Three Virsion Magic Learning School
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Three Virsion Magic Learning School, Education, pirojpur, Mathbaria.
15/03/2025
27/12/2024
পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের মেজো ছেলে ড. জামাল আনোয়ার বাসু (৮২) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা ৪৩ মিনিটে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি মারা যান। তিনি এক ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন।
বুধবার রাতেই কবি পুত্রের মরদেহ ফরিদপুর শহরের অম্বিকাপুরের গোবিন্দপুর গ্রামে পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের পৈতৃক নিবাস সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
ব্যক্তিজীবনে ড. জামাল আনোয়ার জার্মানিতে আর্সেনিক বিশেষজ্ঞ হিসেবে একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। তিনি বছরের বিভিন্ন সময় জার্মানি, ঢাকা ও ফরিদপুরে বসবাস করতেন।
জামাল আনোয়ার দুটি বিয়ে করেছিলেন। তার প্রথম স্ত্রী জার্মানি প্রবাসী। তিনি ২০২১ সালে জার্মানিতে মৃত্যুবরণ করেন। জামাল আনোয়ারের প্রথম ঘরের ছেলে আনদ্রে জার্মানি প্রবাসী, তবে বর্তমানে বাংলাদেশে আছেন। দ্বিতীয় স্ত্রী রাজিয়া আনোয়ার বাংলাদেশি। দ্বিতীয় স্ত্রীর দুই মেয়ে মধুমালা জসীম উদদীন ও নকশি আনোয়ার জসীম উদদীন।
26/01/2024
আহমদ ছফার শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক স্যার কে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ডি.লিট উপাধি দিয়ে সম্মানিত করে। সে উপলক্ষ্যে আহমদ ছফা তাঁর স্যারকে একটি সিল্কের পাঞ্জাবি, পাজামা, একটি ভালো ফাউন্টেন পেন এবং খুব দামি কিছু লেখার কাগজ উপহার দিয়েছিলেন। তিনি অনুরোধ করেছিলেন রাজ্জাক স্যার যেন তার উপহার দেওয়া কলম ও কাগজে উনার আত্মজীবনী লেখা শুরু করেন।
জবাবে আব্দুর রাজ্জাক স্যার হাসতে হাসতে একটা ঘটনার কথা উল্লেখ করে বলেন;
" আমি একবার মিস্টার এ কে ফজলুল হকেরে যাইয়া কইলাম, আমি আপনের জীবনীটা লেখবার চাই। আপনি যদি দয়া কইর্যা পারমিশনটা দেন, কাজ শুরু করবার পারি। হক সা'ব তখন ইস্ট পাকিস্তানের গভর্নর। আমার প্রস্তাব শুইন্যা খেকাইয়া উইঠ্যা কইলেন, আমার জীবনী লেখতে চাও, নিশ্চয়ই কোন মতলব আছে। আমি কইলাম, মতলব তো একটা অবশ্যই আছে। হক সাহেব কইলেন হেইডা আগে কও।
আমি কইলাম আপনে যখন গাঁও গেরামে যান, মাইনষের লগে এমন ব্যবহার করেন, তারা মনে করে জনম ভইর্যা আপনি গাঁও গেরামে কাটাইয়া তাগো সুখ-দুঃখের অংশ লইতাছেন।
তারপরে গাঁও গেরাম থেইক্যা ঢাহা শহরে আইস্যা আহসান মঞ্জিলের ছাদে উইঠ্যা নওয়াব হাবিবুল্লাহর লগে যখন গুড্ডি উড়ান, লোকজন দেইখ্যা আপনেরে নওয়াব বাড়ির ফরজন্দ মনে করে।
তারপর আবার যখন কলিয়াতায় যাইয়্যা শ্যামাপ্রসাদের লগে গলা মিলাইয়া ভাই বইল্যা ডাক দেন কলিকাতার মানুষ চিন্তা করে আপনে শ্যামাপ্রসাদের মেলায় হারিয়ে যাওয়া ভাই।
বাংলার বাইরে লখনৌ কিংবা এলাহাবাদে গিয়ে মুসলিম নাইট নবাব গো লগে যখন বয়েন, দেখলে মনে অইব আপনে তাগো একজন।
