MSAS
Be patient and keep working
14/04/2026
সূরা ইউসুফের এই আয়াতটি আমাদের ঈমানকে যাচাই করার আহ্বান জানায়। আমরা যেন শুধু নামকাওয়াস্তে মুমিন না হই, বরং আমাদের বিশ্বাস ও কাজে যেন শিরকের সামান্যতম ছোঁয়াও না থাকে। কিন্তু আপসোস আজকে আমরা কথিত বাঙালি সংস্কৃতি পালনের নামে প্রকৃতি পূজায় লিপ্ত হয়ে পড়ছি নিজের অজান্তে
وَمَا يُؤْمِنُ أَكْثَرُهُم بِاللَّهِ إِلَّا وَهُم مُّشْرِكُونَ
ওয়ামা ইউ'মিনু আকসারুহুম বিল্লাহি ইল্লা ওয়াহুম মুশরিকুন।
"তাদের অধিকাংশ আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে, কিন্তু (একই সাথে) তারা শিরককারী।" (সূরা ইউসুফ, আয়াত: ১০৬)
বিশ্বাসের সাথে শিরকের মিশ্রণ: এই আয়াতের মূল কথা হলো, অনেক মানুষ আল্লাহকে সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা বা রিযিকদাতা হিসেবে মনে-প্রাণে বিশ্বাস করে ঠিকই, কিন্তু তাদের ইবাদত বা কর্মে শিরক (আল্লাহর সাথে অন্য কাউকে শরিক করা) মিশিয়ে ফেলে।
19/09/2025
মৃত ব্যক্তিকে দাফনের পর কি দোয়া করবেন
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মাগফির লাহু, আল্লাহুম্মা সাব্বিতহু
অর্থ : হে আল্লাহ, আপনি তাকে ক্ষমা করুন, হে আল্লাহ আপনি তাকে (প্রশ্নোত্তরের সময়) সুদৃঢ় রাখুন।
উপকারিতা : মহানবী (সা.) মৃত ব্যক্তিকে দাফন করার পর কবরের পাশে দাঁড়াতেন এবং বলতেন, তোমাদের ভাইয়ের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কোরো, তার জন্য দৃঢ়তার দোয়া কোরো। কেননা এখনই তাকে জিজ্ঞাসা করা হবে। আর উল্লিখিত বাক্যে ক্ষমা ও দৃঢ়তার দোয়া করা হয়েছে।
(সুনানে আবু্ দাউদ, হাদিস : ৩২২৩)
মৃত্যুর পর আমাদের ৯টি আফসোস যা আল্লাহ আগেই কুরআনে বর্ণনা করে রেখেছে।
১. "হায়! আমি যদি মাটি হয়ে যেতাম।"( সূরা-নাবা, ৪০)
২. "হায়! যদি পরকালের জন্য কিছু করতাম।"( সূরা- ফজর, ২৪)
৩. "হায়! আমাকে যদি আমার আমলনামা না দেওয়া হতো। "(সূরা-হাক্কাহ্, ২৫)
৪. "হায়! আমি যদি শয়তানকে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করতাম।"(সূরা-ফুরকান, ২৮)
৫. "হায়! আমরা যদি আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূল (স.) এর আনুগত্য করতাম।"(সূরা-আহযাব, ৬৬)
৬. "হায়! আমি যদি রাসূল (স.) এর সৎপথ অবলম্বন করতাম।"(সূরা-ফুরকান, ২৭)
৭. "হায়! আমিও যদি তাদের সঙ্গে থাকতাম, তাহলে বিরাট সফলতা লাভ করতে পারতাম।"(সূরা-আন নিসা, ৭৩)
৮. "হায়! আমি যদি আমার রবের সঙ্গে কাউকে শরীক না করতাম।"( সূরা-কাহাফ, ৪২)
৯. "হায়! এমন যদি কোনো সুরত হতো -- আমাদের কে আবার দুনিয়াতে পাঠানো হতো, আমরা আমাদের প্রভুকে মিথ্যা প্রতিপন্ন না করতাম আর আমরা হতাম ঈমানদারের শামিল।"(সূরা-আনআম, ২৭)
01/03/2025
🌙 আমরা অনেকেই চাঁদ-রাত নিয়ে মাতামাতি করি হোকসেটা ঈদুল ফিতরের বা ঈদুল আজহা। কিন্তু অনেকেই জানি না প্রতিমাসে নতুন চাঁদ উঠলে মহানবী হযরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দোয়া পড়তেন। বর্তমান সমাজে এই সুন্নাতের আমল অনেকটা কমে গেছে।
রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজে চাঁদ দেখতেন এবং সাহাবিদেরও এটি দেখার জন্য উৎসাহিত করতেন। বিশেষত রমজানের চাঁদ দেখার বিষয়ে একাধিক হাদিসে নির্দেশনা রয়েছে। তাই আমরা চাঁদ দেখার পাশাপাশি চাঁদ দেখার দোয়াও করবো ইনশাআল্লাহ।
🌙 হাদিসে নতুন চাঁদ দেখার একটি দোয়া বর্ণিত হয়েছে। তা হলো-
اَللهُ أَكْبَرُ اَللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَالْإِيْمَانِ وَالسَّلاَمَةِ وَالْإِسْلاَمِ، رَبِّىْ وَرَبُّكَ اللهُ
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা বিল আমনি ওয়াল ঈমানি, ওয়াস সালামাতি ওয়াল ইসলাম, রাব্বি ওয়া রাব্বুকাল্লাহ।
