Freelancer Rokon
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Freelancer Rokon, Digital creator, Daulatpur, Khulna.
22/05/2023
বনের মাঝে পশু-পাখীদের ভেতর কথা
চলছেঃ
১।বাঘ পিঁপড়াকে উদ্দেশ্য করেঃ "তুই
এতো ছোট
জীব হয়েও তোর ওজনের কয়েক গুন বেশি
ভারি
জিনিস নিস কি করে?
পিঁপড়াঃ "প্রথমে অল্প একটু নিতাম, এরপর
আরেকটু
বেশি, এরপর একগুণ বেশি, এরপর দুই গুন..এভাবে
বেশি বেশি নেওয়ার চেষ্টা করতে
করতে এটা
এখন অভ্যাস হয়ে গেছে"!
২।সাপ বাঘকে উদ্দেশ্য করেঃ "বাঘ
মামা, আমার
একটা জিনিস অবাক লাগে। বনের হরিণ
খুব দ্রুত
দৌড়াই, আবার বুনো ষাঁড়ও খুব দ্রুত দৌড়াই-
তাহলে তুমি ওদের ধর কি করে?"
বাঘঃ "আমার যখন ক্ষুধা লাগে কেবল
তখনই আমি
শিকার করতে যাই, আর যেহেতু আমি
ক্ষুধার্ত
তাই আমার এটা দেখার দরকার নেই যে
ওরা কত
জোরে দৌড়াই , বরং আমি ভাবি- যেহেতু
আমি
ক্ষুধার্ত তাই আমি ওদের ধরেই ছাড়বো"!
৩।শিয়াল হাতীকে উদ্দেশ্য করেঃ
"কিন্তু আমার
অবাক লাগে হাতির ব্যাপারে। অতো বড়
শরীর
নিয়ে তুমি কিভাবে চল, আর ওই লম্বা শুঁড়
দিয়ে
কি করেই বা তুমি বড় বড় গাছ উপড়ে ফেল?
হাতিঃ "বড় শরীর বলেই তো গায়ে এতো
জোর,
আর যেহেতু আমি জানি আমার গায়ে
জোর আছে
তাই আমি আত্মবিশ্বাসী হয়েই বড় বড় গাছ
উপড়ে
ফেলি, কারন আমি জানি আমি পারবো"!
৪।হাতি জলহস্তীকে উদ্দেশ্য করেঃ
"এবারে
তোমার খবর বল; সারাদিন পচা পানির
ভেতর
পড়ে থাকো। কি মজা পাও?
জলহস্তীঃ "অভ্যাস হয়ে গেছে। কিন্তু
যদি প্রথম
থেকেই অভ্যাস করতাম ডাঙাই থাকার
তাহলে
হয়তো পানিতে যেয়ে বসে থাকতাম না"!
কথাগুলো যখন চলছে ঠিক এমন সময় বনের
ভেতর
একজন শিক্ষিত বেকার যুবক কাঠ
কাটছিল। বনের
পশুপাখিরা এবারে সেই মানুষটির কাছে
জানতে
চাইলোঃ "কিন্তু আপনাদের তো শক্তি-
জ্ঞান-বুদ
্ধি- সবই আছে। তাহলে আপনারা কেন
পিছিয়ে
থাকেন?"
মানুষঃ "কারন আমাদের জলহস্তীর মতো
কিছু না
করার অভ্যাস হয়ে গেছে তাই আমরা
পারি না।
আমরা জানি আমাদের হাতির মতো
শক্তি
কিন্তু হাতির মতো আত্মবিশ্বাস নেই-
তাই কিছু
করে দেখানো সম্ভব হয় না। আমরা বাঘের
মতোই
ক্ষুধার্ত সফল হতে কিন্তু আমরা শুধু
তাকিয়ে
দেখি অন্যের দৌড়ের গতি, তাই আমরা
না পারি
নিজেরা কিছু করতে, আর না পারি
তাদের দৌড়ে
ধরতে। আমরা পিঁপড়ার মতোই কর্মঠ কিন্তু
আমরা
চেষ্টা করি না একটু বেশি কিছু করতে।
আমরা
শিক্ষিত তরুণেরা কোনো কাজ করার
আগে ভাবি
যে, এই কাজ করলে লোকে কী বলবে!
