Mohammad Riad
Hello, Assalamu Alaikum! Welcome everyone to my page. I write and compose songs, although I am not a professional. Hope you like it. thanks.
But I upload these videos with the help of animations with the help of story based on the meaning of the song.
Chup mon by Mohammad Riad
Sing 20/01/2024
Write 17/01/2024
শুনে থাকলে কিরকম হয়েছে পারলে বইলেন🙄
এখনো পরিপূর্ণ ভাবে গানটা গাইতে পারলাম না, লিরিক্স, সুর সব রেডি তবে একটা ভালো পরিবেশ পাচ্ছি না গানটা গাওয়ার জন্য। গানটা সম্ভবত আজ থেকে ২ বছর আগে লিখেছি। এই জানুয়ারী মাসেই, কোনো এক কুয়াশা ঘেরা ভোরে।
কোনো এক ব্যাস্তময় শহরে।
একাকী।
হৃদয়ের কাছে থাকা একটা গান এইটা।
চেহারা দেখাবার ইচ্ছে নেই।
আপসোস শীতকাল বিলুপ্তপ্রায়। আর এইবার শীতকাল প্রায় শেষ। বসন্ত সন্নিকটে।
কয়েকদিন পরেই বলতে পারব - 'বসন্ত এসে গেছে'
05/01/2024
কোনো এক গোধুলি বেলায় সাগর পাড়ে নিভৃতে বসে এই গানটি গাওয়ার অনুভূতি অসাধারণ। তার সাথে হঠাৎ হঠাৎ ঢেউ এসে পায়ে আছড়ে পড়বে।
লেখায় - মোহাম্মাদ রিয়াদ
নামকরণে আলসেমি রয়েছে। থাক না কিছু কথা বেনামী।
এ শীতল হাওয়া বয়ে যাওয়া
অনুভুতি শূন্যতার।
এযে ঢেউ খেলা, কাটে বেলা
শব্দেরা মুগ্ধতার।
এ গোধুলি বেলা হাজার পাখিদের মেলা।
মন চায় সাগরেতে ভাসিয়ে দিই ভেলা।
অনুভুতি আজ হৃদয়ে বিরাজ করে।
ফেলে রেখে কাজ, সাজিয়ে কোলাজ।
আমি দিন রাত বসে থাকি সাগরের তীরে নিভৃতে।
আজ উপমারা হেরে গেছে, তাই পারছিনা বোঝাতে।
দুহাতে সাদা বালি, রোদ্রের আলো ঢালি।
চিকচিক রাশি রাশি যেন আমি মুক্তোর চাষি।
যেন আকাশের ঐ দিকে
নেমে যায় সাগরের ঝর্ণা।
যেন অলৌকিকতা মেখে
তীরে ঢেউর অভ্যার্থনা।
যেন বালিদের তৃষ্ণা খুব,
তারা দুপুরের পোহায় ধুপ।
আর সাগরের জল আছরে পরে যায়,
দেখে লাগে খুব অপরুপ।
এই ভুলোমনা আর ভুলেছি সংসার। তবু
সাগরের পাড়, ছাড়িনি অধিকার।
আমি দিন রাত বসে থাকি সাগরের তীরে নিভৃতে।
আজ উপমারা হেরে গেছে, তাই পারছিনা বোঝাতে।
রাতে তারার মেলা, সাগরে ঢেউ খেলা,
আকাশে চাঁদের টিপ, লাগবে আলাদিনের প্রদিপ।
যেন সাগরের গভীরে
ডুবে দেখব নতুন পৃথিবী।
যেন মোহময় সাগরে
মুক্তো গুনে হব হিসেবি।
শুনব তিমিদের আর্তনাদ।
বকব অনর্থক প্রলাপ।
আর সাথে যদি থাকত সঙ্গীনি
হত মিষ্টি প্রেমের আলাপ
এই সপ্নের রাত, কি জানি অনুবাদ করে।
যদি উল্কাপাত করে সাগরে আঘাত।
তবু দিন রাত বসে থাকব আমি নিভৃতে।
আজ উপমারা হেরে গেছে তাই পারছিনা বোঝাতে।
ভ্রমণ
🌹(আমার সাহিত্যজগৎ)🌹
💜 💜ছোট গল্প💜
গল্পের নাম- রসিকের দেওয়া উপহার 🎁
লেখায় : মোহাম্মদ রিয়াদ হাসান
[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]
PART- 3
[[[[[[[]]]]]]]
দিপু বলে, ধুয়ে ফেলি?
