Travel With Rimon

Travel With Rimon

Share

Exploring the Nature, capturing and sharing.

02/07/2024

রিমনের পায়ে হেঁটে দেশ ভ্রমণ || ২য় দিনঃ (১০ অক্টোবর ২০২০)

29/06/2024

রিমনের পায়ে হেঁটে দেশ ভ্রমণ || ১ম দিনঃ (৯ অক্টোবর ২০২০)

Photos from Travel With Rimon's post 06/03/2022

Shaiful Islam Shanto ভাই একজন হাইকার। সে অনেক অভিজ্ঞতা সম্পন্ন একজন মানুষ। সে #পায়ে_হেঁটে_৬৪_জেলা_ভ্রমণ করছেন। সে গত ৩-২-২০২২ আমার জেলা #যশোরে আসছিলেন। রাতে আমার বাসায় তাকে রেখেছিলাম। অনেক ভালো মনের মানুষ সে। রাতে তার সাথে কথা বলে তার রুট দেখে নিলাম। সকালে সে #কেশবপুর উপজেলা পর্যন্ত যাবে। সেখানে আমার নানা বাসা। তাই তার সাথে কেশবপুর উপজেলা পর্যন্ত যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম।আমি এক বছরের বেশি সময় কোনো রকম হাটাহাটি করিনি। শরীর ভাড়ি হয়ে গেছে। এর মধ্যে আমার হাইকিং এর স্যান্ডেল বের করে দেখি সেটাও পড়ার মত অবস্থা নেই। বাধ্য হয়ে চামড়ার স্যান্ডেল পড়ে বের হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। তার পর ৪ তারিখ সকালে তাকে সাথে করে #বাঘারপাড়া উপজেলার ধলগা রাস্তার মোড়ে গেলাম। গতদিন সে ওখানে শেষ করেছিল। ধলগা রাস্তার মোড় থেকে শুরু করলাম আমাদের হাইকিং। গল্প করতে করতে ভালোই সময় যাচ্ছিলো। দুপুরে #রূপদিয়া বাজারে লাঞ্চ সেড়ে নিলাম। তারপর আবারও #হাইকিং শুরু করলাম বেশ কিছু দূর হাঁটার পরে আমার ডিহাইড্রেশন এর সিন্ট্রম দেখা দিলো। আমি থেমে গেলাম। কিন্তু সে আমার কথা ভেবে ৫ মিনিট থেমে গেলো। তারপর আমার স্বারিরিক অবস্থা খারাপ থাকায় আমি একটা ভ্যানে চড়ে ৬ কিমি পথ আগে চলে গিয়ে একটা চায়ের দোকানে রেস্ট নিলাম। এর মধ্যে সে চলে আসলো।আমি তাকে হাটতে থাকতে বললাম। আমি আরও কিছু সময় রেস্ট নিয়ে আবারও হাটা শুরু করে মনিরামপুর বাজারে গিয়ে তাকে পেলাম। এর পর এক সাথে অনেক দূর হাটার পরে আমার প্রচুর #ক্ষুধা লাগলো আমি হালকা নাস্তা করলাম। কিন্তু শান্ত ভাই পানি ছাড়া কিছুই খেলো না। এর পর লাউড়ি মোড়ে গিয়ে আমার পা আর হাটতে চাইলো না।৪০ কিমি টোটাল হাঁটলো শান্ত ভাই। সে আরও ২০ কিমি হাটতে পারবে। আমি হেটেছি ৩৪ কিমি। যায় হোক আমি যখন হাইকিং করতাম ভোরে বের হতাম যাতে পথে দুই তিন ঘন্টা রেস্ট নিতে পারি। এক টানা হাটিনি। খুবই অবাক লাগলো শান্ত ভাই রে দেখে তার রেস্ট প্রয়োজন হয় না। তাকে আমি ক্লান্ত অনুভব করতে দেখিনি। তার নাস্তা খাওয়ার প্রয়োজন হয় না। আসলেই সে আইরোন ম্যান। তার মত সিনিয়র একজন হাইকারের সাথে একদিন কাটালান। অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। তার পরামর্শ গুলো আমার আগামী হাইকিং এর সময় অনেক কাজে লাগবে।

