Skill & Fun Studio

Skill & Fun Studio

Share

Improve your Skill with Fun

17/10/2025

⚽⚽⚽ ফুটবল ম্যাচ গুলো কোথায় এবং কিভাবে দেখা যায় তা নিয়ে অনেক মানুষ জিজ্ঞাসা করে থাকেন, আপনাদের সে সমস্যার সমাধানের জন্য যথা সম্ভব কিছু অ্যাপ ও ওয়েবসাইট সংগ্রহ করা হলো।

𝐀𝐩𝐩𝐬:
1.Crickfy tv
2.FalconCast
3.GeeSports
4. Sportzfy
5. Krira TV
6. GHD Sports
7. Yacine Tv App
8. Live Football Tv HD
9. HD Streamz
10. Rapid Streamz
11. Soccery Tv
Ios
1. Koko Football (IOS)
2.Nova football (ios)
3. DRM sports(ios)
(বিঃদ্রঃ এই এপ্লিকেশনগুলো প্লেস্টোরে পাওয়া যাবে না। গুগল ও ক্রোম ব্রাউজার এ সার্চ করলে ডাউনলোড লিংক পেয়ে যাবেন।)

𝐖𝐞𝐛𝐬𝐢𝐭𝐞:

1. koora ডট কম
2. beinmatch1ডট কম
3. Yacinetv ডট কম
4. Golato ডট কম
5. HD44 ডট কম
6. Yalla shot ডট কম
7. livesports808ডট কম
8. Goalarab ডট কম
9. Foot4live ডট কম
10. Egylive ডট কম
11. Sportstrack ডট কম
12. FootEm ডট কম
13. Sportsplus.live ডট সাইট
14. Epicsports ডট মি
15. Amzfootballডট কম
16. Bingsportsডট কম
17. sportsfeed24ডট কম
18. Yalla ডট লাইভ
19. Asgoal ডট কম
20. totalsportek ডট প্রো
এগুলো ক্রোম ব্রাউজার এ সার্চ করলে ম্যাচ লাইভ পাবেন,,৷

খেলা মিস হয়ে গেছে? কোনো সমস্যা নাই। পুরো খেলা ও খেলার হাইলাইটস দেখার জন্য নিম্নে কিছু ওয়েবসাইট দেওয়া হয়েছে:

1. footyfull.কম
2. hoofoot.কম
3. fullreplays.কম

এছাড়াও পেইড এপস ও ওয়েবসাইট গুলোতে অনায়াসে আপনারা ফুটবল উপভোগ করতে পারবেন।

1. Bioscope
2. SonyLiv
3. TSports
4. Hotstar
5. ToffeeTV
6. Rabbit hole ইত্যাদি।

এছাড়া আপনারা আপনাদের ইন্টারনেট সংযোগদাতাদের থেকে এফটিপি সার্ভার সংগ্রহ করতে পারেন যেখান থেকে সহজেই আপনারা সকল টিভি চ্যানেল দেখতে পারবেন।

(বি:দ্র: সকল ওয়েবসাইট এবং অ্যাপস কাজ নাও করতে পারে এজন্য বিকল্প কিছু অ্যাপস ও ওয়েবসাইট দেওয়া হয়েছে। আশা করি আপনাদের উপকারে আসবে)

27/12/2024

শুনুন, পুরুষগণ! খারাপ চরিত্রকে "মুড সুইংস" হিসেবে সহ্য করা বন্ধ করুন।
এটা লাইন টানার সময়। অনেক পুরুষ "মুড সুইংস" এর অজুহাতে নারীদের কাছ থেকে ভয়াবহ আচরণ মেনে নিতে বাধ্য হয়েছে। স্পষ্টভাবে বলি—খারাপ চরিত্র কোনো মুড সুইংস নয়, বরং এটা শৃঙ্খলা এবং সঠিক পারিবারিক শিক্ষার অভাব। একজন শৃঙ্খলাপূর্ণ ব্যক্তি কখনোই তার আবেগকে অন্যদের প্রতি তার আচরণ পরিচালনা করতে দেয় না।
"আজকের দিনটা খারাপ যাচ্ছে" বলেই রূঢ়তা, অসম্মান, এবং সরাসরি আক্রমণ সহ্য করার এই পাগলামি শেষ হওয়া উচিত।