না ধুবি কেন সুন্দরইতো লাগছে। কথাটা ব্যাঙ্গ করে বলা। দিপু বুঝতে পেরে বলে আমি আমার বারি থেকে ধুয়ে আসছি।
কেন? তোর বারি থেকে কেন? আমার বারিতে কি পানির অভাব? যা, ওয়াশরুম থেকে ধুয়ে আয়।
দিপু ওয়াশরুমে গেল। মাথাটা বেসিনে নুইয়ে মাথায় পানি ঢেলে জুলির দেওয়া তোয়ালে দিয়ে মাথা মুছে নেয়। দিপুর পকেটের চিরুনিটা দিয়ে মাথা খুব স্টাইল করে আচরিয়ে নেয়। এখন দিপুকে সত্যিই সুন্দর লাগছে।
ওয়াশরুম থেকে বের হয়ে দিপু জুলিকে দেখতে পায় না। দিপু জুলিকে আর খোজার চেষ্টা করল না। আজ জুলি ব্যাস্ত!
দিপু বারান্দায় একটি সোফাতে বসে পড়ে। বসে কিছুক্ষণ গুণগুণ করে গান গায়। দিপুর গানের গলাও ভালো!
কিছুক্ষণ যেতেই সেখানে পরী আসল। দিপু, জুলি, পরী তারা একসাথেই খেলাধুলা করে। পরীর নাম পরী হলেও, তাকে কিন্তু মোটেও পরীর মতো দেখা যায় না। চেহারা সুন্দরই বলা যায়, কিন্তু গায়ের রঙ একটু কালো।
পরি দিপুর পাশে বসে যায়। তারা কথা বলতে থাকে। আস্তে আস্তে দিপুরা প্রায় সবাই এসে গেছে।
বিকালটা একটু গভির হতেই সেখানে পৌছাল রসিক এবং বাকি সবাই। তাদের এই দলটা আসার পর পরিবেশটা পালটে গেল। একটু রঙ্গ তামাশা, একটু হাসি মজায় ভরপুর। দিপু রসিকদের দেখতে পায়। তারা বন্ধু নয়। শুধু একই এলাকার বলে চেনা পরিচয় আছে। রসিকরা দিপুর থেকে ২ ক্লাস বড়। দিপু, জুলি, পরি তারা এঈটে(৮) পড়ে। রসিকেরা টেনে(১০) পড়ে। দিপু তাদের ভাই সম্বোধন করে ডাকে।
দিপু তাদের কাছে গিয়ে বলে, ভালো আছ ভাইয়ারা?
রাজু অর্থাৎ পেয়াজু জবাব দেয়, হ্যা,আলহামদুলিল্লাহ। তুই?
ভালো আছি ভাইয়া।
আর কথা বারে না। দিপু আবার তার বন্ধুদের কাছে ফিরে আসে।
কিছুক্ষণ পড় সন্ধ্যে ঘনিয়ে আসে। অনুষ্ঠান শুরু হতে আর কিছুক্ষণ!
হঠাৎ এক রাগি গলার চিৎকার শোনা যায়, হাউ ডেয়ার ইয়ু?
