Islamic knowledge
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Islamic knowledge, Digital creator, Kholadanga, sadar jashore, Jessore.
18/09/2025
এক লোক তার পালিত মোরগটাকে জবাই করতে চাইল। কিন্তু সে ভাবল কোন বাহানা দিয়ে তাকে জবাই করবে? অনেক ভেবে সে মোরগটাকে ডেকে বললো- "কাল সকাল থেকে তুই উচ্চস্বরে ডাকাডাকি করতে পারবি না। যদি করিস তাহলে তোকে আমি মেরে ফেলবো। "
মোরগটি বলল - "ঠিক আছে মালিক। আপনি যা বলবেন তাই হবে"
পরের দিন মোরগটি ডাকাডাকি করলো না। শুধু পাখা ঝাপটা ঝাপটি করলো কিন্তু মালিক মোরগটি কে বলল- "কাল থেকে তুই পাখা ঝাপটা ঝাপ্টি করতে পারবি না নইলে তোকে আমি মেরে ফেলবো"
পরের দিন মোরগটি পাখা ঝাপটা ঝাপটি করলো না। শুধুমাত্র তার ঘাড় উঁচু করলো। সেটা দেখে মালিক বলল - "কালকে থেকে তুই তোর ঘার যদি উঁচু করিস তাহলে তোকে আমি মেরে ফেলব।"
এরপর থেকে মোরগটি একেবারে চুপ হয়ে গেল। কিছুই করল না। তখন মালিক ভাবতে লাগলো তাকে কি এমন করতে বলা যায়, যা সে করতে পারবে না। আর এই বাহানায় আমি তাকে মারতে পারবো। অনেক ভেবে মালিক মোরগটিকে বলল -
"কাল থেকে তোকে ডিম দিতে হবে তুই যদি ডিম দিতে না পারিস তাহলে কালই হবে তোর শেষ দিন।"
এটা শুনে মোরকটি ভাবল - আসলে আমার মালিকের ইচ্ছে তো আমাকে মেরে ফেলা। বাহানা যাই হোক। মোরগ তখন জোরে জোরে চিৎকার করে কাঁদতে লাগলো। মালিক বলল - "কি ভয়ে কাঁদছিস?"
মোরক বলল - "না আমি ভয়ে চিৎকার করে কাঁদছি না। সকালে ডাকাডাকি করাটা হলো আমার পরিচয়। আমি যদি সেই কারণে মারা যেতাম তাহলে আমিও আমার পরিচয় সাথে মারা যেতাম। ডিম না দিতে পারার অজুহাতে মরার চেয়ে সেই মৃত্যু অনেক ভাল ছিল, যে আমি ডাকাতির কারণে মরেছি। আমি তোমার কথায় সব কিছু ছেড়ে দিয়েছি। কিন্তু যার লক্ষ্যই হলো আমাকে মেরে ফেলা তার সামনে মাথা নিচু করা উচিত ছিল না। লড়াই করলে হয়তো বেঁচে যেতাম।"
সহজ কথা হল, সব সময় সমঝোতা করা জরুরী নয়। লড়াই করাটাও জরুরী হয়ে পরে। আর যখন তুমি তোমার আওয়াজকে দমন করতে থাকো তখন তোমার অস্তিত্ব ধীরে ধীরে শেষ হতে থাকে।
আর যখন নিজের অস্তিত্ব বা পরিচয়ই থাকে না তখন তাকে জীবিত থাকা বলে। বেঁচে থাকা বলে না।
বছর শেষ হবে ক্যালেন্ডারের পাতা ও বদলাবে । আপনার ভাগ্য কিন্তু বদলাবে না। চলে যাওয়া এটা একটা প্রক্রিয়া মাত্র। পুরাতন বছর চলে যাবে। নতুন বছর আসবে,, এটাই নিয়ম। চলে যাওয়া দিন গুলো আপনাকে অনেক কিছুই শেখাবে। তার মধ্যো খারাপ দিক যেগুলো আছে সেগুলো আপনাকে অবশ্যই বর্জন করতে হবে। আর ভালো দিক গুলো ব্যাবহার করে আপনার চলার পথ স্মুথ করতে হবে। দেখবেন ভালো কিছু হবে ইনশাআল্লাহ। 🌹🌹হ্যাপী নিউ ইয়ার 2025🌹🌹
