Rokon Raiyan
Rokon Raiyan official fan page
15/05/2026
বিশ্বাস করুন আর না করুন এটাই সত্য...
13/05/2026
08/05/2026
Refreshing
30/04/2026
24/03/2026
ইরান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত কার কী লাভ হলো?
সবচেয়ে লাভ হয়েছে- রাশিয়ার। ধুমায়া তেল বিক্রি করছে। রাশিয়ার তেল নিয়ে রীতিমত কাড়াকাড়ি চলছে। যুক্তরাষ্ট্র সাময়িকভাবে রাশিয়ার উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে। রাশিয়া এই সুযোগে এক বছরের বিজনেস এক মাসে করছে।
আরেকটা লাভ হলো যুক্তরাষ্ট্রকে বড় একটা ফ্রন্টে ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে। ফলে রাশিয়া ইউক্রেন ফ্রন্টে রুশরা সুবিধা পাবে কিছুটা হলেও।
চীন- পরবর্তী গ্লোবাল পাওয়ার হওয়ার দৌড়ে আরেকটু আগালো চীন। দীর্ঘ মেয়াদে রাশিয়ার চেয়ে বেশি লাভ হয়েছে চীনের। ইরান ঘোষণা দিয়েছে চীনা মুদ্রায় লেনদেন করা জাহাজ হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াত করতে পারবে বাধা ছাড়াই।
ইরান - সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ। বেশিরভাগ অবকাঠামো ভেঙে দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক, সামরিক, ধর্মীয় বেশিরভাগ শীর্ষ নেতা নিহত হয়েছে। পারমাণবিক সক্ষমতা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তবে ইরান এখন পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী এবং দুর্ধর্ষ সামরিক শক্তির বিরুদ্ধে একা যে লড়াইটা করছে তা অভাবনীয়। ইসরায়েল ও আরব দেশগুলোতে সে নিখুঁতভাবে শত শত হামলা চালাচ্ছে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে রেখেছে। ইরানের হারানোর আর কিছু নেই। তবে জাতি হিসেবে ওরা টিকে গেল মনে হচ্ছে। তেল সম্পদ ও শিক্ষা কাজে লাগিয়ে ওরা অল্প সময়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে।
আমেরিকা- ইসরাইল ওদেরকে অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধে নামালো। এখান থেকে অর্জন করার মতো কিছু নেই তাদের। যুদ্ধের ব্যয় আর ক্ষয়ক্ষতির জন্য মার্কিনিরা ক্ষেপে উঠবে শীঘ্রই। চীনের কাছে সাম্রাজ্য হারানোর দিকে আরেকটু আগালো যুক্তরাষ্ট্র।
আরব দেশগুলো - আরব দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত। আর্থিক-অবকাঠামোর ক্ষতির চেয়ে বেশি কিছু ক্ষতি হয়েছে তাদের। ভবিষ্যতে বড় বড় পুঁজি দুবাই থেকে শিফট হবে নিশ্চিত।
সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, ওমান মার্কিনিদের ঘাঁটি বসিয়ে কী লাভ করলো ভাবার দরকার আছে। সামনে ভয়ে আতঙ্কে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র, নিরাপত্তা ব্যবস্থা কিনবে। লাভের গুড় পশ্চিমারা খাবে। আরবরা ননির পুতুল হয়েই থাকবে।
ইসরাইল - এখন পর্যন্ত ওদের লাভই হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের টাকায়, অস্ত্রে, সামরিক সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে সে আঞ্চলিক প্রতিপক্ষ ইরান-লেবাননে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েই যাচ্ছে।
কেয়ামত পর্যন্ত ওরা এগুলোই করবে। ওদের নিয়ে আশাবাদী হওয়ার মতো কিছু নেই।
আজ এ পর্যন্তই থাকুক। সবার জন্য শুভকামনা 🙂
22/03/2026
খলিফা ওমর(রাঃ) এর শাসনামল থেকে আজকের আরব শাসনব্যবস্থা কীভাবে এলো...
