DailyTimes24

DailyTimes24

Share

www.DailyTimes24.com - Most popular daily bangla online newspaper

06/08/2026

বুড়িগঙ্গাসহ রাজধানী ঢাকার আশপাশের নদীগুলোর ভয়াবহ দূষণ পরিস্থিতি নিয়ে বৃহস্পতিবার এক জরুরি বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি সমন্বিত ও সময়বদ্ধ পরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি আন্তঃসংস্থা সমন্বয় কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

রাজধানী ঢাকাকে ঘিরে থাকা নদীগুলোর ক্রমবর্ধমান দূষণ ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে "বুড়িগঙ্গা নদীর পানি ও পরিবেশ উন্নয়ন" শীর্ষক এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও শীতলক্ষ্যাসহ রাজধানী সংলগ্ন নদীগুলোর দূষণ প্রতিরোধে দ্রুত একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা তৈরি ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন। বৈঠকে শিল্পকারখানার অপরিশোধিত বর্জ্য সরাসরি নদীতে ফেলা, দুর্বল পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ঘাটতিকে দূষণের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

আলোচনায় বর্জ্য শোধনাগার কার্যকরভাবে চালু রাখা, খাল-ড্রেনেজ ব্যবস্থার সংস্কার, দূষণকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান এবং পরিবেশ আইনের কঠোর প্রয়োগের ওপর জোর দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী পরিবেশ অধিদপ্তর, ওয়াসা, বিআইডব্লিউটিএ, রাজউকসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে একযোগে কাজ করার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি এই উদ্যোগে পরিবেশবাদী সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, নদীদূষণ এখন "দুর্বিষহ পর্যায়ে" পৌঁছেছে এবং এখনই ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে জবাবদিহি করতে হবে।

বৈঠক শেষে সিদ্ধান্ত হয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে একটি আন্তঃসংস্থা সমন্বয় কমিটি গঠন করা হবে, যা নিয়মিত অগ্রগতি পর্যালোচনা করে প্রতিবেদন জমা দেবে। বৈঠকে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

#নদীদূষণ #বুড়িগঙ্গা #ঢাকা #তারেকরহমান #পরিবেশ #বাংলাদেশ #সরকার

ডেইলি টাইমস ২৪ ডেস্ক

Photos from DailyTimes24's post 05/08/2026

বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান বাংলাদেশের ফ্যাসিবাদ বিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় মাইলফলক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের গৌরবময় স্মৃতিকে সংরক্ষণ ও পরবর্তী প্রজন্মের নিকট পৌঁছে দিতে নবনির্মিত ❝জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর❞ উদ্বোধন করেছেন।

আজ বুধবার (০৫ আগস্ট ২০২৬) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জাদুঘরের স্মৃতিফলক উন্মোচনের মাধ্যমে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর ফাতেহা পাঠ, দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ও প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি, শহীদদের আত্মত্যাগ, গণআন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি এবং স্বৈরাচার আওয়ামী সরকারের সময়কার নির্যাতন ও নির্মমতার সংরক্ষিত নিদর্শন, আলোকচিত্র, দলিলপত্র, স্মারক, ভিডিওচিত্র ও অন্যান্য তথ্য পরিদর্শন করেন।

এ সময় অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং প্রধানমন্ত্রীর কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ, গণমানুষের অংশগ্রহণ এবং বিজয়ের ইতিহাসভিত্তিক একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

পরে ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ জনগণের সংগ্রাম, আত্মত্যাগ, বেদনা, সাহস ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে জাতীয় স্মৃতিতে স্থায়ীভাবে ধারণ করার এক ঐতিহাসিক উদ্যোগ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই জাদুঘর শুধু ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের নয়, বাংলাদেশের মানুষের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্পর্ক তুলে ধরবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়- বিতাড়িত ফ্যাসিবাদী চক্র কখনোই দেশে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থাকে মেনে নিতে পারেনি। তিনি বলেন, এদেরই পূর্বসূরিরা ১৯৭৫ সালে সংবিধান পরিবর্তনের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্রের কবর রচনা করেছিল। পরবর্তীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশে পুনরায় বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব ঐতিহাসিক ঘটনা ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’-এ সংরক্ষিত হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অবশ্যই উপকৃত হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইতিহাসকে সত্যনিষ্ঠ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে সংরক্ষণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জাদুঘরে শহীদদের পরিচয়, জীবনকথা, আহতদের সাক্ষ্য, গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের অভিজ্ঞতা, আলোকচিত্র, দলিলপত্র, ভিডিওচিত্র, শিল্পকর্ম ও অন্যান্য ঐতিহাসিক উপাদান সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যাতে দেশি-বিদেশি গবেষক এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের প্রকৃত ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত প্রতিটি অপরাধের বিচার আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে সম্পন্ন হবে। একই সঙ্গে শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণ, আহত জুলাই যোদ্ধাদের চিকিৎসা ও কল্যাণ নিশ্চিত করে শহীদদের আকাঙ্ক্ষার একটি স্বনির্ভর, সমৃদ্ধ, নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

