Inner Peace Journey
"Welcome to 'Inner Peace Journey', a sanctuary where calmness and clarity await.
Our channel is a compass guiding you through the noise of life towards a haven of tranquility.
আচ্ছালামুয়ালাইকুম
✨ হে দ্বীনের পথের সাথী! একটু ভেবে দেখো ✨
💭 তোমার রিজিক নির্ধারিত—এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত বিষয়।
তাই হতাশ হয়ে বা অন্যকে দোষ দিয়ে নয়, বরং নিজের অবস্থার দিকে তাকানো জরুরি।
📉 সারাদিন দুনিয়ার পেছনে ছুটে, শুধু টাকা–টাকা চিন্তা করলে অন্তরে অস্থিরতা আসবেই।
লোভ যখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তখন মানুষ নিজের পথকেই ভুলে যায়।
🏫 কওমি মাদ্রাসার দোষ দেওয়ার আগে বাস্তবতা দেখা উচিত—
অনেক মাদ্রাসায় আজও সম্মানজনক বেতন রয়েছে।
যোগ্যতা ও দক্ষতা থাকলে সুযোগও তৈরি হয়, ইনশাআল্লাহ।
🎯 আসল প্রশ্ন হলো—আমার নিয়ত ঠিক আছে তো?
একসময় যখন মাদ্রাসায় আসা হয়েছিল—
👨👩👧👦 অভিভাবকের লক্ষ্য ছিল দ্বীন
📚 ছাত্রের লক্ষ্য ছিল দ্বীন
🧑🏫 উস্তাদের লক্ষ্য ছিল দ্বীন
কিন্তু এখন যদি লক্ষ্য বদলে শুধুই দুনিয়া হয়ে যায়—
তাহলে বরকত কমে যাওয়াটা অস্বাভাবিক নয়।
⚖️ আমি ব্যবসা বা উপার্জনের বিরুদ্ধে নই—
বরং সেটাও দরকার।
কিন্তু একজন আলেম হিসেবে অন্তত দিনের কিছু সময় দ্বীনের কাজে ব্যয় করা—এটাই ভারসাম্য।
🕌 সবাই ইমামতি করবে, দরস দেবে—এটা জরুরি না।
কিন্তু কেউ না কেউ কোনো না কোনোভাবে দ্বীনের সাথে যুক্ত থাকবেই—
এটাই তো আমাদের দায়িত্ব।
🔥 আল্লাহ আমাদেরকে দ্বীনের জন্য নির্বাচন করেছেন—
এটা গৌরবের, লজ্জার নয়।
🤲 তাই প্রয়োজন—
নিজেকে সংশোধন করা, নিয়ত ঠিক করা, এবং দ্বীন ও দুনিয়ার মাঝে সঠিক ভারসাম্য রাখা।
🌙 এই দ্বীন আমাদের—এটার হেফাজত ও খেদমত আমাদেরই দায়িত্ব।
আচ্ছালামুয়ালাইকুম
📢 দৃষ্টি আকর্ষণ করছি আপনার
✨ হেরার আলোয় আলোকিত যুগের শ্রেষ্ঠ সূর্যসন্তানেরা ✨
🌍 পৃথিবীর সর্বস্তরে ন্যায় ও ইনসাফের আলো ছড়িয়ে দিতে,
🏛️ রাষ্ট্রের প্রতিটি ক্ষেত্রে বিচক্ষণতার সাথে দায়িত্ব পালন করার জন্য
📚 দুনিয়াবী প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জন অত্যন্ত জরুরি।
⚠️ কিন্তু দুঃখজনকভাবে—
📌 সাংবিধানিক সিস্টেমের সীমাবদ্ধতার কারণে
❗ এই জাতি আজও বহু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থেকে বঞ্চিত।
🌙 তাই—
🕌 বরকতে নবুয়ত বণ্টনকারী দায়িত্বশীলদের প্রতি আন্তরিক আহ্বান:
📖 শিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগীভাবে সংস্কার করে
🛡️ নবীর সৈনিকদের
🌐 পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তে কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর জন্য
⏳ এখনই যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা সময়ের জোর দাবি।
🙏 ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা 💡
তাদের প্রতি—
যারা এ বিষয়ে গভীরভাবে চিন্তা করবেন
এবং বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণে এগিয়ে আসবেন।
⚖️ পক্ষান্তরে সতর্কবার্তা
🚫 যদি সময়ের চাহিদা অনুযায়ী
📉 যোগ্য ও উপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণে
❌ কোনো অদূরদর্শী ব্যক্তি—
😔 হীনমন্যতা, অপরিপক্ক চিন্তা ও দৃষ্টিহীনতার কারণে
👥 তরুণ প্রজন্মকে
🔥 পৃথিবীতে পরিবর্তন আনার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করে,
🌍 এবং বিশ্বজুড়ে নিজেদের প্রতিষ্ঠার পথ রুদ্ধ করে—
⚠️ তবে তাকে অবশ্যই
🤲 রব্বে কারীমের কাছে জবাবদিহি করতে হবে।
🌸 শুভকামনা রইল 🌸
তাদের জন্য—
👁️ যারা এই সময় চোখ-কান খোলা রাখে,
🕌 শুধুমাত্র মসজিদ ও মাদ্রাসায় সীমাবদ্ধ না রেখে,
🏢 সামাজিক ও রাষ্ট্রের প্রতিটি কর্মক্ষেত্রে
👥 এই প্রজন্মকে কাজ করার সুযোগ করে দিতে এগিয়ে আসে।
📢 এই আহ্বান তাদের প্রতিই।
ফক্বীহুল মিল্লাত মুফতী আবদুর রহমান রহ. বলতেন, নাবালেগ বাচ্চাদেরকে পিটালে রিজিক কমে যায়, কারন তারা নিষ্পাপ। খুব সতর্ক হব সবাই ইনশাআল্লাহ।
নতুন শিক্ষকগন ফতোয়া টি দেখতে পারেন। আমাদের নূরানি তা লিমুল কুরআন বোর্ড চট্টগ্রাম বাংলা দেশ। একদম মারধর নিষিদ্ধ। তা-ও রাগকে কোন টুল করতে না পেরে ছাত্রদের কতি করবেন না। নিজে নিজের বিপদ ঠেনে আনিয়েন না🙏
কিতাবগুলোর কিছু ইবারত দেখুন-
★ فى الدر المختار: وَإِنْ وَجَبَ ضَرْبُ ابْنِ عَشْرٍ عَلَيْهَا بِيَدٍ لَا بِخَشَبَةٍ لِحَدِيثِ مُرُوا أَوْلَادَكُمْ بِالصَّلَاةِ وَهُمْ أَبْنَاءُ سَبْعٍ
১০ বছরের বাচ্চা কে সতর্ক করার প্রয়োজন হলে হাত দিয়ে আঘাত করবে লাঠি দিয়ে নয়। কেননা হাদীস শরীফে নামাজের জন্য সাত বছরের বাচ্চা কে আদেশ করতে বলা হয়েছে। (আঘাততে নয়) - ফতোয়ায়ে দুররুল মুখতার।
★ وفى رد المحتار: قَوْلُهُ بِيَدٍ أَيْ وَلَا يُجَاوِزُ الثَّلَاثَ، وَكَذَلِكَ الْمُعَلِّمُ لَيْسَ لَهُ أَنْ يُجَاوِزَهَا قَالَ – عَلَيْهِ الصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ – لِمِرْدَاسٍ الْمُعَلِّمِ إيَّاكَ أَنْ تَضْرِبَ فَوْقَ الثَّلَاثِ، فَإِنَّك إذَا ضَرَبْت فَوْقَ الثَّلَاثِ اقْتَصَّ اللَّهُ مِنْك اهـ إسْمَاعِيلُ عَنْ أَحْكَامِ الصِّغَارِ للأستروشني، وَظَاهِرُهُ أَنَّهُ لَا يُضْرَبُ بِالْعَصَا فِي غَيْرِ الصَّلَاةِ أَيْضًا،
অনুরুপভাবে শিক্ষকের জন্য তিন বেতের বেশি প্রহার করা উচিত নয়। রাসুলুল্লাহ সাঃ মিরদাস রাঃ কে লক্ষ্য করে বলেছিলেন, তিন বেতের বেশি প্রহার করা থেকে বিরত থাকো। কেননা তিন বেতের বেশি প্রহার করলে আল্লাহ তোমাকে শাস্তি দিবেন-(হাদিসটি কিতাবুল আসরারে সনদ ছাড়া উল্লেখ রয়েছে) । আসতারুশীনি রঃ এর আহকামুস সিগার থেকে ইসমাইল বর্ণনা করেন, মোট কথা হচ্ছে নামাজ ছাড়া অন্য কারণে ছাত্রকে বেত্রাঘাত করা হবে না।
- ফতোয়ায়ে শামী।
★ أما المعلم فله ضربه، لأن المأمور يضربه نيابة عن الأب لمصلحته، والمعلم يضربه بحكم الملك بتمليك أبيه لمصلحة التعليم…. ألنقل فى كتاب الصلاة يضرب الصغير باليد لا بالخشبة، ولا يزيد على ثلاث ضربات (رد المحتار، كتاب الحظر والإباحة، باب الاستبراء وغيره، فصل فى البيع-9/616)
ছাত্রকে প্রহার করার অধিকার শিক্ষকের রয়েছে। হাদিসের বর্নিত নির্দেশানুযায়ী (নামাজ না-পড়লে প্রহার করার হাদীস) বাবার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে ছেলের তা'লিম তরবিয়ত এবং সার্বিক কল্যাণার্থে প্রহারের ব্যাপারে
📚 শিক্ষা—দোষ কার? ভাবনার কিছু কথা...
