Hunafa Islamic School
Hunafa Islamic School
আর অবশ্যই আমি তোমাদের পূর্বে বহু প্রজন্মকে ধ্বংস করেছি, যখন তারা জুলুম করেছিল।
- সূরা ইউনুস, আয়াত :১৩।
.
19/01/2024
জুমাবার মুসলমানদের কাছে একটি কাঙ্ক্ষিত দিন। অধিক মর্যাদাসম্পন্ন এই দিনকে সাপ্তাহিক ঈদ বলা হয়েছে হাদিসে। ‘আল জুমা’ নামে পবিত্র কুরআনে একটি স্বতন্ত্র সুরা আছে। জুমার দিনে মুমিনদের জন্য বিশেষ কিছু আমলের কথা বলা আছে হাদিসে। এর মধ্যে একটি আমল হচ্ছে দরুদ পাঠ তথা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ইসলামের জন্য শান্তি ও রহমতের দুআ করা।
হাদিসে এসেছে ‘তোমরা জুমার দিনে আমার ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করো, কেননা তোমাদের পাঠকৃত দরুদ আমার সামনে পেশ করা হয়। (আবু দাউদ: ১০৪৭)
হাদিসে কুদসিতে মহানবী (স.) ইরশাদ করেছেন—
‘তোমরা জুমার দিনে বেশি বেশি দরুদ পড়ো। কারণ, জিব্রাইল (আ.) এইমাত্র আল্লাহ তায়ালার বাণী নিয়ে হাজির হলেন। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, “পৃথিবীতে যখন কোনো মুসলমান আপনার ওপর একবার দরুদ পড়ে, আমি তার ওপর দশবার রহমত নাজিল করি এবং আমার সব ফেরেশতা তার জন্য দশবার ইস্তেগফার করে।’’ (তারগিব: ৩/২৯৯)
জুমার দিনের এই বিশেষ আমল সম্পর্কে হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণিত হাদিসে আল্লাহর রাসুল (স.) আরো ইরশাদ করেন—
‘যে ব্যক্তি জুমার দিন আসর নামাজের পর ওই স্থানে বসা অবস্থায় ৮০ বার নিম্নে উল্লেখিত দরুদ শরিফ পাঠ করবে, তার ৮০ বছরের গুনাহ মাফ এবং ৮০ বছরের নফল ইবাদতের সওয়াব তার আমলনামায় লেখা হবে’ (আফদালুস সালাওয়াত: ২৬)। দরুদটি হলো—
اللهم صل على محمد النبي الأمي وعلى آله وسلم تسليمًا
‘আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিনিন নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি ওয়া আলা আলিহী ওয়াসাল্লিম তাসলীমা’
অন্য হাদিসে হজরত আলি (রা.) বর্ণনা করেন, ‘যে ব্যক্তি নবী কারিম (স.)-এর ওপর জুমার দিন ১০০ বার দরুদ পাঠ করে, সে কেয়ামতের দিন এমন অবস্থায় উঠবে যে, তার চেহারায় নূরের জ্যোতি দেখে লোকেরা বলাবলি করতে থাকবে এই ব্যক্তি কী আমল করেছিল!’ (কানজুল উম্মাল: ১৭৪)
আবু উমামা (রা.) বর্ণিত হাদিসে রাসুল (স.) বলেন, ‘আমার ওপর জুমার দিন বেশি বেশি দরুদ পাঠ করো। কারণ আমার উম্মতের দরুদ জুমার দিন আমার কাছে পৌঁছানো হয়। যে ব্যক্তি আমার ওপর সবচেয়ে বেশি দরুদ পাঠাবে, সে ব্যক্তি কেয়ামতের দিন সবচেয়ে আমার নিকটতম হবে।’ (তারগিব: ১৫৭)
সুতরাং হাদিসে উল্লেখিত ফজিলত লাভের জন্য বিশেষ করে জুমার দিনে বেশি বেশি দরুদ পাঠ সকল মুসলমানের জন্য বাঞ্ছনীয়। অন্য দিনেও দরুদ পাঠের গুরুত্ব অসীম। আল্লাহর রহমত পেতে হলে রাসুলুল্লাহ (স.)-এর ওপর দরুদ পড়ার বিকল্প নেই।
মহান আল্লাহও প্রিয়নবীর ওপর দরুদ অবতীর্ণ করেন, ফেরেশতারাও নবী (স.)-এর প্রতি রহমত ও বরকত কামনা করেন। ‘হে মুমিন! তোমরাও তাঁর ওপর দরুদ পাঠ করো এবং সালাম প্রেরণ করো।’ (সুরা আহজাব: ৫৬)
আল্লাহ তায়ালা মুসললিম উম্মাহকে নবী করিম (স.)-এর প্রতি বেশি বেশি দরুদ পাঠের তওফিক দান করুন। আমিন।
ছবি- আমার সন্তানদের একাংশকে সাথে নিয়ে আজ জুমার সালাত আদায় করে ফেরার পথে।
#যারা_প্রথমবার_ওমরাহ_করতে_যাবেন_তাদের_জন্য_ছোট্ট_নাসিহা!
