Shoriful Islam
Public figure
আল্লাহ ছাড় দেয় কিন্তু ছেড়ে দেননা
13/07/2024
মাওলানা মওদুদী নয়, বরং আসল সাহাবা বিদ্ধেষী হলো কওমী দেওবন্দি আলেম মাওলানা হাসান জামিল।
এদেশে যুগ যুগ ধরে মাওলানা মওদুদীকে সাহাবা বিদ্ধেষী বলে শুধু মিথ্যাচারই করে আসছে কথিত কওমী চরমোনাই দেওবন্দি গোষ্ঠি। কিন্তু এই কওমী চরমোনাই দেওবন্দিদের লালিত পালিত বক্তা গুলো যে, প্রতিনিয়তই সাহাবা বিদ্ধেষী বক্তব্য দেয়, এগুলো ওদের চোখে পড়ে না।
এক্ষেত্রে ওদের নিজেদের ঘরানার বক্তাদের সাহাবা বিদ্ধেষী বক্তব্যের ব্যাপারে ওরা অন্ধ এবং কানার ভূমিকা পালন করে। দেখেও না দেখার ভান করে। অপরদিকে পরে থাকে শুধু মাওলানা মওদুদীকে নিয়ে।
এ পর্যায়ে দেখুন, জান্নাতের সুউচ্চ মর্যাদা সম্পন্ন সাহাবী হযরত আবু বকর ছিদ্দিক রা. এর ব্যাপারে কওমী দেওবন্দি আলেম মাওলানা হাসান জামিলের মন্তব্য :-
হযরত আবু বকর রা. এর ব্যাপারে হাসান জামিল বলেন :-
* আবু বকর রা. এর চেয়ে হাসান জামিলের আমল অনেক বেশি।
* আবু বকর রা. চেয়ে হাসান জামিলের নামাজ অনেক বেশি।
* আবু বকর রা. এর চেয়ে হাসান জামিলের তেলাওয়াত অনেক বেশি।
* আবু বকর রা. এর চেয়ে হাসান জামিলের সওয়ার অনেক বেশি।
* আবু বকর রা. এর চেয়ে হাসান জামিলের রোজা অনেক বেশি।
* আবু বকরের চৌদ্দ গুষ্ঠির রোজা এক করলেও হাসান জামিলের রোজার সামান হবে না। (বানী- হাসান জামিল)
নাউজুবিল্লাহ, এই হাসান জামিলের কত বড় সাহস যে, বিশ্ব নবীর পরে সবচেয়ে মর্যাদাবান সাহাবী হযরত আবু বকর রা. এর আমলকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে মন্তব্য করে। এগুলো কি সাহাবা বিদ্ধেষী বক্তব্য নয় ?
যেই হযরত আবু বকর রা. এর আমল, আকাশের তারকা রাজির চেরেও বেশি। একথা বিশ্ব নবী বলে গিয়েছেন। সেই জান্নাতি সাহাবী হযরত আবু বকর রা. এর আমলের চেয়েও নিজের আমল বেশি দাবি করা কি বিশ্ব নবীর কথাকে অবজ্ঞা করা নয় ?
তাছাড়া প্রত্যেক ব্যাক্তির সওয়ার নির্ধারণ হয় তার ঈমানের উপর ভিত্তি করে। সেক্ষেত্রে এতো বড় ঈমান ওয়ালা সাহাবী হযরত আবু বকর রা. এর ঈমানের চেয়েও কি হাসান জামিলের ঈমান বড় হয়ে গেলো যে,, আবু বকর রা. এর চাইতে তিনি বেশি সওয়াবের অধিকারী হবেন ? নাউজুবিল্লাহ। হাসান জামিলের এমন মন্তব্য কি গোস্তাখে সাহাবার মন্তব্য নয় ?
তাছাড়া সাহাবীদের যে ঈমান, সাহাবীদের যে আখলাক, সাহবীদের যে চরিত্র, সাহাবীদের যে জিহাদের ময়দানে আত্নত্যাগ, সাহাবীদের যে যুলুম নির্যাতন সহ্য করে দ্বীনের উপরে টিকে থাকা, ইত্যাদির সওয়াবের মূল্য এই বেয়াদব হাসান জামিল পাইলো কোথায় ? কেমনে আবু বকর রা. এর চেয়ে ওর সওয়াব বেশি হয় ?
কেমনে জান্নাতি সাহাবীর আমলের চেয়ে ওর মতো পাগলের আমল বেশি ?
জান্নাতী সাহাবী হযরত আবু বকর রা. এর পায়ের ধুলার মর্যাদা কি এই নাদান বেয়াদব হাসান জামিলের আছে ?