আমাদের সবার খারাপ দিন যায়। পুরুষ ও নারী উভয়েই মানসিক চাপ, হতাশা, এবং আবেগগত ক্লান্তির মুহূর্তের মধ্য দিয়ে যায়। কিন্তু চরিত্রবান ব্যক্তি এবং চরিত্রহীন ব্যক্তির মধ্যে পার্থক্য হলো শৃঙ্খলা। শৃঙ্খলা মানে হলো নিজের আবেগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং নিশ্চিত করা যে আপনার হতাশা অন্যদের প্রতি আপনার আচরণে প্রতিফলিত না হয়। এর মানে হলো আপনার অনুভূতিগুলো অসম্মানজনক বা খারাপ আচরণের কারণ নয়।

যদি এমন একজন নারীর সাথে আপনার সম্পর্ক থাকে, যিনি বারবার আপনার উপর রাগ ঝাড়েন, অসম্মান দেখান, বা মনে করেন যে তার "খারাপ মুড" এর কারণে সবাই তার প্রতি দয়া দেখাবে, তাহলে আপনি একজন আত্মনিয়ন্ত্রণহীন মানুষের সাথে সম্পর্ক করছেন। এবং এটি একটি সাময়িক সমস্যা নয়। এটি একটি অভ্যাস, যা গভীরতর অপরিপক্বতা এবং অতিরিক্ত প্রত্যাশার প্রতিফলন।

পুরুষগণ, এটি মেনে নেওয়া বন্ধ করুন। আপনি যদি কোনো পুরুষের এমন আচরণ মেনে নেন না, তাহলে নারীর ক্ষেত্রেও এর অজুহাত করবেন না। যদি তিনি পরিপক্ব হন, তবে তিনি জানবেন কিভাবে তার আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে হয় এবং আপনাকে তার আবেগের পাঞ্চিং ব্যাগ বানাবেন না। যদি তিনি শৃঙ্খলাবদ্ধ হন, তবে তিনি তার অনুভূতি যাই হোক না কেন, আপনাকে সম্মানের সাথে আচরণ করবেন। সম্পর্ক পারস্পরিক সম্মানের ওপর ভিত্তি করে হয়, আবেগগত আবর্জনা ফেলার জায়গা নয়।

একটি বাস্তব সত্য হলো: খারাপ চরিত্র সম্পর্ক, পরিবার, এবং জীবনকে ধ্বংস করে। যদি তিনি এখন নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারেন, তাহলে জীবন যখন সত্যিকারের চ্যালেঞ্জ নিক্ষেপ করবে তখন কী হবে? যখন বিয়ের চাপ, সন্তান পালন, বা আর্থিক সংকট আসবে তখন কী হবে? আজকের মুড সুইংস ভবিষ্যতের অন্তহীন নাটকে পরিণত হবে। নিজেকে সারাজীবনের বিশৃঙ্খলার জন্য প্রস্তুত করবেন না।

আর সমাজের কথায় কান দেবেন না যে আপনি "সংবেদনশীল নন" কারণ আপনি এই আচরণকে চ্যালেঞ্জ করছেন। আপনি সংবেদনশীল নন। সম্মান এবং শৃঙ্খলার দাবি করা হৃদয়হীনতা নয়—এটি একজন মানসম্পন্ন মানুষের পরিচয়। আপনি কোনো থেরাপিস্ট, আবেগের পাঞ্চিং ব্যাগ, বা তার আত্মনিয়ন্ত্রণহীনতার বলি নন। যদি তার কোনো অমীমাংসিত সমস্যা থাকে, তবে তিনি তা সমাধান করবেন, আপনাকে এর শিকার বানাবেন না।

সীমা নির্ধারণ করুন এবং সেখানেই থাকুন। আপনার কাজের মাধ্যমে তাকে শেখান—যে কোনো অজুহাতেই খারাপ আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। যদি তিনি নিজেকে গুছিয়ে নিতে না পারেন, তবে তার থেকে দূরে সরে যাওয়াই ভালো। সারাজীবন অর্থহীন বিষয় সহ্য করার জন্য জীবন অনেক ছোট।

