Paramount Aviary

Paramount Aviary

Share

Contract us for best and healthy Birds

১০০% সুস্থ,স্বাস্থ্যবান,হাফ টেম,ঘরে ছেড়ে রাখা যায়,ধরলে কামড় দিবে না এই ধরনের বাজরিগার/কোকাটেল পাখির জন্যে যোগাযোগ করতে পারেন।
টেম সাইজ বেবি ও ১-৩ মাসের বাচচা পবেন।

03/12/2022

হিরো ❤️

18/10/2022

আগত শীতে পাখির জন্য কি কি প্রস্তুতি নিবেন

ঠান্ডার হাত থেকে পাখিকে সুরক্ষিত রাখতে যা করবেন :

১)পাখির খাঁচা এমন জায়গায় রাখতে হবে যাতে সরাসরি ঠান্ডা বাতাস না লাগে। প্রচন্ড ঠান্ডার সময়ে পাখির ঘরের দরজা,জানালা ভালোভাবে বন্ধ রাখতে হবে। আর যারা বারান্দায় পাখি পালেন তারা অবশ্যই বারান্দা পলিথিন বা তাবুর কাপড় দিয়ে ঢেকে দিতে হবে।

২)প্রচন্ড ঠান্ডার সময় ২০/৩০ মিনিট পাখির খাঁচা এমন জায়গায় রাখতে হবে যেখানে খাঁচার একপাশে রোদ এবং অন্য পাশে ছায়া থাকবে।

৩)রাতের বেলা পাখির খাঁচা মোটা কাপড় দিয়ে ঢেকে দিতে হবে এবং খেয়াল রাখতে হবে যাতে বাতাস চলাচলের জন্য কিছু জায়গা ফাঁকা থাকে।

পাখির শীতকালীন সম্পূরক খাবারঃ

১)পাখির ঠান্ডা লাগা প্রতিরোধ করতে মধু,আদা,পুদিনাপাতা, তুলসীপাতা এবং এপেল সিডার ভিনেগার দিতে হবে এগুলো পাখির ঠান্ডার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় এবং এই সব উপাদান একসাথে মিশিয়ে চুলায় ৫/৭ মিনিট জাল দিয়ে নিতে হবে তারপর একটু ঠান্ডা হলে মানে কুসুম কুসুম গরম থাকতে পাখিকে খেতে দিতে হবে।

২) তুলসি পাতা, টাটকা শাক সবজি পাখির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। পাখির শারিরীক সুস্থতা বজায় রাখার জন্য সজনে পাতা নিয়মিত খেতে দিবেন।

সজনে পাতায় ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, খনিজ পদার্থ, প্রোটিন, অ্যান্টি অক্সিডেন্টস ইত্যাদি থাকে যা পাখির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে এবং সহজে ঠান্ডায় আক্রান্ত হবে না।

৩)শীতকালে পাখির সীডমিক্সে তেল জাতীয় বীজ যেমন সূর্যমুখীর বীজ, গুজি তিল, ক্যানারি এর পরিমাণ বাড়িয়ে দিন।

৪)পাখির খাঁচা, খাবারের পাএ, পানির পাএ নিয়মিত পরিষ্কার করুন এবং প্রতিদিন পরিষ্কার পাএে তাদের বিশুদ্ধ পানি এবং খাবার খেতে দিন। এতে করে পাখি ব্যাকটেরিয়া অথবা ফাঙ্গাস এর আক্রমণ থেকে সুরক্ষিত, সুস্থ ও সবল থাকবে যার ফলে হঠাৎ করে পাখির অসুস্থ বা ঠান্ডা লাগার ভয় কমে যাবে।