03/03/2022

#কুমিল্লার সন্তান Saiful Islam Shanto ভাই আমার মতো #ভ্রমণ_প্রেমিক হাসি খুশি একজন মানুষ। কিন্তু সে ভ্রমণ দিষয়ে আমার থেকে অভিজ্ঞ। তিনি #পায়ে_হেঁটে_৬৪_জেলা_ভ্রমণ করার উদ্দেশ্যে #ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু করে আজ জেলা #যশোরে এসে পৌছান। আগে থেকে আমার তাকে দাওয়াত দিয়ে রাখা ছিল। তিনি আমার দাওয়াত কবুল করেন এবং আমার বাসায় রাত্রি যাপন করছেন। আগামীকাল আমি একদিনের জন্য তার ভ্রমণ পথের সাথী হবো ইনশাআল্লাহ। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন তিনি যাতে বাকি জেলা গুলো দ্রুত শেষ করে সুস্থ ভাবে বাবা,মা এর কাছে ফিরে যেতে পারেন।

Photos from Travel With Rimon's post 24/12/2021

্ব / িনঃ
১৭-১১-২০২০

গতকাল ১৬-১১-২০২০ আমি ভোরে উঠতে পারিনি। মোবাইলে এলার্ম দিয়া ছিল তার পরেও কিছুই শুনতে পাইনি। যখন ঘুম ভাংলো ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলাম সকাল ১০ টা বেজে ১৭ মিনিট। কি আর করার উঠে ফ্রেশ হয়ে বাইরে গেলাম। খুব ক্ষুধা পেয়েছিল একটা হোটেলে নাস্তা করলাম। তারপর রুমে এসে বিশ্রাম নিয়ে আবারও ১ টার দিকে গিয়ে একটা হোটেল থেকে গরুর মাংস দিয়ে ভাত খেয়ে রুমে এসে ঘুমালাম। সন্ধ্যায় উঠে আসপাশে হাটা চলা করে একবারে রাতের খাবার খেয়ে রুমে এসে ফেসবুকে ঢুকলাম। রাতে কুষ্টিয়ার Hasan Imam নামের এক ভাই আমাকে ফেসবুকে ম্যাসেজ করেন যে সে আমার সাথে অনেকটা পথ হাটবে।আমি তাকে #স্বাগতম জানালাম।