সবসময়
''পাছে লোকে কিছু বলে''-সেই ভয়ে তটস্থ
থাকি।
এজন্যই বনে এসে মানুষের অগোচরে
পরিশ্রম
করছি
যেন ভাগ্যটা বদলাতে পারি।
সব শুনে পশুপাখিরা বলল, একটা কথা বলব
কিছু
মনে করবেন না। আপনি আসলে পড়াশোনা
করে
ডিগ্রী অর্জন করেছেন, সুশিক্ষায়
শিক্ষিত হতে
পারেন নি; অর্জন করেছেন কুশিক্ষা। যদি
সুশিক্ষা অর্জন করতেন তবে লোকালয়ে
পরিশ্রম
করতে লজ্জাবোধ করতেন না।
আমাদের পশুপাখিদের মধ্যে জ্ঞান-বুদ্ধি-
শিক্ষা
না থাকলেও আমরা কেন পারি জানেন?
কারণ
আমরা কে কি বলল বা আমাদের নিয়ে কি
ভাবল
সেটা নিয়ে মাথা ঘামায় না।
যে তোমাকে মনে করতে চায় না
তাকে জোর করে মনে করাতে যেও না
এতে সে তোমার প্রতি আরো বিরক্ত হবে
আরো ঘৃণা করবে
মাঝে মাঝে কষ্ট হলেও চুপচাপ থাকো
যদি সে তোমাকে অনুপস্থিতি অনুভব করে সে
নিজেই তোমাকে মনে করবে
আর যদি মনে না করে কষ্ট
করে হারিয়ে যেও তার জীবন থেকে..!!!
বলেছিলাম না,এত অবহেলা করো
না,কখন হারিয়ে ফেলবে আমায় নিজেও
জানতে পারবে না।
অনেক কল দিয়েছিলাম নাম্বার
অফ,ভালো থেকো।ভয় নেই সম্পর্ক নষ্ট
করবো না,তবে জোড় ও করবো না।
ইচ্ছা হলে এসএমএস দিও না হলে না
দিও,তবে আগের মত হয়ত আমাকে আর
পাবে না।সব কিছু বাদ দিয়ে তোমায়
নিয়েই ভাবতাম,কিন্তু অবহেলার মাত্রা
এত পরিমান হয়ে গেছে যে আমার অসীম
ভালোবাসা হারিয়ে ফেললে।
ভালো থেকো,বেশি খারাপ লাগলে
চলে যেতে পারো আটকে রাখবো
না,তবে মনে রেখ আমার এই চেঞ্জ এর
জন্য তুমিই দায়ী
ভালোবাসার মানুষটির কাছে সব থেকে
ভালো লাগার মুহূর্ত কি জানো?যখন তার
ভালোবাসার মানুষটি তার সাথে থাকে
কিংবা তাকে দূর থেকে একটু সময় দেয়।
আমি হয়ত নিজেকে অনেকটা পরিবর্তন
করেছিলাম শুধু তোমার ভালোবসার
দিকে তাকিয়ে,কিন্তু সেই ভালোবাসা
যে এত তাড়াতাড়ি কমে যাবে বুঝতে
পাড়িনি।
সন্দেহ করা উচিত না,হয়ত এতে
ভালোবাসা টিকে না আমি
জানি,কিন্তু একজন ভালোবাসার
মানুষের কতটা অবহেলার পর ই মনের
মাঝে সন্দেহের সৃষ্টি হয় তা কি তুমি
বুঝতে পারো না?
একটা কথা কি জানো......অবহেলার
মাত্রাটা যখন বেড়ে যায়,তখন
ভালোবাসার ইচ্ছাটাও দিন-দিন
হারিয়ে যায়।
আমিও নিজেকে গুছিয়ে
নিয়েছি,চিন্তা করে ফেলেছি তুমি দূরে
থাকতে চাও।তবে আমি কেন জোড়
করবো।তুমি আসার আগেও আমি একা
ছিলাম এখনো একা থাকতে পারবো,হয়ত
মাঝের সৃতিগুলি একটু কষ্ট দিবে এর
বেশি কিছুই নয়।
হয়ত অপেক্ষায় থাকবো তুমিও একদিন
বুঝতে পারবে,আমার ভালোবাসার
মুল্য,আমি সেই দিনটির প্রতিক্ষায় আছি!___সংগৃহিত_____
০১। মূর্খ লোকের সাথে তর্ক করবেন না, এরা আপনাকে তাদের লেভেলে নামিয়ে নিয়ে যাবে।
০২। অন্যেরা আপনার সম্পর্কে কি ভাবছে, আপনি একদম ভাববেন না, মনে রাখবেন সমালোচনা করা সহজ, কিন্তু আলোচনায় আসা খুব কঠিন।
০৩। বন্ধুর প্রশংসা পেয়ে আনন্দিত হবে না অথবা শত্রুর সমালোচনা দেখে বিচলিত হবেন না, দুটোই মূল্যহীন।
০৪। পৃথিবীতে কেউ বিজি না, আসলে সব নির্ভর করে গুরুত্বের উপর। কাজেই যে আপনাকে গুরুত্ব দিচ্ছে, তাকে গুরুত্ব দিন, জীবন অনেক সুন্দর ও উপভোগ্য মনে হবে।
