Basic Computer Training Program
This page is created for the students of Computer Training Program which is structured by Ansar & VDP Bangladesh.
ফ্রেশার মানেই এক্সপেরিয়েন্সহীন—এটা কিন্তু সবসময় ঠিক নয়।
একজন ফ্রেশার চাইলে জব না করেও সিভি ভারী করতে পারে এবং নিজেকে এক্সপেরিয়েন্সড প্রমাণ করতে পারে। কিভাবে?
✅ ইউনিভার্সিটি ইভেন্টে অংশগ্রহণ – স্টাডি চলাকালীন বিভিন্ন সেমিনার, ওয়ার্কশপ, ডিবেট, কালচারাল বা স্পোর্টস ইভেন্টে অংশ নিয়ে।
✅ ভলান্টিয়ার কাজ – সোশ্যাল প্রজেক্ট, ক্লাব বা এনজিও-তে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করে।
✅ পার্ট-টাইম জব – পড়াশোনার পাশাপাশি ছোটখাটো কাজ করে প্র্যাকটিক্যাল স্কিল অর্জন করা।
✅ ইন্টার্নশিপ – গ্র্যাজুয়েশনের পরে অন্তত ২-৩টি কোম্পানিতে ইন্টার্নশিপ করে কর্পোরেট পরিবেশে অভিজ্ঞতা নেওয়া।
📌 মনে রাখবেন: চাকরি শুধু ডিগ্রির জন্য হয় না, স্কিল ও এক্সপেরিয়েন্সের জন্যও হয়। তাই স্টুডেন্ট লাইফেই নিজেকে প্রস্তুত করা শুরু করুন।
31/07/2025
সবাই বলছে, ২০২৫ হলো AI এজেন্টদের বছর।
কিন্তু বাস্তবতা একটু ভিন্ন।
Andrej Karpathy-র ভাষায়, এটা কোনো "একটি বছর" না—
এটা আসলে AI এজেন্টদের দশক।
আমরা এখনো খুব শুরুতে আছি।
এই মুহূর্তে AI নিয়ে অনেক হাইপ, অনেক ডেমো হচ্ছে,
আবার অনেক সমাধান এখনও প্রত্যাশা অনুযায়ী ফল দিচ্ছে না।
AI এমন না যে, হঠাৎ করে একটা সুইচ টিপে আপনার ব্যবসা দখল করে নেবে।
AI আসবে ধীরে ধীরে।
একটা টাস্ক করে, একটা টুল করে… নিঃশব্দে।
আর বেশিরভাগ কোম্পানিতে AI আসে এই তিন ধাপে:
🔹 ১. Augmentation – AI মানুষের কাজকে আরও ভালো করতে সাহায্য করে।
🔹 ২. Automation – কাজের কিছু অংশ AI-এর হাতে চলে যায়।
🔹 ৩. Annihilation – কিছু কাজ বা সম্পূর্ণ প্রসেসই নতুন করে তৈরি হয়ে যায়।
আমি একে বলি AAA পথ।
(হ্যাঁ, ‘annihilation’ বলেছি একটু নাটকীয়ভাবে, ‘transformation’ এর বদলে!)
Bill Gates একবার বলেছিলেন:
“আমরা দুই বছরে যা করতে পারি তা অতিমূল্যায়ন করি, আর দশ বছরে যা সম্ভব তা অবমূল্যায়ন করি।”
বর্তমানে AI-এর আসল শক্তি কোথায়?
মানুষকে বাদ দেওয়া না…
বরং তাদের আরও দক্ষ, আরও বুদ্ধিমান, আরও সময়-বাঁচানো করে তোলায়।
হ্যাঁ, কিছু চাকরি বদলে যাবে, কিছু হারিয়ে যাবে, নতুন কিছু আসবেই।
এটাই নতুন প্রযুক্তি এলে হয়।
কিন্তু স্মার্ট পদক্ষেপ কী?
আগে augmentation দিয়ে শুরু করুন।
আপনার টিমকে আরও ভালো করে তুলুন।
সেখান থেকেই ভবিষ্যৎ গড়ুন।
“A good face is the best letter of recommendation.” – Queen Victoria
বর্তমান যুগে, একটি ভালো মুখের পাশাপাশি একটি ভালো ডিজিটাল পরিচিতি-ই হয়ে উঠছে সবচেয়ে শক্তিশালী রেফারেন্স।
আজকাল কেউ যখন আপনার নাম শোনে, প্রথম কাজটা কী করে?
Google search.