১৭-১১-২০২০
সকালে ঘুম থেকে উঠে হাসান ভাই এর সাথে যোগাযোগ করলাম তারপর আমরা পাচ রাস্তার মোড়ে মিট করলাম। পরিচয় পর্ব শেষ করে দুইজনে চা খেয়ে হাটা শুরু করলাম। হাসান ইমাম ভাই অনেক #অভিজ্ঞ মানুষ। সে আগেও #হাইকিং করেছে। প্রথমে আমরা কিছু দূর হেটে রেইল লাইন ধরে হাটা শুরু করে #লালন_শাহের_মাজারে গেলাম সেখানে কিছু সময় ঘোরাঘুরি করে একটা চায়ের দোকানে ঢুকে হালকা নাস্তা করে আবারও হাটা শুরু করলাম।কিছুটা পথ রেইল লাইন ধরে হেটে #ঢাকা-কুষ্টিয়া_মহাসড়ক দিয়ে হাটা শুরু করলাম। #মীর_মশাররফ_হোসেন সেতুর কিছুটা আগে আমরা কিছু সময় আর একজন ভাই এর জন্য অপেক্ষা করলাম।হাসান ইমাম ভাই এর এক ছোট ভাই #বাহাদুর ভাই। অল্প সময়ের মধ্যে সে আমাদের সাথে যোগ দিলেন।সে তার জীবনে প্রথম এতোটা পথ হাটবে। তারপর আমরা গল্পে গল্পে সেতু পার হয়ে #আলাউদ্দিন_মোড় থেকে বায়ে কিছুটা সামনে গিয়ে একটা চায়ের দোকানে চা খেলাম। তারপর আবার হাঁটতে হাঁটতে #বিশ্বকবি_রবীন্দ্রনাথ_ঠাকুরের #জন্মস্থান #শিলায়দাহে #কুঠি_বাড়িতে গেলাম। মাঝ পথে আমরা তিন জনে খুব মজা করলাম। মাত্র কয়েক ঘন্টার পরিচয় আমাদের। কিন্তু মনে হল অনেক দিনের বন্ধুত্ব। গল্প করতে করতে হাসান ইমাম ভাই তার একটা বড় অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করলেন। #হাইকিং এর জগতের সবথেকে #অভিজ্ঞ একজন ভাই #বাবর_আলী ভাই আমাদের বড় ভাই তিনি েলা_ভ্রমণ এর সময় যখন #কুষ্টিয়ায় এসেছিলেন তখন হাসান ইমাম ভাই তারও #ভ্রমণ_সাথী হয়েছিলেন। হাসান ইমাম ভাই আমাদের দুপুরের লাঞ্চ করালেন। #কুঠি_বাড়ি ঘুড়ে আমরা #পদ্মার পাড়ে গেলাম। আমি তাদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে #নৌকায় উঠলাম। বিদায় বেলায় হাসান ইমাম ভাই আমাকে কিছু #উপহার দিলেন। আর আমাকে এক বক্স #চকলেট দিলেন িশুদের দেওয়ার জন্য। তাদের বিদায় নিতে খারাপ লাগছিলো। যেতে দিতে নাহি চাই, তবু যেতে হয়। অনেক অনেক #ধন্যবাদ #হাসান_ইমাম ভাই এর #বাহাদুর ভাইকে আমার ভ্রমণ পথের #সাথী হওয়ার জন্য, এমন একটা সুন্দর মূহুর্ত উপহার দেওয়ার জন্য ও তার দেওয়া সুন্দর #উপহারের জন্য। অনেক অনেক শুভকামনা রইল আপনাদের প্রতি। বাকি পথটা একাই হাঁটতে হল। #নদী পার হয়ে পাবনা বড় বাজার রোড ধরে হাঁটতে থাকলাম। #চেয়ারম্যান_মোড় হয়ে #গোবিন্দপুর হয়ে #কোমরপুর_বাজারে গিয়ে একটা চায়ের দোকানে বসে চা খেতে খেতে #ফেসবুক অন করলাম। আগে আমি পাবনার কয়েকটি গ্রুপে পোস্ট করেছিলাম। সেখান থেকে তিন জন আমাকে দাওয়াত দিছিলো তার মধ্যে দুই জন আমার রাতে থাকার ব্যবস্থা করবে বলে আশ্বস্ত করেছিল। আমি তিন জনের কাছে ফোন করলাম এবং আমি আমার অবস্থান তাদেরকে জানালাম। তারা একই কথা বলল যে শহরে এসে ফোন দিয়েন আমরা অপেক্ষায় আছি। তারপর আমি আবার হাটা শুরু করলাম। হেঁটে #দ্বীপচর_বাজার হয়ে #পাবনা_সিটি_বাইপাস হয়ে #পাবনা_শহরে পৌছালাম। এরপর তিন জনকে ফোন করলাম। প্রথমজন উত্তর দিলো আমি শহরের বাইরে চলে এসেছি যদি কোন সমস্যা মনে হয় আমার সাথে যোগাযোগ করেন। দ্বিতীয়জন ফোন ধরলো না। অনেক বার ফোন করলাম রিসিভ করলো না। তৃতীয়জন উত্তর দিলো আমার বাসা শহরের বাহিরে এখন দেখা করা সম্ভব না। আমি খুবই ক্লান্ত ছিলাম একটা হোটেলে ঢুকে রাতের খাবার সেড়ে নিলাম। এরপর এটা আবাসিক হোটেলের সন্ধান করার জন্য বের হলাম ঠিক তখনই সোহেল রানা নামের এক ভাই আমাকে কল দিলেন সে বর্তমানে পাবনাতে নাই। তার কাছের এক ছোট ভাই সম্রাট ভাই এর সাথে আমার ফোনে কন্ট্রাক করায় দিলেন। রাতে সম্রাট ভাই এর কাছে থেকে গেলাম। #সোহেল_রানা ভাই আর #সম্রাট ভাই এর প্রতি রইল অনেক #ধন্যবাদ ও #শুভকামনা। আমকে সাহায্য করার জন্য। আজকে সব মিলিয়ে ভালো খারাপ দুই রকম অভিজ্ঞতা হলো। রাত্রে সম্রাট ভাইয়ের সাথে খাওয়া-দাওয়া সেরে কিছু সময় আড্ডা দিয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম।

