RITON mostofa

RITON mostofa

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from RITON mostofa, Beauty, cosmetic & personal care, Natore.

26/04/2022

" স্যান্ডেল সমাচার "
- রিটন মোস্তফা

ভেবেছিলাম বাড়ির গেটে গিয়ে স্যান্ডেল খুলব। লপটপট করছিলো এক পাশে ছিঁড়ে যাবার কারণে।

শেষপর্যন্ত আমাকে স্যান্ডেলের কাছেই হার মানতে হল। বর্তমানে স্যান্ডেল তার গত জীবনের শোধ নিচ্ছে আমার বগলের নীচে। আর আমি খালি পায়ে এই গরমের মধ্যেই উত্তপ্ত রাস্তায় হাঁটছি। যতই দ্রুত বাড়িতে পৌঁছাতে চাচ্ছি ততটাই মনে হচ্ছে আমার কাছ থেকে আমার নিবাস (বাড়ি) দূরে সরে যাচ্ছে।

এটা স্যান্ডেলের নিয়তি না আমার নিয়তি- বুঝতে পারছি না।

- রিটন মোস্তফা

24/04/2022
20/04/2022

আজ সকালে তোমার টেনশন করতে গিয়ে
টুথপেষ্ট ভেবে সেভিংক্রিম দিয়ে দাঁত ব্রাশ করেছি.....।

আর তুমি কি না এখবর শুনে হেসেই খুন..?

- রিটন

আবারও - কথা ও কন্ঠঃ রিটন মোস্তফা 20/04/2022

ভিডিওটি দেখুন। পাশাপাশি চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করলে কৃতজ্ঞ থাকব।
𝓻𝓲𝓽𝓸𝓷 𝓶𝓸𝓼𝓽𝓸𝓯𝓪

আবারও - কথা ও কন্ঠঃ রিটন মোস্তফা আবারও - কথা ও কন্ঠঃ রিটন মোস্তফাশব্দনগর DETAILS-personal website and ours ://riton.livehttps://shabdonagor.comhttps://exhausted- page https://...

16/04/2022

স্রষ্টার খোঁজে. ...

পরমাণুর থেকেও ছোট্ট একটি বিন্দুর মধ্যে হঠাৎই বিকশিত হওয়া এবং সেটা সেকেন্ডের হাজার ভাগের এক ভাগ সময়ের মধ্যেই বিস্ফোরিত হবার মাধ্যমেই এই ব্রহ্মান্ড এবং সেই সাথে "সময়, কাল, স্পেস এবং বিভিন্ন অস্তিত্বের আবির্ভাব " আমরা আগের পর্বে আলোচনা করেছি। এখন এই ব্রহ্মান্ডের সব থেকে লাকি এবং "রকি প্লানেট" পৃথিবীর সৃষ্টি এবং সেখানে জীবনের বিকাশ আলোচনা করবো। অবশ্যই এটা বিজ্ঞানের ভাষায়।

আজ থেকে প্রায় ৪.৫ মিলিওন বছর আগে থেকে শুরু করি চলুন। যখন পৃথিবীর নিজের-ই প্রথম অস্তিত্বের শুরুটা হচ্ছিল। তখন পৃথিবীর ঐ প্রথম অস্তিত্বের অবস্থান আজকের থেকে কিছুটা সূর্যের কাছাকছি ছিল। এবং ঐসময় পৃথিবীর অভন্তরিণ তাপমাত্রা অত্যন্ত বেশী ছিলো, যেটা আগুনের একটা গোলক বলে ধরে নিতে পারেন। শুধু তাই নয়, ঐ সময় পৃথিবীর বুকে ক্রমাগত ব্রহ্মান্ডের বিভিন্ন দিক থেকে ছুটে আসা লাগাতার বিভিন্ন আকৃতির "এস্ট্রোয়েডের" বৃষ্টি চলছিলো, যেটা পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ আকৃতির বৃদ্ধির কাজটাও করছিলো। বেশ একটা লম্বা সময় ধরে ছোট বড় এস্ট্রোয়েডের বৃষ্টি পৃথিবীর "প্রথম অস্তিত্বে" আঘাত করছিলো। এক সময় ঐ উত্তপ্ত গোলকটি, যেটা আমরা সূর্যের একটি গ্রহ বলে থাকি, সেই গ্রহের প্রথম পূর্ণ রূপ নেয়। অর্থাৎ সূর্যের একটি গ্রহে পরিণত হয় আমাদের প্রথমের সেই উত্তপ্ত পৃথিবীটি। তবে তখনও এই নতুন গ্রহটিতে জীবন তো দূরে থাক, জীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ যেসমস্ত জিনিসগুলোর দরকার, তা তখনও তৈরী হয়নি অথবা আসেনি। সম্পূর্ণ উত্তপ্ত একটি গ্রহ তখন আমাদের ঐ প্রথম পৃথিবী। যেটা ঐ অবস্থায় নিঃসঙ্গ ভাবে একাই একাই সূর্যেকে কেন্দ্র করে ঘুরছিল।