প্রিন্সিপাল বলেন—
👉 “পড়া বাড়ছে না কেন?”
গার্ডিয়ান বলেন—
👉 “১ বছরের জায়গায় ৫ বছর পড়বে? মারবেন কেন?”
অন্যদিকে—
🎒 ছাত্র ক্লাসে মন দেয় না, ঠিকমতো পড়ে না…
তাহলে—
❓ দোষটা কার?
😔 শিক্ষক মাঝখানে পড়ে যায়—
তিনি চাইলেও কঠোর হতে পারেন না, আবার নরম থাকলেও ফল আসে না।
দায়িত্ব আছে, চাপ আছে, কিন্তু সহযোগিতা কোথায়?
💡 সমাধান একটাই—সমন্বয়।
✔️ শিক্ষক যদি আন্তরিক হন
✔️ গার্ডিয়ান যদি সচেতন হন
✔️ ছাত্র যদি দায়িত্বশীল হয়
তাহলেই বদল আসবে।
🤝 শিক্ষা শুধু বইয়ের না—
এটা শিক্ষক, ছাত্র আর অভিভাবকের যৌথ প্রচেষ্টা।
📌 মনে রাখি:
দোষারোপ নয়, সহযোগিতাই পারে ভবিষ্যৎ গড়তে।
🇧🇩🇧🇩👳♀️🇧🇩🇧🇩
🩸 রক্তের রঙে নেই কোনো ভেদাভেদ
💰 না ধনী, না গরিবের পরিচয়
🌍 সব পার্থক্য লুকিয়ে থাকে
👁️🗨️ মানবতার দৃষ্টিহীন চোখের সীমান্তে…
28/03/2026
🌿 اِنَّ اللّٰهَ عَلٰی كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ“নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা সব কিছুর উপর সর্বশক্তিমান।”
🇧🇩 ২৬ মার্চ, আমাদের মহান স্বাধীনতা দিবস—দীর্ঘ ১৮ বছর পর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বর্ণাঢ্য প্যারেড জাতির সামনে এক নতুন বার্তা তুলে ধরেছে। আধুনিক সামরিক সরঞ্জামের প্রদর্শনী যেমন ছিল দৃশ্যমান শক্তির প্রকাশ, তেমনি এর অন্তরালে ছিল আরও গভীর এক শিক্ষা।
বর্তমান সময়ে অনেকেই প্রশ্ন করছেন—👉 এই শক্তি কি শুধু বাহ্যিক শত্রুর জন্য, নাকি ভেতরের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলাতেও সক্ষম?