এটা মনে রাখবেন: শৃঙ্খলাহীন নারী আপনার শান্তি নষ্ট করবে। নিজের শান্তি রক্ষা করুন। একটি চরিত্রবান এবং আবেগগত পরিপক্ব নারী বুঝতে পারবেন যে সম্মান শর্তাধীন নয়—এটি ন্যূনতম প্রয়োজন। সতর্ক থাকুন, পুরুষগণ, এবং নিজের জন্য সেরা দাবি করুন।

14/09/2024

১০০টি বেলুন ফুলিয়ে, ক্লাসের প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীর হাতে ১টি করে দিলেন শিক্ষক। বললেন─ "বেলুনে নিজ-নিজ নাম লিখে, ফেরত দাও।"

নাম সম্বলিত বেলুনগুলো নিয়ে, ক্লাসের মাঝখানে স্তুপ করে রাখলেন তিনি মিশিয়ে। তারপর বললেন─ "এবার এখান থেকে সবাই নিজের নামের বেলুনটি বেছে নাও।"

এতোগুলো বেলুন থেকে নিজের নামের বেলুনটি বেছে নিতে গিয়ে গলদঘর্ম অবস্থা প্রত্যেকেরই। সময় গড়াতে লাগলো, দু'য়েকজন খুঁজে পেলো নিজের বেলুনটি, বাকিরা হাতড়াতে লাগলোই, হতোদ্যম।

শিক্ষক বললেন─ "এক কাজ করো তাহলে; প্রত্যেকেই নিজের ঠিক সামনের বেলুনটি নাও, ওটায় তোমার যে-বন্ধুর নাম লিখা আছে তার হাতে তুলে দাও ওটা।"

এবার দেখা গেলো─ খুব অল্প সময়েই যার বেলুন তার কাছে পৌঁছে গেলো।

বেলুন হাতে বসে থাকা তাঁর সন্তানসম হাস্যোজ্জ্বল ছাত্রছাত্রীদের দিকে তাকালেন শিক্ষক। তাঁর চোখে আনন্দাশ্রু চিকচিক করছে।

─ "বাবারা, পৃথিবীতে সুখ ছড়িয়ে আছে, ঠিক ওই বেলুনগুলোর মতোই। খুঁজে নাও। কিন্তু, নিজের জন্য নয়; অন্যের জন্য খোঁজো সুখ, তাকে তোমার অর্জিত সুখের ভাগ দাও; সেও তোমাকে তার সুখের─ সমস্তটা না-পারলেও─ ভাগটুকু দেবে। মা রে, তোমরা মিলেমিশে বেঁচে থাকো সারাটা জীবন, থইথই সুখের ভাগাভাগিতে।"

Salah Uddin Ahmed Jewel অনুদিত─
মূল লিখক: anon.

13/07/2024

Coming Soon!!!!!!🧐

30/04/2024

খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা
টপিক.. 😊
অবশ্যই পড়ার চেষ্টা করবেন.. 🙏🏿

১৮০০/১৯০০ সালে দেশ দখল করে সম্পদ লুট করা হত, ইউরোপিয়ানরা এটা করেছে ।

এখন করা হয় অর্থনীতি লুট,
আমাদের দেশের প্রধান সম্পদ - কৃষি লুট হয়ে যাচ্ছে ।

এই যেমন ধরেন, আমাদের দেশের যত সবজি, সব বীজের জন্য আমরা দেশি বীজ ধ্বংস করে বিদেশী হাইব্রিড বীজের উপর নির্ভরশীল হয়ে গেছি ।

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) তথ্য অনুযায়ী স্থানীয়ভাবে মাত্র ৭ শতাংশ বীজ উৎপাদিত হয়। বাকি ৯৩ শতাংশই আমদানি করতে হয়।

কিভাবে এটা হল ?
কেন হল ?

