Pathgriho Cafe
Welcome to Mymensingh's First Reading Cafe! Where books meet brews.A haven for book lover,students, and coffee aficionados.
Enjoy a cozy ambiance, a curated selection of books and your favourite coffee blend.♥️
মানসিক শান্তি নির্ভর করে চারপাশে থাকা মানুষগুলোর ব্যবহার উপর৷ তারা যদি নেগেটিভ ভাবে আপনাকে গ্রহণ করে, আপনাকে ভালো না বাসে, আপনাকে সম্মান না দেয়, তবে আপনার জীবন থেকে মানসিক শান্তি নষ্ট হয়ে যায়!
চারপাশে সব Toxic মানুষের ভীড়ে নিজেকে সবসময় খুব অসহায় মনে হয়! যারা ভালোবাসে না, অপছন্দ করে, দুর্ব্যবহার করে, বিন্দুমাত্র সম্মান করে না–কখনো কখনো একপ্রকার বাধ্য হয়েই এইসব মানুষের সান্নিধ্যে থাকতে হয়।
অপছন্দ করা মানুষগুলোর আড় চোখের চাহুনি, আরও বেশি যন্ত্রণা দেয়! যারা কারো ভালোবাসা পায়নি কোনোদিন, তারা নিজেদের কখনোই সুখী ভাবতে পারে না!
একটা মানুষ যখন সবসময় তার চারপাশে সব বিষাক্ত মানুষের সান্নিধ্যে থাকে, তখন সে মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়তে থাকে! চারপাশে থাকা মানুষের ব্যবহার–আচরণ এবং কথাবার্তার মাঝেও মানসিক শান্তি নির্ভর করে। যারা তীব্র মানসিক যন্ত্রণা ভোগ করে, তাদের আশেপাশের মানুষগুলোর ব্যবহারের জন্যই তারা যন্ত্রণা পায়!
আপনি যখন এমন পরিবেশে থাকবেন, যেখানে মানুষ আপনাকে বোঝে, সম্মান দেয়, ভালো ব্যবহার করে, আপনাকে ভালোবাসে–দেখবেন সেখানে আপনার বিন্দুমাত্র থাকতে কষ্ট হচ্ছে না। আর সেখানেই আপনি ভালো থাকবেন।
যারা আপনার হাসিকে পছন্দ করে, সবসময় আপনার মঙ্গল চায়, আপনাকে হাসায়, মূলত তারাই আপনার জীবনে আশীর্বাদ হয়ে আসে। যারা আপনার হাসিকে সহ্য করতে পারে না, আপনার আনন্দ দেখে হিংসা করে, আপনাকে অপছন্দ করে, তারা কখনোই আপনার মঙ্গল চায় না।
পৃথিবীতে সব মানুষই আপনাকে ভালোবাসবে না। আপনার ভালোর কথা চিন্তাও করবে না৷ তবে এইসব ঘৃণা করার মানুষের ভীড়ে উপরওয়ালা কাউকে না কাউকে রাখে, যে আপনাকে সত্যি ভালোবাসে। আপনাকে হাসায়, আনন্দ দেয় এমনকি সম্মান করে৷ হোক সংখ্যায় খুবই কম কিংবা একটা মাত্র মানুষ। সেই মানুষটাই আপনাকে জীবনের সব দুঃখবোধ, হতাশা এবং মানসিক অবসাদ ভুলিয়ে রাখবে।❤️
18/06/2026
তোমাকে বোঝানো যায় না, পৃথিবীর কোনো ভাষাতেই তোমাকে বোঝানো যায় না! চোখের জল দিয়ে, কোনো ভাষা দিয়ে, পায়ে পড়ে, কোনোভাবেই তোমাকে বোঝানো যায় না!
তুমি অবুঝ নও, সবকিছুই বুঝতে পারো নিজের বেলায়। শুধু আমার বেলাতেই তুমি অবুঝ। যেন কিচ্ছু বোঝো না। কেন এত শূন্য লাগে, একা লাগে নিজেকে, কেন বারবার মন খারাপ হয়! একাকিত্ব হতাশায় কেন ডুবে থাকি সারাক্ষণ–কিচ্ছু বোঝো না, বুঝতে চাওনা তুমি।
তোমাকে বোঝানো যায় না!
