SM Sultan
To know more about SM Sultan read in wiki https://en.wikipedia.org/wiki/SM_Sultan
[unofficial page]
06/09/2025
চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের জন্মশতবর্ষে শ্রদ্ধার্ঘ্য। বছর ব্যাপী উৎসবের অংশ এই ফটোগ্রাফ প্রদর্শন। ফটোগ্রাফ-শিল্পী নাসির আলী মামুন চিত্রকর সুলতানের ব্যক্তিত্ব আলোকচিত্রের মাধ্যমে মহিমান্বিত করেছেন।
দুর্লভ এই সব ফটোগ্রাফ এবং এর সঙ্গে সুলতানের আঁকা ছবি একত্রিত করে পৃথক সংগ্রহশালা করা হলে যথার্থ হয়।
গতকাল বেঙ্গল আর্ট গ্যালারিতে ফটোগ্রাফারের কবি নাসির আলী মামুন ভাইয়ের সঙ্গে।
31/08/2025
গুরু এস.এম সুলতানের সাথে মানুষটি কে??
30/08/2025
🇧🇩লোকশ্রুতি আছে সুলতান দারুণ বংশি বাদক ছিলেন। সমসাময়িক সময়ে যারা আছেন তাদের মুখ থেকে শোনা। তিনি গভীর রাতে বাশি বাজাতেন। বেশির ভাগ সময়ে রাগরাগিণী ভিত্তিক সূর ছিলো তার প্রিয়। নিজে বাশি বানাতে পারতেন। তার বাঁশিতে নিজে আল্পনা করতেন খোদাই করে। বাঁশির আকারে ছিলো খুব বড় বড়। নড়াইল জেলার জমিদার বাড়ির শীব মন্দিরে বসে বাশি বাজাতেন। এই নিশ্চিত তথ্য অনেকের কাছ থেকে পাওয়া যায়। তার বাঁশি এখনো সুলতান জাদুঘরে সংগ্রহ করে রাখা হয়েছে। 🇧🇩
পরে বিস্তারিত লেখা হবে।।🙂
এই ছবিটি নাছির আলী মামুনের তোলা সুলতানের হাত ।।
28/08/2025
শিল্পের সুলতান!
20/08/2025
🇧🇩এস.এম সুলতানের স্বপ্নের ট্রলার। এখন চিত্রা নদীর কুলে রাখা হয়েছে প্রদর্শন করার জন্য। অথচ নদীর ঢেউ এর চুম্বনে ভেসে বেড়ানোর কথা ছিলো চিত্রার মায়াবী জলে। শিশুদের রঙে রঙীন স্বপ্ন বুনবে এই ট্রলারে!
এই টলার নিয়ে শিল্পী স্বপ্নের ভ্রমণে যেতে চেয়েছিলেন শিশু স্বর্গে বাচ্চাদের নিয়ে। ট্রলার টি তৈরি হলে একবার মাত্র বাচ্চাদের নিয়ে ভ্রমণে বের হয়েছিলেন সুন্দর বন অভিমুখে। ট্রলারে ছিলো অনেক বাচ্চা। তারা ছবি আঁকতে ছিলো আর শিল্পী সেই দৃশ্য মনোমুগ্ধ ভাবে দেখছিলেন। 🇧🇩
বিস্তারিত লেখা হবে এক দিন। শিল্পী ও তার ট্রলার স্বপ্ন নিয়ে...
18/08/2025
🇧🇩🇧🇩🇧🇩 নিজের পোষা বেড়ালের বাচ্চা কোলে শীতের রাতে মহান শিল্পী সুলতান। মাছিমদিয়া বাড়িতে তিনি বসবাস করতেন পশু পাখির সাথে। অনেক গুলো বিড়াল পোষা এবং অপোষ্য ছিলো।
এই ছবিটি তুলেছিলেন আর এক কালজয়ী ফটোগ্রাফার নাছির আলী মামুন। তিনি সুলতানের সব থেকে বেশি ছবি তুলেছেন। এবং সংগ্রহ করেছেন।
সুলতান পশু পাখি পালন করতেন। তার বাড়ীতে একটি ছোট চিড়িয়াখানা ছিলো। সে খানে অনেক প্রজাতীর পশু পাখি ছিলো। মৃত্যুর পরে পশুপাখি গুলোকে মিরপুর চিড়িয়াখানায় পাঠানো হয়। সুলতানের চিড়িয়াখানা খানা নিয়ে বিস্তারিত লেখা হবে...🇧🇩🇧🇩
17/08/2025
বেশভূষা চেহারা ব্যক্তিত্বে খাঁটি বাঙালি এঁরা। বাংলাদেশের ইতিহাসও পর্বত প্রমাণ গর্বের কবি বেগম সুফিয়া কামাল পাশে আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন চিত্রকর এস, এম, সুলতান।
আমি একটু আধটু কবিতা বুঝলেও ছবি তেমন মাথায় ঢোকে না। ছবি বুঝি না বটে, তবে কিছু কিছু ছবির সামনে দাঁড়ালেই মন ভালো হয়ে যায়। এমন কিছু ছবির প্রদর্শনীতে গিয়েছিলাম যেখানে ছবিকে মনে হয়েছিল জীবন্ত।
যত আগের তৈরী হোক না কেন রঙের গন্ধ এসে লাগছিল নাকে। ছবির চরিত্রগুলো যেন এক্ষুনি হাত বাড়িয়ে বলবে, ভালো আছেন?