সবার ভালোবাসার পাখি সুস্থ ও ভালো থাকুক

Photos 07/09/2022

বাচ্চা হলে বাবা মা পাখির খাবার

পরিষ্কার পানি ,পানিতে protexin অথবা poultry star sol এক লিটার পানিতে এক গ্রাম মিশিয়ে ১০দিন ।৬ঘন্টা পরপর পানি চেঞ্জ করে দিতে হবে ।
ভাল মানের সীড মিক্সড পরিষ্কার আর বেশী করে দিতে হবে ।
ছোলা ,গম ,সবুজ মুগ ডাল আগের দিন সন্ধ্যেয়ে ভিজিয়ে নরম হলে পরের দিন দিতে হবে ।দেয়ার আগে গরম পানিতে ধুয়ে দিলে ভাল ।
বিভিন্ন শাক ,সবজি যেমন্ গাজর ,পেঁপে ,কপি ,লাল শাক ,কলমি শাক ,সরিষা শাক ,পালং শাক,কাঁচা মরিচ ,লেটুস পাতা ,ধনে পাতা অল্প ,ব্রোক্কোলী ,বরবটি ,মিস্টি কুমড়া ।দেয়ার আগে ভাল করে বেছে ধুয়ে দিবেন ।acv এর পানি দিয়ে ধুয়েও দিতে পারেন ।
ভুট্টা ভাংগা সিদ্ধ করে দিতে পারেন ।
ডিম সিদ্ধ বা ভাল মানের পেকেট এগ ফুড দিতে পারেন ।সেক্ষেত্রে যাদের সময় কম তারা পাখিকে আগে থেকেই পেকেট খাবার এ অভ্যস্ত করবেন ।
বাচ্চার বয়স দশ বার দিন হলে calplex আর zisvet দিবেন পাঁচ দিন ।এক কাপ পানিতে তিন ফোঁটা calplex আর দুই ফোঁটা zisvet ।
মধু সপ্তাহে একদিন দিবেন ।এক কাপ পানিতে চার ফোঁটা ।
মাঝে মাঝে নিম পাতা ,তুলসী পাতা ,
রাতে ঘরে ডিম লাইট দিবেন ।খুব সকালে পানি দিবেন ।কুসুম গরম করে ।
আশা করি সবার বাচ্চা ভাল থাকবে ।

Photos 07/09/2022

পোষা পাখির বমির কারণ ও প্রতিকার:-

হ্যান্ড ফিড বেবি থেকে শুরু করে যেকোনো বয়সের পাখি এমনকি সুস্থ পাখিকেও হঠাৎ করে বমি করতে দেখা যায়৷ পাখি বমি করার অনেক কারণ রয়েছে। ইনফেকশন থেকে, ক্ষতিকর কিছু খেলে, শরীরের অর্গানে কোনো রোগ হলে পাখি বমি করে।
পাখি বমি করার কিছু সাধারণ কারণ নিচে দেওয়া হল।

১। বদহজমঃ-
অতিরিক্ত হ্যান্ড ফিড করালে বাচ্চা পাখির বদহজম হয়, পাখি বমি করে। আবার গরম পানি তে খাবার মিক্স করে না খাইয়ে নর্মাল পানিতে মিক্স করে খাওয়ানোর ফলে খাবার হজমে সমস্যা হয়।

২। ইনফেকশন ঃ- ইনফেকশন হল সবচেয়ে সাধারণ কারণগুলির মধ্যে একটি। খাবারে জীবানু থাকলে বা খাবার পানিতে পাখি পুপ্স করে পানি দুষিত হলে , কিংবা বিশুদ্ধ পানি পাখিকে খেতে না দিয়ে সাধারণ পানি দিলে এসব খাবার পানিতে থাকা গ্রাম পজেটিভ এবং গ্রাম নেগেটিভ ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া পাখির শরীরে প্রবেশ করে। আর এই ব্যাকটেরিয়া ইনফেকশন পাখিদের বমির অন্যতম একটি কারণ;

ক্যানকারঃ- ট্রাইকোমোনিয়াসিস নামক প্রোটজোয়া জীবাণুর মাধ্যমে এই রোগটি হয়। এটি পাখির সাইনাস, গলা, খাদ্যনালী ও ক্রুপে সংক্রমণ করে। ক্যানকার হলে পাখির মুখ থেকে লালা পড়ে, জিহব্বাতে ঘা হয়, মুখে ও গলাতে ছোট ছোট গুটি দেখা যায়। এই গুটি গুলোর কারনে খাদ্যনালী বন্ধ হয়ে যায়। এই গুটি গুলো লিভারেও ঘা তৈরি করে, মুখে ও গলায় হলুদাভ ননীর ন্যায় পদার্থ জমা হয়। এই পদার্থ অনেক সময় খাদ্যনালীর পথ বন্ধ করে দেয় ফলে ক্রুপ ফুলে যায়৷ আর তাই ক্যানকার হলে বাচ্চা পাখিকে খাওয়ানোর সময় বমি করে দেয়৷ এডাল্ট পাখি খাওয়া কমিয়ে দেয়।