দেখা যায় সেই লোকটা যে দিপুকে অপমান করেছিল। সে হলো নাট্য বা ফিল্ম অভিনেতা রুবেল। দেখা যায় প্রায় সময়ই তাকে ঘিরে এক গুঞ্জন হয়। কিন্তু এখন সেটা অনেকটাই বেশি। কারণ অভিনেতা রুবেল পরীকে গালমন্দ করছে। খুবি তুচ্ছ বিষয় নিয়ে। জুলি জুস পান করছিল হঠাত জুসের একটু মেঝেতে পরে যায়। আর সেখান থেকে কিছু ছিটা পরে নাট্যকার রুবেলের জুতায়।
প্রায় কেউ কিছু না বোঝার আগেই এক গ্লাস পানি পরীর মুখে ঢেলে দেয় অভিনেতা রুবেল।
কেউ সাহায্য করল না জুলিও দেখছে, কিন্তু প্রতিবাদ নেই। শুধু সামনে এগোলো দিপু আর রসিকরা ৭ বন্ধু।
হঠাত এমন সাহায্য দেখে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যায় এই অমানবিক রুবেল। রুবেল কিছুক্ষণ দিপু আর রসিকদের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। সে দেখে একজন পকেট থেকে রুমাল বের করে পরির মুখ মুছে দেয়। ছেলেটি হল হিমেল। হিমেল খুব দরদি মানুষ। যেন দরদের এক হিমেল হাওয়া সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে চায়।
আবার কাদির খুব রাগি। সে রুবেলের দিকে বিষ দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয়েছে।
আবার জসিম খুব মুখপোড়া
🌹(আমার সাহিত্যজগৎ)🌹
💜 💜ছোট গল্প💜
গল্পের নাম- রসিকের দেওয়া উপহার🎁
লেখায় : মোহাম্মদ রিয়াদ হাসান
[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]
PART- 2
[[[[[[[]]]]]]]
দিপুর সাথে জমিদারের মেয়ে জুলির ভাব একটু বেশি। পাশাপাশি দেখলে বোঝা যায় না কিন্তু মনে মনে তারা যেন লেয়লা-মজনু। যেন আজই তাদের বিয়ে। যেন একজন আরেকজনকে ছাড়া অপুর্ন। যেন শুধু বাংলা সিনেমার মতো ধনি গরিবের মতবিরোধের কারনে তারা এক হতে পারছে না।
অনুষ্ঠানে গিয়েই দিপু জুলিকে দেখতে পায়।
ডাক দেয়।
জুলি।
জুলি তার দিকে তাকায়। দূর থেকেই একটি হাসি দেয়। কোমল হাসি।
জুলি একজনের সাথে কথা বলছে। সে এখন ফিরে তাকায় দিপুর দিকে। দিপু তাকে চিনল না। কিন্তু লোকটা দিপুকে দেখে হাসে। কোমল হাসি নয়। তাচ্ছিল্যের হাসি।
দিপু কিছু বুঝে উঠতে পারে না। দৌড়ে জুলির কাছে যায়। গিয়ে বলে,
হ্যাপি বার্থডে জুলি। কেমন আছিস?
(দিপুর ভাষা প্রায় শুদ্ধই বলা যায়। জুলি দিপুকে শুদ্ধ ভাষা শিখিয়েছে। যা দিপু খুব সহজেই শিখে যায়। দিপুর ব্রেন ভালো!)
জুলি উত্তর দেয় না। সেই অপরিচিত লোকটার সাথে কথা বলছে।
হঠাৎ লোকটা বলে উঠল,
এই চাকরের বাচ্চাটা কে?
দিপু মর্মাহত হল। ভাবল জুলি এই কথার প্রতিবাদ করবে। কিন্তু না!
জুলি শুধু বলল, আমার বন্ধু।
চাকরের বাচ্চা বলার জন্য জুলির প্রতিবাদ না করায় দিপু হতাশ হয়ে সে স্থান থেকে সরে গেল।
কিছুক্ষন পড় জুলি দিপুর কাছে আসে। দিপুর চোখজোড়া জ্বলজ্বল করে উঠে। দিপু ভাবে জুলি হয়ত সেই সময়ের জন্য ক্ষমা চাইবে। কিন্তু জুলি বলে উঠলো, তোর কি বুদ্ধিশুদ্ধি নেই? দেখছিলি একজনের সাথে কথা বলছিলাম, তখন তোর ওখানে আসা প্রয়োজন ছিল?