পৃথিবীতে এতশত মানুষের ভীড়ে কেন এত করে তোমায় চাই! কেন অভিমানে দগ্ধ হৃদয় নিয়েও বলি, “ ভালোবাসি! ” শত অবহেলা-অনাদরে পড়ে থেকেও কেন তোমার সঙ্গ, তোমার সাথে কথা বলার জন্যই মরিয়া হয়ে থাকি।
তুমি বোঝো না, কিচ্ছু বোঝো না!
কেন বৃষ্টিতে মন এত উতলা হয়, কেন নিজেকে এত অসহায় লাগে, তুমি থাকার পরেও কেন মনে হয় কিছুই নেই আমার! তোমাকে কোনো উপায়েই বোঝানো যায় না যেন৷ তুমি সবকিছুই বোঝো, শুধু বোঝো না আমায়।
সবকিছু বুঝেও যখন না বোঝার ভান করো, তবে পৃথিবীর সাধ্য আছে তোমাকে বোঝানোর? তুমি বুঝলে না, ভালোবাসলে না, চেয়েও দেখলে না!
ভালোবাসা এভাবে হয় না।
এমন দিনের পর দিন কথা না বলে, না দেখে, না ছুঁয়ে, আলিঙ্গন বিহীন ভালোবাসা হয় না! তুমি সবই বোঝো, শুধু আমার বেলায় তুমি বড্ড অবুঝ!
17/06/2026
আমরা খুব সুন্দর অনুভূতিগুলো নষ্ট করি ঠুনকো কারণে নয়, বরং খুব গুরুতর ভুলের কারণেই অনুভূতি নষ্ট করে ফেলি!
নিজের আত্মসম্মানকে বিসর্জন দিয়ে, আমরা ভালোবাসাকে প্রাধান্য দেই। অবশেষে আমরা নিজের আত্মসম্মান হারিয়েও ভালোবাসা টুকু পাই না! খুব সহজে মানুষকে বিশ্বাস করা, মানুষকে আপন মনে করা, শত অবহেলা- অবজ্ঞা পাওয়ার পরেও বারবার গুরুত্ব দেয়াটাই হচ্ছে জীবনের সেরা ভুল।
সামান্য একটু ভালো থাকার লোভে আমরা যাদের পাশে চাই, যাদের ভালোবাসা চাই, যাদের কাছে প্রত্যাশা রাখি, তারা আমাদের শুধু হতাশই করে! অবহেলা, অনাদর পাওয়ার পরেও যখন নির্লজ্জের মতো প্রত্যাশায় বারবার হতাশ হতে থাকি, তখন অনুভূতি আপনাআপনিই তার ভাষা হারায়, ছন্দ হারায়!
এভাবে অনুভূতি হারিয়ে শেষমেশ নিজেকে ভালোবাসার মতো ইচ্ছেটুকুও আর হয়ে উঠে না। অবহেলা শুধু সম্পর্ক নয়, অনুভূতিও নষ্ট করে দেয়– খুউব বাজে ভাবে নষ্ট করে দেয়!
এক ভুল বারবার করে আমরা যার কাছে একটু গুরুত্ব পেতে চাই, যার কাছে একটু সময় পেতে চাই, একটু যত্ন পেতে চাই, ঠিক সেই মানুষটাই আমাদের অনুভূতি নষ্ট করে দেয়। আর তারপর আমরা অনুভূতিহীন মানুষ হয়ে অসহায়ের মতো মুখ থুবড়ে পড়ে থাকি হতাশায়!🙂
অধিকার ছাড়িয়া দিয়া অধিকার ধরিয়া রাখার মত বিড়ম্বনা আর হয় না!🙂
— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
16/06/2026
আটকে থাকবেন না।🙂
জীবনের অর্ধেকটা সমস্যা কিংবা হতাশা দূর হয়ে যায়, যদি পাশে নিজেকে বুঝতে পারার মতো একজন বিশ্বস্ত সেই সাথে মনোযোগী মানুষ থাকে।
টাকা-পয়সা, ধন-সম্পদ আপনাকে বিলাসবহুল জীবন দিতে পারে, তবে আশেপাশের মানুষগুলো যদি টক্সিস হয় না, টাকা-পয়সা, ধন-সম্পদ সব জলে যাবে!
