Mousfiq R. Niret

Mousfiq R. Niret

Share

I am Mousfiq. I have completed MSS and working in an educational institution.

জেলায় জেলায় বাংলাদেশ 24/04/2021

জেলায় জেলায় বাংলাদেশ বাংলাদেশের আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিলোমিটার। বর্তমানে দেশে প্রস্তাবিত ভৈরব জেলা ছাড়াই ৬৪টি জেলা রয়েছে। আর উপকূলীয় জে...

বিসিএসের পড়ার রুটিন করার সঠিক নিয়ম ! – Joba2z 17/04/2020

বিসিএসের পড়ার রুটিন করার সঠিক নিয়ম ! – Joba2z একটানা অনেক বেশি পড়ার চেষ্টা করবেন না! যদি আপনি একটানা অনেক বেশি পড়ার চেষ্টা করেন, তাহলে আপনি ক্লান্ত হয়ে পড়বে...

৪১তম বিসিএস প্রিলি প্রস্তুতি : কাট মার্কস ১২০ ! 01/04/2020

https://bit.ly/2JrSUBp

৪১তম বিসিএস প্রিলি প্রস্তুতি : কাট মার্কস ১২০ ! অনেকে শেষই সময়ে প্রিলির প্রস্তুতি গুছাতে পারেন না। শেষ সময়ের প্রস্তুতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে কিছু কৌশল...

কিন্তু ভাইরাসটা থামবে কিভাবে ? 24/03/2020

সবার পড়া উচিত।

কিন্তু ভাইরাসটা থামবে কিভাবে ? করোনা ভাইরাসের রোগী ৩ থেকে ৫ দিনে দিনের মধ্যেই ডবল হয়ে যায় তার ফলে মাত্র কয়েক সপ্তাহে একটা ভাইরাস কিভাবে জনপদের প্...

প্যাটার্ন 16/03/2020

প্যাটার্ন থেকে আসা বিগত বছরের প্রশ্ন গুলো দেখে নিন।

প্যাটার্ন চাকরির পরীক্ষায় আসা প্যাটার্ন সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলো এখানে তুলে ধরা হলো। যা বিগত চাকরির পরীক্ষাগুল....

12/03/2020

রিপ্লাইয়ের কমিউনিকেশন !

যখন কেউ মেসেজ দেয় অনালাইনে, তখন কেউ মেসেজটা দেখলে seen লিখা আসে। অপর পাশ বুঝে যে মেসেজটা দেখা হয়েছে। কিন্তু, মনে করেন আপনি মেসেজ করলেন, ‘আজকে বিকেল চারটার মধ্যে ব্যাংক স্টেটমেন্টটা পাঠিয়ে দিতে পারবেন?

– seen 12.45PM এর মানে কী? পারবেন? পারবেন না? সময় লাগবে? দেখছি?

কিছু কিছু সময় মেসেজ না দেখার চেয়ে seen করে রাখা বেশি বিরক্তিকর। এমন অবস্থায় হঁ্যা হলে জানিয়ে দিন। না হলে বলে রাখুন যে দেরি হবে যাতে অন্য ব্যবস্থা করা যায়। অনেকে ‘না’ বলতে লজ্জা পায়, তাই তারা চুপ করে থাকে। কখনই এমন করবেন না। ফাস্ট এবং ফার্স্ট রেসপন্স কমিউনিকেশন বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তাই ‘পরে রিপ্লাই করবাে’ মানসিকতা থেকে বেরিয়ে এসে মেসেজ আর মেইল দেখার সাথে সাথে রিপ্লাই করবেন।

Mousfiquer Rahaman

12/03/2020

সামাজিক যােগাযােগ মাধ্যমে কমিউনিকেশন !

