ টি ও অন্যান্য দল ৫৮টি আসন পেয়েছিল ।
ইয়াহিয়া খান ভোট ভুট্টো সাহেবের প্ররোচনায় পূর্ব পাকিস্তানের নেতা মুজিবুরকে শাসক হিসাবে নিরাপদ মনে করলেন না।
৩রা মার্চ জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা বলেও একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের স্মরণে ফুল দিতে আসা বাঙালির ঢল দেখে তিনি বিস্মিত হলো এবং ১লা মার্চ অধিবেশন স্থগিত করলো। শেখ মুজিবুর রহমান ৫ দিনের হরতাল ও অসহযোগ আন্দোলন ঘোষণা দিলেন।
২রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক বটতলায় শাহজাহান সিরাজের নেতৃত্বে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করলেন এবং ৩রা মার্চ ছাত্রলীগের জনসভায় কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের "আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি" গানটি পরিবেশন করলেন।
৫দিন হরতালের পর ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এক বিশাল সমুদ্রে ঐতিহাসিক ভাষণে স্বাধীনতা রুপরেখা ঘোষণা করলেন। ৯ই মার্চ পল্টন ময়দানে পশ্চিম পাকিস্তানিদের স্বতন্ত্র শাসনতন্ত্র প্রস্তুত করার প্রস্তাব দিলেন। ১৫ই মার্চ ইয়াহিয়া খান নিজেই ঢাকায় আলোচনার জন্য আসার কথা বলে সৈন্য সমাবেশ ঘটাতে শুরু করলেন। ১৯ মার্চ জয়দেবপুরে বাঙালী সেনারা বিদ্রোহ ঘোষণা করে। তাঁদের সাথে ঢাকা থেকে আগত সেনাদের সংঘর্ষে অনেক মানুষ শহীদ হন। ২৩শে মার্চ পাকিস্তান দিবসে পূর্ব পাকিস্তানের কোথাও পাকিস্তানি পতাকা উত্তোলন করা হয়নি। ২৪ শে মার্চ ঢাকা শহর ছিল একদমই থমথমে।
গণহত্যার জন্য জেনারল ইয়াহিয়া ২৫ শে মার্চকে শুভ রাত্রী হিসেবে বেছে নিয়েছিল। গভীর রাতে শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে এবং ঢাকা শহরে বোমা ও গ্রেনেড হামলা করে নরকীয় ভাবে গনহত্যা চালানো হয়।
২৬শে মার্চ চট্টগ্রামে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে পাকিস্তানি সেনা অফিসারদের গ্রেফতার করে স্বাধীনতার পক্ষে বিদ্রোহ ঘোষণা কর হয়। ২৭শে মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধু পক্ষে মেজর জিয়া স্বাধীন বাংলাদেশের ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।
দীর্ঘ ৯মাস ও মুক্তি সংগ্রামের পর ৩রা ডিসেম্বর ভারতীয় বাহিনী বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে আকাশ ও স্থল সীমানায় সৈন্য প্রেরণ করে।
পাক হানাদার বাহিনী তাদের পরাজয় নিশ্চিত ভেবে বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করার জন্য বুদ্ধিজীবী হত্যার পরিকল্পনা করে এবং তারই ধারাবাহিকতায় সারাদেশে সাংবাদিক, লেখক ও সমাজে এলিটদের হত্যা করে এবং ১৪ই ডিসেম্বর এক রাতে ঢাকা শহরে প্রায় ১৫০ জন বুদ্ধিজীবীকে টেনে হেচড়ে নিয়ে মিরপুরের ডোবা ও রায়ের বাজার ইট খোলায় গুলি করে ও গ্রনেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করা হয়।
সুদীর্ঘ নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লক্ষ বাঙালি বুকের তাজা রক্ত বিলিয়ে দেয় এবং ২লক্ষ মা বোন তাঁদের সম্ভ্রম হারায়। সর্বপরি, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি সেনারা মিত্রবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। বাঙালী বিজয় অর্জন করে। আজ সেই গর্বিত দিবস।
ভাষা আন্দোলন বাঙালী জাতির বৈষম্য বিরোধী প্রথম আন্দোলন। তাই বলা হয় মহান বিজয় দিবসের চেতনা বাঙালীর বাংলা ভাষার অনুপ্রেরণা" থেকেই জন্ম লাভ করেছে।
মোঃ আব্দুস শহীদ
নাটোর মহান বিজয় দিবস উদযাপন।
মাননীয় জেলা প্রশাসক নাটোর জনাব আসমা শাহীন।
মহান বিজয় দিবসের প্রথম প্রহরে নাটোর জেলার প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করছেন-
মাননীয় জেলা প্রশাসক নাটোর জনাব আসমা শাহীন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Natore