জীবনের সমীকরণ বড্ড জটিল!
মানুষের জীবন সহজ থাকে, শুধু ভুল মানুষের পাল্লায় পড়ে, আমরা সহজ জিনিসটাকে জটিল করে তুলি!
জীবনের সব হতাশা, ব্যর্থতা, দুঃখ-কষ্ট যন্ত্রণা নিমিষেই ভুলে থাকা যায়, যদি পাশে ভরসা করার মতো সঠিক একজন মানুষ থাকে। দশটা খারাপ মানুষের ভীড়ে যদি মাত্র একজন ভালো মানুষ পাওয়া যায় পাশে, তবে জীবন অন্যরকম হতে পারে।
মানুষ আসলে কি চায়? মানুষ যখন ভালোবাসার পিছনে ছুটে কেবল দুঃখই পায়, তখন মানুষ ভালোবাসা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।
জীবনে দুঃখ-কষ্ট অনিবার্য। প্রচন্ড দুঃখ পাওয়ার পর যদি কারো মুখের দিকে তাকিয়ে নিজেকে মানসিক ভাবে শক্তিশালী নাই করা যায়, তবে এর থেকে বড় আক্ষেপ আর কি হতে পারে? জীবন এমন তো নয়, সারাজীবন একা একা কাটিয়ে দেয়া মাত্র। পৃথিবীতে আসার কারণই হচ্ছে, সঙ্গী নিয়ে বেঁচে থাকা। সুখে-দুখে একসাথে থাকা। আর এমন সময় যদি সবসময়, সব ক্ষেত্রে যদি নিজেকে একা একা সংগ্রাম করে যেতে হয়, তবে মানুষের দুঃখ রাখার জায়গা থাকে না আসলে!
মানুষ আসলে চায় এমন একটা মানুষ, যে তাকে বুঝবে। অন্তত সবসময় না হোক, যখন সে প্রচন্ড হতাশ হয় কিংবা অসহায়বোধ করে।🙂
15/06/2026
সম্পর্কে প্রতিদিন কথা বলাটা জরুরী। কেন জরুরী, বলছি।
ধরুন, সম্পর্কের মানুষটার সাথে আপনার প্রতিদিন যোগাযোগ হয়, কথা হয়। সে কি করছে, তার শরীর ঠিক আছে কিনা, সে কেমন আছে, তার মন ভালো কিনা জানতে পারছেন। আর সেও আপনার সম্পর্কে জানতে পারছে।
আর যদি কথা না হয়?
ধরুন সম্পর্কের মানুষটার সাথে আপনার নিয়ম করে যোগাযোগ নেই, কথাও হয় না। হুট করে একদিন তাকে কল দিলেন, হয়তো ফোনের সুইচ অফ পেলেন, অথবা ওপাশ থেকে কলটা রিসিভ করলো অন্য কেউ। তার মুখ থেকে শুনলেন, দু'দিন আগে সে মারা গেছে! চমকে উঠবেন না? কিংবা মানুষটা কোনো অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে ভর্তি। কেমন লাগবে? যদি মানুষটার প্রতি টান থাকে, সত্যিকার ভালোবাসা থাকে, তবে খারাপ লাগবে না আপনার?
