Arif Raihan

Arif Raihan

Share

মালেশিয়ার খুটিনাটি বিষয় গুলো তুলে ধরবো ইনশাআল্লাহ

পেইজটি ফলো করে আপনারা সবাই পাসে থাকবেন,
আমার জন্য দু'আ করবেন 🇧🇩🇲🇾

15/01/2025
20/09/2024

বদলে যাওয়ার মত আনন্দ বদলা নিয়েও
পাওয়া যায় না..!💚

13/07/2024

একটু তেলাওয়াত করলাম,
বৃষ্টি মাথায়

12/07/2024

অধীকার আদায়ে রাজপথে ছাত্রদের সেলুট জানাচ্ছি।

22/05/2024

মালেশিয়া

22/05/2024

মুসলিম মেয়েরা এত সরল সোজা হলো কিভাবে?
অল্প কথাতেই হি'ন্দু ছেলেদের সাথে প্রেমে ও শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে।.আফসোস তোমাদের..

21/05/2024

বৃষ্টি ভেজা মালেশিয়া

#ফলো_করুন #পেইজ_টি

21/05/2024

আসসালামু আলাইকুম
সবাই কেমন আছেন. আলহামদুলিল্লাহ আমি ভালো আছি,

আমি এইচ এম আরিফ রায়হান ( মালেশিয়া প্রবাসী🇲🇾)
এই পেইজে নিয়মিত ভিডিও আপলোড দিবো, সবাই পাসে থাকবেন ইনশাআল্লাহ

10/05/2024

"প্রজন্মের 'মা' ধ্বংসের মাষ্টার প্লান"

ভার্সিটি পড়ুয়া মেয়েদের একটা অংশ দেহ ব্যবসা করছে। আরেকটা বড় অংশ প্রেমীকের সাথে রুমডেট, মেস, আবাসিক হোটেল, ডার্ক রেস্টুরেন্ট, হাইড আউট, পার্কে যাচ্ছে। আমার নিজের শহরে এরা সংক্রামক ব্যাধির মত ছড়িয়ে পড়েছে।

আমার এক বন্ধু পড়ালেখার পাশাপাশি আবাসিক এক হোটেলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছে। ওর ডিউটি রাতে। বিশাল বড় হোটেলের কোনো রাতেই খুব একটা রুম ফাঁকা থাকেনা। ও বলছে, বন্ধু বেশিরভাগই ভার্সিটির স্টুডেন্ট। পার নাইট ১৫০০-৫০০০/- পর্যন্ত খরচ করে থাকছে এক রাতের স্বামী-স্ত্রীর মত। বলছে, বেশির ভাগই তো মুখে হিজাব পড়ে আসে,তারপরও যখন আমি ক্যামপাসে যাই তখন অনেকে আমাকে দেখে মুখ ঢেকে চলে যায়। একটা হোটেলের তথ্য, অথচ অসংখ্য হোটেল শহরে!

আরেকটা অংশ ভার্সিটির খরচসহ লাক্সারিয়াস লাইফ পার করতে এটাকে ব্যবসা হিসেবে নিয়েছে। একটা চক্র দালালের ভূমিকায় কন্টাক্ট করে দেয়। এরকম একজনকে চিনি, আমার কলেজের সিনিয়র যিনি মেসের ছেলেদেরকে চড়া সুদে টাকা ধার দেওয়ার পাশাপাশি কমিশন সিস্টেমে এই দু'নাম্বারি বিজনেস করেন। প্রশাসনের সাথেও এদের কানেকশন শক্তিশালী। যেকারণে হুট করে এদের বিরুদ্ধে দাড়িয়ে টিকে থাকা কঠিন!