✨ কিন্তু একজন মুমিনের দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্ন।
💡 মুমিনের প্রকৃত শক্তি তার ঈমান।আল্লাহ তাআলার প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস, তাঁর উপর তাওয়াক্কুল—এটাই একজন মুমিনের সবচেয়ে বড় শক্তি। যখন ঈমান মজবুত হয়, আল্লাহর সাথে সম্পর্ক গভীর হয়, তখন কোনো শক্তিশালী শত্রুই সেই ঈমানী শক্তির সামনে টিকতে পারে না।
কারণ—🔹 মুমিন নিজের শক্তিতে নয়,🔹 বরং আল্লাহর সাহায্য ও কুদরতের উপর ভরসা করে এগিয়ে যায়।
🇧🇩 এই প্যারেডের একটি বিশেষ দিক ছিল—লাল-সবুজের পতাকায় কুরআনের আয়াতের ক্যালিগ্রাফি।
এটি শুধু একটি প্রতীক নয়,বরং একটি ঘোষণা—👉 এই জাতির শক্তি শুধু অস্ত্রে নয়, ঈমানেও।
🤲 আল্লাহ তাআলার দরবারে দোয়া—তিনি যেন আমাদেরকে ন্যায় ও ইনসাফের পথে অবিচল রাখেন, ইসলাম ও মুসলমানের খেদমতে কবুল করেন, এবং আমাদের ঈমানকে দৃঢ় থেকে দৃঢ়তর করেন।
19/01/2026
#আচ্ছালামুয়ালাইকুম
#আলহামদুলিল্লাহ
🪻🌸`আমি এই উক্তিটির প্রেমে পড়েছি;`
*অতিরিক্ত চিন্তা করা বন্ধ করুন,*
*অভিযোগ করা বন্ধ করুন,*
*নিজেকে অযথা বেশি চাপ দেবেন না।*
*এর পরিবর্তে আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন।🕊️*
*তাঁর উপর আপনার বিশ্বাস কোথায়?*
*আল্লাহ আপনাকে আপনার কল্পনার চেয়েও বেশি ভালোবাসেন।*🌸🩷
*তিনি কখনোই আপনাকে হতাশ করবেন না।*©
*🦋✨“হাল ছেড়ে দেবেন না;*
*যিনি আপনাকে সৃষ্টি করেছেন,*
*তিনিই আপনাকে সামলে নেবেন।”*❤️🩹
*“যখন সব দরজা বন্ধ মনে হয়,*
*তখনই আল্লাহ নতুন এক রহমতের দরজা খুলে দেন।”🌷☘️*
`ইনশাআল্লাহ`✨🦋
`-✿উম্মতে রাসুলﷺ♡`
13/01/2026
আচ্ছালামুয়ালাইকুম
ইসলামের দৃষ্টিতে বাসর রাত কোনো কুসংস্কার বা জোরজবরদস্তির রাত নয়; বরং এটি ইবাদত, দোয়া, ভালোবাসা ও পরস্পরের প্রতি সম্মান দিয়ে শুরু করার একটি পবিত্র সময়। নিচে কুরআন–সুন্নাহর আলোকে বাসর রাতে করণীয় বিষয়গুলো সংক্ষেপে ও সহজভাবে দেওয়া হলো—
১. আল্লাহর কাছে দোয়া দিয়ে শুরু করা:
স্বামী স্ত্রীর মাথায় হাত রেখে দোয়া করবে— দোয়া (হাদিসে বর্ণিত):
“আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা খাইরাহা ওয়া খাইরা মা জাবালতাহা ‘আলাইহি, ওয়া আউযুবিকা মিন শাররিহা ওয়া শাররি মা জাবালতাহা ‘আলাইহি।”
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি তার কল্যাণ ও তার স্বভাবের কল্যাণ চাই এবং তার অনিষ্ট ও তার স্বভাবের অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় চাই।
📚 (আবু দাউদ)
২. দুই রাকাআত নফল নামাজ (মুস্তাহাব):
বাসর রাতে স্বামী-স্ত্রী একসাথে বা আলাদা আলাদা ২ রাকাআত নফল নামাজ আদায় করা উত্তম।
✔ এতে দাম্পত্য জীবনে বরকত আসে
✔ শয়তানের কুমন্ত্রণা দূরে থাকে
৩. কোমল ব্যবহার ও লজ্জাশীলতা:
ইসলাম লজ্জা ও শালীনতাকে গুরুত্ব দেয়। হঠাৎ কঠোরতা বা ভয় সৃষ্টি করা হারাম।
নবী ﷺ বলেছেন: “তোমাদের মধ্যে উত্তম সে, যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম।”