//.\

সবুজ বিপ্লবে নর্মান বর্লাগ গমের উপরে পরিক্ষা নিরিক্ষা করেন এবং সিলেক্টিভ মডেল এবং বায়োটেকনোলজি নিয়ে । যে জাত গুলো ফাঙ্গাস এবং রোগ প্রতিরোধি সেগুলোকে নিয়ে ফসল ফলানর চেস্টা করেন।

এটা এতই বেশি উতপাদন করা শুরু করে যে, ১৯৫৩ সালে শুরু করা প্রজেক্ট এর কারনে, মেক্সিকোর খাবারের সমাধান হবার পরেও তারা রফতানি করা শুরু করে ১৯৬৩ সালেই ।
এই সাফল্য পাকিস্তান এবং ইন্ডিয়াতেও প্রভাব ফেলে এবং এখানেও একই উপায়ে ফসল ফলানো শুরু হয় । পাকিস্তান ১৯৬৫ তে ৫ মিলিয়ন টনকে ১৯৭০ এ ৮ মিলিয়ন টনে নিয়ে যায় ।

এরপরে এটার বীজকে হাইব্রিড বীজ নাম দিয়ে এমন বীজ বাজারে নিয়ে আসা হয় যে বীজ একবার ফলন দেয়, কিন্তু সেই ফসলের বীজ আবার বুনলে তেমন বেশি ফলন হয় না ।

অতিরিক্ত বেশি উতপাদনের ফলে, চাষিরা বেশি লাভের আশায় বেশি পরিমানে এই ধরনের হাইব্রিড বীজ চাষাবাদ শুরু করে ।

আর, বিভিন্ন ন্যাটিভ বীজ গুলো সারা দুনিয়াতেই গুরুত্ব হারাতে থাকে ।
ফলে, বর্তমানে সারা দুনিয়াতেই পুজিবাদি কোম্পানিদের বীজের রাজত্ব ।

যেখানে আমাদের দেশের চাষিরা প্রতি ফলনের পরেই দেশী বীজ নিজেরাই সংরক্ষণ করতেন - এখন তেমনটা হয় না ।
এমনকি ধান বীজ পর্যন্ত চাষিরা বাজার থেকে কেনে ।

আমাদের দেশের ডলার সংকট চলছে খবরের কাগজে আমরা সবাই জানি ।
কোনভাবে যদি মাত্র ২ মাস বীজ আমদানি বন্ধ থাকে, তাহলে সামনের শীতের সিজনে কাচা মরিচের কেজি ১২০০ তেও পাবেন ?

//.\

ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময়ে আমেরিকা একটা নতুন পলিসি নেয়, ফুড অ্যাজ আ ওয়েপন ।

তারা মাঠের পর মাঠ ফসল পুড়িয়ে দিত যেন ভিয়েতনামিজরা খাবার না পায় । এই পলিসি থেকেই আসে বর্তমানের ফুড পলিসি ।

আফ্রিকার আছে সবচে বেশি জমি অথচ সেখানের অনেক দেশেই মানুষ পুস্টিকর খাবার পায়না ।
ভারতীয় উপমহাদেশে আছে সবচে উর্বর জমি অথচ এখানে ৭০% শিশু পুস্টিকর খাবার পায়না ।

হাইব্রিড ফসল উতপাদন বাড়ায়, কিতু পুস্টি মান বিচারে তা ১০ গুণ কম পুস্টি দেয় । মনোক্রপ, যেখানে একটা ফসলই এক জমিতে ফলানো হয় সেখানে উতপাদন ত বাড়ে, কিন্তু এতে করে ফসলের সারের খরচ, কীটনাশক ব্যাহার এর খরচ যায় বেড়ে ।

আমরা ফসলে ইউরিয়া দেই যা নাইট্রোজেন দেয় মাটিতে, অথচ অইখানেই পলিক্রপ করলে, যেকোন ডাল জাতীয় কোন সবজি করলে সেটাই মাটিতে নাইট্রোজেন ফিক্স করে দিত ।
অথচ, ইউরিয়া দেয়ার কারনে পোকারা বেশী আসে ।

আমরা, সার দিয়ে খরচ বাড়াই, কীটনাশক দিয়ে খরচ আরো বাড়াই ।

এই বীজে তাদের উপর নির্ভরশীল আমরা, সেই ফসল যেন তাদেরই দেয়া কীটনাশক সহনশীল হয় সেটাই তারা তাদের ল্যাবে ডিজাইন করে আমাদের চাষীদের দেয় ।

এরপরে, তারা ট্রেনিং দেয়, বৃত্তি দেয়, তাদের তৈরি সিলেবাস আমাদের গেলায় - এবং এদের পক্ষে মিডীয়াও সাফাই গায় ।

আমরা পেট ভরে ত খাই, কিন্তু পুস্টি না পেয়ে পাই ক্যান্সার !