সম্পর্কে যোগাযোগহীনতা, অবহেলা, খুব ভয়ানক ভাবেই সম্পর্ককে নষ্ট করে দেয়! যোগাযোগহীনতা তখনই বাড়তে থাকে, যখন সম্পর্কের মানুষের প্রতি ভালোবাসা, টান, মায়া থাকে না।
সম্পর্কে যারা নিত্যদিন নিয়ম করে কথা বলে, যারা সম্পর্কে নিয়মিত যোগাযোগ রাখে, সম্পর্কে থাকার পরেও তাদের কখনো একা লাগে না। খারাপ সময় প্রতিটা মানুষের জীবনেই আসে। কিন্তু তাই বলে নিজের খারাপ সময়ে সম্পর্কের মানুষটাকে দূরে রাখতে পারবেন? যদি সত্যি তাকে ভালোবাসেন, সবচাইতে কঠিন মূহুর্তে সেই মানুষটার সাথেই যোগাযোগ করবেন, কথা বলবেন, তাকে পাশে চাইবেন।
সম্পর্কে যোগাযোগ তারাই রাখে না, যারা সম্পর্কে উদাসীন। তাদের কাছে নিয়ম করে কথা বলা, দেখা করা, এসব কখনোই গুরুত্ব পায় না। যারা উদাসীন, অবহেলা করে, গুরুত্ব দেয় না, দিনের পর দিন আর মাসের পর মাস সম্পর্কের মানুষটার সাথে যোগাযোগ না থাকলেও তাদের কিচ্ছু যায় আসে না।
সম্পর্কে ঠিকঠাক যোগাযোগ রাইখেন। যোগাযোগ না থাকলে সম্পর্কের প্রতি কোনো টান থাকে না৷ যদি সত্যি কাউকে ভালোবাসেন, তবে তার সাথে নিয়ম করে কথা বলেন। দেখবেন, সেই মানুষটা অন্তত নিজেকে অবহেলিত মনে করবে না। একটা ভালো সম্পর্ক, মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। আর সম্পর্ক ভালো রাখতে, নিয়ম করে যোগাযোগ রাখাটা, নিয়ম করে কথা বলাটা অতীব জরুরী। আর এই ব্যাপারটা তখনই অনুধাবন করবেন, যখন হয়তো মানুষটাই আর থাকবে না কিংবা সম্পর্ক থাকবে না।
ডাকিবার ভাষা
তবুও ভুলি না আমি—
তবু ভালোবাসা
জেগে থাকে প্রাণে;
পৃথিবীর কানে
নক্ষত্রের কানে
তবু গাই গান।❤️
তুমি ভাবছো মেঘ করেছে,
বৃষ্টি পরবে অনেকক্ষণ ?
আসলে তো মেঘ করেনি
মন খারাপের বিজ্ঞাপন।🌧️
এক জীবনে আমরা নিজেদের বহুবার ভাঙি-গড়ি, কত মানুষ আপন হয়,
আবার সেখান থেকে অচেনা মানুষের ভিড়ে হারিয়ে যায়,
আমরাও এক সময় অভ্যস্ত হয়ে পড়ি এই সবকিছুর সাথে। একটা সময় এমন আসে,যখন মানুষের গিরগিটির মতো রং বদলানো কিংবা হাজার মন্তব্য নিয়ে ভাবার সময় কিংবা ইচ্ছে কোনটাই থাকেনা।
সব কিছু চুপ করে দেখে এড়িয়ে যাওয়াতেই আমরা তখন শান্তি খুঁজে পাই।
হ্যাঁ, এটাই ভালো থাকা, এইসমস্ত অবাঞ্ছিত মানুষ অথবা ঘটনাকে উপেক্ষা করে,নিজের জীবনের শান্তি বজায় রাখার লক্ষ্যটাই আসলে ভালো থাকার অপর নাম!🖤
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
90 CK Gosh Road
Mymensingh
2200
Opening Hours
| Monday | 10:00 - 22:00 |
| Tuesday | 10:00 - 22:00 |
| Wednesday | 10:00 - 22:00 |
| Thursday | 10:00 - 22:00 |
| Friday | 11:00 - 22:00 |
| Saturday | 10:00 - 22:00 |
| Sunday | 10:00 - 22:00 |