০৫। কারো অনুপ্রেরণার জন্য অপেক্ষা করবেন না, কিছু একটা শুরু করুন।
০৬। চাকরি পেতে হবে এই ভাবনা নিয়ে পড়াশোনা করবেন না, চাকরি দিতে পারবেন সেই ভাবে নিজেকে তৈরি করুন।
০৭। সুযোগের জন্য অপেক্ষা করবেন না, সুযোগ তৈরি করে নিন, স্বার্থ বিনে কেউ সুযোগ দিবে না।
০৮। সবাই সফল হবেন না, এটা মেনে নিন। সফল তারাই হয় যারা এর পিছনে লেগে থাকে, খরচ করে। সেটা হতে পারে, সময়, সেটা হতে পারে অর্থ কিংবা দুটোই।
০৯। নারাজ মুডে থাকবেন না, হাসুন, হাসিই আপনার সাইনবোর্ড, আপনার ব্রান্ডিং।
১০। অপরের কাজ দেখে তাকে অনুকরণ বা অনুসরণ করবেন না, সফল কোন লোকই অন্য কারও মতো নয়, সবাই নিজের মতো।
১১। অপরের নামে তার অগোচরে বাজে আলাপ করবেন না, এরকম যারা করে তাদের প্রশ্রয় দিবেন না, কারন, তারা আপনার অগোচরে আপনার নামেও বাজে কথা বলবে।
১২। কারো কাছ থেকে প্রতিদান আশা করবেন না, দিতে শিখুন। লিডাররা শুধু দিয়েই যায়, এটাই নিয়ম।
১৩। শর্টকাটে সফল হওয়ার চেষ্টা করবেন না, সফলতার কোন শর্টকাট নেই। ধাপে ধাপে এগোন।
১৪। কিছুতেই আশাহত হবেন না। মনে রাখবেন, মানুষ তার আশার সমান সুন্দর, বিশ্বাসের সমান বড়।
১৫। বন্ধুদের অশ্রদ্ধা করবেন না, কাউকে ভালো কাজে নিরুৎসাহিত করবেন না।
ভালো লাগলে জানাতে ভুল করবেন না
"পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন মূহুর্ত হলো, কাউকে খুব বেশি পরিমাণে ভালো লেগে যাওয়ার পর উপলব্ধি করা যে ঐ মানুষটাকে কখনোই পাওয়া হবে না !!
পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো, কাউকে খুব বেশি পরিমাণে ভালো লেগে যাওয়ার পর তার প্রতি ঐ ভালোলাগা কমানোর চেষ্টা করা যখন মানুষটা ভালোলাগা কমানোর মত কিছুই করছে না !!
কাউকে অকারণে ভালোবাসা যায় ... কিন্তু কাউকে অকারণে ঘৃণা করা যায় না ... জীবনের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি খুব সম্ভবত এটাই !!"
Real love এর ৮ টি চিহ্ন:
|
|
১। আপনি তার sms বার বার
পড়েন।
২। আপনি তার কাছে যেতে
একটু
লজ্জা বোধ করেন।
৩। আপনি যখন তার কথা
চিন্তা
করেন, আপনার heart
beat
বেড়ে যায়।
৪। তার কথা শুনলে আপনার
হাসি
পায়।
৬। আপনি তার জন্য সব কিছু
করতে
পারেন।
৭। এই status টা পড়ার সময়
আপনি তার কথা চিন্তা
করছেন।
৮।আপনি তার চিন্তায়
এতটাই বিভোর হয়ে আছেন
যে,আপনি খেয়ালই
করেন নি আপনি 5 no.
point মিস করেছেন।
So, u r in love...
দুজন পার্কের একটি বেঞ্চেপাশাপাশি বসে
আছে । ছেলেটি বাদামের কাগজটি খুলার
জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে আর মেয়েটি একটা কিছু
বলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে । অতঃপর....
ছেলে- বাদাম খাবে ?
মেয়ে- না ।
(আর কিছু না বলে ছেলেটি বাদাম খাওয়া শুরু
করে দিল)
মেয়ে- একটা কথা বলার ছিল ।
ছেলে- বলে ফেলো ।
মেয়ে- কালকে একটি ছেলে আমাকে প্রপোজ
করেছে । (সিরিয়াস মুডে)
ছেলে- তো । (স্বাভাবিক মুডে)
মেয়ে- তো কি ?
ছেলে- তুমি কিছু বলেছো ? (বাদাম চিবোতে
চিবোতে)
মেয়ে- নাহ্, আমি কিছুই বলি নি ।
ছেলে- ভালো ।
মেয়ে- এখন কি করা উচিত ?