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيمِ
الَّذِينَ ءَامَنُوا يُقٰتِلُونَ فِى سَبِيلِ اللَّهِ ۖ وَالَّذِينَ كَفَرُوا يُقٰتِلُونَ فِى سَبِيلِ الطّٰغُوتِ فَقٰتِلُوٓا أَوْلِيَآءَ الشَّيْطٰنِ ۖ إِنَّ كَيْدَ الشَّيْطٰنِ كَا
শিরক হচ্ছে সৃষ্টিকে স্রষ্টার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ করা। স্রষ্টা হওয়ার জন্য যেসব গুণাবলী প্রয়োজন, সৃষ্টির মাধ্যে তা কল্পনা করে বিভিন্ন পীর- ফকি, দুর্গা-দুর্গায়া গিয়ে ধন্নাদেওয়া । যেমন অাল্লাহ বলেন:
وَالَّذِينَ تَدْعُونَ مِن دُونِهِۦ لَا يَسْتَطِيعُونَ نَصْرَكُمْ وَلَآ أَنفُسَهُمْ يَنصُرُونَ
আর তোমরা তাঁকে (অাল্লাহকে) ছাড়া যাদেরকে ডাক তারা তোমাদেরকে সাহায্য করতে পারে না এবং তারা তাদের নিজদেরকেও সাহায্য করতে পারে না। অাল -অা'রাফ:১৯৭ , অাল্লাহ অারও বলেন:
وَيَعْبُدُونَ مِن دُونِ اللَّهِ مَا لَا يَضُرُّهُمْ وَلَا يَنفَعُهُمْ وَيَقُولُونَ هٰٓؤُلَآءِ شُفَعٰٓؤُنَا عِندَ اللَّهِ ۚ
আর তারা আল্লাহকে ছাড়া এমন কিছুর ইবাদত করছে, যা তাদের ক্ষতি করতে পারে না এবং উপকারও করতে পারে না। আর তারা বলে, ‘এরা আল্লাহর নিকট আমাদের সুপারিশকারী’। ইউনুস:১৮
নবী করিম ﷺ - এর চোখে ১২ প্রকার মানুষ সবচেয়ে সর্বোত্তম !
আসুন চেক করে দেখি আপনি আমি সেই লিস্টে আছি কি না?
● এক.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
ﺧَﻴْﺮُﻛُﻢْ ﻣَﻦْ ﺗَﻌَﻠَّﻢَ ﺍﻟْﻘُﺮْﺁﻥَ ﻭَﻋَﻠَّﻤَﻪُ
‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ওই ব্যক্তি, যে নিজে কোরআন শেখে এবং অন্যকে শেখায়।’
(বুখারি, হাদিস নম্বর : ৫০২৭)
● দুই.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
ﺇِﻥَّ ﺧِﻴَﺎﺭَﻛُﻢْ ﺃَﺣَﺎﺳِﻨُﻜُﻢْ ﺃَﺧْﻼَﻗًﺎ
‘নিশ্চয়ই তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ওই ব্যক্তি, যে তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম আচরণের অধিকারী।’ (বুখারি, হাদিস নম্বর : ৬০৩৫)
● তিন.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
ﺇِﻥَّ ﺧِﻴَﺎﺭَﻛُﻢْ ﺃَﺣْﺴَﻨُﻜُﻢْ ﻗَﻀَﺎﺀً
‘তোমাদের মধ্যে সর্বসেরা ব্যক্তি সে, যে ঋণ পরিশোধের বেলায় ভালো।’
(বুখারি, হাদিস নম্বর : ২৩০৫)
● চার.