এই সময় পৃথিবীর সাথে ঘটে একটি একই সাথে সব থেকে ভয়ঙ্কর এবং পরে এই আমাদের বর্তমান পৃথিবীর জীবনের অস্তিত্বকে সাপোর্ট করবে সে রকম একটি ঘটনা। প্রায় মঙ্গল গ্রহের সমান একটি গ্রহ অথবা উল্কা (থিয়া) আমাদের পৃথিবীর সাথে প্রচণ্ড জোরে ধাক্কা খায়। পৃথিবীর যেই অংশে এই মহা প্রলয় বা ঐ ব্রহ্মান্ড থেকে ভীষণ দ্রুত গতিতে ছুটে আশা বিশাল অস্তিত্বটি ধাক্কা খায়, পৃথিবীর সেই অংশটি মুহূর্তের মধ্যেই টুকরো টুকরো হয়ে পৃথিবীর উপরের দিকে শূন্যে ছিটকে চলে যায়। যে হেতু পৃথিবী নিজেই একটি গ্রহতে তার আগেই রূপান্তরিত হয়ে গিয়েছিল, তাই এর সাথে সাথে তার একটি " গ্রাভাটিরও " জন্ম হয়েছিল। যেটাকে আমরা মহাকর্ষণ শক্তি বলেই চিনি। সেই শক্তির কারণে পৃথিবীর বুক চিড়ে ঐ আগন্তক দানবটি আঘাত করে যাবার সময় পৃথিবীর ঐ অংশের যে খন্ড খন্ড টুকরো গুলো মহাশূন্যে ছুটে গিয়েছিল, সেগুলোকে পৃথিবী তার গ্রাভিটির ফোর্সের টানে তার বলয়ে ভেসে বেড়াতে বাধ্য করে। আর এই ভাসমান পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া অংশগুলো এক বছর ধরে একটি স্থানে একত্রিত হতে শুরু করে। আর এই ঘটনাটা (আমি বলবো, আমাদের জন্য উত্তম ঘটনা) পৃথিবীর নির্দিষ্ট দূরত্বেই ঘটেছিল। এক সময় পৃথিবীর থেকে অনেক গুণ আকারে ছোট প্রথিবীর প্রথম কোন সঙ্গী বা সাথীর জন্ম নেয়। যেটার আকৃতিটাও পৃথিবীর মতই গোল এবং পৃথিবীর একরকম প্রেমের টানে (গ্রভিটির কারণে) পৃথিবীর কক্ষ পথে পৃথিবীকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকে। আমি জানি "থিয়া" নামের সেই গ্রহটির ধাক্কার কারণে সৃষ্টি হওয়া পৃথিবীর এই প্রেমিক অথবা প্রেমিকাকে আপনারা এতক্ষণে চিনে ফেলেছেন। রাতের আকাশে অপরূপ সৌন্দর্য নিয়ে যে আমাদের দৃষ্টিতে ধরা দেয় সেই চাঁদটাকে।