আচ্ছা, হযরত আবু বকর রা. কে এভাবে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে, তার আমলকে খাটো করে, তার মর্যাদাকে হেয় করে এভাবে বক্তব্য দেওয়া কি সাহাবা বিদ্ধেষী নয় ?
এমন সাহাবা বিদ্ধেষী বক্তব্য দেওয়ায় কি হাসান জামিলের ঈমান শংসয় হয় না ?
এরপরেও এই কওমী দেওবন্দি জাহেল সাহাবা বিদ্ধেষী না হয়ে, মাওলানা মওদুদী হয় কেমনে ?
সুতারং হাসান জামিলের এই সাহাবা বিদ্ধেষী বক্তব্য দ্বারা এটাই স্পষ্ট হয় যে, মাওলানা মওদুদী নয় বরং আসল সাহাবা বিদ্ধেষী হলো কওমী দেওবন্দি আলেম মাওলানা হাসান জামিল।
"শিয়ালের হাত থেকে আমাদেরকে বাঘের হাতে জিম্মি করবেন না”
-অধ্যাপক গোলাম আযম।
কবি নজরুল একদিন কথার প্রসঙ্গে বলেছিলেন,“খোদার বক্ষে লাথি মার” এই কথা বলার পর সারা কুমিল্লা উত্তাল হয়ে গেল।
মাওলানারা তাকে কাফের ঘোষনা দিল, আরো বললঃ
যে মানুষ খোদার বুকে লাথি মারতে পারে সেই বেয়াদবের জায়গা এই দেশে হবেনা।
কবিকে বলল এর জবাব দিতে হবে।
কবি বললেন, ঠিক আছে আমি জবাব দিবো।
আপনারা একটি সমাবেশের আয়োজন করেন।
হাজার হাজার মানুষ উপস্থিত হল।
কবি আসলেন, সবাই কবিকে বেইজ্জত করার প্রস্তুতি সম্পন্ন করল।
কবি মঞ্চে উঠে শুধু দুইটি কথা বললেন,তিনি বললেনঃ খোদা নিরাকার।
তাঁর বুকে কি লাথি মারা সম্ভব?
যে খোদার বুক আছে সেই খোদার বুকে লাথি মারতে বলেছি।
কবি একথার দ্বারা দেব দেবীকে বুঝিয়েছেন ৷
দুধ বিক্রি করে চা খাওয়া জনগণ আর বেটকায় বেটকায় নুরাণী জর্দা দিয়ে পান খাওয়া মাওলানাদের বুঝ হয়ে গেল।
না বুঝে চিল্লাইয়া, এককাপ চার বিনিময়ে বিক্রি হয় একমাত্র হুজুগে বাঙ্গালীরা ৷ স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী যুদ্ধ করেনি।
অস্ত্র হাতে নেয়নি।
এই কারনে শুরু হয়ে গেল রাজাকার উপাধি।
আজ ৫৫ বছরেও কেউ জানতে চাইনি জামায়াতের বক্তব্যটি আসলে কী ছিল?
কেউ জানতে চায়নি জামায়াত ইসলাম কেন সেই দিন অস্ত্র হাতে নেয়নি?
জামায়াত ইসলামী স্বাধীনতা বিরোধী ছিলোনা।
যুদ্ধের কৌশলের বিরোধী ছিল।
মরহুম গোলাম আজম সাহেব শেখ মুজিবকে বলেছিলেন, পূর্ব আর পশ্চিম পাকিস্তান ভৌগলিক সীমারেখার যে পার্থক্য,এইভাবে কোন দেশ চলতে পারেনা।
আমরা আজ না হয় কাল স্বাধীন হবোই হব।
দয়া করে আপনি গান্ধীর ফাঁদে পা দিবেন না।
শিয়ালের হাত থেকে আমাদের বাঘের হাতে জিম্মি করবেন না।
কারণ শিয়াল হাটুর নীচে কামড়ায়, আর বাঘ মানুষের কলিজা খায়।
শেখ মুজিব গোলাম আজম সাহেবকে আস্বস্ত করলেন যে, আপনি কোন চিন্তা করবেন না।
শেখ সাহেব ৭ই মার্চ ভাষণের একদিন আগেও স্বাধীনতার ঘোষণার বিরুদ্ধে ছিলেন।
কিন্তু কিছু বাংলাদেশী গান্ধীর ভারাটে দালাল শেখ সাহেবকে জোর করে স্বাধীনতা ঘোষণা করাইলো।
যদিও শেখ সাহেবের গোটা ভাষনে স্বাধীনতা ঘোষনার পক্ষে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য নেই ৷
এই অগোছালো সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের কোন আলেম সমাজ মেনে নেয়নি।
জামায়াতে ইসলামীও তাদের একটি অংশ।
সাড়ে সাত কোটি মানুষের মধ্যে এক কোটি মানুষও এই স্বাধীনতা চায়নি। আপনি আপনার এলাকায় যাচাই করুন কয়জন মুক্তিযোদ্ধা আছে?
