Ayurbedic Tips BD
27/04/2026
" আমলকী "
26/04/2026
মুখের এলার্জি দূর করার কিছু ঘরোয়া উপায়:
শিশু এবং শিশুদের মধ্যে ত্বকের এলার্জির একটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় হলো নারকেল তেল। এক চা চামচ নারকেল তেল হালকা গরম করুন এবং এটি আক্রান্ত স্থানে লাগান। প্রায় ৩০ মিনিট রাখার পর হালকা গরম জলে ধুয়ে ত্বক শুকিয়ে নিন। নিরাময় না হওয়া পর্যন্ত এটি দিনে ৩ থেকে ৪ বার ব্যবহার করুন।
তুলসী:
তুলসীতে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি রয়েছে যা ত্বকের চুলকানি হ্রাস করে। এক মুঠো তুলসী পাতা ভালো করে ধুয়ে নিন। পরে পাতাগুলি পেস্ট করে নিন। আক্রান্ত স্থানে পেস্টটি লাগিয়ে প্রায় ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। স্বস্তির জন্য দিনে কয়েকবার লাগাতে পারেন এই পেস্ট।
নিম পাতা:
নিম পাতা ত্বকের লালচেভাব, ফোলাভাব এবং চুলকানি দূর করতে দারুন কাজ করে।
বেশ কয়েকটি নিম পাতা পেস্ট করে আক্রান্ত স্থানে প্রয়োগ করুন। ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।
অ্যালোভেরা:
অ্যালোভেরা জেল প্রাকৃতিক ওষধি এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্যগুলির কারণে অনেক প্রাকৃতিক নিরাময়ের প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয়। এটি পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়াটিকে গতি দেয় এবং প্রশস্ত স্বস্তি দেয়, এটি দেহের ত্বকের অ্যালার্জির অন্যতম সেরা প্রতিকার।
পাতা থেকে এক চা চামচ জেলটি বের করুন বা কিনে নেওয়া অ্যালোভেরা পণ্য থেকে এক চা চামচ জেলটি বের করুন। পরে আক্রান্ত স্থানে জেলটি সরাসরি ছড়িয়ে দিন।
প্রায় ৩০ মিনিট ধরে রেখে এটি ধুয়ে ফেলুন। কয়েকদিন এক নাগারে দিনে তিনবার প্রয়োগ করুন, ভালো ফল পাবেন।
কোল্ড শাওয়ার:
একটি ঠাণ্ডা স্নান ত্বকের জ্বালা এবং এলার্জি হ্রাস করতে সহায়তা করে। একটি শীতল ঝরনা আপনার রক্তনালীগুলি সঙ্কুচিত করতে সহায়তা করে এবং হিস্টামিন বেরোতে দেয় না। এটি অ্যালার্জির তীব্রতা এবং ত্বকের জ্বালাও হ্রাস করে।
অলিভ অয়েল:
অতিরিক্ত ভার্জিন জলপাই তেল ময়েশ্চারাইজার হিসেবে আশ্চর্য করে। ভিটামিন ই সমৃদ্ধ এ তেল চুলকানি হ্রাস করে।
©
25/04/2026
🌿 আয়ুর্বেদিক উপাদানে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ানোর কার্যকর উপায় (প্রাকৃতিক স্কিন কেয়ার গাইড)
বর্তমান সময়ে সবাই চায় সুস্থ, পরিষ্কার ও উজ্জ্বল ত্বক। অনেকেই দ্রুত ফল পাওয়ার জন্য কেমিক্যালযুক্ত প্রোডাক্ট ব্যবহার করেন, যা দীর্ঘমেয়াদে ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। এ কারণে আয়ুর্বেদিক বা প্রাকৃতিক উপাদানের ব্যবহার দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
আয়ুর্বেদ হাজার বছরের পুরনো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে ত্বকের গভীর থেকে যত্ন নেওয়া হয়। এই আর্টিকেলে আমরা জানবো কীভাবে কিছু সহজলভ্য আয়ুর্বেদিক উপাদান ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে।