সামাজিক যােগাযােগ মাধ্যম ব্যবহারের অন্যতম আনন্দ হচ্ছে, মনের মধ্যে যা কিছু আছে, সব কথা কোনাে ফিল্টার ছাড়া শেয়ার করে দেয়া যায়। পেশাদার জীবনে যত স্ট্রেস থাকে, র্যান্ট কিংবা ভেন্ট করে কথাগুলাে সামাজিক যােগাযােগ মাধ্যমে উগরে দিয়ে অনেকে শান্তি খুঁজেন। এখন ব্যাপার হচ্ছে, রাগ ঝাড়ছেন তাে ঝাড়ছেনই অনেকে, একদম পাবলিক হাইওয়েতে তাদের ক্লায়েন্টের চৌদ্দগুষ্টি উদ্ধার করছেন। অন্যরা তাে আপনাকে দেখছেই; হয়তােবা আপনার ক্লায়েন্টও আপনার পােস্ট পড়ে জানতে পারলাে যে ভেতরে ভেতরে আপনি কতটা চটেছেন! কারও যদি ক্লায়েন্ট কিংবা অন্য কাউকে নিয়ে অনলাইনে গালমন্দ করার স্বভাব থাকে, তাহলে সেটা আপনার ক্ষেত্রেও করবে।

তাই, এসব মানুষ থেকে তাে একটু দূরে থাকতেই হবে; সাথে সাথে নিজের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে যে, আমি কি অনলাইনের রগচটা বাসিন্দা হয়ে যাচ্ছি কি না? এবং খালি পাবলিকলি গালমন্দ না। অনেকে কলিগদের সাথে গ্রুপ খুলে সেখানে বসকে ইচ্ছামত আছাড় দেয়। সেটার আবার স্ক্রিনশট কেউ একজন বসকে দেখিয়ে প্রমােশন নেয়। তাই একদম রাগারাগি করে ঝাল যদি ঝাড়তেই হয়, তাহলে এমন মানুষের সাথে শেয়ার করুন যাদের সাথে আপনার কর্মক্ষেত্রের মানুষের কোনাে সংযােগ নেই। এবং সবসময় মনে রাখবেন, ইন্টারনেটের দুনিয়ায় সবাই সবাইকে খুব সহজেই চিনে ফেলতে পারে। তাই, কখনও এমনভাবে ধ্বংস করবেন না যেন সেটার ধোয়া অন্য সবাইকে আপনার থেকে দূরে থাকার ইঙ্গিত দেয়।

Mousfiquer Rahaman

12/03/2020

সমালােচনার পূর্বশর্ত!

মানুষ জাজমেন্টাল প্রাণি। আর আমাদের কথাবার্তার টপিকও হলাে ঘুরেফিরে মানুষই। মানুষকে নিয়ে কথা বলতে, নিন্দা করতে, জাজ করতে বড্ড ভালােবাসি আমরা। কাউকে জাজ করবার বেলায় খুব একটা সময় নেই না আমরা। শােনা কথায় কান দিয়ে মানুষকে ভুল বােঝার মতাে ভুলটাও প্রায়শই হয়ে যায় আমাদের। তা কী করে এই ভুল থেকে বেরিয়ে আসা যায়?

একটা গল্প বলা যাক!

একবার এক লােক সক্রেটিসের কাছে তাঁর বন্ধু সম্পর্কে একটা কথা বলতে গেলাে। তিনি প্রত্যুত্তরে তাকে জিজ্ঞেস করলেন তার আনা তথ্যটি ৩ ফিল্টার টেস্টে পাস করবে কি না? লােকটির ৩ ফিল্টার টেস্ট নিয়ে ধারণা ছিলাে না! তাই সক্রেটিস তিনটি প্রশ্ন করে ৩ ফিল্টার টেস্টের ব্যাপারে বুঝিয়ে দিলেন। ১. তথ্যটি কি সত্য? ২. তথ্যটি কি কারও সম্পর্কে ভালাে কথা? ৩. তথ্যটি কি প্রয়ােজনীয়? লোকটির প্রথম প্রশ্নের উত্তর ছিলাে সত্য না মিথ্যা সেটা তার অজানা। সেটি আসলে শােনা কথা। দ্বিতীয় উত্তর ছিলাে, এটি আসলে কারও সম্পর্কে খারাপ কথা। তৃতীয় উত্তর ছিলাে, এটি আসলে শ্রোতার না জানলেও ক্ষতি নেই। আমাদের শােনা অধিকাংশ কথাই আসলে এমন। তিন ফিল্টারের একটা ফিল্টারও অতিক্রম করে না। অথচ তবুও আমরা শােনা কথায় কান দিয়ে একটা মানুষকে চট করে জাজ করে বসি। এখন থেকেই এই অভ্যাস থেকে বের হয়ে আসতে হবে।