যদি বর্তমান বাস্তবসম্মত গবেষণা থেকে বলি, তাহলে বলতেই হচ্ছে, রাতের আকাশের শুধু সৌন্দর্যের জন্যই চাঁদ কাজ করে না। সে একই সাথে পৃথিবীকে তার নিজ অক্ষে থেকে শান্ত ভাবে সূর্যকে প্রদক্ষিণের জন্য একমাত্র কারণ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটা গেল পৃথিবী আর সূর্য সম্পর্কিত চাঁদের ভূমিকার কথা।

"থিয়া" নামের ঐ উল্কা অথবা গ্রহের ধাক্কা থেকে জন্ম নেওয়া চাঁদ পরে যখন পৃথিবীতে জীবনের অস্তিত্ব শুরু হবে এবং সেটা বিকশত হতে হতে মানুষ পর্যন্ত আসবে, তার পরেও চাঁদ সেই মানুষ সহ সমস্ত জীবনের অস্তিত্বকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করার কাজ করবে বা বর্তমানের দৃষ্টিকোণ থেকে বলা যায় এখনও করছে সে তার গুরুত্বপূর্ণ কাজ আমাদের রক্ষার ক্ষেত্রে। ( "যদি চাঁদ না থাকতো?" এই শিরোনামের আমার এর পূর্বের পর্বে উল্লেখ করেছি, যেখানে আপনি জানতে পারবেন পৃথিবীতে জীবনের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে চাঁদের কতটা ভূমিকা আছে )

আবার ফিরে যাই চাঁদ সৃষ্টির আগে, "থিয়া" নামক গ্রহের সাথে পৃথিবীর প্রচণ্ড জোরে ধাক্কার ফলে তো চাঁদের জন্ম নিল। কিন্ত তখনও পৃথিবীর অবস্থা অনেকটাই খারাপ। এই সময় পৃথিবীর তাপমাত্রা ভীষণ রকম উত্তপ্ত ছিলো। কিন্ত সময়ের সাথে সাথে এই তাপমাত্রার পরিবর্তন আসতে থাকে। কমতে থাকে। পৃথিবী ঠান্ডা হতে শুরু করে। ঠিক এই সময়ই পৃথিবীর বুকে একটি স্থির ভুমণ্ডলের আকৃতি পায়।

এর পর আজ থেকে প্রায় ৩.৯ বিলিয়ন বছর পূর্বে পৃথিবীর বুকে আবারও দুর্যোগ নেমে আসে। ফের আরও একবার উল্কার বৃষ্টি হতে শুরু করে। কিন্ত এই উল্কার (Meteor) বৃষ্টির সময় সেই উল্কা গুলো সাথে পৃথিবীর জন্য একটি উপহার সাথে এনেছিল। ঐ সমস্ত উল্কাপিন্ডের মধ্যে জমে থাকা বরফের "ক্রিস্টাল" ছিলো, যেই ক্রিস্টাল গুলো একত্রে পৃথিবীর বুকে জল বা পানির বড় বড় সমুদ্রের সৃষ্টি করেছিল। এবং একই সাথে ঐ উল্কাপিন্ডের সাথে পৃথিবীর বায়ু মণ্ডলের জন্য এসেছিল আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান " নাইট্রজেন গ্যাস"।

কিন্ত এর পরেও পৃথিবীতে জীবন শুরুর মতো তখনও পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি। কারণ তখনও পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে ঐ সমস্ত গ্যাসে ভরা ছিল। পাশাপাশি সমস্ত পৃথিবী তখন জলমগ্ন।

পৃথিবীর উপর এর পরেও গজব কাটেনি। আজ থেকে ৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে আবার পৃথিবীর বুকে ধেয়ে আসে উল্কার বৃষ্টি। কিন্ত এই বারেও এই সমস্ত উল্কা (Meteor) গুলো তাদের সাথে এনেছিল পৃথিবীর গুরুত্বপূর্ণ আরেকটি উপদান "খনিজ বা মিনারেলস "। এনেছিল গুরুত্বপূর্ণ কার্বন, প্রোটিন এবং এমনিও এসিড। যেগুলো পরে সমুদ্রের নীচে প্রথম জীবনের অস্তিত্ব পেতে সাহায্য করবে।