যারা প্রথমবারের মত ওমরাহ করতে যাবেন, তাদের কাছে একটি ছোট অনুরোধ। আপনার শুধু টাকা থাকলেই, জাম্প করে ওমরাহতে চলে যেয়েন না। যাওয়ার আগে নীচের কাজগুলো করুনঃ
১। নিজেকে প্রশ্ন করুনঃ কেন আপনি ওমরাহ করতে যেতে চান?
২। ওমরাহ কি? জানুন।
৩। হারাম শরীফ (ক্বাবা ঘর) এর ব্যাপারে জানুন।
৪। তাওয়াফ করার উদ্দ্যেশ্য কি?
৫। কেন সা-ঈ করা হয়? কি হয়েছিলো এখানে?
৬। ক্বাবা ঘর এবং ওমরাহের সকল এক্টিভিটিসের হিস্ট্রী জানুন।
৭। কেন "হাজরে আসওয়াদে" চুমু খাবেন?
৮। মদিনার ব্যাপারে জানুন।
৯। নবীজির (সাঃ) রওজার ব্যাপারে জানুন।
১০। সেখানকার আদবের ব্যাপারে জানুন।
১১। দুই হারামশরীফের (মক্কা ও মদীনা) ব্যাপারে ভালোভাবে ধারণা নিয়ে নিন।
১২। হারামশরীফে আমল করলে কতটা নেকি/সাওয়াব পাওয়া যায়, সে ব্যাপারে জানুন।
আপনি যদি কোন কিছু না জেনেই ওমরাহ/হাজ্জ করতে চলে যান, তাহলে এমন সম্ভাবনা আছে যে, আপনার শুধু সেখানে যাওয়া-আসা-ই হবে। মনে হবে এখানে কেন এলাম? কেন মানুষ এই কালো ঘরটিকে (ক্বাবা) চক্কর দিচ্ছে? আপনার কাছে এগুলো মিনিংফুল মনে হবে না।
এভাবে চিন্তা করুন, আপনি যখন ফ্যামিলি বা বন্ধুবান্ধবদের সাথে নতুন কোথাও ঘুরতে যান, হোক সেটা দেশের ভেতর বা দেশের বাহিরে, আপনি কিন্তু অনলাইনে সেখানে কি কি দেখার আছে, কোথায় কি করা যায়, কিভাবে করা যায়, এসব ব্যাপারে অনেক ধারণা নেন।
তাহলে কেন ওমরাহ/হাজ্জ করতে গেলে, কিছু না জেনেই চলে যাবেন? সম্ভব হলে ❝নবীজির (সাঃ) সীরাত/জীবনী❞ পড়ে নিবেন যাওয়ার আগে।
অনেক বছর আগে আমার পরিচিত এক ভাই হঠাত করেই পরিবার নিয়ে ওমরাহ করতে যান। এবং ফিরে এসে বলেন যে, তিনি ঠিক বুঝতে পারেননি যে, কেন মানুষ এই কালো ঘরটিকে (ক্বাবা ঘর) চক্কর (তাওয়াফ) দেয়। আফসোস!
আর মানুষের মধ্যে হজ্বের জন্যে ঘোষণা প্রচার কর। তারা তোমার কাছে আসবে পায়ে হেঁটে এবং সর্বপ্রকার কৃশকায় উটের পিঠে সওয়ার হয়ে দূর-দূরান্ত থেকে। [সূরা: হাজ্জ, আয়াত: ২৭]
31/01/2023
বদর ময়দান 💖
22/11/2022
শুধু দিনের তরে পরিচয়।
চলার পথে ক্ষনিক দেখা
নয় তো কোনো অভিনয়;
শুধু রবের দয়াতেই হয়।
Alamin Saki❤️
Abbas Uddinb❤️
Abu Ayman gunobi❤️
Kamal Uddin Younusi❤️
Ataur Rahman Bikrompuri♥️
19/11/2022
মিনা উপত্যকা 🩷
নিঃসন্দেহে সর্বপ্রথম ঘর যা মানুষের জন্যে নির্ধারিত হয়েছে, সেটাই হচ্ছে এ ঘর, যা মক্কায় অবস্থিত এবং সারা জাহানের মানুষের জন্য হেদায়েত ও বরকতময়। [সূরা: আলে ইমরান, আয়াত: ৯৬]
14/10/2022
মসজিদে নববী সাল্লাল্লাহু আলা ছাহিবিহী ওয়াসাল্লাম ♥️
28/09/2022
আরাফাতের ময়দান ❤️
30/08/2022
💝💝💝
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Jessore