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন,
‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ওই ব্যক্তি, যার কাছ থেকে সবাই কল্যাণ আশা করে, অনিষ্টের আশঙ্কা করে না।’ (তিরমিজি, হাদিস নম্বর : ২২৬৩/২৪৩২)
● পাঁচ.
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন,
‘তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ওই ব্যক্তি, যে তার পরিবারের কাছে ভালো।’
(সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস নম্বর : ৪১৭৭)
● ছয়.
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন,
ﺧِﻴَﺎﺭُﻛُﻢْ ﺃَﻃْﻮَﻟُﻜُﻢْ ﺃَﻋْﻤَﺎﺭًﺍ ﻭَﺃَﺣْﺴَﻨُﻜُﻢْ ﺃَﻋْﻤَﺎﻟًﺎ
তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সেই, যে তোমাদের মধ্যে বয়সে বেশি এবং (নেক) কাজে উত্তম।
(আহমাদ ৭২১২, ৯২৩৫, সিঃ সহীহাহ ১২৯৮)
● সাত. রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন,
ﺧَﻴْﺮُ ﺍﻟﻨَّﺎﺱِ ﺃﻧْﻔَﻌُﻬُﻢْ ﻟِﻠﻨَّﺎﺱِ
সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ সেই ব্যক্তি, যে মানুষের জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী।
(সহীহুল জামে’ হা/ ৩২৮৯, দারাক্বুত্বনী, সিঃ সহীহাহ ৪২৬)
● আট.
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন,
ﻣَـﺨْﻤُﻮْﻡِ ﺍﻟْﻘَﻠْﺐِ ﺻَﺪُﻭْﻕِ ﺍﻟﻠِّﺴَﺎﻥِ ﻗَﺎﻟُﻮﺍ ﺻَﺪُﻭْﻕُ ﺍﻟﻠِّﺴَﺎﻥِ ﻧَﻌْﺮِﻓُﻪُ ﻓَﻤَﺎ ﻣَـﺨْﻤُﻮﻡُ ﺍﻟْﻘَﻠْﺐِ
‘শ্রেষ্ঠ মানুষ হলো যার অন্তর পরিচ্ছন্ন ও মুখ সত্যবাদী। সাহাবিরা জিজ্ঞেস করেন, হে আল্লাহর রাসুল! সত্যবাদী মুখ বোঝা গেল, কিন্তু পরিচ্ছন্ন অন্তরের অধিকারী কে? রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেন, যে অন্তর স্বচ্ছ ও নির্মল, মুত্তাকি, যাতে কোনো পাপ নেই, বাড়াবাড়ি বা জুলুম নেই, নেই খেয়ানত ও বিদ্বেষ।
(ইবনে মাজাহ ৪২১৬ ,সহিহুল জামে, হাদিস : ৩২৯১)
● নয়.
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন,
ﺧَﻴْﺮُ ﺍﻷَﺻْﺤَﺎﺏِ ﻋِﻨْﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺧَﻴْﺮُﻫُﻢْ ﻟِﺼَﺎﺣِﺒِﻪِ ﻭَﺧَﻴْﺮُ ﺍﻟْﺠِﻴﺮَﺍﻥِ ﻋ
কুরআন শিক্ষা না করার পরিনতি সম্পর্কে কুরআন এবং হাদিসে কি বলা হয়েছে?
