Disha Mollika Ritu
কোনো কিছু না পাওয়ার পিছনে, আপনিই বেশি দায়ি...
কারণ আপনার চাওয়ায় হয়তো ত্রুটি ছিল...
''আপনার জীবনে কি হচ্ছে না হচ্ছে কেউ বুঝুক না বুঝুক Instagram বোঝে!!!
মানে আপনার মুড ভালো নাকি খারাপ, রিলেসন আছে নাকি কমপ্লিকেটেড, ফ্যামিলির সাথে ক্যাঁচাল থেকে শুরু করে ফ্রেন্ডের ধোঁকা, সব জানে এই অ্যাপ।
নাহলে একদম সঠিক সময় সঠিক reel কিভাবে সামনে আসে.......।
কুমার নদ। গোধূলীর এপারে পল্লী কবি জসিম উদ্দিনের স্মৃতি বিজড়িত ঐতিহাসিক বাড়ি। যেখানেই তাকাচ্ছিলাম মনে হচ্ছিল ছন্দে ছন্দে; গভীর শব্দগুলো শীতের পাতার মত এদিক ওদিক ঝরে পড়ছিল। এ অনুভূতি বলে বোঝানো কঠিন। এরপর লাভ রোড। রাজেন্দ্র কলেজ। লালের মোড়। তার আগে আন্টি-আঙ্কেলের সুনিপুন যত্নে দিব্য’র ফরিদপুরের বাসায় খাওয়া দাওয়ার এলাহি আয়োজন; তেতুল তলা আর বাগাটের মিষ্টি; আর কনসার্টে ডাক্তারদের উল্লাস। দেশ কিংবা বিদেশে; কনসার্ট মানেই চিরকুট-এর কাছে আশপাশ চষে যতটুকু দুই চোখে আর বুকের ব্যাংকে জমিয়ে নিয়ে বাড়ি ফেরা যায়। ব্যান্ডের যারা ক্লান্ত হয়ে হোটেলে থেকে যায়; তাঁরা পরবর্তী গল্পে গল্পে অভিজ্ঞতার অংশ হয়।
গত ১ তারিখে ফরিদপুরের মানুষেরা মন প্রাণ উজাড় করে চিরকুটকে ভালোবাসলো। আমরাও হৃদয় নিংড়ে লোভীর মত তার সবটুকু বুকে তুলে নিয়ে ঢাকায় ফিরলাম। এটা আরও বেশি স্পেশাল হইসে দিব্য’র জন্য; কারন জন্ম, বেড়ে ওঠার ফরিদপুরে সে ব্যান্ডকে নিয়ে পারফর্ম করতে গেসে। পরিবার, ভাই-বন্ধুরা সবাই প্রাউড। এই ইমোশনগুলো দেখতেও যে কি ভাল লাগে! আর Dibbo Nasser আমাদের জন্য জানটা দিতে মনে হয় বাকি রাখসিলি। এইখানে আমি এইটা করতাম…এই বাড়িতে এইটা…ওই রাস্তায় ওইটা হইসিল…এই হসপিটালে আমি জন্মাইসি….কত গল্প…যেন ওর শৈশব দেখতে পাচ্ছিলাম। আমি নিজেও খুলনায় গেলে এইটা করি। আমরা যারা নির্মল জল-হাওয়া মফস্বলের; তাঁদের গল্প তো শেষ হওয়ারও না। লাভ ইউ দ্রব্য থুক্কু দিব্য ফর এভ্রিথিং 🤓❤️❤️
23/11/2023
মায়ের হাতের সেয়াই পিঠা 😋
বাগেরহাট খুলনার ঐতিহ্য খাবার 😍
23/11/2023
23/11/2023
নানাকে আটকে যেভাবে তাঁর নাতনিকে বিয়ে করেছিলেন জসীম উদ্দীন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শফিউল্লাহ সাহেবের সঙ্গে এক দাওয়াতে গেলেন কবি জসীমউদ্দীন। সেখানে প্রথম দেখাতেই প্রেমে পড়লেন নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক কিশোরীর।