যুদ্ধ বেজে গেল,পাকিস্তানিরা ভারতের উপর ক্ষেপে গিয়ে পাইকারী ভাবে হিন্দুদের হত্যা করা শুরু করে।
ভারত সরাসরি যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করে।
দেখা গেল উভয় পক্ষে মুসলমান মরতেছে, মজা মারতেছে ভারত।
এরিই মধ্যে ভারত আবার পাকিস্তান বাহিনীর প্রধান নিয়াজীকে যুদ্ধে বিরতির প্রস্তার দিল।
নিয়াজী মেনে নিল।
যুদ্ধ বিরতি হয়ে গেল ৯৩হাজার সৈন্যের পরাজয়।
এগুলো সবার জানা বিষয়।
কিন্তু এই বাস্তব ইতিহাস আজ বিলুপ্ত।
এই ইতিহাস আজ হাস্যকর।
এই অপরাধে আজ জামায়াতের উপর এতো নির্যাতন, নেতারা ফাঁসির মঞ্চে।
✘ কবি নজরুলের কথার মত বাঙ্গালিরা কিছুদিন পর বুঝতে শুরু করে জামায়াতে ইসলামীর ভাষা।
স্বাধীনের পর যখন ভারতীয় সৈন্যদল বাংলাদেশের সব জিনিষ লুট করে নিয়ে যাচ্ছে তখন সেক্টর কমান্ডার মেজর জলিল অস্ত্র উচিয়ে বলেছিলেনঃ আমাদের আরো একটি মুক্তিযুদ্ধের দরকার।
স্বাধীনের পর শুরু হল ভারতের যুদ্ধের বিনিময়।
নয় মাস আগে শেখ সাহেবের সাথে কথা বলতে গান্ধীর বুক কাঁপত।
সেই গান্ধী শেখ সাহেবকে ২৫ বছরের গোলামী চুক্তি করাইলো।
এখনো জাতি জানেনা, এই গোলামী চুক্তিতে আসলে কী লিখা ছিল?
সেখানে ছিল শেখ সাহেবকে গান্ধী বললঃ ফারাক্কা বাঁধটিএকটু খুলে দাও' শুধু পানির কিউচেক পরীক্ষা করার জন্য।
৭ দিন পর আবার বন্ধ করে ফেলব।
কিন্তু আজ ৫৫ বছর হয়ে গেলো, এখনও সেই ৭দিন শেষ হলো না।
হঠাৎ আমরা হয়ে গেলাম এক হিন্দু রাজার গোলাম।
এই গোলামী বোঝাবহন করে’ এখনও চলছি।
তাই তো একজন 'বঙ্গবীর'খেতাব প্রাপ্ত কাদের সিদ্দিকী আক্ষেপ করে বলেছিলেনঃ-
স্বাধীনতা যুদ্ধ করে ভুল করেছি, জামায়াত যেটা ৪২ বছর পূর্বে বুঝেছিল,সেটা আমরা আজ বুঝতেছি।
অনেক মুক্তিযুদ্ধা যখন বলেঃ-
যদি এমন জানতাম স্বাধীনতা যুদ্ধ করতাম না।
তা হলে এখন প্রমাণিত হলঃ-
৭১ সালে জামায়াতে ইসলামীর সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল।
আজ ন্যায্যমুল্যে কিনা স্বাধীনতা ‘বিনামুল্যে’ ভোগ করছে ভারত।
✔ যে বাঙ্গালি যেমন চিন্তা না করে কবি নজরুলকে কাফের ডাকল।
সেই বাঙ্গালী না বুঝে জামায়াতে ইসলামীকে রাজাকার ডাকা শুরু করলএবং তাদের সাথে যোগ দিলো কিছু ফতোয়া বাজরা।
এমন একদিন আসবে যেদিন বাঙ্গালী জাতি নিজের ভুল বুঝে মরহুম গোলাম আযমের কবর ধরে মাফ চাইবে।
মূল লেখকঃ মুরাদ চৌধুরী।
সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম।
(ড. আবু তাহের খান সাহেবের পোস্ট থেকে)
13/01/2024
বাংলাদেশের নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি: যুক্তরাষ্ট্র is the most popular TV channel in Bangladesh that offers unbiased & authentic news and entertainment programs.Subscribe to https://youtube.com/...
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Mymensingh