Mousfiquer Rahaman

10/03/2020

করোনা ভাইরাসে মৃত্যু, গ্লোবাল ইকোনমি ক্রাস, ত্রাস, ভয় , আতঙকের উপর খুব অল্প কথায় ডাটা সহ জটিল বিশ্লেষণ করেছে হংকং বেইসড একটা অনলাইন পত্রিকা। পড়ে দেখুন। কাজে লাগবে।

২০০৩ সালে সারস ভাইরাসে এ্যাটাক করেছিলো প্রায় ২৬ টি দেশ। মৃত্যুহার ছিলো ১০%।
২০০৯ সালে সোয়াইন ফ্লুতে ৫৭ মিলিয়ন মানুষ আক্রান্ত হয়। মৃত্যুহার ৪.৫%
২০১৪ সালে ইবোলায় মৃত্যুহার ২৫% । মারা যায় ১১,৩১০ জন।
আর ২০২০ সালে করোনা ভাইরাসে মৃত্যুহার মাত্র ২%। মারা গেছে এ পর্যন্ত ৩০৫২ জন।

এই যখন ঘটনা। তখন করোনা ভাইরাসে দুনিয়া ব্যাপি এতো আতঙ্ক ছড়ালো কেন? কেন ইতালি, চায়না, হংকং এর এয়ারপোর্ট একেবারে জনশূন্য হয়ে গেলো। গ্রোসারি মার্কেট, হোলসেলের দোকান একেবারে স্টক শূণ্য হয়ে গেলো। কেন প্রায় তিন ট্রিলিয়ন ডলার শেয়ার মার্কেটে রাতারাতি ক্রাস হয়ে গেলো। কেন ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিতে ব্যাপক ধ্বস নামলো?

কারণ হলো সংবাদ কনজিউমের পুরো ন্যাচারটিই দুনিয়াব্যাপি খুব দ্রত বদলে গেছে।

২০০৩ সালে ফেসবুক , হোয়াটসআপ ছিলোনা। যখন সারস ভাইরাসে ২৬ টি দেশ আক্রান্ত হয়।
২০০৯ সালে সোয়াইন ফ্লুর সময় দুনিয়াব্যাপি ফেসবুক ব্যবহারকারী ছিলো মাত্র ১৫০ মিলিয়ন।
২০১৪ সালে ইবোলার সময় হোয়াটস্যাপ ব্যবহার কারী মাত্র ২৫০ মিলিয়ন।
আর ২০২০ সালে অন্যান্য মিডিয়া বাদ শুধু ফেসবুক আর হোয়াটসআপ ব্যবহার করছে লাখ, কোটি, মিলিয়ন না। প্রায় চার বিলিয়ন মানুষ।

সোসালমিডিয়ার এই শক্তি ব্যাপক। প্রতি সেকেণ্ডেই খবর ছড়াচ্ছে। কথায় বলে দুঃসংবাদ ঘোড়ার আগে ছুটে। একটা ভাইরাসে একজন মানুষের মৃত্যু সংবাদ এখন মুহুর্তেই বিলিয়ন মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। সুতরাং মানুষতো আতংকিত হবেই। দূর বলতে এখন আর কিছুই নেই। চায়নার উহানের দূর্ঘটনাকে মনে হবে আপনার পাশের বেডরুমেই ঘটছে। হাজার হাজার গ্রুপে, হাজার হাজার পেজে একই সংবাদ ছড়াচ্ছে। বিশেষ করে সংবাদ যদি হয় দুঃসংবাদ। আর এই বিশাল মিডিয়া পাওয়ারই দুনিয়াব্যাপি মানুষকে আতংকিত করেছে এবং গ্লোবাল ইকোনিমিতে ধ্বস নামিয়েছে।

ওয়ার্ল্ড হেলথের অর্গের মতে-সাবধান হোন। আতংকিত হবেন না।
আপনার বয়স যদি ৫০ এর নীচে হয় তবে মারা যাওয়ার সম্ভাবনা ০.০২%
৫০ এর ওপরে মারা যাওয়ার সম্ভাবনা ১.৫% তাও যদি শ্বাসকষ্ট থাকে। যত লোক মারা গেছে তাদের ৯৮% এর বয়স ৮০ এর ওপরে।

