Modan Mohan Temple

Modan Mohan Temple

Share

Modan Mohan Bigraho Mandir is a temple of narsingdi in Bangladesh.

Photos from Modan Mohan Temple's post 31/10/2024

শ্রী শ্রী শ্যামা মায়ের পূজা ও দীপাবলির শুভেচ্ছা রইলো। ❤️🙏❤️

02/10/2024

মা আসছেন...🌼🌼🌼🌼🌼
শুভ মহালয়া🙏🙏🙏

26/08/2024

শুভ জন্মাষ্টমী ❤️❤️❤️
জগতের সকলের মঙ্গল হোক 🙏🙏🙏

সবাইকে জন্মাষ্টমীর প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানাই।

31/05/2024

আজ ১লা জুন, ২০২৪ শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুকে নিকটস্থ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে নিয়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ান:

16/04/2024

জয় শ্রী রাম🚩

মর্যাদা পুরুষোত্তম প্রভু শ্রীশ্রী রামচন্দ্রের আবির্ভাব তিথিতে মহাসমারোহে পালনের জন্য আজ ১৭ইএপ্রিল ২০২৪ ইং রোজ: বুধবার নরসিংদী শহরের সেবা সংঘ মোড়ে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট নরসিংদী জেলা শাখা শহর, উপজেলা শাখা ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন কর্তৃক রাম পূজা, হোম যজ্ঞ ও মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে।

Photos from Modan Mohan Temple's post 14/04/2024

শুভ নববর্ষ ১৪৩১ বাংলা🌼🌼🌼
সবার মঙ্গল কামনা করি।

Photos from Modan Mohan Temple's post 09/04/2024

বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তি।

Photos from Modan Mohan Temple's post 24/03/2024

🌹 আজ ২৫শে মার্চ সোমবার,২০২৪ #ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর শুভ আবির্ভাব তিথি গৌর পূর্ণিমা মহোৎসব তথা দোল উৎসব #উপবাস ব্রত।

সবাইকে দোলপূর্ণিমার প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানাই।

এই গৌর পূর্ণিমা উপবাস ব্রত কিভাবে পালন করবেন সে সম্বন্ধে পোষ্টে বিস্তারিত দেওয়া হয়েছে 🙏

৩ টি বিষয়ে উপর আলোচনা করা হলো।

১/ #হোলিউৎসব।
২/ #দোলপূর্ণিমা উৎসব।
৩/ #গৌরপূর্ণিমা মহোৎসব।

এই ৩ টি উৎসবে #মাহাত্ম্য কি,

আজ থেকে প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে বৃন্দাবন লীলায় ব্রজবাসীগন পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এবং তাঁর অন্তরঙ্গা শক্তি রাধারানীকে একত্রে পেয়ে সীমাহীন আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে তাঁদের চরনে আবির রং ঢেলে রঞ্জিত করেন।।

ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এবং রাধারানী ও এ আনন্দ উৎসবে মেতে উঠেন সমগ্র বাসীরা সহ তারা সকলে ভগবানকে আবির দিতে থাকেন।

কৃষ্ণ ভক্তরা ভগবানের চরণে রাধারাণী চরণে আবির ছুয়ে হোলি উৎসব পালন করেন।
ঐ দিনটি ছিল ফাল্গুন মাসের পুর্নিমা তিথি।।

ঐ দিনটিতে এতোটাই আনন্দ উৎসব হয় যে পরবর্তীতে বৃন্দাবন বাসীরা আর ঐ দিনটি কে ভুলতে পারেন নি দেখে, যা আজকে সমাজে দেখা যাচ্ছে সমগ্র বিশ্বজোড়ে মানুষ হোলিউৎসব পালন করছেন।।

তারপর এই দিনটি তে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আর রাধা রানীকে বৃন্দাবন ব্রজবাসীরা প্রেমানন্দে দোলনায় দোল দিয়েছিলেন বলে এই উৎসবটিকে দোল উৎসবও বলা হয়।।

দোলনায় যুগল রাধাকৃষ্ণ কে দোল দেওয়ার কারণে দোলের সন্ধিক্ষনে আর ফাল্গুনের পূর্ণিমা ছিলো তাই এর নাম দেওয়া হয়েছিল দোলপূর্ণিমা,আপনারা সকলে রাধাকৃষ্ণ কে সেদিন দোলনায় দোল দিতে পারেন।

ফাল্গুন মাসের এই পূর্নিমাকে বলা হয় দোল পূর্নিমা।।

এই উৎসবটি পরবর্তীতে সমগ্র ভারতবর্ষে ছড়িয়ে পড়ে।।

এই উৎসবটি পরে হোলি নামে খ্যাতি পায়।।

পুরাণ অনুযায়ী জানা যায় যে অত্যাচারী রাজার হিরণ্যকশিপুর দানবী বোন হোলিকা থেকে এই নামের উৎপত্তি, হোলিকা দহন থেকে।