আর প্রথম পেজেই যদি আপনার নাম আসে, এবং তার সঙ্গে আপনার প্রফেশনাল যোগ্যতা, দক্ষতা ও অবদান উঠে আসে, তাহলে সেটাই হয়ে দাঁড়ায় আপনার পরিচয়ের শক্ত প্রমাণ।
"আপনার অনলাইন উপস্থিতি হচ্ছে আপনার নীরব আত্মজীবনী।"
একটি প্রফেশনাল প্রোফাইল, কিছু মানসম্মত প্রকাশনা, কিছু সত্যিকারের কাজের চিত্র—এই সবই মিলিয়ে আপনি গুগলের পাতায় নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে পারেন, মুছে ফেলতে পারেন সন্দেহ, এবং গড়ে তুলতে পারেন আস্থা।
যারা এখনো শুরু করেননি, তাদের প্রতি অনুরোধ—
নিজের কাজের ডকুমেন্টেশন রাখুন,
নিজের নামের সাথেই তৈরি করুন অনলাইন ছাপ।
কারণ গুগল মানুষ ভুলে না, সে শুধু দেখায় আপনি কী রেখে গেলেন।
04/05/2025
পেপ্যাল আসবে, আসবে… কিন্তু কবে?
বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার, উদ্যোক্তা আর ডিজিটাল পেশাজীবীদের বহুদিনের এক স্বপ্ন—PayPal। শুনতে শুনতে অনেকেই ক্লান্ত—"পেপ্যাল আসছে", "চুক্তি হয়ে গেছে", "এই মাসেই চালু হচ্ছে"—কিন্তু বাস্তবে আজও পেপ্যাল বাংলাদেশে নেই।
২০১৬ সালে সোনালী ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি, ২০১৭ সালে ‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড’-এ উদ্বোধন, ২০২১ সালের ডিসেম্বরেও "আসছে আসছে" বলা হয়েছিল। কিন্তু আদতে যে সেবা চালু হয়েছিল, সেটি ছিল ‘পেপ্যাল জুম’, যা শুধুমাত্র অর্থ পাঠানোর একটি সীমিত ব্যবস্থা।মূল পেপ্যাল সেবা, যেটা দিয়ে ফ্রিল্যান্সাররা আয় তুলতে পারবেন, সেটি এখনো অধরাই।
সম্প্রতি আবার আলোচনায় এসেছে PayPal । নতুন সরকারের অধীনে আশার কথা শোনা যাচ্ছে। কিন্তু ডাক ও আইসিটি মন্ত্রণালয়ের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানালেন, "আমার কাছে আপডেট নেই। আমরা চেষ্টা করছি, তবে দৃশ্যমান কিছু নেই।" তিনি আরও বলেন, কিছু কারিগরি ও প্রশাসনিক সমস্যার কারণে পেপ্যাল বাংলাদেশে আসতে পারছে না-
- ফাইন্যান্সিয়াল স্ক্যাম রেসপন্স টিমের অভাব,
- অ্যাড্রেস ভেরিফিকেশন সিস্টেম নেই,
- বাংলাদেশ ব্যাংকের একমুখী লেনদেন অনুমোদন,
- পেপ্যালের রিজিওনাল হ্যান্ডলিং ভারতে হওয়ায় সাড়া না পাওয়া
সব মিলিয়ে ছবিটা এখনো অনিশ্চিত।
তবে ভালো দিক হলো, সরকার এখন মার্কিন দূতাবাস ও পেপ্যাল সিঙ্গাপুরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে। বাংলাদেশে পেপ্যাল আসা মানে হবে—আন্তর্জাতিক মানের লেনদেন সেবা, ফ্রিল্যান্সারদের আয় সহজ হওয়া, এবং ডিজিটাল অর্থনীতিতে এক ধাপ অগ্রগতি।
এখন আমাদের শুধু প্রশ্ন:
এইবার কি PayPal সত্যিই আসবে, নাকি আবারও সেই পুরোনো আশার বুদবুদ...?
তথসুত্রঃ প্রথম আলো
Be the Best Son/Daughter
Be the Best Brother / Sister
Be the Best Father / Mother
Be the Best Friend
Then You will be an automatic Best Person, Employee, Human Being....
It's Easy, Just Give a try,
Nothing on this Earth Comes with Ordinary efforts
Be Special, Be Kind, Be Genuine
Some folks May Call you dumb,
But Trust me Brother The peace you will get from it will keeps you working Hard....
Even The best people on Earth that ever Exits was so humble, So real, So Genuine,
He was the Best Employee of all time,
He made an Extra Ordinary Profit & broke all the records that the Most Wealthiest Woman, The Owner of the attachment wanted to marry him & Made Him the Complete Messenger....