তখন সমুদ্রের তাপমাত্রা প্রচণ্ড রকম ঠান্ডা ছিলো এবং সূর্যের কিরণটাও তখন সমুদ্রের খুব একটা গভীর পর্যন্ত পৌছাতে পারতো না। কিন্ত সমুদ্রের নীচে তখনও কিছু জীবন্ত আগ্নেগিরি ছিলো, যেগুলো সমুদ্রের পানি বা জলকে গরম করছিল। এভাবেই কেটে যায় 0.3 বিলিয়ন বছর।

আজ থেকে প্রায় ৩.৫ বিলিয়ন বছর আগে, ঠিক এই সময় সমুদ্রের পানির নীচে প্রথম ঐ সমস্ত বিভিন্ন রকমের মিনারেলস আর কেমিক্যাল মিলে খুবই ক্ষুদ্র এক কোষি জীবের সৃষ্টি করে। যেটাকে আমরা ব্যাকটেরিয়া (Bacteria) বলি। এই ব্যাকটোরিয়া গুলো সমুদ্রের নীচে দ্রুত বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। এবং ছেয়ে যায় সমুদ্রের সমস্ত অঞ্চল জুড়ে।

ঠিক এই সময় এই এক কোষি জীবগুলো একত্রিত হয়ে "সমুদ্রের পাথরে আকারের মতো" অস্তিত্ব নিতে শুরু করে। এই ব্যাকটোরিয়ার স্তুপ গুলো সূর্যের আলোকে খাবার হিসেবে ব্যবহার করে এবং বর্জ্য হিসেবে এক ধরণের গ্যাস রিলিজ করতে শুরু করে।
কি? কিছু ধরতে পারছেন এখানে? হ্যা এই প্রক্রিয়াকেই আমরা বা খুব ছোট বাচ্চারাও জানি যে এটা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া। আর এই নির্গত গ্যাসই জীবনের বেঁচে থাকার জন্য সর্ব প্রথম উপদান অক্সিজেন। পৃথিবীতে জীবনের জন্য এইসমস্ত ব্যাকটোরিয়া সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি শুরু করে দিয়েছিল। যেটা ছাড়া পৃথিবীতে পরবর্তীতে আসা জীব কোন ভাবেই টিকে থাকতে পারবে না। সেই অক্সিজেন তৈরির কাজটা চালিয়ে যাচ্ছিল। একটা দীর্ঘ সময় ধরে (প্রায় দুই বিলিয়ন বছর ধরে চলে) এই সমস্ত ব্যাক্টোরিয়া পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের মাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি করতে থাকে।

এদিকে পৃথিবীতে পৃথিবীর স্তরে তখনও কোন বড় দ্বীপের সৃষ্টি হয়নি। যাও ছিল তা বিচ্ছিন্ন আকারে ছোট ছোট দ্বীপ। কিন্ত এই সময় পৃথিবীর মধ্যেকার "ক্রাস্টের" পরিবর্তন হতে থাকে, যার ফলে পৃথিবী বেশ কিছু 'টেকটনিক প্লেটে' ভাগ হয়ে যায়। ছোট ছোট দ্বীপ গুলোর মুভমেন্টের কারণে একে অপরের সাথে যুক্ত হয়ে তৈরি হয় প্রথম " সুপার কন্টিনেন্ট "। যার নাম ছিলো ' রোডিনিয়া (RODINIA)। সময়ের সাথে সাথে সব কিছুর পরিবর্তন চলছে। এই সময় পৃথিবীর সময় সীমা ছিলো আঠারো ঘন্টা।
এ যেন একটা কোন মহা পরিকল্পনার বাস্তবায়ন হচ্ছে কোন একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের জন্য।