দিপু কিছু বলে না কিন্তু ভেতরে ভেতরে সে কেদে দিয়েছিল। কিছুক্ষণ পর দিপু বলে, ঠিকআছে, আমি আর এমন করব না। তুই কি আমার এই বোকামির জন্য কষ্ট পেয়েছিস? আমায় ক্ষমা করে দে। তুই বললে আর তোর কাছে আসব না। তুই বললে তোর বারি থেকেই চলে যাব।
(দিপুর জন্যই জুলি আজ বেচে আছে। জুলি ডুবে যাচ্ছিল, দিপু তাকে বাচিয়েছিল। সে কৃতজ্ঞতা আজ জুলির নেই। জুলি আজ ভুলে গেছে দিপুর জন্যই সে আত্মহত্যার মত জঘন্যতম কাজ থেকে বাচতে পেরেছে।গলায় দরি দিতে গিয়ে জুলিকে দিপু দেখতে পায়। জুলির হতাশা দূর হবার একমাত্র কারন হলো দিপু। কিন্তু জুলি আজ ধনি গরিবের পার্থক্যের মাঝে সেই কথা গুলো ভুলে গেছে। অবশ্য সেই বিষয়গুলো দিপুও মনে রাখতে চায় না। দিপু সেগুলো বন্ধুত্বের খাতিরে করেছে, কোনো উদ্যেশ্য হাসিলে জন্য নয়।) দিপু কাদো কাদো গলায় বলল, চলে যাব? বল তুই?
হয়েছে আর ঢং করতে হবে না। বলে একটি হাসি দিল। হাসি দেখে দিপুর মন ভালো হয়ে যায়। দিপুও হাসে। সে হাসিতে গালে টোল পরে যায়। যা দেখে জুলি শুধু তাকিয়ে থাকে। কিছুক্ষণ হাসি পর্ব চলতে থাকে। জুলি হঠাৎ জিজ্ঞেস করে তুই মাথায় তেল দিয়ে মাথার এই অবস্থা করেছিস কেন? আন্টি বলেছে?
দিপু হাসে, কিছু বলে না।
দিপুর মায়ের সহজ কিছু বুঝ আছে। মাথায় তেল দিয়ে শিতি করে আচ্রালে নাকি বেশি সুন্দর লাগে। জুতোর দিকে নাকি মানুষ নজর দেয় না ইত্যাদি ইত্যাদি।
🌹(আমার সাহিত্যজগৎ)🌹
💜 💜ছোট গল্প💜
গল্পের নাম- রসিকের দেওয়া উপহার।🎁
লেখক : মোহাম্মদ রিয়াদ হাসান
[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]
PART- 1
[[[[[[[[]]]]]]]]
তারা সাত বন্ধু। রসিক, হিমেল, কাদির, জসিম, রাজু, জাহিদ এবং রাফি।
এদের মধ্যে রসিক একটু বেশি রসিক, একটু বেশি চঞ্চল। তার নামের সাথে কাজের মিল আছে। সে খুব বেশিই রসিকতা করে।
সে তার বন্ধু রাজুকে মাঝে মাঝে পেয়াজু বলে ডাকে। অন্যদেরও কিছু নাম রয়েছে, সেগুলো এখন না-ই বললাম। তাদের এলাকার মধ্যে তারা খুব পরিচিত একটি দল। ফাজিল দল। দুষ্টু দল। হেল্পিং দল। মজার দল। রসিক দল। এগুলো সবই তাদের দলের নাম। এলাকার লোকেরা ভালোবেসে নামগুলো দিয়েছে। কেউ কেউ ঘৃণায় পরেও নাম দিয়েছে!
যেমন রুবেল নামের একজন নাট্য অভিনেতা তাদের নাম দিয়েছে "চাষের বলদ, গোড়ায় গলদ"।
এখন কথা হল তাদের মতো সামান্য ছেলেপেলেদের অভিনেতার সাথে কি সম্পর্ক?