Hazrat Mohammad (Saw..) is the Man to be followed,
Don't blow your mind to be the Next Hygenberg , Zuckerberg, etc....
Focus on Family,
Focus on Humanity,
Focus on The Shape of life 🎉
29/04/2025
বাংলাদেশে মে মাসেই স্টারলিংক ইন্টারনেট চালু করতে যাচ্ছে স্পেসএক্স
স্পেসএক্সের স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবা স্টারলিংক বাংলাদেশে চালু হতে যাচ্ছে ২০২৫ সালের মে মাসেই। এই বিষয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে কাতারের দোহার আর্থনা সামিট-এ, যেখানে স্পেসএক্স-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট লরেন ড্রেয়ার এবং বাংলাদেশের নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনুস উপস্থিত ছিলেন।
এই বৈঠকে মূলত স্টারলিংক পরিষেবা চালুর চূড়ান্ত প্রস্তুতি ও সময়সূচি নিয়ে আলোচনা হয়। লরেন ড্রেয়ার বলেন,
> “আমরা প্রায় শেষ সীমায় এসে পৌঁছেছি। আমি আমার টিমকে নির্দেশ দিয়েছি যেন মে মাসের মধ্যে টেকনিক্যাল লঞ্চের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত থাকে।”
পেমেন্টে আসতে পারে পেপ্যাল
এই উদ্যোগকে সফল করতে পেপ্যাল-এর মত ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মকেও বিবেচনায় আনা হচ্ছে। পেপ্যালের সহ-প্রতিষ্ঠাতাদের একজন ছিলেন এলন মাস্ক—যিনি স্পেসএক্স-এরও প্রতিষ্ঠাতা।
বাংলাদেশে স্টারলিংক চালু হলে দূরবর্তী অঞ্চলেও উচ্চগতির ইন্টারনেট পৌঁছাবে এবং ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে আরও সহজ হবে পরিষেবা গ্রহণ।
বাংলাদেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রায় এক নতুন ধাপ
এই উদ্যোগ বাংলাদেশের ডিজিটাল বিভাজন কমাতে বড় ভূমিকা রাখবে। শহরের বাইরের প্রত্যন্ত এলাকাগুলোর মানুষরা যাতে উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধা পায়—স্টারলিংক সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে যাচ্ছে।
ড. ইউনুস এবং স্পেসএক্সের শীর্ষ কর্মকর্তাদের এই বৈঠক ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের পথে এক নতুন যুগের সূচনা বলে ধরা হচ্ছে।
একটা মজার তথ্য দেই। Oppo এবং Vivo একই কোম্পানির পণ্য। আরো মজার ব্যাপার কি জানেন one plus ও সেই কোম্পানির । এবারে আরো অবাক করি? Realme এবং Iqoo তাদেরই ব্র্যান্ড।
কিন্তু কীভাবে? এই সব কোম্পানির মাতৃ কোম্পানি হচ্ছে BBK ইলেকট্রনিক্স। আর সেই কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন ডুয়ান ইয়ং পিং। কেউ তার নাম জানেন না। কিন্তু আজ যদি তিনি কোন আমেরিকান ব্যাক্তিত্ব হতেন হয়তো সারা বিশ্ব তাকে সেরা উদ্যোক্তা হিসেবে সম্মান করতো। তবে ওনাকে সবাই সম্মান করে একজন সফল ব্যাক্তি হিসেবে না বরং এজন্য যে বিলিয়নিয়ার হওয়া সত্বেও খুব সাধারন জীবন যাপন করেন, মিডিয়ার সামনে আসেন না।
Oppo র মালিক তারই কোম্পানির কর্মকর্তা ছিল। তিনি ব্যবসা শিখিয়ে oppo কে তার হাতে দায়িত্ব দেয়। তারপরে সেখান আরেকজন কর্মকর্তাকে ব্যবসা শিখিয়ে vivo তৈরি করে। তারপরে তৈরি হয় realme ও oneplus
সব মিলিয়ে এখন এক একটা কোম্পানি যেন এক একটা রাজ্য। এত বড়। সম্প্রতি তারা আলদা আলাদা কোম্পানি হয়ে গেছে। তিনি এগুলোর একজন অংশীদার মাত্র। এক একটি কোম্পানি স্বাধীন ভাবে যাদেরকে একদা কাজ শিখিয়েছেন তারাই চালাচ্ছে।
বলা যায় চীনের মোবাইল প্রযুক্তির বাজারে সকল সফল ব্র্যান্ডের পিছে মানুষ তৈরির কারিগর তিনি।
একটাবার কল্পনা করুন তো উনি না থাকলে আজ চীনের ফোন কত জন চালাতো?