এরপরে তাদেরই বানানো ঔষধ খাই ।

এইসব সমস্যার সমাধান করবে কে ?
কে বিড়ালের মুখোশ পড়ে থাকা চিতাবাঘের সামনে গিয়ে লড়াই করবে ? !!

//.\

আমেরিয়াক্য কোণ চাষী যদি ভুট্টা বীজ সংরক্ষন করেন পরের সিজনে লাগানর জন্য - তবে তিনি সেই কোম্পানির বীজ রাখার দায়ে জেলে যাবেন এবং বিরাট অংকের অর্থ দন্ড দিতে বাধ্য থাকবেন ।

পেটেন্ট করা আছে, কেউ বীজ সংরক্ষণ করতে পারবে না ।
তাকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট কোম্পানির কাছে থেকেই বীজ কিনতে হবে ।

আমাদের বাজারের কোণ বীজের দোকানে আপনি দেশি বীজ পাবেন না । ব্যাক্তি পর্যায়ে দেশি জাতের সবজি বীজ প্রায় বিলুপ্ত ।

এই যে ৩২০০ কোটি টাকার বীজ আমদানি করতে হয় - এইভাবে লুট করা আমাদের বীজের বাজার ফিরে পাবার তেমন আর কোন উপায় নাই ।

কিছুই, না, ইন্দোনেশিয়া আর ভারত যদি আমাদের কাছে বীজ না পাঠায় - তবে পরের সীজনে দেশের ৭০% জমিতে ফসল ফলবে না ।

এই যে বীজের ব্যাবসা তাদের হাতে আমরা তুলে দিয়েছি - এটাকে তারা কিভাবে ব্যাবহার করবে ?
শুধুই কি ব্যাবসা হিসেবে নাকি অস্ত্র হিসেবে?

22/04/2024

You work 8 hours to live 4.
You work 5 days to enjoy 2.
You work 8 hours to eat in 15 minutes.
You work 8 hours to sleep 6
You work all year just to take a week or two vacation.
You work all your life to retire in old age.
And watch only your last breaths.
Eventually, you realize that life is nothing but a parody of yourself practicing your own oblivion.
We have become so accustomed to material and social slavery that we no longer see the chains..⛓️
Life is a short trip,
Live it up.

10/01/2024

ছাত্রের ফেলের খবর দেয়া শিক্ষকের সাথে ছাত্রের বাবার দারুণ কথোপকথন:

-আপনি কি খালেদ আলম ?
- জ্বি, বলছি।
-ফাহাদ আলম কি আপনার ছেলে?
-জ্বি, আপনি কে বলছেন?
-আমি আপনার ছেলের ইউনিভার্সিটি থেকে বলছি। মাহবুবুল হক। হেড অফ ডিপার্টমেন্ট।

-ও, আচ্ছা। কেমন আছেন, স্যার?
- জ্বি, ভালো। আপনার ছেলে সম্পর্কে কিছু কথা বলার ছিল। ও তো কিছুদিন আগে থার্ড সেমিস্টার শেষ করেছে। সেমিস্টার ফাইনালের রেজাল্ট প্রকাশ হয়েছে দুই দিন আগে। আপনার ছেলে দুই কোর্সে ফেল করেছে। আপনাকে কি বলেছে?
- জ্বি, বলেছে।

-আমাদের ইউনিভার্সিটিতে কিছু নিয়ম-কানুন আছে। ফেল করলে আমরা ছাত্রদের আবারও পরীক্ষায় বসে পাস করার সুযোগ দেই। এরপরও ফেল করলে ইউনিভার্সিটিতে রাখার নিয়ম নেই।
-তা এসব আমাকে কেন বলছেন?