গণঅভ্যুত্থানে জনগণের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং শহীদ পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আর কখনো কোনো তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত হবে না।

আলোচনা সভা শেষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের খ্যাতনামা শিল্পীদের অংশগ্রহণে পরিবেশিত বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপভোগ করেন।

04/08/2026

রাজশাহীকে কেন্দ্র করে উত্তরাঞ্চলকে নতুন শিল্প ও বিনিয়োগের হাবে পরিণত করতে সরকারের নীতিগত সংস্কার, কর-সুবিধা, অর্থায়ন ও অবকাঠামো উন্নয়নের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তিনি বলেছেন, এখন স্থানীয় উদ্যোক্তাদের উৎপাদনমুখী বিনিয়োগে এগিয়ে আসার সময়।

রাজশাহীতে কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ বিষয়ে আয়োজিত এক আঞ্চলিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, রাজশাহীসহ উত্তরাঞ্চলকে দেশের নতুন শিল্প ও বিনিয়োগের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার ধারাবাহিকভাবে নীতিগত সংস্কার, কর-সুবিধা, সহজ অর্থায়ন, নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ এবং যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। তাঁর মতে, বিনিয়োগের পথে থাকা বড় ধরনের নীতিগত বাধা অনেকটাই দূর হয়েছে। এখন এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের উৎপাদনমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসতে হবে।

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও সুইসকন্ট্যাক্টের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে তিনি জানান, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য সামনে রেখে সরকার দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলছে। এ লক্ষ্যে পাঁচ বছরের কর কাঠামো ঘোষণা, ব্যবসা শুরুর প্রক্রিয়া সহজীকরণ, লাইসেন্সিং ব্যবস্থা ডিজিটাল করা, ব্যাংক ও পুঁজিবাজার সংস্কার এবং বিভিন্ন পুনঃঅর্থায়ন তহবিল চালুর মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, কৃষিভিত্তিক শিল্পের বিকাশে উত্তরাঞ্চলের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে তিন হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল সংরক্ষণ করা হয়েছে।

ড. তিতুমীর বলেন, উত্তরাঞ্চল শুধু কৃষিপণ্য উৎপাদনের অঞ্চল হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; কৃষি প্রক্রিয়াজাত শিল্পের বিস্তারের মাধ্যমে এখানকার অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। আলু, ভুট্টা, আম, লিচু, দুগ্ধজাত পণ্য, ফুলভিত্তিক শিল্প এবং ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল উৎপাদনে এ অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্প্রসারণ, ডুয়াল গেজ রেললাইন নির্মাণ এবং বন্দরগুলোর সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ বিনিয়োগ ও শিল্পায়নে নতুন গতি আনবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সরকার প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা ও অবকাঠামো প্রস্তুত করেছে, এখন উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার দায়িত্ব নিতে হবে।

ডেইলি টাইমস ২৪ ডেস্ক

#ডেইলি_টাইমস২৪ #রাজশাহী #উত্তরাঞ্চল #বিনিয়োগ #শিল্পায়ন াশেদ_আল_মাহমুদ_তিতুমীর #বিডা #কৃষিভিত্তিক_শিল্প #অর্থনীতি #বাংলাদেশ

Photos from DailyTimes24's post 04/08/2026

বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন মার্কিন প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের কমান্ডার অ্যাডমিরাল স্টিফেন টি. কোহলার।

আজ মঙ্গলবার (০৪ আগস্ট ২০২৬) দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