==================================
১. রাসূলের অভিযোগ পেশ :
কিয়ামতের ভয়াবহ অবস্থায় আল্লাহ তা‘আলার অনুমতিতে রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উম্মাতের জন্য শাফায়াত চাইবেন। কিন্তু যারা কুরআন শিক্ষা করেনি, কুরআনের যেসব হক রয়েছে তা আদায় করেনি, কিয়ামতের দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বিরুদ্ধে আল্লাহর দরবারে অভিযোগ পেশ করবেন। কুরআনে এসেছে :
﴿ وَقَالَ ٱلرَّسُولُ يَٰرَبِّ إِنَّ قَوۡمِي ٱتَّخَذُواْ هَٰذَا ٱلۡقُرۡءَانَ مَهۡجُورٗا ٣٠ ﴾ [الفرقان: ٣٠]
অর্থ: ‘আর রাসূল বলবেন, হে আমার রব, নিশ্চয় আমার কওম এ কুরআনকে পরিত্যাজ্য গণ্য করেছে’ [সূরা আল-ফুরকান-৩০]
ইবন কাসীর বলেন, কুরআন না পড়া, তা অনুসারে আমল না করা, তা থেকে হেদায়াত গ্রহণ না করা, এ সবই কুরআন পরিত্যাগ করার শামিল।
২. কিয়ামতে অন্ধ হয়ে উঠবে :
যে কুরআন শিখা থেকে থেকে বিমুখ হয়ে থাকল, সে কতইনা দুর্ভাগা! আলকুরআনে এসেছে,
﴿ وَمَنۡ أَعۡرَضَ عَن ذِكۡرِي فَإِنَّ لَهُۥ مَعِيشَةٗ ضَنكٗا وَنَحۡشُرُهُۥ يَوۡمَ ٱلۡقِيَٰمَةِ أَعۡمَىٰ ١٢٤ قَالَ رَبِّ لِمَ حَشَرۡتَنِيٓ أَعۡمَىٰ وَقَدۡ كُنتُ بَصِيرٗا ١٢٥ قَالَ كَذَٰلِكَ أَتَتۡكَ ءَايَٰتُنَا فَنَسِيتَهَاۖ وَكَذَٰلِكَ ٱلۡيَوۡمَ تُنسَىٰ ١٢٦ ﴾ [طه: ١٢٤، ١٢٦]
অর্থ: আর যে আমার যিক্র (কুরআন) থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, নিশচয় তার জীবন-যাপন হবে সংকুচিত এবং আমি কিয়ামতের দিন তাকে অন্ধ অবস্থয় উঠাবো। সে বলবে, হে আমার রব, কেন আপনি আমাকে অন্ধ অবস্থায় উঠালেন ? অথচ আমিতো ছিলাম দৃষ্টিশক্তিসম্পন্নণ? তিনি বলবেন, অনুরুপভাবে তোমার নিকট আমার আয়াতসমূহ এসেছিল, অত:পর তুমি তা ভুলে গিয়েছিলে এবং সেভাবেই আজ তোমাকে ভুলে যাওয়া হল’ [সূরা তাহা-১২৪-১২৬]।
৩.মূক, বধির অবস্থায় ঊঠবে:
সবচেয়ে বড় হেদায়েত আল-কুরআন প্রত্যাখ্যানকারীদের কবর হবে সংকীর্ণ, যার দরুন তাদের দেহের পাঁজরগুলো বাঁকা হয়ে যাবে। অবশেষে কিয়ামতের দিন মূক ও বধির হয়ে উঠবে । আলকুরআনে এসেছে :
﴿ وَنَحۡشُرُهُمۡ يَوۡمَ ٱلۡقِيَٰمَةِ عَلَىٰ وُجُوهِهِمۡ عُمۡيٗا وَبُكۡمٗا وَصُمّٗاۖ مَّأۡوَىٰهُمۡ جَهَنَّمُۖ كُلَّمَا خَبَتۡ زِدۡنَٰهُمۡ سَعِيرٗا ٩٧ ﴾ [الاسراء: ٩٧]
আমি কিয়ামতের দিন তাদেরকে সমবেত করব তাদের মুখে ভর দিয়ে চলা অবস্থায়, অন্ধ অবস্থায়, মূক অবস্থায়,