অর্থ : হে আল্লাহ, তুমি ওই চাঁদকে আমাদের ওপর উদিত কর নিরাপত্তা, ঈমান, শান্তি ও ইসলামের সঙ্গে। (হে চাঁদ) আমার ও তোমার প্রতিপালক আল্লাহ।
হাদিস : তালহা বিন উবাইদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী (সা.) যখন নতুন চাঁদ দেখতেন তখন এ দোয়া পড়তেন।
(তিরমিজি, হাদিস : ৩৪৫১)
28/02/2025
>
ذَهَبَ الظَّمَاءُ وَابْتَلَتِ الْعُرُوْقُ وَ ثَبَتَ الْأَجْرُ اِنْ شَاءَ اللهُ উচ্চারণ: ‘জাহাবাজ জামাউ; ওয়াবতালাতিল উ’রুকু; ওয়া ছাবাতাল আঝরূ ইনশাআল্লাহ।’
বাংলা অর্থ: ‘(ইফতারের মাধ্যমে) পিপাসা দূর হলো, শিরা-উপসিরা সিক্ত হলো এবং যদি আল্লাহ চান সাওয়াবও স্থির হলো।’ (আবু দাউদ, মিশকাত)
জ্ঞান হল মানুষের জীবন চলার পথে আলো। আলো ছাড়া যেমন কেউ পথ চলতে পারে না, তেমনি জ্ঞান ছাড়াও প্রকৃত মানুষ হিসেবে জীবনযাপন করা যায় না।এমনকি আল-কোরআনের প্রথম শব্দেও জ্ঞান অর্জন করতে বলা হয়েছে।
তথ্যের এ সময়ে যে জাতি যত জ্ঞান অর্জন করতে পারবে সে জাতি তত উন্নত হবে। জ্ঞানের (অর্থাৎ শিক্ষা ও গবেষণা) সাথে সকল উন্নয়ন ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত।
জ্ঞান-গবেষণার মাধ্যমে এমন একটা পরিবেশ তৈরি হয় যেখানে অজ্ঞরাও বিশ্বজয়ী ভাবনায় ও কর্মে বিশ্বজয় করে।
বিশ্বের পরাশক্তি দেশগুলো আজ জ্ঞান ও গবেষণার মাধ্যমে ক্ষমতাধর রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।
তাই নিজস্বার্থ ভুলে আমাদের বর্তমান ও ভবিষ্যতে যত সরকার আসবে তাদের উচিত শিক্ষাখাতে বিনিয়োগ করা।
শিক্ষায় বিনিয়োগে লাভ আসে দীর্ঘমেয়াদে। তাই কালেক্টিভ এফোর্ড ও দীর্ঘমেয়াদি সলিড পরিকল্পনার মাধ্যমে জ্ঞান ও গবেষণায় নজর দিতে হবে।
#জ্ঞান
#শিক্ষাওগবেষণা
আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমাদের দেশের সাধারণ মানুষের পর্যবেক্ষণ শক্তি প্রখর। সাধারণ মানুষের পর্যবেক্ষেণে বারবারই সত্য উঠে এসেছে।
অপ্রিয় হলেও প্রকৃতির নিয়মে সত্য প্রকাশিত হবেই এবং তা কারোর না কারোর বিপক্ষে যাবেই।
উপরন্তু যখনই একটি সত্যের পক্ষ- বিপক্ষ তৈরী হয় তখনই সেখানে শুরু হয় নোংরা-অসুস্থ খেলা ;
যার ভিক্টিম বারবার এই সাধারণ মানুষগুলোই হয়,
এই আমরাই হয়।
এদেশে রাজনৈতিক দল, ধর্ম, মতামতের ভিত্তিতে মানুষ পক্ষপাতদুষ্ট।
সৎ এবং পরিশ্রমী ব্যক্তিদের অবমূল্যায়ন করা হয়, যখন নিজের দলের মধ্যে চোর এবং অপরাধীদের ক্ষমা করা হয়।
মেধাবী বা শ্রমিকরা যারা কাজ করে তাদের ছোট ভুল অতিরঞ্জিত করা হয় কিন্তু যারা কাজ করে না তাদের সমালোচনা করা হয় না।
অবশেষে, পরিশ্রমী ব্যক্তিরা বুঝতে পারে তাদের প্রচেষ্টা পুরস্কৃত হয় না এবং তারা দেশ ছাড়তে শুরু করে। বর্তমান প্রজন্মের ৮০% মানুষের মধ্যে দেশ ছাড়ার দীর্ঘশ্বাস পরিলক্ষিত হয়।
তাই এই সমস্যার সমাধান করতে হবে এবং সেভাবে দেশটাকে গড়ার চেষ্টা করতে হবে।
পবিত্র কুরআন শরীফে নবী মুসা (আ.)-এর একটি দোয়া এসেছে। যে দোয়া পড়ার পর আল্লাহ তায়ালা তার জন্য থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। তার আশ্রয়ের পাশাপাশি উত্তম জীবনসঙ্গিনীরও ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।
সেই দোয়াটি হলো-
ﺭَﺏِّ ﺇِﻧِّﻲ ﻟِﻤَﺎ ﺃَﻧْﺰَﻟْﺖَ ﺇِﻟَﻲَّ ﻣِﻦْ ﺧَﻴْﺮٍ ﻓَﻘِﻴﺮٌ
উচ্চারণ : রাব্বি ইন্নি লিমা- আনজালতা ইলাইয়া মিন খাইরিন ফাকির।
অর্থ : হে আমার পালনকর্তা, তুমি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ পাঠাবে, আমি তার মুখাপেক্ষী।
(সুরা আল-কাসাস, আয়াত : ২৪)
আমরা সবাই দোয়াটি বেশির থেকে বেশি পড়ার চেষ্টা করি।
#সূরাআলকাসাস #নিঃস্ব
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Address
Jhenida