🌼 আয়ুর্বেদিক স্কিন কেয়ারের মূল ধারণা
আয়ুর্বেদ অনুযায়ী, ত্বকের সমস্যা মূলত শরীরের ভেতরের ভারসাম্যহীনতার কারণে হয়। তাই শুধু বাহ্যিক যত্ন নয়, খাদ্যাভ্যাস, ঘুম এবং মানসিক স্বাস্থ্যের দিকেও গুরুত্ব দিতে হয়।
🌿 ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে জনপ্রিয় আয়ুর্বেদিক উপাদান:
1️⃣ হলুদ (Turmeric)
হলুদে থাকা কারকিউমিন ত্বকের প্রদাহ কমায় এবং স্কিনকে উজ্জ্বল দেখাতে সাহায্য করে। এটি ব্রণ কমাতে ও স্কিন টোন ইভেন করতে কার্যকর।
ব্যবহার পদ্ধতি:
১ চা চামচ হলুদ গুঁড়া
২ চা চামচ দই বা দুধ
মিশিয়ে ১৫ মিনিট মুখে রেখে ধুয়ে ফেলুন।
2️⃣ চন্দন (Sandalwood)
চন্দন ত্বক ঠান্ডা রাখে এবং দাগ-ছোপ কমাতে সাহায্য করে। এটি স্কিনকে ফ্রেশ ও গ্লোয়িং করে তোলে।
ব্যবহার: চন্দন গুঁড়া ও গোলাপ জল মিশিয়ে ফেসপ্যাক বানিয়ে ব্যবহার করুন।
3️⃣ অ্যালোভেরা (Aloe Vera)
অ্যালোভেরা ত্বককে হাইড্রেটেড রাখে এবং প্রাকৃতিক গ্লো বাড়ায়। সংবেদনশীল ত্বকের জন্যও এটি নিরাপদ।
ব্যবহার: প্রতিদিন রাতে অ্যালোভেরা জেল মুখে লাগাতে পারেন।
4️⃣ মধু (Honey)
মধু ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে এবং ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করে। এটি ত্বককে নরম ও উজ্জ্বল করে।
ব্যবহার: মুখে সরাসরি লাগিয়ে ১৫–২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
5️⃣ কাঁচা দুধ (Raw Milk)
কাঁচা দুধে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের মৃত কোষ দূর করে এবং ত্বক পরিষ্কার রাখে।
ব্যবহার: কটন দিয়ে মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন।
6️⃣ লেবু (Lemon)
লেবুতে ভিটামিন C থাকে, যা স্কিন ব্রাইট করতে সাহায্য করে। তবে এটি ব্যবহার করার সময় সতর্ক থাকতে হবে।
ব্যবহার: পানির সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করুন এবং রোদে যাওয়ার আগে ব্যবহার করবেন না।
🧴 ঘরোয়া ফেসপ্যাক (DIY Ayurvedic Face Packs)
🥣 হলুদ + মধু + দই প্যাক
ত্বক উজ্জ্বল ও মসৃণ করে
সপ্তাহে ২ বার ব্যবহার করা যায়
🥒 অ্যালোভেরা + লেবু প্যাক
ত্বক ফ্রেশ রাখে
অয়েলি স্কিনের জন্য উপকারী
🌸 চন্দন + গোলাপ জল প্যাক
ত্বক ঠান্ডা ও শান্ত রাখে
সংবেদনশীল ত্বকের জন্য ভালো
🍎 ভেতর থেকে ত্বকের যত্ন
শুধু বাইরে কিছু লাগালেই হবে না—ত্বক ভালো রাখতে হলে ভেতর থেকেও যত্ন নিতে হবে।
প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন
ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার খান (ফল, সবজি)
পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন
স্ট্রেস কমানোর চেষ্টা করুন.
⚠️ সতর্কতা
নতুন কিছু ব্যবহারের আগে প্যাচ টেস্ট করুন
অতিরিক্ত ব্যবহার এড়িয়ে চলুন
সংবেদনশীল ত্বকে লেবু সাবধানে ব্যবহার করুন
কোনো সমস্যা হলে ডার্মাটোলজিস্টের পরামর্শ নিন.
