Freelancer MI Ragib

Freelancer MI Ragib

Share

I am a Digital Marketing expert

14/08/2024

"এমন জীবন তুমি করিও গঠন
মরণে হাসিবে তুমি কাদিবে ভুবন"।
হে আল্লাহ কুরআনের পাখিকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন ।আমিন

08/08/2024

এখনই এই হাল!

01/04/2024

রমাদানের শেষ দশকে রাসূল সা. পূর্ণ রাত্রি জাগতেন, পরিবারকে জাগিয়ে দিতেন আর মাজা বেঁধে ইবাদাতে ঝাঁপিয়ে পড়তেন।
আসুন আমরা এবার লাইলাতুল ক্বদরের নিয়্যাতে ইবাদাত বন্দেগী বাড়িয়ে দেই। একে অপরের জন্য দুয়া করি। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে লাইলাতুল ক্বদর নসীব করুন।

29/03/2024

ইউনুস আলাইহিস সালাম পড়েছিলেন এক কল্পনাতীত কঠিন সংকটে। গভীর সাগরে এক মাছ, সে মাছের পেটের ভেতর নবী ইউনুস আলাইহিস সালাম! কয়েক স্তরের এ অন্ধকার থেকে যে দুয়ার বরকতে তিনি বেরিয়ে আসেন, তা ছিল ইস্তিগফার বা ক্ষমাপ্রার্থনা।
অশান্ত হৃদয় যখন আর্ত, তৃষ্ণার্ত হয়, ইস্তিগফার তখন সেখানে এক পশলা

বৃষ্টি হয়ে নামে। যার মাধ্যমে অন্তরে ছেয়ে যায় প্রশান্তি, হৃদয়ে দোলা দিয়ে যায় পবিত্রতার ঢেউ। মনের উদ্যান স্বপ্ন বুনে যায় মাগফিরাতের। ইস্তিগফার হচ্ছে মাগফিরাতকে চাওয়ার এক পবিত্র প্রক্রিয়া। আলোহীন অন্ধকারে গোনাহের সাগরে ডুবে থাকতে থাকতে হৃদয়ে যে মরিচা পড়ে যায়, সেই মরিচা হতে মুক্তিসনদের নামই হচ্ছে মাগফিরাত। একজন মুমিনের গোটা জীবনের পরম চাওয়াটাই হল এই মাগফিরাত।
সময়ের সাথে সাথে মানুষ গাফিল হয়ে যায়। ফলে পাপ করতে করতে ক্ষমা চাওয়ার কথাও স্মরণে থাকে না। শয়তান যেন মানুষকে এক প্রকার ঘোরে আচ্ছন্ন করে রাখে যাতে পাপ করতে করতে আমরা রবের ক্ষমার কথা ভুলে যাই।

28/03/2024

১৭ রমাদান, ঐতিহাসিক বদর দিবস।
ইতিহাসে যতগুলো যুদ্ধ মুসলমানদের সাথে বিভিন্ন সম্প্রদায় বা জাতিগোষ্ঠীর কিংবা বিধর্মীদের সাথে সংঘটিত হয়েছে, তার মধ্যে বদরের যুদ্ধ ছিল মুসলমানদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, বদরের যুদ্ধের তাৎপর্য ঐতিহাসিক। এ যুদ্ধটি ছিল ইতিহাস নির্ধারণকারী একটি লড়াই। বদরের যুদ্ধে যদি মুসলমানেরা পরাজিত হতেন, তাহলে দ্বীন ইসলামে মহান আল্লাহকে ডাকার মতো কোনো লোক এই পৃথিবীতে থাকত কি না তা কেবল সেই মহান সৃষ্টিকর্তা ছাড়া আর কারো জানা ছিল না। শত্রুদের দৃষ্টিতে বদরের যুদ্ধ ছিল, সবে চারা গজাচ্ছে- সেই ইসলাম ধর্ম নামক অঙ্কুরকে আল্লাহর জমিন থেকে পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করে দেয়ার যুদ্ধ। বদরের যুদ্ধের অপর একটি তাৎপর্য হলো, দ্বীন ইসলাম প্রচার করতে গিয়ে আমাদের প্রিয়নবী হজরত মুহাম্মদ সা:কে একজন সেনাপতির দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে। বদরের যুদ্ধের তৃতীয় তাৎপর্য হলো, মহান আল্লাহ তায়ালা অনেকটাই অদৃশ্যমানভাবে তাঁর প্রিয় বান্দাদের বিপদে কিভাবে সাহায্য করেন, তার জ্বলন্ত প্রমাণ এই যুদ্ধে বিদ্যমান।

26/03/2024

দুনিয়া মুমিনের জন্য জেলখানা ও কাফিরের জন্য জান্নাত।
------------------------------