Photos from Travel With Rimon's post 23/12/2021

্ব / #৪র্থ_দিনঃ
১৫-১১-২০২০

ভোরে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে আংকেলের সাথে নাস্তা করতে করতে কিছু সময় গল্প করলাম। তিনি আমাকে উপহার স্বরূপ কিছু টাকা দিলেন। তারপর তাদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বের হয়ে #গাংনী বাস স্টান্ড থেকে হাটা শুরু করি।আমার দেখা যতগুলো উপজেলা আছে তার মধ্যে #গাংনী_পরিষ্কার_পরিচ্ছন্ন_উপজেলা। হাঁটতে হাঁটতে #কুষ্টিয়া_মেহেরপুর হাইওয়ে ধরে #জোড়পুকুরিয়া_বাজারে পৌছালাম। সেখানে একটা হোটেলে লুচি দেখে ঢুকে পড়লাম। লুচি আর মিষ্টি খেয়ে আবার হাটা শুরু করলাম। রাস্তার অবস্থা খুব একটা সুবিধার না। অনেক ভাঙাচোরা ও সরু। অনেক বড় বড় গাড়ি চলে রাস্তায়। পথচারীদের হাঁটার মতো জায়গা নেই রাস্তার পাশে। বড়ো গাড়ি সাইট দিয়ে দিয়ে হাঁটতে কষ্ট হয়ে গেল। হাঁটতে হাঁটতে #তেরাইল_জোড়পুকুরিয়া_ডিগ্রী_কলেজের সামনে এসে একটা গাছের নিচে বসে কিছু সময় বিশ্রাম নিলাম। সেখানে একজন মধ্যবয়সী কৃষক আসলো এবং সে তার সহজ সরল মনে আমাকে জিজ্ঞেস করলো তোমাকে দেখে মনে হচ্ছে তুমি খুব ক্লান্ত তুমিতো এই গ্রামের লোক না। কার বাসায় বেড়াতে এসেছো? আমি তাকে সব কিছু বললাম।কিন্তু সে বিশ্বাস করলো না। সে আমার পাসে এসে বসে একটা বিড়ি ধরালো আর বললো আমি লেখা পড়া জানিনা তোমার গেঞ্জিতে যা লেখা আছে পড়ে শুনায়। আমি পড়ে শুনালাম। তার পরে সে আমাকে বললো আমি বুঝতে পারছি তুমি #গোয়েন্দার লোক। তদন্ত করতে এসেছো। আমার অনেক কাজ আছে আমি গেলাম। তুমি সাবধানে থেকো। জমানা ভালো না। সে আর আমাকে কোনো কথা বলার সুযোগে না দিয়ে দ্রুত উঠে চলে গেলো। আমি কিছু সময় বসে আবারও হাটা শুরু করলাম। #তেরাইল_বাজার পার হয়ে হাটতে হাটতে এক অজানা নদীর সেতু পার হয়ে কিছুটা সামনে গিয়ে একটা বড় #দুর্ঘটনার হাত থেকে বেঁচে গেলাম। একটা ট্রাক পেছন থেকে এসে প্রায় আমার গা ঘেসে চলে গেলো। আমার সাইটে সামান্য একটু যায়গা ছিল। একেবারে অলৌকিকভাবে বেঁচে গেলাম আল্লাহর ইচ্ছায়।তারপর হাঁটতে হাঁটতে #বামুন্দি_বাজারে গিয়ে একটা ছোট হোটেলে মুরগির মাংস দিয়ে দুপুরের খাবার সেরে আবার হাটা শুরু করে #মেহেরপুর_কুষ্টিয়া হাইওয়ে পথ ধরে #মিরপুর বাস স্টান্ড হয়ে #নোয়াপাড়া_বাজার পৌঁছায়ে হাটা বাদ দিলাম। কিছুই করার ছিল না। এতো অন্ধকার আবার রাস্তার সাইডে যায়গা নেই হাটার জন্য। দূরত্ব ছিল ৪৪ কিঃ মিঃ। ্বে এতো পথ কয়েক বার হেটেছি। কিন্তু আজকের মতো কষ্ট আগে কখনো হয়নি। কারণ হাইওয়ে রাস্তা অনেক গাড়ি চলে সেই তুলনায় রাস্তা সরু। তারপরে আবার সাইডে যায়গা নেই। কয়েক বার #দুর্ঘটনার হাত থেকে বাচিছি। রাতে সি এন জি করে #কুষ্টিয়া_সদরে এসে একটা হোটেলে উঠলাম। ফ্রেশ হয়ে বাইরে কিছু সময় হাঁটাচলা করে খাবার খেয়ে রুমে চলে আসলাম।

#বিশেষ_দ্রষ্টব্যঃ যারা বাস বা ট্রাক চালোক তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই দয়া করে বেপরোয়া ভাবে গাড়ি চালাবেন না। সবার জীবণের মূল্য আছে। আপনার মা,বাবা,ভাই, বোন,সহধর্মিণী ও সন্তানরাও রাস্তায় চলাচল করে। এটা মনে করে গাড়ি চালাবেন।