আয়ুর্বেদিক উপাদান ব্যবহার করে ত্বকের যত্ন নেওয়া একটি নিরাপদ ও কার্যকর উপায়। তবে মনে রাখতে হবে, এগুলো ধীরে কাজ করে এবং নিয়মিত ব্যবহার প্রয়োজন। ত্বকের স্বাভাবিক সৌন্দর্য ও স্বাস্থ্য বজায় রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
21/04/2026
সুস্থতার জন্যে যা করণীয়
জীবনধারায় পরিবর্তন ও খারাপ অভ্যাস ত্যাগ করতে নতুন বছরের শুরুটা হতে পারে দারুণ সময়। ...
ওজন কমান।
স্বাস্থ্যকর খাবার।
অলস শুয়ে-বসে থাকা কমান।
নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা।
মানসিক চাপ কমান।
পর্যাপ্ত ও ভালো ঘুম জরুরি।
ধূমপান বন্ধ করুন।
কালেক্টেড।
19/04/2026
ইউরিন বা প্রস্রাবে ইনফেকশনের সমস্যায় নারী-পুরুষ ও ছোট-বড় সবাই ভোগেন। আবার অনেকেই প্রাথমিক অবস্থায় টের পান না এই সংক্রমণের বিষয়ে। ফলে এর প্রভাব মাত্রারিক্ত পড়ে শরীরে। দীর্ঘদিনের প্রস্রাব সংক্রমণে বাড়তে পারে লিভার ও কিডনির নানা রোগ।
সারাদিন যত পানি পান করা হয় সবই লিভার ও কিডনি ছেঁকে মূত্রনালি দিয়ে বের হয়ে যায়। সবার শরীরেই দু’টি কিডনি, দু’টি ইউরেটার, একটি ইউরিনারি ব্লাডার (মূত্রথলি) ও ইউরেথ্রা (মূত্রনালি) নিয়ে রেচনতন্ত্র গঠিত।
এই রেচনন্ত্রের যে কোনো অংশে যদি সংক্রমণ ঘটে তাহলে তাকে ‘ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন’ বলা হয়। কিডনি, মূত্রনালি, মূত্রথলি বা একাধিক অংশে একইসঙ্গে এ ধরণের সংক্রমণ হতে পারে। এই সংক্রমণকেই সংক্ষেপে ‘ইউরিন ইনফেকশন’ বলা হয়।
সাধারণত সবারই এই সমস্যাটি হতে পারে। তবে নারীদের মধ্যে ইউরিন ইনফেকশনে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি। জেনে নিন যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন আপনি ইউরিন ইনফেকশনে আক্রান্ত কি না-
>> প্রস্রাব গাঢ় হলুদ বা লালচে হওয়া
>> প্রস্রাবে দুর্গন্ধ
>> বারবার প্রস্রাবের বেগ অনুভব করা
>> ঠিকমতো প্রস্রাব না হওয়া
>> প্রস্রাব করার সময় জ্বালাপোড়া বা ব্যথা অনুভব করা
>> তলপেটে ও পিঠের নিচে প্রচণ্ড ব্যথা হওয়া
>> শরীরে জ্বর জ্বর ভাব
>> কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসা ও
>> বমি ভাব ও বমি হওয়া ইত্যাদি।
ইউরিন ইনফেকশনের ঘরোয়া প্রতিকার:
ইউরিন ইনফেকশনের লক্ষণ দেখলে দ্রুত চিকিৎসকেরশরনাপন্নহন।চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করুন। পাশাপাশি কয়েকটি ঘরোয়া প্রতিকারও অনুসরণ করতে পারেন। জেনে নিন করণীয়-