ব্যাকটেরিয়া: মাইকোব্যাকটেরিয়াম, মেগাব্যাকটেরিয়া, সালমোনেলা এবং অন্যান্য অনেক গ্রাম-পজেটিভ এবং গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া ইনফেকশন হলে পাখি বমি করে। ব্যাকটেরিয়া জনিত কারনে পাখি বমি করলে বমির পাশাপাশি সবুজ, কালো ধরনের পুপ্স করে৷

ফাংগাল: ক্যান্ডিডা, এস্পারজিলোসিস, এসব ফাংগাল ইনফেকশন পাখির রেস্পেরেটরি ট্র‍্যাক সহ অন্যান্য কলাকেও আক্রমন করে।
ফাংগাল ইনফেকশন হলে পাখির শাসকষ্ট হয় আর ঝিমায়, খাবার খেতে চায় না, শুকিয়ে যায়। ফুসফুসে আক্রমণ করে ফুসফুসে ছোট হলুদাভ গুটি দেখা যাবে।
বাচ্চা পাখির খাবার হজম হয় না, ক্রুপে খাবার পচতে থাকে পরে খাওয়ানোর সময় বমি করে।

পরজীবীঃ-
ক্যাপিলারিয়া, প্লাজমোডিয়াম, টেপওয়ার্ম, ট্রাইকোমোনাস, গিয়ার্ডিয়া, রাউন্ডওয়ার্ম, ইত্যাদি ক্রিমিজনিত কারণেও পাখি বমি করে।

আঘাতঃ- উড়ে গিয়ে দেয়ালে বাড়ি খেয়ে বা অন্য প্রাণীর কামড় যা অভ্যন্তরীণ রক্তপাত বা সংক্রমণের কারণেও পাখির বমি হতে পারে।

নিউট্রিশনঃ-
অল্পবয়সী পাখিরা খাবারের তাপমাত্রা এবং সামঞ্জস্যের প্রতি বিশেষভাবে সংবেদনশীল এবং কি পরিমান খাবার খাওয়ানো হচ্ছে তার প্রতি ;

অতিরিক্ত ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট খাওয়ালে একসময় কিডনি লিভারে সমস্যা হয়। এসব সমস্যার ফলে পাখি হঠাৎ বমি করা শুরু করে।

ভিটামিন জাতীয় সমস্যাঃ-
ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট অতিরিক্ত দেয়ার ফলে এবং ভিটামিনের অভাব হলেও পাখি বমি করে
যেমনঃ-
১। উচ্চ প্রোটিন খাদ্য দিলে

২। অতিরিক্ত ভিটামিন ডি খাওয়ালে

৩। ভিটামিন এ এর অভাবে

৪। ভিটামিন ই বা সেলেনিয়ামের অভাব হলে আবার অতিরিক্ত ভিটামিন ই বা সেলেনিয়াম খাওয়ালে।

৪। উচ্চ আয়রন জাতীয় খাবার খেলে

৫। ভুল তাপমাত্রায় অতিরিক্ত খাওয়ানো। যেমন গরম কালে ডিম বেশি খাওয়ালে পাখি বমি করতে পারে, হজমে সমস্যা হয়।

ভারী ধাতু: তামা, সীসা, দস্তা জাতীয় ইত্যাদি জিনিস মুখে দিলে।

খাবার: চকলেট, লবণ, ছাঁচযুক্ত বা নষ্ট খাবার, অ্যাভোকাডো, অ্যালকোহল।

গৃহস্থালী পণ্য: অ্যালকোহল, ডিটারজেন্ট, পাইন পটাসিয়াম ক্লোরাইড (ম্যাচ), ইত্যাদি মুখে দিলে বা খেলে।