[১০৪:১] আল হুমাযাহ
وَيلٌ لِكُلِّ هُمَزَةٍ لُمَزَةٍ
বায়ান ফাউন্ডেশন:
দুর্ভোগ প্রত্যেকের যে সামনে নিন্দাকারী ও পেছনে গীবতকারী।
[১] কিছু উলামা هُمَزَة ও لُمَزَة এর একই অর্থ বলেছেন। আর কিছু সংখ্যক উলামা উভয়ের মাঝে কিছুটা পার্থক্য করে বলেন, هُمَزَة বলা হয় সেই ব্যক্তিকে, যে সামনা-সামনি নিন্দা গায়। আর لُمَزَة বলা হয় সেই ব্যক্তিকে, যে পশ্চাতে গীবত (পরর্চ্চা) করে। আবার কেউ এর বিপরীত অর্থ করেন। অনেকের মতে هَمز চোখ ও হাতের ইশারায় নিন্দা প্রকাশ করা এবং لَمز জিহ্বা দ্বারা পরনিন্দা করাকে বলা হয়।
সূরা আত তাকাসসূর।
প্রাচুর্যের প্রতিযােগিতা তােমাদের ভুলিয়ে রেখেছে
حلى زر المقابر
যতক্ষণ না তোমরা কবরে যাও
لا سوف تعلمون
মােটেই ঠিক নয়! শীঘ্রই তােমরা জানবে
ثم لا سوف تعلمون ؟
আবার বলি, মােটেই ঠিক নয়! তােমরা তাে শীঘ্রই জানতে পারবে
لا لونغتشون علم اليقين ؟
কখনােই নয়! যদি তােমরা নিশিচত জানতে পারতে
الترزن احبه
তােমরা অবশ্যই অবশ্যই জাহান্নাম প্রত্যক্ষ করবে
ثم لترونها عين اليقين
আবার বলি, তােমরা অবশ্যই দিব্যদৃষ্টিতে জাহান্নাম প্রত্যক্ষ করবে
شه کشتائن يوميذ عن النعيم
কপি করা হয়েছে অন্য পেজ থেকে।
❤❤❤তাকে বন্ধু বানান যে আপনাকে জান্নাতে দেখতে না পেলে খুঁজে বেড়াবে......💖💖💖
____________________________________
যেসব বন্ধু আপনাকে মুভি দেখতে নিয়ে যায়,, কনসার্টে নিয়ে যায়,, ইন্টারনেট থেকে লেটেস্ট পর্ন ভিডিও ডাউনলোড করে দেয় এমন বন্ধু পরিত্যাগ করে বরং একজন হলেও ধার্মিক বন্ধু বানান। আপনি জাহান্নামী হলেও আপনার এই ধার্মিক বন্ধুটি অন্তত জান্নাতে আপনার জন্য আল্লাহর কাছে সুপারিশ করবে ইনশাআল্লাহ।
"শাইখ আব্দুর রহমান আরিফী [হাফিযাহুল্লাহ] একবার ওনার এক লেকচারে একটা ঘটনা বলেছিলেন...
হাসান আল বাসরী [রহিমাহুল্লাহ] বলেছেন,, তোমরা পৃথিবীতে ভাল মানুষদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখতে তৎপর হও, কারন এই সম্পর্কের কারণে হয়তো তোমরা আখিরাতে উপকৃত হতে পারবে।
তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো কিভাবে?
তিনি বললেন যখন জান্নাতিরা জান্নাতে অধিষ্ঠিত হয়ে যাবে তখন তারা পৃথিবীর ঘটনা স্মরণ করবে এবং তাদের পৃথিবীর বন্ধুদের কথা মনে পড়ে যাবে। তারা বলবে, আমিতো আমার সেই বন্ধুকে জান্নাতে দেখছিনা... কি করেছিল সে?