03/08/2026

পদ্মা ব্যারাজকে কেবল একটি অবকাঠামো প্রকল্প নয়, বরং পরিবেশ, নদী ও মানুষের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা জাতীয় পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তিনি বলেছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সেচ, সুপেয় পানি, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পরিবেশগত সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত ‘পদ্মা ব্যারাজ: সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, পদ্মা ব্যারাজকে শুধুমাত্র একটি অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্প হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তাঁর ভাষায়, এটি পরিবেশ, নদী, কৃষি ও মানুষের প্রয়োজনকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা সমন্বিত পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার একটি জাতীয় উদ্যোগ। তিনি জানান, স্থানীয় জনগণের চাহিদা ও পরিবেশগত বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় প্রকল্পের নকশায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে।

ড. তিতুমীর বলেন, ভাটির দেশ হিসেবে বাংলাদেশের পানি ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক আইন ও ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি উল্লেখ করেন, উজানের নদীগুলোতে শত শত পানি নিয়ন্ত্রণ অবকাঠামো থাকায় দেশের ন্যায্য পানির হিস্যা নিশ্চিত করতে তথ্যভিত্তিক কূটনৈতিক ও নীতিগত পদক্ষেপ প্রয়োজন। একই সঙ্গে সরকার নাগরিক সমাজ ও বিশেষজ্ঞদের গঠনমূলক মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে এগিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি জানান।

আলোচনায় জানানো হয়, পদ্মা ব্যারাজ বাস্তবায়িত হলে প্রায় ২ হাজার ৯০০ মিলিয়ন ঘনমিটার পানি সংরক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট কমাতে সহায়ক হবে। এছাড়া প্রায় ১১৩ মেগাওয়াট পরিবেশবান্ধব জলবিদ্যুৎ উৎপাদন, সাতটি আধুনিক টাউনশিপ নির্মাণ এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের লবণাক্ততা ও সুপেয় পানির সংকট নিরসনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। গড়াই, মাথাভাঙা, মধুমতি, চন্দনা ও ইছামতী নদীর পুনরুজ্জীবনের পাশাপাশি ভবদহসহ বিভিন্ন এলাকার জলাবদ্ধতা কমাতেও প্রকল্পটি ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বৃহত্তর কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পাবনা ও রাজশাহী অঞ্চলের প্রায় ৪৬ লাখ ৯০ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা নিশ্চিত হবে, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক অবদান রাখবে। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ২০৩৩ সালের মধ্যে পুরো প্রকল্প শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ২০২৯ সালের মধ্যেই প্রথম ধাপের কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

ডেইলি টাইমস ২৪ ডেস্ক

#পদ্মা_ব্যারাজ াশেদ_আল_মাহমুদ_তিতুমীর #পানি_ব্যবস্থাপনা #বাংলাদেশ #উন্নয়ন #সেচ #জলবিদ্যুৎ #পরিবেশ #ডেইলি_টাইমস২৪

02/08/2026

নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহারকে শুধু সরকারি উদ্যোগে সীমাবদ্ধ না রেখে সারাদেশে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তিনি বলেন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, নীতিগত সহায়তা এবং সহজ অর্থায়নের মাধ্যমে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব।

রোববার (২ আগস্ট) রাজধানীর পল্টনে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) আয়োজিত নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিষয়ক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, মানুষের চাহিদা তৈরি হলে বাজারও সেই চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এগিয়ে যাবে। এ লক্ষ্যে সরকার নীতিগত সংস্কার, কর-প্রণোদনা, স্থানীয় উৎপাদন বৃদ্ধি এবং সহজ অর্থায়নের বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।

তিনি বলেন, অতীতে গণসাক্ষরতা অভিযান, খাল খনন কর্মসূচি এবং সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি সামাজিক আন্দোলনে পরিণত হওয়ায় সফল হয়েছিল। একইভাবে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে এনজিও, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজ, স্থানীয় জনগণ এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন। গৃহস্থালি পর্যায়ে সৌরশক্তির ব্যবহার বাড়লে গ্যাস ও এলপিজির ওপর নির্ভরতা কমবে, পরিবারের ব্যয় হ্রাস পাবে এবং দেশের আমদানি ব্যয়ও কমে জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ড. তিতুমীর জানান, সৌর প্যানেল, ব্যাটারি ও ইনভার্টারসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি দেশে উৎপাদনে সরকার উৎসাহ দিচ্ছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন স্কিমসহ সহজ শর্তে অর্থায়নের সুযোগ সম্প্রসারণের কাজ চলছে। তিনি বলেন, শুধু কর-প্রণোদনা নয়, দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত সহায়তার মাধ্যমে টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য। একই সঙ্গে উপজেলা ও গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত জনসচেতনতা সৃষ্টি করে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে জাতীয় সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে পারলে বাংলাদেশ জ্বালানি নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে সক্ষম হবে।