পাখির বমি হলে করনীয় ঃ-
বমির কারন খুজে তারপর পাখিকে ট্রিট-মেন্ট করাতে হবে।
যেমন ব্যাকটেরিয়া জনিত হলে এন্টিবায়োটিক দিতে হবে, ফাংগাল জনিত হলে এন্টিফাংগাল দিতে হবে,

অ্যান্টিবায়োটিক: ডক্সিসাইক্লিন, পলিমিক্সিন বি, ট্রাইমেথোপ্রিম, সালফাডিমেথক্সিন, এনরোফ্লক্সাসিন

অ্যান্টিপ্যারাসাইটিকস: ফেনবেন্ডাজল, প্রাজিকুয়ান্টেল, লেভামিসোল

এন্টি ফাংগাল ওষুধ: ফ্লুকোনাজোল,

ক্যানকার ওষুধ ঃ- টু প্লাস, মেট্রোনিডাজল গ্রুপের যেকোনো একটি।

পাখির পাখির বমির সঠিক কারণ নির্ধারণ করতে বিস্তারিত জানার প্রয়োজন হবে, যেমন :

কখন থেকে বমি শুরু হলো

কত ঘন ঘন এটা ঘটে

পাখিকে কি খাওয়ানো হয়

কিভাবে পাখি রাখা হয়।

শেষ কথাঃ-
পাখির বমি জনিত সমস্যা না হওয়ার জন্য কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে

১।পাখির বাচ্চাকে হ্যান্ড ফিড করালে ভালো মানের হ্যান্ড ফিড দিয়ে করাতে হবে, ক্রুপ খালি হলে তারপর খাওয়াতে হবে। ঘন ঘন বেশি খাওয়ানো যাবে না।

২। ব্রিডিং এ দেয়ার আগে ক্যানকার, ক্রিমির, কোর্স করিয়ে ফেলতে হবে।

৩।খাবারে ফাংগাস আছে কিনা দেখতে হবে, পানির বাটি, খাবার বাটি পরিষ্কার করে দিতে হবে।

১।পাখির বাচ্চাকে হ্যান্ড ফিড করালে ভালো মানের হ্যান্ড ফিড দিয়ে করাতে হবে, ক্রুপ খালি হলে তারপর খাওয়াতে হবে। ঘন ঘন বেশি খাওয়ানো যাবে না।

২। ব্রিডিং এ দেয়ার আগে ক্যানকার, ক্রিমির, কোর্স করিয়ে ফেলতে হবে।

৩।খাবারে ফাংগাস আছে কিনা দেখতে হবে, পানির বাটি, খাবার বাটি পরিষ্কার করে দিতে হবে।

৪। খাবার আর পানি ফ্রেশ দিতে হবে।

৫। ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট নিয়ম মত দিতে হবে। প্রতিমাসে দিতে হয় এইটা ভুল।

৬। পাখির এভিয়ারি, খাচা, সব পরিষ্কার রাখতে হবে।

৭। সফট ফুড গরম কালে দিলে ২ঘন্টার বেশি রাখা যাবে না
৮। গরম কালে এগ ফুড বেশি দেয়া যাবে না।

৯। হজম জনিত সমস্যা হলে বাচ্চা পাখিকে লেবুর রস, আদার রস খাওয়াতে হবে। অথভা হজম জনিত ওষুধ যেমন নিউট্রিপ্লেক্স, মাল্টিযাইম বিটি, এসবের যেকোনো একটি খাওয়াতে হবে।

১০। বাচ্চা পাখি বমি করলে হ্যান্ড ফিডের পাশাপাশি রাইস সেলাইন খাওয়াতে হবে। আর বমির কারন খুজে উপোরক্ত ট্রিটমেন্ট দিতে হবে।