আজ থেকে প্রায় ৭৫ কোটি বছর আগে, পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ আরও একটি বড় ধরণের পরিবর্তন আসে। পৃথিবীর মধ্যেকার " সুপার কন্টিনেন্ট-টি " দুটি ভাগে ভাগ হয় যায় এবং পৃথিবীর অভন্তর থেকে জেগে ওঠে আগ্নেগিরি গুলো। মহা বিস্ফোরণের মাধ্যমে তাদের জ্বালা মুখ থেকে বের হয়ে আসে উত্তপ্ত লাভা। আর সেই লাভার কারণে বায়ুমণ্ডলে মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে যায় কার্বনডাই অক্সাইড। সমস্ত আকাশ জুড়ে তৈরি হয় কার্বনডাই অক্সাইডের মেঘ। আর এই মেঘ থেকে পৃথিবীর বুকে ঝড়ে পড়তে থাকে এসিড বৃষ্টি। ক্রমাগত এই এসিড বৃষ্টির কারণে পৃথিবীর স্তরের উপরের অংশে ভারী "কার্বণের লেয়ার" তৈরি হতে থাকে। এই এসিড বৃষ্টির কারণে বায়ু মণ্ডলের কার্বনডাই অক্সাইডের মাত্রাও কমতে থাকে। যার ফলে বায়ুমণ্ডল সূর্যের তাপকে আর ধরে রাখতে পারতো না। যে কারণে পৃথিবীর বুকে প্রথম জন্ম নেয় "আইস এজ" বা হীম যুগ। পৃথিবীর প্রথম এই হীম যুগ একটা লম্বা সময় ধরে চলতে থাকে।

কিন্ত সময়ের সাথে আবার বায়ুমণ্ডলে কার্বনডাই অক্সাইডের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। যার ফলে আবার পৃথিবীর তাপমাত্রার বৃদ্ধি ঘটে। জমে থাকা বরফ গলতে শুরু করে।
এ তো গেলো সমুদ্রের উপরি ভাগের গল্প। কিন্ত ওরা কেমন আছে? যারা এই "আইস এজের" আগেই সমুদ্রের নীচে তাদের কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছিল, সেই এক কোষি জীব গুলোর?

সময় এগিয়ে আসছে মানুষ সভ্যতার জন্ম দেবার জন্য। আজ থেকে প্রায় ৫৪ কোটি বছর আগে সমুদ্রের নীচের ঐ এক কোষি ব্যাক্টোরিয়ারা ততদিনে সমুদ্রের নীচে একটি নতুন জগতের সৃষ্টি করে ফেলেছে। অক্সিজেনের কারণে ঐ এক কোষি জীবগুলো বিভিন্ন আকৃতির এবং প্রজাতির বহুকোষি জীবে পরিণত হয়েছে।

এই সময় সমুদ্রের নীচে ছোট ছোট গাছ, ছোট ছোট আকারের জীব সেই সাথে বড় আকৃতির একটি প্রণিও ছিলো, যার নাম "এলিমোরাকারিস"। এরাও ঐ সময় এক কোষি জীব থেকে বিকশিত হয়েছে। তার সাথে ছিল মাত্র পাঁচ সেন্টিমিটারের একটি প্রাণি "পিকায়া "। কিন্ত এই "পিকায়া" অন্যদের থেকে একটু ভিন্ন ভাবে বিকশিত হয়েছিল। কারণ এই পিকায়ার মধ্যেই এমন একটি জিনিস ছিলো যেটা আমাদের অনেক পড়ে সোজা হয়ে দাঁড়াবার এবং দেহের কাঠামোকে একটি অন্যরকম বৈশিষ্ট্য দেবে। হ্যা ঠিকই ধরেছেন। এই পিকায়ার ভিতরেই ছিলো প্রথম " সেই মেরুদন্ডের মতো অস্তিত্ব "।