থতমত খেয়ে গেলেন ও প্রান্তের ব্যক্তি।
-না, মানে, আমি বলছিলাম আপনার ছেলে ফেল করেছে। আপনার কি উচিত না তার পড়াশোনার প্রতি খেয়াল রাখা?
-আমাকেই যদি তার পড়াশোনার দায়ভার নিতে হয়, তাহলে আপনি কী জন্যে আছেন?
-না, মানে আমি বলছিলাম আপনি কাউন্সেলিং করতে পারেন, বোঝাতে পারেন।
-অবশ্যই আমি তার সাথে কথা বলতে পারি। কিন্তু শিক্ষক হিসেবে আপনি কি তার সাথে কথা বলেছেন?
-মানে? বুঝলাম না!
-আমি বলতে চাইছি, আমার ছেলে যে ফেল করল, গলদটা কোথায় বোঝার চেষ্টা করেছেন কি? দোষ পুরোটা কি ওর একার? আপনার কোনও দায়ভার নেই?

-কী বলতে চাইছেন আপনি?
-দেখুন, স্যার, খুব স্পষ্ট আর সহজ ভাষায় বলছি। এভাবে ছাত্রের ব্যর্থতায় সরাসরি মা-বাবাকে তলব করার আগে আপনাদের পাঁচবার ভাবা উচিত। পড়াশোনার জন্য ছেলেকে পাঠিয়েছি আপনাদের কাছে। তাকে পড়াতে না পারার, পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ তৈরি করতে না পারার, সফলতার পথ দেখাতে না পারার ব্যর্থতাটুকু পুরোপুরি আপনাদের। বাবা-মা কোনও শিক্ষক নন যে এসব পালন করবেন। এ দায়িত্বটুকু পালনের ভার আপনাদের উপরে দেয়া হয়েছে। কই, বেতন তো ঠিকই নেন। ছাত্রের সফলতারও ভাগ চান। তাহলে ব্যর্থতার ভার কেন শুধু ছাত্র আর মা-বাবার ওপরে চাপবে?

-আমি আসলে ওভাবে বুঝাতে চাইনি।
-কোনওভাবেই বোঝানোর দরকার পড়ত না, যদি যথাযথ শিক্ষকের দায়িত্ব আপনারা পালন করতে পারতেন।
-আমি রাখছি।
- দাড়ান । আপনার বাবার ফোন নম্বরটা পাঠিয়ে দেন।
-মানে? কেন?
-ব্যর্থ ছাত্রের পিতাকে ফোন করে যে দায়িত্ব আপনি পালন করেছেন, ব্যর্থ শিক্ষকের বাবাকে ফোন করে আমিও একই দায়িত্ব পালন করতে চাই!

31/12/2023

ডা. তুমি পাগল হলে কীভাবে ?
পাগল: পাগল হইছি কি সাধে?
আমি এক বিধবা মহিলাকে বিয়ে করে ছিলাম!
তার এক যুবতী মেয়ে ছিল। তাকে বিয়ে করল আমার বাবা!!

আমার মেয়ে হয়ে গেল আমার মা!!! আমি হয়ে গেলাম আমার বাবার শশুর!!!!

তার ঘরে হল একটা মেয়ে,সে হলো আমার বোন!!!!!কিন্তু আমি তার নানীর জামাই!!!!!!
সেদিক থেকে সে আমার নাতনীও!!!!!!!
এভাবে আমার একটা পোলা হল!!!!!!!

আমার পোলা হইল আমার বাপের শালা।
আর আমি আমার পোলার ভাগিনা!!!!!!!
ডা. চুপ কর শালা,তুই আমারেও পাগল বানাইয়া ফেলবি ;)

31/12/2023

বাংলাদেশে এপার্টমেন্ট কেনা একটা জঘন্য রকমের ইনভেস্টমেন্ট।
এটার সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে বাংলাদেশে এসেটের দামের তুলনায় ভাড়া হাস্যকর রকমের কম!