(ছেলেটি কিছু না বলে আবার বাদাম
চিবোতে মন দিয়েছে)
মেয়ে- কি হলো, কিছু একটা বলো । (ভীষণ
সিরিয়াস হয়ে)
ছেলে- আমি আবার কি বলবো ?
(বেখেয়ালিভাবে)
মেয়ে- কীভাবে বিষয়টা মেনেজ করা যায়,
সাহায্য করো । নয়ত এটা আমাদের রিলেশনের
জন্যও সমস্যা আনতে পারে ।
ছেলে- আমিতো এ ক্ষেত্রে তোমাকে কোনো
সাহায্য করতে পারব না ।
মেয়ে- কেনো ? (আশ্চর্য হয়ে)
ছেলে- কিন্তু অন্যভাবে সাহায্য করতে পারব ।
মেয়ে- সেটা আবার কীভাবে ?
ছেলে- আমি উঠে গিয়ে ।
মেয়ে- উঠে গিয়ে মানে !
ছেলে- রিলেশন থেকে উঠে গিয়ে ।
(কথাটা শুনে মেয়েটি অনেকটা হতবম্ভ হয়ে
গেলো । সে এই কথাটা হয়তো এসময় আশা করে
নি)
মেয়ে- এটা বলার কারণ ?
ছেলে- তুমিও হয়তো এটাই চাও ।
মেয়ে- আজব, আমি কেন এটা চাইতে যাবো ।
আমিতো তোমাকেই ভালোবাসি ।
ছেলে- নাহ্, একসময় সত্যিই পুরপুরি
ভালোবাসতে কিন্তু এখন পুরপুরি না । আসলে
তুমি এখন দোটানায় ভুগতেছ ।
মেয়ে- কেনো তোমার এমন মনে হচ্ছে ? একজন
শুধু হঠাৎ করে আমাকে প্রপোজ করেছে, এর
থেকে তো আর বেশি কিছু হয়নি । আমি শুধু
ভাবতেছি এই বিষয়টি মেনেজ কীভাবে করব,
বাছ্ এটুকুই ।(রাগান্নিত হয়ে)
ছেলে- এই বিষয়টা যদি সত্যিই হঠাৎ করে হয়ে
থাকত, তবে আসলেই বেশি কিছু হতো না । তুমি
নিশ্চয়ই বাসা থেকে বের হওয়ার সময় গলায়
কোনো সাইনবোর্ড লাগিয়ে বের হওনা যাতে
লেখা থাকে তোমার কোনো বয়ফেন্ড আছে
বা তুমি কোনো রিলেশনের মধ্যে আছো । তাই
এমন দুই একটি ঘটনা ঘটতেই পারে । আর এমন
ঘটনা কীভাবে মেনেজ করতে হয় তা নিশ্চয়ই
তোমার মত মেচোওর কাউকে অন্য কারো কাছ
থেকে শিখে নেওয়ার প্রয়োজন হবে বলে
আমি মনে করি না । এটা একটি সাধারণ
ব্যাপার । আর এই ব্যাপারটি যদি তোমার
কাছেও সাধারণ হতো তাহলে তুমি এখানে
বসে আমার সাথে বিষয়টি নিয়ে হাঁসি-ঠাট্টা
ও মজা করে উড়িয়ে দিতে এমন সিরিয়াস মোড
নিয়ে কথাগুলো বলতে না । তার মানে বোঝাই
যায় ব্যাপারটা হঠাৎ না । তাহলে এটাও
পরিষ্কার হয়ে যায় তুমি তাকে বেশকিছুদিন
হতেই জানো । (কথাটা শোনার পর মেয়েটি
চমকে উঠে)
ছেলে- প্রথমে হয়তো তুমি তাকে কোনো গুরুত্ব
দাও নি তবে বোঝেই হোক আর না বোঝেই
হোক তুমি তাকে ছোট ছোট সুযোগ দিয়ে
গিয়েছো, যার উপর ভর করে সে এতদূর আসতে
পেরেছে । যার পেক্ষিতে আজ এই পরিণতি ।
এটাও তেমন কোনো বড় বিষয় না । বড় বিষয়টা
হচ্ছে তুমি নিজেও নিজেকে সুযোগ দিয়ে
ফেলেছ তার কাছে যাওয়ার জন্য । হয়তো
নিজের অজান্তেই তবে দিয়ে ফেলেছ । যদি
আমি অথবা আমাদের রিলেশনটা তোমার মনে
অত্যন্ত গভীর হয়ে থাকতো তাহলে অনেক
আগে তুমি নিজেই এই পরিণতিটি হওয়া থেকে
আটকিয়ে ফেলতে পারতে । (মেয়েটির চোখ
ছল ছল করছে)
ছেলে- কিন্তু তুমি তা পারো নি, যার জন্যে
এখন দোটানায় আছো । আমি তোমাকে এই
সমস্যা সমাধানের জন্য এই এক ভাবেই সাহায্য
করতে পারি । আর তা হলো আমি নিজে সরে
গিয়ে । তুমি আবার এটা ভেবো না যে, আমি