আজ থেকে প্রায় ৪৬ বছর পূর্বে যে সমস্ত জীব ছিলো তার সব গুলোই পানির নীচে বসবাস করতো। যদিও এরই মধ্যেই পৃথিবীর সেই সুপার কন্টিনেন্ট গুলো বিভিন্ন ভাগে ভাগ হয়ে গেছে। কিন্ত তখনও এই ভু পৃষ্ঠে গাছপালা জন্ম হতে পারেনি। যার অন্যতম কারণ সূর্য থেকে আসা অতি বেগুণি রশ্মি। তার পরেও এই সময় পৃথিবীর বায়ু মণ্ডলেও একটি প্রক্রিয়া চলছিল। একটি লেয়ারের তৈরি হচ্ছিল। যেটাকে আমরা ওজন লেয়ার বলি। বায়ু মণ্ডলের অক্সিজেন এই লেয়ার তৈরি করে। আর এই লেয়ার তৈরি হয়ে যাবার কারণে সূর্যের সেই অতী বেগুণী রশ্মিকে বাধা প্রদান করে। যেটা আজ পর্যন্ত আমাদেরকে সূর্যের এই ক্ষতিকারক বেগুণি রশ্মীর হাত থেকে রক্ষা করেই চলেছে। ওজন লেয়ার।

ওজন লেয়ার এবং বেগুণি রশ্মির ঐ সময়কার পৃথিবীর ভু পৃষ্ঠে সময়ের সাথে ছোট ছোট শৈবালের জন্ম হতে থাকে। যেটা পৃথিবীর বুকে জন্ম নেওয়া প্রথম উদ্ভিদ বলে আমরা ধরে নিতে পারি।

এই ছোট ছোট উদ্ভিদের সাজে যখন পৃথিবীর উপরিভাগের পরিবেশ চেঞ্জ হচ্ছে তখন পানির নীচে থাকা একটি প্রজাতি যেটা দুটি সামনের ছোট ডানা যুক্ত মাছের মত এবং যার নাম "টিকটালিক"। এই টিকটালিক সামনের ডানার মতো জিনিসটাকে পা এর মত ব্যবহার করে পানির নীচে থেকে প্রথম ভু পৃষ্ঠের উপরি ভাগে আসে এবং সময় কাটাতে শুরু করে। যার ফলে বিভিন্ন প্রভাবে এদের শারীরিক গঠনের পরিবর্তন আসতে শুরু করে। প্রায় ১.৫ কোটি বছর ধরে এরা বিকশিত হতে থাকে এবং এক সময় এরা সম্পূর্ণ ভাবে পানি ছেড়ে মাটিতে বসবাস করা শুরু করে। ভুমিতে বসবাস করা বিকশিত এই প্রাণিটি এখন অন্যরকম। যাকে "ট্রেট্রাপস" বলে ডাকা হয়, সেই প্রজাতিতে বিকশিত হয়েছিল।

৩৬ কোটি বছর আগে এই ট্রেট্রাপোস সম্পূর্ণ ভাবে বিকশিত হয়ে গিয়েছিল। এরাই ধীরে ধীরে ডাইনোসর, পাখি, এবং এবং বিভিন্ন প্রজাতির সহ আরও পরে মানুষে বিকশিত হবে।

যখন বিকশিত হচ্ছিল ঐ প্রাণী গুলো তখন সময়ের সাথে পৃথিবীর তাপমাত্রার আবার বৃদ্ধি ঘটে। আগ্নেগিরি গুলো আরও একবার বিস্ফোরিত হতে শুরু করে। একটা ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির জন্ম হয় আবার এই পৃথিবীর বুকে। এই সময় প্রচণ্ড তাপে পৃথিবীর উপরি ভাগের প্রায় সমস্ত গাছ পালা শুকিয় মরে যেতে শুরু করে। যে কারণে পৃথিবীর প্রায় পাঁচ ভাগ বাদে বাকি ৯৫ ভাগ প্রাণী মৃত্যুবরণ করে। এই পাঁচ পার্সেন্ট ঐ খড়ার পরিস্থিতে যা পেত তাই খেতে শুরু করে। এবং অতিরিক্ত তাপ থেকে বাঁচার জন্য মাটির নীচে বসবাস করতে শুরু করে।

(চলবে.....)