এই এতগুলা ভুমিকায় আপনে এতো সুন্দর সাকসেসফুল অভিনয় করতে পারেন, এইডা ত একটা মস্ত ক্ষমতা। এই ক্ষমতা স্যার অলিভার লরেন্সেরও নাই। এই অভিনয়ক্ষমতার একটা এনকোয়ারি আমি করবার চাই। আর নইলে আপনের আসল গুণপনা কোথায় হেইডা ত আমাগো অজানা নাই।
হক সাহেব হুঙ্কার ছাইড়া জিগাইতে লাগলো, তুমি আমার সম্পর্কে কি জান? আমি কইলাম, আপনে সুন্দর সুন্দর বিশ্বাসযোগ্য মিছা কথা কইবার পারেন। আমার জবাব শুইন্যা হক সাহেব হ হ কইরা হাইস্যা উঠলেন।"
আহমদ ছফা আরেকবার শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক কে শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে উনার মতামত জানতে চাইলেন। তখন ও শেখ সাহেব বেঁচে আছেন।রাজ্জাক স্যার একটু নড়েচড়ে বসলেন। তারপর বললেন;
" নাইন্টিন সিক্সটি থেকে নাইন্টিন সেভেন্টি ওয়ান পর্যন্ত সময়ে শেখ সাহেব যারেই স্পর্শ করছেন, তার মধ্যে আগুন জালাইয়া দিসেন। হের পরের কথা আমি বলবার পারুম না। আমি গভর্মেন্টের কারো লগে দেখাসাক্ষাৎ করি না। সেভেন্টি টুতে একবার ইউনিভার্সিটির কাজে শেখ সাহেবের লগে দেখা করতে গেসিলাম। শেখ সাহেব জীবনে অনেক মাইনষের লগে মিশছেন তো আদব লেহাজ আছিল খুব ভালা। অনেক খাতির করলেন।
কথায়-কথায় আমি জিগাইলাম, আপনের হাতে তো অখন দেশ চালাইবার ভার। আপনে অপজিশনের কী করবেন। অপজিশন ছাড়া দেশ চালাইবেন ক্যামনে। জওহরলাল নেহরু ক্ষমতায় বইস্যাই জয়প্রকাশ নারায়ণরে কইলেন, তোমরা অপজিশন পার্টি গইড়্যা তুলো।
শেখ সাহেব বললেন আগামী নির্বাচনে অপজিশন পার্টিগুলো ম্যাক্সিমাম পাচঁটার বেশি সিট পাবে না। আমি একটু আহত অইলাম, কইলাম, আপনে অপজিশনরে একশো সিট ছাইড়া দেবেন না? শেখ সাহেব হাসলেন,আমি চইলা আসলাম। ইতিহাস শেখ সাহেবরে স্টেটসম্যান অইবার একটা সুযোগ দিসিলো। তিনি এইডা কাজে লাগাইবার পারলেন না।"
~ যদ্যপি আমার গুরু(আহমদ ছফা)
21/01/2024
বখতিয়ার খিলজির সমাধি... (গঙ্গারামপুর )
যিনি বাংলার লক্ষণ সেনকে পরাস্ত করে প্রথম বাংলা দখল করেন।
বাংলা ও বিহার অঞ্চলে প্রথম মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করেন তুর্কি সেনাপতি ও বীর যোদ্ধা ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি। তিনি ছিলেন তুর্কি জাতিভুক্ত খিলজি বংশের সন্তান। বখতিয়ার খিলজির পূর্বপুরুষ আফগানিস্তানের গরমশির অঞ্চলে বাস করতেন। অল্প বয়সে তিনি ভাগ্যান্বেষণে বের হন এবং বহু দরবার ঘুরে অযোধ্যার শাসক হুসামুদ্দিনের সেনাবাহিনীতে থিতু হন।
হুসামুদ্দিন তাঁকে ‘ভগবত’ ও ‘ভিউলা’ নামক দুটি পরগনার জায়গির দান করেন। এর পরই তাঁর জীবনধারা বদলে যায় এবং নিজেকে একজন শাসক হিসেবে প্রতিষ্ঠার সুযোগ পান।
একজন যোগ্য শাসক ও সেনাপতি হিসেবে বখতিয়ার খিলজির সুনাম ছড়িয়ে পড়লে দিল্লির শাসক কুতুবুদ্দিন আইবেকের সুদৃষ্টি লাভ করেন এবং তাঁর আনুগত্য স্বীকারের বিনিময়ে বিহার অভিযানের অনুমতি পান। বিহার বিজয়ের পর বখতিয়ার খিলজির ক্ষমতা ও সামর্থ্য আরো সংহত হয়।
তিনি বিশাল এক বাহিনী গঠন করেন এবং ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে রাজা লক্ষ্মণ সেনের শাসনাধীন বাংলার নদীয়া জয় করেন। আকস্মিক আক্রমণে রাজা লক্ষ্মণ সেন প্রধান রাজধানী বিক্রমপুর পালিয়ে যান। এভাবেই বাংলার মাটিতে মুসলিম শাসনের সূচনা হয়।
