MD.NUR ALAM Biswas RONY

MD.NUR ALAM Biswas RONY

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from MD.NUR ALAM Biswas RONY, Photographer, nur pur jessore cantonment, Jessore.

Iam
MD.NUR ALAM Biswas - RONY
& Iam a BANGLADESHi
This is knowledge & Educational page ✅
Since July 2014
[email protected]
http://www.facebook.com/nuralam.rony
id code 144582222236933 যার নেই তার কষ্টটা সহনীয় কিন্তু যে পেয়েও হারাই তার কষ্টটা সারা জীবনের।
আর আমারা যারা পেলামই না বা যেটুকু পেলাম তার পুরোটায় অভিনয় তাদের আসলে হারানোর কষ্টটা সাময়িক।
বুঝবার ক্ষমতা সবার হয় না ............
''রনী নূর''

21/08/2026

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরপর জার্মান কলোনি রুয়ান্ডাকে বেলজিয়ামের রাজাকে উপহারস্বরুপ দিয়ে দেয় জার্মানরা। রুয়ান্ডার জনগোষ্ঠি ছিল রুয়ান্ডিজ ও তাদের মধ্যে কোন জাতিগত বিভেদ ছিল না। বেলজিয়াম রুয়ান্ডাকে কলোনি হিসাবে পেয়ে এক জার্মান বিশেষজ্ঞের তত্ত্ব আনুসারে প্রতিটি ব্যক্তির নাক মাপা শুরু করে স্লাইড ক্যালিপার দিয়ে। নাক মেপে তারা রুয়ান্ডিজ জনগনকে দুইভাগে বিভক্ত করে হুটু ও তুতসি উপজাতি নামে। এতে একই ভাষা, একই সংস্কৃতি ও একই ইতিহাসের ধারক, একই পরিবার, স্বামী স্ত্রী বিভাজিত হয়ে হয়ে যায় ভিন্ন জাতী। এরপর তারা তুতসিদের সমস্থ সুযোগ সুবিধা দিয়ে বাকিদের আত্যাচারী শাসন করে।

বিশ শতকের শেষদিকে যখন রুয়ান্ডা স্বাধীন হয় ও বেলজিয়ানরা চলে যায়, তখন শুরু হয প্রতিশোধের পালা। শুধু ১৯৯৪ সালেই হুটু আর তুতসির পারষ্পরিক হানাহানিতে এক মিলিয়ন মানুষ নিহত হয় যাতে সহায়তা করে আমেরিকা। এক সাম্প্রতিক গবেষনায় জেনেটিক বিশ্লেষনে প্রমাণিত হয় হুটু আর তুতসি ভিন্ন জাতী নয়। ঐ জার্মান তত্ত্ব ভুল ছিল। যেমন ইরাকে ডব্লিউ এম ডি থাকার গোয়েন্দা তথ্য ভুল ছিল অথবা ভিয়েতনামি জাহাজ থেকে আমেরিকান জাহাজের উপর মিসাইল ছোড়া হয়েছে এই রাডার তথ্য ভুল ছিল। লোভ মিথ্যাকে সত্যে পরিণত করে, আসল উদ্দেশ্য সবসময়ই লুটপাট। পশ্চিমারা সবসময় এটা প্রমাণ করে আসছে।

19/08/2026

‘বাবল বয়’ নামে বিশ্বজুড়ে পরিচিত ডেভিড ভেটারের জন্ম ১৯৭১ সালে। তিনি সিভিয়ার কম্বাইন্ড ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি বা এসসিআইডি নামের বিরল এক রোগ নিয়ে জন্মেছিলেন। এই রোগে তার রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা প্রায় কাজই করত না। ফলে সাধারণ সর্দি কিংবা পরিচিত কোনো জীবাণুও তার জন্য প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারত।

তাকে সংক্রমণ থেকে বাঁচাতে জন্মের কিছুদিন পরই চিকিৎসকেরা বিশেষভাবে তৈরি জীবাণুমুক্ত একটি পরিবেশে রাখেন।

এরপর প্রায় ১২ বছর ডেভিডের জীবনের প্রায় সবকিছুই কেটেছে সেই সুরক্ষিত আবরণের ভেতরে। বাইরের পৃথিবী সরাসরি ছুঁয়ে দেখার সুযোগ ছিল না তার...