চলেন এক জটিল ইতিহাস সহজে জানার চেষ্টা করি।
খেলাফতে রাশেদা (৬৩২-৬৬১)- মহানবী(সঃ) এর পর তাঁর চার খলিফার শাসনামল হলো খেলাফতে রাশেদা। হযরত আলী(রাঃ) এর শাসনামল পর্যন্ত এই শাসনামল ছিল।
উমাইয়া খিলাফত (৬৬১-৭৫০)- মুয়াবিয়া(রাঃ) থেকে এই শাসন শুরু হয়। আব্বাসীয় খিলাফতের আগ পর্যন্ত এই বংশানুক্রমিক শাসন ব্যবস্থা চলে।
আব্বাসীয় খিলাফত(৭৫০-১২৫৮) মহানবী(সঃ) এর চাচা হযরত আব্বাস (রাঃ) এর বংশধরেরা এই খিলাফত প্রতিষ্ঠা করেন। খলিফা হারুনুর রশিদ এই খিলাফতের একজন শাসক ছিলেন। বাগদাদ ছিল রাজধানী।
হালাকু খানের নেতৃত্বে মঙ্গোল আক্রমণ ও আব্বাসীয় খিলাফতের পতন- হালাকু খানের নেতৃত্বে মঙ্গোলরা বাগদাদ আক্রমণ করে লাখ লাখ মানুষ হ''ত্যা করে এবং বাগদাদ শহর পুরোপুরি ধ্বং'স করে দেয়। ফলে আব্বাসীয় খিলাফতের পতন ঘটে।
মামলুক সালতানাত (১২৫৮-১৫১৭) অল্প সময়ের মধ্যে মামলুক সালতানাত প্রতিষ্ঠিত হয় এবং মঙ্গোলরা ইসলাম গ্রহণ করে বা কিছু বিতারিত হয়।
ওসমানীয়/অটোমান/তুর্কি সাম্রাজ্য (১৫১৭-১৯২২)- প্রথম ওসমান (তৃতীয় খলিফা হযরত ওসমান (রাঃ) না) নামক একজন তুর্কি শাসক এটি প্রতিষ্ঠা করেন। দীর্ঘ ৪০০-৫০০ বছর আরব শাসন করে তুর্কিরা।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (১৯১৪-১৯১৮) - জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, উসমানিয় সাম্রাজ্য, বুলগেরিয়া এরা প্রথম বিশ্বযুদ্ধে একসাথে ছিল (অক্ষশক্তি) এবং তারা হেরে যায়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে উসমানীয় সাম্রাজ্যের পতন ঘটে। ফলে আরব অঞ্চলের বেশিরভাগ অঞ্চল ব্রিটেন ও ফ্রান্স ভাগ করে উপনিবেশ স্থাপন করে।
বেলফোর ঘোষণা (১৯১৭)- অনেক আগে থেকেই ইহুদিরা নিজেদের একটা স্বাধীন দেশের জন্য আন্দোলন করছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালেই আরবের ফিলিস্তিন অঞ্চলে একটা ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করার ঘোষণা দেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার বেলফোর।
ব্রিটিশ-ফ্রান্স উপনিবেশ ও সৌদি আরব প্রতিষ্ঠা-
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ফিলিস্তিন, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান, বাহরাইন ব্রিটেনের দখলে চলে যায়। এতেই সুযোগ তৈরি হয় ১৯১৭ সালের ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার বেলফোর এর ঘোষনা অনুযায়ী ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার।
সিরিয়া-লেবানন চলে যায় ফ্রান্সের অধীনে।
আর ১৯৩২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় সৌদি আরব। দুর্গম হওয়ায় এ অঞ্চলে ব্রিটেন বা ফ্রান্স উপনিবেশ করেনি।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (১৯৩৯-১৯৪৫), ইহুদি হত্যা - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিটলার অসংখ্য ইহুদি হত্যা করে। ফলে আগের ঘোষণা ও দাবির প্রেক্ষিতে ইহুদিদের জন্য একটি নিরাপদ দেশ তৈরির পথ আরো সুগম হয়। এর পথ ধরেই তৈরি হয় আরবের ক্যান্সার দেশটি।
ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা (১৯৪৮)- ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ইসরাইল। হিটলারের নির্যাতনের শিকার এবং অন্যান্য দেশে বসবাসকারী ইহুদিরা আসতে শুরু করে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে। শুরু হয় ফিলিস্তিনি বসতি ভাঙ্গা আর ইসরাইলী বসতি স্থাপনের ভয়াবহ ইতিহাসের...
আরেকদিন পরের ইতিহাস লিখবো। সবার জন্য শুভকামনা 🙂
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Telephone
Website
Address
Matuail
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 17:00 |
| Tuesday | 09:00 - 17:00 |
| Wednesday | 09:00 - 22:00 |
| Thursday | 09:00 - 22:00 |
| Friday | 02:00 - 22:00 |
| Saturday | 02:00 - 22:00 |
| Sunday | 10:00 - 22:00 |