Photos 06/09/2022

Marvelous ❤️ 😍

Photos 27/08/2022

চুলকা চুলকি 😁

Photos 27/08/2022

চুলকানি 😁

22/02/2022

পাখিদের কক্ সিডিওসিস বা রক্তামাশয়।

কারণ:-ককসিডিওসিস একটি মারাত্মক জটিল ও প্রাণঘাতি রোগ। পাখির দেহের অন্ত্রে এক ধরণের পরজীবি ( প্রোটোজিয়া) দ্বারা সৃষ্ট রোগ। প্রোটোজোয়া পাখির দেহের অন্ত্রে বাসা বাধে ও অন্ত্রের দেয়ালে এঁটে থেকে অন্ত্রের টিস্যুতে সংক্রমণ সৃষ্টি করে।এর ফলে সেখান থেকে রক্ত ঝড়তে থাকে এবং পাখির পরিপাক তন্ত্র ঠিকমত কাজ করতে পারেনা। ক্রমেই মলের সাথে রক্তের পরিমাণ বাড়তে থাকে এবং দ্রুত চিকিৎসা না পেলে মৃত্যু নিশ্চিত।

চিকিৎসা:-

ভেষজ:- প্রাথমিক অবস্থায় গাধা ফুল এবং দুর্বাঘাসের রস খাওয়ালে পাখি সুস্থ হয়। এক চামচ গাধা এবং দুর্বা ঘাসের রস প্রতিদিন খাওয়াতে হবে দিনে ৩বার।

ভেট:- ESB30% বা Cosumix plus 2গ্রাম ১লিটার পানিতে অথবা Coccicure ১গ্রাম ১লিটার পানিতে মিক্স করে ৫দিন খাওয়াতে হবে। এর সাথে RENA K হাফ গ্রাম মিক্স করতে হবে।

হোমিওপ্যাথিক: এই রোগের প্রাথমিক অবস্থায় নাক্সভমিকা পরবর্তিতে রোগের অবস্থা অনুযায়ী মার্কুরিয়াস সল, ফসফরাস মেডিসিন খাওয়াতে হবে।

এই রোগের প্রতিকার থেকে প্রতিরোধ সহজ।এই রোগ থেকে পাখিকে সুস্থ রাখতে পরিষ্কার খাবার, পানি দিতে হবে। পাখির ট্রে সপ্তাহে দুইদিন ভাইরোসিড বা টিমসেন দিয়ে স্প্রে করতে হবে।

22/02/2022

পাখির খাবার ও পানি অবশ্যই পরিষ্কার রাখুন কেননা আবহাওয়া পরিবর্তনের এ সময়ে প্রচুর পরিমাণে ধুলোবালি দেখা যায়,পাখির থাকার পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন না থাকলেও পাখি অসুস্থ হয়ে মারা যেতে পারে।
আপনার পাখির আচার-আচরণ ও পায়খানার ধরন সব সময় খেয়াল রাখুন কেননা পাখি অসুস্থ হওয়ার পর অসুস্থতা না বুঝলেও পাখিটি মারা যেতে পারে।

তাপমাত্রা পরিবর্তনের এই সময়ে পাখিকে প্রতিদিন আদা, তুলসী ও মধুর দ্রবণ দিন।একটি করে পাখির ঠান্ডা লাগার প্রবণতা কমে যাবে।

নিয়ম করে প্রতিমাসে পাখিকে পাঁচ দিন এসিবি পাঁচ দিন রসুন পানি,এবং পাঁচ দিন লেবু পানি খাওয়ান এতে করে পাখি অসুস্থ হওয়ার প্রবণতা কমে যাবে।
ভালো থাকুক সবার পাখি।