قال رسول الله صلي الله عليه وسلم الدنيا سجن للمؤمن وجنة للكافر رواه البخاري
অর্থ রাসূলুল্লাহ [সাঃ] বলেছেন,
দুনিয়া মুমিনের জন্য কয়েদখানা এবং
কাফিরের জন্য বেহেস্ত।{ সহীহ বুখারী}

ভাবার্থ :- পৃথিবীতে মানব জাতিকে আল্লাহ সৃষ্টির সেরা করে সৃষ্টি করে তাঁর খিলাফাতের (তাঁর প্রতিনিধিত্বের) দায়িত্ব দিয়েছেন।
মুমিন ব্যক্তি প্রতিনিধিত্বের দায়িত্ব পালন করার জন্য আল্লাহ প্রদত্ব ও রাসূলুল্লাহ (সাঃ) প্রদর্শিত পরিপূর্ন দ্বীন বা ইসলামী জীবন-বিধান মনেপ্রানে বিশ্বাস করে মেনে নিয়েছে।
মুমিনদের সেই দ্বীন মোতাবেক জীবন-যাপন করতে কয়েদীদের মত সীমাবদ্ধ গন্ডির ভিতর জীবন-যাপন করতে হয়।
"দুনিয়াটা মস্তবড়, খাওদাও আর ফুর্তি কর,আগামীকাল বাঁচবে কিনা বলতে পার"
এই মানষিকতা নিয়ে মুমিনগন জীবন অতিবাহিত করতে পারেনা।
যে মুমিনগন ইসলাম বিরুধী সকল জাহিলিয়াত,মানব রচিত মতবাদ,অইসলামী নিয়ম-নীতি এবং কার্যকলাপ ঘৃনাভরে বর্জন করে পূর্ন ইসলামী বিধি-বিধান ও নিয়ম-নীতি অনুসরন করে,এই হাদীসে তাদেরকেই মুমিন আখ্যায়িত করা হয়েছে।এই চরিত্রের মুমিনদের জন্য দুনিয়া কয়েদখানা।
পক্ষান্তরে যারা মুমিন হওয়ার দাবীদার অথচ ইসলামের গন্ডির ভিতর জীবন-যাপন করেন না।তাদের জন্য দুনিয়া কয়েদখানা বলে গন্য নয়।
আর যারা পরিপূর্ন দ্বীন-ইসলামী জীবন-বিধানকে নিজেদের জীবনে মেনে চলার জন্য বিশ্বাস করেনি বা মেনে নয়নি,তাদের জন্য দুনিয়া জান্নাতের মত।
দুনিয়া তাদের জন্য বেহেস্ত।তারা আল্লাহ প্রদত্ব দ্বীনের প্রতি ভ্রুক্ষেপ করেনা।
আইন রচনার ক্ষেত্রে আল্লাহর আইন বিরুধী আইন রচনা করে।
আল্লাহর দ্বীনের নিয়ম-নীতি বিরুধী আইনের ভিত্তিতে দল করে, সেই আইন অনুসরন করে।
মানব রচিত ইসলাম বিরুধী আইন পরিবর্তন করে ইসলামীকরন করার চিন্তা-ভাবনাও করেনা।
হারাম ও হালালের প্রতি ভ্রুক্ষেপ করেনা।
ফারয ও ওয়াজিবের কোন গুরুত্ব দেয়না।
সুন্নাহের প্রতি ভ্রুক্ষেপ করেনা।
তাদের জন্য দুনিয়া অবাধ বিচরন ক্ষেত্র মনে করে দুনিয়ায় স্বাধীন -স্বেচ্ছাচারী এবং স্বৈরাচারী জীবন অতিবাহিত করে।
মুসলিম ঘরে জন্ম নেয়ায় ভূমিষ্ট হওয়ার পর আযান আর মৃত্যুর পর জানাযা ও কাফন-দাফন করা হয় ঠিকই।কিন্তু
যারা বাস্তব জীবনে আল্লাহর পূর্ন শারীয়া মেনে নিয়ে অনুসারী হয়না ,তাদের মধ্যে ও কাফিরের মধ্যে বাস্তব জীবনে পার্থক্য অনুভূত হয়কি?
-মুহাদ্দিস রবিউল বাশার

12/03/2024
09/03/2024

স্বপ্নের পদ্মা পাড়ি দিলাম

25/02/2024

ইয়া আল্লাহ্,
সকল দুঃখ দুশ্চিন্তা থেকে আমাকে মুক্ত করে দাও,
আর সকল সংকট থেকে বের হবার পথ খুলে দাও!

23/02/2024

আসসালামু আলাইকুম। একটি দৈনিক খবরের কাগজের লোগো ডিজাইন করলাম।

Want your business to be the top-listed Media Company in Khulna?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


Khan Jahan Ali Road
Khulna
9100