📚 (তিরমিজি)
৪. জোরজবরদস্তি সম্পূর্ণ হারাম:
স্ত্রীর সম্মতি ছাড়া কিছু করা গুনাহ। ইসলাম কখনোই নারীর উপর জুলুম সমর্থন করে না। বাসর রাত মানেই সহবাস—এমন বাধ্যবাধকতা নেই।
৫. সহবাসের আগে দোয়া পড়া:
“বিসমিল্লাহ, আল্লাহুম্মা জান্নিবনাশ শাইতান…”
📚 (বুখারি, মুসলিম)
✔ এতে সন্তান হলে শয়তানের ক্ষতি থেকে হেফাজত হয়
৬. পরস্পরের সাথে কথা বলা ও পরিচিত হওয়া:
বাসর রাত শুধু শারীরিক নয়। মানসিক সম্পর্ক গড়ার রাত। কথা বলা, ভয় দূর করা, আস্থা তৈরি করা সুন্নতের শিক্ষা।
যেগুলো ইসলামে নেই (কুসংস্কার):
🚫 ফুল দিয়ে আঘাত
🚫 নির্দিষ্ট সময় বা রীতিনীতি বাধ্যতামূলক করা
🚫 অন্যদের চাপ বা হাস্যরস
🚫 প্রমাণহীন লোকাচার
সংক্ষেপে বললে:
বাসর রাত = দোয়া + নামাজ + সম্মান + ভালোবাসা + ধৈর্য
09/01/2026
#আচ্ছালামুয়ালাইকুম
অনেক তো মুনাজাত করেছেন! এবার উত্তমরূপে এইভাবে একবার করুন।
নিজের জন্য দোয়া লিস্ট
আমাদের দু'আর সবচেয়ে বেশি হক্কদার আমরা নিজেরাই। রাসুলুল্লাহ্ (সা)এর সুন্নাহ, কারো জন্য দু'আ করলে প্রথমে নিজের জন্য দু'আ করা। (মুসনাদে আহমদ ২১২৪৭ (৫/১২১)
দু'আ লিস্টটাতে আমি নিজের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতের বেসিক চাওয়াগুলোই লেখার চেষ্টা করেছি। আপনারা অবশ্যই আপনাদের নোটবুকে দু'আগুলো নোট করে নিবেন। এসব ছাড়াও আমাদের প্রত্যেকের ব্যক্তিগত অনেক অনেক প্রয়োজন আছে। সেসবও নোট করে রাখার চেষ্টা করবেন। ছোট-বড় সকল প্রয়োজন আল্লাহকে বলবেন। খুব করে আল্লাহর কাছে চাইবেন। বেশি বেশি চাইবেন।
দু'আতেই সব সুখ! একমাত্র দোয়াই ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে, মৃত্যু পর্যন্ত পিছিয়ে যায় (নেক হায়াৎ বৃদ্ধি পায়)।
ইয়া আল্লাহ, ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যুম, ইয়া জাল জালালি ওয়াল ইকরাম,
আমাকে দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণ দাও।
তুমিই আল্লাহ, তুমি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। আমি তোমার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি জাহান্নাম ও কবরের আযাব থেকে।
আমি তোমার কাছে পানাহ চাই তাকদিরের খারাপ কিছু থেকে।
হে আল্লাহ! আমার উপর তোমার রহমত, দয়া, বরকত, শান্তি, ক্ষমা বর্ষণ করো।
ক্ষমা করে দাও আমার আগের পাপ, আমার পরের পাপ, আমার ছোট-বড় সকল পাপ, আমার গোপন পাপ, আমার প্রকাশ্য পাপ। আমার বাড়াবাড়ি এবং যে সকল পাপের কথা তুমি ভালো জানো। ক্ষমা করো সেসব পাপ, যা আমি ভুলে যাই। ক্ষমা করো সেসব পাপ, যা আমি পাপই মনে করি না।
আমাকে আশ্রয় দাও বিতাড়িত শয়তান থেকে, তার ওয়াসওয়াসা থেকে ও অতৃপ্ত নফস থেকে।
আমাকে আশ্রয় দাও দুনিয়ার জীবনের ফিতনা ও মৃত্যুর ফিতনা থেকে। এবং দাজ্জালের অমঙ্গল থেকে।
আমার জন্য তোমার করুনার দরজা, তোমার রহমতের দরজা খুলে দাও।
আমার রিজিকে প্রশস্ততা দাও। অঢেল বরকতময় রিজিক দাও। বেহিসাবি রিজিক দাও। এবং সেসব তোমার সন্তুষ্টি অনুযায়ী তোমার পথে ব্যয় করার নসীব দাও।