দুর্বল,ক্ষীণকায় বাঙালিকে শক্তি যোগানোর এই শিল্পী পেশীবহুল বাঙালির কৃষিজাত সভ্যতাকে তুলে এনে দুনিয়াকে চমকে দিয়ে গেছেন।
The one and only S M Sultan.
16/08/2025
এস এম সুলতান: তুলির রেখায় গ্রামীণ মহাকাব্যের রূপকার
📌 বাহাউদ্দিন গোলাপ
😍বাংলার আকাশে মেঘের ভেলা ভাসছিলো ১৯২৩ সালের ১০ আগস্টের সেই প্রভাতে, যখন নড়াইলের মাসিমদিয়া গ্রামে জন্ম নিলেন এক বিস্ময়শিশু—শেখ মোহাম্মদ সুলতান। ইতিহাস তাঁকে চিনলো এস এম সুলতান নামে। কৃষক পরিবারের সন্তান হয়েও তিনি হয়ে উঠেছিলেন ক্যানভাসের জাদুকর, যিনি তুলির আঁচড়ে রচনা করেছেন গ্রামীণ বাংলার মহাকাব্য—যেখানে শ্রম, প্রেম, সংগ্রাম ও সৌন্দর্য মিশে আছে একই স্রোতে।
শৈশবে স্কুলপাঠ তাঁর মন টানেনি, বরং টেনেছিলো বাবার সঙ্গে নির্মাণকাজে ব্যস্ত দিনগুলো—যেখানে তিনি শিখেছিলেন রেখা, অনুপাত আর কাঠামোর মেলবন্ধন। সেই বোধ থেকেই জন্ম নেয় তাঁর শিল্পের ভিত্তি। পরবর্তীতে কলকাতার আর্ট স্কুলে পড়াশোনার সুযোগ পেলেও তাঁর প্রকৃত শিক্ষা হয়েছিল মুক্ত আকাশের নিচে—শহর থেকে গ্রাম, পাহাড় থেকে সমতল ভ্রমণে, মানুষের মুখ আর মাটির গন্ধে। তিন বছরের মধ্যেই স্কুল ছেড়ে তিনি যাত্রা শুরু করেন নিজের শিল্প-তীর্থে।
সুলতানের শিল্প ছিল বাস্তবতার মূর্ত প্রতীক, কিন্তু সেই বাস্তবতার ভেতরে লুকিয়ে ছিল দর্শনের গহ্বর। তাঁর ছবিতে গ্রামীণ কৃষক-শ্রমিকদের দেহ বিশাল ও বলিষ্ঠ—চওড়া কাঁধ, দৃঢ় বাহু, তীক্ষ্ণ দৃষ্টি। এই অতিমানবীয় অবয়ব ছিল তাঁর দৃষ্টিভঙ্গির প্রতীক। তিনি বিশ্বাস করতেন সভ্যতার প্রাণশক্তি শহরে নয়, গ্রামে; আর তার চালিকাশক্তি সেই কৃষক, যে ঘাম ঝরিয়ে জীবন সৃষ্টি করে। তাঁর ‘পল্লী জীবন’ সিরিজ, ‘হার্ভেস্টিং’, ‘প্লাউইং’, কিংবা ‘ফার্মারস’—প্রতিটি ক্যানভাসে ফুটে উঠেছে গাঢ় সবুজের সমারোহ, সোনালি ধানের ঢেউ, আর কৃষকের সৎ হাসি।
তাঁর শিল্পে রঙ কেবল দৃশ্যত নয়। সেখানে রঙ হয়ে উঠেছে ভাষা, আর ক্যানভাস হয়ে উঠেছে ইতিহাসের খতিয়ান। তিনি যেন মাটির গন্ধকে রঙে রূপান্তর করতেন, নদীর স্রোতকে তুলিতে বেঁধে রাখতেন। তাঁর আঁকা কৃষকের হাতের রেখা যেন যুগের পর যুগের শ্রমের ছাপ বহন করে। এইভাবেই তিনি শিল্পকে পরিণত করেছিলেন এক সামাজিক ও দার্শনিক উচ্চারণে।
সুলতানের জীবন ছিল সহজ-সরল, কিন্তু সংগ্রামী। আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে পিকাসো, দালি, পল ক্লির মতো বিশ্ববরেণ্য শিল্পীদের সঙ্গে তাঁর কাজ স্থান পেয়েছিল; নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটন, শিকাগো, লন্ডন, করাচি—সবখানেই তাঁর ক্যানভাস আলোড়ন তুলেছিল। তবুও তিনি খ্যাতির মোহে আটকে থাকেননি—ফিরে এসেছিলেন নড়াইলে, যেখানে গ্রামের মানুষ আর শিশুদের সঙ্গে কাটিয়েছেন জীবনের শেষদিনগুলো।