জি আমার প্রিয় অভিভাবকেরা এই হচ্ছে আমার বোন। অর্থাৎ, আপনাদের মেয়েদের অবস্থা! পুরো রমরমা ক্যারিয়ার বানাতে যে পাঠিয়েছেন তার যথাযথ অর্জন করেই আপনার ঘরে ফিরবে।

অনার্সের বয়সটা এমন যে, কনজারভেটিভ পরিবার থেকে উঠে আসা মেয়েটা ছেলেদের সাথে দীর্ঘ সময় উঠাবসা করে। আর এই বয়সের ছেলেদের তেমন ভয় থাকেনা। তাই এরা নিঃসংকোচে গোপন কথাবার্তা মেয়ে বন্ধুকে ট্রিট করে বলে। এসব শুনতে শুনতে এক সময় মেয়েদের লজ্জা কমে যায়। আর জৈবিক চাহিদা যেহেতু নারী-পুরুষের সব চেয়ে তীব্র ও বড় মাপের চাহিদা তাই ভয়হীন ছেলে আর লজ্জাহীন নারীর জন্য এটা সহজ হয়ে যায়। তাই অবাধে চলছে আপনার মেয়ের যৌন প্রেম অথবা রমরমা যৌন ব্যবসা।

এখানে বড় পরিতাপের বিষয় হচ্ছে, এই মেয়েগুলো তো সারাজীবন আর এভাবে চলতে পারেনা। ভার্সিটি শেষে একটা পর্যায়ে এদেরই কেউ না কেউ আপনার আমার ঘরে স্ত্রী হিসেবে আসছে। এবং লজ্জাহীন এই নারী তখন স্বামীকে মমতা, প্রেম, তীব্র আবেগানুভূতি দিতে পারেনা। পারেনা সন্তানকে নৈতিকতার শিক্ষা দিতে। এভাবেই প্রজন্মের মায়েরা ধ্বংস হচ্ছে।

এখন অভিভাবক হিসেবে কি আপনি চান ভার্সিটি ক্যারিয়ারের নামে আপনার কলিজার টুকরো মেয়েটা এভাবে নিজের ইজ্জত বিলিয়ে দিক? অনেকে বলছে বিকল্প অপশন কি?
বিকল্প অনেক আছে, কিন্তু আপনার পুঁজিবাদী মস্তিষ্ক বিকল্প দেখতে পায়না, দেখিয়ে দিলেও মানতে পারেনা। কারণ আপনার চাহিদা বস্ত্রহীন, লজ্জাহীন, ইজ্জতহীন রং মাখানো ক্যারিয়ার।

"প্রজন্মের 'মা' ধ্বংসের মাষ্টারপ্লান"
পর্বঃ ১ (চলবে...)

~একরামুল হক আবির
ঈষৎ পরিমার্জিত।

13/03/2024

যেভাবে কাটাবেন রামাদান

ক্ষমা ও মুক্তির বারতা নিয়ে হাজির হচ্ছে রামাদান। এই মাসের আগমনে প্রতিটি মুমিন হৃদয় আনন্দিত। ক্ষমা ও মুক্তি লাভের আশায় পাপ ছেড়ে পূণ্যের পথে অগ্রসর হওয়ার জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। ইবাদত বন্দেগীর মাধ্যমে দৃঢ় হবে রবের সাথে বান্দার সম্পর্ক। পাপ ছেড়ে পুণ্যের পথে আসায় ছিন্ন হবে শয়তানের বাঁধন। এমন বরকতময় মাসকে কিভাবে কাজে লাগাবো, কিভাবে অতীতের পাপের জীবন ছেড়ে রবের নৈকট্যশীল বান্দা হবো। এমন ভাবনা অনেক মুমিনের হৃদয়েই ঘুরপাক খাচ্ছে। আজ এই বিষয়ে কিছু কথা আরজ করার ইচ্ছা করেছি।

*এক. প্রথমেই কল্পনা করুণ, এটিই আমার জীবনের শেষ রামাদান। হতে পারে এরপর দ্বিতীয় আরেকটি রামাদান আমার জীবনে আসবেনা। তাই যথাসম্ভব নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে রামাদানে ঈবাদত বন্দেগী করার সংকল্প করুন।