এজন্য একটা কথা আমি প্রায় বলি। ব্যাক্তি উদ্যোগই সব। সরকার কোন দেশকে বড় করে না।
সরকারের কাজ আমরা যেন নিশ্চিন্ত মনে ব্যবসা করতে পারি সেই নিরাপত্তা দেওয়া। সেইটা না করে নিজেই যখন কর, শুল্ক, ঘুষ, নজরদারী এবং হয়রানি বাড়াতে থাকে তখন উদ্যমী উদ্যোক্তাদের যাত্রা অঙ্কুরের বিনষ্ট হয়ে উঠে।
একজন ব্যাক্তিই একটি দেশকে অনেক বদলে দিতে পারে। ১৭ কোটি বীজের মাঝে এমন সম্ভাবনাময় ফলবান বৃক্ষ বহু আছে। কেবল আগাছা পরিস্কার করে দিন তাহলেই আমরা এগিয়ে যাবো ইনশাআল্লাহ।
ভারত থেকে বিদেশে পড়ালেখার জন্য ছাত্র-ছাত্রীদেরকে ভারত সরকার নূন্যতম ২০ লক্ষ টাকা বিশ বছরের কিস্তিতে বিনা সুদে ঋণ দেয়। তবে শর্ত একটাই বিদেশে গিয়ে এসাইলাম ক্লেইম করা যাবে না, পড়াশুনা শেষ করতে হবে। শুধু তাই না ব্যাংক স্টেটমেন্টের জন্যও সরকারি ব্যাংকগুলো লোন দেখানোর জন্য সব সময় রেডি থাকে।যার ফলে আজকে কানাডা, আমেরিকা এবং ইউরোপ ভারতীয় ছাত্রছাত্রীদের পদচারণায় মুখরিত।
আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া বা ইউরোপের দেশগুলোর ভিসা অফিসাররা যখন দেখে একটা ছেলে বা মেয়ে তাদের সরকারকে লিখিত দিয়েছে, যে তারা আসলে এসাইলাম ক্লেইম করবেনা এবং পড়াশোনা শেষ করবে। সর্বোপরি রাষ্ট্র সবকিছু নিয়ে তাদের সাথে আছে তাদের পড়াশোনার জন্য স্বয়ং রাষ্ট্র ঋণ দিচ্ছে । তখন তাদের ভিসা পসিবিলিটি এমনিতেই বেড়ে যায়।
ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস আমাদের দীর্ঘ ৫৪ বছরের ইতিহাসে একজন গ্লোবাল সেলিব্রেটি।ইতিমধ্যেই বাংলাদেশীদের জন্য তিনি ভারত থেকে বেশ কয়েকটি ইউরোপিয়ান এম্বাসির কার্যক্রম অন্যান্য দেশ যেমন ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়ায় সরাতে সক্ষম হয়েছেন। শুধু তাই না যেসব ইউরোপিয়ান দেশগুলোর এম্বাসি বাংলাদেশে নেই, সেগুলোর কার্যক্রম খুব শীঘ্রই বাংলাদেশেই শুরু হবে।
আমাদের দেশের বর্তমানে হাজার হাজার শিক্ষার্থী অনার্স মাস্টার্স পাশ করে নামমাত্র ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা বেতনে অমানুষিক পরিশ্রম করছে । এরা না পারছে নিজের জন্য কিছু করতে না পারছে পরিবারের জন্য কিছু করতে।অথচ ভারতের মতো ক্ষুদ্র এই প্রকল্পটি আমরা গ্রহণ করলে বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ পরিবার স্বাবলম্বী হতে পারবে। এই ছেলেমেয়েগুলো বিদেশে গিয়ে পড়াশোনা শেষে তাদের পরিবারের হাল ধরতে পারবে। দেশ থেকে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা পাচার হয়ে গেছে অথচ এই শিক্ষার্থীদের জন্য খুব বেশি না এক হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিলে বাংলাদেশের হাজার হাজার পরিবারের মধ্যে সচ্ছলতা ফিরে আসবে।
আমি বাংলাদেশের সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে অনুরোধ করবো এই বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা, অর্থ উপদেষ্টা,পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সাথে যোগাযোগ করুন। এটি বাস্তবায়নে ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস স্যারের মতো একজন বহুমুখী প্রতিভার মানুষের বেশি সময় লাগার কথা নয়। প্রয়োজনে আমরা সবাই মিলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় গুলোতে ইমেইল ক্যাম্পেইন করবো, টুইটারে (এক্স)টুইট ক্যাম্পেইন করবো এবং আমাদের যার যতটুকু ব্যক্তিগত যোগাযোগ এই মানুষগুলোর সাথে আছে সেগুলো কাজে লাগাবো।