কোনো দয়াবান চরিত্রের অধিকারী বা
ব্যাপারটা আমার ইগোতে লেগেছে বলে এমন
পদক্ষেপ নিচ্ছি । হ্যাঁ, আমার ইগোতে
লেগেছে কিন্তু অন্যভাবে । সেটা হলো, আমি
আমার প্রাধান্য তোমার কাছে ধরে রাখতে
পারি নি । যদি সত্যিই আমার প্রাধান্য
তোমার কাছে বেশি থাকতো তাহলে
এতোকিছুর পরও সে যখন তোমাকে প্রপোজ
করল সাথে সাথে তোমার উত্তর হতো "না" বা
এরকম কিছু । কিন্তু তুমি কিছুই বলোনি তার
মানে তুমি নিজেকে তার জন্য ভাবার সময়
দিতে চাও । যার ফলে সহজেই বোঝা যায়
এসময় তোমার কাছে আমার থেকে তার
প্রাধান্যই বেশি । আর যার প্রাধান্য বেশি
থাকে তাকেই গ্রহণ করা উচিত বলে আমি মনে
করি । (ছেলেটি কথা শেষ করে কাগজে থাকা
শেষ বাদামটি মেয়েটির দিকে বাড়িয়ে দিল,
মেয়েটির চোখ দিয়ে ইতিমধ্যে পানি পড়া শুরু
হয়ে গিয়েছে)
মেয়ে- কোনোভাবেই কী আর তোমাকে ধরে
রাখতে পারব না ? (পুরপুরি কান্নাজড়িত
কণ্ঠে)
ছেলে- আমার এই ব্রেঞ্চে বসা থেকে উঠে
দাঁড়াতে দুই থেকে তিন সেকেন্ড সময় লাগবে
। এই কথাটি আমি এ জন্যই বললাম কারণ এখন
যদি আমি তোমার পাশ থেকে উঠে যাই
তাহলে আমি আর কখনোই চাবো না যে
এভাবে আমরা দুজন আবার একসাথে বসি । তাই
তোমার কাছে এই দুই থেকে তিন সেকেন্ড সময়
আছে আমাকে আটকানোর জন্য । কিন্তু তা
সম্ভব হয়ে উঠবে না, কারণ অন্ততপক্ষে আমার
হাতটা শক্ত করে ধরে আমাকে আটকানোর জন্য
এর থেকে বেশি সময়ের প্রয়োজন । (বাদামের
কাগজটি মুচরিয়ে একটি বলের মতো করে দূরে
ছুঁড়ে ফেলে দেয় ছেলেটি আর মেয়েটি
অনবরত কেঁদেই যাচ্ছে)
ছেলেটি শেষবার মেয়েটির দিকে হাঁসিমুখে
তাকিয়ে বলল....
ছেলে- তাহলে এবার উঠি ।
আমাদের কি বোর্ড আর মোবাইল এর কি প্যাড
গুলো খুব ভালো দুঃখ লুকাইতে পারে । এরা জড়
বস্তু তাই ওরা কিছুই বলতে পারে না । খুব সুন্দর
সুন্দর করে কি বোর্ড আর মোবাইল তা লুকিয়ে
রাখতে জানে ।
মধ্যরাতে বালক যখন জানতে পারে যে সে
যাকে পছন্দ করে তাকে সে পাবে না , সে
দুঃখটার ও সাক্ষী থাকে এই জড় বস্তুগুলো ।
ছেলেটা খুব যত্ন করে তার প্রিয় মানুষটাকে
লিখে ভালো থেকো প্রিয় মানুষটার সাথে ,
আমাদের মুহূর্তগুলো ভুলে যেও । তখন মিথ্যা
করে ছেলেটা একটা স্মাইল এর ইমো পাঠায়
মেয়েটাকে আর বলে দেখো আমি কিন্তু
ভালো আছি ।
তার গড়িয়ে পড়া চোখের জল গুলো গড়িয়ে
পরে মোবাইল এর কি প্যাড আর কি বোর্ড এ ।
সে বুঝতে পারে ছেলেটা একটু ও ভালো নেই
প্রিয় মানুষটাকে ছাড়া । সবচেয়ে প্রিয়
মানুষটা ছাড়া ভালো থাকা যায় না ।
কি বোর্ড গুলো যদি কথা বলতে পারতো
তাহলে সে মেয়েটার কাছে গিয়ে বলে
দিতো মানুষটা ভালো নেই একদমই নেই
প্রতিটি মানুষের রয়েছে ভালোবাসাকে
ঘিরে এক দুর্বলতা,,খুব শক্ত প্রকৃতির মানুষ গুলোও হয়ে যায় তার প্রিয় মানুষ আর তার সেই প্রিয় মুখের সামনে খুব অসহায়,,,,""
ভালোবাসা ব্যাপারটা সত্যিই খুব অদ্ভুত আর
অসম্ভব রকমের শক্তি আছে তার ভিতর,, ""