অভিনেতা রুবেল মোটামুটি বিখ্যাতই। কিন্তু তাদের সাথে কিভাবে দেখা হল? আসলে ঘটনাটা ঘটেছে এভাবে।
এখানকার জমিদার বাড়িতে উৎসব। জন্মদিনের উৎসব। জমিদারের মেয়ের জন্মদিন। সেই আনন্দে যেমন এলাকার মানুষ এসেছে তেমনি সেলিব্রেটিরাও এসেছে। সেলিব্রেটিরা অবশ্য আনন্দে নয় টাকা দিয়ে অনেক অনুরোধ করার পর এসেছে। উৎসবটি ধনি গরিবের সংমিশ্রণ হয়ে দারিয়েছে। জমিদার এলাকার বিত্তবানদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে কিন্তু জমিদারের মেয়ে তার বন্ধুদের আমন্ত্রণ করেছে। যারা বেশিরভাগই গরিব।
জমিদারের মেয়ের এক বন্ধুর নাম দিপু। দিপুও আমন্ত্রণ পেয়েছে। সে তার স্বপরিবারে হাজির। কিন্তু বিত্তবানদের কোট-টাই পড়া ভিড়ের মাঝে তারা যেন ভিনগ্রহের কোনো এলিয়েন। তাদের পড়নের কাপর খুবই সাধারণ। দিপুর বাবা এক ঢিলেঢালা মাটি কালারের হাফ হাতা শার্ট পরেছে, একটি ঢিলেঢালা জিন্স পেন্ট, চুলগুলো ছোট করে কাটা, বলা যায় ছাটা। দিপুর মায়ের পড়নে একটি লাল শাড়ি, মাথায় ঘোমটা দেওয়া। দেখে মনে হয় রাজ্যের তেল মাথায় মাখানো তাই ঘোমটাটা একটু তেলতেলে ভিজে ভাব ধারন করেছে। দিপুর বেশভুষা মোটামুটি ভালোই শুধু পায়ের চটিটা আর তেলে চোবানো সিতি করা মাথাটাই ঝামেলা। কিন্তু দিপুর দিকে তাকালে একটা বিষয়ে মুগ্ধ হতে হয়। গালের টোল। দিপু হাসলে গালে সুন্দর একটা টোল পড়ে।
💜 💜স্মৃতিঘেরা প্রকৃতি প্রেমিক💜
মোহাম্মদ রিয়াদ হাসান
[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]
মোর ইচ্ছে ছিল ছাদের উপর চাঁদের ছায়ায় হাটতে।
সেই ইচ্ছাটাকে পারি শুধু খাতার উপর আঁকতে।
আমি অনুভূতির রাজপুত্র, রাজ্যে আটক তাই,
আমি অট্টালিকার বাইরে গিয়ে জগত দেখতে চাই।
এই ধরণীর কত মায়া, কত মমতায় চাদর বিছায়!
আমি সেই ধরণীর মাধুর্যতা অনুভব করি আবছায়।
ঐ আকাশের চাঁদ-তাঁরা,পাহাড়ি ঝর্ণাধারা।
দেখলে আমার মুগ্ধতার ঐ স্মৃতি নারে হৃৎকড়া।
আমি প্রাচীরঘেরা বালক হয়ে প্রকৃতিকে দেখি।
আমি অদৃশ্য অস্রুখানা চক্ষু ভরে মাখি।
আমি নই জলন্তপিন্ড, কি এক অনুভুতি যেন
আমাতে বিরাজমান!
যদি ধংসাত্বক ঝড় দেখি পাই সাহিত্যের সন্ধান।
যদি কুয়াশায় হাত-এক দূরে আমি পাইনা দেখতে
কিছু।
আমি ফের খুঁজে পাই নিজ প্রতিভা,কার যেন করি
পিছু?
আমি রোমাঞ্চিত ভ্রমন বালক, প্রকৃতি দেয় অস্রু
ঝলক,
উদাস হয়ে বাইরে দেখি চোখ ফেলতে চায়না পলক।
ঐ আকাশ যখন রবিটাকে ঢাকে মেঘমালায়
তখন পারিনা বদ্ধ থাকতে মন কোথায় যেন পালায়।
এক মৃদু হাওয়া যখন এই অঙ্গে প্রবাহিত হয়,
হৃদয় দেয় এক শিতলতার মনোমুগ্ধকর পরিচয়।
আমি প্রকৃতি প্রেমিক তখন, যখন স্মৃতি হয়
উন্মোচন।
যে স্মৃতি আমার জীবনটাকে করে দেয় আলোড়ন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Narsingdi