Photos from Travel With Rimon's post 21/12/2021

্ড / িনঃ
১৩-১১-২০২০

খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে Ttcm Saddam মামার কাছথেকে বিদায় নিয়ে হাটা শুরু করলাম মেইন রাস্তা ধরে হাটলাম। রোদের তীব্রতা অনেক বেশি ছিল। পথে তেমন বড় গাছপালা না থাকায় অতিরিক্ত গরম লাগছিল। প্রায় ১০ কিঃ মিঃ পথ পাড়ি দেওয়ার পরে কুকুর বাহিনীর খপ্পরে পড়ে ছিলাম। এক পথচারী ভাই এর সাহায্যে বাঁচলাম। রাস্তার ধারে একটা কাঠের গুড়ি দেখে সেখানে বসে কিছু সময় জিড়িয়ে নিলাম। তারপর আবার হাটা শুরু করে #নারায়ণপুর বাজারে গিয়ে জুম্মার নামাজ পড়লাম। এইদিকে পেট আর ক্ষুধা সহ্য করতে পারছিল না। কাছাকাছি একটা হোটেলে ঢুকলাম। শুক্রবার বলে কথা মাংস না হলে জমে না। কিন্তু হোটেলে মাংস দেখে ক্ষেতে মন চাইলো না। তাই বাদ্ধ হয়ে ডিম ঝোল দিয়ে দুপুরের খাবার খেয়ে আবার হাটা শুরু করলাম। #নারায়ণপুর বাজার ও #বদরগঞ্জ বাজার এর মাঝখানে একটা ছোট বাজার আছে। সেখানে কিছু ডিবি পুলিশ মটর বাইক থামিয়ে চেক করছে। আমি হেটে যাওয়ার সময় তারা সন্দেহ বসত আমাকে থামালো। তারা আমার ঠিকানা আমার হাটার উদ্দেশ্য সব শুনলো। কিন্তু তারা আমার কথা বিশ্বাস না করে আমাকে থানায় নিয়ে যাওয়ার চিন্তা-ভাবনা নিল। তখন আমি তাদেরকে বললাম আমার জেলার প্রেসক্লাবের চিঠি ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের কার্ড আছে তারা গুরুত্ব দিলোনা। আমার পকেটে চেক করলো এবং আমার ব্যাগ এলোমেলো করল। আমি মেনে নিলাম। তারপর আমাকে ছেড়ে দিলো। তারপর #বদরগঞ্জ বাজারে পৌছালে আক মুরুব্বি আমাকে থামিয়ে আমার গেঞ্জির লেখা পড়ে আমার উদ্দেশ্য যানতে চাইলো। সব শুনে তিনি দোয়া করলেন আর আমাকে যোর করে এক কাপ চা আর বিস্কিট খাওয়ালেন। তিনি জানালেন তিনিও যোয়ান বয়সে #পায়ে_হেঁটে_ভ্রমণ করতেন। কিন্তু খুব বেশি পথ না। তার সাথে কিছু সময় গল্প করলাম। তারপর তার কাছ থেকে বিদায় নেওয়ার সময় সে আমাকে বললো দ্রুত তোমার এই #ভ্রমণ শেষ করে ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে যাও। আমি তাকে ধন্যবাদ দিয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে পরলাম আমার গন্তব্যের উদ্দেশে। পায়ে সমস্যা হচ্ছিল তার পরেও থেমে যায়নি ঐ অবস্থায় অনেক দূর হেটে আমার গন্তব্য #চুয়াডাঙ্গায় পৌছালাম। তারপর #পৌরসভার পাশে একটা আবাসিক হোটেলের রুম নিলাম। তারপর ফ্রেশ হয়ে বাইরে বের হলাম খাবারের সন্ধানে। খাইতে মন চাচ্ছিল না কিন্তু পেটে ক্ষুধা ছিল তাই একটা মংলায় আর এক কাপ চা খেয়ে রুমে ফিরে আসলাম। তারপর কিছু সময় #ফেসবুক চালায় ঘুমায়ে পড়লাম।
আফসোস থেকে গেলো মামার বাসা থেকে দ্রুত বের হওয়ার কারণে মামার সাথে আমার ছবি তোলা হলো না।

Want your business to be the top-listed Media Company in Jessore?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Jessore
7400