#নবায়নযোগ্য_জ্বালানি #সৌরশক্তি #জ্বালানি_নিরাপত্তা #বাংলাদেশ াশেদ_আল_মাহমুদ_তিতুমীর #ইআরএফ #টেকসই_উন্নয়ন #ডেইলি_টাইমস২৪

30/07/2026

বন্ধ কারখানা চালু, বেসরকারিকরণ ও বিনিয়োগ আকর্ষণ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠক

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানা পুনরায় চালু, বেসরকারিকরণ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা এবং এসব কারখানা চালু করতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা সরকারি শিল্পকারখানাগুলো দ্রুত চালুর লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করে কার্যক্রমে গতি আনা এবং এসব শিল্পকারখানায় বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণের মাধ্যমে দ্রুত উৎপাদন কার্যক্রম চালুর সিদ্ধান্ত হয়। প্রধানমন্ত্রী ২০২৬ সালের মধ্যে এই প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

এ ছাড়া বৈঠকে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন

Photos from DailyTimes24's post 30/07/2026

মাথায় গুলির ক্ষত। শরীরের বিভিন্ন স্থানে ৩৬টি বুলেটের স্প্লিন্টারের চিহ্ন। জুলাই আন্দোলনের মাঠে গুরুতর আহত অবস্থায় মাথার রক্ত বন্ধ করতে যে জাতীয় পতাকা বেঁধেছিলেন, সেই পতাকা রক্তে ভিজে গিয়েছিল। সেই রক্তমাখা পতাকা হাতে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন শেখ আজিজুর রহমান।

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই ২০২৬) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
এই সাক্ষাতের মধ্য দিয়ে আজিজুরের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পুরণ হলো। আজিজুরের ইচ্ছা ছিলো ওই পতাকাটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে তুলে দেওয়ার। আজ তিনি রক্তক্ষরণ ঠেকাতে মাথায় বাঁধা সেই পতাকা প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।

সম্প্রতি আজিজুরকে নিয়ে গণমাধ্যমে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। 'গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরও শুধু ছাত্রদল করার কারণে মেলেনি জুলাই যোদ্ধার স্বীকৃতি'—শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নজরে আসলে তাঁর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে বিষয়টি খোঁজখবর নেওয়ার নির্দেশ দেন। স্বাক্ষাতের জন্য নিয়ে আসা হয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে।

এসময়, প্রধানমন্ত্রী মনোযোগ দিয়ে আজিজুরের দুঃখ কষ্টের কথা শোনেন। তার আহত হওয়ার ঘটনা, লেখাপড়া, বর্তমান জীবনযাপন এবং সিএনজি চালিয়ে শিক্ষাজীবনের খরচ চালানোর বিষয়সহ তার চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। তার জীবন সংগ্রামের কথাগুলো দারুণ ভাবে ব্যথিত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন শেখ আজিজুর রহমান। বলেন, তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি দেখা করতে পেরে আনন্দিত ও আবেগাপ্লুত। নিজের কষ্টের কথা প্রধানমন্ত্রী শুনেছেন এবং তার খোঁজখবর নিয়েছেন; এটিকে জীবনের স্মরণীয় একটি মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন তিনি।

আজিজুর বলেন, এই পতাকাটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার আমার তুলে দেওয়ার খুব ইচ্ছা ছিলো। আজ সেই ইচ্ছা পুরণ হয়েছে। এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মত না।

আজিজুর রহমান সরকারি বাঙলা কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। তার বাড়ি নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায়।

এতো ত্যাগ আর অবদান যার, সেই যোদ্ধা ছাত্রদল করার কারণে দীর্ঘ দুই বছরেও পাননি জুলাই যোদ্ধার স্বীকৃতি। সংসার আর লেখাপড়ার খরচ চালাতে ধরতে হয়েছে সিওনজি স্টিয়ারিং। জীবনের দুটি বছর কেটেছে নানা ঘাতপ্রতিঘাতে।