তবু সেই অস্বাভাবিক জীবনের মধ্যেও ডেভিড অন্যদের মতোই বাঁচতে চেয়েছিল।

সে পড়াশোনা করেছে, খেলেছে, জন্মদিন ও নানা উৎসব উদযাপন করেছে, স্কুলের কাজ করেছে এবং পরিবারের সঙ্গে মূল্যবান সময় কাটিয়েছে। শরীর তাকে সীমাবদ্ধ করে রেখেছিল, কিন্তু তার কৌতূহল ও প্রাণশক্তিকে আটকে রাখা যায়নি।

১৯৮৩ সালে চিকিৎসকেরা শেষবারের মতো চেষ্টা করেন তাকে সেই সুরক্ষিত জগতের বাইরে স্বাভাবিক জীবনের সুযোগ দিতে।

ডেভিডের শরীরে বোনম্যারো প্রতিস্থাপন করা হয়। উদ্দেশ্য ছিল, তার শরীরে কার্যকর রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা তৈরি হবে এবং সে সাধারণ মানুষের মতো জীবনযাপন করতে পারবে।

কিন্তু সেই অস্ত্রোপচারের পর জটিলতা দেখা দেয়। ১৯৮৪ সালে মাত্র ১২ বছর বয়সে ডেভিড মারা যায়।

ডেভিডের ঘটনা গবেষকদের এসসিআইডি সম্পর্কে আরও ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করে। তার চিকিৎসা ও অভিজ্ঞতা পরবর্তী সময়ে এই রোগে আক্রান্ত শিশুদের জন্য উন্নত চিকিৎসাপদ্ধতি তৈরির পথও খুলে দেয়।

ডেভিডের গল্প আজও মনে করিয়ে দেয়, জীবন কতটা ভঙ্গুর হতে পারে। আর একই সঙ্গে মনে করিয়ে দেয় এমন এক শিশুর সাহসের কথা, যে প্রায় পুরো জীবন কাটিয়েছে স্বচ্ছ এক বাবলের ওপারে দাঁড়িয়ে বাইরের পৃথিবীকে ছুঁয়ে দেখার অপেক্ষায়।

17/08/2026

শ্যামলীতে নিজ বাসার গলিতে রিক্সায় কবি শামসুর রাহমান।

আলোকচিত্রী: নাসির আলী মামুন।

কবি শামসুর রাহমানের ২০তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ।
১৭ আগষ্ট ২০০৬ সালে অসাধারণ এই কাব্যপ্রতিভার জীবনাবসান ঘটে। তাঁর জন্ম ১৯২৯ সালে ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার মাহুতটুলীতে। ৭৭ বছরের বর্ণাঢ্যময় জীবনের বড় অংশজুড়েই তিনি নিমগ্ন ছিলেন কবিতা চর্চায়। জীবনানন্দ পরবর্তী বাংলা কবিতা চর্চায় যে কয়েকজন কবির নাম উল্লেখযোগ্য হিসেবে প্রথম সারিতে বিবেচনা করা হয়, শামসুর রাহমান নিঃসন্দেহে তাঁদের মধ্যে অন্যতম। নানা সামাজিক-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কবি শামসুর রাহমানের সরব উপস্থিতি ছিল প্রত্যাশিত ও আকাঙ্ক্ষিত। জীবিত অবস্থায় তিনি বাংলাদেশের শিল্প-সাহিত্যের প্রতীকে পরিণত হয়েছিলেন। মৃত্যুর পরও তাঁর প্রতি মানুষের ভালোবাসা সমানতালে বর্ষিত হয়েছে।