হোলিকা ব্রহ্মাবর প্রাপ্ত ছিলেন, ব্রক্ষা তাকে বিশেষ একটা চাদর দেন যে চাদরে গায়ে জড়ালে তাকে অগ্নি কিছু করতে পারবে না, হিরণ্যকশিপুর ছিলেন বিষ্ণুবিদ্বেষী তিনি তার পুত্র কে হোলিকার দ্বারা অগ্নি কে নিক্ষেপ করে প্রহ্লাদ কে কোলে নিয়ে হোলি গায়ে চাদর দিয়ে নিয়ে, যখন প্রহ্লাদ শ্রীহরি কে ডাকতে থাকেন তখন ভগবানের বায়ু শক্তি দ্বারা হোলিকা চাদর ওরে গিয়ে প্রহ্লাদে গায়ে জড়িয়ে যায়, আর হোলিকা অগ্নি তে দহন হয়।

এই অত্যাচারী রাজা বোন অত্যাচারী হোলিকা দহন হতে দেখে অশুভ এর উপর শুভ শক্তি প্রকাশ হয় সবাই আনন্দে হোলি উৎসব পালন করতে থাকেন।

সকল প্রকার দানবীর ধ্বংসযজ্ঞের বিরুদ্ধে জয়লাভের প্রতিকই হলো এই রঙিন আনন্দ মহাউৎসব।।

এরপর গৌরপূ্ণিমা তিথি,
কলির অধঃপতিত জীবদের করুনা করতে
পরম করুণাময় ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু আবির্ভূত হলেন শ্রীমায়াপুর নবদ্বীপ ধামে।

জীবের লাগিয়া বিলাইলেন প্রভু প্রতি ঘরে ঘরে গিয়ে কলিযুগের যুগধর্ম হরিনাম সংকীর্তন, শিক্ষাইলেন আচরণ করে।

সেই মহানুভবতা করুণার মূর্তি প্রকাশ রাধাকৃষ্ণ মিলিত তনুজ শ্রীশ্রী গৌরসুন্দর ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু, তিনি তার নিত্য গোলকবৃন্দাবন ধাম ছেড়ে, এই পৃথিবী নামক গ্রহে ভারতভূমি মায়াপুরে নবদ্বীপ ধাম নামক স্থানে পিতা শ্রীজগন্নাথ মিশ্র ও মাতা শ্রী শচীমাতার গৃহে নিমবৃক্ষের তলায় চন্দ্রোদয়ের সময় সমস্ত ব্রক্ষান্ডকে আলোকিত করে আবির্ভূত হোন ভগবান শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভু।
তাই বৈষ্ণব গন ভগবানের সেই আবির্ভাব তিথি চন্দ্রোদয় পর্যন্ত উপবাস ব্রত পালন করে থাকে।

মহাপ্রভুর এই আবির্ভাব তিথি উপবাস ব্রত যে পালন করবেন ভক্তি শ্রদ্ধা সহকারে তার শুদ্ধ কৃষ্ণপ্রেম ভক্তি লাভ হবে ও জন্মজন্মান্তরের পাপরাশি দূর হবে।

আমরা এই ব্রত কিভাবে পালন করতে পারি?

আমরা চন্দ্রোদয় পর্যন্ত সারাদিন উপবাস থেকে সন্ধ্যায় ভগবানকে আরতি
নানারকমে ফলের জুস, দুধ,ডাবের জল,পঞ্চমামৃত গঙ্গাজল দিয়ে অভিষেক করিয়ে থাকি চিত্রপটে বা বিগ্রহ।
অভিষেকের পর একাদশীর মত মহাপ্রসাদ পাওয়া হয়।

যারা অসমর্থ অসুখ বিসুখ তারা ফল,জল খেতে পারবেন ভগবানের কাছে ক্ষমা চেয়ে।

আর যদি আপনাদের নিকটতম স্থানের মঠ, মন্দির বা ভক্ত বাড়ী থাকে সেখানে গিয়ে আপনারা অংশগ্রহণ করতে পারেন।

তারপর পরেরদিনে পারণ সকাল ৯:৪৩ এর মধ্যে। ভগবানকে ভোগ নিবেদন করে পেয়ে নেবেন। মহাপ্রভুর শাক,শুকতা,নিমবেগুন, মশলা কম খাবার খুব প্রিয় আপনারা তাই করতে পারেন।

এবং সারাদিনে বাকী যে সময়টা থাকবে সেসময় অযথা সময় নষ্ট না করে হরিনাম জপ ও গন্থ পড়বেন, তাতে মহাপ্রভু আরো বেশি কৃপা লাভ করবেন ভক্তিমূলক সেবা করার ম্যাধমে ভগবান শ্রীচৈতন্য হরিনামে খুশি হোন।।

🙏হরেকৃষ্ণ 🙏

ফেসবুক হতে সংগৃহীত।

06/03/2024

শ্রী শ্রী চিনিশপুর কালী মন্দির এর পেইজ থেকে সংগৃহীত।

শিবরাত্রির পুজা নির্ঘণ্ট __________🌿🌺🙏

আগামী ০৮ তারিখ শিবরাত্রি উপলক্ষে অনেকে শিবপুজা করবেন। সেই অনুযায়ী অনেকে চার প্রহরের পুজার সময় সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। তাই এই প্রসঙ্গের অবতারণা।

বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুসারে ৮/৩/২০২৪ তারিখে রাত নয়টা আটান্ন মিনিট থেকে শিব চতুর্দ্দশী শুরু হয়ে, পরের দিন (৯/৩/২০২৪) সন্ধ্যা ছয়টা আঠারো মিনিট পর্যন্ত চলবে।

শাস্ত্রকাররা তিথি উপবাস পালন করার জন্য বিশেষ ভাবে মত প্রকাশ করেছেন। তাই যারা তিথি উপবাস করতে চান, তাদের চতুর্দ্দশী শুরু হবার আগেই খেয়ে নেবেন আর পরের দিন চতুর্দ্দশী শেষ হবার পরেই আবার খাদ্য গ্রহণে করবেন।

তিথি উপবাস চলাকালীন সময়ে ভক্তিসহ ভগবান শিবের আরাধনা অবশ্যই করুন, কারণ এতো সুন্দর গ্রহনক্ষত্রের যোগ বিগত কয়েক বছরে পাওয়া যায় নি।

আপনার প্রথম কাজ হল, বৃহস্পতিবার সংযম পালন করা, শুক্রবার সকাল থেকেই উপবাসে থেকে সেইদিন রাত্রি বেলায় চতুর্দ্দশী শুরু হবার পরেই শিবপূজা শুরু করবেন।

সেই ক্ষেত্রে রাত্রি ৯টা ৫৮মিনিট থেকে রাত ১১টা ৪৮ মিনিটের মধ্যেই প্রথম ও দ্বিতীয় প্রহরের পূজা শেষ করুন। রাত ১১টা ৪৮ মিনিট থেকে রাত ২টা ৫২ মিনিটের মধ্যে তৃতীয় প্রহরের পূজা উদযাপিত হবে। রাত ২টা ৫২ মিনিট থেকে ভোর ৫টা ৫৫ মিনিটের মধ্যে চতুর্থ প্রহরের পূজা শেষ করতে হবে।

বর্তমান কর্মব্যস্ততার যুগে এই ভাবে বিভিন্ন প্রহরে শিবপূজা করা অনেক গৃহী মানুষের পক্ষেই সম্ভবপর হয় না। তাই তারা শুক্রবার চতুর্দ্দশী শুরু হবার পরে নিজেদের সুবিধা মত সময়ে একবারেই চার প্রহরের পূজার্চনা করতে পারেন।

আর যারা শিব চতুর্দ্দশী পালন করলেও তিথি উপবাস করবেন না, তারা শুক্রবার সংযমে থেকে শনিবার সকাল থেকেই উপবাস শুরু করে, চতুর্দ্দশী চলাকালীন সময়ে নিজেদের সুবিধা মতো সময়ে একবারই পূজা করতে বসে, শিবলিঙ্গকে পৃথক পৃথক ভাবে (১) দুগ্ধ (২) দধি (৩) ঘৃত (৪) মধু দ্বারা স্নান করিয়ে নিয়ে শাস্ত্রানুসারে শিবপূজা সুসম্পন্ন করতে পারেন। তবে এখানে মন্ত্র উচ্চারণ করার সময়ে শিবরাত্রির স্থলে শিব চতুর্দ্দশী উচ্চারণ করতে হবে। এবং ভক্ত চাইলে পূজা শেষ করেই পারণের মন্ত্র উচ্চারণ করে উপবাস ও শেষ করতে পারেন, অর্থাৎ চতুর্দ্দশী শেষ হলে কেবলমাত্র পারণের মন্ত্র উচ্চারণ করতে হবে বলে, এখানে তেমন বাধ্যবাধকতা নেই।

সকল ভক্তবৃন্দের জ্ঞাতার্থে শাস্ত্রীয় সিদ্ধান্ত এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে তুলে ধরলাম। আপনার পুজা সার্থক হোক্ --- এই কামনা করি।
কলমে:-Prittwish Ghosh গুরু জন 🙏 জয় মহাকাল 🙏
শ্রী শ্রী চিনিশপুর কালী মায়ের মন্দিরের পেজ থেকে সংগৃহীত।

12/02/2024

শোক সংবাদ
অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানানো যাচ্ছে যে, আজ ভোর সকাল ৫.৩০ এর দিকে মদন মোহন বিগ্রহ মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক শ্রী তুলশী ভূইয়া অসুস্থতাজনিত কারনে পরলোক গমন করেন।

ওঁ দিব্যান্ লোকান্ স গচ্ছতুঃ।

উনার অকাল প্রয়াণে মন্দির কমিটির সকল সদস্য ও এলাকাবাসী গভীরভাবে শোকাহত।
সবাইকে উনার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় প্রার্থনা করার জন্য বিশেষ অনুরোধ করছি 🙏🙏

Website

Address


West Brahmondi
Narsingdi
1600

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Modan Mohan Temple posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Subscribe

We will notify you when anything happens in Narsingdi.