এর পরের অংশে আমরা বিজ্ঞানের ভাষায় জীবনের বিকাশের শেষ স্টেপ পর্যন্ত দেখব আগামীকাল। এবং প্রাসঙ্গিক ভাবেই পরবর্তী স্টেজে আমরা বিজ্ঞানের বর্তমান বিস্ময় " ডাইমেনশন এবং তার এগারোতম স্টেজে " পর্যন্ত দেখব কি পরিকল্পনা অথবা কেন এরকম ব্রহ্মান্ড এবং এই ডাইমেনশনের মধ্যেই মহা শক্তির অস্তিত্বের অস্পষ্ট স্বীকার করছে বিজ্ঞান। যে শক্তিকে আদিম কাল থেকেই মানুষ গভীর বিশ্বাসের সাথে ভক্তি করে আসছে, আল্লাহ, ঈশ্বর, ভগবান, নামে জেনেছৈ....

"কবি ও কবিতা যেন কখনই বিপরীত চরিত্রের না হয়" - রিটন মোস্তফা 15/04/2022

"কবি ও কবিতা যেন কখনই বিপরীত চরিত্রের না হয়" - রিটন মোস্তফা সকল মানুষের মধ্যে জাগ্রত হোক মানবিক চেতনা। জন্ম নিক মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসা। আত্মকেন্দ্রিক এবং স্বার্থপ...

শেষাংশ - রিটন মোস্তফা 13/04/2022

■ শেষাংশ ■ - রিটন মোস্তফা ('রিটন') আমার সঞ্চয়ে বেড়ে উঠে কোন এক বিরহী চৈতী ধোঁয়া তোলা চায়ের কাপে রাতের চুপ অলসতা শুকনো পাতার খড়খড়ে শব্দে ছুটে আসে অতীত জীবন? আহ্, জীবন এক থেমে থাকা শুকনো নদী। এখানে ওখানে ছড়ানো কিছু অতৃপ্ত কবির কবিতা সিগারেটের শেষাংশের সাথে অনাদরে পড়ে থাকে। দেওয়ালের ঘড়ির কাটায় দীর্ঘশ্বাসের নিয়মিত চলাচল স্যাঁতসেঁতে দেওয়ালে টাঙানো রঙচটা ধূসর পৃথিবী।...

শেষাংশ - রিটন মোস্তফা ■ শেষাংশ ■ – রিটন মোস্তফা (‘রিটন’) আমার সঞ্চয়ে বেড়ে উঠে কোন এক বিরহী চৈতী ধোঁয়া তোলা চায়ের কাপে রাতের চুপ অলসতা শুকন...

ছোট গল্প "গাংচিল উড়ে যায়" - রিটন মোস্তফা 12/04/2022

পড়ন্ত বিকেল। সমুদ্রের তীরে আগত পর্যটকরা অপেক্ষা করছে সূর্য ডোবার। কেউ কেউ ক্যামেরা নিয়ে প্রস্তুত। উঠতি বয়সের তরুণেরা ঘোড়া (গাধাসদৃশ) দৌড়াচ্ছে। দূরে কিছু মেয়েরা হল্লা করছে। আর সবকিছু ছাপিয়ে শোনা যাচ্ছে সমুদ্রের গর্জন। শোঁ শোঁ শব্দ। সবার থেকে একটু দূরে ঝাউগাছের আড়ালে বালুর উপর বসে আছে ছেলেটি ও মেয়েটি। মেয়েটি একমনে সমুদ্র দেখছে। ছেলেটি একটি কাঠি দিয়ে বালুতে আঁকিবুকি করছে। মেয়েটি আকাশ পানে তাকায়। কিছুক্ষণ পর মুখ নামিয়ে জিজ্ঞেস করে ছেলেকে, তুমি কার ছবি আঁকছ?...