তখন বলা হবে,, সেতো জাহান্নামে।
তখন সেই মু'মিন ব্যাক্তি আল্লাহর কাছে বলবেন,, হে আল্লাহ, আমার বন্ধুকে ছাড়া আমার কাছে জান্নাতের আনন্দ পরিপূর্ণ হচ্ছেনা।
অতঃপর আল্লাহ সুবহানু ওয়া তাআলা আদেশ করবেন অমুক ব্যাক্তিকে জাহান্নাম থেকে বের করে জান্নাতে প্রবেশ করাতে।
তার বন্ধু জাহান্নাম থেকে রক্ষা পেল এই কারনে নয় যে সে তাহাজ্জুদ পড়তো, বা কুরআন পড়তো বা সাদাকাহ করতো বা রোজা রাখতো, বরং সে মুক্তি পেল কেবলই এই কারণে যে তার বন্ধু তার কথা স্মরণ করেছে। তার জান্নাতী বন্ধুর সম্মানের খাতিরে তাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেয়া হল......সুবাহানআল্লাহ!!
জাহান্নামিরা তখন অত্যন্ত অবাক হয়ে জানতে চাইবে কি কারনে তাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেয়া হল,, তার বাবা কি শহিদ? তার ভাই কি শহিদ? তার জন্য কি কোন ফেরেশতা বা নবী শাফায়াৎ করেছেন?
বলা হবে না,, বরং তার বন্ধু জান্নাতে তার জন্য আল্লাহর কাছে অনুরোধ করেছে।
এই কথা শুনে জাহান্নামিরা আফসোস করে বলবে হায় আজ আমাদের জন্য কোন শাফায়াৎকারি নেই এবং আমাদের কোন সত্যিকারের বন্ধু নেই, যার উল্লেখ আছে এই আয়াতগুলোতে:
"আমাদের কোন সুপারিশকারী নেই। আর কোন সহৃদয় বন্ধুও নেই।" সূরা শু'য়ারা, আয়াত (১০০-১০১)
খুব বেশি বন্ধু নেই আপনার? আর এতো বন্ধুর প্রয়োজনও নেই। এমন একজন হলেই তো যথেষ্ট হয়
নামায পড়ার ফলে আমাদের কি লাভ হবে। আসুন কোরআন থেকে জেনে নেই।
✅ ''যারা আস্থা স্থাপন করেছে আর আল্লাহ্র গুণকীর্তনে যাদের হৃদয় প্রশান্ত হয়।’’ এটি কি নয় যে আল্লাহ্র গুণগানেই হৃদয় প্রশান্তি লাভ করে?
সূরাঃ আর রাদ, আয়াতঃ ২৮
✅ তুমি পাঠ কর ধর্মগ্রন্থ থেকে যা তোমার কাছে প্রত্যাদিষ্ট করা হয়েছে, আর নামায কায়েম কর। নিঃসন্দেহ নামায অশালীনতা ও অন্যায়াচরণ থেকে বিরত রাখে। আর আল্লাহ্র স্মরণই তো সর্বোত্তম। আর আল্লাহ্ জানেন তোমরা যা কর।
সূরাঃ আল আনকাবুত, আয়াতঃ ৪৫
✅ নিঃসন্দেহ মানুষের বেলা -- তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে ব্যস্তসমস্ত করে,
সূরাঃ আল মাআরিজ, আয়াতঃ ১৯
যখন খারাপ অবস্থা তাকে স্পর্শ করে তখন অতীব ব্যথাতুর,
সূরাঃ আল মাআরিজ, আয়াতঃ ২০
আর যখন সচ্ছলতা তাকে স্পর্শ করে তখন হাড়-কিপটে,
সূরাঃ আল মাআরিজ, আয়াতঃ ২১
তারা ব্যতীত যারা মুছল্লী, --
সূরাঃ আল মাআরিজ, আয়াতঃ ২২
যারা তাদের নামাযের প্রতি স্বতঃনিষ্ঠাবান,