>> দিনে অবশ্যই ২-৩ লিটার পানি খান। প্রসাবে হলুদ ভাব দেখলেই প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে। সাধারণত প্রতি ৪-৫ ঘণ্টা পরপর প্রস্রাব হওয়া উচিত। এরও বেশি সময় ধরে প্রস্রাব না হলে বেশি করে পানি খান।
>> পর্যাপ্ত ভিটামিন সি খিতে হবে। চিকিত্সকরা এক্ষেত্রে রোগীদেরকে দৈনিক ৫০০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি খাওয়ার পরামর্শ দেন। ভিটামিন সি মূত্রথলী ভালো রাখে ও প্রস্রাবের সময় জ্বালা ভাব কমায়। এছাড়াও ভিটামিন সি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে।
>> ইউরিন ইনফেকশন হলে বেশি পরিমাণে আনারস খাওয়া উচিত। এতে আছে ব্রোমেলাইন নামক একটি উপকারী অ্যানজাইম। গবেষণায় দেখা গেছে, ইউরিন ইনফেকশনে আক্রান্ত রোগীদেরকে সাধারণত ব্রোমেলাইন সমৃদ্ধ অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়। তাই ইউরিন ইনফেকশন হলে প্রতিদিন এক কাপ আনারসের রস খান।
>> ইউরিন ইনফেকশনের কয়েকদিনের মধ্যেই সংক্রমণ কিডনিতে ছড়িয়ে পড়ে। তাই যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসাকরানোজরুরি।
>> বেকিং সোডা দ্রুত ইউরিন ইনফেকশন সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে। এজন্য আধা চামচ বেকিং সোডা এক গ্লাস পানিতে ভালো করে মিশিয়ে দিনে একবার খেলেই প্রস্রাবের জ্বালা ও ব্যথা কমে যাবে।
কালেক্টেড।
07/11/2023
আপনি কি কখনও soursop ফলের নাম শুনেছেন? 🍈 যদি না হয়, তবে আপনি একটি আশ্চর্যজনক ফলের তথ্য জগতে প্রবেশ করছেন ! এটি একটি গ্রীষ্মমন্ডলীয় ফল যা পুষ্টি এবং স্বাদের লুকানো রত্ন ভান্ডার।
এটির বাংলায় নাম টক আতা।
🌟 ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থে ভরপুর, যা প্রকৃতির মাল্টিভিটামিনের মতো।
🌾 এর সমৃদ্ধ ফাইবার সামগ্রী আপনার হজমের স্বাস্থ্যকে সমর্থন করতে পারে।
🌿 এর ভেতর প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে - যে গুলির রয়েছে আশ্চর্যজনক স্বাস্থ্য সুবিধা ।
আপনি কি এই বিস্ময় অন্বেষণ করতে প্রস্তুত? এই নিবন্ধে soursop এর পুষ্টির বর্ণনা দেওয়া আছে :
Soursop Nutrition Facts and Health Benefits One cup of soursop (225g) provides 148 calories, 2.3g of protein, 37.8g of carbohydrates, and 0.7g of fat. Soursop is an excellent source of vitamin C, fiber, and potassium.
19/11/2022
মসলার যত গুন
বিশেষ বিশেষ রান্নায় কম-বেশি গরম মশলার ব্যবহার আমাদের দেশে প্রাচীনকাল থেকে চলে আসছে। মাংসের নানাপদ, পোলাও, বিরিয়ানী, চাটনি ইত্যাদি থেকে আরম্ভ করে পায়েস পর্যন্ত সব রান্নাতেই এলাচ, লবঙ্গ, দারুচিনি যেমন স্বাদ ও সুগন্ধ বৃদ্ধি করে ঠিক তেমনি এ প্রত্যেকটি জিনিষের রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ঔষধি গুণ।