ছোট একটা উদাহরণ দেই। ধরেন আপনি উত্তরায় ২০০০ স্কয়ার ফিটের একটা এপার্টমেন্ট কিনলেন, দাম নিল দুই কোটি টাকা। এই বাসার ভাড়া হবে বড়জোড় পঞ্চাশ হাজার টাকা।
ধরে নিলাম একজন এই বাসাটা কিনে নিজেই থাকা শুরু করলো। আমরা তার অপোরচুনিটি কস্ট ক্যালকুলেট করবো। হিসাবের সুবিধার্থে আমি ইনফ্লেশন ক্যালকুলেট করবো না, এটা উভয় পক্ষের হিসাব থেকেই বাদ যাবে।

এপার্টমেন্টটা যদি সে না কিনতো, পঞ্চাশ হাজার টাকা ভাড়া দিয়ে সে এই বাসাতেই এক বছরে মাত্র ছয় লাখ টাকা দিয়ে থাকতে পারবে। মানে দশ বছর থাকতে পারবে ষাট লাখ টাকায়। তিরিশ বছর থাকতে পারবে এক কোটি আশি লাখ টাকায়!

সবচেয়ে বড় ব্যাপার হল, তাকে এককালীন যে দুই কোটি টাকা ইনভেস্ট করতে হত সেটা করতেই হল না। তার সঞ্চয় খরচ হল না, তার চিকিৎসার সিকিউরিটি থাকলো, তাকে তার সারা জীবনের সব সঞ্চয় এক জায়গায় বিনিয়োগের ঝুকি নিতে হল না, তাকে ঋণের দায় নিতে হল না। এই দুই কোটি টাকা সে অন্য যে কোন জায়গায় ইনভেস্ট করে তিরিশ বছরে আরও অনেক টাকা বানাতে পারে।
ধরলাম সে ইনভেস্ট করবে না, সে সবচেয়ে বাজে উপায়ে টাকাটা ব্যবহার করবে। অর্থাৎ সে শুধু ব্যাংকে টাকাটা রেখে দিবে। ধরলাম ব্যাংক তাকে ৬% হারে সুদ দিবে। তাহলে দুই কোটি টাকায় বছরে সে পাবে ১২ লাখ টাকা। অর্থাৎ মাসে এক লাখ। পঞ্চাশ হাজার টাকা ভাড়া দিয়েও হাতে আরও পঞ্চাশ থাকে। তিরিশ বছরে সংখ্যাটা তিন কোটি ষাট লাখ টাকা শুধু ইন্টারেস্টেই! সঞ্চয়পত্রে ইনভেস্ট করলে সংখ্যাটা আরও অনেক বেশি।

আর এই তিরিশ বছরে আপনার কেনা ফ্ল্যাট এর চেহারার অবস্থা কি দাঁড়াবে বলেন তো? ফ্ল্যাট তো জমি না, এর ডেপ্রিসিয়েশন আছে। এখনকার বাজারে তিরিশ বছরের পুরনো একটা ফ্ল্যাট কিনতে যান, বুঝবেন। ক্রেতা পান কিনা সন্দেহ! আর নিজেরা থাকলে বিল্ডিং ভেংগে আবার নতুন করে বাড়ি বানাতে হবে- আরও খরচ! নিজের ফ্ল্যাটে প্রতিবেশিরা ভাল না হলে ইউ উইল বি স্টাকড, আজীবন টক্সিক একটা পরিবেশে থাকতে হবে। ভাড়া বাসায় পুরো তিরিশ বছরই নতুন ফ্ল্যাটে থাকতে পারবেন, সুবিধা অনুযায়ী এলাকায় শিফট করতে পারবেন, পরিবেশ ভাল না লাগলে বদলে ফেলতে পারবেন।

অনেকে আবার লোন করে ফ্ল্যাট কিনে। বিশ হাজার টাকা ভাড়া দিয়ে যে ফ্ল্যাটে থাকা যায়, সেই ফ্ল্যাটে ডাউন পেমেন্টের টাকা পকেট থেকে দিয়ে তিরিশ হাজার টাকা প্রতি মাসে কিস্তি দেয়। এসেট হয়ে যায় লায়াবিলিটি, প্রতি মাসে যার খরচ দশ হাজার টাকা!

"নিজের বাড়ি" একটা বিংশ শতকের এলিটিস্ট আবেগ। একে প্রশ্রয় না দিয়ে স্মার্ট হোন!

বড়জোড় একটা জমি কিনে রেখে ভাড়া থেকে জীবন কাটায় দেন!