তিনি সাম্প্রদায়িকতা এবং স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে যেমন প্রতিবাদ করেছেন, তেমনি উনিশশো একাত্তরে মহান মুক্তিযুদ্ধকালে স্বাধীনতার আকাঙ্খায় উজ্জীবিত মানুষকে প্রেরণা দিয়েছেন তাঁর সৃষ্টিশীলতায়। ইতিহাসের বাঁকবদলগুলল নিজের কবিতায় ধারণ করতে চেয়েছেন কবি।

প্রয়াণ দিবসে স্বাধীন বাংলাদেশের সবচেয়ে সেলিব্রিটি এই কবির স্মৃতির প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও অসীম ভালোবাসা 🙏❤️

Photos from MD.NUR ALAM Biswas RONY's post 04/08/2026

ভারতীয় সিনেমার কিংবদন্তী বহুমুখী প্রতিভা কিশোর কুমারের জীবনে ৪ সংখ্যাটির অদ্ভত একটা যোগাযোগ। কিশোর কুমার ৪ আগস্ট ৪টার সময় জন্ম গ্রহণ করেন এবং ছিলেন ৪র্থ সন্তান। তিনি জীবনে ৪ টি বিয়ে করেন, চলচ্চিত্র জীবনে তিনি ৪টি বাংলা চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। ১৯২৯খ্রি. ৪ আগষ্ট ছিলো কিশোরের জন্মদিন। মাত্র ৫৮ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ১৯৮৭ সালে ১৩ অক্টোবর মুম্বাইতে মারা যান এই কিংবদন্তী শিল্পী। আর মধুবালা তারও আগে মাত্র ৩৬ বছর বয়েসে। কিশোরের জন্য শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা আগের মতোই আজও। দিনটি ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছেও স্মরণীয়।
কিশোর কুমারের জন্ম মধ্যপ্রদেশের খান্ডোয়ায় হলেও পূর্বপূরুষ সবাই ছিলেন পূর্ববঙ্গের মানুষ। বাবা কুঞ্জলাল গঙ্গোপাধ্যায় পেশায় ছিলেন আইনজীবী। চার ভাই বোনের মধ্যে সবচেয়ে ছোট ছিলেন কিশোর কুমার। অশোক কুমার সবার বড়, তারপর সতী দেবী, অনুপ কুমার ও সর্বকনিষ্ঠ এবং চতুর্থ ছিলেন কিশোর কুমার। তাঁর আসল নাম ছিল আভাস কুমার গঙ্গোপাধ্যায়। তবে মুসলিম নায়িকা মধুবালাকে বিয়ে করার জন্যে তিনি করিম আব্দুল নামও ধারন করেন। যেমনটা আমরা দেখেছি ধর্মেন্দ্র ও হেমামালিনী বিয়ে করার জন্যে হয়ে যান দিলওয়ার খাঁন ও আয়েশা বিবি।
১৯৭৫ এ জরুরি অবস্থার সময় ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভায় গান গাইতে অস্বীকৃতি জানানোয় এক বছরের জন্য দূরদর্শনে নিষিদ্ধ হয়ে যাওযা কিশোর কুমার ছিলেন আলোচিত ব্যাক্তিত্ব। গানের পাশাপাশি অভিনয়, গান লেখা, সুর দেয়া, ছবি প্রযোজনা, পরিচালনা, চিত্রনাট্য লেখা সবই দক্ষতার সাথে পালন করেছিলেন তিনি। কিশোর বাংলা, হিন্দি, মারাঠি, অসমীয়া, গুজরাটি, কন্নড়, ভোজপুরি, মালয়ালম, ওড়িয়া, এবং উর্দু ছাড়াও তিনি তার গানে নানারকম কথ্য অবোধ্য শব্দ চয়নে বেশ কিছু গান গেঁয়েছেন। কিশোর কুমার সর্বমোট ২,৭০৩টি গান গেয়েছেন, যার মধ্যে ১১৮৮টি হিন্দি চলচ্চিত্রে, ১৫৬টি বাংলা এবং ৮টি তেলুগু ভাষায়। কিশোর কুমার সব থেকে বেশী রাজেশ খান্নার জন্য প্রায় ২৪৫ টি গান গেয়েছেন, তারপরই রয়েছেন দেব আনন্দ, জিতেন্দ্র ও অমিতাভ বচ্চন। Aake seedhi lagi dil pe’ গানটিতে ছেলে ও মেয়ের গলায় গেয়েছেন কিশোর কুমার। মেয়ের অংশটি গাওয়ার কথা ছিল লতা মঙ্গেশকরের।
প্রাতিষ্ঠানিক গানের জগতে ‘অশিক্ষিত’ কিশোর জয় করেছিলেন গোটা ভারতবর্ষ। কণ্ঠ যে এতটা প্রাণময় হতে পারে, তা কিশোর কুমারের গান না শুনলে বোঝা কঠিন। কী আনন্দ, কী বেদনা— প্রকাশ ঘটেছে অনায়াসে।