ছোট এলাচ: ছোট এলাচকে গোলমরিচের পরে স্থান দেয়া হয়েছে। এলাচের প্রচুর ঔষধি গুণ রয়েছে, হালকা সবুজ খোসায় ঢাকা কালো দানার ফল শুকিয়ে মশলা হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
দক্ষিণ ভারতের মহিগুণ, ওয়াইনাড, ত্রিবাঙ্কুর, কোচিন প্রভৃতি স্থানে ও শ্রীলঙ্কায় প্রচুর পরিমাণে ছোট এলাচের চাষ করা হয়।
উপাদান: বিশেষণে দেখা গেছে, ছোট এলাচে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ইথার, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রনসহ সিনিতাল, তারপিনল তাপিনিন, লিমোনিন, স্যাবিনিন ইত্যাদি সমৃদ্ধ এমন সব তেল থাকে যা শুধুমাত্র সুগন্ধ বাড়ায় আরোগ্যকারীও।
আরোগ্যকারী গুণ: ছোট এলাচের প্রথম গুণ হজমশক্তি বৃদ্ধি করা। বিশেষত কাঁচা পেঁয়াজ, রসুনসহ অতিরিক্ত মশলাযুক্ত খাবার খাওয়ার পর অম্বল-গ্যাস-বদহজম হলে লবঙ্গ, আদা, ধনে জোয়ানের সঙ্গে ছোট এলাচ মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়। বদহজমজনিত মাথার যন্ত্রণায় ছোট এলাচ মিশিয়ে ফোটানো চা পান করলে খুব কম সময়ে উপশম হয় এবং অবসাদও কমে যায়।
কলাপাতা ও আমলকির রসের সঙ্গে নির্দিষ্ট পরিমাণে এলাচ গুঁড়া দিনে দুইবার খেলে কিডনির বিভিন্ন অসুখ, যেমন নেফ্রাইটিস, প্রস্রাবের জ্বালা, অল্প অল্প প্রস্রাব হওয়া ইত্যাদি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
মুখের ভেতরের জীবাণু সংক্রমনজনিত ঘা, ফ্যারিনজাইটিস, গলক্ষত, স্বরভঙ্গ, দুর্গন্ধযুক্ত শ্বাসপ্রশ্বাসের ক্ষেত্রে ছোট এলাচ, দারুচিনি ও লবঙ্গ পানিতে ফুটিয়ে গার্গল করলে উপকার পাওয়া যায়। যারা সঙ্গীতচর্চা করেন তাদের ক্ষেত্রে গলা ভাল রাখার এটা মহৌষধ। বারবার হেঁচকি উঠলে ছোট এলাচ ও পুদিনাপাতা একসঙ্গে পানিতে ফুটিয়ে খেলে হেঁচকি বন্ধ হয়ে যায়।
শাক-সবজির গুণাগুণ
আমরুল : পিত্তবৃদ্ধিকারক, কিন্তু বাত, গ্রহণী, কফ, কুষ্ঠ ও অতিসারনাশক।
আলু : বলকারক, বীর্যবর্ধক, স্তন্যদুগ্ধবর্ধক ও মল-মূত্রনিঃসারক।
আলু : ছোট আলু, এটি প্রমেহ, শোথ, মূত্রককৃচ্ছ্র ও দাহজনক।
উচ্ছে : ক্ষুধাবৃদ্ধিকারক ও লঘুপাক, কফ, ক্রিমি, পাণ্ডু ও জ্বর-প্রশমক।
ওল : অর্শ ও কফনাশক। অর্শরোগে অত্যন্ত উপকার দেয়। কিন্তু দাদ, কুষ্ঠ ও রক্তপিত্তরোগিদের পক্ষে ওল খাওয়া নিষিদ্ধ।
করলা : পিত্ত, কফ, ক্রিমি, পাণ্ডু, জ্বর ও মেদনাশক। উচ্ছেও এ প্রকার গুণসমন্বিত।
কলমী শাক : স্তন্যদুগ্ধবর্ধক ও বীর্যবর্ধক।
কুমড়া (কচি) : পিত্তনাশক করে।
