TRUST AUTO Jes
All kinds of engine oil, lubricants, grease, gear oil, transmission oil, and motorcycle parts whole seller.
30/11/2025
বহুদূর, বহুদূর যেতে চাই। হারিয়ে যেতে চাই, তোমাদের রাস্তায়, অনেক অজানা ভীড়ে স্বচ্ছ নিরবতায়...
16/11/2025
https://sites.google.com/view/trustauto/home
উপরের লিঙ্ক-এ ক্লিক করে দেখে নিতে পারেন আপনার -এর
06/11/2025
02/10/2025
ভাবনার অতিরিক্ত যখন প্রাপ্তি হয়, সেই প্রাপ্তি ধরে রাখতে অনেক কষ্ট করতে হয়...
23/09/2025
🇧🇩 ভালো প্রশ্ন করেছেন 👍
👉 "দুই নাম্বার পার্টস" বলতে সাধারণত নকল, রিফারবিশড বা নিম্নমানের স্পেয়ার পার্টস বোঝানো হয়। এগুলো বিদেশ থেকে ইমপোর্ট হলে এর প্রভাব পড়ে কয়েকভাবে:
---
🚫 জনগণের ক্ষতি:
1. সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ে – নকল ব্রেক, টায়ার বা ইঞ্জিন পার্টস হঠাৎ নষ্ট হয়ে মারাত্মক দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
2. পরিবেশ দূষণ – নিম্নমানের পার্টস দ্রুত নষ্ট হয় এবং বর্জ্য তৈরি করে। আবার অনেক ক্ষেত্রে বেশি ধোঁয়া বা তেল খরচ করে, ফলে বায়ুদূষণ বাড়ায়।
3. অর্থনীতিতে ক্ষতি – দুই নাম্বার পার্টসের কারণে দেশি আমদানিকারক ও মানসম্মত পণ্য বিক্রেতারা প্রতিযোগিতায় পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সরকারের ভ্যাট-ট্যাক্সও কমে যায়।
4. ভোক্তার প্রতারণা – সাধারণ মানুষ আসল মনে করে কিনে, অথচ মানহীন জিনিস হাতে পায়।
---
⚠️ কাস্টমারের সমস্যা:
1. টেকসই নয় – অল্প সময়ের মধ্যে নষ্ট হয়ে যায়, ফলে বারবার নতুন পার্টস কিনতে হয়।
2. মেইনটেন্যান্স খরচ বেড়ে যায় – গাড়ি/মোটরসাইকেল বারবার ওয়ার্কশপে নিতে হয়, খরচ বেশি হয়।
3. নিরাপত্তা ঝুঁকি – ব্রেক, সাসপেনশন বা ইলেকট্রিক্যাল পার্টস নষ্ট হলে সরাসরি চালকের জীবন ঝুঁকিতে পড়ে।
4. ওয়ারেন্টি সমস্যা – আসল কোম্পানির ওয়ারেন্টি বা সার্ভিস সুবিধা পাওয়া যায় না।
5. রিসেল ভ্যালু কমে যায় – দুই নাম্বার পার্টস লাগানো গাড়ি বিক্রি করতে গেলে দাম অনেক কমে যায়।
---
👉 সহজ করে বললে, দুই নাম্বার পার্টস ইমপোর্ট করলে প্রথমে গ্রাহক হয়তো সস্তায় কিনে খুশি হয়, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে অর্থ, নিরাপত্তা আর পরিবেশ—সব দিক থেকে ক্ষতি হয়।
21/09/2025
মোটরসাইকেলের ইঞ্জিন অয়েল কখন পরিবর্তন করা উচিত, তা কয়েকটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে। যেমন:
* বাইকের মডেল এবং ইঞ্জিনের ধরন: নতুন বাইকের ক্ষেত্রে প্রথম ৫০০-৭৫০ কিলোমিটার চালানোর পর ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করা জরুরি। এর পরের পরিবর্তনের সময় বাইকের মডেল এবং ইঞ্জিন ধরনের উপর নির্ভর করে।
* ইঞ্জিন অয়েলের ধরন: ইঞ্জিন অয়েলের ধরন অনুযায়ী পরিবর্তনের সময় ভিন্ন হয়:
* মিনারেল ইঞ্জিন অয়েল: এই ধরনের অয়েল সাধারণত ৮০০-১০০০ কিলোমিটার পর পরিবর্তন করা উচিত।
* সেমি-সিন্থেটিক ইঞ্জিন অয়েল: এই অয়েল ৩০০০-৪০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত ব্যবহার করা যেতে পারে।
* সিন্থেটিক ইঞ্জিন অয়েল: এটি ৫,০০০ থেকে ৭,০০০ কিলোমিটার বা তারও বেশি সময় ধরে ব্যবহার করা যায়।
* বাইক ব্যবহারের ধরন:
* শহরের রাস্তায় ব্যবহার: ঘন ঘন ব্রেক, গিয়ার পরিবর্তন এবং ক্লাচ ব্যবহারের কারণে ইঞ্জিন এর উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। তাই শহুরে ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রতি ৩,০০০ কিলোমিটার পর পর ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করা ভালো।
* হাইওয়েতে ব্যবহার: হাইওয়েতে একটানা বাইক চললে ইঞ্জিন অয়েল ধীরে ধীরে খারাপ হয়। এই ক্ষেত্রে ৪,০০০-৫,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত চালানো যায়।
* অন্যান্য লক্ষণ:
* ইঞ্জিনের অস্বাভাবিক শব্দ: যদি বাইকের ইঞ্জিনের আওয়াজ অস্বাভাবিক লাগে, তাহলে বুঝতে হবে লুব্রিকেশন কমে গেছে এবং ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করা প্রয়োজন।
* অয়েলের রঙ: যদি ডিপস্টিক দিয়ে অয়েল পরীক্ষা করার পর দেখেন যে এটি কালো এবং ঘন হয়ে গেছে, তাহলে এটি পরিবর্তনের সময় হয়েছে।
সবচেয়ে ভালো হয় বাইকের ম্যানুয়াল বা সার্ভিস গাইড অনুসরণ করা। সেখানে আপনার বাইকের জন্য সঠিক সময়সীমা উল্লেখ করা থাকে। এছাড়া, প্রতি ৬ মাস অন্তর বা বছরে অন্তত একবার ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করা উচিত, বাইক না চললেও।
17/09/2025
Call: 01711-942532
যেকোন গ্রেডের ইন্জিন ওয়েলের জন্য।
10W-30
10W-40
20W-50
0W-20
15W-40
5W-30
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Address
80 Ombika Bashu Lane, Mosjid Goli, R. N. Road
Jessore
7400
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 20:00 |
| Tuesday | 09:00 - 20:00 |
| Wednesday | 09:00 - 20:00 |
| Thursday | 09:00 - 20:00 |
| Saturday | 09:00 - 20:00 |
| Sunday | 09:00 - 20:00 |
05/12/2025