Photos from Paramount Aviary's post 22/02/2022

পোষা পাখির শরীরের পোকা দূর করতে যা করবেন,
পাখি খাঁচা থেকে সরিয়ে খাঁচাটি ভালোভাবে পানি দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। এরপর নিম পাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে আরেকবার ভালো করে ধুয়ে কড়া রোদে শুঁকাতে হবে। প্রতি মাসে কমপক্ষে একবার এভাবে আপনার পাখির খাঁচা পরিষ্কার করতে হবে। প্রতিদিন খাঁচার ট্রে, খাবারের বাটি, পানির পাত্র ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে।
পাখিদের নিম পাতা সেদ্ধ করা পানিতে গোসল করতে দিন। গ্রীষ্মকালে গোসলের জন্য পানির পাত্র দিতে হবে ১/২ দিন পর পর এবং শীতকালে সপ্তাহে ২ বার। গোসলের পাত্র টি অবশ্যই পাখির দেহের আকারের সাথে সামঞ্জস্য পূর্ণ হতে হবে, বেশি বড় ও না কিংবা ছোট ও না। গোসলের পানি সকাল ১০-১১ টার মধ্যে খাঁচায় রাখতে হবে এবং ২ ঘণ্টা পরে খাঁচা থেকে বের করে ফেলতে হবে।
যদিও পাখির উপর পানি স্প্রে করে গোসল করানো যায় কিন্তু পানির পাত্রে গোসল করানোই উত্তম কারণ এতে করে তারা নিজের ইচ্ছা এবং প্রয়োজন মতন গোসল সেরে নিতে পারে। পাখি নিজে থেকে গোসল না করলে নিম পাতা সেদ্ধ করা পানি দিয়ে হালকা করে স্প্রে করে দিন। পোকা দূর করতে নিম এর দ্রবণ দিয়ে একটানা ৭- ১০ দিন গোসল করাবেন। গোসলের পর অবশ্যই কিছুক্ষণ রোদ এ রাখবেন শরীর প্রায় শুকানো পর্যন্ত।
পাখির খাঁচায় বসার লাঠি(perch) পরিবর্তন করে তাজা নিমের ডাল ব্যবহার করতে হবে। নিম এর ডাল এর পার্চ জীবানুনাশক/পোকানাশক হিসাবে কাজ করে, পাখির চামড়া, পালক ও ঠোট সুস্থ রাখে, পাখির বসতে সুবিধা হয়, ঠাণ্ডায়/শীতকালে পাখির শরীর গরম রাখে, ব্রিডিং এর সময় মেটিং সফল হতে ও ডিম ফার্টাইল হতে সাহায্য করে।
একটানা ৭ দিন তাজা নিম এর ডাল পাতাসহ খেতে দিন. সাধারণভাবে সপ্তাহে ১ দিন খেতে দিন।
পাখির খাবার এবং পানি প্রতিদিন সকালে ১ বার এবং সন্ধায় একবার বদলে দিতে হবে।
পাখিকে অবশ্যই পরিষ্কার পরিচ্ছন পরিবেশ এবং সূর্যালোক ও বায়ু চলাচলের সুপরিসর ব্যাবস্থা আছে এমন জায়গায় রাখবেন। পাখির খাচা যেখানে থাকে, সেই জায়গাটিও নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।
নিমের দ্রবণ তৈরির নিয়ম, – ১০ টি নিম পাতা ভালো করে ধুয়ে ১ লিটার পরিমাণ ফুটন্ত গরম পানিতে ছেড়ে দিন। এর পরে পাত্রটি ঢাকনি দিয়ে ঢেকে ১৫-২০ মিনিট ধরে হালকা আঁচে সিদ্ধ করুন। পানির রঙ হালকা সবুজাভ বাদামী হলে পাত্রটি চুলা থেকে নামিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢাকা অবস্থায় ঠাণ্ডা হতে দিন। পাখিকে গোসলের জন্য এই পানিটা গোসলের পাত্রে অথবা পাখির গায়ে স্প্রে করে দিতে পারেন।

22/02/2022

পাখিদের নিম পাতা সেদ্ধ করা পানিতে গোসল করতে দিন। গ্রীষ্মকালে গোসলের জন্য পানির পাত্র দিতে হবে ১/২ দিন পর পর এবং শীতকালে সপ্তাহে ২ বার।গোসলের পাত্র টি অবশ্যই পাখির দেহের আকারের সাথে সামঞ্জস্য পূর্ণ হতে হবে, বেশি বড় ও না কিংবা ছোট ও না। গোসলের পানি সকাল ১০-১১ টার মধ্যে খাঁচায় রাখতে হবে এবং ২ ঘণ্টা পরে খাঁচা থেকে বের করে ফেলতে হবে।

Photos 11/02/2022

Mashaallah
Alhamdulillah 😇
Marvelous 😍😍😍

Want your business to be the top-listed Pet Store/pet Service in Narayanganj?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Hazigonj, Narayangonj
Narayanganj
1400