কুমড়া (পাকা) : ক্ষুধা বৃদ্ধিকারক, বস্তিশোধক এবং বায়ু-পিত্ত-কফনাশক।
গীমে শাক : পিত্ত, কফ, জ্বর, প্লীহা, কামলা ও পাণ্ডুরোগনাশক।
চিচিঙ্গা : বলকারক ও বাত-পিত্তনাশক। শোথ রোগগ্রস্থ ব্যক্তির পক্ষে এটি অত্যন্ত উপকারী।
ছোলাশাক : ছোলাশাক বাত এবং কফবর্ধক কিন্তু পিত্ত এবং দন্ডশোথ নিবারক।
ঝিঙ্গা : বাত ও কফবর্ধক বটে, কিন্তু প্রদর, পিত্ত শ্বাসম কাশ ও ক্রিমিনাশক।
কলার থোড় : থোড় হজশক্তি বৃদ্ধি করে, ক্ষুধা বাড়ায়, রক্তপিত্ত ও যোনিদোষনাশক।
ধুন্দুল : রক্তপিত্ত ও বায়ুনিবারক।
নটে শাক : পিত্ত, রক্তদোষ, কফ ও বিষদোষনাশক।
নুনে শাক : বাতবর্ধক বটে, কিন্তু চর্মরোগ, ব্রণ, পিত্ত, গুল্ম, কফ, প্রমেহ, শ্বাস কাশ ও শোথনাশক। এটি চক্ষুরোগে অত্যন্ত উপকারী।
ঢ্যাড়স : এটি অশ্মারী নিবারক, মূত্রজনক, পিত্তনাশক ও বাতবর্ধক।
পুঁই শাক : বীর্যবর্ধক ও রক্তপিত্তনাশক।
পুদিনা : বায়ু, কফ ও অরুচিনাশক।
পলতা : কাশ, জ্বর, পিত্ত ও ক্রিমিনাশক। পলতাসহ ধনিয়া ভিজানো পানি নিয়মিত খেলে পিত্তজ্বর আরোগ্য হয়।
পটল : ক্রিমি, কাশ, জ্বর, ও রক্তদোষনাশক।
পাটশাক : বাত বৃদ্ধি করে, কিন্তু রক্তপিত্ত নাশ করে।
পালং শাক : মেহরোগনাশক, বাতবর্ধক, শ্লেষ্মাজনক ও ভেদক, কিন্তু শ্বাসদোষ, রক্তপিত্ত, মেহরোগ ও বিষদোষনাশক।
বনফুল : পিত্ত, শ্লেষ্মা, বাত এবং রাতকানা রোগ-নিবারক।
বেতোশাক : প্লীহা, ক্রিমি, অর্শ এবং রক্তপিত্তনাশক।
বেগুন (কচি) : পিত্তজনক ও কাশনাশক।
বেগুন (পাকা) : পিত্তবৃদ্ধিকারক ও গুরুপাক।
বেগুন : (পোড়া) : পিত্তকারক হলেও বায়ু, কফ ও আমদোষনাশক।
মূলাশাক : এটি তৈল ইত্যাদি দ্বারা পাক করে খেলে বায়ু-পিত্ত কফ নাশ করে।
মটর শাক : ভেদক হলেও ত্রিদোষনাশক।
মোচা : পিত্ত, বায়ু ও রক্তপিত্তনাশক।
মূলা (ছোট) : কচি মুলা চক্ষুরোগ, নাকের রোগ, কণ্ঠের রোগ, কাশ ও জ্বরনাশক।
মূলা (বড়) : বড় মুলা বায়ু-পিত্ত-কফজনক।
লাউ : পিত্ত ও শ্লেষ্মাজনক, ধাতুবর্ধক ও পুষ্টিকারক।
হেলেঞ্চা বা হিঞ্চে : কুষ্ঠ, শোথ, কফ ও পিত্তনাশক।
শাঞ্চে শাক : অর্শনাশক ও প্লীহা আরোগ্যকারক।
সজিনা ফুল : কিছুটা শোথকারক হলেও প্লীহা, গুল্ম, কফ ও ক্রিমিনাশক।
সাজনা ডাঁটা : পিত্ত শ্বাস, কফ ও কুষ্ঠনাশক।
শিম : শ্লেষ্মাবর্ধক ও দাহজনক বটে, কিন্তু বাতপিত্তনাশক ও বলকারক।
03/11/2022
দইয়ের গুণাগুণ
দই উষ্ণবীর্য, অগ্নি-উদ্দীপক, কষায় অম্লরস, অম্লবিপাক, গুরুপাচ্য ও মলসংগ্রাহক। দুই শোথ, রক্তপিত্ত ও মেদ দমন করে, কিন্তু কফ বৃদ্ধি করে। অরুচি, অতিসার, মূত্রকৃচ্ছ্র, শীতজ্বর এবং বিষমজ্বরে দধির ব্যবহার আয়ুর্বেদ শাস্ত্রসম্মত। দুই একদিকে যেমন শক্তিবর্ধক, অপরদিকে সেরকম বীর্যবর্ধক।