আর আমরাতো পৃথিবীর সবচেয়ে দূষিত নগরের বাতাস প্রতি সেকেণ্ডে গ্রহণ করে , ফরমালিন যুক্ত খাবার দিনে তিনবেলা পেটে চালান করে, ব্যাকটেরিয়া ভাইরাসের গোডাউনে বাস করে-মশা মাছির উপদ্রবকে নিত্য সাথী করে আমাদের ইমিউন সিস্টেমকে ইস্পাতের মতো শক্ত করে নিয়েছি। আমাদের সাথে পাল্লা দিতে হলে বরং করোনা ভাইরাসকেই মাস্ক পরে আগাতে হবে। সুতরাং এতো পেনিক হওয়ার কিছু নেই।

ভাইরাস যদি বাতাসে উড়তো আর যে ভাবে পেনিক ছড়িয়েছে সেভাবে সংক্রমিত হতো আর সংক্রমনের সাথে সাথে মানুষ মারা যেতো তবে দেশে দেশে এতোক্ষণে লাশের পাহাড় হয়ে যেতো। তাই পেনিক হওয়া যেমন ঠিকনা। আবার একেবারে এটি খুব সিম্পল একটা ব্যাপাার এরকম ভেবে অবহেলা করে মৌজ মাস্তি করাও ঠিক না। কথায় বলে সাবধানের মার নেই। সাবধান হোন। কিন্তু পেনিক হবেন না। পেনিক ছড়াবেন না। শীত চলে গিয়ে উস্ম দিন শুরু হওয়ার সাথে সাথেই করোনার খেল খতম হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ। বিপদ কেটে যাক। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সবাইকে, সব জাতিকে, সব মানুষকে হেফাজত করুন। আমিন।

10/03/2020

৪০তম বিসিএস প্রিলিতে Clause অাসলে ১ নাম্বার মিস নাই!
-------------------------
এই কঠিন Clause কিভাবে শর্টকাট পরীক্ষা হলে বের করবেন এই বিষয়ে দু' একটি গোপন কথা বলি। Clause অাছে মোট=৩ টা। 1) Noun Clause 2) Adjective Clause 3) Adverbial Clause। পরীক্ষায় অপশন থাকে ৪ টা করে। অর্থাৎ ক, খ, গ,ঘ। তাহলে ৪ টি অপশনে মাত্র তিনটি Clause বসবে বাকি যে অপশন থাকবে তা বাদ দিবেন। এই একটি অপশন বাদ দেওয়ার কারণে অাপনার কাজ ৫০% হয়ে গেছে। এবার কাজেই কথায় অাসি। কোন Clause কোন উপায়ে শর্টকাট বের করবেন।
(1) Noun Clause: এই Clause-এ Underline এর বরাবর It বসিয়ে যদি বাক্যটি পূর্ণ হয় তবে বুঝবেন এটি অবশ্যই Noun Clause। অাপনাকে Verb এর অাগে, পরে, পিছনে, preposition এর পরে কিংবা Appositive হিসেবে এই ৬টি জায়গায় Noun Clause বসে এই লজিক শিখতে হবে না অার। শুধু It বসিয়ে বাক্য পূর্ণ হলেই Noun Clause। যেমন-
(১) (That he is a criminal) is known to all.
(২) We don't know (what he is talking about.)
এখানে (১) ও (২) নং এ ব্রাকেট এর পরিবর্তে It বসালে বাক্য পূর্ণ হবে অর্থাৎ Noun Clause। যেমন- (1) It is known to all. (2) We don't know it.
(2) Adjective Clause: Underlined অংশটি হাতের অাঙ্গুল দিয়ে ঢেকে দিয়ে যদি বাক্য পূর্ণ তখন বুঝবেন অবশ্যই Adjective Clause। যেমন--
(১) The boy (who doesn't know to manner) is my brother.
এখানে Underline অংশটি একপাশে রেখে দিলে হয়=The boy is my brother। বিশ্বাস নাহলে বই খুলে নিজে দেখুন!!
(3) Adverb Clause: এটি চেনা অত্যন্ত সোজা। কারণ তিনটি অপশন থেকে It দিয়ে বা অাঙ্গুলে চেপে ধরলেও Noun Clause, Adjective Clause কোনটিই না হলে ধরে নিবেন ১০০% Clause টি Adverbial Clause।

Want your school to be the top-listed School/college in Meradia?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Meradia