এরপর তিনি ধীরে ধীরে লক্ষ্মণাবতী, গৌড়সহ সমগ্র উত্তরবঙ্গ বিজয় করেন।
লক্ষ্মণাবতীর নাম পরিবর্তন করে লখনৌতি করে তাকে রাজধানী ঘোষণা করেন। ১২০৬ খ্রিস্টাব্দে বখতিয়ার খিলজি তিব্বত অভিযানে বের হন। কিন্তু উপজাতিদের বিশ্বাসঘাতকতা ও কূটকৌশলের কাছে পরাস্ত হন। এতে তাঁর সেনাদলের বৃহদাংশ ধ্বংস হয়ে যায়। তিব্বত বিপর্যয়ের পর ব্যর্থতার গ্লানি ও শোকে অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং দেবকোটে (বর্তমান দিনাজপুর) ফিরে আসেন।
এখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। তবে কেউ কেউ বলেন মীর মর্দানের হাতে নিহত হন।
ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি ইতিহাসের পাতায় যতটা উচ্চারিত, যতটা চর্চিত, যতটা স্মরিত; ঠিক ততটাই অবহেলিত ও অজ্ঞাত বখতিয়ারের সমাধিস্থল। বখতিয়ার খিলজির কবর যে এখনো চিহ্নিত আছে তা-ও হয়তো বহু মানুষের জানা নেই। বাংলায় মুসলিম শাসনের প্রতিষ্ঠাতা বখতিয়ার খিলজি বর্তমান ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় ঘুমিয়ে আছেন। জেলার গঙ্গারামপুর থানায় পীরপালে এখনো টিকে আছে তাঁর সমাধিসৌধ।
অযত্নে-অবহেলায় ধ্বংসের মুখে বখতিয়ার খিলজির সমাধিসৌধও। সমাধিস্থলে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে বারো দুয়ারি ও দীঘির ঘাট এরই মধ্যে বিলীন হয়ে গেছে। ধসে গেছে সমাধিসৌধের দেয়ালের একাংশ। ধারণা করা হয়, বারো দুয়ারি নামে চিহ্নিত স্থাপনাটি মূলত একটি মসজিদ ছিল। মসজিদের মুসল্লি ও কবর জিয়ারতকারীদের অজুর জন্য পাথর বাঁধানো ঘাট তৈরি করা হয়েছিল। সমাধি ও বারো দুয়ারি পাথরের দেয়াল দিয়ে ঘেরা ছিল। তবে ব্রিটিশ সার্ভেয়ার স্যার ফ্রান্সিস বুকানন হামিল্টন, যিনি ১৮০৭ খ্রিস্টাব্দে উত্তরবঙ্গ ও বিহারের জরিপকাজে নিযুক্ত হন। তিনি বখতিয়ার খিলজির সমাধির বিবরণ দেওয়ার সময় বারো দুয়ারির ভেতরে একটি কবর আছে বলে উল্লেখ করেছেন। স্যার হামিল্টনের ধারণা বারো দুয়ারির কবরটিই বখতিয়ার খিলজির এবং এখনো টিকে থাকা কবরটি বখতিয়ারের সহচর পীর বাহাউদ্দিনের। অবশ্য সমাধিসৌধের সামনে টানানো বতর্মান নামফলকে স্যার হামিল্টনের ধারণাকে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে এবং টিকে থাকা সৌধটিকেই বখতিয়ারের বলে দাবি করা হয়েছে।
বর্তমানে কালের নিয়মে বখতিয়ার খিলজির সমাধি অবহেলার পাত্র হলেও স্থানীয় সাধারণ মানুষের কাছে তিনি ‘দেবতুল্য’। কথিত আছে বখতিয়ার খিলজি মাটিতে শুয়ে আছেন বলে পীরপালের মানুষরা খাট বা চৌকিতে ঘুমায় না। তারা অনেকাংশে শত শত বছর ধরে মাটিতেই ঘুমিয়ে আসছে।
14/01/2024
আহ!
তখন কি সুন্দর ছিল?
10/01/2024
#বিষন্নতা
What a job could inspire.....?
10/01/2024
প্রতীক্ষায় থেকো না আমার
আমি আসবো না, থাকলো কথার কবুতর
কখনো বাইষ্যা মাসে পেয়ে অবসর
নিতান্তই জানতে ইচ্ছে হলে আমার খবর
পাখিকে জিজ্ঞেস করো নিরিবিলি,
পক্ষপাতহীন পাখি বিস্তারিত সংবাদ জানাবে
কী কী ব্যথা এবং আর্দ্রতা
রেখেছে দখল করে আশৈশব আমার একালা,
আমি কতো একা,
কতোখানি ক্ষত আর ক্ষতি নিয়ে
বেদনার অনুকূলে প্রবাহিত আমার জীবন।
___হেলাল হাফিজ |
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Pirojpur
Mathbaria