২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণআন্দোলনে মিরপুর-১০ ফ্লাইওভারে জাতীয় পতাকা উড়িয়ে আলোচনায় আসেন আজিজুর। আন্দোলনের একপর্যায়ে পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত হন।

আহত অবস্থায় মাথার গুলির ক্ষত ঢাকতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা মাথায় বেঁধে নেন। রক্তে ভিজে যায় সেই পতাকা। তবু রাজপথ ছাড়েননি। ১৯ জুলাই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। দুই দিনের রিমান্ড শেষে ২১ জুলাই মুক্তি পান তিনি। তবুও ছাত্রদল করায় মেলেনি তার জুলাই যোদ্ধার স্বীকৃতি।

30/07/2026

প্রতিবন্ধী তিন ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সচিবালয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু করেছেন তিনজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়ার মধ্য দিয়ে।

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুন, ২০২৬) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নিজ কার্যালয়ে প্রবেশের সময় তাঁদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন তিনি।

কর্মসংস্থানের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আত্মনির্ভরশীল করে তোলা এবং সমাজের মূলধারায় সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যেই তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়।

নিয়োগপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার আয়শা আক্তার, সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার নীলা খাতুন এবং নড়াইল সদর উপজেলার মো. হাসমত আলী।

প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সরাসরি নিয়োগপত্র পেয়ে তাঁরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তাঁদের জন্য দিনটি ছিল নতুন কর্মজীবনের পাশাপাশি নতুন স্বপ্নেরও সূচনা।

আয়শা আক্তার ও নীলা খাতুন দুজনই শারীরিক প্রতিবন্ধী। জন্ম থেকেই দুই হাত না থাকা নীলা খাতুন পা দিয়ে লিখে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। তাঁকে রাজধানীর মিরপুরের জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনে শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আয়শা আক্তারও পা দিয়ে লিখে সম্পন্ন করেন স্নাতকোত্তর। হাত না থাকায় মুখ দিয়ে নিয়োগপত্র গ্রহণ করেন তিনি। তাঁকে গাইবান্ধার বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে ক্লাস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মো. হাসমত আলীকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীন ইউনিয়ন সমাজকর্মী পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এ সময় সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন পুতুল, সমাজকল্যাণ সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ, বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. তরিকুল আলম এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহবুব উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিবন্ধী তিন ব্যক্তিকে চাকরি দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমিতির প্রতিষ্ঠাতা আবদুস সাত্তার দুলাল। নিয়োগপত্র প্রদানের পরপরই তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে তাঁকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

Photos from DailyTimes24's post 29/07/2026

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভূমিকম্প বিষয়ক প্রস্তুতি সভা

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভূমিকম্প বিষয়ক প্রস্তুতি সভা, জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন, ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিশেষ সেল গঠনের সিদ্ধান্ত

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ভূমিকম্প বিষয়ক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত এ সভায় ভূমিকম্প-পরবর্তী জরুরি সাড়া ও সরকারের সার্বিক প্রস্তুতি জোরদার করা নিয়ে আলোচনা হয়।

সভায় জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন, ভূমিকম্প-পরবর্তী জরুরি সেবা দিতে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত করা, তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহের পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। উল্লেখ্য, ইতোমধ্যে ৭০ হাজার স্বেচ্ছাসেবকের ডাটাবেজ প্রস্তুত করা হয়েছে এবং দ্রুত বাকি ৩০ হাজার স্বেচ্ছাসেবকও প্রস্তুত করা হবে।

বৈঠকে ভূমিকম্প মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণের বিষয়েও মতবিনিময় হয়। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ভূমিকম্প প্রস্তুতি বিষয়ক একটি বিশেষ সেল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এ ছাড়া সম্ভাব্য দুর্যোগকালীন সময়ে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করার উপায় নিয়েও আলোচনা হয়। ঢাকা শহরে Humanitarian Staging Area (HSA) স্থাপনের বিষয়েও সভায় আলোচনা করা হয়।

সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম. এ. মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মো. সাইদুর রহমান খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Want your business to be the top-listed Media Company in Manda?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address


Manda