প্রতিটি মানুষের জীবনে ইচ্ছা আছে/থাকে
ভালোবাসার ছোঁয়া পাবার,,,,""
কেউ কেউ দেখা পায় তার সেই স্বপ্নের
ভালোবাসার, সেটা পেয়ে নিয়ে সুখে থাকে
প্রিয় মানুষটিকে ঘিরে তাকে নিয়ে সাজায়
একটা সুন্দর জীবন,,""
আবার অনেক মানুষ আছে যারা তাদের
ভালোবাসা আর ভালোবাসার মানুষকে পেয়ে
অনেক চেস্টা আর কস্ট করার পর ও তাকে
রাখতে পারেনি নিজের কাছে, হারিয়ে
পালিয়েছে তার প্রিয় মানুষটি,,,,""
আবার অনেক মানুষ আছে যারা দিনের পর
দিন,মাসের পর মাস,বছরের পর বছর অনেক
চেস্টা আর কস্ট করে ও দেখা পায় না তাদের
ভালোবাসার,, প্রিয় মানুষটার কাছে বার বার
অবহেলার শিকার হয়ে ও আবার তাকে পেতে
চেয়ে ও পায় না,,এই রকম মানুষের সংখ্যাটা
সব থেকে বেশি,,,,""
ভালোবাসা ব্যাপার সত্যিই খুব অদ্ভুত
ভালোবাসার ছোঁয়া মানুষকে যেমন বদলে
খারাপ কে ভালো করে দিতে পারে ঠিক
তেমনি একটা মানুষ তার ভালোবাসার পিছে
ছুটতে ছুটতে না পেয়ে হয়ে যায় পুড়ে ছাই,,,,""
ভালোবাসা এক অসাধারণ সৃস্টি,,
ভালোবাসায় সুখের থেকে কস্ট বেশি
থাকে,তার পর ও মানুষ ভালোবাসার পিছে
ছুটে খুঁজে পেয়ে নিতে চাই তাকে,,,,আর
ভালোবাসা না পাওয়ার সেই কস্ট যে কতোটা
ভয়ংকর তা শুধু তারা জানে যাদের মন কেউ
ভেঙেছে বা অনেক চেস্টার পর ও নিজের
করতে ভালোবাসার মানুষকে,,,,""
যারা অনেক চেস্টার পর ও পাননি তাদের
ভালোবাসার দেখা,তারা এই ভেবে ভালো
থাকুন যে আপনার না হলে আপনার
ভালোবাসার মানুষটা তো ভালো আছে,এটাই
বা আপনার জন্য কম কিসে,,সে ভালো আছে
আর এটাই তো আপনার চাওয়া,, নাই বা হোক
আপনার আপনার চোঁখের সামনে দূরে থাকলে
ও তো ভালো আছে,,,,""।
আজ তার কথা খুব মনে পড়ছে। এখন আর ওর প্রতি কোনো মোহ নেই আছে শুধু বুক ভরা গৃনা আর ভালবাসার অনেক ঊষ্ম স্তৃতি। বারান্দায় বসে একটার পর একটা সিগারেট খাচ্ছি আর তার কথা ভাবছি। ৩বছরের রিলেশান ছিলো আমাদের। এইতো সেইদিনের কথা ও আমাকে বলেছিলো আমাকে ছাড়া নাকি ওর জীবনটা একধম ছলবেনা। কিন্তু ওর দিব্বি চলে যাচ্ছে শুধু আমার পথ চলা থেমে যায় মাঝে মাঝে। ওহ আমাদের পরিচয় তো দেয়া হোলোনা। আমি মেহেদী অনার্স এর পাশাপাশি আবাহনি ডিসকভারি ক্রিকেট একাডেমিতে প্র্যাকটিস করছি। আর ও জারা খুলনার মেয়ে অনার্স করছে। হুম অন্য সবার মত আমাদের প্রেমটাও ফেসবুকে হয়। ৩টা বছর খুব ভালই চলছিলো। মাঝে মাঝে ওর সাথে দেখা করার জন্য আমি খুলনা যেতাম।
সারাদিন ঘুরতাম হাতে হাত রেখে দিগন্তের শেষে কাশফুলের বাগানে, মাঝে মাঝে রিকশায় ঘুরতাম।
হুম আজ আরেকবার ওর মায়া ভরা মুখটা দেখতে ঢাকা থেকে রাতের বাসে খুলনা রওনা দিলাম। সারারাত ওর স্বপ্নেই বিভোর ছিলাম।
সকাল ৮টায় পোঁছালাম ও আসতে আরো ২ঘন্টা তাই কিছুক্ষন ঘুরাফিরা করে নিলাম।
ওইতো ওকে দেখা যাচ্ছে পার্ক এর সরু পথ ধরে হেটে আসছে। মেয়েটাকে শাড়ীতে আজ অপরুপ লাগছে, খোলা চুল সাথে কপালে ছোট্ট একটা টিপ।
-কেমন আছো.?