*দুই. কুরআনের মাস রামাদান, এই মাসেই নাযিল হয়েছে পবিত্র কুরআন। এই মাসের সাথে কুরআনুল কারীমের রয়েছে গভীর সম্পর্ক। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রামাদানের প্রতিরাতে জিবরীল আলাইহিস সালামের সাথে কুরআনের দাওর করতেন (একে অপরকে শোনাতেন)। (বুখারী ৩২২০)
সুফিয়ান সাওরী রহিমাহুল্লাহ বলেন, সকল মুসলিমের উচিত প্রিয় রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অনুসরণে নিজ থেকে জ্ঞানী কাউকে অন্তত একবার কুরআন শোনানো। সালাফগন এই মাসে অন্যন্য কাজ থেকে ফারেগ হয়ে অধিক পরিমাণে তিলাওয়াত-তাদাব্বুরে মনোযোগী হতেন। তাই আমাদেরও উচিত এই মাসে অধিক পরিমাণে তিলাওয়াত ও তাদাব্বুরে মনোযোগী হওয়া। আর যারা ভালোভাবে কুরআন পড়তে জানিনা তাদের জন্য এই মাস কুরআন শেখার সুবর্ণ সুযোগ। সময় নষ্ট না করে কাজে লাগানোর চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ ।

*তিন. তাহাজ্জুদ এবং কিয়ামুল লাইল আদায়ের সুবর্ণ সুযোগ রামাদান। কারণ সেহরি খাওয়ার জন্য আমাদেরকে তাহাজ্জুদের সময় জাগতে হয়। আমরা যদি একটু খেয়াল করে এই সময় দুই চার রাত নামায আদায় করে আল্লাহর দরবারে রোনাজারি করে দোয়া করি, তাহলে এটি হবে আখেরাতের সঞ্চয় ও রবের প্রিয় হওয়ার মাধ্যম।

*চার. দান সাদাকা সারা বছরই করা উচিত, এর মাধ্যমে বিপদাপদ দূর হয় এবং রবের সন্তুষ্টি লাভ হয়। তবে রামাদানে বিশেষভাবে দান সাদাকায় মনোযোগী হওয়া উচিত। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রামাদানে অনেক বেশি দান সাদাকা করতেন। এক বর্ণনায় এসেছে। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মানুষের মধ্যে সর্বাধিক দানশীল ছিলেন। আর রামাদান মাসে যখন জিবরীল আলাইহিস সালাম তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন তখন তিনি আরো বেশি দানশীল হয়ে যেতেন। রামাদানে তিনি মানুষের কল্যাণে প্রেরিত বায়ুর চেয়েও বেশি দানশীল হয়ে যেতেন। (বুখারী ৩২২০)

*পাঁচ. বেশি বেশি জিকির আজকার ও দোয়া ইস্তিগফারে মনোযোগী হওয়া। হাঁটা চলা ও অবসর সময়ে অনর্থক বসে না থেকে জিকির আযকার ও ইস্তিগফার পাঠ করুন। সময় সুযোগ করে বিশেষত দোয়া কবুলের মূহুর্তগুলোতে বেশি বেশি দোয়া মোনাজাত করুন। ইফতারের আগ মুহুর্তে ইফতারের ব্যাবস্থাপনাগত কাজ কর্ম দ্রুত সেরে নিয়ে দোয়ায় বসুন।

*ছয়. সারাদিন রোজা রেখে সন্ধ্যায় ইফতার করা ও করানো দুটোই অনেক বড় সাওয়াবের কাজ। একজন ব্যাক্তি অপর রোজাদারকে ইফতার করিয়ে তার সমান সাওয়াব হাসিল করতে পারেন। এমন একটি মহৎ কাজে প্রত্যেক মুমিনের যথাসাধ্য শরীক থাকা উচিত। বিভিন্ন হাদিসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে এই আমলে উদ্বুদ্ধ করেছেন। এক হাদীসে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, যে ব্যাক্তি কোন রোজাদারকে ইফতার করায় সে ঐ রোজাদারের সমপরিমাণ সাওয়াব পায়। কিন্তু এর ফলে ঐ রোজাদারের সওয়াব থেকে বিন্দু পরিমাণ কমানো হয়না। (সুনানে তিরমিজি-৮০৭)।

এগুলো ছাড়াও আরো অনেক নেক আমল আছে যা আমরা করতে পারি। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে ইখলাসের সাথে বেশি বেশি আমলের মাধ্যমে রামাদান মাস অতিবাহিত করার তাওফিক দান করুন। আমীন ইয়া রব্বাল আলামীন

তামিম আল আদনানী হাফিঃ

26/02/2024

গাজ ওয়ায়ে হিন্দ কড়া নাড়ছে তৈরী হও,
ইনশাআল্লাহ তোমরাই হবে ইমাম মাহদীর কাফেলা।

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Khulna?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Khulna