10/07/2026
10/07/2026

১৯৮২ সালে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ ফ্লাইট ৯ ইন্দোনেশিয়ার আকাশে আগ্নেয়গিরির ছাইয়ের মেঘে ঢুকে পড়লে বোয়িং ৭৪৭ বিমানের চারটি ইঞ্জিনই বন্ধ হয়ে যায়। তখন ক্যাপ্টেন এরিক মুডি যাত্রীদের উদ্দেশে শান্তভাবে ঘোষণা দেন, “Ladies and gentlemen, this is your captain speaking. We have a small problem. All four engines have stopped.” বিমানটি হাজার হাজার ফুট নিচে গ্লাইড করার পর ছাইয়ের মেঘ থেকে বেরিয়ে এলে একে একে সব ইঞ্জিন আবার চালু হয় এবং বিমানটি নিরাপদে জাকার্তায় অবতরণ করে।

10/07/2026

টট্টির এই ছবিটা আইকনিক। পেছনের গল্পটাও রোমের সম্রাটের ক্যারিয়ারের মতই মিথিক।

২০১৬-১৭ সিজন। টট্টির ক্যারিয়ারের শেষ সিজন, রোমের সম্রাট তখনো রোমাতেই খেলে যাচ্ছেন, যেমন খেলে এসেছেন ২৫টা বছর ধরে। ৪০ বছর বয়সী টট্টি তখন বেঞ্চ থেকেই আসেন খেলতে।

এমনই একদিন সাম্পদোরিয়ার সাথে সিরিএ ম্যাচ। ফার্স্ট হাফে রোমার হয়ে নিয়ার পোস্ট হেডে গোল করেন ২৪ বছর বয়সী মো সালাহ, কিন্তু ২ গোল খেয়ে ফার্স্ট হাফেই পিছিয়ে পড়ে রোমা। এরপর শুরু হয় তীব্র ঝড়বৃষ্টি। ম্যাচ সাসপেন্ড হওয়ার মত কন্ডিশন।

সবাই ফিরে গেছে ড্রেসিংরুমে। কিন্তু সেই ফাঁকা মাঠের পাশেও মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যে ওয়ার্মআপ করে যাচ্ছে একজোড়া ৪০ বছর বয়স্ক পা। যদি ম্যাচ শুরু হওয়ার বিন্দুমাত্র সম্ভাবনাও থাকে, রোমাকে বাঁচাতে রোমের সম্রাটকে যে আসতেই হবে বেঞ্চ থেকে। সবাই ড্রেসিংরুমে গেলেও সাইডলাইনে তাই নিজেকে তৈরি করছিলেন ফ্রান্সেস্কো টট্টি।