(ডিসক্লেইমার: আমি অবশ্যই বলছি না যে টাকা নিয়ে ব্যাংকে ফেলে রাখা ভাল জিনিস। এটা টাকার সবচেয়ে বাজে ব্যবহার৷ উদাহরণ টানলাম এটা বোঝাতে যে টাকার সবচেয়ে বাজে ব্যবহারও ফ্ল্যাট কেনার চেয়ে ভাল)

30/12/2023

কুরআন মাজিদ এবং হাদিস পড়লে জানা যায়, মানব ‘জীবন’-এর (রূহের) সৃষ্টি থেকে নিয়ে গন্তব্যস্থলে পৌঁছা পর্যন্ত মোট ছয়টি স্তর বা অধ্যায় রয়েছে। একটি অধ্যায় থেকে আরেকটি অধ্যায়ে রূহ স্থানান্তরিত (ইনতেকাল) হয়।
মানব জীবনের বিভিন্ন অধ্যায়গুলো হলো:
o রূহের জগত (World of the Soul)
o মাতৃগর্ভ (Mother's Womb)
o পৃথিবীর জীবন (Life on Earth)
o অন্তরাল জগত (বারযাখ) (Subterranean World (Barzakh))
o কিয়ামতকাল ও হাশর (Resurrection Day and Judgment)
o জান্নাত বা জাহান্নাম (Paradise or Hell)
মানব জীবনের এই ছয়টি অধ্যায়ের মধ্যে জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত পৃথিবীর এ জীবনটাকে কুরআনে বলা হয়েছে ‘হায়াতুত দুনিয়া’ বা পার্থিব জীবন। আর পৃথিবী থেকে জীবনের ইনতেকালের পরবর্তী তিনটি অধ্যায়কে বলা হয়েছে ‘আখিরাত’ ।

25/12/2023
22/12/2023

একটি মেয়ে দৌড়ে অনেক পিছিয়ে খেলা শেষ করল। তার বাবা যখন উচ্ছসিত হয়ে হাততালি দিচ্ছে, সে বলল: বাবা! আমি race এ 15th হয়েছি!

বাবা: তুমি 1st হয়েছ 30 জনের মধ্যে!

মেয়ে: কি করে?

তাকিয়ে দেখ তোমার পেছনে আরও 29 জন!

মেয়ে: (খুশি হয়ে) কিন্তু বাবা সামনেও যে 14 জন রয়েছে!

বাবা: তার কারণ ওরা আরও বেশি practice করেছে, পায়ের muscle শক্তপোক্ত করতে যত্ন নিয়েছে। পরেরবার তুমি আরও ভাল করে চেষ্টা কোরো, নিশ্চয়ই আরও ভালো হবে।

মেয়ে: (খুব খুশি) বাবা আমি খুব চেষ্টা করবো, অনেক practice করবো, আর পরের বার 1st হবো।

বাবা: All the best! কিন্তু মনে রেখো, পরেরবারও এই race বা কোনো না কোনো race এ কেউ না কেউ তোমার থেকে এগিয়ে থাকবে, আর কেউ না কেউ থাকবে তোমার থেকে পিছিয়ে। সে নিয়ে কখনো মন খারাপ করো না। বরং সামনে যারা থাকবে, তাদের সাফল্যে আনন্দ কোরো। কারণ তাদের মধ্যে সত্যিই এমন কিছু আছে যা তোমার চেয়ে আলাদা। মন থেকে appreciate কোরো। যারা পিছিয়ে থাকবে, তাদের উৎসাহ দিও। তাহলে জীবনের বড় race টায় সবসময় এগিয়ে থাকতে পারবে। 😊❤

নিজেকে কখনো অন্য কারও সঙ্গে তুলনা কোরো না, কারণ প্রত্যেকের পরিবেশ, পরিস্থিতি, সুযোগ, দুর্যোগ, প্রতিভা সব আলাদা আলাদা হয়। কোনো না কোনো জায়গায় কোনো না কোনোভাবে প্রত্যেকে সেরা হয় নিজের নিজের জায়গায়।

Want your school to be the top-listed School/college in Matuail?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Matuail