শিশুদের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ছিল অগাধ। তিনি বিশ্বাস করতেন, শিশুর হাতেই লুকিয়ে আছে ভবিষ্যতের শিল্প ও সভ্যতা। এই বিশ্বাস থেকেই তিনি গড়ে তোলেন "শিশুস্বর্গ" ও "চারুপীঠ"—যেখানে বইয়ের পাশাপাশি শিশুদের হাতে তুলে দিতেন রংতুলি, বাঁশি, খেলার মাঠ। তাঁর কাছে শিক্ষা ছিল আনন্দের উৎসব, যেখানে শিশুমন মেলে ধরতে পারে সৃষ্টির আনন্দ।
আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও এসেছে তাঁর দরজায়—১৯৮২ সালে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ঘোষণা করে ‘ম্যান অফ এশিয়া’। একই বছরে তিনি পান একুশে পদক, ১৯৮৬ সালে বাংলা চারুশিল্পী সংসদ পুরস্কার, এবং ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতা পদক। তিনি ছিলেন আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর অতিথি, বিচারক, আর বাংলাদেশের চারুকলার অন্যতম রত্ন। তরিকুল মাসুদের ডকুমেন্টারি আদম সরূপ (১৯৮৯) তাঁকে তুলে ধরে এক কৃষকপ্রাণ শিল্পী হিসেবে—যিনি শুধু আঁকেন না, বরং মানুষের আত্মাকে ক্যানভাসে বন্দি করেন।
১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর সুলতান বিদায় নিলেন এই পৃথিবী থেকে। কিন্তু তাঁর আঁকা কৃষকের চোখ, সোনালি ফসলের ঢেউ, আর নদীমাতৃক বাংলার সবুজে ভরা দৃশ্য আজও আমাদের মনে করিয়ে দেয়—আমাদের শিকড় মাটিতে, আমাদের মহিমা শ্রমে, আর আমাদের শিল্প সেই শিকড় ও শ্রমের জয়গান।
আজ তাঁর জন্মদিনে আমরা তাঁকে স্মরণ করি এক অনন্ত কবি হিসেবে—যিনি তুলির ভাষায় লিখেছিলেন বাংলার মানুষের মহাকাব্য, যিনি প্রমাণ করেছিলেন শিল্প মানে কেবল সৌন্দর্যের অন্বেষণ নয় বরং মানবতার গভীরতম স্বরলিপি।😍
🟥 বাহাউদ্দিন গোলাপ
ডেপুটি রেজিস্ট্রার
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়
[email protected]
০১৭১২০৭০১৩৩
15/08/2025
😍সত্তরের দশক : কথা সাহিত্যিক সেলিনা হোসেন -এর সন্তানদের কে ছবি আকাঁর হাতে খঁড়ি দিচ্ছেন শিল্পী এস.এম. সুলতান। 😍
🇧🇩শিল্পীর দিকে তাকিয়ে হাঁটু গেড়ে বসে থাকা মেয়েটার নাম ফারিয়া লারা। সেলিনা হোসেনের এই বৈমানিক মেয়েটি বিমান দুর্ঘটনায় অকালে মারা যান।🇧🇩
10/08/2025
👑"জীবনের বৃত্ত কে অনেক বড় করে এঁকেছি জানি না তার কত টুকু ছুঁতে পারব। মাটির কাছাকাছি জীবনের গন্ধ।"👑
-এসএম সুলতান
🇧🇩🇧🇩১৯২৩ সালে ১০ আগষ্ট মায়াবী চিত্রার পাড়ে জন্ম গ্রহণ করে ছিলেন আমাদের দাদু । নড়াইলের মানুষ তাকে লাল মিয়া বলে ডাকতেন। পৃথিবীর ক্যানভাসে বাঙালীর প্রথম বৃক্ষ রোপন শিল্পী এস এম সুলতান।
অনন্ত জন্মের -
অনন্ত শুভেচ্ছা দাদু...