এক ঘন্টা দেরিতে শুরু হল সেকেন্ড হাফ। টট্টি নামলেন মাঠে, নিজের ক্লাবকে জেতাতে। ৬১ মিনিটে লেফট মিড থেকে লং বলে অ্যাসিস্ট করলেন বেঞ্চ থেকে নামা আরেক স্ট্রাইকার এডিন জেকোকে। রোমা সমতায়।

কিন্তু টট্টির কাজ তখনো বাকি। এক্সট্রা টাইমে বক্সে ফাউল আদায় করলেন জেকো, পেনাল্টি নিতে এগিয়ে এলেন টট্টি। গোলকিপারকে ভুল দিকে পাঠিয়ে বটম কর্নার ফিনিশ। শেষ বয়সে এসেও রোমের জেতার ভরসা সেই টট্টিই। অ্যাডভার্টাইজ বোর্ড ডিঙিয়ে দুহাত মেলে ছুটলেন রোমের মানুষের দিকে।

টট্টি কতটা ভালোবাসতেন রোমাকে তার অসংখ্য প্রমাণের একটা সেদিনের ওয়ার্মআপ। ম্যাচ হবে নাকি ঠিক নেই, তবু নিজের প্রাণের ক্লাবকে জেতানোর ছোট্ট একটা সুযোগের আশা তাকে ড্রেসিংরুমে থাকতে দেয়নি অঝোর শ্রাবণধারার মাঝেও।

রোমের লোকেরা কেন টট্টিকে পোপ মানত, কেন নাপোলিতে ম্যারাডোনার ঐশ্বরিক রূপের সাথে রোমের টট্টিরই তুলনা করা যায়, এসব তারই জবাব।