-....(আমি নিশ্চুপ শুধু তাকিয়ে আছি)
- ঐ..! হাবার মত কি দেখো..?
- তোমাকে।
-আমাকে কি আজ নতুন দেখছো নাকি হাবারাম..?
- নাহ তবে নতুন করে দেখছি। শাড়িতে তোমাকে খুব সুন্দর লাগছে।
-হইছে আর ন্যাকামো করতে হবেনা। আসতে খুব কষ্ট হইচে না বাবু..?
- একধম না। তোমার কথা ভাবতে ভাবতে রাতটা কেটে গেছে।
- ওলে বাবালে আমার বাবুটা আজ কত্তো রোমান্টিক।
- তোমার হাতটা ধরি..?
- আমি কি তোমাকে নিষেধ করছি..?
অত:পর ওর কোমল হাতে হাত রেখে সারাটা পার্ক ঘুরলাম। ওকে নিয়ে রিকশায়ও ঘুরলাম।
সেদিনের মত বিদায় নিয়ে চলে আসলাম।
রাতে বাসায় এসে ওকে ফোন করলাম নাম্বার ওয়েটিং অনেকবার রিং হওয়ার পর রিসিভ করলো।
-হ্যালো
-কার সাথে কথা বলছিলা এতক্ষন..?
-অনিকের সাথে। কেনো..?
-অনিক কে..?
-আমার ফ্রেন্ড।
-ওহ। তা কেমন আছো..?
-ভালো, তুমি..?
- ভালো। আচ্ছা আমি তোমাকে পরে ফোন দিবো কেমন..?
- আচ্ছা ঠিক আছে।
টুট টুট
আমার বাই বলার অপেক্ষা না করেই ফোনটা রেখে দিলো।
বারান্দায় এসে সিগারেট ধরালাম। ও যেনো কেমন হয়ে যাচ্ছে দিন দিন। আগের মত আমাকে ফোন করেনা। ওর এখন নতুন ১টা ফ্রেন্ড হইছে। যখনি ওকে কল করি অনিকের সাথে কথা বলছে। জিজ্ঞেস ককরলে ববলে অনিক ওর শুধুই বন্ধু তাই আমিও কিছু বলিনা। এসব ভাবতে ভাবতে ওকে আবার কল দিলাম।
হুম ও এখনো ওয়েটিং ৫বারের সময় ফোন রিসিভ করলো।
- কি হইছে দেখছো ওয়েটিং আছি তারপরেও কল কেন দিচ্ছো..?
- মানে..? আমি তোমাকে ফোন দিতে পারবোনা..?
- হুম পারবা কিন্তু এভাবে না।
-ওহ সরি।
-হুম।
-কার সাথে কথা বলছিলা..?
-অনিকের সাথে।
-আচ্ছা আমার থেকে কি ও তোমার কাছে বেশী ইম্পরট্যান্ট..?
-মানে..? ও আমার শুধুই ফ্রেন্ড এটা নিয়ে তুমি এসব কি বলছো..?
-ও ফ্রেন্ড হলে এতক্ষন কিসের কথা বলো..? আর আমাকে ওয়েটিং এ রেখে ওর সাথে কিসের কথা বলো..?
-আজব..! তোমার এতো নিচু মন মানসিকতা আমি আগে জানতাম না।
-জানলে কি করতা..?