সূরাঃ আল মাআরিজ, আয়াতঃ ২৩
আল্লাহ্ আমাদের কবুল করুন।
ইয়া আললাহ আপনি ছাড়া কেউ হেদায়াত দিতে পারে না। আপনি আমাদের মাফ করে দিন আর মৃত্যুর আগে হেদায়াত দিয়ে আপনার প্রিয় বান্দাদের অন্তরভূক্ত করুন।
মেয়েটির নাম "সারাহ", জন্মগতভাবে লেবানিজ। তার বাবা মুসলিম আর মা খ্রিস্টান। তার জীবনের প্রথম ১০ বছর কাটে লেবাননে। এরপর পড়াশোনার জন্য স্বপরিবারে চলে আসেন অস্ট্রেলিয়াতে।
অস্ট্রেলিয়ায় আসার পর প্র্যাক্টিক্যালি ইসলামের সাথে তার সম্পর্ক পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়। তিনি শুধু জানতেন যে তিনি একজন মুসলিমা। কিন্তু তিনি জানতেন না কুরআন কি, সালাত কিভাবে আদায় করতে হয়, অর্থাৎ তার জীবনে ধর্মের কোন প্রভাবই ছিল না। এই সময় তার মা বাবার ডিভোর্স হয়ে যায়। এর কিছুদিন পরে তিনি ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন। তারও কিছুদিন পর তার মা বাবা যার যার মতকরে অস্ট্রেলিয়া ত্যাগ করেন। সারাহ একা রয়ে যান অস্ট্রেলিয়ায়, গ্র্যাজুয়েশন কন্টিনিউ করার জন্য।
নিজের খরচ যোগাতে তিনি সকালে ভার্সিটিতে ক্লাস করেন, সন্ধ্যায় বারে কাজ করেন। বয়ফ্রেন্ডও জুটিয়ে ফেলেন। নিজেকে আস্তে আস্তে ওয়েস্টার্নাইজড কালাচারের সাথে মিশিয়ে ফেলেন। এমনকি হারাম কাজ করতেও সামান্যতম লজ্জাবোধ করতেন না তিনি। কিছুদিন পর নিউজিল্যান্ডের একটি সুন্দরী প্রতিযোগিতায় (beauty pageant) অংশ নিয়ে তিনি চ্যাম্পিয়ন হন। এরপর বিভিন্ন ম্যাগাজিনে মডেল হিসেবে কাজ করতে থাকেন।
এই সময় অস্ট্রেলিয়ায় থাকা এক লেবানিজ ফ্যামিলির সাথে সারাহ-র পরিচয় হয়। শৈশবে শেখা আরবি ভাষা সারাহ ভুলে যাননি। সেই লেবানিজ ফ্যামিলিও আরবিতেই কথা বলতেন। রমজান মাসের কোন একদিনে আমন্ত্রিত হয়ে সারাহ তাদের বাসায় গিয়েছিলেন। পরিবারটি সেদিন টিভিতে একটা ইসলামিক দাওয়াহ অনুষ্ঠান দেখছিলেন যেটি ছিল নম্রতা ও ভদ্রতা সম্পর্কে। সারাহও তাদের সাথে অনুষ্ঠানটি দেখেন। দেখা শেষে সারাহ ভীষণ চিন্তায় পড়ে গেলেন। তিনি সেই চ্যানেলের ওয়েবসাইট থেকে উক্ত অনুষ্ঠানের উপস্থাপক আমর খালিদের ইমেইল অ্যাড্রেস বের করেন। আমর খালিদ ইসলামের একজন দা'ঈ, যার বাড়ি মিশর। সারাহ আমর খালিদকে ইমেইল করে তার নিজের জীবনের ঘটনা এবং অবস্থা খুলে বলেন যা এতক্ষণ আপনারা এখানে পড়লেন। এবং সারাহ ইমেইলের শেষ অংশে জিজ্ঞেস করেন, আল্লাহ্ কি আমাকে ক্ষমা করবেন?