কবির বয়স যেন হুট করেই কুড়ি বছর কমে গেল। হৃদয়ে আনচান শুরু হলো। এ পর্যায়ে নানাভাবে মমতাজ বেগম নামের ওই কিশোরীর দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করলেন তিনি। মমতাজের পিত্রালয় ফরিদপুর, কিন্তু তখন তিনি ঢাকায়, নানাবাড়ি থেকে পড়াশোনা করেন।
মমতাজের প্রেমে জসীমউদ্দীন যখন দেওয়ানা, তখন কিশোরী মেয়েটি কি তা বোঝে? অগত্যা মমতাজের নানা মৌলভি ইদ্রিস মিয়াকে নানাভাবে বশে আনার চেষ্টা চালালেন কবি। বিভিন্ন অজুহাতে ওই বাড়িতে যাতায়াত শুরু করলেন। মৌলভি সাহেব কাব্যপ্রেমী মানুষ ছিলেন। তাই তাঁর বাড়িতে কবির আনাগোনাকে স্বাভাবিকভাবেই নিলেন। এভাবে এক দিন, দুই দিন করে মমতাজের ঘর অবধি পৌঁছে গেলেন জসীমউদ্দীন এবং তাঁকে অবাক করে দিয়ে টেবিল থেকে খাতা নিয়ে লিখলেন:
‘আমারে করিও ক্ষমা
সুন্দরী অনুপমা
তোমার শান্ত নিভৃত আলয়ে
হয়তো তোমার খেলার বাসরে
অপরাধ রবে জমা
আমারে করিও ক্ষমা।’
মমতাজ এবার কবির আকুতি বুঝতে পারলেন। নিজের অজান্তেই তাঁর প্রেমে ডুবে গেলেন। এ প্রসঙ্গে নিজের স্মৃতিকথায় বেগম মমতাজ লিখেছেন, ‘ভদ্রলোক তো আমারে দেখার পর নানা দিক থেইকা আমার নানাভাইকে হাত করার জন্য লাইগা গেল। অনেককে দিয়া সুপারিশ করতে লাগল। ওই যে আমারে দেখল, আমার রূপ তার মনে ধইরা নিল। কবি তো!’
কিছুদিন যেতে না যেতেই নানা মৌলভি ইদ্রিসের কাছে বিয়ের প্রস্তাব পাঠালেন জসীমউদ্দীন। এরপর মৌলভি সাহেব যখন বুঝলেন এ বিয়েতে তাঁর নাতনিও রাজি, সে সময় তাঁর রাজি না হওয়ার তো কোনো কারণই নেই, মিয়া-বিবি রাজি তো কিয়া করেগা কাজি।
কিন্তু বাদ সাধলেন মমতাজের বাবা মোহসেনউদ্দিন। তিনি কিছুতেই এই ভবঘুরে কবির কাছে মেয়েকে বিয়ে দেবেন না। একে তো তাঁর বয়স বেশি, তার ওপর চেহারাও কৃষ্ণবর্ণ। এ অবস্থায় দীর্ঘ এক চিঠি লিখলেন তিনি মৌলভি ইদ্রিসের কাছে, ‘আপনি কি পাগল হইয়া গেলেন! এই লোকটা (জসীমউদ্দীন) পাগল। চরে ঘুরে বেড়ায়। গান গেয়ে বেড়ায়। ভাবের গান, আধ্যাত্মিক গান, মুর্শিদি গান। গানের মজলিশে সারা রাত কান্নাকাটি করে মাটিতে গড়াগড়ি খায়। এই রকম ছেলের সাথে বিয়া দেবেন? তার চাইতে নাতিনকে পদ্মায় ফালাইয়া দেন।’
চিঠি পাওয়ার পর উভয়সংকটে পড়লেন ইদ্রিস সাহেব। তাঁর নিজেরও কবিকে খুব পছন্দ হয়েছিল।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Khulna