গরুর দই : এটিই দইয়ের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ। বলকারক, পবিত্র, মধুর রসসম্পন্ন, স্নিগ্ধ, বায়ুনাশক ও পুষ্টিকারক।
মহিষের দই : এ দুই খুবই স্নিগ্ধ, শ্লেষ্মাকারক, মধুরবিপাক, গুরুপাচ্য, শুক্রকারক এবং বাত-পিত্তনাশক।
ছাগলের দই : এ দুই সংগ্রহী, লঘুপাচ্য, অগ্নি-উদ্দীপ ও বায়ু-পিত্ত-কফনাশক। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রমতে এ দুই শ্বাস, অর্শ, ক্ষয় এবং কাশরোগে ব্যবহার্য।
দই সম্পর্কে জ্ঞাতব্য : চিনি মিশ্রিত দধি সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ। এ দই পিপাসা ও দাহ নাশ করতে সক্ষম। রক্তপিত্ত নাশ কেরতেও এর প্রচুর অভাব আছে।
রাত্রিকালে দই খাওয়া নিষিদ্ধ। তবে দইয়ের সাথে ঘি এবং পানি মিশিয়ে খেলে কোনও অপকার করে না। রক্তপিত্ত রোগে দধি খাওয়া নিষিদ্ধ।
দই সর : দইয়ের সরকে চলতি কথায় মাত বলা হয়। এটি হল দইয়ের ওপরের স্নেহযুক্ত ঘনীভূত পদার্থ। আবার দই মণ্ডকেও মাত বলা হয়।
দইয়ের সর মধুর রক্তসম্পন্ন, শুক্রবর্ধক, অগ্নিনাশক, বায়ুনাশক এবং গুরুপাক। ভাতের সাথে খেলে এটি কফ এবং পিত্তবর্ধক হয়।
দইয়ের মাত ক্লান্তি দূর করে, শক্তিবর্দ্ধক, পিপাসানাশক, লঘুপাচ্য ও তৃপ্তিজনক। এটি তাড়াতাড়ি মল বিরোচনে অসামান্য ফলদান করে।
02/11/2022
বরবটী
বরবটী : আমরা এর তরকারী করে খাই। এটি বর্ষজীবী লতানে উদ্ভিদ। লতানে হলেও এতে কোনও আকর্ষণ থাকে না। আকর্ষণ না থাকলেও এ গাছ বেড়া, মাচা বা কোনও গাছকে আশ্রয় করে বেড়ে ওঠে। এ গাছের পাতাগুলো আলকুশী পাতার মত দেখতে হয়। ফুলগুলো হলদে বা লালচে হয়।
রোগে ব্যবহার :
১। সর্দির ধাত হলে : অনেকের কথায় কথায় সর্দি লেগে যায়, প্রায়ই সর্দিতে কষ্ট পায়। এ অবস্থায় বালি খোলায় ছোলা ভাজার মত বরবটীর বীজ ভাজুন, তারপর বার্লির মত রান্না করে ছেঁকে নিন। এবার সে পানিটা খাবেন, খুবই উপকার পাবেন।
২। পাতলা পায়খানায় : বরবটী বীজ বালিতে ভেজে, তাকে ভেঙ্গে খোসা বাদ দিয়ে মিহি করে গুঁড়া করুন। সে গুঁড়া সকালে ও বিকালে দু’বার খাবেন ১ গ্রাম পরিমাণে পানিসহ। পায়খানা শক্ত হবে।
৩। শুক্র স্বল্পতায় : শুক্র স্বাভাবিকের তুলনায় স্বল্প হলে, বরবটীর বীজ বালিতে ভেজে, খোসা ছাড়িয়ে নিন। এবার একে চূর্ণ করে, সে চূর্ণ ৮ থেকে ১০ গ্রাম পরিমাণ নিয়ে ১ কাপ দুধ ও ৩ কাপ পানি দিয়ে সিদ্ধ করুন। তারপর সেটা রোজ একবার করে খাবেন। এভাবে ৭ থেকে ১০ দিন খেলে উপকার পাবেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the practice
Telephone
Website
Address
Jessore