-ধুর তোমার সাথে আর কথাই বলতে ইচ্ছে করছেনা ফালতু যত্তসব।
-ও এখনতো আমি ফালতু আমার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করবে কেনো। তোমারতো এখন অনিক আছে।
- ঐ চুপ আর ১টা বাজে কথাও বলবানা।
টুট টুট টুট
মেয়েটা ফোন অফ করে রেখেছে।
আজ ৩দিন ওর ফোন অফ কিছুই ভালোলাগছেনা। বারান্দায় বসে আছি আর সিগারেট টানছি হঠাৎ তার ফোন।
-হ্যালো, কেমন আছো.? ফোন অফ কেনো রাখছিলা.? বাবু আই এম সরি আর কক্ষনো এমন হবেনা এই কান ধরছি।
- তোমার সাথে আমার খুব ইম্পরট্যান্ট কথা আছে।
-বলো বাবু।
-আমি আর এই রিলেশান রাখতে পারবোনা।
-মানে..? ধুর মজা কোরোনা এমনিতেই ভালো লাগছেনা।
- মজা না আমি আর সত্যিই এই রিলেশান রাখতে পারবোনা।
- কিন্তু কেনো..? আমি সেদিন এসব বলেছি তাই.? আমিতো বললাম সরি আর এসব বলবোনা।
- নাহ আমার ফ্যামিলি আমাদের ব্যাপারে জেনে গেছে। সো এই রিলেশান রাখা আমার পক্ষে আর সম্ভব না। নেক্সট টাইম আমার সাথে আর যোগাযোগ করার চেষ্টা করবানা বাই।
টুট টুট টুট
ওর শেষ কথাগুলো এখনো আমার কানে বাজে। তবুও বেহায়ার মত ওকে খুঝে বেড়াই ওকে কল করি কিন্তু ও কোনো উত্তর দেয়না।
এভাবেই আমার জীবন চলতে চলতে থেমে যায় কারণ কিছু একটা আমার জীবনে নেই হয়তো হারিয়ে ফেলেছি।
আজ অনেকদিন পর ও কল করেছে হুম আমি জানতাম ও একদিন ফিরে আসবে।
-কেমন আছো..?
-ভালো, তুমি..?
-এইতো চলছে.. তা হঠাৎ এতদিন পর..?
-আমার তোমাকে একটা কথা বলার আছে.. প্লিজ আমাকে হেল্প করো..
-মানে কি হইছে..? খুলে বলো..
-অনিক আমার সাথে ব্রেক আপ করেছে..
-মানে..? আমিতো কিছুই বুঝতেছিনা.. খুলে বলো।
-তোমার সাথে আমি ব্রেক আপ করার পর অনিকের সাথে আমার রিলেশান হয় কিন্তু ও এখন আমাকে ছাড়তে চায়।
-কিন্তু তুমিতো বলেছিলে ও তোমার ফ্রেন্ড..
-মিথ্যা বলেছিলাম আমি তখন ওকে ভালবাসতাম..
-ওহ, তা কেনো ছাড়তে চায়..?
-ও বলছে আমার আগে তোমার সাথে রিলেশান ছিলো আর নাকি শারীরিক অনেক কিছুই হইছে তাই..
-কিন্তু আমাদের মাঝেতো শারীরিক কিছুই হয়নি..
-সেটা তুমি আর আমি জানি কিন্তু অনিক বিশ্বাস করছেনা..
-ওহ, তা এখন আমি কি করবো..?
-প্লিজ তুমি অকে ১টু সব বুঝিয়ে বলো..
-আচ্ছা ঠিক আছে।
লাইনটা কেটেই অনিকের সাথে অনেক কথা বলে অনেক রিকুয়েস্ট করে প্রায় হাতে পায়ে ধরে ওকে বুঝিয়ে সব বললাম। ছেলেটা রাজি হলো।
হুম আজ আমি সত্যিই স্বার্থক কারণ আমার ভালোবাসার মানুষের কাছে তার ভালোবাসার মানুষ কে ফিরিয়ে দিতে পেরেছি। চোখের কোনে কিছু জ্বল জমেছে হয়তো আনন্দ অশ্রু অথবা বেদনার মাঝে কিছু পেয়ে হারাবার বেদনাময় অশ্রুসিক্ত চোখ আমার।
জানো আজো তোমাকে ভুলার চেষ্টা করি কিন্তু প্রতিবারই মনে পড়ে তোমাকে।
জানি তুমি ভালো আছো অনেক ভালো চাই সারাটা জীবন এমন ভালো থাকো।
হুম এখনো তোমাকে মনে পড়লে আগের মত ১টার পর ১টা সিগারেট ধরাই, তোমার ছবি দেখে বারান্দার কোনে একাকি বসে কাঁদি আর মোবাইলের সব কষ্টের গান শুনে তোমার সাথে কাটানো স্রৃতি গুলো মনে করে কাঁদি।
জানি তুমি ভালো আছো কিন্তু আমি হয়তো নেই কেননা আমার তুমি নেই।
তুমিহিনা আমি অসহায়, অপরিপূর্ণ, অব্যক্ত।।।
লিখা - ifat ahmed
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Daulatpur
Khulna
9202