মনে পড়ে আজ শুক্রবার সকালে ঘুম থেকে উঠে দলে দলে চলে যেতাম শিশু স্বর্গে। মাঝে মাঝে দুধ-কলা পেয়ারা বিস্কিট দিত। ছবি আঁকতে সাহাষ্য করতো দুলাল দা,কাজল দা ও শমীর দাদুর সাথে। পদ্মদি খুব রাগি ছিল জানতাম। দাদু ঘুরে ঘুরে দেখতেন, সকলের খোজ নিতেন। হাতে ধরে আঁকা দেখিয়ে দিতেন। কাউকে বকা দিতেন না। শুধু আদর আর আদর। দাদুর সামনে ছবি আঁকার জন্য ভোমরের মতো ঘিরে ধরতাম মাঝে মাঝে। দাদু ছিল জাদুর মতো। হেলিকাপ্টার আঁকতে বললেও একেঁ দিতেন হুট করে। আমরা অবাক হতাম। আঁকার সময় বিষয় টা নিয়ে মুধুর মতো কথা বলতেন। সবাই মন্ত্রমুগ্ধের মতো শুনতাম আর দেখতাম কেমন করে টানে টানে ছবি হয়ে যায় জাদুর মতো..
আমরা বাগানে ঘুরে ঘুরে দেখতাম মনে হতো দাদুর বাড়ী একটা ফুলের বাগান ছিল। অনে প্রজাতির গাছ ছিল। লোহার খাঁচায় মদনটাক,সারশ,বানর, মুনিয়া সহ অনেক পশু পাখি ছিল। মাঝে মাঝে ঘুরে ঘুরে দেখতাম।
তার জন্ম দিনের অনেক আগে থেকে আমরা টের পেতাম। মাথার মকুট বানানো শুরু হয়েছে। আরো কতো কাজের আলামত। দাদু রিকশায় বসে থাকতেন শোভাযাত্রার সামনে। আবীরে রঙিন হতো জামা- কাপড়। জয় ডাক,ঢোল, কাসার শব্দে শহরের রাস্তায় ঘুরতাম পায়ে হেটে। শেষ হলে মিষ্টি বিতরণ হতো।
দাদুকে দেখাতাম তার থেকে বড়ো বড়ো ক্যানভাসে সামনে তুলি হাতে ছবি আঁকছেন নিরন্তর। পরে দেখি তার “পাটকাটা”, “ধানকাটা”, “ ধান ঝাড়া”, “ধান ভানা”, “ জলকে চলা”, “ চর দখল”, “গ্রামের খাল”, “গ্রামের দুপুর”, “নদী পারা পার”, “ধান মাড়াই”, “জমি কর্ষণে যাত্রা”, “মাছ ধরা”, “নদীর ঘাটে”, “গুন টানা”, “ফসল কাটার ক্ষণে”, “শরতের গ্রামীণ জীবন”, “শাপলা তোলা"। হাজার হাজার ছবি তিনি একঁছেন পৃথিবী পথের স্টুডিও তে, বাউলের তুলিতে হেটে হেটে মহাকাল
বাঙালি জাতিসত্তার গভীরতম পাললিক ভূমিতে সহস্র বছর ধরে যে অমিত আত্মিক শক্তি সুুপ্ত ছিল তারই নান্দনিক প্রকাশ ছিল দাদুর জীবন ও শিল্পে। ৭০ বছরের জীবন কালে তুলির আঁচড়ে দেশ,মাটির গন্ধ- ঘামে ভেঁজা মেহনতী মানুষের ছবি তিনি রেখে গেছেন পৃথিবী চিত্রশালাতে।🇧🇩🇧🇩🇧🇩
😍শুভজন্মদিন[ ১০ আগস্ট ] গুরু [ এস এম সুলতান ]―😍
08/07/2025
সুলতানের তুলির আঁচড়
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Website
Address
Narail