শুধু তাই না বিদেশে পড়াশোনার ব্যাপারে সরকারি উদ্যোগের বেশ কিছু দাবি আমরা জানাবো যাতে পরবর্তী সরকার আসলেও এই কার্যক্রম গুলোস্থিমিত হয়ে না যায।
পরবর্তী সকল আপডেট এই গ্রুপে জানানো হবে Revolution for International Bangladeshi Students (RIBS)। আমি সবাইকে এই গ্রুপে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। আপনারা সকল শ্রেণী পেশার মানুষ যার যার অবস্থান থেকে এটি বাস্তবায়নে সাথে থাকুন়।
Written by: Naimur Rahman
International student in UK
Lecturer (2021-2023)
Educational Consultant(2019-2021)
Assistant Engineer(2017-2019)
অভ্রের মেহেদী যে একা পুরষ্কার নিতে চান নাই, এটা যে শুধু তার ব্যক্তিগত উদারতা বা ভালো মানুষি, এতে সীমাবদ্ধ করে ফেললে অনেক কিছু ফেলনা যাবে। এটা একই সাথে তার এবং অভ্রের পলিটিক্যাল স্ট্যান্ডও। যারা ওপেন সোর্স মুভমেন্টের ব্যাপারে অবগত তারা বুঝবেন।
আজকে যখন একটা সফটওয়্যারের একটা সার্ভিস নিতে গেলেও একাধিক জায়গায় টাকা দিতে হয়, একসময় অনেকেই সেটা মানতে পারেন নাই। ওপেন সোর্স আন্দোলন, বা কপিলেফট আন্দোলন এইসবই ছিলো টাকা পয়সার ব্যবসায়িক হিসাব নিকাশের বাইরে মানুষের একে অপরকে সাহায্য করার সংগ্রাম।
অভ্র ফ্রি, এর সাথে একটা বড় বিষয় হলো অভ্র ওপেন সোর্স। মানে এই সোর্স কোড ইউজ করে আপনি নিজের মতো করে অনেক কিছুই করতে পারবেন। কিংবা অভ্রর ডেভলপমেন্টেও কন্ট্রিবিউট করতে পারবেন। মেহেদী নিজেই তার স্ট্যাটাসে লিখেছেন উল্লিখিত মানুষেরা বাদেও অভ্রতে বহু লোকের মানুষের কন্ট্রিবিউশন আছে। এবং, এই কারণে অভ্র গণতান্ত্রিক, অভ্র পাবলিকের, অভ্র আমাদের।
সেই আশির দশকে রিচার্ড ম্যাথিউ স্টলম্যান ও তার বন্ধুরা GNU লাইসেন্সের মাধ্যমে যেই ফ্রি সফটওয়্যার মুভমেন্ট শুরু করে অভ্র সেই ধারারই বাহক। কিংবা, আজকে আমরা ইন্টারনেট চালাতে পারছি তার কারণও সোশ্যালিস্ট টিম বার্নার্স লি www -কে ফ্রি করে দিয়েছিলেন। কিংবা, আজকে আমরা হাবিজাবি বই টই ধুমধাম পড়ে টরে যে জ্ঞানী হয়ে যাচ্ছি তার কারণও স্টেট-কর্পোরেটের চাপ নিতে না পেরে আত্মহত্যা করা এরন সোয়ার্তজ আর তার বন্ধুদের গেরিলা ওপেন একসেস মুভমেন্টসহ আরও অনেক আন্দোলন।
আজকের পৃথিবীর ইন্টারনেটে যা কিছু ভালো, যা কিছু সুন্দর তার সবই একটা সাইহাবের জন্য, একটা লিনাক্সের জন্য, একটা লিবজেনের জন্য, কিংবা, একটা অভ্রের জন্য (এবং এরকম আরও অনেক ওপেন সোর্স প্রজেক্টের জন্য)।
ভাষা হোক উন্মুক্ত, জ্ঞান হোক উন্মুক্ত।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the school
Website
Address
Kushtia
7000
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 17:00 |
| Tuesday | 09:00 - 17:00 |
| Wednesday | 09:00 - 17:00 |
| Thursday | 09:00 - 17:00 |
| Sunday | 09:00 - 17:00 |