একজন ক্ষুধার্ত মানুষের পাকস্থলি যেমন খাবারের জন্য অপেক্ষা করে, ঠিক তেমনি একজন মানুষও এক সময় তার প্রকৃত মালিকের খোঁজে বের হয়। সারাহ আরও জিজ্ঞেস করেন
সবাইকে পড়ার অনুরোধ...⬇️
➡একজন ডাক্তার,একজন দাঈ,একজন লিজেন্ড
রাহিমাহুল্লাহ
চলুন আমরাও চেষ্টা করি।
ড. আব্দুর রহমান আস সুমাইত (রাহিমাহুল্লাহ)। কানাডার বিখ্যাত McGill University থেকে পোস্ট গ্রাজুয়েট কমপ্লিট করেছেন। একজন কুয়েতী হিসেবে চাইলে খুব সহজেই পারতেন বাকিটা জীবন বিলাসবহুলভাবে কাটিয়ে দিতে। কিন্তু তাঁর জীবনের লক্ষ্য ছিল বড়; উদ্দেশ্য ছিল মানুষকে আল্লাহ্র পথে ডাকা। ছাত্র জীবনে তিনি পকেট খরচ বাঁচিয়ে মানুষকে ইসলামিক বই, লিফলেট গিফট করতেন।
পড়াশুনা শেষ হবার পর পাড়ি জমান সুদূর আফ্রিকায়। আফ্রিকায় মানুষের করুণ জীবন তাঁকে হতবাক করে। তিনি সেখানে এমন মুসলিম দেখতে পেলেন যারা সূরা ফাতিহা পড়তে জানে না, সলাত সম্পর্কে অনেকের কোন ধারণাই নেই। এমন ইমাম দেখতে পেলেন যারা মাসজিদের ভেতরে জিনা করছে অথচ তারা জানে না যে এটা হারাম। এমন গ্রাম দেখতে পেলেন যেখানে খাবার আর বাসস্থানের লোভে সবাই একসাথে মুসলিম থেকে খৃষ্টান হয়ে গিয়েছে! এসব দেখে তিনি তাঁর বাকী জীবনের সবটুকু পরিশ্রম আফ্রিকার জন্য নিবেদিত করেন। প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইসলামের বাণী পৌঁছে দিতে থাকেন। আফ্রিকার রুক্ষ আবহাওয়ায় তাঁর শরীরে মারাত্নক কিছু অসুখ দানা বাঁধে। পর পর তিনবার তিনি কোবরার ছোবল থেকে অল্পের জন্য বেঁচে যান, দু'বার তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়, দু'বার তাকে জেলে বন্দী করা হয় আর অল্পের জন্য সেখান তিনি মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে যান।
কখনো এমন হয়েছে টানা তিনদিন চলে গিয়েছে কিন্তু তিনি পান করার মত কোন পানি পাননি। মানুষের মল-মূত্রে পরিপূর্ণ পুকুরে কাতর হয়ে একটু বিশুদ্ধ পানি খুঁজেছেন। একবার অনেক কষ্ট করে তিনি একটা গ্রামে পৌঁছালেন। কিন্তু গ্রামের প্রধান নেতা তাকে ভেতরে প্রবেশ করতে দিচ্ছিল না। সে বলল, “আমি ততোক্ষণ পর্যন্ত আপনাকে গ্রামে ঢুকতে দিব না, যতোক্ষণ না আপনার রব আমাদের গ্রামে বৃষ্টি না দেয়।” উনি জবাব দিলেন, “আমার কাছে এটা চেয়ে লাভ নেই। এটা আমার কিংবা তোমার হাতে নেই।” তখন গ্রামের মাতব্বর বলল,“তাহলে ভাগো। তোমাদের কোন প্রয়োজন নেই।”
আব্দুর রহমানের মন প্রচণ্ড কষ্টে ছেয়ে গেল। তিনি আকাশের দিকে চেয়ে কাতর হয়ে আল্লাহ্র কাছে দু'আ করলেন। বললেন:
"হে আমার রব! আমার গুনাহের কারণে তোমার বান্দাদেরকে তোমার প্রতি ঈমান আনা থেকে বঞ্চিত করো না।” আকাশ কালো করে বৃষ্টি নামল। পুরো গ্রামবাসী ইসলাম গ্রহণ করল।
তিনি তাঁর জীবনের আরেকটি স্মরণীয় ঘটনার কথা বলেন- আমিন
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Kholadanga, Sadar Jashore
Jessore