আমাকে সন্তুষ্টি ও কৃতজ্ঞতার জীবন দাও। পরিপূর্ণ সুস্থতা, নিরাপত্তা দাও।
আমাকে মৃত্যু অবধি পরিপূর্ণ হিদায়তের উপর অটল রাখো। আমাকে এক মূহুর্তের জন্যও নিজের জিম্মায় ছেড়ে দিও না।
ইয়া রব্ব, আমার অভিভাবক, বন্ধু হিসেবে তুমিই যথেষ্ট হয়ে যাও।
হে আমার প্রতিপালক, আমাকে বানিয়ে দাও তোমার জন্য অধিক
কৃতজ্ঞতা প্রকাশকারী, অধিক যিকরকারী, অধিক তাকওয়াবান, তোমার প্রতি অধিক বিনয়ী, অধিক আনুগত্যকারী, তোমার প্রতি বেশি বেশি তওবাকারী।
আমার জিহ্বাকে তোমার যিকর দ্বারা সুসজ্জিত, পবিত্র করে দাও। আমার কলবকে আখিরাতের ফিকির দ্বারা পূর্ণ করে দাও।
আমার তওবা কবুল করে নাও। আমার পাপকে ধুয়ে দাও, আমার দুআ কবুল করো। আমার জিহ্বাকে পবিত্র ও সুসংরক্ষিত রাখো।
আমার অন্তরকে সুপথে পরিচালিত করো। হিংসা, বিদ্বেষ, সংকীর্ণতাসহ সমস্ত অন্তরের রোগ থেকে আমার অন্তরকে পবিত্র রাখো।
আমার হৃদয়কে আজীবনের জন্য প্রশান্ত করে দাও।
যা কিছু আমাকে পীড়িত করে, সেসব কিছু আমার কাছ থেকে সরিয়ে নাও।
আমার ইজ্জত-আব্রুকে হেফাজত করো আমার মৃত্যু অবধি এবং এর পরেও।
দুনিয়ার কারো কাছে আমার মাথা নত হতে দিও না। সৃষ্টির মুখাপেক্ষী হওয়া থেকে পানাহ দাও।
আল্লাহ! আমাকে দুনিয়া ও আখিরাতে আফিয়াতের সাথে সম্মানিত করো।
আমাকে দুনিয়ায় দাও উত্তম বাসস্থান, উত্তম পরিজন, উত্তম সঙ্গী ও উত্তম রিজিক। আখিরাতকে করো দুনিয়ার চেয়ে বহুগুণে উত্তম, পবিত্র ও সম্মানিত।
মৃত্যুকে আমার জন্য সহজ ও আনন্দদায়ক করে দাও। ইজ্জতের সাথে আমার মৃত্যু দাও। জবানে কালিমা রেখে, অন্তরে তোমার ভরপুর ভালোবাসা, তাকওয়া রেখে মৃত্যুবরণ করার তওফিক দাও। আমাকে শাহাদাতের মৃত্যু দাও। রাসুলের শহরে আমার মৃত্যু দাও। জান্নাতুল বাকিতে দাফন হওয়ার নসীব দাও। আমার কবরকে প্রশস্ত, আরামদায়ক করে দাও।
তোমার নিয়ামত দেওয়ার পর তা ছিনিয়ে নিও না। এবং এর সাথে পরীক্ষাও রেখো না।
আমাকে এমন কষ্ট দিও না, যা আমার ইমানকে সংকটে ফেলবে, আমার অন্তর বিধ্বস্ত করে দিবে। আমার শরীর ভেঙে দিবে। আমলে ঘাটতি আনবে।
আমি তোমার কাছে দুনিয়া ও আখিরাতের যাবতীয় কল্যাণ চাই। আমার জানা-অজানা যত কল্যাণ, সব তুমি আমায় দাও। আমার জানা-অজানা সমস্ত অকল্যাণ থেকে আমাকে আজীবন পানাহ দাও।
ইয়া রব্ব! তোমার কোনো বান্দা আমার উপর যেন প্রকাশ্যে ও অপ্রকাশ্যে জুলুম করতে না পারে। আমিও যেন তোমার কোনো বান্দার উপর জুলুম না করি।
আমাকে সবসময় এমন মানুষদের সঙ্গে রেখো, যাদের সঙ্গ ঈমানকে বৃদ্ধি করে।
মা-বাবা ও জীবনসঙ্গীর সন্তুষ্টি নিয়ে তোমার সাথে সাক্ষাতের তওফিক দাও।
ইয়া রব্ব। এমন দু'আ থেকে পানাহ চাই, যে দু'আ কবুল হয় না। আমার অন্তরের চাওয়াগুলো আমার চেয়ে তুমি ভালো জানো। আমার চাওয়াগুলো আফিয়াতের সাথে, উত্তমভাবে কবুল করে নাও। আমিন
#আলহামদুলিল্লাহ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Muhammadpur