“Totti is Rome, and Rome is Totti.”
সংগ্রহীত পোস্ট

04/06/2026

পিএইচডি করতে তিনি পাড়ি দিয়েছিলেন জার্মানি | যে বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করতেন সেই সময়ে আইনস্টাইন সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। একবার সেই শহরে এক কৌতুক প্রতিযোগিতার আয়োজন হল | স্থানীয় জার্মান ভাষায় | আর সেই প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান পেলেন এক বাঙালি | ভাবা যায় !
একবার এক রাষ্ট্রদূত তাঁর সাথে সাক্ষাত করে আলাপ করলেন। পরে সেই রাষ্ট্রদূত বলেছিলেন, “আমি জীবনে এত অল্প সময়ের মধ্যে পৃথিবীর এত বিষয়ে আলাপ শুনি নাই, যেটা উনি আমাকে শুনিয়েছিলেন অল্প কয়েক ঘন্টার মধ্যে।"
১৭ টি ভাষা ছিল তাঁর দখলে | ১৭ টি ভাষাতেই তিনি কথা থেকে শুরু করে লিখতে পর্যন্ত পারতেন | "গীতা" সম্পূর্ণ মুখস্থ | কবিগুরুর "গীতবিতান" শেষ থেকে শুরু সম্পূর্ণ মুখস্থ | একবার এক অনুষ্ঠানে এক পুরোহিত সংস্কৃত ভাষায় গীতা সম্বন্ধে বক্তব্য রাখছিলেন | উনি ধরে ফেললেন কিছু জায়গায় ভুল বলেছেন ওই পুরোহিত | দাঁড়িয়ে সমস্ত বক্তব্য মূল সংস্কৃত ভাষায় কী হবে তা মুখস্থ বলে গেলেন | উপস্থিত দর্শকেরা হতবাক |
তিনি সৈয়দ মুজতবা আলী | হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় "বঙ্গীয় শব্দকোষ” রচনা করেছিলেন | সেই হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় মারা যাবার পূর্বে বলেছিল, “আমার অভিধান যদি কোনো সময় সংশোধন করার প্রয়োজন হয় তাহলে যেন সৈয়দ মুজতবা আলী সেটা করে।” এর মাধ্যমেই বোঝা যায় সৈয়দ মুজতবা আলী-র বাংলা ভাষায় কত গভীর দখল ছিল |
আদ্যন্ত ধর্ম নিরপেক্ষ মানুষ ছিলেন সৈয়দ মুজতবা আলী | জাত ধর্ম নয় | মনুষ্যত্বের শিক্ষাই ছিল তাঁর আদর্শ | কটাক্ষের শিকার হতেন প্রায়ই | অনেকেই বলত,‘মুজতবা আলীর ধর্ম নিরপেক্ষ উদার দৃষ্টিভঙ্গি একটা আইওয়াশ, আসলে আলী একজন ধুরন্ধর পাকিস্তানি এজেন্ট।’ আক্ষেপ করে লেখক শংকরকে বলেছিলেন, ‘এক একটা লোক থাকে যে সব জায়গায় ছন্দপতন ঘটায়, আমি বোধহয় সেই রকম লোক।’
রসবোধ ছিল খুব বেশি | মৃত্যুর আগে অবধিও তা বজায় ছিল | বলেছিলেন,"আমার মৃত্যুর পর সবাইকে বলবে আলী সাহেব তার বেস্ট বইটা লেখার কথা ভাবছিলেন। কিন্তু কী করবেন, উনার তো প্যারালাইসিস হয়ে ডান হাতটা অবশ হয়ে গেল। হাতটা ভালো থাকলে তিনি দেখিয়ে দিতেন সৈয়দ মুজতবা আলীর বেস্ট বই কাকে বলে।"
তাঁর লেখা পড়লে অনুধাবন করা যায় তাঁর লেখনীর গভীরতা, তাঁর জীবনতৃষ্ণার প্রতি ভালবাসা। সৈয়দ মুজতবা আলী-র মত সাহিত্যিক বাংলা সাহিত্যে বিরল |
কিংবদন্তি সাহিত্যিক সৈয়দ মুজতবা আলী-কে অবিরাম শ্রদ্ধা |

28/05/2026

ঈদ মোবারক 🌙😍🎇

18/05/2026

ছবিটি স্কটল্যান্ডের এডিনবার্গের কাছে অবস্থিত বিখ্যাত লিনলিথগো প্রাসাদের (Linlithgow Palace) ভেতরের আঙিনা বা গ্রেট কোর্টইয়ার্ডের (Great Courtyard)।

★প্রাসাদের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস★

★​রানী মেরি-র জন্মস্থান: এই লিনলিথগো প্রাসাদটি ইতিহাসের পাতায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানেই ১৫৪২ সালে স্কটল্যান্ডের বিখ্যাত রানী 'মেরি, কুইন অব স্কটস' (Mary, Queen of Scots) জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

★​রাজকীয় বাসভবন: ১৫ এবং ১৬ শতকে স্কটল্যান্ডের স্টুয়ার্ট (Stewart) রাজপরিবারের রাজাদের এটি অন্যতম প্রধান এবং বিলাসবহুল বাসস্থান ছিল।

এডিনবার্গ দুর্গ এবং স্টার্লিং দুর্গের মাঝামাঝি হওয়ায় যাতায়াতের পথে রাজারা এখানে অবস্থান করতেন।

★​ধ্বং*সের ইতিহাস: ১৭৪৬ সালে একটি ভয়াবহ অ*গ্নি*কাণ্ডের শিকার হয় এই প্রাসাদটি। এরপর থেকে এটি আর পুরোপুরি পুনর্নির্মাণ করা হয়নি, তবে এর ধ্বং*সাবশেষ অত্যন্ত যত্ন সহকারে এখনও টিকিয়ে রাখা হয়েছে।
​

Category

Telephone

Website

Address


Nur Pur Jessore Cantonment
Jessore
7400