ছোট গল্প "গাংচিল উড়ে যায়" - রিটন মোস্তফা গল্প

" সাহিত্য নবায়নের নামে চুরি করা হয়? " - রিটন মোস্তফা 12/04/2022

আমরা জানি এবং এটাই সত্য যে মৌলিক (মৌল) বলতে ( হতে পারে পদার্থ) তিনটাই আছে। এর বাহিরে যেগুলো, সেগুলো সেই মৌলের সাথে মৌলের বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন মাত্রা এবং অথবা পরে যৌগের সাথে মিশিয়ে নতুন নতুন যৌগ তৈরি হয়। তার মানে মৌলিক বাদে সব মৌল গুলোর ব্যবহারে নতুন নতুন কিছুর সৃষ্টি। যার সমস্ত কিছুকেই আমরা যৌগ বলে ধরতে পারি বা ওগুলো মৌলের রুপান্তর। মৌল একক কিছু, কিন্ত যৌগ হলো অনেক, বা মৌল গুলোর বিভিন্ন মাত্রার, পরিমাণের সংমিশ্রণ। এখন এই মৌল ব্যবহার করে যদি মানুষের ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন জিনিস তৈরি করতে হয় তাহলে দুটো জিনিস আমরা দেখতে পাব, একটা হলো আবিষ্কার (যেটা কোন ব্যক্তির বা দলগত ভাবে গবেষণার মাধ্যমে মৌলের ব্যবহার করে নতুন কিছু সৃষ্টি করা) যেমন, কেউ একজন প্রথম একটা কুকার মেশিন আবিষ্কার করলো, এখন যদি অন্য কেউ এই কুকার মেশিনের গায়ের রঙ আর ডিজাইন একটু পরিবর্তন করে বলে " আমি কুকার মেশিনের আবিষ্কারক"। এটা কি ঠিক দাবী হবে?...

" সাহিত্য নবায়নের নামে চুরি করা হয়? " - রিটন মোস্তফা রিটন

" আমিও ডুবি " - রিটন মোস্তফা 10/04/2022

সময় পঙ্গু হলো যেদিন থেকে? সেদিন থেকে পা ঝিমঝিম করে রোজ অন্ধকারে পথটা ঠিক পথ থাকে না আর তবুও আমি জোনাকির পিঠে চরে রাত্রি জাগি। আমি অবসন্ন বিকেলকে খুব করে চিনি দুর্গন্ধের ঘামে ওকেও ভিজতে দেখি রোজ ওকেও দেখি- ভিতু সৈরাচারের মত অস্তরাগে ওকেও দেখি সময়ের আগেই তলিয়ে যেতে। ইদানিং কোমরে যত ক্যাচক্যাচানি- ব্যর্থতা রোজ তাকে যমুনার জল ঢেলে শান্ত করি...

" আমিও ডুবি " - রিটন মোস্তফা সময় পঙ্গু হলো যেদিন থেকে? সেদিন থেকে পা ঝিমঝিম করে রোজ অন্ধকারে পথটা ঠিক পথ থাকে না আর তবুও আমি জোনাকির পিঠে চরে রা...

10/04/2022

" আমিও ডুবি "
- রিটন মোস্তফা

সময় পঙ্গু হলো যেদিন থেকে?
সেদিন থেকে পা ঝিমঝিম করে রোজ
অন্ধকারে পথটা, ঠিক পথ থাকে না আর
তবুও আমি জোনাকির পিঠে চরে রাত্রি জাগি।

আমি অবসন্ন বিকেলকে খুব করে চিনি
দুর্গন্ধের ঘামে ওকেও ভিজতে দেখি রোজ
ওকেও দেখি- ভিতু সৈরাচারে মত অস্তরাগে
ওকেও দেখি সময়ের আগেই তলিয়ে যেতে।

ইদানিং কোমরে যত ক্যাচক্যাচানি -ব্যর্থতা
রোজ তাকে যমুনার জল ঢেলে শান্ত করি
যেখানে চর জেগে আছে, যে যমুনা নিজেই ক্লান্ত
তার কাছে ভিখারির প্রার্থনা রাখি নিত্য প্রভাতে।

সূর্যটা হেলেও থাকে না আর, টপ করে ডোবে রোজ
ডুমুর ফলের গুণক গুলো? গোনার আগেই পচে
তবুও বৃথাই চেষ্টা, আবার যদি ডুমুর জোটে
ডুমুর খুঁজতে সূর্য ডোবে, সূর্য ডুবতেই আমিও ডুবি।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Natore?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Culinary Team

Attire

Telephone

Address


Natore
6400